বাংলাদেশিদের নির্যাতনের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে ভারতীয় সীমান্ত রীবাহিনী বিএসএফ। বৃহস্পতিবার রাতে তারা বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে ধরে মারপিটের পাশাপাশি নিতম্বে ইনজেকশন পুশ করে। এর ফলে অসহ্য যন্ত্রণার শিকার হন তারা। নির্যাতিতদের মধ্যে তিনজন যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা হলেন শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে শাহিন, আবদুস সামাদের ছেলে শরিফ এবং মঈনউদ্দিন ময়নার ছেলে মুলফিকার। এরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ২০ জনের একটি দল ধান্যখোলা সীমান্ত পার হয়ে বনগাঁর বোয়ালদহ গ্রামের মিজানুর রহমানের কাছ থেকে গরু কিনতে যান। এসময় বিএসএফের হাতে আটক হন দলের বেশ কয়েকজন। বিএসএফ সদস্যরা তাদের বেদম মারপিট শেষে প্রত্যেকের নিতম্বে দুটি করে ইনজেকশন পুশ করে। ইনজেকশন পুশ করার পর তাদের শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা হতে থাকে। কয়েকজন অজ্ঞানও হয়ে পড়েন। নির্যাতিতদের মধ্যে তিনজন ভোরের দিকে পালিয়ে আসতে সম হন। গ্রামবাসীরা এদের ভর্তি করে দেন যশোর জেনারেল হাসপাতালে।
হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডের চিকিৎসক মনিরুজ্জামান লর্ড গতকাল শুক্রবার দুপুরে জানান, চিকিৎসাধীন তিন যুবক জানিয়েছেন, তাদের নিতম্বে বিএসএফ সদস্যরা দুটি করে ইনজেকশন পুশ করেছে। তবে কী ধরনের ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে পরীক্ষা ছাড়া তা শনাক্ত করা যাবে না বলে জানান ডা. লর্ড।
নির্যাতিত গরু ব্যবসায়ীরা জানান, তারা তিনজন পালিয়ে আসতে সম হলেও খোঁজ নেই দলের আরও বেশ কয়েকজনের। তাদের ভাগ্যে কী জুটেছে তা পরিষ্কার নয়।
এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বেনাপোল কোম্পানি কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


