ছোট বেলায় “আমার জীবনের লক্ষ্য” রচনা পরেনি এমন মানুষ নেই । লক্ষ্য বিহীন মানুষ হাল বিহীন তরীর মত পড়ে এসেছি । এমন ই এক হাল বিহীন তরী আমি ।
যাত্রা শুরু ১৯৯১ এ এক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে । ক্লাসের অন্যতম অখ্যাত ছাত্র ছিলাম । student হিসেবে মোটামুটি । নিরীহ গোবেচারা টাইপের ছেলে । তাই teacher classmate কারো কাছেই বিশেষ পাত্তা পেতাম না । ১ বছর পর স্কুল change করে oxford international এ ভর্তি হলাম । এবার ক্লাসের 2nd বয় ।কিন্তু এখানেও অবস্থার কিছুটা উন্নতি হল । টিচারদের প্রিয় ছিলাম । but মনে রাখার মত বন্ধু জোটেনি । এখানে দুই বছর কাটানোর পর 2nd থেকে নেমে 11th হলাম ।এরপর ভর্তি হলাম junior laboratory তে । এখানে ক্লাস এইট পর্যন্ত ছিলাম । এখানে জীবনের বেশ কিছুটা সময় পার করলাম । বরাবর ই কিছুটা শান্তিপ্রিয় প্রাণী আমি । ঠেকায় না পড়লে ঝামেলায় জড়াই না । তারপরও ক্লাসের মাস্তান টাইপের ছেলেদের যন্ত্রণা সহ্য করতাম মুখ বুজে । এখানে বেশ কিছু বন্ধু জুটেছিল । সবাইকে ভাল বলব না but মনে রাখার মত । Junior lab এ আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল teacher রা ।সবাই আমাকে অনেক বেশি স্নেহ করত । বন্ধু মহলে খুব বেশি popular ছিলাম না । খেলাধুলাও তেমন করতাম না ।কারন অল্পেই হাপিয়ে যাই আমি, আর এ ক্ষেত্রে তেমন পারদর্শীও ছিলাম না । এই একটা ব্যাপারে আমার সবসময় ই আফসোস ছিল এবং থাকবে । এখন সেসব কথা মনে পড়লে হাসি আসে ।
তখন junior lab এ অন্য স্কুলের নামে SSC দিতে হত । একারনে আবারও স্কুল change করলাম । এই decision টা আমি ই নিয়েছি । এবার ঘরের কাছে new model . And this is the most disgusting, embarrassing chapter of my life. দু-একজন বাদে সব teacher ই বিরক্তিকর ।আর classmate ? They are all just bullshit. আমার এখনো কেউ স্কুলের নাম জানতে চাইলে embarrassed লাগে । যাই হোক, দুই বছর অতি কষ্টে পার করে SSC দিলাম । result 4.38. Result পেয়ে মন্ টা যথেষ্ঠ খারাপ হয়েছিল । এরপর শুরু হল কলেজে ভর্তির জন্য টম এন্ড জেরীর মত ছুটোছুটি ও ভাগ্যের WWF খেলা. বাংলাদেশ রাইফেলস কলেজে waiting list থেকে viva এর জন্য ডাক্ পেলাম । গিয়ে শুনি ভর্তি হতে হলে সেদিনই মার্কশিট জমা দিতে হবে । এখন, ভর্তি হব নাকি হব না সেই decision ও আমার ই নেয়া লাগবে। সাথে কেউ ছিল না বলে । আল্লাহর নাম নিয়ে গেলাম ভর্তি হয়ে ।
সারা স্কুল জীবনে share করার মত, আড্ডা দেয়ার মত , ঘুরতে যাওয়ার মত কোন বন্ধু পাইনি । যা ঘুরার , ঘুরেছি মামাত ভাই রুম্মান আর ওর friend দের সাথে । ধানমন্ডি ২৮ নং এর নজ্রুল ইন্সটিটিউটের সাম্নে সোহেলের চায়ের দোকানে বসে ব্যাপক আড্ডা মারতাম । but ওদের সাথে বিড়ি ছাড়া আর কিছুই share করতাম না । বন্ধুর অভাবে বেশ lonely লাগত । তারপরও একা থাকা টা অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় ভালই লাগত । স্কুল জীবনের শেষে সবচেয়ে পরিবর্তন টা আস্লো আমার মধ্যে তা হল এর পর থেকে কাউকেই তেমন care করতাম না । I DON’T CARE & I DON’T GIVE A DAMN এটাই ছিল summery..উল্লেখযোগ্য কোন destiny ও achievement ছাড়াই স্কুল লাইফ শেষ করে আমার হাল বিহীন নৌকা জরাজীর্ণ অবস্থায় গিয়ে ঠেক্ল BDR college এর গেটে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



