জসীম ঊদ্দীন কে দেখতে গিয়েছিলাম রোজার কিছুদিন আগে । ঊদ্দেশ্য বা গন্তব্য কিন্তু এমুখো ছিলনা ।
আমার বাড়ির এত কাছে ।
কোনোদিন যাইনি ।
গেলাম এবার ।
অন্যরকম অনুভূতি ।
খারাপও লাগল চারদিকে এত অবহেলা দেখে । কেঊ নাই দেখার ।
গ্রামীন ফোন বোধ হয় একবার ঊদ্যোগী হয়েছিল ।
মেলা হলে বোধদয় ঘটে অথবা তার জন্মমৃত্যু দিবসে তার কথা মানুষ স্মরণ করে ।
আর সারাটা বছর সে পড়ে থাকে অনাদরে ।
শুধু করবস্থানটাই সংরক্ষণ করা হয় ।

একটু ভিতরে ঢুকে দেখি ।
কবরস্থানে ঢোকার সিঁড়ি ।

আরেকটু সামনে এগোই । কোনো দারোয়ান ছিল না । তাই আশপাশটা ভাল করে দেখেনিলাম ।

জিপির স্পন্সর । এর হাল ও খুব সুবিধের না ।

দরজায় কোনো তালা নাই ।

অরক্ষিত অবস্থায় ।


যে কেউ চাইলে নিয়ে যেতে পারে । সবই উন্মুক্ত । সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো শুধু দেয়ালে বাধাই করা ।

কবির স্মৃতি । আমাদের ঐতিহ্য ।




শুধু কবিঘরটি তালা বদ্ধ ছিল ।

কিন্তু তার অবস্থাও খুব ভাল না ।

বাড়ির পিছনে পুকুর ঘাট ।

পিছনে খোলা ধু ধু প্রান্তর ।

ছোট একটা দোকান ।

পুকুরে পাট পঁচানো হচ্ছে ।

উঠোনের দিকটা পুরাই খোলা । পুকুরের অবস্থাও করুন । মশা ও জীবাণুর আখড়া ।



কবির হাতে বানানো পাখির বাসা ।


কালের সাক্ষী ।

কবি ঘর ।

শান্ত কুমার নদী ।

আমরা আমাদের কবিকে এত অনাদরে ফেলে রেখেছি । আমাদের সংস্কৃতিকে আমরাই ধ্বংসের পথে ফেলে দিচ্ছি । বাংলাদেশে এমন হাজারো ইতিহাস আছে । যাকে শুধু আমরাই পারি বাঁচাতে । সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে যদি আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই তাহলে আমরা এগিয়ে যাব ঠিকই কিন্তু অন্তঃসারশুণ্য হয়ে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

