হোটেল কক্স। সমুদ্র থেকে বেশ কিছু দূরে "হোটেল কক্স"। মধ্যবিত্তদের থাকার জন্য উত্তম হোটেল। তিনতলা হোটেল। ঘুপচি মারকা রুমগুলোতে মধ্যবিত্ত মানুষগুলো থেকে যায় আরামে। এই হোটের একমাত্র হোটেল বয় রতন।
বহু কষ্টে রতন এই হোটেলের বয় হতে পেরেছে। কক্সবাজারে দীর্ঘ ছয় মাস সে হন্যে হয়ে ঘুরেছে একটা চাকরী করার জন্য। ক্লাস সিক্স পর্যন্ত পড়াশুনা করা ছেলেকে এই শিক্ষিত দেশে কে দেবে একটি চাকরী!!
যাইহোক, শেষমেষ এই হোটেলে সে একটা বয়ের চাকরী জোগাড় করলো। হোটেলের অতিথিদের সেবাই তার কাজ। হোটেলে ঢুকেই কক্স এর মানে বুঝে না। কক্স মানে আবার কি!! ফক্স মানে জানে। ফক্স মানে শিয়াল। তবে কক্স মানে কি?
কিন্তু কক্স এর মানে সে জানুক কিংবা না জানুক এই হোটেলে তার ফক্সের থেকেও মানবেতর জীবন যাপন করতে হয় সেটা সে নিশ্চিত। আর সে নিশ্চিত হবে নাই বা কেনো; তার কোনো নির্দিষ্ট ঘুমের সময় নেই, খাওয়ার সময় নেই। এমনকি টয়লেটে বেশীক্ষণ কাটালেই ম্যানেজারের লাথি খেতে হয়।
একটু দেরী হলেই ম্যানেজার বলবে, শালা হারামজাদা সারাদিন খাস তো হাগতে বইলে হাগা শেষ হইবো কোনখান থিকা। বের হ .... বের হ বাইনচোদ.....
আবার খেতে গেলে ম্যানেজার বলবে, ঐ বেটা এতো খাস কেন? খাইতে খাইতে তো ভূড়ি বানাইতাছস হাতির মতো।
রাতেও ঘুমানো যায় না। রাতে হোটেল পাহারা দিতে হয়। অতিথিদের ফরমাস খাটতে হয়। কেউ হতো বলবে, অই দুইডা বালিশ দিয়া যা তো। রতন যদি বলে, স্যার বালিশ তো এক্সরা নাই। হোটেলে এখন হ্রাস সিজান চলতাছে। সব রুম বুক।
অতিথি চড়াও হয়ে উঠবে। নির্দোষ রতনকে গালাগালি করবে। মাঝে মাঝে মারার জন্যও কাছে এগিয়ে আসবে। অনেকে দুই চারটা চড়-থাপ্পড় দিয়াও দেয়। রতন কাঁদে। কাঁদতে-কাঁদতে চোখ ভাষায়। কিন্তু কে দেখে রতনের কান্না। কে বোঝে রতনের দুঃখ।
এতো কিছুর পরও রতন চুপ করে থাকে। কিছু বলে না। বেয়াদবী করা অপরাধ। আর তাছাড়া বেয়াদবী করলে তো অতিথির হোটেল ত্যাগের সময় বকশীস পাবে না। তাই নিরবে সহ্য করে যায়।
তবে আজকে হোটেল ভরতি অতিথি। একে তো হ্রাস সিজান চলছে। তার উপর থার্টি-ফাস্ট নাইট। বহু মানুষ এই রাতে সমুদ্র-তীরে বছরের শেষ সময় কাটায়। হোটেল এখন রমরমা। হোটেল ম্যানেজার ব্যস্ত। রতনও ব্যস্ত। নতুন নতুন অতিথিদের রুমে নিয়ে যাওয়া, তাদের রুম পরিষ্কার করে দেয়া সব কিছু নিয়ে রতন এখন দৌরের উপরে।
এক ৪০ বছরের লোক এসেছে এক মহিলাকে নিয়ে। মহিলার চেহারা কেমন যেনো আতঙ্কগ্রস্থ। এ ধরনের কেস এই হোটেলে বহু আসে। রতন দেখলেই এসব বুঝে ফেলে। ম্যানেজারও কম শেয়ানা না। সে বোঝে আর তখনই রুমের দাম চওড়া হয়ে যায়।
ম্যানেজার বলে, স্যার টু-বেড নিবেন নাকি ওয়ান বেড।
কালা কুচকুচা লোকটার চোখ লাল হয়ে আছে। হাতে সিগারেট। ভটভট করে ধোয়া বের করে বলল, এক বেডে দুইজন শুয়া যাইবো এমন রুম দাও।
ম্যানেজারের মুচকি হাসি। তারপর বলে, আছে স্যার। ভাড়াটা একটু বেশী। ৩৫০০ টাকা পার ডে।
লোকটা সিগারেট তখনও টানছে। তারপর বলল, হালার পুত। তোর বাপের মুল্লুক? কতোর মধ্যে দিবি ক নাইলে অন্য জায়গায় যাই।
কাচুমুচু করতে করতে ম্যানেজার বলে, স্যার একদাম ৩২০০ থাকতে পারবেন। এর কমে পারুম না।
লোকটি এবার সিগারেট নিভায়; তারপর বলে, ২৫০০ দিমু। থাকবার দিবি?
এই বলেই তার ব্যাগটা কাঁধে তুলে নেয়। মহিলাটি তখনও তার দিকে তাকিয়ে আছে। বলছে, অন্য আর কই যাবা। এখনানেই ম্যানেজ করো।
কিছু চিন্তা করলো লোকটি। তারপর বলল, আর কথা বলিস না। ৩০০০ দিমু। রুমের চাবি দে।
রুমের চাবি বের করতে করতে ম্যানেজার বলছে, স্যার নাম এন্ট্রি করতে হবে।
- দে খাতা দে। লেইখা দেই।
ম্যানেজার রেজিষ্ট্রি খাতাটা এগিয়ে দিলো। রতন চেয়ে আছে খাতার দিকে। দেখার জন্য। মহিলার সাথে সম্পর্কটা সে কি লিখবে। ম্যানেজারেরও আগ্রহী চোখ।
নাম: মোঃ নাদিম সরকার এবং মিসেস নাদিম সরকার
ঠিকানাঃ ৩২ পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।
রতন এবং ম্যানেজার দুজনই মুচকি মুচকি হাসছে। এরপর চাবির রিংটি এগিয়ে দেয় লোকটির হাতে। তারপর রতনকে বলে, অই হারামজাদা, যা স্যারগো নিয়া যা।
রুমে ঢোকার পর লোকটি ভেবাচেকা খেয়ে যায়। হারামজাদার গুষ্টি। এই রুমের দাম ৩০০০ টাকা।
লোকটি খেপবে নাই বা কেন! চিপা মারকা একটা রুম। কোনো জানালা নাই। কোনো টিভি নাই। শুধু একটা খাট আর একটা ডেস্ক। টয়লেটটার অবস্থাও যা তা।
রতন ভিতু কন্ঠে বলে, স্যার, পিক সিজান তো। তাই.....
লোকটি ক্ষিপ্র বেগে রতনের দিগে এগিয়ে গিয়ে দেয় এক থাপ্পড়। আর বলে, চুপ মাগির পুত। পিক সিজান হইছে তো কি হইছে।
এরপর; লোকটি মানিব্যাগ থেকে ১০০ টাকার একটা নোট বের করে বলে, ধর , শুন হালা.....এইডা তুমার টিপস না! বুঝলা....দুই - পেকেট কনডম কিনবি। ১ পেকেট বেনসন। একটা লাক্স সাবান।
রতনেই এইসবে অভ্যস্ত। সেও বলে স্যার, ১০০টাকায় তো হয়বো না।
- ওরে শালা। টাকার হিসেব তো ঠিকই বোঝো।
এই বলে আবও একশ টাকার নোট রতনের দিকে এগিয়ে দেয়।
রুমটি ছিল একদম তিন তলায়। রতন নিচ তলায় নেমে একটি কথা মনে পড়ে। সেটা হচ্ছে, সিগারেট তো বেনসান, সাবান তো লাক্স কিন্তু কনডমটা কোন ব্রান্ড!
সে আবার তিন তলা বেয়ে ওঠে উপরে।
দরজায় নক। কিন্তু খোলে না। অনেকক্ষণ পর খোলে মহিলাটি।
- জ্বি, স্যার কি আছেন?
মহিলাটির কন্ঠে এক ধরনের বিরহ বেদনা। চোখে-মুখে ভয়ের ছাপ। কেমন যেনো অসহায় মনে হচ্ছে মহিলাটিকে। মহিলাটি খুব সুন্দর করে বলল, তোমার স্যার তো একটু টয়লেটে ঢুকেছেন একটু ওয়েট করো।
রতন দাড়িয়ে থাকে। প্রায় বিশ-পচিশ মিনিট পর আবার দরজায় নক। এইবার লোকটিই খোলে দরজা।
- কিরে আনসোস সব?
- না স্যার; মানে......আপনের.....মানে আপনের লাইগা কন কনডম আনুম!
লোকটি আবারও জলে উঠে। এর লাইগা তুই যাস নাই হারামির পোলা। সাবান আর বেনসন নিয়া আইতি তারপর ঐডা শুনে যাইতি। হারামজাদা। যা.....সানসেশান আনবি।
সব কিছু কিনে লোকটিকে বুঝিয়ে দিয়ে যায় রতন। লোকটি এবার অমায়িক হয়ে ফিসফিস করে বলে, হোটেলে কোনো ঝামেলা নাই তো?
- না স্যার।
- ঝামেলা হইলে তারাতারি আমারে জানাবি। বুঝছোস?
রতন মাথা নাড়ে।
তারপর লোকটি দরজা বন্ধ করতে করতে বলে, সব কিছু ঠিক-ঠাক থাকলে সকালে বকশীস পাবি!
এরপর রতন নিচে নামতে থাকে।
নিচে নামতেই আরেক গ্র“প। কয়েকটা ছেলে। কয়েকটা মানে চারজন। হৈচৈ করে তারা রতনের সাথে রুমের দিকে যাবে। রতনের জন্যই তারা অপেক্ষা করছিল। ম্যানেজার তাদের সাথে সব হিসেব নিকেশ করে রেখেছে।
রতন তাদের নিয়ে যায় দুই তলার একটি কামরায়।
একজন বলে ওঠে, মামু রাইতে বাইর হইলে আবার ঢুকা যাইবো তো?
- না মামা..হোটেলের গেট ১২টার পর বন্ধ হয়ে যায়।
অরেকজন বেটে খাটো একটি ছেলে বলে, আরে ধুর। তুমি থাকতে মামা এইডা কি আমাগো চিন্তা করা লাগবো।
তুমিই সব ব্যবস্থা কইরা দিয়ো।
রতন চুপ থাকে। কিছু বলে না।
রতন রুম থেকে বের হবে এমন সময় চারজনের একজন বলে, মামা, হরিণ আছে?
রতন বোঝে। হরিণ মানে কি বুঝিয়েছে রতন এই সব বোঝে। এই সব কাজে রতনের ভালো ইনকাম হয়। দুই জায়গা থেকে একটা পারসেন্টেইজ পাওয়া যায়। রতন এবার একটু খুশী হয়ে যায়। বকশীশটা এবার সে ভালোই পাবে।
- জী মামা, হইবো। তয় ম্যানেজার বের হইলে। ওহন না। রাইত আরেকটু বাড়–ক।
- তো কত?
রতন এবার তাদেরই একজন হয়ে যায়। মামা, এইডা আপনের উপর। কেমুন চান?
যে ছেলেটি কথা বলছিল সেই আবার বলে উঠে, শুনা মামা, এতো কিছু বুঝি না। হরিণ ভালা হইতে হইবো। চুক্ষা শিং হইতে হইবো। বুঝলা?
সবাই এক সাথে হেসে ওঠে।
রতন বের হয়ে যায় ম্যানেজারকে বলে। ম্যানেজার এইসবের ব্যবস্থা করে। তবে তা গোপন থাকে। অতিথিদের জানানো হয় না। তারা জানবে ম্যানেজার জানলে সর্বনাশ হবে।
ম্যানেজার একটা ফোন দিয়ে কথা পাকাপাকি করে। সুন্দরী পারু। তার অনেক নাম আছে এখন। নতুন এসেছে। রেটও হাই। তবে সে একরাত একজনের সাথে থাকবে। চারজনতো দূরের কথা।
রতন সে কথা বলে সেই ছেলেগুলোকে। ওরা বলে, আরে সবাইকি করবো নাকি! করবো একজনই। আমিই করুম। আর কেউ করবো না।
আরেকজন বলে, মামা, আমরা খামু মাল। আর ও খাইবো হরিণ। হা হা হা... এহন তুমি আমাগো লাইগা মালের ব্যবস্থা করো। কড়া হইতে হইবো। যাতে চান্দের দেশে যাইবার পারি। হা হা হা
রতন হেসে যায়। সরল রতন শুধু বকশীশের আশায় এবার ভালো বিদেশী মদ খুজতে বের হয়। এর ব্যবস্থাও ম্যানেজার করে দেয়। এসক লিংক তার জানা।
রতন বোতল নিয়ে রুমে ঢোকে। আর বলে, রাইত গভীর হইল হরিণ আইবো চিন্তা কইরেন না। হা হা হা.....
ওদের সাথে রতনের খাতিরটা ভালোই হয়ে যায়। ঘড়িতে তখন রাত ১২টা। হঠাৎ ৩০২ নং কক্ষের বেল বেজে ওঠে। দৌড়ে যায় রতন। লোকটি দাড়িয়ে আছে বাইরে হাতে ৫০টাকার নোট।
- কি রে হারামজাদা? এতো দেরী করস কেন? ১০টা বেনসন নিয়া আয়।
রতন অবাক হয়। এক প্যাকেট বেনসান এতো তাড়াতাড়ি শেষ!
রতন বেনসন আনতে সিড়ি বেয়ে নামতে থাকে। দুই তলার সিড়িতে দাড়িয়ে আছে সেই ছেলেগুলো। বলে, মামা, আর কতক্ষণ? সহ্য হয় নাতো!!
রতন বলে, ম্যানেজার মাত্র গেছে। এহনি আমি সিগনাল দিলে আইয়া পড়বো। একটু সবুর করেন।
রতন সিগারেট কিনে সাথে করে নিয়ে আসে পারুকে। পারু বার বার এক প্রশ্ন, মানুষ কিন্তু একজন রতন! ঐহানে যাইয়া যাতে ঘাপলা না পাই।
- আরে ধুর। কইলাম তো একজন। বাকি তিনজন মাল খাইবো। অন্যরুমে আমি ব্যবস্থা কইরা দিমু।
রতন দুই তলায় পারুকে দিয়ে পাশের রুম বাকি তিনজনের জন্য খুলে দেয়।
তারপর বলে, মামা, আমার বকশীশ?
- আরে অহনি কি আমরা চইলা যামু নাকি। হরিণের গুতা খাইয়া নেই। সকালে পাইয়া যাইবা।
এরপর ক্লান্ত রতন নিচে চলে আসে। ঘুমে তার চোখ ভেঙে আসছে। একটি চাদর নিয়ে বিছিয়ে সে অভ্যর্থণার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে।
সকালে চিল্লাপাল্লা শুনে ঘুম ভাঙে রতনের। কেউ কাঁদছে। ম্যানেজার রতনকে লাথি দিয়ে ঘুম থেকে উঠালো।
ওরে হারামজাদা রে... তুই ওঠ। তুই হইলি সব নষ্টের মূল। হালার পুত। আমারে তুই শেষ কইরা দিলি।
রতনের সারা শরীরে কাপন সৃষ্টি হয়। সে ঘুম ঘুম চোখে চারিদিকে তাকায়। কিছু বুঝে উঠতে পারে না। সেই তিনতলার লোকটি আর মহিলাটিকে এক পুলিশ প্রশ্ন করছে।
- উনি আপনার কি হয়?
লোকটি ভাঙা ভাঙা কন্ঠে উত্তর দেয়, আমার স্ত্রী?
আপনার অফিসিয়াল কার্ড দেখী। পুলিশটি প্রশ্ন করে।
মহিলাটি তখনও কাঁদছে। কিছুই বলতে পারছে না।
লোকটি বলে, আমি ব্যবসায়ী কোনো কার্ড নেই।
মহিলাটিকেও একি প্রশ্ন করে পুলিশ। মহিলা কাঁদতে থাকে অঝোরে।
রতন দেখে সিড়িতে ওঠার জায়গায়, একটি লাশকে সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে রাখা হয়েছে। রতন কাছে যায়। কাপড়টি উঠিয়ে দেখে, এতো সেই সুন্দরী পারু।
পারু? কিভাবে? তবে কি সেই মাতাল চার যুবকই তাকে ধর্ষণ করতে করতে মেরে ফেলেছে!!!
রতনের দম বন্ধ হয়ে আসছে। হঠাৎ সে অনুভব করে কেউ একজন তার কোমরে সজোরে লাথি মেরেছে। রতনের কি যেনো হয়ে গেলো। সে কথা বলতে পারছে না। সব কিছু তার কাছে ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। সেই ছেলেগুলো কোথায়? রতন কিছুক্ষনের জন্য হণ্যে হয়ে চারিপাশ দেখে। খোজার চেষ্টা করে সেই ছেলেগুলোকে। কিন্তু পায় না। সে শুধু বলে, আমার বকশীস । আমার বকশীস না দিয়া গেলো গা........
শেষ: ধর্ষণের দায়টি রতনের কাঁধে না আসলেও সহযোগিতা করার জন্য রতন গ্রেফতার হলো। ভুল ঠিকানা দেয় সেই উচ্ছৃঙ্খল ছেলেগুলো রাতেই গেট খুলে পালিয়েছে। তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় নি।
বিভৎস চেহারার লোকটির পরিচয় মহিলাটিই দিয়ে দেয়। প্রমোশান পাওয়ার লোভে বসের সাথে হোটেলে রাত কাটাতে এসেছে তার অফিসের ফিমেইল স্টাফ। তারপরও সেই লোকটিকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছিল। কারণ, পুলিশকে লোকটি হাই-এমাউন্ড বকশীস দিয়েছিল।
মহিলাটির মুখ খোলার অপরাধে চাকরীটা গেছে।
আর হোটেলের ম্যানেজার সব কিছুর দায়ভার রতনের ঘাড়ে চাপিয়েছে। তাছাড়া সেও কিছু বকশীস পুলিশকে দিয়েছিল।
আর রতন? রতন কারাগারে। দূর্ভগা রতন। ওর তো আর এতো টাকা ছিল না যে বকশীস দিতে পারবে। ওর তো বকশীস নিয়ে অভ্যাস; দিয়ে তো অভ্যাস নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

