-ছেলে =মেয়ে
=কতোক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছ?
-দেড়ঘন্টা
=আসার কথা ছিল আধঘন্টা আগে। তুমি আবারও একঘন্টা আগে এসে বসে আছ কেন?
-আগে যেমন বলেছি তোমার জন্য অপেক্ষা করতে ভাল লাগে---
“ নাও যদি হও বধূ-
যতোদিন
তুমি আছ আমারই
আমারই শুধু
ততোদিন-
তোমার অপেক্ষাই জেনো মধু।"
=এটা কী এতক্ষণ বসে বসে লিখলে না কী?
-না এটা আগের লেখা। তবে এতক্ষণ বসে বসে অপেক্ষা নিয়ে একটি কবিতা লিখেছি।
= এখানে তো আর কাউকে দেখছি না যে তোমার কবিতা শুনবে! আমাকেই শোনাও...
- নাম অপেক্ষা...
তাপিয়ে যায় গ্রীষ্ম
ভাসিয়ে যায় বর্ষা
ভাবিয়ে যায় শরৎ
মাতিয়ে যায় হেমন্ত
কাঁপিয়ে যায় শীত
আসে অতি আকাঙ্খিত বসন্ত,
ঋতুচক্রে তোমার অপেক্ষা-
সে কী অনন্ত?
-ঠিক লিখেছি না? তোমার জন্য আর কতো অপেক্ষা করবো...
=শেষ লাইনগুলো যদি ঠিকভাবে লিখতে তাহলেই বুঝতে পারতে যে আর কতো অপেক্ষা করা লাগবে!
-মানে?
=তুমি লিখলে “ঋতুচক্রে তোমার অপেক্ষা... সে কী অনন্ত?” এখানে লেখা উচিত ছিল “বেকারচক্রে বউয়ের অপেক্ষা... সে কী অনন্ত?
-ঠিক আছে তাহলে তুমিই বল যারা বেকার চক্রে আছে তাদের অপেক্ষা কী অনন্ত?
= হ্যাঁ অনন্ত!
-কীভাবে? অনেক বেকার তো বেকার অবস্থায়ই বিয়ে করে ফেলছে!
= আমি বলছি তোমার কথা। তুমি যদি বেকারচক্রেই ঘুরপাক খেতে থাকো আর যদি ভাবো আমাকেই বিয়ে করবে তাহলে তোমার অপেক্ষা অনন্ত হবেই! অবশ্য তোমার তো তাতে কোন সমস্যা নেই!
নাও যদি হই তোমার বধূ
আমার অপেক্ষাই তোমার মধু!
-হ্যাঁ “যতোদিন তুমি আমারই শুধু!”
------------------------------------------

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



