কিচাইনগাথা : এক
১২ ই এপ্রিল, ২০০৬ রাত ২:৪৬
এইভাবে ক্লিকফাঁদে দীওয়ানা হ'লে সত্যিই বড় বড় ঝটকা লাগে এসকল নেটযাপন , যেখানে নখাগ্রে ঝিলিক দেয় তামাম দুনিয়া আর মুখ ও মুখের বিকল্পে মুখোশ ও মুখোশেরও বিকল্পে পুনরায় অন্য মুখের ভীড়ে উড়ে যায় আমাদের সামাজিকতার টুপি ও খোলাচুল এই মেঘবন্দরে ছেয়ে যায় চামচা আকাশ । আমরা ভালো থাকি অথবা এভাবেই দাবী করি আমাদের ভালো থাকার সম্ভাবনাসমূহ সুতলিবদ্ধ পুত্তলিকার মতো , হাতে কাপড়ের তলোয়ার আর রাংতার মাথামুকুটে নাচতে থাকে গোপন ইশারার মতো রাষ্ট্রযন্ত্রের অনর্গল তাগিদে । অথচ দ্যাখো , এই প্রাঙ্গণে যেন অন্য কথা ছিলো , কথা ছিলো এবারে আমরা সকলে সিনেমা দেখবো পর্দার উলটো পিঠে আলোকিত থিয়েটারহলে সেইসব চাপা ও কৃষণ বর্ন ছবিগুলি , মানুষের চোখ থেকে বেরিয়ে আসা সাদা হলুদ বা কমলা কোনো রোদ না পেয়ে যেগুলি এখন শুকনো ও পাটল । এরকমই যেন কথা ছিলো তবে কার কথা কে ও কবে দিয়েছিলো সে প্রশ্নে এমনকি এ দামড়া আকাশব্যাপী আমাদের নিরন্তর তথ্যযাপনেও কোনো উত্তর থাকে না । ফলে এ চামচক্রান্তে যোগ দেয় প্রযুক্তিস্নেহ , আর মোয়া আসে চমৎকার , জনপ্রতি এক বা দুই , দিগন্ত জুড়ে দেখা দেয় আমাদের হাসিহাসি মুখ , যা কিনা ঘন ক্লোজআপে কিছুটা কৃতার্থ ও করজোড় তেলতেলে শব্দে ঘেরা সেই হারামী ভাস্কোর জাহাজের পোঁ শোনা থেকে ।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার লেখালিখি ঘষাঘষি, কিচাইনগাথা বিভাগে ।
শাহানা বলেছেন:
এতো শক্ত কথা বুঝিনা বাপু
অতিথি বলেছেন:
ভালো লাগলো। একটা শক্তিশালী হাতের তৈরী তৈজষ! ভালো হয়েছে গাথুঁনী!! বেশী বেশী লিখুন!!!
শমিত বলেছেন:
ধন্যবাদ কৌশিক ।
শমিত বলেছেন:
শাহানা , আপনি ঠিকই বলেছেন । ঐ 'নখাগ্র' আর 'পুত্তলিকা' টা একটু কঠিন হয়ে গ্যাছে । নখাগ্র মানে হলো নখের ডগা আর পুত্তলিকা মানে হলো পুতুল । আশাকরি এবার আপনার বুঝতে কোনো অসুবিধা হবে না ।
লাল মিয়া বলেছেন:
কই শক্ত? শিশি বোতল তো দেখলাম না..........
অতিথি বলেছেন:
লালমিয়া ঠিক কইছে ।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
হ
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
নতুন কিছু কইতারো? খুবই অন্যরকম কিছু?
কৌশিক বলেছেন:
শাহানা বললো, কিছু বুঝি না, শমিত দিল আমারে ধন্যবাদ - বিষয়টা অনুসন্ধানের দাবী রাখে।


















