somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এফএম রেডিও’তে আরজে ভাইভা এবং সেই মেয়েটি

২১ শে আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ গিয়েছিলাম আপ কামিং এফএম রেডিও ‘কলার রেডিও’র (১১১.২ ) আর জে হওয়ার জন্য ভাইভা দিতে। ওয়েটিং রুমে বসে আছি অস্থির চিত্তে কখন ডাক আসবে। এরই মধ্যে এক তরুণী হাঁস-ফাঁস করে করে বেরিয়ে আসলো ভাইভা দিয়ে।

আমার পাশেই খুব ক্লান্তি নিয়ে বসলো। আমি তাই দেরি না করে ঝটপট প্রশ্ন করলাম আপু আপনি কি ভাইভা দিলেন.? কি কি জিজ্ঞেস করলো..? “ জ্বি ভাইভা দিলাম। আর বলোনা এতা প্রশ্ন করেছে উত্তর দিতে দিতে অস্থির হয়েছি। যাও না দেখবে কেমন প্রশ্ন করে। তবে ওরা না অনেক আন্তরিক আমার খুব ভালো লেগেছে জানো ? গান গাইতে বলেছে গানও গেয়েছি।” মেয়েটা আমাকে তুমি-তুমি করে অস্থির করে ফেলল। এতো অল্প সময়ে এতো বেশি কথা এবং এতো বেশি ‘তুমি’ শুধু পাক্কা আরজে দ্বারাই সম্ভব।

প্রথম দেখায়, প্রথম কথায় কোন মেয়ে এতো সাবলীলভাবে একটা ছেলেকে এতো তুমি-তুমি করে বলতে পারে আমার জানা ছিল না। মেয়েটা আমার চেয়ে ২/৪/৬ বছরের ছোট অপেক্ষা বড় হবে না বৈকি। কোন ছেলে এভাবে তুমি-তুমি বললে তার কপালে থাপ্পড় ছাড়া কিছু জুটতো না। মেয়ে বলে কথা তাই নিরবে ভালো লাগাই অনুভব করেছি।

যদি কেউ প্রশ্ন করেন মেয়েটা দেখতে কেমন..? একবাক্যে বলব যদি কেউ আমাকে ওর সাথে জোড় করে বিয়ে দিয়ে দেয় আমি অখুশি হবো না। অখুশি হতে পারব না। অখুশি হওয়া সম্ভব না।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মেয়েটা চলে গেল। যাওয়া সময় বললো..ভালো থাকো তুমি। অল দ্য বেস্ট। টিকে গেলে দেখা হবে আবার।

আমারও খু্ব ওকে আটকে রাখতে ইচ্ছে হলো এবং বলতে ইচ্ছে হলো ‘দাঁড়াও এতো তড়িঘড়ি করে যাচ্ছ কেন..? এক সাথে যাই।’ কিন্তু সেটি বলার সাহস জুটলো না। একটি বারও তাকে তুমি বলে অনাবিল আনন্দের অংশীদার হতে পারলাম না। এতো কথা বলেও তার নাম, কাম ফেসবুক আইডি কিছুই জানা হলো না।

শেষ পযর্ন্ত যখন চলেই যাচ্ছে তখন তার হাতে আমার অফিস থেকে দেয়া ভিজিটিং কার্ডটা ধরিয়ে দেয়ার তীব্র আকাঙ্খা থাকা সত্ত্বে ফেল মেরেছি।

ভাইবা শেষে জানতে পেলাম এটি ছিল প্রাথমিক স্তর। পযার্য়ক্রমে পরীক্ষা, আডিশন, চূড়ান্ত ভাইভা অনেক কিছুই দিতে হবে। তাই স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখার সাহস করলাম। ওই মেয়ের সাথে পুনরায় দেখা পাওয়ার অপেক্ষায় না প্রতিক্ষায় থাকলাম..
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৪০
১১টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাদশা নামদার - হুমায়ূন আহমেদ (বই রিভিউ)

লিখেছেন আর্বনীল, ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ১২:৩১

“বাদশাহ নামদার” একটি ইতিহাস আশ্রিত ফিকশন। ইতিহাসের কোন চরিত্রকে সরাসরি নিয়ে এই প্রথম কোন উপন্যাস রচনা করলেন হুমায়ূন আহমেদ। সেটা আবার হুমায়ূন মীর্জার মতো ‘বহু বর্ণে’র একজন সম্রাটকে নিয়ে। হুমায়ুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি রায়ের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় প্রমাণ করে আমরা মানসিক বিকারগ্রস্ত সমাজের মানুষ নামের পশু ॥

লিখেছেন সূফি বরষণ, ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ ভোর ৫:৫৬

একটি রায়ের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় প্রমাণ করে আমরা মানসিক বিকারগ্রস্ত সমাজের মানুষ নামের পশু ॥

সূফি বরষণ
জাতীয় সংসদে 'সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী একবার দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, "আমার পিতা ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের পূর্বপর্যন্ত পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বই পর্যালোচনাঃ সূর্য দীঘল বাড়ী

লিখেছেন হারু মিয়া, ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ ভোর ৬:৩৬





উপন্যাসের একেবারে শুরুতেই ১৩৫০ বঙ্গাব্দ তথা ইংরেজি ১৯৪৩ সনে বাংলায় দুর্ভিক্ষের একটা বর্ণনা পাওয়া যায় । শহুরে ব্যবসায়ীরা মজুদ করে করে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়িয়ে আংগুল ফুলে কলাগাছ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কুরান সম্পর্কে ১২ ইমামিয়া শিয়াদের আকিদা

লিখেছেন আল মাহদী ফোর্স, ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ সকাল ৭:৪৩


অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে পবিত্র ১২ ইমামিয়া শিয়াদের বিরুদ্বে যে চরম মিথ্যাচার চালান হয় তা হলঃ শিয়ারা এই কুরান মানে না,তাদের আলাদা কুরান আছে।এই ইহুদী মার্কা মিথ্যাচার জোড়াল ভাবে প্রচারনায় যারা অবদান... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ এক বিকেলে বৃষ্টির বান্ধবীর সাথে- পর্ব ৩ (খানিক রম্য) B-) B-) B-)

লিখেছেন এস কাজী, ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ সকাল ১০:৫১

বিকেলে ছাদে এসে পৌঁছতেই মোবাইলের টেক্সট টোন টা বেজে উঠলো। আলাদা করে রিং টোন সিলেক্ট করে রাখায় বুঝতে দেরি হলনা যে এটা বৃষ্টির টেক্সট। বৃষ্টির টেক্সট গুলো দেখার আগেই আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ কেমন বিচার!

লিখেছেন কাজী মুমিনুল, ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৪


দোষ করল একজন আর শাস্তি পেল আরেকজন? এ কেমন বিচার এ কেমন বর্বরতা, এ কেমন নিষ্ঠুরতা, এ কেমন অবিচার, এ কেমন আইন, এ কেমন আইন দিয়ে হত্যা। এ কেমন... ...বাকিটুকু পড়ুন