প্রজন্ম
২৮ শে মার্চ, ২০০৬ সকাল ৭:২০
এসব আপাতব্যস্ততা আর দু-একটি কিশোরীর শরীরসন্ধান ,
অহরাত্র ধরে তাদের মা ও মাসীকে আমি ভীষণ চিনে যাই ;
আর আমারও সর্বশরীরে কখনও রাত্রি নামে বিষণ্ন মেঘময় -
কেননা এ হস্তকাম ছাড়া এযুগে সকল নিষ্কাশন নিষিদ্ধ ।
কাহাদের ঘাম বীর্য মাটি ও মদ্য সমাপ্ত হয়ে সন্ধ্যা নেমেছে
তোমার যত ভ্রূণে ও ভ্রূণমূলে ; যেখানে সন্তান হবে না শুধু
রৌদ্্র আছড়িয়ে পড়ে আমার ভূত ও ভবিষ্যৎ সমানে নষ্ট হয় ।
তোমার এখানে ও সেখানে মুখ ঝুঁকিয়ে চুবিয়ে আমি দারুণ
নেশাগ্রস্ত আর তখনই আমার জন্মগুলি ভীষণ একাকী ।
আমি ও অনন্তনাগ একই রক্তে মিশছি আস্তে আস্তে শব্দ করিনি ,
কারণ এখনও আমার এ রাত্রিপথ হাঁটা শুধু অন্ধকারময় ।
(1991)
[লেখাটি কবিতা হিসেবে প্রকাশিত হয় বিভিন্ন পত্রিকায় - বিভিন্ন নামে । এমনকি একবার "শ্যাওলা ও অন্ধকার বিষয়ক দু-একটি কথা" - এ হেন দীর্ঘ ও দুর্বোদ্ধ শিরোনামও লেখাটির ভাগ্যে জুটেছে ]
প্রকাশ করা হয়েছে: বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
অতিথি বলেছেন:
লেখাটি কি কবিতা ছাড়া অন্য কোন বিষয় হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে? উপন্যাস, ছোট গল্প, রচনা, প্রবন্ধ? এমন সুড়সুড়ী মার্কা কবিতার আমারতো মনে হয় না কোন মহত্ব আছে শিল্প রসের কেবল আদিরসের কিছু উত্তেজনা জোটানো ছাড়া!
অতিথি বলেছেন:
আমাকে কি আপনার পাঠক মনে হয় না? অবশ্য আপনাকে আমার গোবর বলেই মনে হয়। যে পাঠকের জন্য লিখেছেন তাকে বাড়ীতে গিয়ে শোনালেই পারতেন, ব্লগে কেন আসা?
শমিত বলেছেন:
আপনার এটি সুড়সুড়ি মার্কা আদিরস লাগলো বুঝি !! ভালো ! যার যেমন মগজের ক্ষমতা ! ভালো থাকবেন । শিল্পের রস-কষ-সিঙারা-বুলবুলি - সব খাবেন - চেটে পুটে ।
অতিথি বলেছেন:
বয়স তো মনে হয় 35, আবার কিশোরীকে নিয়ে ফস্টি নস্টি করার হাউস, তোর ব্যাটা মাথা আমি ফাটিয়ে দেবো! যুবতীদের সাথে মাখামাখি কর, নয়তো আন্টিদের সাথে, বাচ্চাদের দিকে ভুলেও হাত বাড়াস না বলে দিলুম কিন্তু?
শমিত বলেছেন:
শোনেন কাকা , আপনি পাঠক , ফাটক , আটক যা খুশী হতে পারেন , আমার তাইতে কোনো আপত্তি নাই । আমার বক্তব্য:1. আপনি বা আপনার মতো যে পাঠক-ফাটক-আটকের এই লেখাটিকে সুড়সুড়ি মার্কা আদিরসের কবিতা মনে হয় , তাদের জন্য আমি লিখি না ।
2. ব্লগে আসা মানেই হাবা পাঠককে শিল্পতত্ত্ব বোঝানোর দায়িত্বনিজের কাঁধে তুলে নেওয়া - এ আমি মনে করি না ।
3. আপনি রাগ করবেন না । আপনার মতো পাঠকদের জন্য মনে হয় সত্যই আমার একটি লেখাও নয় ।
ভালো থাকবেন আপনি আপনার নিজস্ব শিল্পবোধে । আমিও আমার ।
অতিথি বলেছেন:
ভাই কৌশিক ! যেইটা অশ্লিল রাগে সেইটা পইড়েন না । তাইলেই হইবো ।
শমিত বলেছেন:
এই তো - আসল রূপটি বেড়িয়ে পড়েছে! হোঃ হোঃ হোঃ! তাই ভাবি , কথা বলার ভঙ্গীটি তো আস্তআকাটের মতো , শিল্প-সাহিত্য নিয়ে ফালতু খাজুর পাড়ে কেন? এখন বুঝি, কত্তার এতেই আমোদ , এতেই অবদমন ।
অতিথি বলেছেন:
আপনার সৃষ্টির সাথে আপনি একাত্ম হবার চেষ্টা যদি না করে থাকেন তবে এর গভীরতম অনুভূতির বিন্দুবিসর্গ আপনি বোঝাতে ব্যর্থহয়েছেন। আপনি স্বপ্নে কোন ইনসেস্ট চরিতার্থ করছেন, তা আপনার সাথেই থাক না! যে প্রকাশ আপনার কেন্দ্রিকতায় আপনাকে সমূলে উৎপাটন করতে পারে তার সাথে সাজুস্য আমাদের সংস্কৃতির সাথে সংঘাতপূর্ণ। আপনি বিরোধীতা করুন কিন্তুকখনই এই ভূমির গন্ধ আর এর যে সীমাবদ্ধতা আপনার মনন-শিক্ষা-চিন্তায় প্রোত্থথন করা হয়েছে, তাকে ছেড়ে যেতে পারবেন না।
হিমু বলেছেন:
ওকে ওকে ... মীমাংসা করে দিই। কিশোরীরা আমার আর কৌশিকের, মা-মাসীরা শমিতের ... সুমন ভাই কোন দলে যাবেন ঠিক করেন, বয়স তো কম হইলো না আপনার ... কৌশিক, শমিত ... আর কাইজ্যা করে না ... মিল্যাঝিল্যা ...
হিমু বলেছেন:
আরে কী-ই বা রক্তমাংস আছে বেচারা শমিতের গায়ে, লেখাটা পড়ে দেখেন, এত কিশোরী, এত মামাসীর সাথে অ্যাক্টিভিটি ... গায়ে কী আর কিছু আছে? ক্ষয়, ক্ষয়! শমিদ্দা সামলে, হাতে এত কাজ নেবেন না দাদা ...।
হিমু বলেছেন:
কৌশিক হাসেন নাই
অতিথি বলেছেন:
রক্তে মাংসের শমিতের সাথে আমরা "কাইজা" নাই। শমিতের সৃষ্টি নিয়ে আমার বক্তব্য। আমি নিশ্চিত তার মধ্যে অনেক প্রতিভা আছে। তবে শমিতের আন্ডারমাইন করার প্রবণতা তাকে প্রতিভাদৃপ্ত করার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় মনে হচ্ছে।
শমিত বলেছেন:
এবার আসি কৌশিকের মন্তব্যে । কাইজ্যা নয় । বন্ধু সাদিকের 3 নম্বর নীতি 1. "আপনার সৃষ্টির সাথে আপনি একাত্ম হবার চেষ্টা যদি না করে থাকেন তবে এর গভীরতম অনুভূতির বিন্দুবিসর্গ বোঝাতে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন ।"
- নিজের সৃষ্টির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার চেষ্টা না করলেই লেখক ব্যর্থ, এ কথা এই জমানায় বললে ল্যাম্পপোস্টেও হাসবে । আর গভীরতম "অনুভূতি" নামক কাঁঠালের আমসত্ত্বটির বোঝা সাহিত্যের মাথা থেকে যত তাড়াতাড়ি হাটানো যায় , তত মঙ্গল ।
2. "আপনি স্বপ্নে কোন ইনসেস্ট চরিতার্থ করেছেন , তা আপনার সাথেই থাক না"
- আমার এই লেখাটিতে কোনো ব্যক্তিগত স্বপ্ন বা ইনসেস্ট নেই , তা যেকোনো সচেতন পাথকের পোষা পাঁঠাও বুঝতে পারবে । এটি নেহাৎই চাপা অবদমনের দীর্ঘস্থায়ী সামাজিক প্রহারে ক্লান্তও বিভ্রান্ত একটি প্রজন্মের কথা ।
3. "যে প্রকাশ আপনার কেন্দ্রীকতায় আপনাকে সমূলে উৎপাটন করতে পারে তার সাথে সাজুস্য আমাদের সংস্কৃতির সাথে সংঘাতপূর্ণ ।"
- লাইনটি বুঝতে এ অধমের একটু অসুবিধা হলো । 'সাজুস্য' বলতে আপনি নিশ্চয়ই 'সাযুজ্য' বলতে চেয়েছেন । বেশ । কিন্তু এই 'আমাদের সংস্কৃতি' বলতে আপনি ঠিক কি বোঝাতে চাইছেন , হদিস পেলাম না । এই 'আমরা' কারা ও কেমন তাদের সংস্কৃতি ? 'আমরা' মানে যদি সাংস্কৃতিক শুচিবায়ুগ্রস্ত আমাশারোগীদের বুঝিয়ে থাকেন , তাহলে আমি অমন সংস্কৃতি থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয় মনে করবো । ধন্য হউক 'আপনাদের সংস্কৃতি' , 'আপনাদের' খুরে খুরে শতকোটি সালাম ।
4. "আপনি বিরোধীতা করুন কিন্তুকখনই এই ভূমির গন্ধ আর এর যে সীমাবদ্ধতা আপনার মনন-শিক্ষা-চিন্তায় প্রোথথন করা হয়েছে , তাকে ছেড়ে যেতে পারবেন না।"
- এই বক্তব্যের সাথে কিছুটা একমত হলাম । কনটেক্সট ছেড়ে বেড়িয়ে আসা কঠিন ও প্রায় অসম্ভবও বটে । তবে আমি কোনো বিরোধিতায় নাই । যা সাদা চোখে নজরে আসে , তাই ই বলি । কুঁচকিতে চুলকানি হলে খোলা মনে মলম লাগানোর পরামর্শ দিই , রেখে ঢেকে লুকিয়ে পুষে রোগ বাড়ানোয় আমার অমত আছে ।
আশা করি , এইভাবে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারলে , আপনার-আমার সকলেরই ভালো লাগবে । নিজের বোধ , চেতনা ও বুদ্ধি সঙ্গত ও ধারালো হয়ে উঠবে । নেটের অ্যানোনিমসিটি আর ভার্চুয়ালিটির সুযোগে মাথা ফাটানোর ফালতু বাগাড়ম্বরে কাউকে হাস্যাষ্পদ হয়ে উঠতে হবে না ।
শমিত বলেছেন:
কৌশিকের শেষ মন্তব্যের সাথে আমি একমত । রক্ত-মাংসের কৌশিকের সাথে আমার কোনো ঝামেলি নাই ।
অতিথি বলেছেন:
কিশোরী ভজন,কিশোরী পূজন.........
অতিথি বলেছেন:
নিজের সৃষ্টির সাথে আপনিতো একাত্ম হয়েই থাকছেন কেননা আপনার সৃষ্টির সুই বুনেছে নকশী কাঁথা। তবে বেঁেধ দেয়া সুরের মাঝে কথা সাজানোর যে শিল্প তা প্রায়শই হয় অন্য মননের অনুরনণে। কারণ আপনি লিখতে জানেন, আপনি লেখেন ভালো, আপনি বলা মাত্র লিখে দিতে পারেন। এর মাঝে মিশ্রিত হয় আপনার শুধু লেখার হাতটিই নয়, মগজের নিযুত সংরক্ষিত ডাটা, ঐতিহ্যের লালিত অভ্যেস, শিশু থেকে য়ৌবনে হাতড়ানো, অভিজ্ঞতার ফুলঝুড়ি। সহজে আলাদা করে নেয়া যায় কে শমিত, কোথ্থেকে সে আজকের শমিত। সামাজিক প্রহারে ক্লানত্দ ও বিভ্রানত্দ একটি প্রজন্মের কথা আপনি বলছেন, অবদমনকে আপনি পছন্দ করছেন না বোধহয় তবে যে বিষয় আপনি বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা দিতে পারেন না তা কখনও ট্যালেন্ডেট হয় না। অবদমন নয়, এ অগ্রহণযোগ্য বলেই অবদমিত। আপনার অন্য লেখাগুলি ভালো, আর আপনার সাথে বিনিময়ের ভাষা নিয়ে আপনার যত আপত্তি! সেটা আপনাকে চটানো জন্যই, আক্রমনের ভাষাটা কখনও পরিশীলিত হয় না। শব্দ ধরে ধরে আপনার দীর্ঘ পর্যালোচনা করার কারণ এটাই আপনি প্রমান করতে চান আপনি কি বোঝাতে চেয়েছেন, অথচ সেখানে আমার জিজ্ঞাস্য নেই। আপনার সৃষ্টি স্বয়ংসম্পূর্ণ তা বোঝাতে এত বিসত্দর নিবন্ধ লেখার দরকার নেই। বিষয় নিয়ে আমার যত হৈ চৈ। আমার বক্তব্য হচ্ছে যা দেখতে চান না জাগতিক পরিমন্ডলে তা একটা প্রজন্মের দীর্ঘ নিশ্বাস তলিয়ে নিজে কেন উগড়ে দিচ্ছেন। এ আপনার মৈথূনের উপাদান হয়েছে বলেই আমার যত ছোবল।
রাগ ইমন বলেছেন:
একটা প্রশ্ন এই অবাচীনের[ ধুর! রেফ কাজ করছে না] । কবি আর কবিতাকে গুলিয়ে ফেলাটা কবে বন্ধ হবে? বালিকা ধষণ নিয়ে লেখার জন্য কবিকে বলা হয়েছিল আপনার এই অভিগগতাকে প্রকাশের সাহসকে সাধুবাদ। মহিলা আচমকা হামলায় ভ্যাবাচ্যাকা।
এখন আমি ধষকের ভূমিকায় নিজেকে কল্পনা করে কবিতা লিখেছি। কৌশিক কি মনে হয়? আমার মাথাও কি ফাটানো দরকার?
আমি ভাবিত।
অতিথি বলেছেন:
ইস, সেদিনকার কথা । শমিতের তখন মোটে ডেব্যু ।















