কোনো কোনো দিন আসে , আসে মৃত্তিকার গন্ধ সাথে করে ।
সেই দিনগুলোতে বৃষ্টির ভেজা গন্ধ থাকে , থাকে নিয়ম ভুলে
যাওয়া সন্নাসীর মৌনতা।
তখন নত হয়ে দেখি সবুজ ঘাসের ডগায় পিঁপড়ের হেঁটে যাওয়া ।
পিঁপড়েরা সার বেঁধে হেঁটে যায় , যেন এক যৌথ মুগ্ধতা...।
মুগ্ধতার বিস্ময় নিয়ে মনে পড়ে; আমিও ভীষণ কাঙাল হয়ে থাকি,
থাকি পোড়া ক্ষত ভুলে যাওয়া আর মহল পুড়ে ছাই হয়ে খোঁজা
শরীরের গভীরতা।
সেইসব দিনগুলো আসে কখনো রাত্রির ছদ্মবেশে, কখনোবা আসে
মাঝ নদীতে ফুলে ওঠা নৌকোর পালের ভেতর পোয়াতি নারীর
পেটের মতো। তখন রত্রির গভীরতায় ডুব দেয় ঘুম ঘুম অসারতা।
তখন মনে পড়ে , এইসব আদিম নশ্বরতায় আমিওতো খুঁজে বেড়িয়েছি
মানিক রতন! মনে পড়ে সেদিনের রাতগুলোতে ছিলো বিষাদের মোহময়তা
আর দিনযাপনের ক্লান্তিতে খুঁজে ফিরেছি সহজিয়া রোদ্দুরের রূপালী উষ্ণতা।
কোনো কোনো দিন বুঝি আসে, রক্তে জাগে মাতাল অস্বস্তি।সেই দিনগুলোতে বুঝি প্রয়োজন হয় স্বস্তির পরম এক নির্ভরতা।নির্ভরতা খুঁজে দিনমান আমিও ব্যথার গভীর থেকে তুলে আনি নিজেকে। আর পাখির ডানার মতো ছুঁয়ে যাওয়া বেদনায়- সঁপে দিই আদিম সরলতায়.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



