বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদ তার হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে ও উস্কে দিয়েছে। পাকিস্তানি শাসকরাও একই উদ্দেশ্যে একই কাজ করেছে। বর্তমান যুগের শোষক শ্রেণীও ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াসে, তাদের শোষণকে জিইয়ে রাখার স্বার্থে, লুটেরা ধনিক শ্রেণী প্রগতিশীল শক্তির বিকাশ প্রতিহত করার জন্য নানা সময় এই ধর্ম ব্যবসায়ী সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদী গোষ্ঠীর সাথে গোপন অথবা প্রকাশ্যে আঁতাত গড়ে তোলে। যা ইতিমধ্যেই সামাজিক দগদগে ঘায়ে পরিণত হয়েছে।
আমি স্পষ্টভাবেই মনে করি, '৭১-এর ঘাতক দালাল রাজাকার-আল বদর-আল শামস- স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-শিবির চক্র তথা সাম্প্রদায়িক শক্তি গণতন্ত্রের মিত্র নয়, বরং শত্রু। বাংলাদেদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতান্ত্রিক বাম মোর্চাসহ সকল গণতান্ত্রিক শক্তির কর্তব্য হচ্ছে জঙ্গীবাদ মৌলবাদ ও ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িকতাকে প্রতিহত করা। '৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিত স্বাধীনতা বিরোধী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ধর্ম ব্যবসায়ী রাজাকার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠি স্বাধীনতা উত্তরকালে মধ্যপ্রাচ্যের পেট্টোডলার আর বিভিন্ন সরকারের সহযোগিতা পেয়ে আজ তারা আবারো মরিয়া হয়ে উঠেছে খুনের নেশায়। তাই যে কোনো মূল্যে ধর্মব্যবসায়ী সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী চক্রকে রুখতে হবে। সাম্রাজ্যবাদ, স্বৈরাচার আর সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী লড়াই আজ একসূত্রে গ্রোথিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

