somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাব্যধারায় ভিন্নতা সৃষ্টিকারী কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়‍

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কমরেড, আজ নতুন নবযুগ আনবে না?
কুয়াশাকঠিন বাসর যে সম্মুখে।
লাল উল্কিতে পরস্পরকে চেনা -
দলে টানো হতবুদ্ধি ত্রিশঙ্কুকে,
কমরেড, আজ নবযুগ আনবে না?


লাইনগুলো পদাতিক কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা “সমকালের গান” থেকে নেয়া। এই কবিতা দিয়ে যিনি প্রবেশ করেছিলেন বাংলা কবিতায় তিনি যে বিপ্লবী কবি তা নিঃসন্দেহে বলে দেয়া যায়। বাংলা কবিতার জগতে সুভাষ মুখোপাধ্যায় অনেকটা চমক দেখিয়েই প্রবেশ করেছিলেন। ‘চমক’ শব্দটি ব্যবহার এই জন্যে যে তিনি বাংলা কবিতার প্রথম কবি যিনি প্রেমের কবিতা দিয়ে কাব্য অঙ্গনে প্রবেশ করেননি। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের অভিনবত্ব ছিল ঐখানেই। রাজনৈতিক সচেতন সুভাষ রাজনৈতিক কবিতা দিয়েই ঢুকে গিয়েছিলেন কাব্য জগতে। শুরু থেকেই ছিলেন বিপ্লবী। মার্কসীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ সুভাষ মুখোপাধ্যায় শুরুতেই প্রকাশ করে দিয়েছেন তাঁর চিন্তা চেতনার দর্শন। রাজনীতি, সমাজ, দেশ কিংবা ইতিহাস নিয়ে কি ভাবেন তাও সরাসরি প্রকাশ করে দিয়েছেন কবি সুভাষ।
সর্বপ্রথম সুভাষ রাজনীতিকে নিয়ে এসেছিলেন বাংলা কবিতায়। বাংলা কবিতাকে তিনি দেখিয়েছেন এক নতুন দিগন্ত। মাত্র ২১ বছর বয়সে আক্রমণাত্মক কবিতা লিখে তিনি মন কেড়েছেন তৎসময়ের বিখ্যাত কবিদেরও। তরুণতম কবি হিসেবে প্রবেশ করে তাক লাগানোর মত কবিতা নিয়ে যখন “পদাতিক” কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ হয় তখন কবি বুদ্ধদেব বসু তাঁকে নিয়ে লিখে ফেলেন একটি লিখা। যাঁর শুরুতেই তিনি লিখেন,

দশ বছর আগে বাংলার তরুণতম কবি ছিলাম আমি। কিন্তু ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’ বেরোবার পর থেকে সে সম্মান হলো বিষ্ণু দে-র ভোগ্য, যতদিন না সমর সেন দেখা দিলেন তাঁর ‘কয়েকটি কবিতা’ নিয়ে। স¤প্রতি এই ঈর্ষিতব্য আসন সমর সেনেরও বেদখল হয়েছে, বাংলার তরুণতম কবি এখন সুভাষ মুখোপাধ্যায়।

তাঁর কাব্য জীবনকে স্বাগতম জানিয়ে এভাবেই বুদ্ধদেব বসু আলোচনা চালিয়েছিলেন। পদাতিকের সার্থকতা নিয়ে বিশদ আলোচনা করার শুরুতেই তিনি বলেছেন,
...তাঁর সম্বন্ধে সবচেয়ে বড়ো কথা এই যে মাত্র কয়েকটি কবিতা লিখে তিনি নিঃসংশয়ে প্রমাণ করেছেন যে তিনি শক্তিমান ; যে-কোনো আদর্শেই না বিচার করি, মন দিয়ে পড়লে তাঁর কাব্যের সার্থকতা স্বীকার করতেই হয়।
এই ব্যতিক্রম কাব্য সৃষ্টিকারী কবি ১২ ফেব্রুয়ারী ১৯১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্ম গ্রহণ করেন। তরুণ বয়েস থেকেই তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সার্বক্ষণিক কর্মী। সেই দর্শন থেকেই তার কবি হয়ে ওঠা। ফ্যাসিবাদের উত্থান সেই সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক সংকট যে মহনতি মানুষগুলোর উপর প্রভাব ফেলে তা তিনি অনুভব করতে পেরেছিলেন। আর বুঝতে পেরেছিলেন বলেই নতুন কিছুর প্রত্যাশায় এবং একটি নতুন পৃথিবী সৃষ্টির লক্ষ্যেই সমকালিন বাস্তবতায় চমকসৃষ্টিকারী কাব্য রচিত হয়েছে তাঁর পদাতিকে। এই গ্রন্থের অন্তর্গত একটি কবিতা হচ্ছে মে দিনের কবিতা। এ কবিতায় তিনি নতুন প্রজন্মকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। নতুন প্রজন্মকে রোমান্টিকতা পরিহার করে সমাজের বাস্তবতা দেখে যাওয়া আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কবিতাটির শুরুতেই উল্লেখ করেছেন,

প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য
ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা,
চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য
কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া।


ফুল দিয়ে তিনি বিলাসবহুল জীবনকে বুঝিয়েছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন, ফুল দিয়ে নিজের তুচ্ছ আবেগ দেখানোর সময় আর নেই। এবং সেই সাথে বিলাসী জীবনটাকে তিনি পরিহারও করতে বলেছেন। পৃথিবী যেভাবে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে বিলাসী জীবনের দিকে না ঝুঁকে বাস্তবমুখর জীবন মোকাবেলা করবার শক্তি অর্জন করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
কবিতা দিয়েই তিনি রাজনীতির দর্শনগুলো তুলে ধরেছেন অন্যের কাছে। কখনই তিনি কবিতার সাথে রাজনীতিকে আলাদা করে দেখেননি। তাঁর লেখাগুলো পড়লে একটি লাভ আছে। তা হচ্ছে, তাঁর লেখায় সে সময়কার অনেক চিত্র ফুটে ওঠে। যদিও লেখক কিংবা কবিদের কাজ হচ্ছে সময়কে ধরে রাখা। রাজনীতিও কবিতার বাইরে নয় এই ধারণাটা সুভাষ মুখোপাধ্যায় প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। তাঁর লেখা “কবিতার বোঝাপড়া” শীর্ষক প্রবন্ধে বলেছেন,

‘মানুষ’ বলতেই একটা বিশেষ মানুষ আমার মনের মাঝখানে ভেসে ওঠে....যখন কবিতা লেখা হয়, নিরাকার নির্গুন মানুষে কাজ হয় না। কবিতার জন্য চাই গুণধর মানুষ। সে মানুষ এমন হবে যাকে ধরা-ছোঁয়া যাবে....আমি যেমন পাঁচ ইন্দ্রিয় দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে দেখি, তেমনি অন্যের পাঁচ ইন্দ্রিয়কে প্রত্যক্ষভাবেই দেখাতে চাই। কবিতার জগতে সব কিছুরই হয় গড়ন নয় স্বাদ, হয় রং নয় গন্ধ, আছে- সব কিছুরই ধরা-ছোঁয়া যায় বলেই পৃথিবী শুধু পৃথিবী নয়, পৃথিবী ধরণী। ... জীবনের ডালে কবি নাড়া বাঁধে।
(চতুরঙ্গ, মাঘ ১৩৬৩, ৩৪৭ পৃষ্ঠা)

সুতরাং পৃথিবীর কোনো ঘটনাই কবিতার বাইরে নয়। আর কবিতাও পৃথিবীর বাইরে নয়। তাই কবিতায় পৃথিবীর কথা থাকতে হবে। আর পৃথিবীর কথা বলতে গেলেই বলতে হবে রাজনীতির কথা। বলতে হবে বুর্জুয়াদের অন্যায় শাসনের কথা। বলতে হবে খেটে খাওয়া মানুষের কথা। পৃথিবীর হানাহানিতে মানুষ দিশেহারা হয়ে ঘুরে ফেরে। সেই মানুষগুলোকে দেখাতে হবে স্বপ্ন। উদ্দিপ্ত করতে হবে নতুন পৃৃথিবীতে সৃষ্টির। নতুন কিছু করার স্বপ্ন দেখাতে হবে। আর তা খুব ভালো ভাবেই করে গেছেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। তাই তিনি রাজনীতিও ছাড়েননি ও কবিতাও ছাড়েননি।

শুরু থেকেই আমি কবির পদাতিক কাব্যগ্রন্থ নিয়ে কথা বলছি। ঘটনাটি হয়তো অনেকের বিরক্তির উদ্রেক ঘটাতে পারে। তবে সত্যি কথা বলতে, পদাতিক বাংলা কবিতাকে নিয়ে গেছে অনেক দূর। পদাতিকের সফলতার পথ ধরে সে সময়কার বহু কবি এর পরপরই লিখতে শুরু করেছিলেন রাজনৈতিক কবিতা। সুতরাং সুভাষ বাংলা কবিতাকে দিয়ে গেছেন বৈপ্লবীক রূপ।
কবিতার পাশাপাশি সুভাষ রচিত বহু ছড়াও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এখানে মজার বিষয়টি হচ্ছে, সুভাষ মুখোপাধ্যায় ছড়া লেখা শুরু করেন যখন তাঁর বয়স ষাট পার হয়েছে। ভাবতেই অবাক লাগে। যে কবি এতো অল্প বয়সে রাজনৈতিক কবিতা লিখে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সেই কবি ছড়া লিখতে বসলেন জীবনের শেষ প্রান্তে। কবির বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো ছিটানো ছড়গুলো নিয়ে যখন বই বের করবার সিদ্ধান্ত হলো তখন ১৯৬৯ সাল। সেই উদ্যোগের সফলতা আসে ১৯৮০ সালে। সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের প্রথম ছড়ার বই “মিউ-এর জন্য ছড়ানো ছিটানো”। পদাতিক যেমন আলোড়ন সৃষ্টি করলো ঠিক সেভাবেই মিউ এর জন্য ছড়ানো ছিটানোও ছড়া জগতে উন্মোচন করলো আরেকটি নতুন দিগন্ত। ছন্দের এক আশ্চর্যের খেলা দেখলো পাঠকরা। এর পর টানা বের হলো আরও তিনটি ছড়ার বই। যার মধ্যে একটি হচ্ছে, যুক্তাক্ষর বর্জিত। তবে ছড়াতেও তিনি বিদ্রোহভাব বর্জন করতে পারেননি। যেমন, তাঁর পারুলের বোন ছড়াটি পড়লেই বোঝা যায়।

অন্ধকার পিছিয়ে যায়
দেয়াল ভাঙে বাধার
সাতটি ভাই পাহারা দেয়
পারুল, বোন আমার-
দেখি তো কে তোমায় পায়
বেড়ি পরায় আবার?

শুয়ে শুয়ে দিন গুনছে
পারুল বোন আমার।

সোনার ধানের সিংহাসনে
কবে বসবে রাখাল
কবে সুখের বান ডাকবে
কবে হবে সকাল!


অসাধারণ এই ছড়াটির কিছু অংশ তুলে ধরলাম কবির বিদ্রোহ কিংবা বুর্জুয়াদের শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠটিকে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্যই। তাঁর ছড়া সম্পর্কে আরও কিছু উল্লেখ করা জরুরী বলে মনে করি। তবে তা আমার মতো তুচ্ছ ব্যক্তির মতামত দিয়ে নয়। তার ছড়া নিয়ে অধুনালুপ্ত মাসিক পত্রিকা সারস্বত প্রকাশ- এর (সম্পাদক: অমরেন্দ্র চক্রবর্তী ও দিলীপকুমার গুপ্ত) প্রথমবর্ষের সপ্তম সংখ্যায় ‘সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতা’ শীর্ষক রচনায় সেই ১৯৬৮ সালেই হিমানী বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন,
তাঁর দুই যুগের রচনাতেই আরেকটি প্রকরণের অনায়াস ও ব্যক্তিমন্ডিত নৈপুণ্য আমাদের মুগ্ধ করে - সেটি ছড়া। লৌকিক ছাড়ার চালে প্রয়োজিত তাঁর আপাত হালকা রাজনৈতিক ছড়াগুলি- কিন্তু অনুভূতির তীব্রতা, বিশ্বাসের গভীরতা, প্রচন্ড ও অন্তরঙ্গ উত্তাপ এই আপাত ছেলেমানুষি ছড়াগুলোকে বয়স্ক পাঠকেরও মনোমুগ্ধকর করে তোলে। অন্নদাশঙ্করের রাজনৈতিক ছড়ার চেয়েও সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ছড়ার লক্ষ্যভেদের ক্ষমতা অনেক বেশি। আর ছড়ার ভঙ্গিটি যুগপৎ লৌকিক ও শিক্ষিত, বিদগ্ধ ও অনুভূতিময়, কৌতুকে ভরা- পরিচ্ছন্ন, অনায়াস ও সংযত।

সকলের কাছে এভাবেই গৃহিত হয়েছেন সুভাষ বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা কাব্য জগতে তিনি যে এক প্রবাদ পুরুষ তা নিশ্চয় এখন আর কারও বোধের বাহিরে নয়। তিনি যে বাংলা কাব্যকে সেই চল্লিশ শতকেও শাসন করতে সক্ষম হয়েছেন তাও নিশ্চয় এখন প্রমাণিত।
সুভাষ মুখোপাধ্যায় নিজের পান্ডুলীপি সংরক্ষণে অনেক অসচেতন ছিলেন। তার বিভিন্ন ছিন্ন পত্রে কিংবা ভক্তদের দেয়া বিভিন্ন বইগুলোতে সাক্ষর দেয়ার সময় তিনি ছড়া জুড়ে দিতেন। সেইগুলোকে নানা ভাবে একত্র করবার এক ক্ষুদ্র চেষ্টা করছিলেন তাঁর অনুরাগীরা। তিনিও তালিকা নির্মাণে সহযোগিতা করেন। কিন্তু ধীরে ধীরে তার স্বাস্থেরও অবনতি হতে থাকে। এক পর্যায়ে তালিকাও প্রস্তুত। কবি তখন উৎসর্গ পত্রটি লিখলেন এবং বললেন, এ বইয়ের জন্য একটা ভূমিকা থাকা জরুরী, লিখে রাখব কাল সকালে, খুব ছোট করে।
ভূমিকাটি তাঁর আর লেখা হলো না। পরদিন সকালেই তিনি অসুস্থ হয়ে গেলেন। নিয়ে যাওয়া হলো হাসপাতালে। আর তাঁর ফেরা হয়নি। ৮ জুলাই (২০০৩) ভোরে তার জীবন অবসান হয়। সেই সাথে অবসান হয় এক কিংবদন্তির পথ চলা। সুভাষ মুখোপাধ্যায় জীবনে বহু সংগ্রাম করেছেন। কমিউনিসম রাজনীতি করার জন্য তাকে কারাভোগও করতে হয়। ১৯৪৮ সালে কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ হলে আড়াই বছর তাকে কারাবাস করতে হয়। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি লেগে ছিলেন লেখালেখির জগতের সাথে এবং রাজনীতির সাথে। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট কবি সুভাষ ১৯৫২ সালে চটকল শ্রমিকদের সংগঠিত করবার এক চেষ্টা করতে শুরু করেন। শক্তিশালী কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় শুধু কবিতা কিংবা ছড়া নয়; গদ্য রচনাতেও গৌরব অর্জন করেছিলেন। তাঁর কর্মকৃতি স্বরুপ সাহিত্য আকাদেমি পুরষ্কার (১৯৬৪), আফ্রো-এশীয় লোটাস পুরস্কার (১৯৭৭), আনন্দ পুরস্কার (১৯৯১) সহ আর বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×