মৃত কয়লার পাশে শুয়ে তুমি আগুনের গান শোনো।
সঙ্গম আক্রোশে মুগ্ধ শরীর, প্রতিদিন ঘুমের চাদর থেকে
খুলে যায় এক একটি ফোঁড়। অনুপাত ঘিরে থাকা তোমার
অর্থহীন জীবনের বাবেলগুলো, শরীরে নিমজ্জিত হলে -
যে অংক ফুলে ওঠে অচেনা। যে অংক চেনা মানুষের আঘাতে
জমাট জেলির স্পর্শবিদ্যুৎ।
তুমি যেভাবে চতুর্ভূজ - আমায় তরলে ডুবিয়ে নির্মাণ
করেছ পিরামিড বাহু, অমৃত পাথর। আমি তোমায়
এক টুকরো পাথর দিয়ে বোঝাই - আমি এই পাহাড় ডিঙানো
থেতলানো সবুজ। যতবার ওঠা, ততবার নেমে যাওয়া
নির্দেশক, পরজীবি সুখ। অনীল আকাশ। ঋত্বিকের
মেঘে ঢাকা তারা।
দূরবীনে চোখ রাখা অন্ধ লোকটি, তারাক্ষয় জানে, ভয়
দেখালে সরে যায় নিজের ভেতর। আর ঠিক পা থেকে
নেমে আসে মাইল মাইল পথের কিনার।
আমি তার শরীরে জমানো ধুলো ছুঁয়ে, টাইম মেশিনে
তোমার আত্মার গভীরে তাকাই পড়ে ফেলি -
এক, দুই, তিন; জমানো আয়াত।
(ঢাকা থেকে ১১ নভেম্বরে (কবি সুমন প্রবাহনের জন্মদিনে) ২০১০ সালে প্রকাশিত তুহিন দাস সম্পাদিত 'শূন্যমাতাল' 'পাণ্ডুলিপি সংখ্যা'য় প্রকাশিত)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


