আমার প্রিয় পোস্ট

এ মানচিত্র জ্বলছে জ্বলুক এই দাবানল পোড়াক চোখ আমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোক........

ঈশ্বরের অনুশোচনা -- শেষ পর্ব (বৈজ্ঞানিক কল্প গল্প)

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৬

শেয়ারঃ
0 0 0

অনুসন্ধান:
দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে যায় আরিয়ানার। সে থরে থরে সাজানো নিউরন আর স্নিন্যাপ্স দেখে কুৎসত তরলে ডুবানো এক অদ্ভুত একাকীত্ব অনুভব করে যে একাকিত্বের জন্ম এই পৃথিবীতে না...........
গত কয়েকদিন যাবৎ এই স্বপ্ন দেখে দেখে সে ক্লান্ত
আরিয়ানা তার চিন্তা ভাবনা আর এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যগুলো সাজিয়ে কাগজে লিখার চেষ্টা করছে। লিখার ব্যাপারটা খুব ভালো এগুচ্ছে না ; কাগজে কলমে লিখালিখির প্রয়োজন তার কখনো পরেনি কিন্তু সব যণ্ত্রই সিস্টেমের সাথে যুক্ত থাকে বলে সে তার ই-প্যাডটা ব্যাবহারের উৎসাহ পাচ্ছে না।

আরিয়ানা কাজ শুরু করেছে অনিশকে দিয়ে। অনিশের অসমাপ্ত প্রোজেক্ট সে এগিয়ে নিতে চায় এটা বলে সে বিজ্ঞান একাডেমির মহাপরিচালক রন এর কাছ থেকে অনিশের কোড চেয়ে নিয়েছে। অনিশের সম্পর্কে নতুন কোন তথ্য সে জানতে পারেনি, আলাদাভাবে গোপন কোন প্রোজেক্টে সে কাজ করছিলো না।

গত ৪০০ বছরে ৫ জন বিজ্ঞানি শিতল কক্ষে ঘুমোতে গেছে তারা কেউ ফিরে আসে নি। তাদের সবাইকেই তাদের সময়ের সেরা বিজ্ঞানী মনে করা হয়।

সে রিয়ান্ডার ছেলে কে দেখতে প্রতিপালন কেন্দ্রে গেছে এবং সেখানকার ছেলেমেয়েদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছে গত দু বছরে যারা ক্যাটাগরি সি নির্বাচিত হয়েছে তাদের মধ্য নিত্রি সবারি খুব প্রিয়ছিলো, যেকোন সমস্যায় সে সবাইকে সাহাজ্য করতো এমনকি ক্রাইলি রাশিমালার দুটি নতুন ধারা নিয়েও সে কাজ সুরু করেছিলো।মানুষের বুদ্ধিবৃত্বিক বিভাজনটা তার খুব হাস্যকর মনে হতে থাকে।সৃষ্টিশীলতার কোন বিভাজন হয়না। একজন সৃষ্টিশীল মানুষের অসাধারন প্রতিভা বিজ্ঞানের কাজেই লাগবে এমন কোন কথানেই। তার মনে ঘোরা-ফেরা করে আইনস্টাইন গল্পটা।

গত ৪০০ বছরে পৃথিবীর তেমন কোন উল্লেখ যোগ্য পরিনর্তন ঘটেনি, ৪০০ বছর আগের মানুষ যে পোশাক পরতো খাবার খেত এখনো মোটামৈ তাই করে অথচ এর আগে তা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়েছ।
মানুষের বিনোদনের জন্যও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়নি। হলোগ্রাফিক প্রেজেন্টেশন, চাঁদ ও মঙ্গলে অবকাশ যাপন কেন্দ্র তৈরী, কৃত্রিম ব্ল্যাকহোল ইত্যাদি সবি ৫০০ বছর আগের। গত ৪০০ বছরে মানুষের বিনোদনের যে ক্ষেত্রটির উন্মেষ ঘটেছে সেটি হোলো সরাসরি মস্তিষ্কে স্টিমুলেশন নেয়া। প্রেম,ভালোবাসা, স্পর্শ, মাতৃত্ব ...... ইত্যাদি যাবতিয় কিছু কৃত্রিমভাবে অনুভব করা। একজন রক্ত মাংসের মানুষ তো আরেকজন রক্তমাংসের মানুষের হাত টা সরাসরিই ধরতে চাইবে ..........
(৫০ বছর আগে যখন "ফ্রান্কে স্টাইন হও" -- এই প্রোগ্রামটি বাজারজাত হয় তখন অজ্ঞাত ভাইরাসের আক্রমনে ম্রিকা সিটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং একি সময়ে মঙ্গলে পৃথিবীর বেস স্টেশনটাও আচমকা বিস্ফোরিত হয় )

পৃথিবীতে বিভিন্ন নতুন রকম রোগ দেখা দিলেও সেগুলোর প্রতিরোধ ও প্রতিকার এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপায় উন্নত প্রাণীর সন্ধানে মহাকাশ যাত্রা ও সময় পরিভ্রমনের গবেষনা সংক্রান্ত কাজ।

মানুষের মধ্যে এই ক্যাটাগরি এ,বি,সি এর বিভাজন সুরু হয় ৪৫০ বছর আগে। ৪৫০ বছর আগে আরো একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে, রোবট বিদ্রোহ, দুইদিন স্থায়ী এই যুদ্ধে পৃথিবীর শাসন ব্যাবস্থা পুরো ভেঙে পরে, মূল সার্ভারের সাথে কানেক্টেড প্রতিটি যন্ত্র বিদ্রোহ করে। মহান বিজ্ঞানী ক্রাইলী এই বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রন করেন এবং বিজ্ঞান পরিষদ পৃথিবীর সমস্ত দায়িত্ব গ্রহন করে। (রোবটদের বাহ্যিক গঠন মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসলেও তাদের মানবীয় আবেগ অনুভুতির ব্যাপারগুলো খুব উন্নত ছিলো না যেটা হলে বিদ্রোহ করা যায়, ধারনা করা হয় কোন রোবট নিজেই নিজের সিস্টেম আপগ্রেড করে এবং সেই প্রোগ্রামটি মুল সার্ভারে আপলোড করে কানেক্টেড সব যন্ত্র নিয়ণ্ত্রন করে, কিন্তু সৃষ্টিশীলতার কোন প্রোগ্রাম বিজ্ঞানীরা তৈরী করতে পারেন নি। )


.............................................................................................................................................................................................................................................................................. ক্রাইলি

অরিত্রর কথা:
আমি অরিত্র অথবা হয়তো আমি অরিত্র না। আমি শিতল ঘরে ঘুমন্ত একজন মানুষ যার মস্তিষ্কটা মূল সিস্টেমের সাথে যুক্ত।শতাব্দি শ্রেস্ঠ বিজ্ঞানী ক্রাইলীর একটা প্রোজেক্টের জন্য তৎকালীন শাসকরা টাকা বরাদ্দ না দেয়ায় (ব্ল্যাক হোল ভ্রমন (যেটি ব্যার্থ হয়েছে) এর চেয়ে তখন ক্যামিউনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধটাই বেশি গুরুত্বপূর্ন মনে হয়েছিলো তাদের কাছে) ক্রাইলী নিজেই ক্ষমতা দখল করে নেয়। অনন্ত কাল বেচে থাকতে ক্রাইলি তার মস্তিষ্ক সিস্টেমের সাথে কানেক্ট করে এখনো পৃথিবী শাসন করে যাচ্ছে।বিজ্ঞান একাডেমির মহাপরিচালক কখনো মানুষ হয় না। তার মস্তিষ্কে অস্ত্রপাচার করে সেটা কপোট্রন দিয়ে বদলে ফেলা হয়। গত ৪০০ বছরে কারনে অকারনে অনেক মস্তিষ্ক সিস্টেমে কানেক্ট করা হয়েছে ক্রাইলীর একাকিত্ব ঘোচাতে যার সর্বশেস সংযোজন অনিশ।

অনিশ কে শিতল ঘরে নিয়ে আসায় আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। আমি অনন্ত কাল এভাবে বেঁচে থাকতে চাইনা। আমি চাই পৃথিবীকে এই ক্রাইলী নামক ঈশ্বরের হাত থেকে মুক্ত করতে। আমি আমার সীমিত ক্ষমতা কাজে লাগিয়েছি। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাচীন কল্পকাহিনীতে এরকম কিছু গল্প আছে, আমি এদের মধ্যে থেকে জাফর ইকবাল কে বেছে নিয়েছি কারন অসম্ভব প্রতিভার অধিকারি ৫ তারকা প্রাপ্ত বিজ্ঞানী অনিশের প্যারেন্ট ট্রিতে সে আছে আর অনিশ মাঝে মাঝেই তার প্যারেন্টস ট্রি লোড করে। ক্রাইলির সাথে লড়তে একজন বুদ্ধিমান মানুষ দরকার হবে তাই অনিশ ই ছিলো আমার পছন্দ। আমি ব্যাবস্থা করেছি যেন অতীত ফেরা অনুষ্ঠানে যেন ফেরিওয়ালে রোবটগুলো অনিশ কে কিছুনা কিছু বিক্রি করে সেই কাগজে আইনস্টাইন গল্পের আপলোড কোড দিয়েছি। সে অবশ্যই জাফর ইকবাল এর লিখায় আগ্রহী হয়ে সেটা আপলোড করবে। আমি তার চ্যানেলে প্রয়োজনীয় সব তথ্য জমা করেছি সে আপলোডার কোড চাপলেই আমি তার কাছে তথ্য পাঠিয়ে দেব । আমি অপেক্ষা করেছি কিন্তু অনীশ এর চ্যানেল থেকে সেই কাঙ্খিত কোড টি আসে নি বরং অনীশ চলে এসেছে শীতল ঘরে আমার সাথে।

অনীশের চলে আসার পর যখন আমি নতুন কাউকে খুজছি নতুন কিছু ভাবছি তখনি অনাকাঙ্খিত ভাবে অন্য একটি চ্যানেল থেকে কোড টি প্রেস করা হয় সে কি পারবে এ বলয় ভাঙতে নাকি নিছক ....

অপেক্ষা
আরিয়ানা বুঝতে পারে তাকে কি করতে হবে। ক্রাইলি ক্রাইলি শাসন করছে পৃথিবী। ক্রাইলীর মস্তিষ্ক মূল সিস্টেমের সাথে কানেক্টেড অনীশেরো তাইতো সে অমন স্বপ্ন দেখেছে। তাকে ধ্বংস করতে হবে ক্রাইলীকে।
কিন্তু ঈশ্বরের সঙ্গে সে কেমন করে যুদ্ধ করবে?
ঈশ্বর হ্যা ঈশ্বর।
অনিশের শীতল ঘরে যাবার দুবছর পর আরিয়নার তৈরী একটি নতুন স্টিমুলেশন সিস্টেম বাজারে তোলপার তোলে। "বি গড" -- এটি মস্তিষ্কে নিজেকে ঈশ্বর ভাবার অনুভুতি দেবে। সে স্টার্ট করতে পারবে বিগব্যাং থেকে সৃষ্টি করতে পারবে মানুষ গ্রহ ............স্বর্গ নরক...
ক্রাইলী যখন এই প্রোগ্রামটা টেস্ট করবে সে যখন ঐশ্বরিক অনুভুতি নিতে চাইবে আরেকটি গোপন প্রোগ্রাম স্বক্রীয় হয়ে যাবে যেটাকে থামানো যাবেনা চিপ খুলে ফেলেও অনুশোচনার, অপরাধ বোধের, যে প্রোগ্রাম জাগিয়ে দেবে ক্রাইলীর ঘুমিয়ে থাকা বিবেক কে যার যন্ত্রনায় ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে ক্রাইলি, অপরাধের অনুশোচনায় আত্মহনন করবে ঈশ্বর ক্রাইলি।

খুব ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে থাকে আরিয়ানা ঈশ্বরের অনুশোচনার......

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাই ফাইসাই কম ফাই বেশি ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৩
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: ১ম কমেন্ট কর্লাম অনেককাল বাদে


না পৈড়া
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২১

লেখক বলেছেন: :)

আছো কেমন?

২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫১
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: প্রথম প্লাস টাও দিলাম । :)

সাইফাই ভাল্লাগে না । :(


টাটা কাকন্দি । :)
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: না পইড়া মন্তব্য করা ভালো তয় + দেয়া ঠিক্না

৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৭
খারেজি বলেছেন:

কাকন গল্পটা দারুণ হৈত, টাইনা তিনগুন বড় করা দর্কার।

কমেন্টের জবাব কি সৃজনশীল সাইফাইস্টাররা দেন্না?
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: হুমম টাইনা আরো বড় কইরা সবকিছু আরেক্টু বিশ্লেষন কইরা আরো একটু প্যাচগোছ আর রস-কস ঢুকাইলে ভালো হইতো কিন্টু টায়ার্ড লাগতেসে।

এত্ বড় পোস্ট লিখার পর আর কমেন্টের জবাব দেয়ার কি কমেন্ট করার উৎসাহ পাই না :(

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: :)

৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫১
খারেজি বলেছেন:

হু
এই জন্যি বড় তারকারা সেক্রেটারি রাখে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: বড় তারকা গো গল্প গুলাও কি সেক্রেটারিরাই লিখে দেয় ;)

৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: সাই ফাই পড়তে ভালো লাগেনা, তার উপর আবার এত বড় :-/ অনেক হয়েছে এইবার একটা ক্ষ্যাত লেখা দেন :#)
১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: ক্ষ্যাত লিখা দেয়ার উপযুক্ত পরিবেশ মানে যথেষ্ট সংখ্যাক রেজিস্টার্ড এবং আনরেজিস্টার্রড ক্ষ্যাতের একই সময়ে লগিন উপস্থিতি পাইতেসিনা :(

৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: ১। প্রচুর টাইপো আছে। কঁাকন কাছ থেকে টাইপো সচেতনতা আশা করছি।
২। এই পর্বটা একটু কঠিন হইছে। তবে আমারো খারিজীর মতন মনে হয়েছে, দুয়েক পর্ব বাড়ালে আরো সুন্দর ল্যান্ডিং হতো।
৩। আপনার আরো নিয়মিত সাই ফাই লেখা উচিত। আপনার স্টাইলটা অনেক আলাদা। পড়তে বেশ লাগে। কাহিনীতে ভালোই মার প্যাচ দিতে পারেন। ব্লগে পড়া বেশির ভাগ সাই ফাই খুব স্ট্রেইট হয়। একই গতিতে চলে একটা নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যায়। আর শেষ দুই তিন লাইনে মূল গল্পের স্মরূপ আসে। এই পর্ব পুরোটা জুড়েই কাহিনীর গতিবিধি। এমন হয় নাই যে কাহিনীতে ঢুকে একটা ছোট ধাক্কা খেয়ে বের হয়ে আসা। বরং কাহিনী পাঠককে ধরে রাখে একটা উত্তেজনায়, আর টেনে নিয়ে যায় অনেক দূর। গল্পটা নিয়ে ভাবার ফুসরত পাওয়া যায়। এই ব্যাপারটা ভালো লেগেছে।

সব শেষে। আপনাকে হুট করে এমন একটা গল্প লিখতে দেখে আমি মোটেই অবাক হইনি। আপনার সমালোচনা পড়লেই বোঝা যায়। সমালোচনা করার জন্য লেখা নিয়ে অনেক ভাবতে হয়। আপনি সেই সময়টা দেন। এটা ভালো লাগে। আলসেমি কাটিয়ে লিখেছেন দেখে আরো ভাল লাগলো। লিখতে থাকলে আরো ভালো লাগবে।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

টাইপোর ব্যাপারে সচেতন থাকার চেষ্টা করবো

আর এই পর্বটা লিখে আমি নিজেও শান্তি পাইনাই কারন মাথায় য যেভাবে ছিলো প্রকাশ করতে পারি নাই

ভালো থাকবেন

৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: গল্প ভাল্লাগছে। কাহিনীটাকে একটু বিক্ষিপ্ত মনে হয়েছে।

শুভেচ্ছা।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

জ্বী শেষটা ঠিকমতন করতে পারিনি, ভজঘট পাকিয়ে ফেলছি

ভালো থাকবেন

৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৭
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: কাকন্দি, একটানে তিন পর্ব পড়লাম। আপনার ব্লগে গত বেশ কিছুদিন আসি নাই কারন খুব দৌড়ের উপর ছিলাম। ব্লগেই টাইম দিতে পারি নাই।

আপনার সাই ফাইয়ের স্টাইলটা একটু ভিন্ন। তবে চমৎকার। আপনি সাই ফাই লিখেন না কেন? X( X(( :-P /:) । এরপর থেকে মাসে অন্তত একটা সাই ফাই না পাইলে .... ... X( , তবে অবশ্যই এই ধরনের ভিন্ন টাইপ হতে হবে। আমার মতো একমুঠো জাফর, এক চিমটি অসিমভ আর দুই চামচ ইংলিশ মুভির মিক্সচার না।

আমার নামে দাবা খেলার স্তর দেয়ায় নিজেরে কেউকাটা কেউকাটা লাগতেছে রে :#)
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

একচুয়েলি আমার সাই ফাই এর শেষ পর্বটা খুবি জঘন্য হইছে ; যখন লিখসি তখন বুঝসি যে ঠিক জমতেসেনা যেভাবে যা ভাবসি পুরোপুরি আসতেসে না কিন্তু জঘন্য হইতেসে বুঝিনাই, এইটা অন্য কেউ লিখলে আমি তার খবর করে দিতাম।

আর আমি তো এক চিমটি জাফর ইকবাল আর এক চিমটি হুমায়ূন আহমেদের ঘুটা দিসি তবে ঘুটা মনে হয় ভালোমত দিসি ডাল-ভাতের ঘুটা দেখতে ল্যাটা খিচুরির মতন লাগতেসে :)

আমি আপনার অনেক সাই ফাই গল্পে আমি বলসি জাফর ইকবালের ছায়া প্রবল কিন্তু আমার কখনো মনে হয়নাই সেগুলো যে একমুঠো জাফর, এক চিমটি অসিমভ আর দুই চামচ ইংলিশ মুভির মিক্সচার। আমার মনে হইছে আপনি জাফর ইকবালের সাইফাই লিখার স্টাইলটা অনুকরন/অনুসরন করেন সেইটা আমার ভালো লাগে না।

অনেকেই বলে জাফর ইকবালের সাইফাই ইংলিশ সাইফাই এর নকল হইতে পারে নাও পারে কিন্তু জাফর ইকবাল অন্যকার থিমে নিয়ে লিখলেও সেটা তার গল্পই হয়ে যাবে।

আপনি কী জাফর ইকবালের পৃ আর হূমায়ুন আহমেদের ইরন বই দুটো পড়েছেন? বই দুটোর থিম কিন্তু খুব কাছাকাছি কিন্তু তারপরো জাফর ইকবালের টা জাফর ইকবাল স্টাইলে একজন নায়কের অধিকার আদায়ের গল্প আর হূমায়ুন আহমেদের টা মানবিক সায়েন্স ফিকশন।

আবার হু আ এর শূন্য, তোমাদের জন্য ভালোবাসা, ফিহা সমীকরনের থিম কিন্তু কাছাকাছি কিন্তু ৩ টার পরিবেশনা ভিন্ন।

১০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫১
মমমম১২ বলেছেন: আমার কাছে সব মিলায়ে ভালই লাগছে , যদিও একটু হুটপাট শেষ হইলো
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: হুমম

হুটপাট শেষ করা ভুল হয়ে গেছে

১১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ভালা কথা: আপু, আপনার লিখা চমৎকার হইছে। ব্লগের আর সবার চাইতে ভিন্ন। আড্ডাবাজি পোস্ট ছাড়াও যে আপনে অনেক ভালো লিখতে পারেন, এই সাই-ফাই তার একটা প্রমাণ।
কাহিনীজুড়ে ছন্দময়তা ছিল। পড়তে ভালো লেগেছে। টু্‌ইস্ট ছিল। এটাও দৃষ্টাকর্ষী। একেকটা পর্ব একেক দিকে চলে যাওয়ায় কাহিনীতে ভিন্নতা ছিল যথেষ্ট।
আপনার কাছে আরো সাই-ফাই আশা করছি। :``>>

খুঁচাখুঁচি: এইটা কি লেখছেন?? এই ভাবে একবার অরিত্র, অনীশ, ক্রাইলি হুটহাট করে নতুন নতুন বক্তার আগমন। এই স্বপ্ন, এই দাবা খেলা, এই ল্যাবরেটরি!! সব একাকার করে কেমন একটু ভজঘট পাকিয়ে ফেললেন অনেকটা।
যাই হোক, প্রচেষ্টা হিসেবে মন্দ না। আরো কয়েকটা পর্ব হলে ভালো হত। চালাইয়া যান। :-P :-P
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: মন্তব্য ভালো হয়েছে বৎস; তুমি সঠিক যায়গায় আলোকপাত করেছ; লেগে থাকলে একদিন তুমি আমার চেয়ে বড় সমালোচক হবে :D

১২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪০
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন: মনে হয় ভালো হয়েছে। আমি সাইফাই ডরাই।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: খিক খিক খিক

১৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমি ব্যর্থ হলাম। এই গল্পের জাঁদরেল কোন সমালোচনা করা পাপ হবে (আমি অনুশোচনা করতে চাই না), উপায়-ও নেই।



(বানানভুল, কাহিনীর ক্রমবিন্যাসে বিক্ষিপ্ততা, যতিচিহ্নের ব্যবহার, হেত্ত্বাভাস ইত্যাদি কোন জাঁদরেল সমালোচনা নয়। এগুলো নিছক সমালোচনা।)
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: হেত্ত্বাভাস মানে কী?

১৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৫৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: হেত্বাভাস হবে। কুযুক্তি বা ফ্যালাসি। যেমন এই গল্পে বলা হয়েছে মহাকাশযান (যেটিতে সি বুদ্ধিমত্তার লোকদের বাইরে পাঠানো হয়) অনন্তকাল ধরে চলে। এটা সম্ভব না, অন্তত এখানকার বৈজ্ঞানিক সূত্রানুসারে। কারণ, জ্বালানি বা রসদ একসময় ফুরাবেই। এবং অন্ততকাল চললে সে নিজেই প্যারালাল (সমান্তরাল) হয়ে উঠবে।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০১

লেখক বলেছেন: অনন্তকাল বলতে আমি ঠিক ঐটা বুঝাই নাই বুঝাইতে চাইছি যেগুলো আর কখনোই পৃথিবীতে ফেরত আসে না।

হেত্বাভাস শব্দটা নতুন শিখলাম ; থ্যাংকু

১৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:০৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আপু,নির্ঘুম চোখের ফাঁক গলে যা পড়তে পারলাম তা কঠিন সুন্দর।

পুরোটা পরব পরে।

আপাতত বাড়ি নিয়ে গেলাম।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আচ্ছা

অপেক্ষায় থাকবো

১৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪০
স্বপ্নকথক বলেছেন: ভালো লাগলো আপু।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন

১৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
তাজা কলম বলেছেন: এক ঝলক পড়লাম। ভাল লাগল।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০
যীশূ বলেছেন: ৩য় পর্বে আইসা প্যাচাইয়া গেলাম।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৩

লেখক বলেছেন: হ্যা শেষে এসে প্যাচায় ফেলসি ঠিকমতন বর্ননা করতে পারিনি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ

১৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১০
আজম বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন আপু...২য় পর্বটা ভালো লেগেছে বেশী।
অনেক গুলো আইডিয়া ...
অবশ্য অবাক হয়নি,আপনি সাইফাই নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা করেন।
আপনার কাছে প্রত্যাশা অনেক বেশি।

আরো অনেক অনেক সাই ফাই চাই...

ভালো থাকুন।
শুভকামনা।

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য

কিন্তু ভাই আপনার একটা সাইফাই এর পরের পর্বের জন্য ১৯৫৩ সাল থিকা ওয়েট করতেসি :(

২০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৮
আজম বলেছেন: কখন যে ওটা শেষ করতে পারব ঠিক নাই...
বিশাল বিপদে পড়ছি ওটা শুরু করে।এখন থেকে আর ছাড়ব না অর্ধেক গল্প।ড্রাফটেই পড়ে থাকুক :(

আপনি ওয়েট করতেছেন জেনে ভালো লাগল :)
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: শেষ করেন

আস্তে আস্তে করলেও করেন তবে বেশি দেরি করলে হয়তো থিমটাই হারিয়ে যাবে

২১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৩০
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আছি । ভালোই আছি ।


হ জানি ঠিক না তয় স্বজনপ্রীতি কৈয়া একটা টার্ম আছে না ? ;)
এইদিকে ইদানিং মনে হয় বেশ সাইফাই চলতেছে , সবাই অনেক কঠিন কঠিন সমালোচনা লিখে :(
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: ভালো আছো শুইনা ভালো লাগলো

চামে খোচা দিলা নাকি :(

২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা.....

২৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৬
একলোটন বলেছেন: খিক খিক খিক আপনার খিক খিক খিক আমারে আপনার ব্লগে টেনে আনছে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: খিক খিক খিকজ

২৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬
আবু সালেহ বলেছেন:
সবগুলো পর্বের চেয়ে এ পর্বটা একটু কঠিন লাগলো.....একটা বড় ল্যান্ডিং হোক......

চলুক তবে....

আছো কেমন????
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

আপনি আছেন কেমন

ভালো থাকবেন

২৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:৪৫
তামিম ইরফান বলেছেন: এর আগে কোন সাই-ফাই এতো মনযোগ দিয়া পড়ি নাই..........আপনের সাইফাই লেখার হাত দারুন।ইচ্ছা করলে এইটা আরও বড় করতে পারতেন দারুন একটা উপন্যাস হয়া যাইতো তাহলে।
...............................................................


সুরু = শুরু

সাহাজ্য =সাহায্য

মোটামৈ = মোটামুটি

ব্যাকহোল = ব্ল্যাকহোল

একি = একই
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

বানান গুলো ঠিক করে দিচ্ছি আর ভবিষ্যতে টাইপোর ব্যাপারে আরি সচেতন থাকবো (সুরু বানানটা জানতাম না যেগুলো জানিনা ওগুলো তো জানিনা কিন্তু মোটামৈ, ব্যাকহোল টাইপ ভুল কমানোর চেষ্টা কোরবো :))

২৬. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২১
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: পড়লাম।

একটু এলোমেলো ভাব থাকলেও ভালো লেগেছে।টাইপো গুলো একটু ভোগালো আর কি!

আপনার স্টাইল ভালো লেগেছে।ধরে রাখছে।বড় ব্যপার হলো,মানবিক দিক আর সহজাত বিদ্রোহী মনোভাব টা ভালো ভাবে ফুটিয়েছেন।

প্লাস।

তবে,খাপছাড়া লেগেছে যা,ঈশ্বর নিশ্চয় বোকা নয়।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

আসলেই তো এটা মাথায় আসেনি

পড়ে কিছু লিখলে আরো ভেবে লিখবো

২৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৬
সিজানুর রহমান বলেছেন:
আমার কিছু বলার নাই ! শুধু বলতে চাই অসাধারন . . .

আপনি অন্যের সাইফাই বিশ্লেষন করেন, হয়ত এই কারনে আমি আপনার গল্প বিশ্লেষন করার জায়গা পেলাম না !! . . .
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

ভালো থাকবেন

২৮. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: অনেক ভালো গতিশীল লেখা কোন সন্দেহ নেই, তবে শেষের পর্বটা একটু কঠিন লাগলো আমার কাছে, কি জানি আমার বুঝার সল্পতাও হতে পারে। আপনার কাছে থেকে আরও সাই-ফাই পাওয়াটা আমাদের অধিকারের পর্যায়ে চলে গেছে, এই গল্পটা পড়ার পর। শুভেচ্ছা রইলো।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: আসলেই শেষের পর্বটা আমি ঠিকমতন লিখতে পারিনি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ

আপনার লিখা পাইনা অনেকদিন

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: :)

৩০. ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৩
হিমাংশু বলেছেন: বাহ!!!

কাঁকন যে কল্পবিজ্ঞান গল্প লেখা শুরু করেছেন, তাতো জানতাম না!
প্রথম কয়েক লাইন পড়ে প্লাস দিলাম। আগের পর্বগুলো সহ পুরো গল্পটা পড়ে ভেবে দেখবো মাইনাস দেওয়া যায় কিনা....

শুভেচ্ছা...
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

অপেক্ষায় থাকবো মাইনাসের :)

৩১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৫
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: কাকুন, ফ্রি থাকো কখন? :-0
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: যখন বলগে থাকি :|

৩২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪১
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: খোঁচা ক্যান মনে হৈলো ! :(

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: "সবাই অনেক কঠিন কঠিন সমালোচনা লিখে "-- এই কথা পইড়া :(

৩৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: জানতে চাইতেছি, কারন তুমি গোটা গল্পটা আমাকে পড়ে শুনাবা, শুনার পর মাইনাসটা দিবো ... :|
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: না শুইনাই মাইনাস দাও
কুনু সমস্যা নাই

৩৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এই পর্বটা চোখ বুলিয়ে গেলাম- আগের পর্বদুটো পড়িনি, সাই ফাই অনেকদিন পড়া হয় না .......

আপনার লেখায় ক্যারেক্টারগুলোর নাম দেখলাম- ক্রাইলি, আরিয়ানা, রন, নিত্রি, রিয়ান্ডা, অনিশ .... । বলেন তো আমাকে- আমাদের সাই ফাই গুলোর ক্যারেক্টারগুলোর নাম এইরকম দেয়ার দরকার বা উদ্দেশ্য কি? জাফর ইকবালের ক্যারেক্টারগুলোর নামও সম্ভবত এইরকম হয় এবং এটা একটা ট্রাডিশনও হয়ে গেছে। এবং প্রায় সব সাই-ফাইগুলোতে খটোমটো টার্ম ব্যবহার করাটাও আবশ্যক কেন বুঝতে পারি না। আপনার এইখানে যেমন - নিউরন আর স্নিন্যাপ্স, মস্তিষ্কে স্টিমুলেশন, হলোগ্রাফিক, কপোট্রন ...... ইত্যাদি।

এইসব জিনিসরে বাদ দিয়ে কি কেউ কখনো সাই ফাই লিখেনাই? লেখা কি সম্ভব নয়?
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: নামের ব্যাপারটা আমার নিজেরো চোখে লাগে বলেই কিন্তু আমি অনিশ অরিত্র আরিয়ানা নামগুলো ব্যাবহার করেছি সাথে ক্রাইলি রন নামগুলো মিশিয়ে দিয়েছি সব নামি আমার পরিচিতদের মধ্যে থেকে নেয়া আমার মনে হয়েছে ভবিষ্যতে হয়তো আলাদা আলাদা রাষ্ট্র থাকবে না এক পৃথিবী হবে ঠিকানা কিন্তু তার মধ্যেও পুরোনো সব সভ্যতার একটু ছোয়া থাকবে।

জাফর ইকবাল এবং হুমায়ুন আহমেদ খটোমটো টার্ম ব্যাবহার না করেও সায়েন্স ফিকশন লিখেছেন। আমি যে গল্প লিখেছি সেটা একটা ফর্মুলা মানা সাইফাই আমার কোন নতুন চিন্তা এখানে নাই এখানে তাই পরিচিত টার্ম ই আসছে আর নিউরন,স্নিন্যাপ্স,কপোট্রন কি আজকের দিনে কঠিন শব্দের মধ্যে পরে? মনে হয় না।

তবে আমাদের সাইফাই এ জাফর ইকবাল বৃত্তে আটকা পরে গেছে, সবাই ঐ রাস্তায় হাটে এর বাইরে হুমায়ূন আহমেদের কিছু মানবিক সাইফাই আছে তবে সেটা শুধু সেই লিখে

ভালো থাকবেন

৩৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৫
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: জ্বালানি বা রসদ একসময় ফুরাবেই ভুল কথা । সত্যি বলতে কি ক্খনোই ফুরাবে না!!!! সোলার এনার্জি তো একটা শুরু ! কত ভাসমান কণা আছে মহাবিশ্ব সেইখান থেকে এনার্জি নেয়া যাবে,আরো অনেক উপায় হবে ।

প্রথম দুই পর্ব খারাপ লাগে নাই, তৃতীয় পর্বে এসে কেমন যেন লাগল ।

আমি একটু হতাশ হলাম নাম আর টার্ম গুলা পড়ে ।
কপোট্রন নামটা জাফর ইকবাল এর দেয়া :(
অনেকেই এইটাকে আসল শব্দ ভেবে ব্যবহার করে যাচ্ছেন ।
যারা জাফর ইকবাল এর টার্ম ব্যবহার করেন, শুরুতেই তাদের লেখার প্রতি একটা অনাগ্রহ চলে আসে আমার। :(
প্রতিটা লেখকের উচিত নিজস্ব টার্ম বানানো । সময় না থাকলে অন্য লেখকেরটা (জাফর ইকবাল বাদ দিয়ে) দিলে ভাল হয়। আমরা একটা বৃত্তে আটকে যাচ্ছি । :(

কেন নাম গুলা ত্রাতুল টাইপ হবে? ভবিষ্যতে কেন মেঘবতী/ ফারহান/প্রশান্ত/রিচার্ড... হবে না?
তারা তো অতীত ভুল্বে না । (গুগল)ট্রান্সলেটর (গুলা) আমাদের বরং মনে করিয়ে দিচ্ছে আমরা আমাদের নিজস্বতাকে ধরে রাখতে পারব । আমাদের নাম গুলা অর্থ হীন না বরং অর্থবোধক হবে । এখন আমরা নাম সার্চ করে অর্থ খুজে বের করে ফেলতে পারি সহজেই। জাফর ইকবাল এর নাম করণের পিছনের ধর্ম একটা কারণ ছিল (আমার তাই মনে হয় )। ভবিষ্যতে মানুষ ধর্ম মানুক না মানুক , নামের ক্ষেত্রে তারা তাদের আঞ্চলিকতাকেই প্রাধান্য দিবে বলে আশা করা যেতে পারে।
উলটা পালটা অনেক কিছুই বলে ফেললাম, এর একটা কারণ আমি সাই ফাই এর ফ্যান। আর আপনিও একজন ফ্যান । তাই
আপু রাগ করবেন না ।

আমি আজ একটা সাই ফাই গল্প পোস্ট করব । দু/তিন দিনের মধ্যে । আপনি মন্তব্য করবেন কিন্তু!

ভাল থাকুন আপু ।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: আরিয়ানা একটা বাংলা টেলিফিল্মের নাম, একটা হিন্দি সিনেমার নাম, এই ব্লগেও আরিয়ানা নামে এক ব্লগার আছেন, আর রন,অরিত্র,অনিশ এসব নামতো বাঙালীরা রাখেই আর অবাঙালী নাম হলেই সেটা জাফর ইকবাল ঘরনার নাম মনে হলে সমস্যা।

আমি ওখানে যে কথাটা বলতে চেয়েছি কপোট্রন ব্যাবহার করে সেটার জন্য অন্য একটা নাম দিয়ে লিখার শেষে নির্ঘন্ট দিয়ে দেয়া যেত কিন্তু থিমটাতো সেই জাফর ইকবালে কপোট্রন ই কপি করা হোতো তাহলে খামাখা একটা টার্ম আমদানি করে কি লাভ যেখানে কপোট্রন শব্দটার সাথে সবাই পরিচিত। যদি আমি নিজে নতুন কিছু চিন্তা করি তাহলে সেটার জন্য আমি আলাদা টার্ম ইউজ করতে পারি অন্যের জিনিষে নিজের একটা নাম লাগায়া কি লাভ

ভালো থাকো


৩৬. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৪
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: কি জানি, ভালা লাগে নাই ...
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: ভালো হয়নাই তাই ভালো লাগে নাই :)

আপ্নারে তো দেখাই যায় না

৩৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৮
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আমি কপোট্রনের অন্য টার্ম খুজতেছি । ক্লাস টেন এ কি জানি একটা টার্ম খুজে পাইছিলাম ,এখন মনে নাই :(

আজিমভ ব্যবহার করত (এবং আরো অনেকে ) পজিট্রনিক ব্রেইন

আর আমরা যদি বৃত্ত ভাঙার চেষ্টা না করি, বাংলা সায়েন্স ফিকশান কিন্তু মৃতই রয়ে যাবে :(
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: কপোট্রনের জন্য অন্য টার্ম ইউজ করলে সেটা বৃত্ত ভাঙা হইলো না; কপোট্রন টা একটা প্রতিষ্ঠিত শব্দ সেটার জন্য অন্য টার্ম দেয়া তো লাউএর নাম কদু। বরং তুমি নতুন কিছু একটা চিন্তা করে সেটার নতুন নাম দাও যেমন হুমায়ূন আহমেদের ফিহা সমীকরনে আছে মেন্টালিস্ট, ওমেগা পয়েন্টে -- ওমিক্রন গান আর ওমেগা পয়েন্ট - এই টার্মগুলো অন্তত বাংলায় তারি তৈরি খামাখা কপোট্রনের জন্য আরেকটা নতুন টার্ম আমদানি কইরা নিচে নির্ঘন্ট লাগানো টায় আমি কোন কৃতিত্ব দেখি না।

ভালো থাকুন আর আপনার সাই-ফাই এর জন্য অপেক্সা করতে করতে তো বুড়ো হয়ে গেলাম

৩৮. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৩
আরিয়ানা বলেছেন: ভাল লাগে পড়তে আগামি পৃথিবীর কথা। কেমন আছেন?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: বাহ আমার নায়িকা চলে আসছে :)
এইতো আছি আপনি কেমন?

৩৯. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৫৪
গরম কফি বলেছেন:
আমার কাছে তো ভালোই লাগলো বেশ ভালো। থ্রংকুং ....
৪০. ২০ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
ডিস্কো ঘোড়া বলেছেন: ঘোড়া কলিং কাক্না স্যার, ঘোড়া কলিং কাক্না স্যার, কৈ হারাইলেন?
৪১. ২৭ শে মে, ২০১১ রাত ১:৩৩
খারেজি বলেছেন: কি জানি কঁাকনা,
হঠাত হঠাত মনে হয় তুমি কি নিজের ব্লগে উঁকি দাও? এই রুটিন করে আসি, দেখো তো?
সিন্স দেন ওয়ল্র্ড হ্যজ চেন্জড এ লট। কি সব অদ্ভুদ আড্ডার দিন-রাত ছিল!

ব্লগের সবচে খারাপ দিক হল বেশ অনেকগুলো মায়া, যেটার রেশ কাটতে কাটতে কাটে না। ভার্চুয়াল? কিন্তু ওই মিস করাটা যে বিচ্ছিরি রকমের রিয়েল।

ভাল থেকো। আশা করি কোন একখানে তোমার অপ্রতিদ্বন্দ্বী উইট আর ব্যক্তিত্ব নিয়া হাজির হবা। তোমার ভুল বানানাই সই, আল্লাই জানে একটা এত বাজে বানানের ( আর প্রায়ই ভুল বাক্যের) লোকরে এতটা ক্রিয়েটিভ করে বানায়া তার কি ফায়দা হৈল।

কিন্তু উঁকি দাও তো?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি স্বপ্‌ণের ফেরিওয়ালা স্বপ্‌ন খূঁজে ফিরি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই