somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সহজ ইতিহাস : প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান বিশ্ব ব্যাবস্থার রুপায়নে অন্যতম ভূমিকা পালন করা একটি ঘটনা হচ্ছে ইউরোপীয়ান মহাযুদ্ধ যা প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ নামেই বেশী খ্যাত। ৪ বছর স্থায়ী এই যুদ্ধে দেড়কোটি মানুষ প্রাণ যায় এবং ২ কোটি মানুষ আহত হয়, ৩টি সাম্রাজ্যের পতন হয়, নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হয় এবং বিশ্বের মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে !!!

ইতিহাস এমন ভয়াবহ এবং তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা কমই প্রত্যক্ষ করেছে!

এই ভয়াবহ দূর্যোগ কিভাবে বিশ্লেষন করা যায়?

আজকের সহজ ইতিহাসে, সংক্ষেপে এবং সহজ ভাষায় এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারন খুঁজে দেখার চেষ্টা করবো। তথ্যভিত্তিক নয় বরং বিশ্লেষন ভিত্তিক এই লেখাটির উদ্দেশ্য মূলত সাধারন ব্লগার পাঠক বন্ধুদের, ১ম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার কারন সম্পর্কে অবগত করা , সেই সাথে অল্প কথায় যুদ্ধের গতি প্রকৃতিও জানিয়ে দেয়া । তবে বিষয়টা একটু ঝামেলার কারন, এই যুদ্ধের কোন নিরেট কারন খুজে বের করা যায় না! সেই চেষ্টা করলে ইতিহাসের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই আমরা কিছুটা বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনাবলী’র বিশ্লেষন করবো, এবং সবকিছুর একটা মিলিত যোগসুত্র স্থাপন করার চেষ্টা করবো!

মনে রাখার ২টি বিষয় :

একটা বিষয় সব সময় মনে রাখা অত্যন্ত জরুরী যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোন শত্রু-মিত্র নাই, আন্তর্জাতিক রাজনীতি’র মূলনীতিই হচ্ছে ক্ষমতা অর্জনের প্রতিযোগীতা এবং “ব্যালেন্স অব পাওয়ার”! মানে, কোন রাষ্ট্রই চায় না অন্য একটা রাষ্ট্র এতটা শক্তিশালী হোক যা আগামীতে নিজেদের জন্য হুমকি হতে পারে।

এবং : প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভুমি হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ন আরেকটা মনে রাখার বিষয় হলো, জার্মানী-অস্ট্রিয়া এবং ইটালীর মাঝে ১৮৮২ সাল থেকে সামরিক জোট গঠনের চুক্তি বলবৎ ছিল, ১৯০২ এ সেটা নবায়ন হয়।

এবং এটার “কাউন্টার ওয়েট” হিসেবে ১৯০৪ সালে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স যৌথ সামরিক চুক্তি করে।

ব্যাকগ্রাউন্ড :

এবার যুদ্ধের কারন ভাল করে বুঝার জন্য, আমরা তৎকালীন সময়ের দেশগুলোর অবস্থান কেমন ছিল সেটা দেখি :

মাত্র ১৮৭১ সালে জার্মানী একটি রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও তৎকালীন সাম্রাজ্যবাদের যুগে ১৮৯৮ এ এসেই তাদের উচ্চাকাঙ্খী সম্রাট, কাইজার দ্বিতীয় উইলহেইমের মনে ইউরোপের বাইরেও সাম্রাজ্য স্থাপনের খায়েশ জাগে। অবশ্য জার্মান অর্থনীতি এবং সামরিক শক্তি সেই স্বপ্ন দেখার মত অবস্থানে ছিলও।

অপরদিকে রাশিয়ার সম্রাট দ্বিতীয় নিকোলাসও ক্ষয়িষ্ণু অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের এলাকায় নিজ প্রভাব বিস্তারের দিকে নজর ছিল, এবং ঘরোয়া সমস্যা মানে তৎকালীন কম্যুনিস্ট বিপ্লব থেকে জনগণের নজর ফেরানোর জন্য এবং ক্ষমতা নিশ্চিতের জন্য একটি যুদ্ধজয় খুব ইতিবাচক মনে করে। এছাড়াও অস্ট্রিয়ার সুত্র ধরে সার্বিয়ায় জার্মান উপস্থিতি রাশিয়া একটি নিশ্চিত হুমকি স্বরূপ দেখে!

ভৌগলিকভাবে ইউরোপের বাইরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র ব্রিটেন, প্রচন্ড শক্তিশালী নৌ-শক্তির অধিকারী সাম্রাজ্যটা এবং নৌ- সামরিক শক্তি দ্বারা তৎকালীন সময়ের অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে একক আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এর কলোনিগুলোর সাহায্যে তৎকালীন বিশ্বে ব্রিটেন ছিল একক পরাশক্তি। জার্মান উত্থান ছিল তার চোখে নিজ শক্তির প্রতি হুমকি! এবং জার্মান দৃষ্টি ছিল ব্রিটেনকে চ্যালেঞ্জ করা!

অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরী ও অটোমান সাম্রাজ্য ২টি অতীতে প্রচন্ড শক্তিশালী কিন্তু সেইসময় পতনের মুখে থাকা শক্তি, জার্মানীর সাহায্যে তাদের হারানো ক্ষমতা ফিরে পাবার স্বপ্ন ছিলই।

ফ্রান্স তখন, আফ্রিকার কলোনী থেকে প্রাপ্ত সম্পদের কারনে বেশ ভাল কন্ডিশনে থাকলেও একটি শক্তিশালী জার্মানী মানেই তাদের ভয়াবহ ক্ষতি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং ভৌগলিক ও সামরিক শক্তি ব্যাপক থাকলেও তাদের নীতি ছিল যেকোন ইউরোপীয়ান ঝামেলার বাইরে থাকা।



নিরেট ইতিহাস :

এমন অবস্থায়, ১৯১৪ সালে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের হবু সম্রাট, ডিউক ফার্ডিনান্ড সিংহাসনে আরোহনের কিছুদিন আগে সারায়েভো শহরে স্ত্রী সহ সার্বিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়! ( এটাকে দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হত্যা অথবা সবচেয়ে ভুল হত্যাকান্ড বললে ভুল হবে না! )
এর ফলে সিংহাসন বসা নিয়ে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্য মুশকিলে পড়ে, এবং সার্বিয়ার উপর যার পর নাই ক্ষুদ্ধ হয়। সার্বিয়া একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কিন্তু অস্ট্রিয়া একটি নিদৃষ্ট সময় বেঁধে দেয় প্রতিবেদন পেশ করার জন্য এবং বিচারের কিছু শর্ত বেঁধে দিয়ে তদন্ত কমিটিতে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি নিয়োগের দাবী জানায়। কিন্তু সার্বিয়া এর সব শর্ত মানতে অস্বীকার করে।

তখন জার্মান সম্রাট দ্বিতীয় উইলহেইম অস্ট্রিয়াকে সম্পুর্ন সমর্থন দেবার ঘোষনা দেয় এবং অস্ট্রিয়ান দাবীর সাথে সহমত পোষন করে।

আক্রমানাত্মক পদক্ষেপ নেবার জন্য জার্মান সমর্থন অস্ট্রিয়ার জন্য ব্যাপক প্রয়োজনীয় ছিল, কিন্তু জার্মানী-অস্ট্রিয়ার এই যৌথ শক্তি’র উত্থানের বিপক্ষে জার্মানীর ২ প্রতিবেশী ফ্রান্স এবং রাশিয়া সার্বিয়ার পেছনে এসে দাড়ায়।

এবং অস্ট্রিয়ার দ্বারা সার্বিয়া আক্রমনের পরপর ভিন্ন ভিন্ন চুক্তি অনুসারে জার্মানী-অস্ট্রিয়ার সাথে ফ্রান্স- রাশিয়া যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

এবং অন্য একটি জার্মান-অটোমান চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া যুদ্ধে যোগ দিলে অটোমান সাম্রাজ্য জার্মানীর পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয়ার কথা ছিল, তাই অটোমান সাম্রাজ্যও যুদ্ধে যোগ দেয়!

জার্মানী নিরপেক্ষ বেলজিয়াম আক্রমন করলে তখন পূর্ব চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটেন জার্মানীর বিপক্ষে যুদ্ধে ঘোষনা করে!

১৯১৭ সালে রাশিয়ায় বলশেভিক ( কম্যুনিস্ট) বিপ্লবের ফলে রাশিয়া যুদ্ধ ত্যাগ করে।

কিন্তু ফ্রান্স-ব্রিটেনকে রসদ যোগান দেয়ার অভিযোগে জার্মান সাবমেরিন যখন ৭টি যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ ডুবিয়ে দেয় তখন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত যুদ্ধে যোগ দিয়ে এটাকে বিশ্বযুদ্ধ রূপ দেয়! এবং মুলত এরপরই জার্মান পরাজয় নিশ্চিত হয়!

এটা তো ইতিহাস কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এর বিশ্লেষন, ইতিহাস কেন এমন হলো সেটার বিশ্লেষনই আমাদের লক্ষ্য!

বিশ্লেষন :

যুবরাজের হত্যার পর, জার্মানীর হিসাবে ছিল যে, সার্বিয়ার বিরুদ্ধে একটি সংক্ষিপ্ত, আঞ্চলিক যুদ্ধে বিজয়ের সম্ভাবনা আছে। তাই তারা অস্ট্রিয়াকে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে সার্বিয়ায় হামলা করার অনুমুতি দিয়ে দেয়। যা হয় বিরাট ভুল!

জার্মানী অস্ট্রিয়াকে নজিরবিহীন সমর্থন দেয়ায় ভবিষ্যৎ জার্মান শক্তি’র সম্ভাবনায় আতংকিত ফ্রান্স এবং রাশিয়ার তরফ থেকে অনাকাঙ্খিত শত্রুতা ডেকে আনে!

রাশিয়া এবং ফ্রান্স সাথে সাথে যুদ্ধে যোগ দিলেও জার্মানী তাদের ভালই মোকাবেলা করছিল, কিন্তু ব্রিটেনের চোখে রাশিয়া এবং ফ্রান্সের তুলনায় একটি নতুন ও শক্তিশালী জার্মানী ছিল বড় হুমকী তাই তারা পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী ও নিজেদের ক্ষমতার সুরক্ষিত করার জন্যই জার্মানীর বিপক্ষে যুদ্ধ ঘোষনা করে দেয়। ব্রিটেনের মত পরাশক্তির আগমন জার্মানীর জন্য ব্যাপক থ্রেট হয়ে দাড়ায়!

আভ্যন্তরীন রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাঝেই রাশিয়া পরাজিত হয়ে যুদ্ধত্যাগ করে। ব্যাপক সৈন্য ও সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতি ও কম্যুনিস্ট প্রোপাগান্ডাই সম্রাটের পতন ও রাশান পরাজয় নিশ্চিত করে!

ইতিমধ্যেই ৩ বছর ধরে চলা যুদ্ধে এবং শীতকালে রাশিয়ার অভ্যন্তরে আক্রমন করে ব্যাপক ক্ষতির শিকার জার্মান সেনাবাহিনী অদুরদর্শীতার পরিচয় দেয় আমেরিকান জাহাজে আক্রমন করে! জার্মান নৌ-বাহিনীর আক্রমন ঘুমন্ত দৈত্য যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে ডেকে এনে চুড়ান্ত জার্মান পরাজয় নিশ্চিত করে! ( এমন স্ট্র‌্যাটেজিক ভুল জার্মানদের দ্বারাই সম্ভব তা আবারো প্রমানিত হয় ২য় বিশ্বযুদ্ধে )

আরেকটি কারন :

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম একটি কারন বলে চিন্হিত করা যায়, নব্য ও উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রসার!

অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্য, অটোমান সাম্রাজ্য ২টিই তাদের মানচিত্রের বিভিন্ন অংশে এবং মুলত বলকান অঞ্চলে জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে এলাকা হারাচ্ছিল।

রাশিয়ার সম্রাট ( জার ) ধর্মীয় ( খ্রিষ্টান অর্থোডক্স ) ও ( স্লাভিক ) জাতীগত নৈকট্যের কারনে এবং রাশিয়ান নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে ও জাতীয় “প্রাইড” সমুন্নত রাখতে সার্বিয়ানদের পাশে দাড়ায়।

১৮৭৮ এর যুদ্ধে জার্মানীর নিকট পরাজিত ফ্রান্স জাতীগতভাবেই জার্মানীর বিরোধীতাকারী ছিল! এবং আরো বেশী শক্তিশালী জার্মানী মানেই ফরাসী জাতি’র জন্য হুমকী!

আর যেই হত্যাকান্ড নিয়ে এত কাহিনী সেটাও জাতীয়তাবাদীরই কাজ! অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয়ান সাম্রাজ্যের দক্ষিনের একটি অংশকে সার্বিয়ার সাথে একীভুত করার লক্ষ্যেই এক উগ্র জাতীয়তাবাদী সার্ব বসনিয়াক, যুবরাজ ফার্ডিনান্ডকে প্রকাশ্য রাজপথে গুলি করে হত্যা করে!

শেষ কথা :

প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে তাই গ্লোবালিজমের প্রথম পর্যায়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রমান করা এবং ক্ষমতার লড়াই বললে বেশ সঠিক হয়।

কারন শিল্পন্নোয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহের লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে নব্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখা জার্মানীর উত্থান ফ্রান্স, ব্রিটেনের সাম্রাজ্যের জন্য নিশ্চিত হুমকি ছিল এবং এটা ঠেকানোর জন্যই ফ্রান্স-রাশিয়া-ব্রিটেন এবং সবশেষে যুক্তরাষ্ট্র একজোট হয়! এবং ৪ বছর ধরে চলা ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি নিশ্চিতের পর হাবসবুর্গ (অস্ট্রিয়ান) অটোমান (তুর্কিশ) এবং রোমানভ (রাশিয়ান) সাম্রাজ্যের মত ৩ টা শতাব্দী প্রাচীন একসময়ের প্রবল আধিপত্য বিস্তারকারী সাম্রাজ্যের পতন নিশ্চিতকারী পরজয় ভাগ্যে জুটে!

এবং নিজেদের আড়াল করার নীতি থেকে সরে এসে যুদ্ধের শেষ দিকে যোগ দিয়েই মুল নায়কের আসনে বসে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র! এবং প্রেসিডেন্ট উইলসনের নেতৃত্ব শুরু হয় দুনিয়ায় নতুন ধরনের রাজনীতি!



এই দম্পতি’র হত্যাকান্ড থেকেই এই দূর্যোগের সূচনা বললে ভুল হবে না!

————————————————–

কিন্তু যুদ্ধের পর পর সবাই যখন ভাবছিল যে এমন মানবসৃষ্ঠ দুর্যোগের আর পূনরাবৃত্তি ঘটবে না তখনই তৎকালীন বিজয়ী ও পরাজিত শক্তিগুলো এমন সব কান্ড করতে থাকে যা সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ এবং দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকর ২য় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরী করছিল!!!!

(collected)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শুভ হোক সামুর ১২তম বর্ষপূতি ( শুভ জন্মদিন সামু তোমার )

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫১


সকল বাঁধ ভেঙে মাত্র ১২ বারোবছর আগে পথ চলতে শুরু করেছিল বাঁধ ভাঙার আওয়াজ আমাদের সকলের
প্রিয় এই সামহোয়্যারইন বাংলা ব্লগ।দেখতে চলেগছে ১২টি বছর।এর মাঝে সামহোয়্যারইন ব্লগ আর ব্লগারদের
মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওমেরার ভাই ব্লগার মলাসইলমুইনা, অবশ্যই আমার প্রশ্নের জবাব দিবেন !!

লিখেছেন স্বপ্নের_ফেরিওয়ালা, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:১২



মলাসইলমুইনা সাহেব,দয়া করে আর ওমেরাকে নিয়ে ভাল কথা বলবেন না। আপনি একজন জ্ঞানী মানুষ ।অবশ্যই, আপনাকে শ্রদ্ধা করি।তাকে যে আপনি বোন পরিচয় দিয়েছেন।কিন্তু ওমেরার সমন্ধে আপনি কতটুকু জানেন? যদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কল্কির নেশা

লিখেছেন প্রামানিক, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৫


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক

ফস ফস ফস কল্কি টানে
শুল্কিজানের চাচা
সিদ্ধি টানে পাকা নয় তো
বড়ই নাকি কাঁচা।

খুক খুক খুক কাসির চোটে
কল্কি গেল পড়ে
দু’টানেতেই চেয়ে দেখে
মাথা শুধু ঘোরে।

ঢুলু ঢুলু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভুলশব্দ, 'পবিত্র' যোগ করার ফলে, লাখ লাখ মানুষের রক্তে ভেসেছে শহরটি

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫



এখনো প্রতিটি ইহুদী তাদের প্রার্থনায় দোয়া হিসেবে যোগ করে, জীবনে যেন একবার হলেও জেরুসালেম যেতে পারেন, কারণ এটি পবিত্র শহর; খৃষ্টানদের স্বপ্ন হলো একবার হলেও যীশুর মৃত্যু ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

উন্মাদ আমি

লিখেছেন নূর-ই-হাফসা, ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:১৯



আজকাল আমি ভীষন পাগল
বলতে পারো পথহারানো,রহস্যহীন এক উন্মাদ
থামাতে চাই ভালোবাসা নিয়ে হাজারো বিবাদ।
আজকাল আমি সারাক্ষনি খুঁজে বেড়াই ভালবাসায় ওড়ানো পাল
বলতে পারো লজ্জা শরমের মাথা খাওয়ায়,ভদ্রতা আজ নেই বহাল
মিথ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×