আমার প্রিয় পোস্ট

যায় ভেসে যায় ঐশী সময় সুখ ভেলায়, রাগ বিরহের থাক না কথা এই বেলায়।

"বাঙালীর যা কিছু শ্রেষ্ঠ ও গৌরবময়, তা সব-ই মুসলমানদের দান" সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাতকার (৩য় পর্ব)

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাঙালীর যা কিছু শ্রেষ্ঠ ও গৌরবময়, তা সব-ই মুসলমানদের দান
=====>> ড• এস• এম• লুৎফর রহ্‌মান(অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

সাক্ষাতকারের (২য় পর্ব) এখানে দেখুন

প্রশ্নঃ বাঙলাদেশের গত হাজার বছরের ইতিহাসে ইসলাম ও মুসলমানদের
কোন অবদান আছে কি ? থাকলে, তা কোন্‌ কোন্‌ ক্ষেত্রে আছে বলে আপনার ধারণা ?

উত্তরঃ গত প্রায় হাজার বছরের ইতিহাসে বাঙালীর যা কিছু শ্রেষ্ঠ ও গৌরবময় তা সব-ই মুসলমানদের দান। বাঙ্‌লা ভাষা মুসলমানদের সৃষ্টি, বাঙ্‌লা সাহিত্য মুসলমানদের সৃষ্টি, বাঙ্‌লা দেশে নগর, উদ্যান বাগ-বাগিচা, রাস্তাঘাট, উন্নত
চিন্তা, মনন, উন্নত ধর্ম ও সভ্যতা, মূল্যবোধ, উন্নত সেনাবাহিনী, রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থব্যবস্থা, টেকনোলজি, মুদ্রা ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য বাঙ্‌লা পঞ্জিকা ইত্যাদি যা কিছু গৌরবময়, তা সব-ই মুসলমানদের দান। এ দেশের নাম, এ জাতির নাম, এ জাতির আন্তর্জাতিক খ্যাতিপূর্ণ পরিচয় মুসলমানদের-ই অবদান। মধ্য যুগে, তাদের শাসনাধীনেই বাঙ্‌লা দেশ-এর মুসলিম রাজধানী ‘মুর্শিদাবাদ’কে বলা হত ‘জান্নাত-উল্‌-বিলাদ’ বা ‘সারা দুনিয়ার রাজধানীসমূহের বেহেশ্‌ত’ আর সমগ্র ‘সুবে বাঙ্‌লা’কে বলা হত -‘জান্নাত-উল্‌-আবাদ’ বা ‘সারা দুনিয়ার বেহেশ্‌ত’। কিন্তু সেই সব অবদান সম্পর্কে যথাযথ আলোচনা আজও শুরু হয়নি।
এ দেশের ইতিহাসে, অসংখ্য বিষয়ে গত প্রায় হাজার বছরের মুসলিম অবদান সম্পর্কে অনুসন্ধান চালালে আরও তথ্য আবিষ্কৃত হবে।

প্রশ্নঃ ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ হয় দ্বি-জাতি তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে, কিন্তু সংস্কৃতি ও মানস-চেতনার কোন বিভক্তি ঘটেনি বলে অনেকে মনে করেন। এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি ?
উত্তরঃ একেবারে ঘটেনি -তা নয়। পাকিস্তান আমলে কিছু বিভক্তির সূচনা হয়েছিল। কিন্তু ইঙ্গ-হিন্দু শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রবল প্রভাবে আচ্ছন্ন আমাদের রাজনীতিবিদ, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীরা দেশ বিভাজনের সঙ্গে সঙ্গে মানস বিভাজন বা চৈতন্যের স্বতন্ত্র ধারা নির্মাণের সঠিক পথ খুঁজে পাননি। সে জন্য মুসলিম জাতি চেতনার ওপর ভিত্তি করে দেশ বিভক্ত হলেও, আমাদের শিক্ষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও মানস চেতনা বিভক্ত ও উন্নত ইসলামী চেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এমনকি, মুসিলম চেতনার ওপরও নয়। সে অবস্থা আজ আরও খারাপের দিকেই চলছে। আমরা মানসিকভাবে স্বাতন্ত্রহীন উচ্ছন্ন জাতি হতে যাচ্ছি।

প্রশ্নঃ বাঙ্‌লাদেশের বর্তমান শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতির যে পরিবর্তন ধারা ১৯৭২ সাল থেকে শুরু হয়েছে, তা আমাদের পক্ষে কতটুকু কল্যাণকর বলে আপনি
মনে করেন ?

উত্তরঃ আমাদের পক্ষে তা কল্যাণকর হলে তো এতদিনে সে প্রমাণ পাওয়া যেত। ১৯৭২ সালের পর থেকে- শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির যে অধোগতি হচ্ছে তার সীমা কোথায়, তা বলা মুশকিল। এ ধারা আমাদের জাতীয় বিপর্যয়কেই দ্রুততর করছে ও করবে বলে আমার ধারণা।

প্রশ্নঃ ‘শিখা চিরন্তন’-এর সাংস্কৃতিক তাৎপর্য সম্পর্কে মন্তব্য করুন!
উত্তরঃ ‘শিখা চিরন্তন’-এর সাংস্কৃতিক তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর ও বিস্ময়কর। রাজনৈতিক দাসত্ব যে সাংস্কৃতিক দাসত্বকে টেনে আনে, এটা তারই প্রমাণ। এ প্রসঙ্গে ‘শিখা অনির্বাণ’-এর কথাও এসে যায়। বিএনপি’র বিগত শাসনামলে ‘শিখা-অনির্বাণ’ জ্বালানো না হলে, আওয়ামী লীগের হাল-আমলে ‘শিখা চিরন্তন’ জ্বালানো কঠিন হত। এটি ব্রাহ্মণবাদী আর্য সাংস্কৃতির নিদর্শন। কারণ বৈদিক আর্য ব্রাহ্মণদের ‘ঋগ্বেদে’- বর্ণিত প্রধানতম দেবতাই ‘অগ্নি’! ২০০টি স্তোত্রে তাঁর স্তব রচিত হয়েছে। অগ্নি অবশ্য অনার্যদেরও দেবতা এবং সাধন-উপকরণ। শক্তি [তন্ত্র] সাধকগণের শ্মশান-কালীর সাধনায় এখনও অগ্নির প্রয়োজন হয়। শ্মশানে নগ্নাবস্থায়, শবের [অবিবাহিতা নারী] ওপর বসে, সারারাত প্রজ্বলিত অগ্নিতে বেল পাতায় ঘি মাখিয়ে আহূতি দিতে হয় এবং আরও কিছু কাজ করতে হয়। অতএব, অগ্নির চিরন্তনতায়, ক্ষমতায় ও কল্যাণ শক্তিতে বিশ্বাস সর্বাংশেই হিন্দু ধর্মীয় সংস্কৃতিতে আত্মবিসর্জন এবং ইসলামের বরখেলাফ। আল্লাহতে অবিশ্বাস।

 

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ৩১৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: মুসলমান ও বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত।
২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম, ধন্যবাদ।
৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬
comment by: শান্ত বলেছেন: আপনি এখনো গালিবাজদের খপ্পরে পড়েন নি? ধণ্যবাদ, পোস্টের জন্য।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: ব্লগের মোটামুটি সবাই এখন একথা জানে, যুক্তি না থাকলে গালি-গালাজ আসে।
তাছাড়া সবাইকি আর আগের মতো আছে!!
যুক্তি নির্ভর পোষ্টে গালি গালাজ করে ইমেজ নষ্ট করেননা ওনারা।।
সম্ভব হলে ওনারা যুক্তিদিয়েই পক্ষ-বিপক্ষে মন্তব্য দিবেন।

৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
comment by: gonder বলেছেন:
হাসতে হাসতে মইরা গেলাম


সম্প্রতি আমেরিকার এ•বি•আই [আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট] বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিশ্ব ব্যক্তিত্বের তালিকায় তাঁকে স্থান দিয়েছ

The American Biographical Institute (ABI) is a publisher based in the United States in Raleigh, North Carolina. Like the International Biographical Centre (IBC) in the UK, it operates on a vanity press business model and generates its revenue from sales of certificates and books.

The ABI writes to individuals who have been cited elsewhere and invites them to receive various honors,[1] such as "International Man of the Year," "Most Admired Man of the Decade" or "Outstanding Man of the 21st Century" (see list below), or to be included in ABI publications, such as 500 Leaders of Science or The World Book of Knowledge, /sb]in exchange for a "contribution fee."



১০০ ডলার দিলেই Outstanding Man of the 21st Century

সারটিপিকেট খরিদ করা যাইবে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট থাইকা , কেউ কি এনটারেসটেড।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: এতো সহজে যেহেতু পাওন যায়, তোমার জন্য একখান খরিদ কইরা নাও।

৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
comment by: কৌশিক বলেছেন: আপনাদের আলোচনায় আমি অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী। যে কারণে আগ্রহী হয়ে ওঠা তার পেছনে একটা অবস্থানগত পার্থক্য দূরীভূত করার সম্ভাবনায় নিজেকে সমর্পনও লক্ষ্য হিশেবে রেখেছি। আমার প্রথমত মুসলমানদের কোন কিছুই গর্বের মনে হতো না, যদিও এখানে বাঙালীদের শ্রেষ্ঠ যা কিছু তার নির্মাণে মুসলমনদের অবদানের কথা বলা হয়েছে। বুঝতেই পারছেন, যা আমাকে একটা দ্বন্দ্বমূখরতার সম্মুখীন করেছে কিছু অংশে বিভ্রান্ত ও বহুলাংশে কৌতুহলী।
যেমন,
১. বাঙ্‌লা ভাষা মুসলমানদের সৃষ্টি
২. বাঙ্‌লা সাহিত্য মুসলমানদের সৃষ্টি
৩. বাঙ্‌লা দেশে নগর, উদ্যান বাগ-বাগিচা, রাস্তাঘাট
অনেকগুলো ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় বহুমাত্রিক উপযোজকের কীর্তিকে একক কৃতিত্ব নেয়ার বিষয়টা একদমই অবৈজ্ঞানিক, ধারণাপ্রসূত জাতীয়তাবাদী ট্রেডমার্ক। এতে ডঃ রহমান যতবার বলেছেন বাঙালী ততবার একটা "গোষ্ঠীভূক্ত বাঙালী" ভাবনাটাই ফুটে উঠেছে যা বাঙালী সমগ্রতাকে তুলে ধরে না।

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: প্রথমত বলছি, এটা আমার কোন আলোচনা নয়। এটি একটি সাক্ষাতকার। আমার কাছে সাক্ষাতকারটি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, তাই সবাইকে জানানো প্রয়োজন মনে করেছি, এর বেশী আর কিছু নয়।
দ্বিতীয়ত, সাক্ষাতকারে ছিলো "বাঙালীর যা কিছু শ্রেষ্ঠ ও গৌরবময়, তা সব-ই মুসলমানদের দান" বলা হয়নি যত অর্জন সবই মুসলমানদের অবদান।
আশা করি সম্পূর্ণ সাক্ষাত কারটি প্রকাশিত হবার পর আপনার দ্বন্ধমুখরতার সমাপ্তি ঘটবে।

৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
comment by: মৃদুল মাহবুব বলেছেন: একপেশে খণ্ডিত ইতিহাস বোধ না থাকলে কেউ এই সমস্ত উক্তি করবে না। এই সভ্যতা মোগলদের আমলের আগে মনে হয় ছিলো না। মোগলরা আসলো আর সভ্যতা, সংস্কৃতি, জীবন যাপনের মান উন্নয়ন শুরু হয়ে গেলো। আসলে আমার কি কিছু জানি না? না ভাবলে এমন অদ্ভুত সমন্নয়হীন সাক্ষাৎকার দেওয়ার মানে কি? ভারতবর্ষে কখন এবং কেনো মোগলরা এলো আর তাদের পায়ে পায়ে কেন ইসলাম এলো এই কথা কি আমরা জানি না।

এরা কথা বলে ইসলামের, সার্টিফিকেট আনে আমেরিকার কাছ থেকে এবং বড় গলায় তা প্রকাশ করে। সত্যি হাস্যকর। এক শ্রেণী আবার মনে হয় ইতিহাস না জেনেই বা না জানার ভান করে এর বাহবা দেয়। আমেরিকাবিরোধী ইসলামপন্থী, এদের কে আর কি বা বলা যায়।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: আমাদের সকলের অবগতির জন্য সম্পূর্ণ (আপনার ভাষায় একপেশে খণ্ডিত ইতিহাস নয়) ইতিহাসটি তুলে ধরুন। নইলে দুইটা অষ্পষ্ট কথা বলে এভাবে পানি ঘোলা করার কোন মানে হয়না।
আপনার মতে ইসলামের কথা বলার জন্য ভারতের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিতে হবে??

৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: সজারু বলেছেন: বাঙ্গালীর ইতিহাস আড়াই হাজার বছরের। বাংলা ভাষার বয়সও তাই।
ইসলাম ধর্ম নাজিল হওয়ার বহু আগেই এই অঞ্চল বহু কারনে উন্নত এবং পরিচিত।

ফালতু ১টা পোস্ট।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: বহু কারণগুলো বলা যাবে?? আমরাও কিছু জানি।

৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
comment by: অনুমান বলেছেন: বাংলা ভাষার বয়স আড়াই হাজার বছরের!!! চর্যাপদের বয়স কত? আর লিখছে কে?
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: @অনুমান করে বলবো??

৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: কৌশিক বলেছেন: সজারু আরিয়ান ভাষা নিয়ে বলেছে অনুমান। অবশ্য পাচ হাজার বছরও বলা যায়। ইন্দোআরিয়ান ভাষা থেকেই তো এসেছি।
১০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
comment by: সজারু বলেছেন: আপনি আসলে ধান ভানতে গাজির গীত গাইতাছেন।
আপনের উদ্দেশ্য হিন্দুদের গালি দেয়া।
আরেক জনের কান্দে বন্দুক রাইখা গুলি করাটা হাস্যকর।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: আফনি ভালো বুচ্ছেন!!! সজারু মার্কা বুদ্ধি!!

১১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮
comment by: সূর্য্য বলেছেন: আমর েশ্রাদ্ধেয় সলিমুল্লাহ্ খানের একটা কথা মনে পড়ছে।

"একটা সময় আসবে যখন বিশিষ্ট রাজাকার মতিউর রহমান নিজমীও নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবী করবে।‍‍"

যেভাবে বাংলাদেশে রাজাকার এবং নব্য রাজাকাররা দেশটাকে জামায়েতীকরণ শুরু করেছে তাতে দিন দিন সেকুলার বাংলাদেশে এই ধরণের পবিত্র ধর্মের বিকৃত ও বাগারম্বর ব্যাখার সংখ্যা বাড়বে এবং বাড়বে না বুঝে ইসতেমায় (ইদানিং যাকে সাম্রাজ্যবাদীদের বিশ্বায়নের সাথে তাল রেখে 'বিশ্ব' নামে অভিহিত করা হচ্ছে) মুনাজাতকারীর সংখ্যা বাড়বে।

গত ৩৩ বছরে এদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে মাতৃভাষায়, সেক্যুলার, বিজ্ঞানভিত্তিক সার্বজনিন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রেখে শাসক গোষ্ঠ এই বাংলাদেশই উপহার দিয়েছে।


২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: সেক্যুলার শিক্ষা!!! তোমার মাথা ঠিক আছেতো???

১২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

সকলকে লিংকে দেয়া পোস্ট পড়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
Click This Link

১৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
comment by: আশেক ইব্রাহীম বলেছেন: সাক্ষাৎকারটা পড়ে আমি ভাবছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই রকম শিক্ষকও আছেন!! এবং তিনি আবার বাংলা বিভাগের অধ্যাপক!!!

বুঝতে আর বাকি থাকে সে তার ছাত্রদের কি শিক্ষা দেবে? ছাগলের বাচ্চা ছাগল (শিক্ষক তো তাই ভদ্র ভাষায় বললাম।)
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: তুমি কোন কলেজের ছাত্র??
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লেকচার বুঝার ক্ষেমতা থাকলে কি আর কলেজে পড়তা??

১৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
comment by: মেন্টাল বলেছেন: এই জিনিসরে দেখতে তো কলাভবন যাওয়া লাগে একদিন

 



 


এগুলো সেই পংক্তি নয় যা আমার মনে এসেছিলো
বনের ভেতর হেঁটে যাবার সময়
কলম ছিলো না সাথে
এমন কিছুও ছিলো না যার ওপর...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৫০৩৬