আমার প্রিয় পোস্ট

বিবৃতি তানভীর-এর কবিতা

১১ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

শেয়ারঃ
0 1 0

একটি উচ্ছিষ্ট

আমি দুঃখিত। আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি আপনাদের সাথে পরিচিত হয়েছি। দেখেছি আপনারা কেমন। আমি ভেবেছি আপনাদের সাথে চলা যায় কিনা আর বিশ্বাস করা চলে কিনা। আপনারা ছিলেন মহাকালের তপ্ত পাউরুটির মতো প্রডাক্ট এবং চোখে পড়ার মতো মেধাবী। কিন্তু আমি ছিলাম আদতে গ্রাম্য। শহরের চালচলন ঠিক বুঝতাম না। কিন্তু আমি জানতাম, মেধাবীদের বিশ্বাস করা চলে না। কারণ পৃথিবীর পাছাটা মেধাবীরাই মেরে থাকেন। ইতিহাসে প্রমাণ রয়েছে। যদিও আমি ইতিহাসকে সন্দেহ করি। কিন্তু আপনাদের যেটুকু সরলতা ছিল তা আমার ভাল লেগেছিল। যার কারণে আমি আপনাদের প্রেমে পড়ি। আর আপনাদের অদ্ভূত নৈতিকতা আমার আবেগ একটু চেতিয়ে দিয়েছিল। আমি এও জানতাম প্রতিটি মেধাবীদের থাকে একিট নীতি। যা তার অস্ত্র; আবার পাশাপাশি আত্মঘাতী হাতিয়ার। সে চিৎকার করে না। কিন্তু বিনয়ের সাথে খুন করে আপনাকে। যা আপনি টেরই পাননি। আমি এই খুনীদের ভালোবেসেছি। কারণ একজন কুমার অবস্থা হতে মৃত্যুই তার জন্য একমাত্র সফলতা। যেমন কামিনী ফুলের ঘ্রাণ আমাকে মৃতদের কথা মনে করিয়ে দেয়। কিন্তু আপনারা ব্যক্তিগত পর্যায়ে তাদেরকেই বেছে নিলেন যারা ঋতুর সুফল সম্বন্ধে সম্যক ধারণা রাখে না। শুধু মনে রাখতে পারে শীত আর শরতের কথা। যা ছিলো নেহাতই কথা বলার খাতিরে কথা বলা। কিন্তু জ্ঞানীদের মতো আমি কখনোই ভাবিনি মানুষের কাছে নিজেকে প্রয়োজনীয় করে তোলার পদ্ধতির কথা। কারণ তোমার কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নিয়ে তার অভাববোধটা তৈরি করতে হয়। বিষয়টা সেরকমই যেটা তোমার প্রাপ্ত প্রেমিকাকে সরিয়ে রেখে তোমাকে বস্ত্র পড়ানো হয়েছে। আর মিছে মিছে বুনতে দেয়া হয়েছে অদৃশ্য পুষ্পমাল্য। আর তোমার জ্ঞানকে করেছে অপবিত্র। কিন্তু আমি দুঃখিত। আমি ঐ ভদ্রলোকের এলিট পার্টিতে লুঙ্গি আর স্যাণ্ডেল পড়ে গিয়েছিলাম বলে তারা হেসেছিলো। যদিও আমি তার বন্ধু (বোদলেয়ার বিশ্বাস করে না) তথাপি সবাইকে রেখে- আমাকে বিদায় করতে পারলে যেন তার স্বস্তি মেলে। ওফ্‌ আপনাদের ভদ্রতা। আপনাদের প্রেমিকাগুলো। যেন কচি কচি মাল। ওফ্ আমার তো চুদতে ইচ্ছা করে। কিন্তু আপনাদের উৎসবমুখর চোদার রুলস তো আমি জানি না। তাই পিছনে পড়ে থেকেছি। নিস্পৃহ একটা ভাব নিয়ে মেয়েদের দিকে তাকিয়েছি। আর সুন্দরীদের পাত্তা না দিয়ে তাদের নিজেদের সম্বন্ধে সন্দেহ ধরিয়ে দিয়ে নজর কেড়ে নিয়েছি। কিন্তু ওফ্ আমার অযোগ্যতা কোনো নারীকে অর্জন করতে দেয়নি আমাকে। আমার নুনু একটু ছোট হলেও সে ছিলো তীব্র ক্ষুধার্ত। তাই বেশ্যালয়ে গিয়েছি। সঙ্গম করেছি। আর চুমু খেয়েছি বহুতাপে শীতল যোনীতে। কেননা ওটাই আমার কোরান অথবা বাইবেল। ঈশ্বর এবং তার প্রতিনিধি ওই পথ ব্যবহার করে। আর আপনারা যা মহান বলে ধরে নিয়েছেন আমি তাদের ঊষর করে দিয়েছি। ভালোবাসার বোধ থেকেই আপনাদের অশুভতে নাক ঢুকিয়েছি। কিন্তু আপনারা ভুল অর্থ করেছেন তার। আমি দুঃখিত। কারণ আপনাদের পাছা মারামারি সম্পর্কটা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: প্রতিবেশি লেখার খাতা  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৬
ইমরান মাঝি বলেছেন: কারণ পৃথিবীর পাছাটা মেধাবীরাই মেরে থাকেন।
********************************
এই কবিতাটা যখন লেখা হয়, আমি কবির বাড়ির কাছে ভাড়া থাকতাম। লেখাটা জন্ম নেয়ার পর প্রথম (কবির মুখে )পাঠ শোনার সু-ভাগ্য আমার হয়েছিল। এবং তখনই লেখাটি আমার ভালো লাগে। আমার পছন্দের একটি লেখা প্রকাশ করার জন্য মাঠশালা আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: কেন ভালো লাগে জানাইলে হইত.....

২. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৭
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: ভাললাগা একটা লেখা।
পোস্ট দেয়ার জন্য তোরে ধন্যবাদ।
প্রিয়তে রাখলাম।
৩. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৩
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: বিবৃতি তানভীরের আরো ৫টি কবিতা

শেফালি

শেফালি ও শেফালি ফুল
আমি পৌষের রাতে ঠায় দাঁড়িয়ে রব,
তোমার পাশটিতে-
যাতে ভোরের পূর্বে,
তোমার মৃত্যুর আগে-
তোমায় নিতে পারি শুভ্র করতলে
ন'তুবা অমন পবিত্র দেহে ধুলির কলঙ্ক লেগে যাবে।

শেফালি ওগো শেফালি ফুল
কবরে আমার-মাথার কাছে ফুটো,
কবর আমার খোলাই রবে
দেবতা ক'বে,অপূর্ব তো!


প্রতারণা

খোপায় পড়িয়েছি সূর্য-
মন্ত্রে করে ফুল,
তুমি বললে-
এই তো করেছ ভুল,
আমি আর মানবী নই
আমি সূর্যমুখি ফুল।


স্কিৎজোফ্রেনিয়া

নিগূঢ় বেদনার বিষয় হলো-
আমি একদিন মারা যাব।
তার চেয়েও ঢেড় বেদনার বিষয়-
এই বিষয়টি আমি জানি এবং
নিঃসঙ্কোচে তা মেনে নিতে হচ্ছে।
যদিও আমি মৃত্যু এবং
নিজের ব্যাপারে
গভীর সন্দেহপ্রবণ।

নিস্ঠুর বার্ধক্য

প্রিয়তমা এখন আর কোনো হরিতাভ যুবক
প্রেমার্ত দৃস্টিতে তাকায় না তোমার দিকে।
কিংবা তাদের উৎসাহিত হৃৎবিদ্ধ কোন আলোচনায় আসো না তুমি।
অথবা উপন্যাসের নায়কের মত আত্নবিশ্বাসে টগবগে কোন বালকের
তৃষ্নার্ত গোলাপ কিংবা আবেগ দস্টিত কোন প্রেমপত্র
আসে না তোমার দূয়ারে-ভুলক্রমেও।
জানালার বিবর্ণ গ্রীল আকড়ে ধরে- তুমি যে বর্ণিল নীলিমার
প্রত্যশা কর,তা-ও বেহেলা বাদকের পথ ধরে সরে গেছে
দূর থেকে অতিদূর কোন গ্রহে-যে ঠিকানা তুমি অবগত নও।
অথচ কোনোদিন আশ্চর্য গর্বময় পদচারণা ছিল তোমার।
সহস্র বিচিত্র ডানার মোহময় প্রজাপতি জন্মান্তরের পর আত্নহুতি দিত
তোমার প্রদীপ্ত আলোয়-মেঘেরা তোমার হেমময় স্পর্শ
পাওয়ার প্রত্যশায় কুয়াশার রুপ নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করে যেত বারংবার।
মনে পরে?এক দুপুরে পৃথিবীর জাগতিক বিশ্বাস হারানো এক কোকিলের
প্রতি মুগ্ধ দৃস্টিতে তাকিয়েছিলে বলে-সে বেঁচে থাকার উৎসাহ ফিরে পেয়েছিল।
আর তারই অহমিকায় তুমি আমায় পরিত্যাক্ত কামিজের মত ছুড়ে ফেলেছিলে।
কিন্তু আজ........!

বার্ধক্য কী নিস্ঠুর প্রিয়তমা!


কালো মেয়েটির কান্না

অন্ধকারে একা,দুটো সেতুর সেতুর মাঝখানে কাঁদছে যে মেয়েটি-
তাকে তুমি চেন।
থামাও
থামাও গো
ওর রিক্ত কান্না
থামাও প্রতারক চৌকস কবি।
ঐযে গ্রাম-অন্ধকার দেহে লুকনো
যার টিমটিমে আলো,
মেয়েটির করুণ কান্নায় শহর যে চমকালো।

ব্রিজের নিচে এক নিঃস্তনী নদী
তবুও নার্গিস রয়েছে ঠিকঠাক,
গুরুবোধ বট কেন পড়ে আছে
প্রাণের পরিত্যাক্ত পোশাক।

মেয়ের ছোট্ট হৃদয়
যায় যদি যাক না অন্য গ্রহে,
অন্ধ রাক্ষুসী এক এই খানে আসে যায়
রাত্রি দ্বি-প্রহরে।

ওর কান্নার তীক্ষন সুরে
যাবে গো অমর কৃত্বি ভেসে
দাও কবি মহিম গোলাপ
কান্না লুকোবে হেসে।
৪. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৭
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: অনেকদিন আগে বিবৃতি তানভীরের কবিতা নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম -এখানে ক্লিক করুন

কবি বিবৃতি তানভীর :)
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: জোওওওসসসসস কন্ট্রুবিউশান। ;)

৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
ঘোর বলেছেন: এ ব্যাপারে জুবেরীকে আগেই বলেছিলাম।

এ লেখা ছেপে কি কালনেত্র প্রতিষ্ঠানবিরোধিতার ঘ্রাণ নিতে চাইছে? ইম্‌ম্যচিউড, তবে মুয়ীদের কমেন্টে দেওয়া কবিতাগুলো ভালো।

যাই হোক, ৯-১০ বছর লিখেও বিকৃতি ছাড়তে পারেনি বিবৃতি তানভীর, আমার মনে হয়েছে।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: "এ লেখা ছেপে কি কালনেত্র প্রতিষ্ঠানবিরোধিতার ঘ্রাণ নিতে চাইছে?"

প্রতিষ্ঠান বিরোধীতা কি কেন এবং কালনেত্র'র সাথে তার সম্পর্ক কি এগুলা নিয়া বিস্তর তর্ক হইতে পারে। উচিতও। আপনি শুরু করেন।

এই বিশেষ লেখাটা আমি প্রতিষ্ঠান বিরোধীতার জন্য পোস্টইনাই। সেটা ভাবলে বড় ভুল হবে সাইফ ভাই। আপনিতো জানেনই প্রতিষ্ঠান বিরোধীতা শুধু স্ল্যাং সমৃদ্ধ কথাবার্তাকেই যতটা মিন করে আসছিল এখানের আজিজিও চর্চায় এখন সেটা অনেক বড় একটা রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে এবং ইন্টারপ্রিটিশনের ধরণকে বোঝাতে চায়।

আমি এই `ইমম্যাচিউরড' কবিতা খানি পোস্টাইছি কারন, আমাদের ডাহা ডাহা কাহা ম্যাচিউরড কবিরা বাংলা কবিতায় ইনায় বিনায় সুললিত ভাবে চোদার ইচ্ছাই ব্যক্ত করতে করতে ভরায় ফেলছে। তার বিপরীতে এ ধরনের সরাসরি কথা বলার কবিতা কমবেশি লেখা হইলেও হালে পানি পায় নাই, আর এখনো পাইতেছে না দেখাই যাইতেছে। কিন্তু এসব কবিতা সরাসরি উপস্থাপন করলে চরম উদারমনাও যেন কেমন কেমন.......

সুমনের একটা গান আছে না- ওগো দারূন উদারমনা তুমি রাগতে রাগতে বলো.......

৬. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৩
ঘোর বলেছেন: ইনাইয়া বিনাইয়া চোদানোটাইতো শিল্প। আর তুমি যাহা পোস্টাইছো তা ডিরেক্ট ধর্ষণের পর্যায়ে পড়ে। এটা কোনো কবিতা হয় নাই।

চোদার আর্ট বলে একটা কথা আছে না...

কালনেত্র ভাঙচুরের স্বপ্ন দেখে, এটা আমি বিশ্বাস করি। কবিতার ফর্ম ভাঙার তারণা না থাকলে হয়তো আমি এ নিয়া কোনো কথাই বলতাম না।

এটাকে তুমি কোন যুক্তিতে উদারমনা বলছো, তাও বুঝতে পারছি না। ডাইল খাওয়ার পর চোদার ফিলিংসে এ ধরনের কথাবার্তা আমার মাথায়ও আসে, তবে তাকে কবিতা বলে চালানোর মতো ন্যাক্কারজনক কাজটা আমি করতে চাই না।

চোদার আগ্রহ আমারও আছে, এবং তা শিল্পসম্মত। আসলে নান্দনিক বোধ না থাকলে এ নিয়া তর্ক করাটাই বৃথা।
৭. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
সালাউদ্দীন খালেদ বলেছেন: কোনাকোনি রকমের ভাল একটা লেখা
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: কোনাকোনিটা বিস্তারিত করেন।

৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৩
নৃপ অনুপ বলেছেন: মিস্টার ঘোর,
আমি আলাপের মধ্যে প্রবেশ করিবার ইচ্ছা রাখি।
আপনার কতোগুলো শব্দপ্রয়োগের মানে বুঝি নাই তাই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতার ঘ্রাণ, ইম্‌ম্যচিউড, বিকৃতি
ইনাইয়া বিনাইয়া চোদানোটাইতো শিল্প। আর তুমি যাহা পোস্টাইছো তা ডিরেক্ট ধর্ষণের পর্যায়ে পড়ে। এটা কোনো কবিতা হয় নাই।
চোদার আর্ট বলে একটা কথা আছে না...কবিতার ফর্মচোদার আগ্রহ আমারও আছে, এবং তা শিল্পসম্মত। নান্দনিক বোধ
এই সব কথাগুলোর সানে নজুল যদি বলতেন আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানভান্ডারে কিছু পোক্তজ্ঞান যুক্ত হইবার সম্ভাবনা হইতো।

জুবেরী, তানভীরের লেখা কবিতার মধ্যে আমার প্রিয় কাব্য পোস্টানোর জন্য ধন্যবাদ।

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাঈদ জুবেরী,
একটা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় কাজ করি, মাঝে মধ্যে কবিতা,গল্প,প্রবন্ধ লিখি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ