somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... কিছু কবিতা আন-লাইক

কোন রিয়ালেটিতেই তুমি সাসটেইন করো না, ডিয়ার
আমার ফ্রেন্ডলিস্টে নাম আছে প্রায় দুই হাজার
দুনিয়াতে নাম জানা মেমরি আছে হাজার তিনেক, বড়জোর

ভালবেসে বা ঘৃনা করে স্টেটাসই দাও
আমার আবেশে বা রোশে বা কেবলই অন্য করুর সাথে যেতে যেতে
বা ভিরের ভিতর ৭০০ কোটির নিদর্শন
এছাড়া
কোন রিয়ালেটিতেই তুমি সাসটেইন করো না, ডিয়ার
এবং তুমি দেখ মৃত্যুর পরও যেমন কারু কারু ফিড আসতে থাকে হোমপেজে
তা কিন্তু আমরা পার হয়ে যেতে দেই

যেমন করে যুদ্ধ ও অপরাধ একটা চক্রবৃদ্ধির হিসাবের খাতা

লাইক অথবা নিরবতার বাইনারিতে
পাপ-পূণ্য, ভাল-মন্দ ইতিহাস পারি দিচ্ছে


প্রটোকল

অন্ধকার ফিরে ফিরে আসছে
ঘিরে ঘিরে ধরছে তার ব্যাপক রাত
কুয়াশা আর মেঘের প্রটোকল সারাটা বছর

হেডলাইট জ্বালিয়ে রাখো
বর্ষাতিতে ঢেকে থাকো

অন্ধকার ফিরে ফিরে আসছে
ঘিরে ঘিরে ধরছে তার ব্যাপক রাত
কুয়াশা আর মেঘের প্রটোকল সারাটা বছর

কদাচিৎ তোমাকে দেখা যাবে
বাকিটা সময় তুমি
হেডলাইটের পেছনে দাঁড়িয়ে চোখ ধাঁধিয়ে দেবে
বর্ষাতিতে ঢেকে পার হয়ে যাবে

সাবধান সাবধান
সামনে এ্যকসিডেন্ট

অন্ধকার ফিরে ফিরে আসছে
ঘিরে ঘিরে ধরছে তার ব্যাপক রাত
কুয়াশা আর মেঘের প্রটোকল সারাটা বছর


ফিউনারেল

ফেলানি উড়তেছিল রাষ্ট্র, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতার মহান স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই দিনে জাতীয় পতাকার মতন।

ফুল-১

তোমার পাপড়ি ফুটে বের হতেছে
আর ক্রমশ হয়ে উঠছো ফুল
দিকে দিকে নজর হতেছ তুমি
দৃশ্যময় রঙিন না হলে তুমি কিছু না
নিতান্ত কাগজও
একসাথে রঙিন ও দৃশ্যমান হলে
ফুলের মূল্যে বিকোয়

ফুল, সে তুমি কাগজের অথবা প্রকৃতির
দোকানের অথবা বাগানের
প্রেমিকের অথবা নেতার
বিবাহের অথবা শ্রাদ্ধের
তোমার রঙিন দৃশ্যময়তার কাছে
সকল নন্দন...

আর আমি বোকাচোদার মতন চোখ হারিয়ে ঘ্রাণ উন্মূখ হেঁটে যেতে ছিলাম, বিকারগ্রস্ত


ফুল-২

তোমাকে সন্দেহ করি ফুল
সন্দেহ তোমার শরীরে ছড়ায় সৌরভ
তার ঘ্রাণ পেয়ে হই আরও কাতর...বাতিকগ্রস্থ


কলোনি

আমার মাথাটা না একটা শকুনের বাসা হয়ে গেছে। সে খালি ডানা ঝাপটায় আর তার আঘাত এসে লাগে খুলির দেয়ালে...সে বের হতে পারে না খুলির হোল্ডঅল থেকে...কীভাবে যে সে এখানে এল আর কীভাবেই যে সে বের হবে...ওহ, ফাক!! ভাবতে গেলে অবাক, হই আরো অবাক নির্বাক...হয়ত মরার পর সে বের হতে পারবে আর আমার মৃতদেহটাকে ঠুকরে খেয়ে খেয়ে সৎকার করে দেবে...


১৬ ডিসেম্বর

সরকারি ভবনগুলায় আলোকসজ্জ্বা
কর্পোরেট ভবনগুলার কাচে তার প্রতিফলন পড়ছে
ভবনসমুহের
এই পারস্পারিক হয়ে থাকা...




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29520731 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29520731 2012-01-11 21:41:01
কলাকৈবল্যবাদী শোয়া পাশাপাশি
ছুঁয়েও দেখে না হায়
হাত ধরে নাকো ভুলে
ভিষণ
ব্যক্তিত্বপ্রবণ
ঘ্রাণ এসে লাগে নাকি নাকে
নাক ডাকে নাকো
কভু
ইন্দ্রিয় নাইতো
তাই জাগে না
তবু রাত জাগে শুধু
সকাল দেরিতে ওঠে
ওদের
-তাওতো পাশাপাশি
তারা থাকে
যেন এপার আর ওপার বাংলা
তারা
আহা কত মিল
অবসর আর ছুটিছাটায়
পর্যটন করে তারা
নিজেদের ভেতর বাহির
তথাপি পায় না তারা
যারা থাকে পাশাপাশি



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29483846 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29483846 2011-11-15 18:32:58
স্পেসশিপ ছড়িয়ে পড়ছে ঘিরে ধরছে চেপে বসছে
সকল চরাচর
আর সব যেন মহাকাশযান কোনও
নাড়ি-ভূড়ি আর যকৃত ফুসফুস
যে যার মতোন হাত পা চোখ নাকও
উগড়ে উঠছে ছুটে যাচ্ছে ছড়িয়ে পড়ছে স্পেসে

সে বসে রয় খুলির খুপরিতে
এম্পটিনেসের ভয়াবহ এক চাপে
চিরে চ্যাপ্টা বিস্তারিত ফাকা



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29458907 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29458907 2011-10-02 18:49:52
ভালো ও খারাপ একটা দিন ভালো ও খারাপ একই সাথে একটা দিন গতকাল
একই সাথে ভালো ও খারাপ গতকাল একটা দিন
আমার করতলে উপর দিয়ে আমার পায়ের নীচ দিয়ে
আমার খুব চুড়ান্ত ছুঁয়ে আমার চিরদিনের দিকে
চলে গেল
গতকাল
ভালো ও খারাপ
একই সাথে
একটা দিন
আমার বেঁচে থাকার ভেতর
আমার মরে যাওয়ার ভেতর
আমার কিছু না এর ভেতর
আর আমার সর্বস্বর ভেতর
চিরদিনের ভালো ও খারাপ একটা দিন
প্রতিদিনের ভালো ও খারাপের একটা দিন
আজকের সাথে আগামীকালে দিকে
ভালো ও খারাপ একই সাথে...
ভালোকে ভালো আর
খারাপকে খারাপ বলার
বাইনারি শিক্ষা আমার হলো না তো
সব মিলে মিশে একাকার আমার অশিক্ষার স্কুলে, তাই
গতকালকে আর আলাদা করা যাচ্ছে না
তাই আমার ভালো অথবা খারাপ কোনটাই থাকা হচ্ছে না
তাই আমার না থাকাটা ভালো ও খারাপের দ্বন্দে
তৈরি করছে যা
যা তৈরি হচ্ছে, তা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29456634 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29456634 2011-09-28 18:15:45
একটা পিস্তল চাই
একটা পিস্তল রাখতে চাই পকেটে
ওটা লুকিয়েই
বন্ধু তোমার সাথে
শত্রু তোমার সাথে
কোলাহলের ভিতর শোরগোলের ভিতর চুপচাপের ভিতর
বয়ে যেতে চাই..
যেন
অসহায় মুহূর্তে
আমাকে বাজারে তোলার আগেই সুইসাইড খেয়ে নিতে পারি
যেন
আমার অসহায়ত্বকে পুঁজি করে
সমাজের সহানুভুতির মতন ভয়ঙ্কর
শুলে না চড়তে হয়
যেন
আমার অসহায়ত্বকে পাবলিসিটি করে
আমার 'প্রকৃত আমি'কে খাটো হতে না হয়
যেন
আমার অসহায়ত্ব বন্ধু-স্বজনের মত
সম্পর্কের দায় চুকাবার চাক্তি না হয়ে যায়
অথবা
আমার শত্রুরা যেন আমাকেই ব্যবহার করে নিতে না পারে
সেই অসহায় অবস্থার জন্য
পকেটে একটা পিস্তল রাখতে চাই
যেন আমাকে বাজারে তোলার আগেই সুইসাইড খেয়ে নিতে পারি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29450439 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29450439 2011-09-18 18:00:03
মধ্যপদলোপী ভালো লাগা
পাশাপাশি বসে চা খাব

আর তা মিষ্টি লাগবে

আমাদের বহুমুত্র রোগ হয় নাই এখনও

একজন ডান অপরজন বাম

উভয়ের চেপে রাখা কাম

এমতাবস্থায় বৃষ্টি নামলে

আমাদের ভাল লাগে কিছুক্ষণ

এই ভালো লাগা সুযোগসন্ধানী

মধ্যপদলোপী







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29445918 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29445918 2011-09-10 20:03:10
কল্যাণপুরের ওভারব্রীজে মূহুর্তের মুক্তাঞ্চল/ তানভীর চৌধুরী ভনিতা পর্ব

এই টেক্সট লিখতেসি যখন গুলশানের আবাসিক এলাকা থেকে বেরিয়ে যাইতেসে একটা অ্যাম্বুলেন্স সাইরেন বাজিয়ে-বারের শেষ মাতাল লোকটাকে বেরিয়ে যেতে বলা হইতেসে-হয়তো অনেক দূরে অন্য শহরে পুলিশী জেরায় বিপ্লবী বন্ধুর আস্তানার কথা বলে দিচ্ছে কেউ-মোহতারেমা,আপনি এই লিখাটা পড়তে পড়তে ভাবতেসেন আপনার প্রেমিক ধরা পড়ে যাবে আজ রাতে বন্ধুর বিশ্বাসঘাতকতায়-আর আপনার মাথায় চক্কর দিতে থাকবে ম্যালাদিন আগে পড়া সাঈদ জুবেরীর কবিতা-‘পৃথিবীতে একমাত্র কবিরাই

যীশুর মত নিস্পাপ আর জুডাসের মত বিশ্বাসঘাতক ’-আর আপনার স্বামীকে বলা হইতেসে বার থেকে বেরিয়ে যেতে-

কে বিশ্বাসঘাতক?বিপ্লবী?বিপ্লবীর বন্ধু?পুলিশ?এইসব প্রশ্ন আপ্নারে হন্ট করুক।আপাতত আচমকা মনে পড়া সাঈদ জুবেরীর কাছে যাই- ‘আত্মরতির খুন’ তেলোয়াত করি।



সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃএইটা ট্র্যাডিশনাল কবিতা সমালোচনা-টমালোচনা না।এইটা সাঈদ জুবেরীর কবিতার লগে নিজের যাপন-পদ্ধতির আত্মীয়তা খোঁজে পেয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ।



অনেক আঁতলামী করসি-এবার ঘটনার ডীপে ডুব দিমু-সবাই একসাথে বলেন উবু/উবু/উবু...



পুং-কান্নার ক্যাফেতে নার্সিসাস ও সিসিফাসের ডায়লগ



‘আমি দাঁড়িয়ে দেখে শিখে নিচ্ছি-

নিহত হবার ও হত্যা করার কৌশল

নিজের হত্যাকারী হয়ে খূঁজে নিচ্ছি নিহত আমাকে’

অথবা

‘প্রতিবার নিহত হবার পূর্বে

হাত্যাকারীর প্রতি আসক্তি চলে আসে

আত্মহত্যার চেয়ে অধিক নেশা করিনি কখনো’



নিজের লাশের ভিত্রে ছুরি চালাইতে চালাইতে ডোমের হাত এই কবিতা লিখতেসেন-ফলত,আমাদের স্মরণ হয় বিস্মৃত ম্যাক্স স্টার্নারের ‘অহং ও তার নিজস্ব’ নামধারী বহি’র কয়েকটা লাইন-

‘রাষ্ট্রে স্বাধীন নাগরিক মৃত,নিঃস্ব সমাজে বিত্ত ও শ্রমের মালিকানা মৃত,বিশ্বসমাজে ‘ব্যক্তি’ মৃত।খায়েশ সমর্পিত হয় রাষ্ট্রে, সমর্পিত হয় সমাজে, সমর্পিত হয় সাধারণ মানুষে।ব্যক্তিমত ডুবিয়া যায় সর্বগ্রাসী জনমতে।’এক কারাগার থেকে অন্য কারাগারে যেতে যেতে ক্ষমতা ও ক্ষমতা নির্দেশিত এলেম আমাদের শেখায় ইহা মুক্তি,উহা মুক্তি। কবির একমাত্র কাজ কী?‘মুক্তি/স্বাধীনতা’দাবি করা ? ‘মুক্তি/স্বাধীনতা’র অর্থ কী? কে না জানে ‘অর্থ’ একটি রাজনৈতিক নির্মাণ।কবি নয়া বাস্তবতা চান-কবির এই খায়েশ কবিরে নিয়া যায় ক্ষমতা নির্দেশিত অর্থ,ইতিহাস,সাহিত্য,ইথিক্যাল কন্টেন্টের বিরোধীতায়?

‘তোমার সাথে সংঘাতময় একটা উপত্যকায়

শান্তির পতাকার ছায়ায় বসে-আমাদের পরবর্তী সংঘর্ষের নকশাটা

মুখস্ত করলাম একে অপরের ঠোঁট কামড়াতে কামড়াতে।’

কাউন্টার-কালচার তৈয়ার করার এহেন সন্ত্রাসী কাজ করতে করতে কবি আইডেনটিটি ক্রাইসিসে ভুগেন-বহুৎ পুরানা সমস্যা এবং পুঁজির কল্যাণে খানিকটা ফ্যশনেবল!তরবারির ধারালো পিঠে ঘোষিত যুদ্ধের তর্জমা ও বয়ান লিখতে লিখতে আন্ডারগ্রাউন্ড আন্ডারগ্রাউন্ড অনুভূতি আইডেনটিটি ক্রাইসিসের লগে মিশে লিখিত হয়-

‘গেরিলার পায়ের সাথে নিজেকে বেঁধে ইতিহাস পার হচ্ছি

জুবেরীর পাসপোর্ট সাইজ ছবি হাতে নিয়ে

বিব্রতবোধ করছি,নিজেকে সত্যায়িত করতে না পেরে’



সোনাবন্ধু,এতক্ষণে আপনার ক্ষয়িষ্ণু ফিউডাল ভাতার ফিরসে ফ্ল্যাটে-সে জামা কাপড় না খূইলা শুইয়া পড়ে-আপনি ভাবতে থাকেন-এই জীবন লইয়া কী করিবেন?আপনার সিজোফ্রেনিক ঘুম এর গহনে কমরেড শওকত চৌধুরী ও সুরাইয়া বেগম এর পোলা সাঈদ জুবেরী বলেন-

‘গতজন্মের হাড় কুড়োতে কুড়োতে-

পায়ের নিচে তৈরি হয় এক রাস্তা...

হায়,রাস্তার শুরুতে মা দাঁড়িয়ে থাকে-

মায়ের চোখে জল,রাস্তাটা ঝাপসা হয়ে আসে’।



সকালে উঠে আপনার বিবেক যাত্রার পোশাক পরে লাফালাফি করে আপনের মস্তিষ্কে-ম্যাক্স স্টিরনারকে এই দফায় আরেকটু পাঠ করি-

‘‘বিবেক নামধারী স্পাই মনের যাবতীয় গতিবিধির উপর নজর রাখতেসে-সমস্ত চিন্তন ও তৎপরতা বিবেকের এখতিয়ারে অর্থাৎ পুলিশী হেফাজতে।’’

ডেভিড বেন্থামের গরাদে মাথা ঠুকে ঠুকে কবি বয়ান করতেসেন-‘আমি একটা জেলখানার নাম’।কবি আপনার শরীরের ভাঁজ দেখেন,আপনার কলোনিয়াল চামড়া দেখেন-

‘মানুষের দিকে তাকালে শুধু হাসপাতাল দেখি-

রোগী,ডাক্তার ও নার্স সমেত একেকটা

গভীর হাসপাতাল জামাপ্যান্ট পরে গোপনে চলাচলরত।’

আমাদের শরীরের ভিত্রে ঢুকে পড়ে বার্গার,স্কুল,আইন,আদালত ও মিশেল ফুকোর বহি’র অসহনীয় তালিকাভুক্ত সবকিছু।সকালে উইঠা আত্মরতির খুন নিলেন-চারিদিকের যন্ত্রনায় একটু স্বস্তি পাওয়ার বাসনায়।

পাঠিকা,আপনে স্বস্তি পাইতেসেননা।স্বস্তি দিতে সাঈদ অপারগ-কারণ,তিনি সৎ হইতে চান-কবিতা লিখতে চান-নিজেরে প্রণয়ন করতে চাহেন-নিজেরে প্রনয়ন করার স্ট্রাগল সাঈদরে দিয়া লিইখা নেয় অন্তর্ঘাতি ও অস্বস্তি জাগানিয়া কবিতা।সাঈদ জুবেরী তরল আগুন ও বিস্ফোরকদ্রব্য গুঁইজা দেন শব্দের আত্মায়।ভাষার যোনিতে অগ্নি জ্বালাবার মত শক্তিমান ধুন লইয়া সাঈদ জুবেরী দাঁড়িয়ে আছেন কল্যাণপুরের ওভারব্রীজে-জাদু-গুল্ম বা সত্তর দশকীয় ধোঁয়ার আড়ালে বসে তিনি আমারে বলেন-‘পাপ ও দুঃখের চোরাচালানের চেয়ে কোকেন ও আর্মসের চোরাচালান অনেক কার্যকর।’

প্রিয়,খেয়াল করসেন?কবিতার কথা কইতে কইতে আমাগো যাপনের কিছু কথা উইঠা আসছে?এইটা হইতেসে জুবেরীর কবিতার কেরামতি-আপনার আমার যাপনের লগে জুবেরী বিট্রে করেনা-যাপন/শিল্প/রাজনীতির ভিত্রে কোন দূরত্ব মানিনা আমি।জুবেরীর কবিতা আপনারে স্বস্তি দিবেনা।কারন,অফিসিয়াল রিয়েলিটির ভিতরকার নেটওয়ার্কিং সে ভাইঙ্গা দেয়-আপনার বুকের ভিত্রে শূন্য শূন্য একটা ফিলিংস হয়-আপনার ঈশ্বর বিলুপ্ত হয়- এর কথা ভাবতে থাকেন-অন্য দুনিয়া না অন্য বাস্তবতার দিকে যাচ্ছেন-এই বিভ্রম-ঘোরে আর একটু ঘোলা করে অন্য পৃথিবীর ঈশ্বর

‘মৃত মানুষের চোখ কেন এত চেয়ে থাকে পৃথিবীর দিকে?

গণিতে তুমি শুন্য,দর্শনে তুমি নিখোঁজ

ধর্ম তোমাকে নিষিদ্ধ করেছে

এবং তোমার কোন ইতিহাস লেখা নেই।’এই দুনিয়ার ছেলেবেলা হইতে রেলের বাঁশি ভেসে আসে-আপনে স্মৃতিকাতর হন-স্মৃতি হাতড়িয়ে আপনে কোন রেললাইন দেখতে পাননা,শুধু বাঁশি শুনতে পান-

‘এ ­­­­­­গাঁয়ে কখনো রেললাইন আসেনা

কিন্তু বালকেরা রেললাইন চিনে

বৃদ্ধরা কোনদিন না দেখেও শিশুদের রেলস্টেশনের গল্প শোনায়

আর মৃতদের দেশে কোন রেল যোগাযোগই নাই।’

পাঠিকা,আপনে ও আমি কথাটার মানে বুঝতে না পেরে পরস্পরের দিকে তাকাই।শধু,উপকথার বাস্তবতা ও বাস্তবতার উপকথা নিয়া আকাইম্মা আঁতলামি করার লোভ সামলিয়ে ছুরি বাগিয়ে ধরতেসি পরস্পরের দিকে।আমরা বুইঝা গেসি,আমাদের মেরুদন্ডে লাগানো আছে আমাদের দাম-

‘প্রত্যেকেই অদৃশ্য ছুরি হাতে নিয়ে

সকলের দিকে নজর রাখছে ঝাঁপিয়ে পড়বে বলে।’

সোনাপাখি আমার,

‘আমি প্রতিদিন একটা পথ

হারিয়ে যাওয়া ছেলেটির পায়ের কাছ।’

এই কথা বলা ছাড়া আমি কি আর করতে পারি!কি করতে পারে কবি বিপদ সংকেত দেয়া বা বিপদ ঘটানো ছাড়া !আপনি শো-পিস হিসেবে রাখা পাথরগুলায় বারি মারেন!আপনারে কবি বোঝাতে চেষ্টা করে সব পাথর হৃদয়ে ধরেনা নদী।আপনি কি বোঝলেন বোঝা গেলোনা।

মোহতারেমা,আসেন মাও সেতুঙের দেশে।চাউ সাম্রাজ্যের ইন্তেকালের আমলে হযরত চুয়াৎসে নাজেল হন-যার কাছে আবাল টাইপের পোলাপান ঘেঁষতনা।কারন তার বহি পড়ে আমলাতন্ত্রের পরীক্ষাগুলা উৎরানো যেতোনা।তিনি ঘোড়ার খুর এ ইরশাদ করতেসেন-‘‘পাঁচটা রঙ যদি দুনিয়াময় টিকে থাকে থাকে তবে আবার রঙের সাজ কেন?পাঁচটা সুর যদি কানে বাজে তখন ছয় গর্তের বাঁশি কি কেউ বাজায়?...সেই থেকে এলো লোভ,লোভের জন্য শরীরপাত,ঝগড়া আর জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা।’’

চুয়াৎসের কথা কওয়ার ধান্ধাটা কী বুঝবার পারতেসেন?বুঝবার না পারলে আবার সাঈদের নিকটে চলেন-

‘কোন শব্দ কোন অর্থ তৈরি করেনা

কোন রঙ তৈরি করেনা বৈচিত্র্য।

উহারা স্বাধীন

যতক্ষণ না তোমাদের জ্ঞান আরোপিত হয়।’

সাঈদ জুবেরীকে চুয়াৎসে/স্টিরনারের গোত্রভুক্ত করা বা কোন কৌমের নাগরিকতা দান বা মূল্যায়ন করা-জুবেরী আত্মরতির খুন লিখে কয়টা বাল ছিঁড়সেন

ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা- ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা- ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা- ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা- ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা- ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা- এইটা নির্ধারণ করা আমার কার্য নহে।

সোনাপাখি,আসলে ইহা একপ্রকার আপনেরে পটানোর প্রক্রিয়া-এইভাবে আমি আপ্নের লগে সম্পর্কিত হইতে চাই-ইহা কি আর এত সহজ-যখন হইতেসে ‘চূড়ান্ত দৃশ্যের আগে নিহত ও হত্যাকারীর গভীর প্রনয় ’-মোহতারেমা,আপনার শহরের কোন প্রান্ত থেকে ধরা পড়ে গেসে আপনার প্রেমিক ধরা পড়ে গেসে-ক্রসফায়ার-প্রেসনোট-ভাবদাস্যতা-ফলত নির্বিকার-শধু আপনে আর কিছুই মেনে নিতে পারতেসেননা আজ-হয়তো আপনে পইড়া ফেলসেন আত্মরতির খুন-আপনে স্বাভাবিক হইতে চেষ্টা করতেসেন-স্বাভাবিক হবার অভিনয়-আপনি কাঁদতেসেন-আপনার প্রেমিকের কথা ভেবে না নিজেকে ভেবে-সেইটা আমরা আর জানবোনা কোনদিন-‘এই দৃশ্যে বিদায়- সে তুমি যে দৃশ্যে থাকোনা কেন

এ যাত্রা পলায়নপর-দেখা হবে বারবার।’

আমিন।

(লেখাটা আমার প্রথম বহি নিয়া। নিজের প্রচার চালাতে আমার বিন্দুমাত্র লজ্ঝ্বা নাই, তাই... লেখাটায় তানভীর নিজের যাপনের ভিত্রে বহিখানারে আবিষ্কার পূর্বক হাজির হইছেন। তার এই লেখার যে জীবন্ত সিলসিলা, তা আমার ভাল লাগে। লেখাটা আমার বহি নিয়া লিখিত হইতেছে না শুধু। এমনই মনে হয়)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29429386 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29429386 2011-08-10 20:40:51
পোস্ট মর্ডানরাত্রিতে একটা পোস্ট কলোনিয়াল বাসযাত্রা রাত সাড়ে আটটার বাসে টিকেট কাটি। টিকেট কাইটা স্টেশানের চায়ের দোকানে বসি। বাস আসে পৌনে নয়টায়। নিতান্ত স্টুপিড টাইপ সুশিল অথবা সদ্য বিদেশ ফিরত না হইলে এই ১৫ মিনিট দেরিটারে কেউ বাঙালির জাতিগত সমস্যা বইলা চিহ্নিত করব না। বাস দেইখা আমি খুশ। বাসের দুই তৃতিয়াংশ কাঁচের দেইখা আনন্দের সীমা নাই। সিট পড়ছে একেবারে পিছনে। তো বাসে উঠলাম। বাসে উঠার পর একটা ধাক্কা খাইলাম। দুই তৃতীয়াংশ কাচের বাসটির উল্লেখযোগ্যসংখ্যক যাত্রীগণ লুঙ্গি পরা, কেউ কেউ স্যান্ডো গেঞ্জি পরা। তদৃপুরি বাসে কোন নারী যাত্রী নাই। একটু হতাশ হইয়া পিছনের সিটে গিয়া বসলাম। কিছুক্ষণ পর মনে হইল যে আরে এই বাসে তো ধুমপান করা যাইতে পারে। সহযাত্রীদের যে কাঠামো তা ধুমপানের মত এক ব্যপারকে নিতে পারবে। তাছাড়া নাইট কোচ বিধায় কেউ হকারের কাছ থেইকা "প্রথম আলো" কিনা প্রভাবিত হইব না। একটু স্বস্তি পাইলাম।বাস চলা শুরু করতেই সুপারভাইজার আমা সন্নিকটে এসে কইল, আপনি সাথে আসেন। আমি বিনাবাক্যে তারে অনুসরণ করলাম। দেখলাম ঠকি নাই। সে মোরে ২২ নম্বর সিটে নির্দেশ কইরা কইল, এইটা আপনের। বসেন। আমি বসলাম। পার্শ্ববর্তী সহযাত্রীর দিকে তাকাইলাম। একটা দশাসই বাচ্চা হুজুর বইসা আছে। সে এতই দশাসই যে আমার নিজেরে বাচ্চা মনে হইতে থাকল। পিছনের সিটের যাত্রী হঠাৎই চিৎকার দিয়া কইল, ভাই গান ছাড়েন। পরক্ষণেই আমার পার্শ্ববর্তী বাচ্চা হুজুর কইল, কিসের গান ওয়াজ ছাড়েন। আমি ভিতরে ভিতরে আতঙ্ক অনুভব করতে শুরু করসি। এই পুরা পথ যদি ওয়াজ শুনতে শুনতে যাইতে হয়.... আল্লাহ রহম কর। মনে হয় আল্লাহ আমার ডাক শুনলেন। সুপারভাইজার কইল, মোবাইলের দিনে আবার গান চালানো লাগে নাকি...। ওয়াজ ও গান থেকে এই রাত্রিকালীন বাসযাত্রার নিজস্ব নন্দন নিয়া আমি রক্ষা পাইলাম মনে হয়। হায়, অল্পকালের মধ্যেই সারা বাসে পাঁচ পাঁচটা মোবাইল ফোনে পাচ রকম গান বেজে উঠল। কি দারূণ এবং তাৎপর্যময় সমন্বয়... তারা কিছু আগে পরে নয় প্রায় একই সময়ে বেজে উঠল। আমি বিহ্বল হয়ে পুরো বাসে নজর বুলাই। গানগুলারে আলাদা করার চেষ্টা করি, পারি না। তবে প্রত্যেকটা সুরই কেমন পরিচিত ঠেকে। এই পরিচয় আমারে আশ্বস্ত করে। আলাদা তাৎপর্যে গানগুলারে পৃথক মর্যাদা দেবার কোশেস করার বাসনা হইতে মুক্তি পাই আমি। এই ক্যাওস ভাল লাগে। আর এটারে ক্যাওস চিহ্নিত করতে পারায় স্বস্তি অনুভব করি খানিকটা। বাস চলতেছে। যে যার মতোন গান শুনিতেছে অথবা অপরের আওয়াজ কউতে নিজের আওয়াজ উচ্চে তুলে ধরার মল্ল যুদ্ধ করিতেছে। এরকম চলিতে চলিতে বাস এবার নদীকূলে আসিয়া হাজির হইল। হাফ ছাড়িয়া বাচলাম। দ্রুত নামলাম। নদী পাড়ি দিতে হইবে। লঞ্চে উঠে বসলাম। নদী পার হবার সময় আমার সকল সহযাত্রীগুলারে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ হইল। তাহাদের চেহারায় তেমন কোন বিশেষত্ব নাই। বিশেষত্ব নাই বলিয়াই তাহারা কেমন বিশেষ হইয়া উঠতেছেন ক্রমেই। কেউ কেউ রাতের আহার করলেন। কেউ কেউ হাটাহাটি। কেউ কেউ নদীবক্ষে মোবাইল। লঞ্চ ঘাট ছাড়িয়া এসে ঘাটে ভিরল। নামলাম। বাসে চড়লাম। বাস ছাড়িল।
এবার যাত্রীগণের সঙ্গীত পিপাসায় একটু ঘাটতি দেখা দিল। মাত্র তিনটা মোবাইল সরব আছে দেখলাম। এর মধ্যে একটায় রবীন্দ্রনাথ। ওইটারে আলাদা করতে পারলাম। কেন পারলাম তা জানি না। একসময় সব চুপ মেরে গেল। সেই যে প্রথমে কাকতালিয়ভাবে যেমন সব একযোগে বেজে উঠছিল, তেমনি সব একযোগে থামিয়া গেল মনে হয়। অথবা এমনও হতে পারে যে, বাসে আর কোন গান বাজিতেছে না তা আমি একটু পরে টের পেলাম।
একসময় রাজধানী প্রান্তে গাবতলী টার্মিনালে বাস পৌঁছায়। তখন রাত পৌনে চারটা। বাসযাত্রীরা অধিকাংশ ঘুমের ঘোরে। এই ঘোর কিন্তু ঠিক ঘুম না। বাস থামা মাত্র তারা টের পায়। তারা নামব কি নামব না অথবা বাসযাত্রা শেষ হবার উত্তেজনায় মৃদু শোরগোল তোলে। রাতের নিরবতা ভঙ্গ হয়। তবে তারা কেউ বাস থেকে নেমে যায় না। একটু আড়মোড়া ভেঙে, কেউ কেউ তলপেট খালি করে সিটে স্থিত হয়। যাত্রীগণের মৃদুস্বরে আলাপে বোঝা যায়- পথে পুলিশ এবং ছিনতাইকারী উভয়েই ওৎপেতে বসে আছে। ব্যাপারটা আমারও বুঝে আসে। অন্যদের সাথে তাই আমিও বসে থাকি।
কিছুসময় পর আমার ঠিক পেছনের সিটেই মোবাইলে বাংলা সিনেমা বেজে উঠতে শুনে বিরক্তি বোধ করি। বিরক্তির চোটে সিনেমার নামটা লোকেট করতে পারি না । কিন্তু পরক্ষণেই মনে হয় যে, দেখি না শুনে। নিদেন পক্ষে জনরুচির একটা এনজিও তরিকার পাঠ নেওয়া যেতে পারে। এই ভেবে শুনেতে শুরু করার মিনিট দশেকের মাথায় আমি আচ্ছ্বন্ন হইলাম বাংলা সিনেমায়। আর কি অবাক কান্ড এই ১০ মিনিটেই আমি বুঝে গেছি সিনেমার কাহীনিটা। তবু কি এক আকর্ষণ আমাকে পরবর্তী ডায়লগের প্রতি আগ্রহী করে রাখতেছে। বাসের স্থবিরতা এখন আর বিবেচনায় আসতেছে না। আমি শিউর পিছনের সিটের যিনি সিনেমাটা দেখছেন, তিনিও কাহিনীটা বুঝে গেছেন। তবু তিনি দেখছেন। এইটা কি এই সিনেমার যাদু। নিশ্চই কিছু একটা ব্যপার আছে। আমার ভিতর রীতিমত উত্তেজনা তৈরি হইতেছে। নায়কের ডায়ালগ, ভিলেনের কু-তৎপরতা, নায়িকার উপস্থিতি, নায়কের মা... সবকিছু যে কত চেনা। তারা কোন নতুন কথা বলতেছেন না। হাজার বছর ধইরা এই কাহীনি বাংলা সিনেমায় ঘইটা আসতেছে। তবু এর দর্শক আটকায় আছে। আজকে আটকা পড়ছি আমি। বাসে পূর্বের ন্যায় কোন প্রতিদন্দী মোবাইলও বেজে উঠে না। যেন সবাই এই সিনেমার ডায়লগে বাধা পড়ছে।
ফজরের আযান পড়ল। পিছনের সিটের সিনেমার দর্শক বাস থেইকা নামতে উদ্যত হন। আমার ভিতরটা হাহাকার কইরা ওঠে। মনে হয় ডাইকা কই, ভাই বসেন আরেকটু সিনেমাটা শেষ হোক। তা আর বলা হয় না। তিনি নেমে গেলে আমিও বাস থেকে নামার জন্য উদ্যোগ নেই। নামি। গাবতলী টার্মিনাল ঘেঁসে শহর রক্ষা বাধে আটকে পরা পানিতে যে জলাশয় তার দিকে তাকাই। পানিটা এই ভোরের আলোয় টলটল করতেছে আর তার উপর দিয়া দূর্গন্ধযুক্ত বায়ু প্রবাহিত হইয়া নাকে আসেতেছে। বায়ুটা দূর্গন্ধযুক্ত নাকি পানির উপর দিয়া প্রবাহিত হবার সময় তা দূর্গন্ধ জড়ায় নিছে তা নিশ্চিত হবার নয়। আমি টার্মিনালের যে কোন একটা চায়ের দোকানের প্রথম কাস্টমার হই। দীর্ঘসময় নিয়া চা খাই। চা খেতে খেতে ভাবি। এই যে আমি যে নন্দনতত্ব নিয়া বাসে উঠসিলাম আর নামার সময় একটা বাংলা সিনেমার প্রতি আগ্রহ নিয়া নামলাম, এই দু'জনের মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে। থাকলেইবা কি, এই সুক্ষ্ম পার্থক্য কি সামনের যেই গোটা দিন আর সেই দিনের ভিতর আমার যে বসবাস সেখানে কি কোন তাৎপর্য তৈয়ার করবে এই গল্পটা লেখা ছাড়া। আর গল্পতো গল্পই, যেমন আমি বাংলা সিনেমার ভোক্তা না, তেমন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29420986 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29420986 2011-07-27 18:41:36
গণিত
প্রতিটা দৃশ্যের মিমাংসা করা দরকার
প্রতিটা দৃশ্য হয়ে উঠুক ইতিহাস

যা ইতিহাস না, তা ঘটেন না
যা ঘটেন না, তাহা কিছু না
হয়ত কিছুটা উপমা উপমা...
উপমা নহে মোটে যথার্থ ঘটনা

এবার আসো একটা গণিত করে দেখি-
আমি মারা গেছি
তুমি আমার ফেরার অপেক্ষা করছ
কোন দৃশ্যটা সত্য, বলোতো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29414141 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29414141 2011-07-16 18:08:30
ইসলামী আন্দোলন ও ইস্কনের জোকারী জাতীয় কমিটির হরতালের সমর্থনে আটক সকলকে স্যালুট।

জাতীয় কমিটির হরতালে আটক তরুণ সংস্কৃতি কর্মীরা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29406608 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29406608 2011-07-03 19:01:12
বন্দী মাছের চোখে কোন স্বপ্ন থাকে না
কি পরিচয় বহন করিতেছি বিশেষ্য'র অজুহাতে। অমুক, তমুক আর বাপের তালুক নিয়া আমাদের এই আত্মপরিচয়ের গড়িমা কিঞ্চিৎ হোঁচট খায় "স্বে চ্ছা চা রী ভব ঘুরে" বহিখানি হাতে লইয়া। বহিখানার কাব্যকার বলিতেছেন- "কি নামে তোমরা আমাকে ডাকতে চাও যখন আমি নিজের জন্য কোন নাম ধারণ করিনি"। হায় এই নামের দুনিয়ায় নামহীন একজনরে আমরা কিরূপে গ্রহণ করিব!!! আর কাব্যকারের এই বিবৃতির একটা অংশ খুব খিয়াল কইরা দেখিতে ইয়াদ করি আপনাদিগরে..."নাম ধারণ করিনি"। নাম তাহলে ধারণ করিবার বিষয়?

মনে পড়ে সেইসব বুলি যা এই বহিখানা ধুলি কইরা দেয়- নাম মানুষকে জাকাইয়া বসে না...."। কি যে কারে জাকাইয়া বসে? এখন আমরা যেই "বিদেশি কবিতা"র চর্চা করি তাতে নাম আবশ্যক, অতি আবশ্যক। কবিতার এই বিদেশ হইয়া উঠার কাহিনীর পরম্পরা আমি বিস্তারিত করিব না। এইটা সেই পরিসর না। বিগত যাটের দশকে হাংরীর কতিপয় কবি নিজেদের লেখায়/বইয়ে লিখিয়া দিতেন, দিতেছেন এর কোন কপিরাইট নাই.... যে কেউ ব্যবহার করিতে পারিবেন। কিন্তু বহি অথবা মুদ্রণ মাধ্যমে তাহাদিগর লেখায় জ্বলজ্বল কইরা উঠে লেখক বা কবির নাম। ফলত তা সেই লেখকেরই থাকিয়া যায়। আর তার এতদিনকার পর এই বহিখানা তন্নতন্ন করিয়া কবির নাম পাইলাম না আর পড়তে পড়তে দেখি- এ যে আমারি কবিতা...আমারই কথা...আমারই যাপনের বিস্তার। কবিতা পাঠকের কাছে যখন পৌঁছায় তখন তা পাঠকের বাস্তবতার ভিতর জাইগা উঠে, মাগার এই জাগনের ক্ষেত্রে কবির নামটা শেষ পর্যন্ত তা আর হইতে দেয় না। নাদান পাঠক তখন কবির বাস্তবতা কল্পনা কইরা কবিতার গোয়া মাইরা দিতে থাকে... এহিনে যতই চিল্লাই না কেন "ডেথ অব অথর" বইলা। সেক্ষেত্রে "স্বে চ্ছা চা রী ভব ঘুরে" সেই প‌্যাড়াডক্স অতিক্রমনের একটা সাহসী তৎপরতা। এই বহিখানার লেখক যেন পাঠকই। যদি সেই পাঠক, পাঠ্যবস্তু নিজ অভিজ্ঞতায় পাইয়া বহে। আর একবার পাইয়া বইলে পাহাড়ের পত্র পেয়ে মেঘের সাথে হেঁটে চলতে বাধা কোথায়!!! আর এই মেঘযাত্রা যতই রোমান্টিক মনে হোক না কেন পথটা যে বন্ধুর তা কিন্তু বলে দেয়া আছে। কাকে এই পত্রডাক পাঠানো হইতেছে সেইটাও নজরে পড়ে- "হে পাথর মানব/ পাহাড় ডেকেছে তোমায়"।

এই যাত্রা ভবঘুরের। ভব তে ঘুরিতে ঘুরিতে আসে যে সকাল....অতিক্রম করিতে হয় দুপুরের খড়তাপ...বিকালের মতন প্রেমিকা... সন্ধ্যা নামে... ভবঘুরের রাতের খবর কোথায় আর প্রচারিত আছে...। আমাদিগর মধ্যবিত্ত ভবঘুরে আহ্লাদে কয়েক রাত পথে পথে কাটানোর স্মৃতি কার না আছে... আর সেই স্মৃতি দিয়াই ভবঘুরের রাতের যাপন সম্পর্কে আমাদিগর বুঝদার আয়োজন। যেমন- "কিছু ঢেউ আটকে থাকে পাখির ডানায়"। আর এই ধারণালব্ধ জ্ঞান লইয়া যখন নিয়ত উড়ার বেদনাসিক্ত পাখিটি "কৌশলি পাখির" মুখোমুখি পড়ে যায়, তখন- "তোমাদের বিব্রত হাসি আমাকে মনে করিয়ে দেয়/ হাজার কবরখানার শোকগাঁথা"- বলে ঘুরে পথে আবারও শুরু হয় ভবঘুরে আয়োজন। আর সে বলে যেতে থাকে-
"আমি ফিরে যাচ্ছি
আমি ফিরে যাচ্ছি চেনা শহরে অচেনা মানুষের ভিরে"।
হায় এই আপাত চেনা শহরের ভিরে তবে অচেনা ভিরেরও ঠিকুজি রয়েছে। আমাদের পরিসর তখন কত ছোট হয়ে আসে!!! এই ঘণবসতির দেশে জনতার ভিরে ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া আজো কত সহজ। আমাদের ন্যাশনাল আইডি, আমাদের জন্মনিবন্ধনসহ বুর্জুয়া প্রতিষ্ঠানের কাছেও উনুল্লেখ্য থাকা... বেমালুম নাই হয়ে থাকার সুযোগ হাতছাড়া নয় এখনও। সেইসব হারানো মানুষের "পদচিহ্ন মিশে যাবে রাজপথের মরীচিকায়"। আর এই আপাত পরাজয় কিংবদন্তির মত ভেংচি কেটে যাবে বিশ্বব্যাংকের উন্নয়নশীল খতিয়ানের কাছে। এওতো এক ধরণের প্রতিবাদ, প্রতিরোধ...।

"শিকার ফিরছে অন্ধকারে একা" ওহে শিকারী তুমি আর কতটুকু আততায়ী এইবেলা, যখন "স্বপ্নের বুকে ছোড়া গাথা"। ওহে পরাক্রমী দূরদেশী বোমারু তুমি আর কত বোমা ফেলে পোড়াবে বসত, যখন- "শান্তি পুড়ছে সর্বশরীরে"। কবিতায় যারা প্রশান্তি খোঁজেন তারা দূরে থাকুন, এটা আমার পরামর্শ।

ডারুইনের বটিতে কানকো কেটে ফেলার পর মাছেদের চোখ হারিয়েছি ক্লাশরুমে। গো-প্রজোনন আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একই সড়কে মুখোমুখি তাকিয়ে থাকে। আর এই বহিখানায় কবি লিখছেন-

"মনুষ্যত্ব বাধা পায়
বদ্ধ ক্লাসরুমের নিরেট দরজায়
বিদ্যার্থীর মগজে আহার শেষে
আয়েশী ঢেঁকুর তোলেন মাননীয় শিক্ষক
ক্লাশরুমে শূন্যতা

বন্দী মাছের চোখে কোন স্বপ্ন থাকে না"

আমাদিগর প্রথম প্রতিবন্ধকতা তৈরি করব এইসকল শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের পণ্যগুলান। এরাই আমাদিগর প্রধানতম ব্যরিকেড রচয়িতা। কাটাতার।

এই কাব্যগ্রন্থ নিয়া লিখনের কারণ কাব্য লয় কিন্তু, আমার ভাল লাগছে বহিটার এ্যাপ্রোচ। এই চাকমকি দুনিয়ায় যে পদ্ধতিতে বহিখানা আপনার দরবারে হাজির হয়, তা একটা চমক। এত এত সিন্ডিকেট, প্রচার-প্রচারণা, বিজ্ঞাপন... তার ভিতর বহি প্রকাশের, প্রচারের এবং বিক্রয়ের এই গেরিলা পদ্ধতিতে আপনিও অংশ লন।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29400563 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29400563 2011-06-22 02:02:10
মুর্দাফরাসের জবানবন্দি
আমাকে পেয়ে বসছে ঘুম... আমার জমে যাচ্ছে কাজ...
আমার ক্লান্ত ভিষণ শরীর... আমার বুক পকেটে কাকড়...

আগাগোড়া কফিনের মতন করে
নিজের মরদেহ করে চলেছি বহন যেন...

আমার হস্তরেখায় নদীপথের শুকিয়ে যাওয়া দাগ...
আমার চোখের ভিতর প্রিয় শকুনের আশ্রয়...
আমার পায়ের পাতায় ল্যান্ড মাইন... ভাবছি শুধুই কোথায় ফেলব পা…

আমার কবর খুড়েছি হাড়ে... আমার মজ্জ্বায় দাবদাহ
আমার স্বজন হলে কে কে... আমার শত্রুর সাথে চলা
আমি তাকেই রাখি কাছে... তার নিরিখেই এই জীবনের জয়
আসো, শত্রু তুমি আসো... চলো হাটি আরেকটু পথ...
তোমাকে বুঝিয়ে বলছি দেখো... আমার দূর্বলতা...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29397616 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29397616 2011-06-16 16:29:55
পরিচয়
সম্ভব হলে;
উপরন্তু পকেট অনর্থ না হলে
হত্যাকান্ডের আগে তার সাথে এককাপ চা খেয়ে নিতে চাই

ইত্যবসরে আমি চাই
মোর নাজুক অঙ্গসংস্থান
মোক্ষম আঘাতের জন্য
সে যেন করে নিতে পারে যাচাই
আর
চায়ের সাথে সাথে চিনি ও দুধের মতন
অন্তর্লীনভাবে খানিকটা মুত্যুভয়ও চালনা করে দিতে চাই
কারণ, খুনের পর
খুনিরও মৃত্যু হয় খানিকটা নিহতের সাথে সাথে...

অতপর ঘটনার দিকে
যতদ্রুত সম্ভব
আমরা এগিয়ে যাব .......
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29385112 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29385112 2011-05-22 19:37:30
কনসার্ট দেখা যাচ্ছে না মোটেও লাল হয়ে ফুটে ওঠা একটা ফুল
পাপড়ির আলজ্বিভ থেকে পারস্পারিক হাতছানি...চোরাটান
হয়তবা অগোচরে ঝরে যাবে সেই পুষ্পিত উদ্যান

-যা থেকে একদিন ধারণা জন্মাবে রক্তলালের

ধারণালব্ধ জ্ঞান কোন সমাধান দেবে না
ক্যাকোফেনি বেজে যাবে থাকবে না সমঝদার
এমনকি বাদকও শো শেষ করে ফিরে যাবে

-শুধু একটি বাদ্যযন্ত্র একা একা বেজে যাবে হলরুম জুড়ে

অনেক সুরের নমুনা নিয়েও কোন সিম্ফনি হবে না
সে বড় নিজস্ব অনুভূতিতে একাই বেজে ওঠা
অপরাপর সঙ্গীতের কাছে তা অ-সহনীয়ও বটে

তবু যন্ত্রের একমাত্র বেদনা কেন যে বাদ্য হয়ে বেজে চলে.... রোজ
হ র রো জ

হিমাঙ্কের নিচে নিচে জমে থাকে ধাতব সংবেদন
শীত শীত অনুভূতি তাই ক্রম অগ্রসরমান
মুদ্রাদোষের কাছে তাই বেহুদা ক্রন্দন

আমার অনিদ্রা ছুঁয়ে তোমার স্বপ্নের লাশ
আমি তার সৎকারে সৎকারে কাটাই জীবন
মর্মমূলে এসে জমে থাকে কিছুটা আমারও মরণ
নিরব ও অতিসংগোপনে

ভোরে তুমি চলে যাও আমাকে ঘুমাতে দেখে
নির্লিপ্তির প্রতিবিম্ব যেন এক নিছক মূর্দাফরাস
জীবিতের কাছে যা শুধুই অনিহা মাত্র

আজ কনসার্ট হবে

সব হারানোর গানে হবে আজ সব অচেনা সম্মিলন





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29335290 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29335290 2011-02-27 19:45:41
"সর্বনামের পাখি" পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায় http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29327616 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29327616 2011-02-16 03:05:48 নতুন বই http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29321267 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29321267 2011-02-06 15:02:20 দীর্ঘিকার দীর্ঘ স্মরনিকা/ মঞ্জুরুল আহসান আযাদ জানিনা সম্রাট শাহজাহানের কেমন ছিল মনটা!
হয়তো সজ্জিত পাথর কণা
মমতাজের বেদনাগুলোও জানতো না!

গরীবের ধুলার তাজমহলে
ভূবনেশ্বর একবার একটু তাকালে
এই ঘোর বিদ্রোহের সকালে
তুমি আদমবোমা সাথে নিয়ে এলে

কতটুকুই বা প্রাণ যাবে একসাথে জীবন দিলে...



(অদ্য পোলাটার জন্মদিন)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29296509 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29296509 2010-12-26 17:32:04
লাভ ইন দ্যা টাইম অব এইডস কাশ্মির থেকে ফিলিস্তিন অবধি....প্রতিনিয়ত
ধুসর আফগানের তোড়াবোড়ায় চালাচ্ছি
ক্ষেপনাস্ত্রের কোদালাঘাত....
হায়!!! ঈশ্বর তোমার সমাধি খুঁজতে খুঁজতে....
...গড়ে তুলছি সার সার মানুষের কবর

শেষ বুলেট বন্ধু, রেখো নিজেরই জন্যে


হেরোইন হোরোইন বলে চিৎকার করতেই
তুমি সুন্দরবন পর্যটনে গেলে... আর
কয়েকটা ঘাই হরিণী মারা পড়ল...
জীবননান্দ দাসের ক্যাম্পে বারবিকিউ হতেছে তারা

মার্কেজ লিখতেন যদি এখন সেই গল্পটা
নিশ্চিত শিরোনাম হতো তার;
লাভ ইন দ্যা টাইম অব এইডস
প্রেম ও মড়ক হেঁটে আসছেন একই সড়কে

আমরা শিখে গেছি কি করে মৃত্যুর দিন
অবিশ্বাসের বায়ূতে ভরে ওঠে বিশ্বাসের ফুসফুস







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29295688 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29295688 2010-12-25 03:50:36
আমেরিকা
আমাকে ভোলার আগেই
ভুলে যেতেছি
ভুলতে ভুলতে
তোমাদেরই মনে পড়তেছে
ইত্যবসরে
বি স্ম র ণে র
রে ল লা ই ন
চ লে যা চ্ছে....
মৃত্যুযাত্রার মতন
দীর্ঘতর আর
এখন দিন মানেই
শোকাবহ
রাতগুলো ভিষণ
আহত
ক্ষতগুলোই সত্য প্রতিভাত হয়ে ওঠে
অবশেষে
দেখোতো- ঘ্রাণ ফুরানো
কোন গোলাপের কাছে
ভুলেও
ভ্রমর আসে কিনা....

এক "বিয়াত্রিচিয়" শূন্যতায়
ভেসে যেতে যেতে
শুধু মনে হয়-
আমেরিকা আমার প্রেমিকা
ভিন্ন গোলার্ধে
তুমি আছো কিনা
জানি না জানি না
এই অজানাও অজানা অজানা...
শুধু ছবি দেখি আর
প্রচার-প্রচারণা
আর ইশারা ইশারা


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29290313 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29290313 2010-12-15 21:10:35
আমি আর কে আছে আমার মতন স্ট্যান্ডবাই ভোদাই
যে যার নিয়ে যাইতেছে সদাই
আমি শুধু শুধু ঘুরে ঘুরে হতেছি সাফাই
আর বানর দেখলে দেই লাই
মাথায় উঠার স্বভাব তার, বেমালুম ভুলে যাই

আয়নাটা ভাঙছে ভিষণ, হায় খোদা
আমার অসহায়ত্বে তোমার মোকাম
অবিশ্বাসেও কমে নাই হাসফাস
বেহুদা বেকুব এক নাদানেরও অধিক আমি
আমার নাই কোন গুন
শুধু পান থেকে খসে যায় চুন







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29284278 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29284278 2010-12-05 21:06:23
নর-নারী'র অবিনশ্বর প্রেমকাহিনী/ সেক্সসিটি/ ভাঙনের অথবা নির্মাণের দিনগুলাতে প্রেম/ সুখী মানবকূলের দুঃখ আলো ক্রমে আসিতে আসিতেই পথ হারাইল। তথাপি তাহার রেশ বহিয়া গেল, আলেয়ার মতন। আলোকের সন্ধানে আলেয়ারে নিশানা কইরা টর্চলাইট ঢুইকা পড়ে অন্ধকার ঘূর্ণাবর্তে। আভা ঠিকরায় পড়তেছে, আলেয়ার।

নরক, নরক, নরক!!! নরকে বইসাই স্বর্গীয় প্রেমের ধারণা পাইছিলাম। গ্রহণ করছিলাম। ধারণ করছিলাম। তীব্রতায়, পাশবিকতায়, অমল কোমল উজ্জ্বলতায়। এখন এক পা স্বর্গে আর এক পা নরকে। দাঁড়ায়ে আছি, আর মহামহিম শিশ্ন দুলছেন মধ্যবর্তী নিশানায়। মনে পড়তেছে গত জন্মের হাড় থেকে বেড়িয়ে আসা কার্বন ও তার জ্বলে ওঠার দৃশ্য। আহ! আবারও আলো, আবারও আলেয়া, আবারও আভা। আহ টর্চলাইট। আহ অন্ধকার।

আরবার কি দেখা হইবে, আমাদিগর! অন্তর্জলী যাত্রার পথে আরবার কি সমুদ্র চলে আসবে পর্যাপ্ত লবাণাক্ত হয়ে! হে কমল, হে নরম; তোমার রুক্ষ্মতার চাহিদায় আমি হাঙর শিকার করে ফিরি প্রতি রাতে। হে কমল, হে নরম; তোমার প্রতিশোধ স্পৃহায় আমি বিগত এবং অনাগত প্রতিটা যুদ্ধে হতেছি সামিল। চক্রাকারে ঘুরে আসা দিবারাত্রির আলিঙ্গনে যে সুদীর্ঘ শেষহীনতা, সেই ঝিমমারা তন্ময়তায় আরবার কি আমরা সম্ভব!!! হে রুক্ষ্মতা, রে মোর প্রতিশোধপরায়না, আমি জলজ লজ্জাবতীর ন্যায় তোমার ভেতর অন্তর্মুখী আর সন্তর্পণ। গ্রন্থিত করো এবং হও পুনর্বার আক্ষরিক প্রতিভায়।

অনেক উপক্রমণিকা হইসে। অনেক প্রবেশ হইছে। কিন্তু পাঠিকা অদ্যাবধি কোন কাহিনী হইল না। অথচ গল্প শেষ। কবর থেইকা লাশ উঠায়া হত্যার মতো নিরর্থ, সব। এখানে গল্প আবিস্কার করাটা কলম্বাসের সাফল্যের মতো। ভুল হইলেও, যৌনাবর্তের ঘূর্ণিপাকে মোহরের মতো। পাঠিকা তোমার মোহরটা দরকার। ভীষণ দরকার। একবার এই থেকে বিচ্ছুরিত আলোকচ্ছ্বটায় অনেকটা পথ পেরুনোর অবসর পাওয়া যায়।

২.
মাইয়াটারে ঠিক চিহ্নিত করণের সময় আসছে। একটা বইয়ের মতো তারে পইড়া দেখনের দরকার। তার ইতিহাস, ঐতিহ্যের বুনিয়াদ কোথা হইতে প্রবাহিত হইয়া যাইতেছে বুঝনের কাম। তার ছোটবেলায় বুশ ধর্মযুদ্ধের ঘোষণা দিয়া কইছে- হয় তুমি আমার পক্ষে অথবা শত্রু। এমন একটা দেশে সে বসবাস করে সেইদেশের মাতাপিতাদিগরে নিয়া কার্টুন করলে ফেইসবুক বন্ধ কইরা দেয়। আর অযুহাত দেখায় মোহম্মদ (সাঃ) এরে নিয়া ইউরোপের কোন খ্রিস্টান পোলা ব্যাঙ্গ করছে, এইটারে। যখন তার দেশের রাজধানীতে ভবন ধ্বইসা মানুষ মরতে থাকলে সে তার বয় ফ্রেন্ডরে নিজেদের বহুতল নিয়া আশ্বস্ত করে; অথচ সে নিজেই ধ্বসে পড়তে ছিল ভূতপূর্ব নাগরের বাতিকগ্রস্ততায়। যখন তার দেশ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আয়োজন নিয়া বিভক্ত হয়ে থাকে।

তার কুসংস্কার নাই কোন, যদিও "আউটসাইডার" পড়তে পড়তে পায়ের নুপুর ছিড়া গেলে তার ভিতর অমঙ্গলের আশঙ্কার কথা মনে আসে। আর পরবর্তীতে অমঙ্গল ঘনায় আসলেও কুসংস্কারে তার বিশ্বাস থাকে কিনা তার কোন হদিস আর জানা যায় না। ধর্ম নিয়া তার নিজস্ব বিবেচনা গইড়া উঠছে সেই স্কুল থেইকা। এরও আগে, তসলিমারে সে দেশে ফিরায় আনতে চায়। তার এই চাওয়ায় কোন নারীবাদী প্রপঞ্চ নাই। সে হুমায়ূন আহমেদ আর ডান ব্রাউনের যুগপৎ মধ্যবিত্তীয় ইউটোপীয়ায় নিজের কাম চেতনারে জাস্টিফায়েড করতে গিয়া ব্যর্থ হইসে। রবীন্দ্রনাথরে ভাল লাগাইতে গিয়া তার ভেতর একধরনের সময়চেতনা জাইগা উঠসে। ভ্যলুজ আর আকাঙ্ক্ষার দ্বৈরথের ভেতর তার অবদমনের নাভিশ্বাসে সে পার করে ইনসোমনিয়ার রাত্রি।

তার যৌনতা নিয়া যথেষ্ট ফ্যান্টাসি আছে, উদ্দীপনা আছে, আগ্রহ আছে। নিজেরে যৌনতার মঞ্চে যে কোন চরিত্রে প্রবেশ করাইতে পারে। তথাপি প্রেম ছাড়া সে শুইতে পারে না। ইন্ট্যেলেকচুয়ালিটি দিয়া তার পার্ল হারবারে জলের সঞ্চালন তৈরি করা যায়। একটু মডারেট হইলে তার মধ্যে সবুজ সংকেত। একটু আর্ট একটু কালচার হইলে সে এমেরিকান ফাস্টফুডের অবসরে রাস্তায় রাস্তায় চায়ের টং দোকান চষে বেড়াতে রাজি। তার রোমান্সের বুনিয়াদ তৈরি হইছে মুভি দেইখা, পর্ন সাইট ঘাইটা, চটি পইড়া, ফেমিনা পইড়া; তার নন্দন গইড়া তুলছে সানন্দা। আর সে এই বঙ্গদেশের ঔপনেবিশিক সৌন্দর্যের চেতনায় হতাশা আর আশঙ্কা নিয়া বাইড়া উঠছে, ভিতরে ভিতরে নিজেরে নিয়া তৈয়ার হইছে সন্দেহের পাহাড়।

সে ব্লেডের ন্যায় বিদীর্ণ করে হতে পারে ছারখার। পাপোশের ন্যায় তার ব্যবহৃত হতে অরুচি নাই, যৌনতায়। মৃত্যু আর জন্মের তুরীয় আবিষ্কার সে যৌনতা দিয়া হরণ করতে পারঙ্গম। যোগাযোগের সকল প্রযুক্তির আওতায় থাইকা তার বড় একা লাগে। বিচ্ছিন্নতার চাবুকের দাগ তার মনন ও মেধায়। তাহার যোনীবর্তের ঘূর্ণির ভেতর মৌলিক মায়ার ঢল নামে, যদি তার স্থিতি বুইঝা কেউ হরণ করে, অপহৃত হতে চায়।

কিশোরী বয়সে তার বছর তিরিশের চাচা স্থানীয় একজনের প্রতি প্রেমভাব বৎসরকালব্যাপী বিরাজিত ছিল। কোথা হইতে উৎসারিত এই ভাব!!!আমাদের পর্ন সাইট ঘাঁটা আর চটি পড়া অভিজ্ঞতায় এই ঘটনাটার কি কোন আলাদা দ্যোতনা আছে? আমরা কি ভ্যালুজরে বাদ দিতে পারি, এক্ষেত্রে। আমাদের ট্যাবু কী বলে। লোকটা কি মাইয়াটার শুধুই চাচা অথবা মাইয়াটা কি লোকটার শুধুই ভাতিজি। তারা কি নর অথবা নারী না। নরটার কি একটা কিশোরী অথবা অপ্রাপ্তবয়স্কারে নিয়া ফ্যান্টাসি নাই? আর মাইয়াটার ভিতর কি প্রাপ্তবয়স্ক নররে নিয়া ঘনায় ওঠে নাই কোন লবণের দানা। কিন্তু আমরা হতাশ হই যখন লোকটা তার কোন কথিত ক্ষতি না কইরা চলে যায়। যদিও মাইয়াটা ক্ষতিগ্রস্ত হইছে বইলা দাবি করলে, আমরা তার দিকে একটু এ্যাঙ্গেলে নেত্রপাত করিব। ক্ষতির দাগ খুঁজিব। না পাইয়া আবিষ্কার করিব কিশোরীর প্রথম প্রেমভাব কতটা বাইবেলীয় হইতে পারে ভাইবা।

সে আইনিভাবে যৌনতার অনুমতিপ্রাপ্ত হবার আগেই তার কুমারিত্ব বিসর্জন দিসে। আদতে এই বিসর্জন কিনা তা নিয়া অনেক কথা আছে। তবু ঘটনা কিন্তু খুব খিয়াল। ঘটনাটা অনেক ক্রিটিকাল। প্রথমত সে কেন গেল এরকম প্রশ্ন আমরা সহজেই করতে পারি। কিন্তু পাঠিকা সে কেন যাবে না, এই প্রশ্নের কোন উত্তর আমাগো রাষ্ট্রযন্ত্র, আমাগো ধর্মগ্রন্থ দিতে পারে না। একটা একলা পুরুষ একটা একলা মাইয়ারে আঘাত না কইরা কেমনে রেপ করে!!! পুরা কোর্সের কোথাও যদি মাইয়াটার সমর্পণ না থাকে, হাল ছেড়ে না দিয়া থাকে তাইলে কি প্রবেশ সম্ভব!!! আর যদি সমর্পণ সে করেই বসে, হাল যদি ছেড়েই দেয় একসময় সেখানে কিন্তু ওই মাইয়া এবং পুরুষ আর একলা থাকে না। এই সমর্পণ এই হাল ছাইড়া দেয়ার ভিতর ক্রিয়াশিল নারী-পুরুষের সুদীর্ঘকালের জয় ও পরাজয়ের ইতিহাস। নারী-পুরুষ ক্ষমতার ঐতিহ্যবাহী চর্চা। আর ধরলাম সে একসময় সাড়াই দিছিল, হয়ত যোনীদেশ অকস্মাৎ নিজস্ম চেতনায় পশুজন্মের স্মৃতিতে হয়েছিল পিচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তার রেপড ফিলিংসটা, ক্ষণিকের সাড়া দেয়ারে জাস্টিফাই করে না। জানেন তো এমন গল্পও শুনি যে, স্বামী কর্তৃক স্ত্রী ধর্ষিত।

মনে হইতে পারে সে এখটা খারাপ মাইয়ালোক...। কিন্তু পাঠিকা সাবধান, তার চেতনা আর উপস্থিতি আপনার ধারণারে চেইঞ্জ কইরা দিব, নিশ্চিত। ফলে শুধু ঘটনার বশবর্তী হইয়া কোন ভুল কনক্লুশান টানা ঠিক হবে না। বরং একটা সতর্কতা সংগীত শোনেন ; ডিসেম্বরিস্ট নামের একক্কান বহু পুরাতন ব্যান্ডের গান-
A Cautionary Song--The Decemberists

There's a place your mother goes, when everybody else is soundly sleeping
Through the lights of beacon street
And if you listen you can hear her weeping,
She's weeping, cause the gentlemen are calling
And the snow is softly falling on her petticoats.
And she's standing in the harbor
And she's waiting for the sailors in the jolly boat.


See how they approach
With dirty hands and trousers torn they grapple 'til she's safe
within their keeping
A gag is placed between her lips to keep her sorry tongue from
any speaking, or screaming

And they row her out to packets where the sailor's sorry racket
calls for maidenhead
And she's scarce above the gunales when her clothes fall to a
bundle and she's laid in bed on the upper deck

La la la la laa,la la la laa,

And so she goes from ship to ship, her ankles clasped, her arms
so rudely pinioned
'Til at last she's satisfied the lot of the marina's teeming
minions, in their opinions

And they tell her not to say a thing to cousin, kindred, kith or
kin or she'll end up dead
And they throw her thirty dollars and return her to the harbor
where she goes to bed, and this is how your fed


So be kind to your mother, though she may seem an awful bother,
and the next time she tries to feed you collard greens,
Remember what she does when you're asleep

তার মইরা যাইতে মন চায়। এর জন্য সে নিজেরেই দায়ী কইরা পইড়া থাকে ঘরের কোণে। নিজেরে নিঃস্ব মনে হয়। ঘৃণা হয়। ব্যবহৃত মনে হয়। অশুচি লাগে। আর তার মনের ভার, অ-সুখের ভার, কষ্ট আর কলঙ্কের ভার, বিষাদের ভার, দুঃস্বপনএর ভার, শৈশব খৈশরের ভার, মিথ্যা আর সত্যের ভার সব একত্রিত হইয়া সিসিফাসের পাথরের আকার নেয়। তার আত্মহত্যার কথা মনে হয়। রাত আর দিনের তফাৎ হারায় যায়। সে মুঠা মুঠা সিডেটিভ খায়। কাউরে কইতে পারে না সে। মনে হইতে হইতেই সে অষুধের প্রভাবে ঘুমায় পড়ে, তার আর মারা যাওয়া হয় না। তার শরীরের সকল চেতনা অবলুপ্তির দিকে যাইতে যাইতে একদিন সে হঠাৎই যোনিকেশরে হাত বুলাতে বুলাতে কেমন যেন ফিরা পাইতে থাকে। বহুদিন পরে তাহার কৃষ্ণশানুদেশে রক্তসঞ্চালন হয়। সে এক্কেবারে কায়মনবাক্যে স্বমেহনের ভিতর দিয়া উইঠা আসে।

অতঃপর সে বান্ধবীর লগে "ফায়ার" দেখতে দেখতে পরীক্ষামূলকভাবে সমকাম অভিজ্ঞতা করে।

সে তার পবিত্রতা ফিরা পাইছিল জীবদ্দশায়। কি সেই পবিত্রতা!!! এইটা কি কোন ম্যাটিরিয়ালিস্ট বিষয় যে তারে হাতে নিয়া পবিত্র পবিত্র মনে হইতে পারে!!! এহীনে, আরো অনেক অপ্রয়োজনীয় পুরুষরে তার প্রশ্রয় দিতে হইছে, পবিত্রতার জন্য। এক বিজ্ঞানমনস্ক ইঞ্জিনিয়ার তার লগে ফোন সেক্স করতে করতে সে নামায পড়ছিল কিনা জিগাইলে, মাইয়াটা কয়- পড়ছি, তয় আল্লারে বিশ্বাস কইরা না, তুমারে ভালবাইসা। আহ!!! তাহার এই প্রেমের এই ভালবাসার কাছে ঈশ্বর কতটা ভঙ্গুর, নাজুক আর শুধুই যন্ত্রস্থ!!! অথচ এই জবাব পাইয়া সেই বিজ্ঞানমস্কটির শিশ্নের ইমানি জোড় বাইড়া গেছিল।

স্বপ্নের ঘোড়ার পিঠে উঠে অর্গাজমের অভিজ্ঞতায় তার যোনির কাব্যময়তা ফিরে পাইতে হইছে। আর সেইসব ঘোড়া শুধু দৌড়ায় আর দৌড়ায়, ধূ ধূ বালু উড়তে থাকে তার রেতের আশপাশ দিয়া কিন্তু লাগাম পড়ে না তারা।

এই মাইয়ারে আশির দশকের শোয়েব শাদাব নামক এক তড়িতাহত কবি প্রকৃতির জিকিরে হাজির করসিল-

প্রকৃতি-১

মেয়েটিকে চিনতাম আমি
বলো তো কী নাম?

তার চুল ছুঁয়ে থাকতো পাথরের ঘর।
মুখখানি কবরের মতো ভাঙাচোরা।
আর তার সামনে অসংখ্য দেয়াল
দেয়ালে স্তব্ধতা।
এইসব শৃঙ্খলিত দেয়াল পেরিয়ে
চোখ তবু ভেতরে যায়
যেখানে আকাশ কিংবা বিস্তৃত সমুদ্র।

প্রকৃতি-২

মেয়েটির কথা
তোমাদের নিশ্চই বলবো।

তার স্তন বরফের বৃষ্টিতে ভিজতো।
হাতখানি সরুনদী ছিলো আঁকাবাঁকা
জ্যোৎস্না ভেবে ছুঁয়ে ফেলত চাঁদের কলঙ্ক।
তার শরীরে বৃক্ষের বল্কল
তোমাদের নিয়মের অসংখ্য শেকল।
হলুদ প্রজাপতি, সমুদ্রের কষ্টের লহর
চোখের পাপড়িতে নিরবে নাচতো
ঝরতো শিশির,
তোমাদের প্রাচীরের নির্জন খাঁচায়।

প্রকৃতি-৩

মেয়েটির ছবি
তোমাদের নিশ্চয় দেখাবো।

তার পা
দুর্দান্ত সিংহের কেশরে দুলতো
কিংবা খেলা করতো
যেমন বিস্তীর্ণ কাশবন খেলা করে
সমুদ্রের নীল বাতাসের সঙ্গে।
তার ছবি
আমি তোমাদের নিশ্চয় দেখাবো,
যেমন সম্রাট দ্যাখে বন্দিনীর ছবি।
তার হাসি
পাহাড়ের চিত্রিত ঝরনায় বেজে উঠতো
যেমন বেজে ওঠে চঞ্চল পত্রালি।
আর তার স্বপ্নগুলো
সন্ধ্যার পাখিদের মতো কেবলই বিধ্বস্ত
অথবা নিঃশব্দে পুড়ে যেতো,
যেমন স্তম্ভিত আকাশ পুড়ে যায়
অসংখ্য তারার রূপালি জ্যোৎস্নায়।

প্রকৃতি-৪

দেখা হতো।
যেমন ঝলমলে হিরণ জলাশয়
দেখা দেয় পিপাসিত হরিণের চোখে।
দেখা হতো বঙ্কিম সাপের ফণায়,
কিংবা পাখিদের নিরনিবিলি সংসারে।
যেমন মাছরাঙা দ্যাখে দীঘির নীলত্ব।
দেখা হতো টোটেমের নৃত্যের আসরে
আর দূর নিভে যাওয়া সূর্যের চিতায়।
অথচ সে বলতো না একটিও কথা
অথচ বলতো-
পৃথিবীর যাবতীয় ছবির ভাষা।
তোমাদের যাবতীয় মুদ্রার ভাষা।

এখন পাঠিকা, আপনার স্মরণ আছে কিনা জানি না, কিন্তু আমার স্মরণে এবং মননে আছে এবাদের "সুহা আলী খান"। কিন্তু হলফ কইরা কইতেছি আর আপনাগোরে ইমান আনতে কইতেছি যে- মাইয়াডা সুহা আলী খান না। সুহার ঘোষণা আছিল মারদাঙ্গা আর এই মাইয়াটার কোন ঘোষণা নাই।

৩.
আর শিশ্নের সংকোচন-সম্প্রসারণের ভিতর যে ক্ষমতার অবসাদ জইমা যাইতেছে তারে উজ্জ্বীবিত করণের, উত্তোলিত করণের নিহিতার্থটাও বোধগম্য কইরা তুলনের দরকার। মর্বিডিটির ভেতর জন্ম নেয়া এই শিশ্নের ইতিহাস-অধ্যাবসায়।

"তবু তাহারই মধ্যে প্রেমিকের হৃদয়ের উষ্ণতার, গভীরতার সুকুমার ব্যঞ্জনা ছিল।" আর যা - "ইতঃমধ্যের শূন্যতায় নিখোঁজ"।

এই শিশ্ন গাবতলি, গুলিস্তান, সদরঘাট, মহাখালি, কমলাপুর থেইকা লোকাল বাসে বসেই এই সমাজের, রাষ্ট্রের ডিজায়ারসমূহরে রোগ হিসাবে নিজের ভেতর আবিষ্কার করে হীনম্মন্যতায় ভোগে। ধাতু দূর্বলতায়, মিলন অক্ষমতায়, ক্ষুদ্রাকৃতিতে, আগা মোটা গোড়া চিকন বেদনায় ঘন ঘন প্রসাবের চাপ অনুভব করে। আর স্বপ্নরে দোষ হিসাবে চিহ্নিত করে।

এই শিশ্নের উত্থানের এবং পতনের নিরাপত্তা কোন আদর্শের কনডম দিতে পারে নাই। উত্থান এবং পতন উভয় ক্ষেত্রেই সে অস্থির। এই শিশ্ন উদ্দেশ্যহীন হলেও তিনিই দিকনির্দেশক কম্পাসের ভূমিকায় অবতীর্ণ আছেন। এই শিশ্ন মেয়েটার যোনিতে শ্রেণীশত্রু খুঁইজা বেড়ায়, আর তার নিজেস্ব উত্থান ও পতন অবদমনের রেডবুকে গিয়া মুখ লুকায়। এই শিশ্ন কনফেশানের ঘষায় বয়ঃপ্রাপ্ত আর অভিজ্ঞ এবং কনফেশানের পতনে শান্তি খোঁজে, পায় না। এই শিশ্ন মাতৃগামী, বোন হন্তারক। সে ফ্রয়েডের কাছে গিয়া বেদনায় তির তির কইরা কাঁপে, ট্যাবু মুক্তির প্রার্থনায়।

এই শিশ্নের জন্মই হইছে জয়ের হতাশায়। সে ময়দানে ময়দানে পরাজিতরে পূন ভুলুণ্ঠিত কইরা, শ্মশানে শ্মশানে পরিত্যক্ত হাড়ে আগুন জ্বালাইয়া, কব্বরের লাশের বুকে ছুরি চালায়া অবশেষে নিজের কাছে পরাজিত হয়, বারবার। এই শিশ্ন প্রেমিক হইতে চায়া প্রতারকের পরিচয় রাইখা আসে মেয়েটার কাছে। এই শিশ্নরে তাড়া কইরা ফেরে "আয়ান গোস্বামী"।

এই শিশ্ন "গ্রান্ড ট্রাক রোড"- এ হারাইছে তার স্থানিক পরিচয়। পার্টিপলিটিক্স কন্ট্রোল করতে গিয়া হারাইছে নিজের কন্ট্রোল। নিদ্রা ও জাগরণের অবসরে এই শিশ্ন উত্থিত হয় তার পশুজন্মের স্মৃতি নিয়া। এই শিশ্নরে মাতৃতান্ত্রিক রূপকথা ধাওয়া কইরা নিয়া যায় "মাম্মি সেক্স" সাইটে। আর সেইখানে সে শিখা আসে সেই ছেলে ভুলানো ছড়া- "ফাক মি ভেরি হার্ড, ওহ বেইবি"। সাররিয়াল আর ডাডাবাদি চৈতন্যের দ্বৈরথে এই শিশ্ন চরম বিশৃঙ্খল হইয়া ছড়ায় পড়ে।

৪.
পাঠিকা, এখানে মেয়েটারে তার যোনি থেইকা আলাদা করবার পারলেও পোলাগুলারে পারি পাই। তারা একে এত বেশি অপরের মত শিশ্নময় হিসাবে মেয়েটার কাছে চিহ্নিত হইছে যে, সেই বেদনায়, সেই পুলকে, সেই সুখে, সেই আবিষ্কারে, সেই উজ্জ্বলতায়, সেই নীচতায়, সেই রূঢ়তায়....সেই... মেয়েটাই সব থেকে আলাদা আর অনন্য হইয়া উঠসে।

এই শিশ্ন আর যোনি সার্বভৌম, সবার; কিন্তু কেউ কারু না, একা একা। উহারা বিচ্ছিন্নতার ভেতর পরস্পরেণ হইয়া সর্ব্বোচ্চ দূরত্বে থাইকা সর্ব্বোচ্চ সম্মিলন ঘটাইয়া, আবার কেউ কারু না, একা একা। এই শিশ্ন বাইয়া বাইয়া রুপান্তরিত গ্রেগর সামসা যোনির ভিতর দিয়া হাইটা বাইরায়। আর তাই এরাই পরস্পরের এবসার্ডিটির সাপেক্ষে প্রতীয়মান হয়- নরতে, নারীতে। আর নিজেগোরে দোষারোপ কইরা নিজেগোর দুঃখের জন্য পরস্পরের কাছে শুশ্রুষা খোঁজে, পায় না।

আসেন উহাদিগরে স্মরণে রাইখা আমার লেখা "মেশিন" নামের একটা কবিতা পড়ি-

"একটা নারী মেশিনের নাম জানলাম আর একটা পুরুষ মেশিনের
তারপর যন্ত্রসভ্যতার হৃৎস্পন্দন টের পেলাম পিস্টনের মতো তীব্র
এদিকে আশপাশে লোহালক্করের সংঘর্ষ দেখে যারা পালিয়ে গেল
তারা জানল না, এই মেশিনের ভেতর লুকানো আছে প্রেম, আর
সেই হারানো গল্পটা...মেশিন হয়ে উঠবার..."

(2010-09-08 তারিখে, লেখাটি http://www.samowiki.com/details.php?id=160 এখানে প্রকাশিত।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29283000 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29283000 2010-12-03 18:13:13
দিবা-রাত্রি বাকি অর্ধেক দিনের অযুহাতে

সূর্য যখন শুতে যাচ্ছেন পাটে
চন্দ্র কি আর পক্ষছাড়া ওঠেন

গত রাত্রির বিগত অন্ধকার, অথবা
কেমন মরচে পড়া আলোর কারাগার
ময়দানহীন, নীলিমা হয়েছে উধাও
আছে মিলেমিশে শুধু সূদীর্ঘ ছাড়খাড়

খন্ডে বিখন্ডে সবকিছু একাকার

অর্ধেক লিখে বসে আছি দিনমান
বাকি অর্ধেক রাতের অযুহাতে....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29282300 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29282300 2010-12-02 16:41:48
মঞ্জুরুল আহসান আযাদের কবিতা
একদিকে প্রফিট আরেক দিকে প্রফেট!
মধ্যখানে জাল পেতেছে দৌলতখোর সিন্ডিকেট।
প্রফিট, যথা প্রথমেই ফিট, কিসের? মুনাফার আফিমের!
প্রফেট, তথাগত, বদলাও অতীত যত. নয়া বাত্ ইতিহাসের।
প্রফেট এক ভবিষ্যৎ চিহ্ন, ভাবশাস্ত্র তাতে একাকার ও অভিন্ন।
ভাবতে গেলেই পাই খবর, মানুষ মাত্রই ভাবের ঘর, এইটুক সত্যই সাহাহ্ন
শেষ যার আসন্ন, সন্ধ্যাকালের এই ভাষায়!
আমি বাঁচি, তুমি বাঁচো, শূন্য খাঁচার এই মহামায়ায়!
"পাখি কখন জানি ছেড়ে যায়"
এই লালনবাক্য দিনরাত আমারে ভাবায়....
আর ওবামার সেনাপতিরা দিনরাত বোমা ফালায়, বোমা ফালায়!
বন্ধু, কাব্য হয়নি, তবুও লিখলাম অন্তর্জালায়!

কৃতজ্ঞতা: ক্রমশঃ বিচ্ছিন্ন স্বজাতির প্রতি।

২১/১১/২০১০ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29281604 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29281604 2010-12-01 15:45:48
মেটাফোর
ফিকেসব ঘণ হয়ে
ফিকে হয়ে আসে

উড়ালসক্ষম যে কোন পক্ষী জানে
সর্বক্ষণ ওড়ার প্রতিভা ডানাটির নেই

উড়ালসক্ষম যে কোন পক্ষীই জানে
সর্বক্ষণ ওড়ার প্রতিভা ডানাটির নেই

মেটাফোর চৌচির করে আসো...

'পাপ ও দুঃখের চোরাচালান' করার চাইতে
কোকেন আর অস্ত্রের কারবার অনেক ভাল

আমি সেই লোক,
মরতে চাইলে দড়িটা আগিয়ে দেবো
ঝুলে পড়লে, লাশটা ধরে নামাবো

তোমার তালাশে গিয়ে নিজেই
হতেছি তোমার মেটাফোর
যেনো পাখিটা কিছু নয়
ডানাটিই সবচেয়ে বড়, দীর্ঘ আর সত্য

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29264044 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29264044 2010-10-30 18:37:36
রাজনৈতিক ঢংয়ে অরাজনৈতিক কবিতা টাকার গায়ে কার জলছাপ
কি মোছ চশমার কাঁচ ঘষে
দৃশ্য নাকি সময়ের দাগ

আমি খুব বেহুদা বেকুব বনে গেছি
অচেনা অক্ষরে তোমাকে লিখেছি
-ফলতঃ স্বরূপে তোমাকে চিনি না
আহা! রাষ্ট্র, ধর্ম এবং সভ্যতা

নিকট কতটা দূরে আর
দুরত্ব কতটা আপন
-এই নিয়ে ভাবিত আজ
শোকে উদযাপিত সকল উৎসব


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29255057 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29255057 2010-10-14 18:56:58
নার্সিসাসের চুমু পুং কান্নার ক্যাফেতে বইসা নার্সিসাস এই বানীসমৃদ্ধ গান করতেসেন-
সে যখন চুম্বন করে, সে আসলে কাহাকে চুম্বন করে


আমি কবর খুড়ে খুড়ে হাড়ের ভিতর থেকে
নিয়ে আসি এই পৃথিবীর সমস্ত চুম্বন, দেখি যে-
অনেক চুম্বন তার ইচ্ছাতেই মৃত...
আমি সেইসব অপরিনত চুম্বনসমূহে ঠোঁট ছোঁয়াই
আর সব শেষে এই মুহূর্তে সংগঠিত সকল চুম্বন
তোমার ঠোঁটের দিকে ছুঁড়ে দেই...

আর এসব দৃশ্যের ঘষায়
ঈদিপাসের হাড় দিয়ে বানানো একটা চশমা হয়ে উঠছে দৃষ্টিসক্ষম
আর সে চেয়ে আছে নার্সিসাসের দিকে- যে কিনা গাইছে একটাই গান-
সে যখন চুম্বন করে, সে আসলে কাহাকে চুম্বন করে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29254370 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29254370 2010-10-13 21:48:43
পীযুষ
আমি প্রায় ভুইলাই গেছিলাম; যেমন পীযুষের মৃত্যু সংবাদের আগে তারে ভুইলা ছিলাম অনেকদিন। অদ্য রাত্রিতে আমার যখন ভাল লাগতেছিল না তখন বুক সেলফে ভাললাগা খুঁজতে খুঁজতে পীযুষের সাথে করা একটা পত্রিকা উইঠা আসল হাতে। কালো মলাটের ভিতর লাল হরফে লিখা "কবিতার ঠ্যাক"। প্রচ্ছদের একটা মজা ছিল কিন্তু প্রেসে অনভিজ্ঞ থাকায় ব্যাপারটা আসে নাই। একটা ফিগার উঠপাখির ভঙ্গিমায় উড়তে না পারার ক্ষোভে দুনিয়ারে পশ্চাৎদেশ দেখায় দাঁড়ায় আছে। আর পীযুষ পুলাডাই আমার কাছে এইরকম ছিল যে একবার দেখা হইলে অনেকদিনের জন্য আর দেখা না হওয়া এবং মনে না পড়া অবধারিত ছিল। লোকটার ম্যালা প্রবলেম ছিল, কমপ্লেক্স ছিল। সে নিরালা দুপুরের সমস্যা লইয়া মধ্যরাতে একবার আমার সাথে কাপ্তানবাজার চোলাই মদ খাইতে গেসিল। তারে বলসিলাম দুপুরের সমস্যার কারণে আপনে আর ইলিয়াসের তমিজ হইতে পারবেন না অথবা চিলেকোঠার সেপাই। সে বেদনা পাইসিল, লোকটা বুকিশ মাল ছিল। আমি তারে কইসিলাম যে মন খারাপ কইরেন না, আরেক পলি নেন আর আমিও তমিজ বা চিলেকোঠার সেপাই না। আমি অন্যতর কারণে কিছু হইব না। আর ইলিয়াস শেষ পর্যন্ত ওই পার্টি পলিটিক্সের ভিতর ঘুরপাক খাইতে খাইতে আমাগোর সম্পর্কে পুলিশের কাছে ইনফরমেশন দিয়া দিসিল। ফিরতি পথে পুলিশ আমগো ধরে। জেরার মুখে আমরা ইলিয়াসের সাথে আমাদিগর সম্পর্কের কথা বললে, পুলিশ ইলিয়াসরে ফোন লাগায়। ইলিয়াস হয়ত অস্বীকার করে আমগোরে অথবা দুইডা ডলা দিয়া আমগো ছাইড়া দিতে কইসিল।

পীযুষ না করতে পারত না বইলা আমার প্রস্তাবে আবারও চোলাইয়ের দোকানে যায়। দুই পলি খাইয়া তারে কইলাম যে এখন বাইড়াইলে পুলিশ আবারো ধরব এর চেয়ে সকাল পর্যন্ত থাকি এইখানে। পীযুষ ভিষণ বিরক্ত হয়, বিরক্ত হইয়া আমারে কয় যে আমি সত্যি সত্যি একটা খারাপ পুলা। আমি হাসছিলাম। সে আমারে জানাইল দুনিয়ায় জন্মের সময় তার না বলার সুযোগ ছিল না তাই যাপনেও সে না এড়ায় চলে। আমি তৎক্ষনা'ৎ তারে পজিটিভ চুদিরভাই বলাতে সেই রাতে আমাদিগর আর বাক্যালাপ হয় নাই।

২০০৩ এরপর আর দেখা হয় নাই পীযুষের সাথে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29252667 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29252667 2010-10-10 21:41:36
শিরোনামহীন ঠোঁটে লেগে থাকা শেষ মদটুকু
ওহে আবুল হাসান
একটিই কেনো, হাজার পুরুষ
তাকে ডাকুক রমণী

উদিত দুখের নাই কোন শেষ
উনুনে জ্বলছে বিরহের কাঠ
আমি তাতে চড়ে বসি

চাকাতো ফেরে না বিনয়
ঘুর পথে ঘুরে ঘুরে, ঘুরে চলে যায়
মনে হয় সে নিয়তিলিপ্ত এক ফাল্গুনী রায়

জলের অভাবে মাছ হয়ে থাকি
এমন স্বভাবেই মানুষ না হয়ে
হতেছি মানুষেরই মতন

বিরহ বিরহ দিনে
মদ কিন্তু ভিষণ কেরোসিন
তুমি মদ খাও আজ, আমি
মাতাল কবিতা লিখি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29248560 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29248560 2010-10-02 17:28:54
স্মরণ-১ আমি কি হতেছি আপনার স্বরণীয়
আপনা মাঝে আপনা সাথে
একি খেলা চলে আজ অবিরত...

মম মন আনন্দঘন
মেঘবীনা ঘটিছে বরিষণ
ভীজিতেছি না তবু একদম
শুধু হৃদয় গাহিছে ক্রন্দন
এ কান্না নহে মোটে দুঃখজাগানিয়া]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29247557 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29247557 2010-09-30 14:31:46
পাথর
যাকে ভালবাসি তাকে হত্যা করে নিজেই নিহত হওয়া
মানুষের পুরানা অসুখ
আর অনেক মৃত্যুর পর আমরা জেনে গেছি অসুখ
একটা মানবিক স্বভাবের নাম।

আমি যোনীতে স্খলনের কালে এই মহাজীবনের
নিগূঢ় নিঃসঙ্গতার পাথর কুড়িয়ে পেয়েছিলাম যেই মুহূর্তে,
ঠিক তখন এক ক্ষুধার্থ আত্মা আমার ভেতর ফিসফিস করে বলে-

"বুকের মধ্যে কিছু পাথর থাকা ভাল
ধ্বনি দিলে প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29241625 http://www.somewhereinblog.net/blog/sayedjubaryblog/29241625 2010-09-18 22:05:33