আমার প্রিয় পোস্ট
- কিংবদন্তী ঢাকার মসলিন (পর্ব-১) - প্রিয়তমা
- ভারতের টেলিকম কেলেংকারি, স্পেকট্রাম লুট ও বাংলাদেশ প্রসংগ - দিনমজুর
- ব্লগিং কি, কেন এবং কিভাবে করবেন - কানন শাহ
- বাংলাদেশের 'উত্তর-ঔপনিবেশিক' বিচারকবৃন্দ: ব্লাক স্কিন, হোয়াইট মাস্কস - রিফাত হাসান
- ৯/১১ ঘটনা: নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করুন - এস. এম. রায়হান
- গ্রামীনফোন এর ডায়নামিক কল রেট অফার এবং আমাদের কে সুক্ষ্মভাবে দেয়া বাঁশ সমাচার। - বাউন্ডুলে রুবেল
- ভূমি জরিপের কথা শুনলেই পাহাড়ী নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে যায় ! কিন্তু কেনো ???? - সুপান্থ রহমান
- সকল স্যামসাং মোবাইল এর গোপন কোড!!! - মঈনউদ্দিন
- আদালত অবমাননা, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং অন্যান্য - আগামি
- মজার ও দরকারি ১১টি ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন - মোঃ মইনুল হাসান
- সকল চায়না মোবাইল এর গোপন কোড
(আপনারা যারা চায়না মোবাইল ব্যাবহার করেন তাদের কাজে আসতে পারে) - মঈনউদ্দিন
- ভোগবাদ, র্দূনীতি ও কর্পোরেট বাণিজ্য (তৃতীয় পর্ব) - তাজা কলম
- স্বর্ণানুপাত বা গোল্ডেন রেশিও !!! - সাকিরা জাননাত
শব্দের পোস্টমর্টেম -১৪
২২ শে আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
শব্দের দৈনন্দিন ব্যবহারের ফলে এবং সাহিত্যে নতুন নতুন অর্থে শব্দ প্রয়োগের কারণে প্রতিনিয়তই যে কত শব্দের অর্থে পরিবর্তন ঘটছে, তা হিসাব করা দুরূহ। যেমন ধরুন :
সংস্কৃত ভাষায় কাপড়ের টানার সুতোকে 'ওত' এবং পোড়েনের সুতোকে 'প্রোত' বলা হয়। সমাজবদ্ধ এ শব্দটির অর্থ হচ্ছে টানা ও পোড়েনের সুতো যা পরিব্যাপ্ত হয়ে আছে বা একটি নকশায় যা ওত এবং প্রোতের সঙ্গে গ্রথিত হয়ে আছে। বাংলায়ও শব্দ দুটি আলাদাভাবে গৃহীত না হয়ে সমানবদ্ধভাবে গৃহীত হয়েছে। বাংলায় এটার অর্থ বিশেষভাবে জড়িত, পরিব্যাপ্ত। এখানে সুতোর প্রসঙ্গ অনুপস্থিত।
প্রাচীন সংস্কৃত ভাষায় 'কদর্য' শব্দের অর্থ হলো কুৎসিত স্বামী। শব্দটি বাংলায় সরাসরি প্রবেশ করলেও এটার পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। কারণ বাংলায় স্বামী-অস্বামী নির্বিশেষে যা কিছু কুৎসিত তা-ই কদর্য। সংস্কৃতিতে 'কু' মানে কুৎসিত আর 'অর্য' মানে স্বামী।
কদর্যের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে 'যে ব্যক্তি পুত্র কন্যাকে নিপীড়ন কর ধন সঞ্চয় করতো, সেই হাড়কেপ্পনকে বলা হতো কদর্য'। বাংলায় কদর্য মানে কুৎসিত, বিশ্রী, গর্হিত। (চলবে)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শব্দ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাইমুম বলেছেন:
খন্ড-ত এমন হয়ে যায় কেন? এটার সমাধান কি নেই?
সাইমুম বলেছেন:
অচেনা বাঙালি : ধারাবাহিক ধন্যবাদ।
সাইমুম বলেছেন:
আপন : তাই নাকি? আচ্ছা ভাই, আপনি কি অহনো ডুডু খান?
সাইমুম বলেছেন:
ইটস ওকে সারোয়ার।
নাসিম আহমেদ বলেছেন:
অনেকে দেখি ঠিকমত খন্ডত লিখছেন। কিভাবে লিখছেন বলবেন।
সাইমুম বলেছেন:
নারে ভাই, খন্ড-ত কিভাবে ঠিক কইরা লিখছে, তা জানি না। শুধু তাই নয়, আমি মধ্যর্ণ +ড একসঙ্গে লিখতে পারছি না।
সাইমুম বলেছেন:
আইজু : এটা আমার একক কৃতিত্ব নয়। ইটিমোলজি কেউ নিজে উদ্ভাবন করে না। হাজারো বইয়ের ধারণা নিয়ে নিজের মত তাতে যোগ করে মাত্র। আমিও একই ধারায় এগুচ্ছি। বাংলা ভাষায় ইটিমোলজি নিয়ে প্রামাণ্য কোনো বই নেই। যতোটুকু আলোচনা বাজারে পাওয়া যায়, তাও বিক্ষিপ্ত। আমি বিক্ষিপ্ত বিষয়গুলো আমার নিজের মতো করে একত্রিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম ২০০১ সালে। কিন্তু তথ্যের অপর্যাপ্ততার কারণে বুঝতে পারলাম, এক কাজ আমার পক্ষে এককভাবে করা সম্ভব নয়। তাই আমার সংগ্রহগুলোকে বাজিয়ে দেখছি।
আমার টার্গেট দুটি। প্রথমত, ইটিমোলজির ব্যাপারে আগ্রহ সৃষ্টি। দ্বিতীয়ত, কারো কাছ থেকে বাড়তি কোনো তথ্য পাওয়া যায় কিনা।
আর কপি পেস্টের কথা বলছ? এসব চিন্তা তোমার মতো দুই নম্বরের মাথায় আসতে পারে।
আমার তো বিশ্বাস, তোমার অনিয়ন্ত্রিত ছাগলামির কারণে আল্লাহ পশুদের প্রমোশন স্টপ করে রাখছে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















