somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কয়লাখনি ও এশিয়া এনার্জি

০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের দেশের জনগণ সংগ্রাম করে ফুলবাড়ী কয়লাখনি অঞ্চল থেকে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ বহুজাতিক কোম্পানি এশিয়া এনার্জিকে চলে যেতে বাধ্য করেছিল। বিক্ষোভ-গণসংগ্রাম-গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত হয়েছিল সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তি আর বিজয়ী হয়েছিল ফুলবাড়ীর সংগ্রামী জনতাসহ এদেশের বাম প্রগতিশীল শক্তি। অথচ এখনো প্রায়ই দেখা যায়, এশিয়া এনার্জি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে এমনভাবে উন্নয়নমূলক নানা কর্মকান্ডের ফিরিস্তিসহ বিজ্ঞাপন দিচ্ছে যে, তাতে মনে হয় তারা যেন ফুলবাড়ী কয়লাখনির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও মালিকানা পেয়ে গেছে। একইভাবে তারা লন্ডনে এমনই প্রচার-প্রচারনা চালিয়েছিল যে, তারা ফুলবাড়ীর কয়লাখনির মালিক এবং এরই ভিত্তিতে এশিয়া এনার্জি ওই দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার বাজারে শেয়ার বিক্রি করে ভালো লাভ তুলে নিয়েছিল। অথচ এসব ডাহা মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বাস্তবে এশিয়া এনার্জিকে কখনোই ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলনের অধিকার দেওয়া হয়নি। তবে তাদের চেষ্টা ছিল। যে শর্তে নিতে চেয়েছিল, তা যদি কার্যকর হতো তাহলে বাংলাদেশ ফুলবাড়ীর মাটিরতলার ওই অমূল্য সম্পদের ওপর তার অধিকার হারাত এবং একই সঙ্গে প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ অন্যান্য সামাজিক ও অর্থনৈতিক অভিঘাতে তির পরিমাণও হতো ব্যাপক। এশিয়া এনার্জি সেই দুই শ’ বছর আগের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতই লুণ্ঠনে আগ্রহী। উভয়ই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বেনিয়া কোম্পানি। একদা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যেভাবে ভারতবর্ষকে লুট করেছিল, একইভাবে একবিংশ শতাব্দীতেও আরেক ব্রিটিশ কোম্পানি আমাদের দেশে আসতে চাইছে বিনিয়োগের নামে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন করতে। সেদিনও যেমন মীরজাফর ছিল, এখনো তেমনি মীরজাফর অর্থাৎ এশিয়া এনার্জির দালাল আছে। স্থানীয় পর্যায়ে সুবিধাভোগী ছোটখাটো মীরজাফর বা দালাল থেকে শুরু করে বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক মীরজাফর বা কমিশনভোগী দালালও তৈরি হয়েছে, যারা মীরজাফরের মতই জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা আর এশিয়া এনার্জির প েদালালী ও ওকালতি শুরু করেছে। এশিয়া এনার্জির আন্তর্জাতিক তদবিরকারকও জুটেছে।
কিছুদিন আগে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসেছিল। তারা ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্পের জন্য ঋণদান করতে আগ্রহের কথা জানায়। এডিবি অন্যান্য ক্ষেেত্র ঋণদানের সঙ্গে শর্ত জুড়ে দিয়েছে, যেন এশিয়া এনার্জিকে ফুলবাড়ীর কয়লা সম্পদ লুণ্ঠনের সুযোগ দেওয়া হয়। এ যেন মামার বাড়ির আবদার। এতে আবারো প্রমাণিত হয় যে, এসব আন্তর্জাতিক সংস্থা বস্তুত পৃথিবীর সাম্রাজ্যবাদী বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর স্বার্থে কাজ করে। তারা এক হাতে যে ঋণ দেয়, আরেক হাত দিয়ে তুলে নেয় অনেক বেশি। বস্তুত বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এডিবি ইত্যাদি সংস্থা হচ্ছে নয়া ঔপনিবেশিক যুগের আধুনিক অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ার।
আইএমএফ কিছুদিন আগে চেয়েছিল আমাদের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব বলে আর কিছু যাতে না থাকে বাংলাদেশকে দিয়ে এমন এক চুক্তিতে স্বার করাতে। লণীয় ব্যাপার এই যে, এই প্রথম আমাদের দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এরূপ চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করে বিবৃতি দেয়। ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বাম প্রগতিশীলদের বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি আর করানো সম্ভব হয়নি।
এখন এডিবি চাপ দিচ্ছে ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্পের ব্যাপারে। সরকারি দৃষ্টিভঙ্গী ও অবস্থান খুব স্পষ্ট নয়। গণআন্দোলনের মাধ্যমে যে বিষয়ের মিমাংসা হয়ে গিয়েছিল সেটা আবার নতুন করে উঠছে কেন? কয়েক মাস আগে জ্বালানি উপদেষ্টা তপন চৌধুরী এশিয়া এনার্জিকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, তারা যেন বুঝিয়ে-সুঝিয়ে জনগণের মন জয় করতে পারে। কিন্তু এতে জনমনে প্রশ্ন জাগে যে, এশিয়া এনার্জিকে সম্পদ লুট করতে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের কি কোনো আপত্তি বা বাধা নেই? আর যদি এশিয়া এনার্জিকে সম্পদ লুট করতে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের আপত্তি বা বাধা না থাকে তাহলে সরকার যে প্রশ্নবিদ্ধ হবেন তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। আর এভাবে বিদেশি কোম্পানীকে আমাদের খনিজ বা জাতীয় সম্পদ লুট করার চুক্তি বা সম্মতি দিলে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। আর সরকারকে এও মনে রাখতে হবে যে প্রয়োজনে জনগণ আবার প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে পারে।
এডিবির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময় উপদেষ্টা তপন চৌধুরী আইনগত জটিলতার কথা বলেছেন। তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বিগত সরকারের চুক্তির কথা উল্লেখ করেও বলেছেন যে, এই চুক্তি সম্পর্কে আইন মন্ত্রণালয়ের এখনো কোনো সুস্পষ্ট মতামত পাওয়া যায়নি। এদিকে অর্থ উপদেষ্টা মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, এডিবির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে টাটা ও এশিয়া এনার্জি প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, এশিয়া এনার্জির ব্যাপারে নাকি ইতিবাচক কিছু হতে পারে। এখানে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মতই আমিও বলতে চাই, ‘খামোশ’। প্রথম কারণ হিসেবে বলবো, এশিয়া এনার্জিকে আগের চুক্তি মতো অথবা চুক্তিকে কিছুটা সংশোধন করে ওই কোম্পানিকে কয়লাখনি লিজ দিলে তার ফলাফল হবে বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ ও আত্মঘাতি। বিষয়টি বাম প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তিসহ অনেক অর্থনীতিবিদ, লেখক, সাংবাদিক, বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞ অতীতে বহুবার ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করেছেন। আমিও বহুবার বহু নিবন্ধে লিখেছি ও বলেছি। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে বলতে হয়, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফুলবাড়ী কয়লা প্রকল্প নিয়ে জাতীয়স্বার্থ ও গণস্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে নতুন করে কিছু করার নৈতিক অধিকার নাই। তৃতীয় কারণ হিসেবে বলতে হয়, যেসব ব্যক্তি নানা খোঁড়া যুক্তির আড়ালে এশিয়া এনার্জির প েওকালতি-দালালী আর জাতির সাথে মীরজাফরী করছেন, তাদের কথার দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া কতটুকু যৌক্তিক হবে?
ফুলবাড়ী কয়লাখনিতে মজুদ আছে ৫৭২ মিলিয়ন টন কয়লা। ১৯৯৪ সালে খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলে বিএইচপি নামে একটি অস্ট্রেলীয় কোম্পানিকে অনুসন্ধানের জন্য কাজ দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ যে চুক্তিটি হয়েছিল তা হলো এক্সপ্লোরেশনের জন্য চুক্তি। ১৯৯৭ সালে ওই কোম্পানি লিজিং লাইসেন্স বিক্রি করে দেয় ব্রিটিশ কোম্পানি এশিয়া এনার্জির কাছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে সরকার নতুনভাবে চুক্তি করে এশিয়া এনার্জির সঙ্গে। এই কারণে কে চুক্তি করেছে, বিএনপি সরকার না আওয়ামী লীগ সরকার এই নিয়ে দুই দলের মধ্যে বিতর্ক আছে। কিন্তু চুক্তিটি যে খারাপ তা দুই দলের নেতারা স্বীকার করেছেন। জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছেন। দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল স্বীকার করেছে, চুক্তিটি খারাপ ছিল। কিন্তু তাতে প্রশ্ন জাগে ওরা তাহলে ওই চুক্তি করলো কেন? চুক্তিটি যে খারাপ তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
চুক্তি অনুসারে এশিয়া এনার্জি অনুসন্ধানের পর রিপোর্ট প্রদান করবে। এই রিপোর্ট গৃহীত হলে তারা ৩০ বছরের জন্য লিজ পাবে কয়লা উত্তোলনের, যে কয়লার পুরো মালিক হবে তারা, যে কয়লার পুরোটাই তারা বিক্রি ও রফতানি করতে পারবে। বিনিময়ে বাংলাদেশ পাবে মাত্র ৬ শতাংশ রয়ালটি। আর কয়লা উত্তোলন করা হবে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে।
এখানে তিনটি বিষয়ে কিছুটা আলোচনা করা দরকার। ১· রয়ালটি, ২· উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন ও ৩· চুক্তি আইন।
আমাদের দেশে মাইনিং অ্যাক্ট আছে। একদা সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থে এই মাইনিং অ্যাক্টে বলা ছিল যে, খনি লিজ দেওয়া যাবে ৫ শতাংশ (সুড়ঙ্গ পদ্ধতিতে) অথবা ৬ শতাংশ (উন্মুক্ত পদ্ধতিতে) রয়ালটির বিনিময়ে। বলাবাহুল্য, এ ধরনের নিয়মটিই ছিল চরমভাবে জাতীয় স্বার্থবিরোধী। পরে ১৯৮৯ সালে এই রয়ালটির পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয় ২০ শতাংশে। এই রয়ালটির পরিমাণও গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো বিদেশি কোম্পানিকে ৯৪ শতাংশ কিংবা ৮০ শতাংশের মালিকানা দিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। নব্বইয়ের দশকে এই রয়ালটির হার আবার ৬ শতাংশে নামানো হয় এশিয়া এনার্জিকে বিশাল সুবিধা দেওয়ার স্বার্থে।
এবার আলোচনা করবো উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লাখনি খনন করা প্রসঙ্গে। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনন করা হলে যে ধরনের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ঘটবে তাতে কি কারো সন্দেহ আছে? ফুলবাড়ী থানা ও আশপাশের কয়েকটি থানার অংশবিশেষ জুড়ে এই কয়লাখনি। লাখ লাখ মানুষ স্থান ও বাস্তুচ্যুত হবে। ওই অঞ্চলে ফসলি জমি বলে কিছু থাকবে না। ওই অঞ্চলের জমি যে খুব উর্বর তাতো সকলেই জানেন। বাতাস বিষাক্ত হবে, পুকুর-জলাশয় বিষাক্ত হবে, গাছপালা, গবাদিপশু, মাছ কিছুই থাকবে না। সব স্থাপনা ধ্বংস করা হবে। এসবের সামাজিক ও অর্থনৈতিক তির দিক তো আছেই। এ ছাড়া সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, কয়লার স্তরের ওপর আছে পানির স্তর। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করতে হলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তরকে শূন্য করতে হবে। ফলে উত্তরবঙ্গে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আশঙ্কা আছে।
এবার আলোচনা করবো চুক্তি আইন প্রসঙ্গে। একটা কথা সাম্রাজ্যবাদী ও বহুজাতিক কোম্পানীর তথাকথিত বিনিয়োগ প্রস্তাবকারীরা ভালোভাবেই প্রচার করে থাকে যে, যেনতেন প্রকারে একটি চুক্তি হয়ে গেলেই ৈসম্পাদিত চুক্তির শর্ত যতই দেশের মানুষের স্বার্থবিরোধী হোক না কেন তা নাকি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মেনে নিতে সরকার বাধ্য থাকবে। সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানও ফুলবাড়ী কয়লা খনি সংক্রান্ত এশিয়া এনার্জির সঙ্গে চুক্তিকে দেশের··· স্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়েও চুক্তি বাতিল করা যাবে না বলে বক্তব্য দিয়েছিলেন! আসলে দেশের স্বার্থবিরোধী হলে চুক্তি বাতিল করা যাবে না কথাটা ঠিক নয়। কারণ ১৮৭২ সনের চুক্তি আইনে চুক্তির সংজ্ঞা, চুক্তি গঠন বা সম্পাদনে অত্যাবশ্যকীয় যেসব উপাদানের কথা বলা হয়েছে, বিদেশী কোম্পানীগুলো সেইসবের অনুসরণ করতে দেয় নি বলে সম্পাদিত চুক্তিই তার প্রমাণ।
চলবে.......
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৯
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×