আমার প্রিয় পোস্ট
- বেগম খালেদা জিয়া: সাধারণ থেকে অসামান্য একজন হয়ে উঠা- (ফটোব্লগ-১) - রায়হান রাহী
- রাংলাই এর সাক্ষাৎকার - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- জোয়ার ভাটার নিঝুম দ্বীপ। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- কবুতরের উড়াল প্রতিযোগীতা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ::::ফটো ব্লগঃ সঙ্গি সাথী, পশু পাখি :::: - সৌম্য
- খাবারের পর আমাদের সাতটি ভুল !!!!!! - জলপাই আলম
- বানাবেন নাকি একটা নিজেস্ব অনলাইন রেডিও স্টেশন? - চাচামিঞা
- গুগল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি - ফিউশন ফাইভ
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- ফটোগ্রাফিতে মুক্তিযুদ্ধ এবং একজন কিশোর পারেখ - কাঊসার রুশো
- Guerrillero Heroico - ক্যামেরার পেছনের মানুষটি - বিপ্লবী স্বপ্ন
- চে’ গুয়েভারাঃ স্মরণীয় উদ্ধৃতি - বিপ্লবী স্বপ্ন
- ব্লগের ইতিহাসে সর্বাধিক পঠিত পোস্ট কোনটা?
- আসিফ মুভি পাগলা
- ফরিদপুরের হাবিবুর রহমান ইমরানের উদ্ভাবন, জলে-স্থলে চলার উপযোগী গাড়ী - জারনো
- ব্লগারদের বই নিয়ে আহমাদ মোস্তফা কামালের রিভিউ : ছাপা কাগজে একটুকরো 'ব্লগ' - ফিউশন ফাইভ
- চাণক্য-শ্লোক : কে ছিলেন চাণক্য? - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- অপরবাস্তব- ৪ এর প্রকাশনার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করুন, ২০০৯ এ লেখা আপনার সেরা পোস্টটির মনোনয়ন দিন - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- জীবনানন্দের মৃত্যু রহস্য - আহমদ আবদুল হালিম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- উত্তরাধুনিক কবিতার বৈশিষ্ট্য : একটা মনোজ্ঞ বিতর্কালোচনা পরিমার্জিত/রিপোস্টেড - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর একটি সাক্ষাতকার - ফকির ইলিয়াস
- তাৎক্ষণিক সাক্ষাতকারে নোবেল বিজয়ী হেরটা মুলার - ফকির ইলিয়াস
- কিংবদন্তীর নর্তকীর কূপ - টনি
- ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ডিএমসির ছাত্রী নাহিদা মৃত্যুর প্রহর গুনছে - অণৃণ্য
- বাংলা বানান চেক করার টুলের লিংক চাই - টিপু
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- অপারেশন মোনায়েম খান কিলিং (এক) - বিপ্লব রহমান
- অবিস্মরণীয় চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ এবং মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন -- শেষ পর্ব - আবু নাঈম
- ছোটগল্প : জোছনার ধবল গায়ে গ্রহণ লাগা চাঁদ - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- জলপাই প্রেম - ভাঙ্গা পেন্সিল
- স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কর্পোরেট ফাজলামি : শেষ কোথায়? - ফারহান দাউদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- ঘুরে আসুন বৌদ্ধবিহার ,ময়নামতি জাদুঘর, চণ্ডিমুড়া মন্দির, ইংরেজ কবরস্থান (বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিসৌধ ),কুমিল্লা। - সোহান বাশার
- Question and Answer Round......PM Vs BM Officers........Is this country We live in???? - দাম
- আর্মী ও প্রধানমন্ত্রীর কথা ৩ টা ফাইল - ব্লগে নতুন
- পাঠক সমীপেষু (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- এই লেখাটি আপনাদের নজরে না এনে পারলাম না!!কেউ কি একবার জিজ্ঞেস করেছেন ১৬৮ আর্মি আর তাদের পরিবার কোথায় গেল?? - ড়ৎশড়
- ভাষা আন্দোলন, কবিতা - তানজু রাহমান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- লেখা দিন ১০ তরুনের প্রেমের গল্প বইয়ের জন্য আরও একজনের লেখা নেয়া হবে - পান্থ বিহোস
- রবীন্দ্রনাথের বিশ্ববেদনা। - ইমন জুবায়ের
- তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক ভূমিকা - একরামুল হক শামীম
- নবী - রাসূলদের সমাধিক্ষেত্র সমূহ এবং অন্যান্য ! - জেমসবন্ড
- শ্রীলংকায় পিতা আদম (আঃ) এর পবিত্র পায়ের ছাপ এবং আদমের সেতু !! - জেমসবন্ড
- সত্যিই আশ্চার্য্য !!!!!!!!!!! - অনীয়ম
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে? / শহীদ জননী জাহানারা ইমাম - অমি রহমান পিয়াল
- আসুন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আন্দোলন গড়ে তুলতে একসাথে মিলিত হই - জামাল ভাস্কর
- মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না? - অমি রহমান পিয়াল
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ১৯৭১ : নারী ও মূল্যবোধ (পর্ব-১) - আইরিন সুলতানা
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- আল-জাজিরার ভিডিও দেখুন -মুক্তিযুদ্ধে স্বজন হারানোর কথা শুনুন - আল-কায়ামতি
- অপূর্ব এক পরিবর্তন - অমি রহমান পিয়াল
- ফায়ারফক্সে প্রথম আলো পড়ুন সহজে - আশাবাদী!!
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল কিস্তি ২ - চোরকাঁটা
- BNP Secretary Khandakar Delwar Hossain: PAIJAMA DOWN !!! - এক প্রযুক্তিবিদ
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- হায়দার হোসেনের নতুন এ্যলবাম স্বপ্ন শুধুমাত্র শোনার জন্য - নিঃসঙ্গ
- ভ্লগীয় প্যারোডী- ৪ - চোরকাঁটা
- সুরক্ষিত করুন আপনার সৃষ্টিকর্ম - রতন সুন্দর পাড়ই
- প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀ - নাফিস ইফতেখার
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- আজ জন্মদিন তোমার, শেরিফ আল সায়ার - মিলটন
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী / রনেশ মৈত্র - ফকির ইলিয়াস
- সম্রাট অশোক ও রহস্যময় ৯ মানব! - আলেক্সান্দার দ্যুমা
- প্রেমিক নজরুলের সাতকাহন ~ফজিলতুন্নেসা পর্ব-৩~ - বিবর্তনবাদী
- তরুণ লেখকদের পাণ্ডুলিপি প্রসঙ্গ... - খন্দকার সোহেল
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকার : শাবাশ নতুন ভারত! - ফারুক ওয়াসিফ
- এন্টি গল্প > প্রাতঃকালে ঈশ্বরদর্শন > - মনজুরুল হক
- শ্রীমঙ্গলের নীল কন্ঠ চা কেবিন। - গুপী গায়েন
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সমাচার। - কুম্ভকর্ণ
- পূর্ণেন্দু পত্রীর কয়েকটি কবিতা - রাহা
- আমাদের নতুন উপহার: যে কোন সাইটে ফোনেটিক কিবোর্ড - নোটিশবোর্ড
- তিনি আমার বাবা - রণদীপম বসু
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- লাইলাতুল মিরাজের বিষ্ময়যাত্রা: বোঝার চেষ্টা করছি... - বিবেক সত্যি
- মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য - সাঈফ শেরিফ
- কেন লেখেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে আসা বলে কিছু নেই - মুকুল
- ১৯৭১-এ দৈনিক সংগ্রাম (পর্ব-৩) - সবাক
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- সাইফুল্লাহ হুজুরের বিশেষ শাস্তি ----- একটি সিম্পল ছোট গল্প - নোবেলজয়ী
বংশপরিচয়
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৩
সবকিছু ঠিকঠাক মতোই চলছিল।
দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কটি একটি পরিণতিতে এগুচ্ছিল। কায়সার একদিন তার বন্ধু রনিকে বলল, শেষ পর্যন্ত শেষ টার্মিনালে পৌছাবো দোস্তো।
কায়সার-মিলার ছয় বছরের প্রেম। ফেমেলী মেনে নিয়েছে অবশেষে। তেমন সমস্যা হয় নি। হওয়ার কথাও না। কায়সার পড়াশুনা শেষ করে একটি মোবাইল কোম্পানীতে ভালো বেতনের চাকরী পেয়েছে। আর মিলারও পড়াশুনা শেষ। চাকরী খুজছে। মিলা দেখতেও অসাধারণ সুন্দরী। কায়সারের বাবা-মার মানা করার প্রশ্নইতো আসে না। তাছাড়া কায়সার তাঁদের একমাত্র পুত্র। তার পছন্দই বাবা-মা মেনে নেবে। এমনটা তার বিশ্বাস ছিল।
ওদের দুজনের বিয়ে হবে, সংসার হবে; এই স্বপ্নটাতো বহুদিনের। সেই স্বপ্নের একদম দার প্রান্তেই ছিল সব কিছু।
এই তো সেদিন কায়সারকে নিয়ে মিলা মারকেটে মারকেটে ঘুরে বেড়িয়েছে। শেরওয়ানী, পাগড়ী, পাঞ্জাবী আরও কতো কি কিনলো তারা।
মিলার বড় ভাই মিলটন কায়সারকে নিয়ে স্যূট বানাতে দিয়ে আসলো।
মিলার ক্ষেত্রেও একি অবস্থা। কায়সারের মা মিলাকে নিয়ে শপিং করছেন। সব কিছুই মিলার পছন্দের হতে হবে এমনটাই চান কায়সারের মা। তিনি বলেই দিয়েছেন, দেখো মা, আমি এতো কষ্ট করে তোমার জন্য বিভিন্ন জিনিস কিনবো কিন্তু তোমার পরে পছন্দ হবে না; এটা হওয়ার চেয়ে তুমিই আমার সাথে গিয়ে তোমার পছন্দের জিনিস কিনে নাও।
তাই মিলাও খুশি মনে হবু শাশুড়ীর সাথে মারকেট ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
দুই পক্ষের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল খুব জোরেসোরে। কোনদিকে যাতে ঘাটতি না পড়ে সে দিকে নজর সকলের।
খাওয়ার মেনুর দিকেও নজর আছে তাদের। কোনো মেহমান যাতে বলতে না পারে যে, খাওয়া ভালো হয়নি। ঢাকার ভালো বাবুর্চিও ভাড়া করা হয়েছে।
সবই চলছিল অত্যন্ত আগ্রহের সাথে। হঠাৎ সে আগ্রহের আগুন নিভে গেলো। বিয়ের সমস্ত আয়োজন অনুষ্ঠানের ঠিক দুদিন আগে বন্ধ হয়ে গেলো। দু’পক্ষের মাঝেই নেমে আসলো কালো মেঘের ছায়া।
মিলার বাবা সরাসরি কায়সারের বাবাকে ফোনে জানিয়ে দিয়েছেন, ইটস ইমপসিবেল।
প্রথমে কায়সারের বাবা ব্যাপারটা বুঝে উঠতে পারছিল না। পরে ঘটনাটি শুনে তিনি নিজেই স্তব্ধ হয়ে যান। কায়সারের মা স্বয়ং। কায়সারের মাও ঘটনাটি জানতেন না। তাদের বিয়ে হয়েছে ৪০ বছর। এই ৪০ বছরে এসব কথা কোনোদিনও আসে নি। তবে আজ কেনো নিজ পুত্রের বিয়েতে এধরনের কথার সৃষ্টি হলো!!
অনেকটা কষ্ট বুকে নিয়েই তিনি তার স্বামীকে প্রশ্ন করেছিলেন, ইজ ইট ট্রু?
তার স্বামী জাহেদ খান একদম নিশ্চুপ ছিলেন। তিনি নির্বাক ছিলেন।
বিয়ের আগে বংশের পরিচয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বলে একশত বছর আগের ঘটনাও বংশ পরিচয়ের মাঝে উঠে আসবে এটা জাহেদ খান নিজেও ভেবে দেখেননি।
কায়সারও ব্যাপারটা বুঝতে পারছিল না। বাসার সবার নিরবতা ওকে অস্থির করে তুলেছিল। মাকে সে অনেকবার প্রশ্ন করেছে। মা শুধু অশ্র“ ঝরিয়েছেন। কিন্তু কিছুই বলছিল না। শেষমেষ বাধ্য হয়ে মিলাকেই ফোনটা করে।
- মিলা, কি হয়েছে? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। কেউ তো আমাকে কিছুই বলছে না।
মিলাও কোনো উত্তর দেয় না। এক পর্যায়ে ফোন কেটে দেয়। কায়সার আবার ফোন করে। মোবাইলে রিংয়ের পর রিং হতে থাকে। কিন্তু কিছুতেই সে কলটি রিসিভ করে না মিলা।
কায়সার পাগল হয়ে ওঠে। সারাদিন অফিস করে সে ঘরের হঠাৎ পরিবর্তন মেনে নিতে পারছে না। এরপর সে ফোন দেয় মিলার বড় ভাই মিলটনকে।
- ভাইয়া প্লিজ আমাকে একটু বলেন কি হয়েছে। সবাই এমন করছে কেনো! কি হয়েছে?
মিলটন কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। তারপর বলে, আস্ক ইউর ফাদার। হু ইজ হি।
- মিলটন ভাইয়া প্লিজ। আপনি অন্তত এমন করে কথা বলবেন না। আমাকে একটু ব্যাপারটা বলেন।
মিলটন এরপর আর কথা ঘুরায় না। সরাসরিই বলে দেয়, তোমার বংশে কেউ একজন এক ইংরেজের রক্ষিতা ছিল। ইউ নো রক্ষিতা মিনস? ওয়ান কাইন্ড অফ প্রস্টিটিউট।
কায়সার হতবাক হয়ে যায়। ইংরেজদের রক্ষিতা মানে কি! সেতো বহু বছর আগের ঘটনা। কে ছিল। আর এতো বছর পর এসব বন্দনা হওয়ার মানে কি! কায়সার ভাষা হারিয়ে ফেলে। ফোনের লাইনটা সে নিজেই কেটে দেয়।
দৌড়ে যায় বাবার কাছে। বাবা প্লিজ; চুপ করে থেকে লাভ নেই। আমাকে বলো এর মানেটা কি! আমার মাথা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জাহেদ খান তখন বারান্দায় দাড়িয়ে সিগেরেট টানছিলেন। আকাশের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, দিস ইজ মাই হোম সান। ঢাকা শহরের এই বাড়ি আমি আমার যোগ্যতা দিয়ে বানিয়েছি। কোনো পৈত্রিক সম্পত্তি জাহেদ খান পায়নি। আজ জাহেদ খান নামটা নিজের প্রতিষ্ঠিত নাম।
- বাবা প্লিজ। কথা লাইন মতো বলো।
এবার জাহেদ সাহেব ঘুরে দাড়ালেন। বারান্দায় রাখা রকিং চেয়ারে হেলান দিয়ে বসলেন। ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালেন আবার আকাশের দিকে। তারপর বলতে শুরু করলেন, ইতিহাস বুঝিস বাবা! ইতিহাস। তোর ভাগ্য এখন হেরে যাচ্ছে সেই ইতিহাসের কাছে। যে ইতিহাস আমারও শোনা। আমিও শুনেছি আমার বাবার কাছে। আমার বাবাও শুনেছে তার বাবার কাছে। আসল ঘটনাটি কবে ঘটেছে তা কেউ জানে না। কিংবা বলা যেতে পারে আদও তা ঘটেছিল কিনা তাও কেউ জানে না। আমার বংশের কোনো এক মহিলা এক ইংরেজের রক্ষিতা ছিল। নাম ছিল চন্দ্রদেবী। হিন্দু ছিল। ইংরেজদের একটা প্রচলন ছিল যে রক্ষিতাদের তারা পছন্দ করতো; সে সকল রক্ষিতাদের মাঝখান থেকে তারা একজনকে বিলেত যাওয়ার সময় নিয়ে যেতো। সেই চন্দ্রদেবী নাকি আসলেই চন্দ্রের মতো সুন্দরী ছিলেন। যার রূপ ছিল দেখবার মতো! সেই চন্দ্রদেবীকেই ইংরেজ লোকটি সঙ্গে করে নিয়ে গেলেন বিলেতে। সেই সময় বিলেত যাওয়া হিন্দু ধর্মে নিষেধ ছিল। বিলেত যাওয়া মানে জাত যাওয়া। এমন একটা ধারনা ছিল গোড়া হিন্দুদের। যেহেতু চন্দ্রদেবী সেই ইংরেজকে মনে প্রাণে ভালোবেসে ফেলেছিলেন তাই তিনি এসব তোয়াক্কা না করে চলে গেলেন বিলেতে।
কায়সার অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো, চন্দ্রদেবীর বাবা-মা বাধা দেয়নি?
জাহেদ সাহেব হেসে ওঠেন আর বলেন, সে সময় ইংরেজদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কার ছিল রে বাবা। তো, সেই যে গেলো চন্দ্রদেবী আর কোনো খোজ গ্রামের কেউ জানতো না তার সম্পর্কে। হঠাৎ এক বিকেলে গ্রামের নদীর ঘাটে এক নৌকা ভিড়লো। বিশাল এক নৌকা। সেই নৌকা ঘিরে রেখেছে গ্রামের সব মানুষ। সবাই হুড়মুড় করে নৌকার ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। সে সময় সেই চন্দ্রদেবী প্রায় ৩০ বছর পর দেশে ফিরেছেন। তাকে দেখা মাত্র গ্রামের মানুষ মুখ গম্ভীর করে যে যার বাড়ীতে চলে যায়। সে যখন আসে তখন তার পিতা-মাতা গত হয়েছিলেন। কিন্তু তার বড় ভাই ছোট বোন সবাই ছিল। বড় ভাইয়ের বউ, ছোট বোনের জামাই তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার জানায়। যেহেতু গ্রামের অধিকাংশই হিন্দু তাই গ্রামের কারও ঘরেই চন্দ্রদেবীর জায়গা হলো না। চন্দ্রদেবী তবুও তার ভাইয়ের ঘরের সামনে অনেক কেঁদেছে। বলেছে কিভাবে অনেক কষ্টে সে দেশে ফিরেছে। তার সেই ইংরেজ লোকটি হঠাৎ মারা যায়। পরে সে বিলেতের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছে। কতদিন না খেয়ে না দেয়ে কাটিয়েছে। পরে সৌভাগ্যক্রমে এক দয়াশীল বৃদ্ধ মহিলা তাকে অর্থ দিয়ে এই বিশাল নৌকাটাতে উঠিয়ে দেন। বিলেত থেকে সেই মহাসমুদ্র সে এই নৌকা দিয়ে পার করে নিজ দেশে ফিরে এসেছে। চন্দ্রদেবী যখন আসে তখন তার সাথে এক পুত্র সন্তান ছিল। বলাই বাহুল্য এই সন্তান সেই ইংরেজের রক্ত বহন করছিল। যাইহোক, কোনোভাবেই তাকে তার ভাই গ্রহণ করলোর না।
অতপর, সেই গ্রামের মসজিদের ইমাম তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার অনুরোধ জানায়। ইমাম বললেন, মা, আপনি তো হিন্দু থেকে আর সে স¤প্রদায়ে মিশতে পারবেন না। তার চাইতে অন্তত আপনার এই সন্তানটার দিকে তাকায়া আপনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। অন্তত পেটের ভাতটাতো জুটাইতে পারবেন।
চন্দ্রদেবী অনেক চিন্তা ভাবনা করার পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন। এরপর সেই মুসলমান স¤প্রদায়ের সাথে সে ধীরে ধীরে মিশে গেলো। আর তার সেই সাদা ছেলেও গ্রামের সাথে মিশে গেলো।
চন্দ্রদেবীর নাম বদলে হলো চাঁদ বেগম। আমরা হলাম সেই চাঁদ বেগমের বংশধর।
আর আজ তোর বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে চাঁদ বেগমের বংশধর হওয়ার অপরাধে। মিলার চাচা আমাদের গ্রামে খোজ নিতে গিয়ে এই তথ্যের সন্ধান পায়।
কায়সারের অবাক হওয়া ছাড়া গতি নেই। এমন রোমাঞ্চকর ঘটনা সিনামে-গল্প-উপন্যাসে হয়। কিন্তু সে নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারছে না। এও বা কি করে সম্ভব! চন্দ্রদেবীর বিলেত যাওয়া তারপর আবার ফিরে আসা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা এ সবই কেমন যেনো! সেই চন্দ্রদেবী হলো একটি বংশের স্রষ্টা। কি অদ্ভুত!
কায়সার কিছুই ভেবে পায় না। তার এখন কি করা উচিত। হঠাৎ তার বাবা আবার বলে উঠেন, বুঝলি বাবা, এ পৃথিবীটা কেমন যেনো। কোনো কিছুর কোনো মানে এ পৃথিবী ভেবে দেখে না। হয়তো শত বছর আগের এই ঘটনাটি। কিন্তু তখন এ পৃথিবী কিংবা সেই চন্দ্রদেবী কি ভেবেছিল তার বংশের এক ছেলের বিয়ে ভেঙে যাবে তার পরিচয়ের কারণে!
প্রতিটি ঘটনার নাকি একটি উদ্দেশ্য থাকে। কিন্তু চন্দ্রদেবীর ঘটনাটির কি উদ্দেশ্য ছিল কে জানে!
এক সময় আমি খুব গর্ববোধ করতাম। কারণ, এসব ঘটনা ইতিহাসে আমরা পড়েছি। আমরা পড়েছি, এক সময় আমাদের দেশে হিন্দু সম্প্রদায় ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধর্মীয় গোড়ামীর কারণে অনেক হিন্দু মুসলমান হতে শুরু করে। আমার বংশের এই ঘটনাটি হয়তো ব্যতিক্রম। তাই মনে মনে বলতাম, চন্দ্রদেবী আমাদের অহংকার। সংগ্রাম করে তিনি একটি বংশের পরিচয় পৃথিবীতে টিকিয়ে রেখেছেন।
আর আমাদের বাংলার মানুষতো সুযোগ খুজে কখন কার কি দোষ পাবো আর তার পিছে লেগে যাবো। ভালো কিছুতো তারা জানতে চায়ও না। বাংলাদেশের কয়টা মানুষ জানে, ভারতীয় এক মহিলাকে এক ইংরেজ বিয়ে করে নিয়ে যান বিলেতে। সেখানে তাদের সন্তান হয়। নাম হচ্ছে, অ্যামেলিয়া জেনকিনসন। সেই অ্যামিলিয়া জেনকিনসনের পুত্র ১৮১২ সাল থেকে ১৫ বছরের জন্য বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী হন। এই ঘটনাটি কেউ কি জানে? কিংবা জানলেও কয়জন জানে! ওটা তো গর্ব করার মতো ঘটনা। আমরা কলংক নিয়ে বেঁচে থাকতে পছন্দ করি। কারণ, আমরা সমালোচনা করতে পছন্দ করি। যদি কলংককে জীবিত না রাখা যায় তবে সমালোচনা কীভাবে হবে! গর্ব করার মতো ঘটনা আমরা খুব সহজে ভুলে যাই।
এসব বলা শেষ করে জাহেদ সাহেব একটা দীর্ঘ নিশ্বাস নেন। তারপর বলেন, আমি নিজের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছি মাই সান। এই পর্যন্ত আসতে আমাকে অনেক ঘাম ঝড়িয়ে আসতে হয়েছে। তারপরও আমার পরিচয় আজ তোকে কিছুই দিতে পারলো না। আমি যাই হই না কেনো মাই সান, আমি তো এক রক্ষিতার বংশধর।
বলতে বলতে কেঁদে দেন জাহেদ সাহেব। অঝোরে কাঁদতে থাকেন। আর বলেন, আই এম সরি মাই সান, আই আম সরি। আই হ্যাভ নো আইডেন্টিটি.......
কায়সার কি বলবে! কিছুই সে ভেবে পায় না। হাঁটতে হাঁটতে নিজের রুমে যায়। রুমে ডিম লাইট জলছে। কেমন যেনো নিস্তব্ধতা। ভেবে সে কিছুই পায় না। এতো বছর পর এসব কি ঘটনা সে শুনছে! একটি মানুষের বংশ পরিচয়টাই কি আসল! সেখানে এতোদিনের ভালোবাসা, এতো দিনের স্বপ্ন সব হেরে যাবে সেই বংশ পরিচয়ের মাঝে। এটা কেমন কথা।
হঠাৎ কনিংবেল বেজে ওঠে। জাহেদ সাহেব তখনও বারান্দায় আর কায়সারের মা বেডরুমের জানালার শিক ধরে তখনও চোখের পানি ফেলছেন।
কায়সার হেটে যায় দরজার দিকে। ড্রয়িংরুম পেরিয়ে কায়সার দরজাটা খোলে।
দরজাটা খুলেই কায়সার অবাক হয়ে যায়। মিলা দাড়িয়ে আছে।
- তুমি!!
মিলার হাতে একটি ছোট্ট ব্যাগ। শাড়ী পরেছে। খুব সুন্দর লাগছে মিলাকে। কপালে সাধারণত টিপ পরে। কিন্তু আজ কোনো টিপ নেই। মিলার চোখের দিকে কায়সার তাকায়; ঠিক তখনই মিলা বলে ওঠে, আমি তোমাকে ছয় বছর ধরে চিনি। ওটাই আমার কাছে তোমার পরিচয়।
কথাগুলো বলার সময় মিলার চোখ থেকে গাল বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছিল।
কায়সার হেসে বলল, ভেতরে আসো।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: একমত।
তাই তো গল্পটা লেখা। সাথে একটু ইতিহাসকে ছোঁয়ার চেষ্টা।
ভালো থাকবেন।
লিপিকার বলেছেন:
চমৎকার........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিপিকার।
ভালো থাকবেন।
জলে ভাসা পদ্ম আমি বলেছেন:
আমিও তাই বলি যারে ভালবাসবো তার সব কিছু আমার সববব।।সে ভাল আমায় ভালবাসে এইই অনেক আর কিছু জানতে চাই না।।।
লেখক বলেছেন: হুমম...... ![]()
বেঁচে আছি বলেছেন:
শুধু কি বংশ....... এখনো কত শিক্ষিত পরিবার এলাকা দেখে। ছেলে মেয়ের পছন্দের কোন মূল্য নাই। এই জিলার লোক এমন, ঐ জিলার লোক তেমন , এসব নিয়েই তো আমরা পড়ে আছি।
লেখক বলেছেন: কথা ঠিক। কত শিক্ষিত মানুষ নয়....বলতে হবে সকল শিক্ষিত মানুষ। যতই সংস্কার মনা হোক না কেনো....সামাজিক এই গোড়ামীটা সকলের মাঝেই আছে।
লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
মদন বলেছেন:
ব্যতিক্রম কাহিনী। ভাল লাগলো ... +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
ভালোই.....
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।
পান্থ বিহোস বলেছেন:
আপনাকে মেইল পাঠিয়েছিলাম। জবাব কি হ্যাঁ, নাকি না?
লেখক বলেছেন: হুমম.....কিন্তু তারপরও দেখবেন সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো চলে আসে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: এইতো রিয়াজ ভাই......আছি ভালোই। আপনার কি খবর? খুব ব্যস্ত মনে হয়!!
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
ভালো লাগেনি, এটুকুই যথেষ্ট ছিল বলার জন্য, কিন্তু "কেন" শব্দটি বরাবরই আমাকে ভাবায়। তাই "কেন" র ব্যবচ্ছেদ করার প্রয়োজন বোধ করছি।শিরোনাম দেখেই বোঝা যাচ্ছিল কাহিনীতে কী আছে, বিভিন্ন সময়ে দেখা নাটকের কাহিনীর সূত্রে এটাও অনুমিত ছিল নায়িকা এই ধরনের একটা ভূমিকা নেবে। রক্ষিতার ব্যাপারটা যেভাবে আনা হয়েছে তাতে তার কথা এতদিন পরে বলার মত কেউ অবশিষ্ট থাকাটা অস্বাভাবিক।বরং বিষয়টাকে ভিন্নভাবে দেখানো যেত, যেমন নায়কের বাবা পালিত অথবা অবৈধ সন্তান। একটা সাধারণ ধরন বললাম আর কি, চাইলে এ নিয়ে আরও অনেকরকম এক্সপেরিমেন্ট করা যেতে পারে।।।।
আর, এণ্ডিংটা অতিরিক্ত কমন মনে হয়েছে।।। আমার পাঠের ক্ষেত্রে প্রধান ত্রুটি হচ্ছে আমি পদে পদে লেখকের কাছে ধোকা খেতে চাই, কিন্তু লেখকের ধোকাবাজি ধরা পড়ে গেলে আর আগ্রহ পাইনা।।।।এটাই "কেন"র ব্যবচ্ছেদ।।।
লেখক বলেছেন: সমালোচনামূলক মন্তব্যটাই আমি সব সময় আশা করি। কাহিনীটা হয়তো সত্যিই চিরাচরিত কিংবা অবধারিত পরিণতির দিকে এগিয়ে গিয়েছে।
অন্যকোনো সময় আপনার দেখিয়ে দেয়া প্লটটি নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে দেখবো।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: বহুদিন পর আমার ঘরে আপনাকে পেয়েও ভালো লাগলো।
কেমন আছেন?
![]()
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
হিমালয়ের কথার গুরুত্ব আছে ভাইয়া...কিন্তু...ঠিক যেমনটা হলে মন ভাল হয় তেমন শেষটুকু হবার কারনে ভাল লেগেছে...ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: হুমম......আপনাকে ধন্যবাদ।
অদ্ভুত কাজী বলেছেন:
ভাল লাগলো .......
লেখক বলেছেন: পড়ে দেখার জন্য ধন্যবাদ।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
শেষটুকু ভালো লাগেনি...তবে হিমালয়ের মতো কাহিনীর অসংগতি ধরার অবসর পড়ার সময় হয়নি। কিন্তু শেষে এসে লেখাটা ধরে রাখতে পারেননি বলেই আমার বিশ্বাস
লেখক বলেছেন: হিমালয়ের মতো কাহিনীর অসংগতি ধরার অবসর পড়ার সময় হয়নি।
এই লাইনটির মানে ঠিক ধরতে পারলাম না।
যাইহোক। শেষে গিয়ে আসলেই খুব তাড়াহুড়ো করছিলাম শেষ করবার জন্য। তাই হয়তো শেষে এসে গল্পটা পড়ে গেলো।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
খুশবু বলেছেন:
সুন্দর+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ খুশবু।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
ব্লগার হিমালয় খুবই বিশ্লেষণধর্মী মন্তব্য করেছেন...আমি সেটার সাথে নিজের তুলনা করলাম আর কি!
লেখক বলেছেন: হুমম....এখন বুঝতে পারলাম। ![]()
জেরী বলেছেন:
শেষে মিলা কায়সারের কাছে ফিরে এসে ভালো করেছে......ভালোবাসলে এমন করেই বাসাই উচিতভাইয়া,এখন কেমন আছেন!!!
লেখক বলেছেন: এই জেরী ভাই, আমি ভালো আছি।
আপনার কি খবর?
গল্পটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কথা ঠিক। মানে না কিন্তু তারপরও বংশের খোঁজ নিতে কেউ বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিতে রাজি নয়। বিশেষ করে স্যাটেল ম্যারিজ হলে। ![]()
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
অরণ্যদেব বলেছেন:
পাহাড়ি,গরিব,খেটেখাওয়াদের বংশ পরিচয় ধুয়ে খেতে হয় না।
লেখক বলেছেন: হুমম.....:-)
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















মানুষের বংশ পরিচয়ের এই কু-সংস্কার থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।