রাজনৈতিক খবর আমার পছন্দের না হলেও এই খবরটি আমার অনেক ভাল লাগল। খবরটি হল--জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের জন্য শুভ কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল রোববার নিউইয়র্ক সফররত শেখ হাসিনা হুমায়ূন আহমেদের কুশল জানতে তাঁর বাসায় গিয়ে সুস্থতা কামনা করেন।
ক্যানসার চিকিৎসারত হুমায়ূন আহমেদ নিজেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। শেখ হাসিনা তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন। তাত্ক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রী চিকিত্সার জন্য ১০ হাজার মার্কিন ডলারের চেক প্রদান করে বলেন, আপনার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো সহযোগিতা প্রদান করা হবে। শিগগিরই সুস্থ হয়ে হুমায়ূন আহমেদ দেশে ফিরবেন—এমন শুভ কামনা করেন শেখ হাসিনা। জবাবে হুমায়ূন আহমেদ বলেন, ‘দেশের মানুষের পক্ষ থেকে যে ভালোবাসা নিয়ে দেখতে এসেছেন, তা-ই আমার কাছে পরম পাওয়া।’
শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে তাঁর ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও বেশ কিছুক্ষণ হুমায়ূন আহমেদের ঘরে অবস্থান করেন। এ সময় তিনি তাঁর স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও দুই সন্তানের সঙ্গেও কথা বলেন। কোনো পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদেরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রসঙ্গত, কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হুমায়ূন আহমেদের প্রথম দফা কেমোথেরাপি শেষ হয়েছে। নিউইয়র্কের একটি ক্যানসার সেন্টারে তাঁর চিকিত্সা চলছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাঁর আরোগ্যের ব্যাপারে আশাবাদী।
বাংলা সাহিত্যকে সব মানুষের কাছে নিয়ে যাবার বড় কাজটি হুমায়ূন আহমেদের। লেখার সাবলীলতা আর গতির কারণে দ্রুত পড়ে ফেলা যায় তার সব বই। একারণে সব চেয়ে বেশী পাঠকও তারই।
বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গণে তার আরো প্রয়োজন রয়েছে। সবাই তাই অধীর আগ্রহে তার সুস্থতা কামনা করছেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



