গড়ে তোলো, গড়ে তোলো, গড়ে তোলো ব্যারিকেড

বিশ শতকের মহানায়ক-ফিদেল কাস্ত্রো

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

১৯৫৯ সালে সশস্ত্র বিপ্লবের মধ্য দিয়ে কিউবার মার্কিন সমর্থিত একনায়ক ফুলগেন্সিও বাতিস্তাকে উৎখাত করে যুক্তরাষ্ট্রের নাকের ডগায় একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিশ শতকের কিংবদন্তীতে পরিণত হয়েছিলেন ফিদেল কাস্ত্রো। স্নায়ুযুদ্ধ এবং বিশ্বব্যাপী মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁিজবাদের জয়জয়কারের মধ্যেও সমাজতান্ত্রিক কিউবাকে টিকিয়ে রেখে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের প্রবাদ পুরুষ হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।

কিউবা-বিপ্লবের পর থেকে অর্ধ শতক ধরে পরপর ১০ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাকে হত্যা কিংবা উৎখাতের জন্য লাগাতার চেষ্টা চালিয়ে গেলেও সেসবকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কিউবার শাসন ক্ষমতায় ছিলেন ফিদেল। অবশেষে ৮১ বছর বয়সে মঙ্গলবার স্বেচ্ছায় কিউবার প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শুধু সমাজতন্ত্রের অনুসারী নয়, বিশ্বব্যাপী নানা মত ও পথের বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে প্রায় পৌরাণিক এক চরিত্রে পরিণত হওয়া ফিদেল কাস্ত্রোর বিপ্লবী হয়ে ওঠা এবং কিউবা বিপ্লবের ঘটনাক্রমের খণ্ডচিত্র এখানে তুলে ধরা হল ----

জন্ম: ১৩ আগস্ট, ১৯২৬, কিউবার পূর্বাঞ্চলে বিরান জেলায় স্পেনীয় বংশোদ্ভূত এক অভিবাসী পরিবারে। পুরো নাম ফিদেল আলেজান্দ্রো কাস্ত্রো রুজ। বাবা ছিলেন আখের খামারী।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা: একটি জেসুইট বোর্ডিং স্কুল থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধূলায়ও ফিদেল ছিলেন তুখোড়। ১৯৪৪ সালে কিউবার সেরা অলরাউন্ডার স্কুল অ্যাথলেট পুরস্কার পান। আইনের স্নাতক হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করেন।

পেশা: ডিগ্রী নেওয়ার পরপরই হাভানায় একজন আইনজীবী হিসেবে পেশা জীবন শুরু করেন ফিদেল। দরিদ্র মক্কেলদের পক্ষে লড়ে অল্প সময়ের মধ্যেই সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করেন এবং শিগগিরই সক্রিয় দলীয় রাজনীতিতে যোগ দেন।

রাজনৈতিক জীবনের শুরু:

মাত্র ১৩ বছর বয়সে নিজের বাবার আখের খামারে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সংগঠিত করেন এবং একটি ধর্মঘটের ব্যবস্থা করেন।

১৯৪৭ সালে নবগঠিত কিউবান পিপলস পার্টিতে যোগ দেন ফিদেল। মার্কিন ব্যবসায়ী শ্রেণী ও সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবিচার, দারিদ্র, বেকারত্ব ও নিম্ন মজুরীর অভিযোগ নিয়ে লড়াইয়ের আহ্বান জানিয়ে তুখোড় বক্তা ফিদেল দলের তরুণ সদস্যদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

১৯৫২ সালে দলীয় কংগ্রেসের সদস্য প্রার্থী হন ফিদেল। নির্বাচনে পিপলস পার্টির বিজয়ের সম্ভাবনা থাকলেও জাতীয় নির্বাচনের আগে জেনারেল বাতিস্তা সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কিউবার ক্ষমতা দখল করলে নির্বাচন বাতিল হয়ে যায়।

মনকাডা ব্যারাকে হামলা:

বিপ্লবের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মাত্র ১২৩ জন নারীপুরুষের একটি সশস্ত্র দল নিয়ে ১৯৫৩ সালে মনকাডা আর্মি ব্যারাকে হামলা করেন ফিদেল। সংঘর্ষে মাত্র ৮ জন নিহত হলেও ফিদেলের দল পরাস্ত হয় এবং তার প্রায় ৮০ জন সহযোদ্ধাকে হত্যা করা হয় বাতিস্তার নির্দেশে।

ফিদেলকে আটককারী লেফট্যানেন্ট 'বিদ্রোহীদের আটক করা মাত্র হত্যা করার নির্দেশ' উপেক্ষা করে তাকে বেসামরিক কারাগারে পাঠিয়ে দিলে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। কিন্তু কারাগারে তাকে বিষ খাইয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এবার দায়িত্ব ছিল ক্যাপ্টেন পেলেতিয়ারের ওপর। তিনি দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বরং তা জনসমক্ষে প্রকাশ করে দেন। কোর্ট মার্শালে ফাঁসি দেওয়া হয় ক্যাপ্টেন পেলেতিয়ারকে। কিন্তু বিশ্ব জনমতের কথা বিবেচনা করে ফিদেলকে হত্যা না করে বিচারের মুখোমুখি করেন বাতিস্তা।


'ইতিহাস আমার পাপমোচন করবে' :

মনকাডা হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ফিদেল যে জবানবন্দি দিয়েছিলেন তা পরবর্তীতে 'হিস্ট্রি উইল অ্যাবসোল্ভ মি' বা 'ইতিহাস আমার পাপমোচন করবে' নামে একটি বই আকারে বের হয়। ওই দীর্ঘ বক্তৃতার মধ্য দিয়ে কিউবার রাজনৈতিক সংকট এবং তার সমাধানের পথ নির্দেশ করেন তিনি। এতে রাতারাতি দেশব্যাপী বিখ্যাত হয়ে উঠেন এবং জননায়কে পরিণত হন ফিদেল। বিচারে তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড হলেও প্রবল জনমতের কাছে মাথা নত করে দু'বছরের মাথায় তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন বাতিস্তা।

বিপ্লবী দল গড়তে মেক্সিকোয় পাড়ি:

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বিপ্লবী দল গড়ার লক্ষ্যে মেক্সিকোয় পাড়ি জমান ফিদেল। সেখানে একটি গেরিলা দল গঠন এবং পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র জোগাড়ের পর চে গুয়েভারা, জুয়ান আলমেইডা এবং অন্যান্যদের মিলিয়ে প্রায় ৮০ জনের একটি বিপ্লবী দল নিয়ে ১৯৫৬ সালে কিউবায় ফিরে আসেন ফিদেল।

জুলাই টোয়েন্টিসিক্স মুভমেন্ট:

গ্রানমা নামের একটি ছোট নৌকায় করে ফিদেলের বিপ্লবী দল কিউবায় এসে ভীড়ে। ফিদেলের ওই দলের বিপ্লবী কর্মকাণ্ড 'জুলাই টোয়েন্টিসিক্স মুভমেন্ট' নামে পরিচিতি লাভ করে। ফিদেল যেদিন মনকাডা ব্যারাকে হামলা করেছিলেন সেই তারিখ অনুসারে ওই নামকরণ করা হয়।

সিয়েরা মায়েস্ত্রা পর্বতে নিজেদের ঘাঁটি গাড়ার লক্ষ্যে এগোনোর সময়ই বাতিস্তার সেনাদের আক্রমণের মুখে পড়েন তারা। সম্মুখ সমরে নিহত হয় বেশিরভাগ গেরিলা। মাত্র ১২ টি অস্ত্র আর ১৬ জন গেরিলা নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিরপদে ঘাঁটি গাড়তে সক্ষম হন ফিদেল।

স্থানীয় দরিদ্র জনগণের আশ্রয় নিয়ে ধীরে ধীরে দল বাড়াতে থাকে আর সেনা চৌকিগুলোতে চোরাগুপ্তা হামলা চালিয়ে অস্ত্রশস্ত্র যোগাড় করতে থাকে জুলাই টোয়েন্টি সিক্স মুভমেন্ট। বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তরুণ-যুবা-ছাত্র এ আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। অন্যদিকে গেরিলাদের ধরতে বাতিস্তার অভিযানে নিপীড়নের শিকার হয় অগণিত সাধারণ মানুষ এমনকি নারী ও শিশুরাও। এতে গেরিলাদের প্রতি জনসাধারণের সমর্থন আরও বাড়তে থাকে।

১৯৫৮ সালে এসে কিউবার মধ্যবিত্ত শ্রেণীরও সমর্থন লাভ করেন ফিদেল। ওই বছর আইনজীবী, চিকিৎসক, স্থপতি, হিসাবরক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার ৪৫টি পেশাজীবি সংগঠন যুক্তভাবে এক খোলা চিঠিতে জুলাই টোয়েন্টিসিক্স মুভমেন্টকে সমর্থন জানায়।


সম্মুখ সমরে বাতিস্তাকে উৎখাত:

পেশাজীবিদের ওই খোলা চিঠির পর জেনারেল বাতিস্তা গেরিলা নিধন অভিযান আরও জোরদার করেন। এবারে ৩০০ বিশেষ সেনার নেতৃত্বে ১০,০০০ লোকের এক বিশাল বাহিনীকে পাঠানো হয় পার্বত্য অঞ্চলে। সংখ্যায় অনেক কম হলেও অসীম সাহসী গেরিলারা ধীরে ধীরে সম্মুখ সমরে জয়ী হতে থাকে এবং বহু সেনাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে। বাতিস্তার সেনাদের মতো হত্যা বা নির্যাতন না করে গেরিলারা বন্দি সেনাদের সঙ্গে মানবিক ব্যবহার করায় পলায়নপর সেনাদের মধ্যে আত্মসমর্পণের হার বাড়তে থাকে। অনেকে পক্ষ ত্যাগ করে গেরিলা দলে চলে আসে। এভাবে ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ সেনাদলের আকার নিতে শুরু করে জুলাই টোয়েন্টিসিক্স মুভমেন্টের গেরিলা দল।

ফিদেলের গেরিলারা এবার সিয়েরা মায়েস্ত্রা পর্বত ছেড়ে একের পর এক শহর দখল করতে থাকে। স্থানীয় জনতা গেরিলাদের অভ্যর্থনা জানায়। ১৯৫৮ সালের মাঝামাঝি বাতিস্তার প্রায় ১,০০০ সেনা গেরিলাদের হাতে প্রাণ হারালে যুক্তরাষ্ট্র বিমান, বোমা, জাহাজ ও ট্যাংক পাঠিয়ে গেরিলাদের হঠানোর চেষ্টা চালায়। কিন্তু নাপাম বোমার মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও গেরিলাদের সঙ্গে বাতিস্তা পেরে না ওঠায় তাকে নির্বাচন দেওয়ার পরামর্শ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৫৮ সালের মার্চে বাতিস্তা নির্বাচন দিলেও জনগণ সে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। ৭৫ ভাগ থেকে শুরু করে কোথাও কোথাও ৯৮ ভাগ মানুষই ভোটকেন্দ্রেই যায়নি। ফিদেলের সেনারা চারদিক থেকে রাজধানী হাভানাকে ঘিরে ধরতে শুরু করলে ১৯৫৯ সালের পহেলা জানুয়ারি নববর্ষের দিনে কিউবা ছেড়ে পালান জেনারেল বাতিস্তা।

হাভানা জয়:


সেনাবাহিনীর অন্য সিনিয়র জেনারেলরা আরেকটি সামরিক সরকারের চেষ্টা চালালে ফিদেল দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেন। কলকারখানা থেকে লাখ লাখ শ্রমিক আর সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসলে স্তব্ধ হয়ে যায় কিউবা। জনস্রোতের কাছে পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী। ১৯৫৯ সালের ৯ জানুয়ারি রাজধানী হাভানায় ঢুকে দেশের নিয়ন্ত্রণভার নিয়ে নেয় ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলারা।

হাভানা জয়ের পরপরই কিউবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ফিদেল। ১৯৬৫ সালে কমিউনিস্ট পার্টি অফ কিউবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং কিউবাকে একটি সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরের কাজ শুরু করেন।

১৯৭৬ সালে কিউবার প্রেসিডেন্ট অফ দ্য কাউন্সিল অফ স্টেটস এবং কাউন্সিল অফ দ্য মিনিস্টারস নির্বাচিত হন তিনি। একইসঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসেবেও দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

২০০৬ সালের ৩১ জুলাই অন্ত্রের অস্ত্রোপাচারের পর ছোট ভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছে সাময়িকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন ফিদেল।

১৯ ফেব্র"য়ারি ২০০৮ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন ফিদেল। আগামী ২৪ ফেব্র"য়ারি থেকে এ পদত্যাগ কার্যকর হবে।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪.কম

 

প্রকাশ করা হয়েছে: রাজনীতি  বিভাগে ।

 

  • ১২ টি মন্তব্য
  • ২০৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৭
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: মহানায়ক-ফিদেল কাস্ত্রো
এই কতাটা সত্য
পেলাচ
২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: আলেক্সান্দার দ্যুমা বলেছেন: ভেবে খারাপ লাগছে একজন মহানায়ক বিদায় নিচ্ছেন। তবে সবকিছুরই শেষ হয়। এখন েদখার ব্যাপার কিউবা কে রাউল কদ্দূর নিয়ে যায়।
৩. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
comment by: সিন-লাম-মীম বলেছেন: +
৪. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: চমৎকার লেখাটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
ভালো পোস্ট.............
৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮
comment by: প্রণব আচার্য বলেছেন: লাল সালাম, ক্যাষ্ট্রো;

বিপ্লবের মৃত্যু নেই
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন:
কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ কমরেড।

৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮
comment by: সর্বনাশা বলেছেন: সমাজতন্ত্র যখন বাঁধা পড়ে স্বৈরতন্ত্রের নিগড়ে, ব্যক্তি ও বাক স্বাধীনতাকে যখন গলা টিপে হত্যা করা হয়, অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন যখন দারিদ্রের কষাঘাতে মুখ থুবরে পড়ে, সমাজ বিনির্মাণের এই মহান আদর্শ পরিণত হয় ট্রাজেডীতে। কিউবাও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়। কার্ল মার্কস ও এঙ্গেলস সমাজতন্ত্রকে যে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর দেখতে চেয়েছিলেন, তা আজও সোনার হরিণই রয়ে গেছে।
৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: +
৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:১০
comment by: মানব মানিক বলেছেন: প্রিয় সাম্যবাদী
লাল সালাম ।
আরো ধন্যবাদ জানাচ্ছি এত সুন্দর একটা পোস্ট দেবার জন্য।
প্রিয়তে রাখলাম । পরে আরো পড়ব বলে।

সমাজতন্ত্রের জয় হবেই।
বিপ্লবের মৃত্যু নেই।

ভালো থাকবেন
ভালোবাসা নিয়ে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন:
প্রিয় মানব মানিক,
আপনাকেও লাল সালাম। ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
comment by: রাতুল" বলেছেন: পেলাচ

 



 


সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী। তবে তথাকথিত বাম সংগঠন কিংবা এদের নেতাদের দ্বারা মোহগ্রস্ত নই। বরং সমাজতন্ত্র কায়েমের সশস্ত্র বিপ্লবেই বিশ্বাসী। বিশ্বাস করি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৪২৩৪