somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... যে পোষ্ট টির আপনাদের সাথে আজ শেয়ার করতে চাই........... ভালো থাকবেন।

যে রাত টি আমার নির্ঘুম কাটে -- সামী মিয়াদাদ
Click This Link



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29122857 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29122857 2010-03-25 03:40:55
সুলতা কাব্য স্কুল পালানো দুপুরে তার প্রেমিক/প্রেমিকরা তার কাছে আসে বা আসে না
অলস দুপুরে জানালার শিকগালা দৃষ্টিতে স্বামির জন্য অপেক্ষা উপেক্ষা মাখামাখি হয়ে যায় / যায় না
সুলতার বিছানায় সে বা তারা আসে জানালা গলে
মেঘ হয়ে ঘুম হয়ে বৃষ্টি আর রৌদ্র হয়ে
ঘুম মেদুরে দুপুর আর ক্লান্তিকর বিকেল ছুয়ে
রহস্যের রাত্রি আর জুঁই ফোটা ভোর অধরাই থেকে যায়

সুলতার সুবিন্যস্ত এলো চুলে সাস্থ্যকর সুখ আর
অনভ্যস্ত আচলে বিলাসি দুঃখেরা খেলা করে
সুলতা বনলতা হয়ে ওঠে না .........
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29087064 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29087064 2010-01-28 03:15:10
ঈশ্বরের অনুশোচনা -- শেষ পর্ব (বৈজ্ঞানিক কল্প গল্প) দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম ভেঙে যায় আরিয়ানার। সে থরে থরে সাজানো নিউরন আর স্নিন্যাপ্স দেখে কুৎসত তরলে ডুবানো এক অদ্ভুত একাকীত্ব অনুভব করে যে একাকিত্বের জন্ম এই পৃথিবীতে না...........
গত কয়েকদিন যাবৎ এই স্বপ্ন দেখে দেখে সে ক্লান্ত
আরিয়ানা তার চিন্তা ভাবনা আর এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যগুলো সাজিয়ে কাগজে লিখার চেষ্টা করছে। লিখার ব্যাপারটা খুব ভালো এগুচ্ছে না ; কাগজে কলমে লিখালিখির প্রয়োজন তার কখনো পরেনি কিন্তু সব যণ্ত্রই সিস্টেমের সাথে যুক্ত থাকে বলে সে তার ই-প্যাডটা ব্যাবহারের উৎসাহ পাচ্ছে না।

আরিয়ানা কাজ শুরু করেছে অনিশকে দিয়ে। অনিশের অসমাপ্ত প্রোজেক্ট সে এগিয়ে নিতে চায় এটা বলে সে বিজ্ঞান একাডেমির মহাপরিচালক রন এর কাছ থেকে অনিশের কোড চেয়ে নিয়েছে। অনিশের সম্পর্কে নতুন কোন তথ্য সে জানতে পারেনি, আলাদাভাবে গোপন কোন প্রোজেক্টে সে কাজ করছিলো না।

গত ৪০০ বছরে ৫ জন বিজ্ঞানি শিতল কক্ষে ঘুমোতে গেছে তারা কেউ ফিরে আসে নি। তাদের সবাইকেই তাদের সময়ের সেরা বিজ্ঞানী মনে করা হয়।

সে রিয়ান্ডার ছেলে কে দেখতে প্রতিপালন কেন্দ্রে গেছে এবং সেখানকার ছেলেমেয়েদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছে গত দু বছরে যারা ক্যাটাগরি সি নির্বাচিত হয়েছে তাদের মধ্য নিত্রি সবারি খুব প্রিয়ছিলো, যেকোন সমস্যায় সে সবাইকে সাহাজ্য করতো এমনকি ক্রাইলি রাশিমালার দুটি নতুন ধারা নিয়েও সে কাজ সুরু করেছিলো।মানুষের বুদ্ধিবৃত্বিক বিভাজনটা তার খুব হাস্যকর মনে হতে থাকে।সৃষ্টিশীলতার কোন বিভাজন হয়না। একজন সৃষ্টিশীল মানুষের অসাধারন প্রতিভা বিজ্ঞানের কাজেই লাগবে এমন কোন কথানেই। তার মনে ঘোরা-ফেরা করে আইনস্টাইন গল্পটা।

গত ৪০০ বছরে পৃথিবীর তেমন কোন উল্লেখ যোগ্য পরিনর্তন ঘটেনি, ৪০০ বছর আগের মানুষ যে পোশাক পরতো খাবার খেত এখনো মোটামৈ তাই করে অথচ এর আগে তা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়েছ।
মানুষের বিনোদনের জন্যও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়নি। হলোগ্রাফিক প্রেজেন্টেশন, চাঁদ ও মঙ্গলে অবকাশ যাপন কেন্দ্র তৈরী, কৃত্রিম ব্ল্যাকহোল ইত্যাদি সবি ৫০০ বছর আগের। গত ৪০০ বছরে মানুষের বিনোদনের যে ক্ষেত্রটির উন্মেষ ঘটেছে সেটি হোলো সরাসরি মস্তিষ্কে স্টিমুলেশন নেয়া। প্রেম,ভালোবাসা, স্পর্শ, মাতৃত্ব ...... ইত্যাদি যাবতিয় কিছু কৃত্রিমভাবে অনুভব করা। একজন রক্ত মাংসের মানুষ তো আরেকজন রক্তমাংসের মানুষের হাত টা সরাসরিই ধরতে চাইবে ..........
(৫০ বছর আগে যখন "ফ্রান্কে স্টাইন হও" -- এই প্রোগ্রামটি বাজারজাত হয় তখন অজ্ঞাত ভাইরাসের আক্রমনে ম্রিকা সিটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং একি সময়ে মঙ্গলে পৃথিবীর বেস স্টেশনটাও আচমকা বিস্ফোরিত হয় )

পৃথিবীতে বিভিন্ন নতুন রকম রোগ দেখা দিলেও সেগুলোর প্রতিরোধ ও প্রতিকার এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপায় উন্নত প্রাণীর সন্ধানে মহাকাশ যাত্রা ও সময় পরিভ্রমনের গবেষনা সংক্রান্ত কাজ।

মানুষের মধ্যে এই ক্যাটাগরি এ,বি,সি এর বিভাজন সুরু হয় ৪৫০ বছর আগে। ৪৫০ বছর আগে আরো একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে, রোবট বিদ্রোহ, দুইদিন স্থায়ী এই যুদ্ধে পৃথিবীর শাসন ব্যাবস্থা পুরো ভেঙে পরে, মূল সার্ভারের সাথে কানেক্টেড প্রতিটি যন্ত্র বিদ্রোহ করে। মহান বিজ্ঞানী ক্রাইলী এই বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রন করেন এবং বিজ্ঞান পরিষদ পৃথিবীর সমস্ত দায়িত্ব গ্রহন করে। (রোবটদের বাহ্যিক গঠন মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসলেও তাদের মানবীয় আবেগ অনুভুতির ব্যাপারগুলো খুব উন্নত ছিলো না যেটা হলে বিদ্রোহ করা যায়, ধারনা করা হয় কোন রোবট নিজেই নিজের সিস্টেম আপগ্রেড করে এবং সেই প্রোগ্রামটি মুল সার্ভারে আপলোড করে কানেক্টেড সব যন্ত্র নিয়ণ্ত্রন করে, কিন্তু সৃষ্টিশীলতার কোন প্রোগ্রাম বিজ্ঞানীরা তৈরী করতে পারেন নি। )


.............................................................................................................................................................................................................................................................................. ক্রাইলি

অরিত্রর কথা:
আমি অরিত্র অথবা হয়তো আমি অরিত্র না। আমি শিতল ঘরে ঘুমন্ত একজন মানুষ যার মস্তিষ্কটা মূল সিস্টেমের সাথে যুক্ত।শতাব্দি শ্রেস্ঠ বিজ্ঞানী ক্রাইলীর একটা প্রোজেক্টের জন্য তৎকালীন শাসকরা টাকা বরাদ্দ না দেয়ায় (ব্ল্যাক হোল ভ্রমন (যেটি ব্যার্থ হয়েছে) এর চেয়ে তখন ক্যামিউনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধটাই বেশি গুরুত্বপূর্ন মনে হয়েছিলো তাদের কাছে) ক্রাইলী নিজেই ক্ষমতা দখল করে নেয়। অনন্ত কাল বেচে থাকতে ক্রাইলি তার মস্তিষ্ক সিস্টেমের সাথে কানেক্ট করে এখনো পৃথিবী শাসন করে যাচ্ছে।বিজ্ঞান একাডেমির মহাপরিচালক কখনো মানুষ হয় না। তার মস্তিষ্কে অস্ত্রপাচার করে সেটা কপোট্রন দিয়ে বদলে ফেলা হয়। গত ৪০০ বছরে কারনে অকারনে অনেক মস্তিষ্ক সিস্টেমে কানেক্ট করা হয়েছে ক্রাইলীর একাকিত্ব ঘোচাতে যার সর্বশেস সংযোজন অনিশ।

অনিশ কে শিতল ঘরে নিয়ে আসায় আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। আমি অনন্ত কাল এভাবে বেঁচে থাকতে চাইনা। আমি চাই পৃথিবীকে এই ক্রাইলী নামক ঈশ্বরের হাত থেকে মুক্ত করতে। আমি আমার সীমিত ক্ষমতা কাজে লাগিয়েছি। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাচীন কল্পকাহিনীতে এরকম কিছু গল্প আছে, আমি এদের মধ্যে থেকে জাফর ইকবাল কে বেছে নিয়েছি কারন অসম্ভব প্রতিভার অধিকারি ৫ তারকা প্রাপ্ত বিজ্ঞানী অনিশের প্যারেন্ট ট্রিতে সে আছে আর অনিশ মাঝে মাঝেই তার প্যারেন্টস ট্রি লোড করে। ক্রাইলির সাথে লড়তে একজন বুদ্ধিমান মানুষ দরকার হবে তাই অনিশ ই ছিলো আমার পছন্দ। আমি ব্যাবস্থা করেছি যেন অতীত ফেরা অনুষ্ঠানে যেন ফেরিওয়ালে রোবটগুলো অনিশ কে কিছুনা কিছু বিক্রি করে সেই কাগজে আইনস্টাইন গল্পের আপলোড কোড দিয়েছি। সে অবশ্যই জাফর ইকবাল এর লিখায় আগ্রহী হয়ে সেটা আপলোড করবে। আমি তার চ্যানেলে প্রয়োজনীয় সব তথ্য জমা করেছি সে আপলোডার কোড চাপলেই আমি তার কাছে তথ্য পাঠিয়ে দেব । আমি অপেক্ষা করেছি কিন্তু অনীশ এর চ্যানেল থেকে সেই কাঙ্খিত কোড টি আসে নি বরং অনীশ চলে এসেছে শীতল ঘরে আমার সাথে।

অনীশের চলে আসার পর যখন আমি নতুন কাউকে খুজছি নতুন কিছু ভাবছি তখনি অনাকাঙ্খিত ভাবে অন্য একটি চ্যানেল থেকে কোড টি প্রেস করা হয় সে কি পারবে এ বলয় ভাঙতে নাকি নিছক ....

অপেক্ষা
আরিয়ানা বুঝতে পারে তাকে কি করতে হবে। ক্রাইলি ক্রাইলি শাসন করছে পৃথিবী। ক্রাইলীর মস্তিষ্ক মূল সিস্টেমের সাথে কানেক্টেড অনীশেরো তাইতো সে অমন স্বপ্ন দেখেছে। তাকে ধ্বংস করতে হবে ক্রাইলীকে।
কিন্তু ঈশ্বরের সঙ্গে সে কেমন করে যুদ্ধ করবে?
ঈশ্বর হ্যা ঈশ্বর।
অনিশের শীতল ঘরে যাবার দুবছর পর আরিয়নার তৈরী একটি নতুন স্টিমুলেশন সিস্টেম বাজারে তোলপার তোলে। "বি গড" -- এটি মস্তিষ্কে নিজেকে ঈশ্বর ভাবার অনুভুতি দেবে। সে স্টার্ট করতে পারবে বিগব্যাং থেকে সৃষ্টি করতে পারবে মানুষ গ্রহ ............স্বর্গ নরক...
ক্রাইলী যখন এই প্রোগ্রামটা টেস্ট করবে সে যখন ঐশ্বরিক অনুভুতি নিতে চাইবে আরেকটি গোপন প্রোগ্রাম স্বক্রীয় হয়ে যাবে যেটাকে থামানো যাবেনা চিপ খুলে ফেলেও অনুশোচনার, অপরাধ বোধের, যে প্রোগ্রাম জাগিয়ে দেবে ক্রাইলীর ঘুমিয়ে থাকা বিবেক কে যার যন্ত্রনায় ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে ক্রাইলি, অপরাধের অনুশোচনায় আত্মহনন করবে ঈশ্বর ক্রাইলি।

খুব ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে থাকে আরিয়ানা ঈশ্বরের অনুশোচনার......
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29080837 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29080837 2010-01-18 04:36:38
ঈশ্বরের অনুশোচনা -- পর্ব ২ (বৈজ্ঞানিক কল্প গল্প)
অতীতে ফেরার ঊৎসব শেষে সবাই আবার যার যার কাজে যোগ দিয়েছে।
আরিয়ানা এখনকার প্রোজেক্ট সময় গবেষনা কেন্দ্রে, হাজার হাজার বছর ধরে কল্পনা করেগেলেও এখন পর্যন্ত অতীত বা ভবিষ্যৎ কোনটাই পরিভ্রমন করা সম্ভব হয়নি। সময় পরিভ্রমনের সর্বশেষ ব্যার্থ প্রোজেক্ট এর ব্যার্থতার কারন অনুসন্ধানে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে সে।সবাইকে জানানো হয়েছে তাকে বিরক্ত না করতে। এর মাঝে যোগযোগ পর্দায় নীল রং এর আলো খেলা করতে লাগলো, নীল রং এর আলো খেলা করার মানে আন্ত:গ্রহিয় জরূরি তথ্য অপেক্ষা করছে।সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। বিরক্ত মুখে স্ক্রীন অন করতেই অনিশের মুখটা ভেসে উঠলো .

অনিশ: হ্যালো রিয়ানা
আরিয়ানা চিন্তিত মুখে জিজ্ঞেস কোরলো কি হয়েছে ?
অনিশ: অতি বুদ্ধিমান চতুর্মাত্রিক প্রানী পৃথিবী আক্রমন করেছে <img src=" style="border:0;" />
আরিয়ানা হতাশ চোখে তাকিয়ে রইলো
অনিশ: আমি কি ২৪ ঘন্টার জন্য আমার সাথে বৃহঃস্পতির চাঁদে তোমাকে সঙ্গী হিসেবে পেতে পারি।
আরিয়ানা: আমার এখন মাথার ঘায়ে কুত্তা পাগোল অবস্থা আর তুমি আসছো রঙ্গ করতে। তুমি আন্ত:গ্রহীয় গুরুত্বপূর্ন চ্যানেলে কিভাবে যোগাযোগ করলে?
অনিশ:তুমি ভুলে যাচ্ছ রিয়ানা আমি ৫ তারকা প্রাপ্ত বিজ্ঞানি রনের সম্ভাব্য উত্তোরাধিকারি আমার কিছু বেআইনি ক্ষমতা আছে। বাদ দাও আজকে ডিনারটা কি আমার সাথে করতে পার?
আরিয়ানা: বিজ্ঞান পরিষদের ভবিষ্যৎ মহাপরিচালকের অনুরোধ তো আর ফেলতে পারিনা হয়তো এই ডিনারের কথা মনে রেখেই তুমি আমাকে ৩ তারা থেকে ৫ তারা বানিয়ে দেবে <img src=" style="border:0;" />।

..............................................................................

আরিয়ানা ঘরে ঢুকতেই অনিশ বলে উঠলো রিয়ানা আমাকে এককাপ কফি বানিয়ে খাওয়াও মানবীর হাতের কফিপান করতে মন চাইছে। রিয়ানার বানানো কফিতে চুমুক দিয়ে মুখ কুচকে বলে উঠলো দেবী এটা ফেলে দিয়ে ভেন্ডিং মেশিন থেকেই এককাপ কফি নিয়ে এসো এসব ব্যাপারে যণ্ত্র অনেক এফিসিয়েন্ট।
দু মগ কফি নিয়ে রিয়ানা জানতে চাইলো কিজন্য ডাকা হয়েছে জানতে পারি?
অনিশ: হ্যা পারো, আমি তোমাকে আমার স্বপ্ন সঙ্গী করতে চাই তাই, ঘুমের মাঝে আমি যে স্বপ্ন গুলো দেখি আমি চাই তুমিও তা দেখ তাই একটা চিপ বানিয়েছি সেটা তোমার মাথায় লাগাতে চাই।
আরিয়ানা: ফাজলামো করছো। স্বপ্ন কী কোন বাস্তব ঘটনা নাকি? আমিতো স্বপ্নে কতবার আইনস্টাইন কে দেখলাম আইনস্টাইন কী সেই স্বপ্ন গুলো স্বর্গে বসে দেখবে
অনিশ: স্বপ্নের সৃষ্টি আমাদের নিউরনে। তোমার জন্য আমার মস্তিষ্কে একটা নির্দিষ্ট তরঙ্গ আছে আমি যখন স্বপ্নে তোমাকে দেখবো আমার মাথায় লাগানো চিপটা সেই সিগনাল পাবে তারপর সেই তথ্যগুলো তোমার নিউরনের চিপে পাঠাবে এবং যখন তুমি ঘুমোবে এটা এ্যাক্টিভ হবে। আরো কিছু কাজ বাকি আছে, কিছু গোপণীয় স্বপ্ন আমি তোমাকে দেখতে দিতে না চাইলে সেটার ট্রান্সমিশন ব্লক করতে হবে, মূল সিস্টেমের সাথে কানেক্ট করার ইন্টারফেজ তৈরী করতে হবে তারপর বাজারজাত করা হবে পরীক্ষামূলক ভাবে তোমার মাথায় বসাতে চাই প্রথমবার। ভালো না লাগলে যেকোন সময় খুলে ফেলতে পারো।
আরিয়ানা: ঠিক আছে।
অনিশ: আজ কি হয়েছে জানো আমি সিজার -৭ (সিজার -- একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, ত্রিমাত্রিক দাবা খেলার প্রোগ্রাম, ছয়টি পর্যায় জিতে পেরুলে ফাইনাল খেলা হয় ফাইনালটাই সিজার ৭, দশ বছর আগেও সিজার-৫ ছিলো ফাইনাল স্তর, এখন ৭, এটি নাকি অটো আপডেটেড প্রগ্রাম, নিজেই নিজেকে উন্নত করে, সাধারনত কোন মানুষ এটাকে হারাতে পারে না) কে হারিয়েছি।খেলাটা খুব জমেছিলো। মনে হচ্ছিলো মানুষের সাথে খেলছি। যণ্ত্রকে হারানোর সময় তোমাকে মনে রাখতে হবে যণ্ত্র খুব হিসেবি চাল দেয় তোমার পরবর্তি কয়েক হাজার চালের সম্ভাব্য কম্বিনেশন সে মাইক্রোসেকেন্ডে হিসেব করতে পারে তাই তোমাকে এলোমেলো চাল দিতে হবে এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর তুমিও যণ্ত্রের হিসেব ধরতে পারবে কিন্তু তার হিসেবে প্যাচ লেগে যাবে। কিন্তু আমি এলোমেলো চাল সুরু করার পর সিজার ও এলোমেলো চাল দিচ্ছিলো।অদ্ভুত।
আরিয়ানা: দাবার কচকচানি ভালো লাগছে না। আমি এখন উঠবো।
(অরিত্র অসম্ভব ভালো দাবারূ ছিলো)
অনিশ: কিসের কচকচানি ভালো লাগে সময় পরিভ্রমনের <img src=" style="border:0;" />; ভালো লাগলেও লাভ নেই দেবী, তুমি কখনো ভবিষ্যতে যেতে পারবে না তুমি ভবিষ্যতে যাওয়া মাত্র ওটা বর্তমান হয়ে যাবে।

পরের দিন আবারো কাজের মাঝে নীল আলো খেলা করতে লাগলো, আরিয়ানার হাসি পেতে লাগলো অনিশের কথা ভেবে, ইচ্ছে হচ্ছিলো স্ক্রীন অফ করে দিতে কিন্তু সেতো এখনো ৫ তারা পায়নি তাকে প্রোটোকল মানতে হয়। স্ক্রীন অন করতেই ভেসে উঠলো রনের বিষন্ন মুখ, বুকটা কেপে উঠলো আরিয়ানার। রন বলতে লাগলো ৫ তারকা প্রাপ্ত বিজ্ঞানী
অনিশ আগামি ১০০ বছর শীতল ঘরে ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিছুক্ষন আগে নিরাপত্তা রোবটরা তাকে হিম নগরে নিয়ে গেছে। তার এই সিদ্ধান্তে বিজ্ঞান একাডেমি গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে।

আরিয়ানার খুব অবাক লাগছিলো। সে সেদিনের নির্ধারিত কাজ শেষ না করেই ঘরে ফিরলো।মাঝে মাঝেই কিছু বিজ্ঞানী শিতল ঘরে ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলে আর কারো সাথে যোগাযোগের নিয়ম নেই, সিদ্ধান্ত টা অনেকটা আত্মহত্যার মতন, সাধারত অবসাদগ্রস্থরাই এটা করে। গতকালও অনিশের সাথে তার কথা হয়েছে, কোন অস্বাভাবিকতা চোখে পরেনি। তার আরেকবার অনিশের সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। সে অতীতে ফেরা অনুষ্ঠান থেকে অনিশ তাকে যে মধ্যযুগীয় পলিমারের ব্যাগ কিনে দিয়েছিলো সেটা হাতাতে থাকে, তাদের একটা ত্রিমাত্রিক ক্রিস্টাল প্রতিচ্ছবিও পেয়ে যায়। আর পায় সেই বাদামের ঠোঙাটা, সেখানে আইনস্টাইন গল্পটা মস্তিষ্কে আপলোড করতে চাইলে সিস্টেমে কোন কোড চাপতে হবে সেটা লিখা আছে। আরিয়ানা আপলোডার টা মাথায় চাপিয়ে কোড টা প্রেস করে। তার মস্তিস্কে আশ্চর্য্য জনক ভাবে দুটো গল্প লোড হয়,

আইনস্টাইন: ৩০০০ সালে এক ব্যাবসায়ী আইনস্টাইনের ক্লন করান কিন্তু সেই ক্লোন বিজ্ঞানী না হয়ে নাম করা গায়ক হন।
দ্বিতীয় গল্পে এক লোক পৃথিবী থেকে মুছে ফেলা তথ্যগুলো জানেন, সে মুছে ফেলা তথ্যগুলো উদ্ধার করে তথ্যের অসঙ্গতিগুলো বের করে। একটা বাচ্চা ছেলের দাত পরে গেলে সে যখন হাসে তখন ফোকলা হাসি দেখা যায়, তথ্য সরিয়ে নিলে সেখানেও শুন্যতা থাকবে।

আপলোডার টা খুলেই আরিয়ানার মনটা বিষাদে ভরে যায়। গতকাল রাত্রেই সে স্বপ্ন দেখেসে সে আর অনিশ চাঁদের সমুদ্রের পারে বসে আছে আর বেগুনী আলো ছরাচ্ছে চাঁদের উপগ্রহ লুন(৫০০ বছর আগেই চাঁদের জমে থাকা বরফে বিষ্ফোরন ঘটিয়ে সেখানে সমুদ্র সৃষ্টি করা হয়েছে আর তৈরী করা হয়েছে চাঁদের কৃত্রিম উপগ্রহ লুন)। সেই স্বপ্নটা আসলে অনিশের ছিলো। যে কালরাতে এই স্বপ্ন দেখেছে আজ সকালেই সে শীতল ঘরে চলে যাবে এটা হতে পারে না। আরিয়ানাকে সত্যটা জানতে হবে.....

(চলবে.....)

ঈশ্বরের অনুশোচনা -- পর্ব ১ (বৈজ্ঞানিক কল্প গল্প)
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29078890 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29078890 2010-01-15 11:38:34
ঈশ্বরের অনুশোচনা -- পর্ব ১ (বৈজ্ঞানিক কল্প গল্প) আরিয়ানার অবাধ্য চুলগুলো এলোমেলো বাতাসে তার মুখের ওপর পরছে, সমুদ্রের ছোট ছোট ঢেউ গুলো তার পায়ের ওপর আছরে পরছে ঢেউগুলো যখন সরে যাচ্ছে সাথে নিয়ে যাচ্ছে পায়ের নিচের কিছু বালু মনে হচ্ছে পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে ........
পায়ের নিচের মাটি সরে যাওয়ার ভয়ঙ্কর অনুভুতিটির সাথে আরিয়ানার পরিচয় আজ থেকে ঠিক দশ বছর আগে। আজ থেকে ঠিক দশ বছর আগে এই দিনে অরিত্র কে সিলিকন ভ্যালিতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। শুনতে খুব হাস্যকর শোনালেও কৈশরের সেই আবেগ আজো সে মুছে ফেলতে পারেনি। সে একজন প্রথম শ্রেনীর নাগরিক, বিজ্ঞান একাডেমির তিন তারকা খচিত বিজ্ঞানি, তার জন্য প্রেম-ভালোবাসা-যৌনতা কোন কিছুর জন্যই একজন রক্ত মাংসের মানুষের দরকার নেই সে সরাসরি
মস্তিষ্কে এই অনুভুতি গুলো নিতে পারে আরো তীব্র ভাবে। এছারা বিজ্ঞান একাডেমির ৫ তারকা খচিত বিজ্ঞানী অনিশের সঙ্গে সে বেশ কয়েকবার মঙ্গলের চাঁদ থেকে ঘুরে এসেছে। কিন্তু তারপরো সে অরিত্রর জন্য এক ধরনের শুন্যতা অনুভব করে আবার এই শুন্যতাটুকুকেই তার বেচে থাকার প্রেরনা মনে হয়।

আজ থেকে দশ বছর আগে এই দিনে প্রতিপালন কেন্দ্রের রুটিন ব্রেন টেস্টে ধরা পরে যে অরিত্রর ব্রেইন ঠিকমত ডেভলপ হয়নি, সে একজন ক্যাটাগরি সি বুদ্ধিমত্তা সম্পূর্ন মানুষ, ক্যাটাগরি সি বুদ্ধিমত্বা আর বানরের বুদ্ধিমত্বার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। ক্যাটাগরি সি দের সিলিকন ভ্যালিতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তারপর সাধারনত একটা মহাকাশ যাত্রায় পাঠিয়ে দেয়া হয় বুদ্ধিমান প্রাণীর সন্ধানে। অনন্ত কাল ধরে যে মহাকাশ যান চলতে থাকে বুদ্ধিমত্তার সন্ধানে নির্বোধ মানব আর অতি উন্নত লজিকের যন্ত্র মানব নিয়ে।

আরিয়ানা অরিত্রের জন্য তার শুন্যতা টুকু কখনো কারো সাথে শেয়ার করতে পারেনি। ভার্চুয়াল চ্যাট রূমগুলোর কোন ভার্চুয়াল চরিত্রের প্রেমে পরে আপনি উদাস হতে পারেন, বিজ্ঞান একাডেমির মাথানষ্ট পরিচালক রনের প্রেমে পরে পাগল হতেও কোন দোষ নেই এমন কী কয়েক হাজার বছর আগের টমক্রুজের প্রেমে পরে কেন ঐ সময় জন্মালাম না সেই আক্ষেপ করাটাও দোষের না। কিন্তি তিন তারকা খচিত একজন বিজ্ঞানী সি ক্যাটাগরির এক মানুষের জন্য শুন্যতা অনুভব করবে এটা খুবি হাস্যকর। সে কারো হাসির পাত্র হতে চায় ন..........

অতীতে ফেরা
আজ থেকে সুরু হয়েছে ৩ দিন ব্যাপী অতীত ফিরে দেখার আয়োজন। নাহ সময় পরিভ্রমন যানে করে কেউ অতীতে গিয়ে অতীত অনুভব করে আসে না বরং কাইটি দ্বিপে এই সময় অতীতের বিভিন্ন সময়ের আদলে বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান করা হয়। যেমন যাত্রা, নাটক, সিনেমা, হলোগ্রাফিক প্রোজেকশন, সাপের খেলা, বানরের নৃত্য, ডলফিন শো,......., জিপসি সেজে ভাগ্য গণনা, ম্যাজিক ইত্যাদি। এছাড়া পুরোনো দিনের মতন ঝুপড়ি দোকান, টং দোকানের চা, কফি, কাগজের পোটলায় মুরি মাখানো, আম আমড়া, তরল-কঠিন পাণীয়, বারবি কিউ উৎসব থেকে সাম্বা ড্যান্স, বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ........

বিনোদনের নিত্যনতুন আবিষ্কার স্বত্তেও এই প্রাচীন পৃথিবীতে ফিরে যাবার আয়োজনটার জন্য মানুষ গভীর আগ্রহে সারা বছর অপেক্ষা করে। এমনকী বিজ্ঞান একাডেমির ৫ তারকা খচিত বিজ্ঞানী অনীশও অপেক্ষা করে ছিলো। গত বছর আরিয়ানার সাথে সেই তিন দিন তার জীবনের শ্রেষ্ঠ তিন দিন বলা যায়। তারা এ্যাভাটার নামের একটা ত্রিমাত্রিক প্রেজেন্টেশন উপভোগ করেছিলো। তবে আরিয়ানার মাথায় গেথে গিয়েছিলো ধুম মাচালে এরপর কিছু হলেই সে ধুম ধুম বলে চিৎকার করে উঠতো......

ট্রেন স্টেশনের গেটে দাঁড়িয়ে আছে আরিয়ানা আর অনীশ (এই সময়টায় পরিবহন ব্যাবস্থাও পুরোনো কোন সময়ে নিয়ে যাওয়া হয় এর আগের বার যাতায়েতে ব্যাবহৃত হয়েছিলো উড়োজাহাজ, তার আগে বাইভার্বাল এবার হচ্ছে পাতাল ট্রেন তবে সবচেয়ে মজা হয়েছিলো যেবার টমটম ও ঘোড়ার গাড়ি ব্যাবহার করা হয়েছিলো)। আরিয়ানা তার টিকেট খুঁজছে । কাউন্টার দিয়ে বেরোতেই এক সুদর্শন যুবক তাদের হাতে ধরিয়ে দিলো পুরো আয়োজনের ব্রোশিয়ার।ইতঃস্তত ঘুরতে ঘুরতে তারা একটা কনসার্টে ঢুকে পরলো, এ জাতিয় কনসার্টে সাধারনত পুরোনো গান গাওয়া হয় কিন্তু এই ছেলেটা গত বছর এক অপ্রতিরোধ্য ভাইরাসের আক্রমনে ধ্বংশ হয়ে যাওয়া ম্রিকা সিটি নিয়ে গান গাইছে। গানটা শুনতে শুনতে আরিয়ানার চোখ ছল ছল করে উঠলো।
চল আরিয়ানা ত্রাতুলের জগৎ দেখে আসি বলে উঠলো অনিশ
আরিয়ানা: কী দেখবে?
অনিশ: ত্রাতুলের জগৎ, একটা ত্রিমাত্রিক এনিমেশন প্রেজেন্টেশন।
আরিয়ানা: আমার এনিমেশনে কোন আগ্রহ নেই তুমি জানো, এই মাত্র রিয়ান্ডা এস এম এস করেছে তারা "বেদের মেয়ে জোছনা" দেখেছে, সে সাজেস্ট করেছে ওটা দেখতে, ওটার একটা শো আছে ১০ মিনিট পর চলো দেখে আসি। আমি মানুষ দেখতে চাই।
অনিশ: ত্রাতুলের জগৎ এর লেখক জাফর ইকবাল।
আরিয়ানা: সে কে? নিউরোলোজিস্ট? নাম তো শুনিনি
অনিশ: নাহ। সে একজন সাইফাই লেখক। আমার প্যারেন্টস ট্রি তে তার নাম আছে মানে আমার পূর্ব পুরুষ আর কি । তার চিন্তার প্যাটার্ন টা জানতে ইচ্ছে করছে।
আরিয়ানা: চলো

আরিয়ানা এক প্যাকেট পপকর্ন ও দু কাপ কফি নিলো হলে ঢোকার প্রস্তুতি হিসেবে এবং এক রোবট ফেরিওয়ালার ঘ্যানর ঘ্যানরে অতিষ্ট হয়ে তারকাছ থেকে এক পোটলা চীনা বাদাম কিনলো, এবং শো এর ১৫ মিনিট দেরি থাকায় বাদাম চিবোতে আরম্ভ করলো। উনিশ শতকের প্রেমিকের মতন অনীশ বাদাম ছিলে দিতে লাগলো। বাদাম শেষ করে কাগজটা ফেলতে গিয়ে আরিয়ানা দেখলো সেখানে শিরোনামে বড় বড় করে লিখা বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প আইনস্টাইন : মো: জাফর ইকবাল। কি মনে করে কাগজটা পকেটে ঢুকিয়ে আরিয়ানা অনিশের সাথে ত্রাতুলের জগৎ দেখতে ঢুকে গেল।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29078806 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29078806 2010-01-15 04:41:02
বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প সংকলন - ২০০৯ (একটি রিভিউ ও কিছু কথা)
এরকম একটা উদ্যগের জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই আকাশ_পাগলা এবং আমড়া কাঠের ঢেঁকি কে। সংকলনটা আমার ভালো লেগেছে বেশ কিছু নতুন গল্প পড়ার সুযোগ এবং ভালোলাগার কিছু ব্লগ সাইফাই সংগ্রহে রাখার সুযোগ পেলাম। আগামি বছর আরো একটি সংকলন আশা করছি এবং এই উদ্যোগ নতুন নতুন লেখকদের সাইফাই লিখতে আগ্রহী করে তুলবে আশা রাখছি। আমি আমার ভালো না লাগার দিক গুলোই লিখবো এখানে।

প্রথমে নাম নিয়ে কিচু কথা বলি নামটা আসলে হওয়া উচিৎ ছিলো বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প সংকলন - ২০০৯ সামহয়ার ইন ব্লগ।

এবার বই এর ৩ নম্বর পেজে হালকা আকাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা লিখা আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগছে না, আকাশি-সাদার কম্বিনেশন বইএর প্রচ্ছদ, ছবি এবং বিশেষ করে পোশাকে (শাড়ি-সালোয়ার কামিজে) বহুল ব্যাবহৃত এবং সমাদৃত হলেও এখানে হালকা আকাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে সাদা লিখা পড়াটা আমার চোখের জন্য পীড়াদায়ক মনে হয়েছে।

এবার বই এর সূচীপত্রের কথা বলি- শুধুমাত্র নতুন লিখাগুলোর সূচী বইএর সুরুতে দেয়া হয়েছে এবং সেগুলোতে ক্লিক করে লিখাগুলোতে যাওয়া যায়। পূর্বে ব্লগে প্রকাশিত লিখাগুলোর সূচী পরে আছে কিন্তু সেগুলোতে ক্লিক করে ঐ গল্পে যাওয়া যায় না এবং সেখানে কোন পৃষ্ঠা নম্বরো দেয়া নেই পৃষ্ঠা নম্বর দেয়া থাকলে অন্তত দ্রুত স্ক্রলিং করে ঐ লিখার আসে পাসে গিয়ে লিখাটা পড়া সহজ হোতো। যেমন সংকলিত গল্পের সূচীতে স্বপ্নের শুরু নামটা পড়ে আমি মনে করতে পারছিনা এটা আমি পড়েছি কিনা কিন্তু পেইজ বাই পেইজ স্ক্রল করে ঐ গল্পটা খোঁজার আগ্রহও পাচ্ছি না। তাই সবগুলো গল্পেই লিংক থাকলে ভালো হোতো আর এটা করা কষ্ট সাধ্য হলে গল্পগুলো লেখক অনিযায়ী ভাগ করে লেখকের একটা লিংক করে দিলে ভালো হোতো হাতে গোনা কয়েকজন লেখকের গল্পই সংকলিত হয়েছে তাই এটা খুব কষ্টসাধ্য হোতো না। মোঃ সিজানুর রহমান এর দুটো গল্প স্থান পেয়েছে নতুন গল্পের তালিকায়, অন্য সবার একটা করে তাই ওনারো একটা গল্প দিলেই ভালো হোতো।

সংকলিত গল্পগুলো আবার নতুন করে পড়িনি, মনে হচ্ছে মোটামুটি ২০০৯ এর সব সাইফাই ই স্থান পেয়েছে। সাইফাই গুলো সংগ্রহ করে রাখার ভালো উদ্যোগ তবে রোহানের সাইফাই এর নাম দেখে বেশ মজা লাগছে। রোহানের লিখা নিয়ে কোন কথা বলার নেই গল্পটা বেশ উপভোগ করেছিলাম মনে আছে তবে রোহান সম্ভবত ওটা মজা করে সাইফাই সিজার কে পচিয়ে লিখেছিলো । ওটা যতনা সাই ফাই তারচেয়ে বেশি রম্য মনে হয় আমার কাছে।

দুই পৃষ্ঠার সহ সম্পাদকীয় টা কেটেকুটে এক পৃষ্ঠাই করা যেত অবশ্য ১/২/৩..... যাই হোক কেউ তো আর পড়ে না এইসব এটা ভেবে লিখলে আলাদা কথা <img src=" style="border:0;" />। পারভেজ এর সম্পাদকীয় টা বেশ ভালো হয়েছে শুধু ব্লগ সংকলন না বাংলা কল্প গল্প সংকলনের সম্পাদকীয় হিসেবে এই টেমপ্লেট বারবার ব্যাবহার করা যাবে। মূখবন্ধও ঠিক আছে।


আমি ভেবেছিলাম নতুন কিছু সাই ফাই লেখকের সন্ধান পাবো কিন্তু এক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন ছাড়া আর কোন নতুন লেখক খুঁজে পেলাম না অবশ্য আর কেউ যদি সাই ফাই না লিখে তবে উদ্যোক্তারা খুঁজে পাবেই বা কিভাবে?
অনেকেই বানান ভুল নিয়ে বলেছেন দেখলাম বাট আমার যে অবস্থা আমার পক্ষে ভুল বানান খুঁজে কিছু বলা সম্ভব হোলো না।

এবার নতুন গল্পগুলো নিয়ে দুটো কথা বলি:
সিরাস ভ্রমন লিখেছেন শান্তির দেবদূত-- গল্পটা আমার খুবি ভালো লেগেছে। ব্লগের একটা নিজস্ব ট্রেন্ড আছে সেটা হচ্ছে সব কিছুই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তাই সাই ফাই গুলোও ক্ষুদ্র হয় অথবা হয় ধারাবাহিক ভেঙে ভেঙে পড়ায় পুরো আমেজ টা পাওয়া যায় না। এই কল্পগল্প সংগ্রহের উদ্যোগের কারনেই হয়তো এই অখন্ড লিখাটা উপভোগ করার সুযোগ পেলাম। সেজন্য উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ।

নিউ ইয়ার লিখেছেন পারভেজ - গল্পটা পড়ার সময় উপভোগ করেছি কিন্তু পড়ার পরই হারিয়ে গেছে। ঈদ / ভ্যালেনটাইনসডে স্পেশাল অনুষ্ঠান গুলো যেমন হয় আর কী। গল্পটা পড়তে পড়তে মনে হয়েছে এত অল্প সময়ে ছোট ভাইদের অনুরোধ ফেলতে না পেরেই লিখাটা লিখে দিয়েছেন। আপনার কাছে প্রত্যাশাটা একটু বেশি।

একাকী নভোযাত্রী লিখেছেন মুহম্মদ জায়েদুল আলম -- এই গল্পটা আমার খুব ভালো লেগেছে। তবে আগেই বলেছি ব্লগের একটা নিজস্ব ট্রেন্ড আছে সব কিছুই ব্লগারদের পাঠভ্যাসের কথা মাথায় রেখে ছোট করা হয় আর এই ট্রেন্ড টা সবচেয়ে ভালো রপ্ত করেছেন জায়েদুল আলম। অনেক ছোট পরিসরে অনেক কিছু অনেক সুন্দর করে বলে ফেলেন কিন্তু এই গল্পটা বর্ননার ভারে আরেকটু ভারী হতে পারতো।

প্রজেক্ট টাইরোপা লিখেছেন আকাশ_পাগলা -- এই ব্লগে আস্তিক-নাস্তিক বিতর্ক বেশ হিট এবং ঐ টাইপ কোন একটা পোস্টেই কারো মন্তব্য ছিলো "সব ধর্ম গ্রন্থেই আদম-হাওয়া টাইপ কারো কথা থাকে ঈশ্বর তাদের সৃষ্টি করে কোন কোন ধর্ম গ্রন্থে আদমের সাথে ডাইনোসরের দেখা হয় যদিও হিসাব মতে তা হওয়ার কথা না কিন্তু কোথাও ই অ্যামিবা প্রোটোযোয়ার কথা নাই, ঈশ্বর অ্যামিবা প্রোটোযোয়া বানাইয়া হাত না পাকাইয়া লাফ দিয়া মানুষ কেন বানাইলো বুঝে আসে না।" ---- এত প্যাচাল পারার কারন ঐ হাত পাকানো নিয়া। এই গল্পটা লিখার জন্য হাত যতটা পাকা উচিৎ ছিলো ততটা বোধয় এখনো পাকে নাই আকাশ_পাগলার। আরো বড় হয়ে এই গল্পটা সে আবার লিখার চেষ্টা করতে পারে। পাঠক হিসেবে আমি এই গল্পের সাথে কমিউনিকেট করতে পারিনাই। মানুষ সৃষ্টিকারী অতি বুদ্ধিমান প্রানীর কোন সঠিক স্বরূপ লেখক আমার কাছে দৃশ্যমান করতে পারে নাই তাদের উদ্দেশ্যও আমার কাছে পরিষ্কার হয়নাই এবং সম্ভবত লেখকের নিজের কাছেও পরিষ্কার না। আর সাই ফাই এ সাইন্স থাকুক আর নির্ভেজাল কল্পনা থাকুক শেস পর্যন্ত সেটা সাহিত্যই। সাহিত্য, শীল্পমান, কাহিনীর বুনোট, জমজমাট বর্ননা এগুলো কম বুঝলেও বা ডিফাইন করতে না পারলেও পাঠক হিসেবে এই গল্পের সাহিত্যমান নিয়াও আমি হতাশ।কাহিনী খুব সাধারন হলেও বর্ননার জোরেই অনেক ছোটগল্প - বড়গল্প উৎরে যায়(উপন্যাসের পক্ষে কাহিনী ছাড়া উৎরানো বোধয় সম্ভব না)। সত্যি বলতে এই গল্প লিখার স্টাইল টা ক্লাস ফোর-ফাইভের বাংলা নোটের সারমর্ম লিখার স্টাইলের মতন মনে হইছে আমার কাছে। (এইবার অনেকেই আমারে ধরতে পারেন আপনার ব্লগে তো শিল্প সম্মতা জমাট বর্ননার কিছু খুঁজে পাইলাম না, কথা সত্য কিন্তু যারা গান শুনে পুলোকিত হন অথবা গয়কের ১৪গুষ্ঠি উদ্ধার করেন তারা সবাই তো আর গাইয়ে নন। তবু আমি আমার দৃষ্টিতে শিল্প সম্মত প্রান্জল বর্ননার একটা উদাহরন দেই এবং সেটা আকাশ_পাগলার ব্লগ থেকে ধার করেই- সাধাসিধে অলৌকিকতা - Click This Link )

বোকা লিখেছেন অন্যসময় (আমড়া কাঠের ঢেকি): গল্পটা আমার খুবি ভালো লেগেছে। পড়ে আরাম পেয়েছি। দুই টেরাক্রেডিটের রুবিবয়ামর
আংটি চুড়ি না করে মানে এই প্রাগৌতিহাসিক কালের চোরদের মতন গয়নাগাটি চুরি নাকরে অন্য কিছু হাজার আলোক বর্ষ দূরের কোন গ্রহের চাঁদের পানি <img src=" style="border:0;" /> , নতুন কোন ফর্মুলা, শক্তিশালী কুরু ইন্জিন, অথবা ব্ল্যাখোল থেকে উদ্ধার করা <img src=" style="border:0;" /> কোন মহাকাশযানের অংশ বিশেষ মানেপ্র নতুন কিছু চুরি করলে বোধয় আরেকটু ভালো হোতো আরকী।

প্রোজেক্ট এলিয়েন লিখেছেন মোঃ সিজানুর রহমান -- আমার খুব ভালো লেগেছে। কাহিনীকে ছাপিয়ে গেছে লেখকের বর্ননার মুন্সীয়ানা। পড়ে খুব আরাম পেয়েছি এবং লেখক প্রেমের গল্প অথবা দৈনন্দিন জীবনের টানপোড়নের গল্প লিখলেও সেটা সুখপাঠ্য হবে মনে হচ্ছে।

রোবট বন্ধু লিখেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন -- জাফর ইকবাল এবং তার উত্তরসূরিরা এবং এই ব্লগের ব্লগাররাও এই থিমে এর কাছাকাছি থিমর প্রচুর লিখেছেন। তাই এই থিমে কিছু লিখে তাদের অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য।

আর কমপ্লেক্স এই গল্পটিও লিখেছেন মোঃ সিজানুর রহমান: এই গল্পেও লেখক তার বর্ননার মুন্সীয়ানার পরিচয় দিয়েছেন তবে মূল থিম টা জাফর ইকবাল এর অনুরণন গোলক ছোট গল্পের মূল থিমের সাথে বেশ ভালো ভাবে ম্যাচ করে অবশ্য বাংলা সাইফাই এ জাফর ইকবালের ছায়া পরাটা বেশ স্বাভাবিক ট্রেন্ড হয়ে গেছে।


*************************************************************
এবার কিছু অফটপিক কথা বলি কোন জিনিষ ই পৃথিবীর সবার পছন্দ হবে না কেউ অপছন্দ চেপে যাবে, কেউ রেখে ঢেকে বলবে কেউ খুব রূরভাবেই তার অপছন্দ টা জানাবে। ই - বুক বের করাটা অবশ্যই কষ্টসাধ্য তবে এই কষ্টসাধ্য কাজটা করেছেন বলেই সবাই সাবাশি দেবে এটা ভাবার কারন নেই। বিশেষ করে উদ্যোক্তা হিসেবে আমড়া কাঠের ঢেকি এবং আকাশ_পাগলা র কাছে নমনীয়তা আশা করা দোষের না। আমার নিজের আরিফুর রহমানের সমালোচনা যেমন কড়া মনে হয়েছে তার চাইতেও বেশি খারাপ লেগেছে আরিফুর রহমান যখন বিভিন্ন জনকে কমেন্ট করছিলেন তখন আরাশি কে করা আরিফুর রহমানের কমেন্টের জবাবে আমড়া কাঠের ঢেকির উত্তর।
এর আগে স্বপ্নজয়ের ই-বুক নিয়ে ফিফার করা বিরূপ মন্তব্য নিয়েও অনেক কচলাকচলি হয়েছিলো সেটাও আমার ভালো লাগেনাই। আমার ভালো লাগসে বলেই অন্যরো ভালো লাগতে হবে এমন কোন কথা নাই।

এই জিনিষ টা আরো ফেসকরি বিভিন্ন পোস্টে কোন ব্লগারের বন্ধুগ্রুপ থাকলে এবং সেই ব্লগারের কোন পোস্টে খারাপ লাগার কথা লিখলে বন্ধুগ্রুপ বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ ঝাপায় পরে আরে বাপ ব্লগে লিখলে সমালোচনা সৈহ্য করতেই হবে, সো তাকেই হ্যান্ডেল করতে দেন। হুমায়ূন আহমেদের সালাউদ্দিনের মহা বিপদ যতই ব্যাবসা সফল বই হোক সে যদি এটা ব্লগে প্রকাশ করতো তবে তার খবরি হয়ে যাইতো আর এটাই ব্লগিঙএর মজা ব্লগের বৈশিষ্ট্য।

আমার ব্লগিং লাইফের মোটামোটি সুরুর দিকে শান্তির দেবদূতের একটা গল্প পড়ে তার ফিনিশিং নিয়ে আমার অপছন্দের কথা মোটামুটি ভয়ে ভয়েই জানাইছিলাম উনি পরে ফিনিশিনটা চেন্জ করে দিসিলেন এবং কয়েক দিন আগে কালপুরুষের (ওনার সাথে আমার তেমন কোন সুসম্পর্ক নাই) কবিতার একটা শব্দ নিয়া মন্তব্য করার পর উনি কিছু শব্দও বদলে দিসিলেন। ওনারা নাও বদলাতে পারতেন যদি না বদলিয়েও বলতেন যে ওনারা ওনাদের অনুভুতির প্রকাশ করতে চাইছেন এইভাবে আমার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ তাহলেও কিন্তু আমার খারাপ লাগার কোন যুক্তি ছিলো না। আমি উদাহরন টা দিলাম ওনাদের স্পিরিট টা বোঝানোর জন্য। যেখানে পাঠকের সাথে সরাসরি কমিউনিকেট হয় সেখানে পাঠকের মন্তব্য - সমালোচনা মূল্যায়ন করা , পজিটিভলি নেয়ার জন্য।

আর এখন যদি জানি কোন ব্লগারের একটা বন্ধু গ্রুপ আছে এবং সেই গ্রুপের সাথে আমার দহরম-মহরম নাই তাহলে ভালো না লাগাটুকু ভুলেও প্রকাশ করি না।
(আমার এই কথা গুলো গ্লপ-উপন্যাস-কবিতা- ধারাবাহিক, ফানপোস্ট এগুলো নিয়েই মূলত লিখা)

সংশোধনী: সংকলনের সূচি আছে। যেটাকে সূচি ভাবছেন সেটাতে কোন ক্লিকেবল লিংক নেই। কিন্তু পিডিএফ এর বুকমার্কস এ গেলে সংকলনের সবগুলো গল্পের লিংকে ক্লিক করে যাওয়া যাবে।(কৃতজ্ঞতা - আমড়া কাঠের ঢেকি)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29076187 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29076187 2010-01-11 10:11:50
আবোল তাবোল হিসেব নিকেশ ভালো আছো অনিন্দিতা

কারো এই ছোট্ট কথা, ভদ্রতার কুশলি হয়তো কৈশরে অনিন্দিতার ভালো থাকার উপলক্ষ এনে দিত, মন খারাপের মেঘ উড়িয়ে নিত.......।

অনিন্দিতা ভালো ছিলো
অনিন্দিতা ভালো ছিলো না

জোনাক ছিলো; শিশির ছিলো
কাঁচ ভাঙা ভোর ছিলো
সূর্য্যের আলোয় জোনাক জ্বলে না....... তবুও শৈশবের আকাশে মেঘেরদেশে পঙ্খীরাজের রাজপুত্র থাকে, বৃষ্টিতে পরীদের কান্না থাকে, ঘুলঘুলি ভেদ করা জোছনায় রামধনু রং ফুল থাকে; ঘাস ফড়িং এর পিঠে করে পরীর দেশে যাবার স্বপ্ন থাকে, আরো কত কি থাকে হয়তো সেই শৈশব থেকেই সোনার কাঠি ছুঁয়িয়ে ঘুম ভাঙানো রাজকুমারের অপেক্ষায় ঘুমিয়ে থাকে ভবিষ্যৎ নারী যে ঘুম আর ভাঙে না। বার্ধক্যে কী এই গল্পগুলোই বদলে যায়, রাজপুত্রের বদলে যমরাজের জন্য অপেক্ষা পরীর দেশের বদলে স্বর্গে যাব- ঈশ্বরের সাথে নৈশভোজ?

ভালো আছি বলতে বলতে অনিন্দিতা জেনে গেছে কেউ ভালো থাকে না ভালো থাকতে হয়, মানুষ স্বচ্ছন্দ স্বচ্ছল থাকে, অভাবে থাকে, , আদর-অনাদরে থাকে, ভালোবাসায় অবহেলা কুড়িয়ে বেঁচে থাকে , ঘৃনায় থাকে কী!!!!!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29074280 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29074280 2010-01-08 07:32:21
কোন এক অদেখা আপন অচেনা প্রিয় মুখ কে নয় বন্ধন ছিন্ন করা কোন আর্ত রজনী
তুমি চলে গেলে তোমারো অধিক কিছু থেকে যাবে
তোমার না থাকা জুরে"


---------------- শেষ পর্যন্ত হয়তো না থাকা জুরে কিছুই থাকে না, এমন কি না থাকার অনুভুতিটুকুও হয়তো থাকবে না দু'দিন পর, তবু আজকের এই মুহূর্তের শূন্যতাটুকুও তো সত্য

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29051018 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29051018 2009-11-29 02:51:33
এমনে হয়নারে পাগলা
কিন্তু এমনে হয় না, কেমনে হয় জিগাইয়া লাভ নাই জানিনা
এমনে হয়না বইলা যে এমন কওয়া যাইব না তাও কইনা কিন্তু এমনে হয় না


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29046325 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29046325 2009-11-19 19:37:11
আসেন গ্যাজাই
কে কি দিয়া সকালের নাস্তা করলেন আসেন ঐটা দিয়া গ্যাজানো স্টার্ট করি তারপর আস্তে আস্তে ডিনারে কি খাওয়া যায় সেইটা নিয়া গ্যাজানো যাবে

আসেন স্টার্ট করি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29039672 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29039672 2009-11-08 05:28:10
জনাব নাসির উদ্দিন খান এবং ০০৭৭৭৭৭ আপনারা কে কার অলংকার?? () Click This Link

আজ আবার নাসিরউদ্দিনখান এই গল্প পোস্ট করেছেন
Click This Link

মনে হচ্ছে না ওনারা দুজন একি ব্যাক্তি তাহলে জনাব নাসিরউদ্দিনখান কেন আপনি অন্যের গল্প কপিপেস্ট করে নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছেন?

আর যদি আপনারা দুজনি কোন লিটল ম্যাগ থেকে কপি করে থাকেন তাহলে প্লীজ সূত্র উল্লেখ করে দেন।

ব্লগে চুরিদারি বেশি বেরে যাচ্ছে। এখন তো কোন ভালো গল্প পড়লেই মনে হবে এটা কী এইলোক নিজে লিখসে নাকি কপিপেস্ট। এত বড় ব্লগে চুরিদারির খবর রাখা মডারেটরদের পক্ষে মোটামোয়ি অসম্ভব। আমরা যারা এখানে ব্লগাই সবাইতো মোটামুটি শিক্ষিত রুচিশীল আর কবি ও গল্পকারদের কাছ থেকে এ ধরনের ব্যাবহার বেশ পিরাদায়ক।
সবাই সচেতন হোন।

আমি আমার ব্লগে আগডুম বাগডুম যাই লিখি সেটা আমার লিখা আমি চাইনা সেটা আমার বীনাঅনুমতিতে অন্যকেউ প্রকাশ করুক।

ধন্যবাদ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29039257 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29039257 2009-11-07 14:01:13
এন্জেলস & ডেমনস পড়ে ফেললাম
আমার কাছে বইটার মূল আকর্ষন মনে হয়েছে ইলুমিন্যাটি ব্রাদারহুডের বর্ননা, তাদের কাজকর্ম, সিম্বলগুলোর বিশ্লেষন, বিভিন্ন শিল্পও স্থাপত্যের বর্ননা কিন্তু যেহেতু ইংরেজীতে আমি একটুও স্বচ্ছন্দ না এবং রোম, ক্যাথলিক চার্চ, ভ্যাটিক্যান সিটি, েসব ট্র্যাডিশন সম্পর্কেও
অজ্ঞ তাই সেসব বর্ননটা ঠিক ভিজুয়ালাইজ করতে পারিনি, বুঝতেও পারিনি শুধু তৃষ্ণা বেড়ে গেছে এব্যাপারে আরো জানতে হবে, বিশেষ করে রেনেসাঁর সময়কার চার্চের সাথে বিজ্ঞান চর্চার দ্বন্দের ইতিহাস টা

ডিটেকটিভ কাহিনী মনে হয় বেশি পড়ে ফেলছি কোন বই পড়া শুরু করলে যারে একফোটাও সন্দেহ করা উচিৎ না তারে সন্দেহ কইরা সে কেন করসে ঐটার স্বপক্ষে যুক্তি দাঁড় করানোর চেষ্টা করি এই খানেও বই শেষ করার অনেক আগেই বুঝে ফেলসি সো এইটা ঠিক গোয়েন্দা কাহিনীির টান টান উত্তেজনা ধরে রাখতে পারে নাই।

বই এর ফিনিশিং ও ঠিক জুইতের লাগে নাই।

তবে বইটা পড়ার পর মনে হইলো ভালোর জন্য মন্দ খুব প্রয়োজনীয়, গডের জন্য শয়তান, গডের নিজের পজিশন সুসংহত করার জন্যই সে শয়তানের সৃষ্টি করসে বাট সৃষ্টি যেহেতু স্রষ্টা কে ছাড়ায় যাইতে পারে না শয়তানের পক্ষেও গডের চেয়ে বড় শয়তান হয়ে ওঠা সম্ভব হয়নাই।
অথবা হয়তো মানুষ সব সময়ি যুদ্ধবাজ, সেই সৃষ্টির সময় থেকে টিকে থাকার জন্য বিভিন্ন প্রতিকূলতার সাথে যুদ্ধ করতে করতে সে সব সময়ি একটা অপজিশন খোজে অথবা আস্রয়।

কোহলারের কিছু কথাও বেশ ভালোই নাড়া দিয়েছে, কথা গুলো অনেকটা এরকম ধর্মিয় (দার্শনিক/আত্মিক) জিজ্ঞাসা আর বৈজ্ঞানিক জিজ্ঞাসা আসলে আলাদা না, প্রাচীন কাল থেকে মানুষের মনের সব প্রশ্ংুলোর উত্তরের খোঁজেই ধর্ম এসেছে আর বিজ্ঞান সে সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছে দিচ্ছে দেবে তবে প্রতিটি উত্তর ই নতুন আরোশাজার টি প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

একটুখানি কপিপেস্ট করলাম:
"Oh, that faithless world! Someone must deliver them. you. if not you, who? Show them the old Demons. Remind them of their fear. Apathy is death. Without Darkness their is no light. Without Evil their is no good. Make them choose. Dark or light. ..........'

যাই হোক ব্লগারদের কাছে দুটো ব্যাপার জানতে চাচ্ছি:
১) ইলুমিনিটি এবং ম্যাসন সম্পর্কে যে জা জানেন জানালে ভালো হয়, আসলেই কি বুশ-ক্লিনটন এরা সব ম্যাসন ? এদের উদ্দেশ্য-বিধেয় কার্যক্রম কি?

২) অন্য একটা এন্টিম্যাটার সম্পর্কিত সায়েন্স ফিকসন এবং আরো কিছু সায়েন্স ফিকশনে পড়লাম যে আইনস্টাইন নাকি ইউনিফায়েড থিওরি আবিষ্কার করেছিলেন কিন্তু এটার মিসইউস হবে এজন্য প্রকাশ করেনি। এটা কি শুধুই সায়েন্স ফিকশন লেখকদের কল্পনা নাকি বিজ্ঞানি মহলে প্রচলিত রিউমার?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29038563 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29038563 2009-11-06 08:18:33
ক্ষ্যাত গুরুপের সদস্য সংখ্যা সেন্চুরী পূর্ণ করা উপলক্ষে একটি কেক কুক মুলক পোস্ট সদস্য: ১০২ জন
পোস্ট: ১২৬ টি
মন্তব্য: ২৮৪ টি
সবাই মন্তব্য লিখবেন
সবাই দেখতে পারবেন
পোস্ট মডারেটেড নয়
মন্তব্য মডারেটেড নয়

ক্ষ্যাত গ্রুপের বর্তমান পরিসংখ্যান দেখিয়া আপনারা ভাবতেপারেন যে ক্ষ্যাতিশ বোর্ড দিরং করি ফেলছে, ১০২ টা সদস্য হওয়ার পর সেন্চুরি পোস্ট দিতেসে কিন্তু ঘটনা তা না এইখানে একটা প্যাচ আছে প্যাচ টা হইলো পাক্না মোটেই ক্ষ্যাত না সে ভদ্র সুশীল আর এই ভদ্র সুশীলরে ক্ষ্যাতস্য পদ দিছে কুচক্রী, ষড়যণ্ত্রী, স্বার্থন্বেষী, স্বৈরাচারী, কালো ডানার কাউয়া কাজেই আসল ক্ষ্যাত্রা এই দুইজনের ক্ষ্যাতস্য পদ স্বীকার করেনা। তাইলে ক্ষ্যাত সংখ্যা কত:
১০২-(সুশিল পাক্না+কালো কাউয়া) = ১০০।

অতএব হ্যাপ্পী সেন্চুরী পুর্তি, আগে কাউয়ার পোস্টে যে আনন্দ উদযাপন করছেন ঐটা আসল না , আমিই আসল ক্ষ্যাতিস বোর্ড, এইটা আসল সেন্চুরী উদযাপন পোস্ট আর সকল ক্ষ্যাতরা এইখানে আসি কেক-কুক রান্ধেন।


আর কাউয়ার কালো পাক্না ভাঙি দাও ; গুড়িয়ে দাও
মনে রাখবেন
আম্রা ক্ষ্যাত আমাদের নেই অধিকার ইচমাটদের এই গুরুপে নেয়ের

ক্ষ্যাত শক্তি জয়জুক্ত হউক
জয় ক্ষ্যাত
ক্ষ্যাত জিন্দাবাদ
ক্ষ্যাতদের লাল সালাম
........................................

হ্যাপ্পী ক্ষ্যাতিং]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29037437 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29037437 2009-11-04 09:41:32
ঋতু ঋতুরা ঋতুগন
ঋতু পরীক্ষায় ফার্স্ট হয়, আমাদের মফস্বল শহর দীর্ঘদিন পরে আরেকটা বোর্ডে স্ট্যান্ড করা ছাত্রী পাবার সম্ভাবনায় মুখর হয় কিন্তু সেজন্য আমি ঋতুকে ঈর্ষা করিনা ঋতু ফার্স্ট হলেও আরো অনেকে সেকেন্ড, থার্ড হয় আমার ওসবের দরকার নেই ঋতুর গায়ের রংটা চাপার দিকে ওফার্স্ট/সেকেন্ড হোক , আমার দুধে আলতা গায়ের রং আমাকে মেধাবী, টাকা এবং টাকওয়ালা বর ঠিকি জুটিয়ে দেবে, কে জানে তখন হয়তো আমার বর ভাগ্যে ঋতুই আমাকে ঈর্ষা করবে!!!

ঋতু কবিতা আবৃত্তি করে , বিতর্ক করে, তুখোর বক্তা হয়ে মফস্বল কলেজ আলোকিত করে (এর আগে আমরা অনেকদিন পর আরেকটা বোর্ডে স্ট্যান্ড করা ছাত্রী পাই)। না না এজন্যও আমি ঋতুকে ঈর্ষা করিনা, আমি গান গাই এবং বলতে নেই বেশ ভালোই গাই, আমি যখন ভালোবাসি ভালোবাসি গাই বুঝতে পারি সব তরুনশ্রোতাকুল ভাবতে ভালোবাসে আমি তাদের উদ্দেশ্যেই গান গাইছি।

তারপরো আমি ঋতুকে ঈর্ষা করি আজ বহুদিন ধরে।

আমি যখন রাস্তার মোড়ের বখাটেদের ছুড়ে দেয়া কথায় আহত হয়ে মাথা নিচুকরে বাড়ি ফিরি ঋতু তখন তাদের কাউকে চড় মারার সাহস দেখায় বলেই আমি কি ঋতুকে ঈর্ষা করি ? হয়তো বা।

আমি যখন নতুন শাড়িতে গুজরাটি কাজ টা সুতোর কারুকাজে সূক্ষ করে তোলায় ব্যাস্ত ঋতু তখন তসলিমা নাসরীন কে কেন দেশে থাকতে দেয়া হবে না, লজ্জা কেন নিষিদ্ধ করা হবে এসব নিয়ে বিতর্কে, বিদ্রোহে ব্যাস্ত তাই হয়তো আমি ঋতুকে ঈর্ষা করি।

আমি যখন হুমায়ুন আহমেদের মৃন্ময়ীর কেন মন খারাপ সেটা বোঝার চেষ্টা করি ঋতু তখন হুমায়ুন আজাদেন নারীরা কবে মানুষ হবে সেটা নিয়ে চিন্তিত হয় তাই ঋতু আমার ঈর্ষার পাত্রী।

ঋতু যখন আপাত তুচ্ছ অপরাধে(আমার কাছে তুচ্ছই মনে হয়েছিলো) দীর্ঘদিনের প্রেমিকের (ওর ভাষায় কমরেড) সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে গোপন কষ্টে আমার কাছে কাঁদতে আসে আমি তখন কাজের মেয়ে সংক্রান্ত জটিলতার পর পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে আমার স্বামীর ভাবমুর্তি কিভাবে পুনরুদ্ধার করবো , ঐ ছেনালী মাগীর-ই যে সব দোষ, জাহিদ যে কত ভালো , ওকে কিভাবে ফাসানো হয়েছে সেসব চিন্তা করতে করতে ঋতুকে ঈর্ষা করি...........................

সাংসারিক জটিলতায় দীর্ঘদিন ঋতুর খবর রাখা হয় না, ঋতুকে ঈর্ষা করাও হয় না তার বদলে এখন আমি আমার সেঝো জা কে ঈর্ষা করি তার বর তাকে দেড়ভড়ী সোনার নেকলেস বানিয়ে দিয়েছে বলে অথবা আমার ছোট ননদ কে ঈর্ষা করি ওর নতুন বাড়ি দেখতে দেখতে।

দীর্ঘদিন পর ঋতুর খবর পাই ও এখন ভীষন ব্যাস্ত ওর পরনারী আসক্ত স্বামীকে ঘরমুখো করতে, ঝগড়া,কাউন্সেলিং, তাবিজ-কবজ, পানি -পড়া কিছুই বাদ রাখেনি এখন বাপের বাড়ি এসেছে সুতাবাবার সুতাপড়া নিতে এই সুতা হাতে বেধে দিলে বষিকরন নিশ্চিৎ। আমার আর ঋতুকে ঈর্ষা করার কারন থাকে না, আমি বরং ঋতুকে করুণা করতে পারি- "সেই তো মল খসালি তবে কেন লোক হাসালি"।

তারপরো আমি ঋতুকে ঈর্ষা করি ঋতু আমি হওয়ার আগে অনেকদিন মানুষ হবার চেষ্টা করেছে কিন্তু আমি কোনদিন ঋতু হইনি, সেদিন যদি আমরা সবাই যদি ঋতু হতাম আজ হয়তো চারপাশে এত ঋতু বা আমাকে দেখতে হোতো না। তাই আমি ঋতুকে ঈর্ষা করতে করতে নিজেকে একটু একটু ঘৃনা করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29034476 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29034476 2009-10-30 04:22:26
যাপিত জীবনের টুকরো চিত্র এবং তা থেকে উপনিত অনুসিদ্ধান্ত সমূহ ক)কথাকলি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে জনৈক বালিকাকে খুব বাজে ভাবে টিজ করা হয়েছে ; এরকম বাজে টিজ শোনার পরো মেয়েটা বেচেই আছে এখনো ঠিক আত্মহত্য করে উঠতে পারেনি; সাহস কম কিনা, আত্মহত্যা করে উঠলে নিদেন পক্ষে আত্মহত্যার ট্রাই নিলে জনমত তার পক্ষেই থাকতো, আমরা এখনো এতখানি খারাপ হইনি মৃতার চরিত্র নিয়ে অযথা খারাপ কথা বলবো। আত্মহত্যা না করায় বিষয়টা কি দাঁড়ালো আসুন দেখি:
বালিকা১: কণাটার ভাব বেশি; টিজ করসে তো কি হইছে ফিরা উত্তর দেয়া লাগবো
বালিকা২: ছেলেরা একটু আঁধটু বলেই। অত ধরলে হয়
বালিকা৩: আমরা তো প্রতিদিন যাই কই কোনদিন তো কিছু শুনিনা; ওরেই কয় কেন?
বালিকা৪: হ ওর দোষ না থাকলে পোলাপান সাহস পায়, যেমনে কোমর দুলায় দুলায় হাটে মরা মানুষ জাইগা উঠবো আর ওরা তো ওরা, ........................

খ) বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের জনৈক বালক টিজ শুনলে তার বন্ধু মহলের প্রতিক্রিয়াটাও একটু দেখি:
বালক ১: আমাদের শুভকে আজকে মেয়েরা টিজ করছে; শুভ পার্টি দে
বালক ২: মনটা উদাস হয়ে গেল, আহারে কেউ কোন দিন আমারে তো টিজ করলো না আআআআ
বালক৩: কিরে বলদ তোরে মাইয়ারাও টিজ করে
বালক ১: আজকালকার মেয়েরা কঠিন চিজ, তিনটার সাথে প্রেম করে, পাঁচটারে ঝুলায় রাখে; এরা টিজ করবো না তো কি করবো......

২।
ক)বিথির পুরোনো প্রেম এবং আধুনিক প্রেমের অন্যান্য উপসর্গ সম্পর্কিয় ঘটনা জানার পরো জুবায়ের আর বিথির বিয়েটা বেশ ভালোভাবেই টিকে যায় এবং এ সংক্রান্ত কোন সাংসারিক জটিলতা বাস্তবিকই তৈরী হয় না।
এ ব্যাপারে বিথির বান্ধবিদের মনোভাব জানা যাক:
রূমা: শুনেছিস কনা বিথির ব্যাপারটা?
কনা: হুমম, বিথির ভাগ্যটা ভালো। জুবায়ের ভাই খুবি ভালো মানুষ উদার মনের মানুষ।
রূমা: হুমম, একদম হাম দিল দে চুকে সনম এর অজয় দেবগণ <img src=" style="border:0;" />

খ)জুবায়ের এর পুরোনো প্রেম এবং আধুনিক প্রেমের অন্যান্য উপসর্গ সম্পর্কিয় ঘটনা জানার পরো জুবায়ের আর বিথির বিয়েটা বেশ ভালোভাবেই টিকে যায় এবং এ সংক্রান্ত কোন সাংসারিক জটিলতা বাস্তবিকই তৈরী হয় না।
এ ব্যাপারে জুবায়ের বান্ধুদের মনোভাব জানা যাক:
জাহিদ: হ্যালো, সুমন শুনছিস তো জুবায়েরের বিয়ে, ডাক্তার মেয়ে
সুমন: হ, শালায় ভার্সিতিতেও মৌজে থাকসে এখন বিয়াও করতেসে ভালো।
জাহিদ: হুমম, আজকালকার মেয়েরা পয়সা ছাড়া কিছু চিনে নাকি, ছেলের ক্যারিয়ার ভালো; শ্বশুরের পয়সা আছে আর কী লাগে...
সুমন: আর মেয়েও ধোয়া তুলশী পাতা নাকি খোজনিলে দেখা যাবে সেও কয়েক ঘাটের পানি খাওয় & ব্লা ব্লা ব্লা

৩।
ক)
স্কলাস্টিকা কিন্টারগার্ডেন এর গেটের পাসের মাঠে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ভাবিরা দলবেধে আড্ডা দিচ্ছে স্কুল ছুটির অপেক্ষায়, আসুন আমরা কোন এক আড্ডায় ঢুকে যাই:

ভাবি১:ভাবির চেইনটা তো খুব সুন্দর, এত সরু চেইনেও নকশাটা কি সুন্দর ফুটে উঠেছে
ভাবি২: আমার সেঝ মামা দিয়েছিল বিয়েতে সৌদি থেকে আনানো
আচ্ছা ভাবি অর্থির মা কে দেখিনা বেশ কিছুদিন, জানেন নাকি কিছু?
ভাবি১: ওমা ভাবি আপনি জানেন না; কি আর বলবো লজ্জ্বার কথা, অর্থির বাবার সাথে ওদের বাসার কাজের মেয়ে................................................................................................................................................................................
ভাবি২: কি যে অবস্থা ভাবি, আজকালকার কাজের মেয়েগুলোর ওপর কোন বিশ্বাস নেই, সবগুলো বাড়ির পুরুষদের মাথা খারাপ করার জন্য তৈরী হয়ে থাকে, সাজের কি বাহার, ইচ্ছা করে করে ওর সামনে দিয়ে একশো বার উপুর হবে এটা ওটা ছুতোয়, কাজের লোক রাকাহই যাবে না মনে হচ্ছে, ভালো মেয়ে কোথায় পাবো.........

খ) নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বারোয়ারি পুকুরঘাটে কাপড়-চোপর ধুচ্ছে রহিমুদ্দি কলিমুদ্দির বৌ অথবা বাসন মাজছে রাম-শ্যাম-যদু-মধুর মায়েরা, আসুন আমরা তাদের কথোপকথন শুনি:
অই পচার মা ইট্টু সইরা ব, আমি বাসনডি ধুইয়া লইয়া যাই
পচার মা; ভাবি কি যেন হুনি হাচানি
ভাবি:হাচা না তয় মিছা নাকি; আমি আগেই কইছিলাম মাগীর খাই বেশি, জামাইডা বৈদেশে আর হ্যা বাড়ির রাখালের সাথে ........ কাইল এক্কারে হাতে নাতে ধরা পরছে, কতায় আছে না চুরের দশদিন গেরস্থের একদিন।
পচার মা:হ আমারো হ্যার ভাবসাব ভালো ঠেকতো না; এত জ্বালাও থাকে গতরে, এই কাম করার আগে মরতে পারলো না, অরে তো একঘরে করার কাম , গেরামটা নষ্ট হইয়া গেল.........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29029887 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29029887 2009-10-22 05:28:17
আবহমান বাংলার প্রবাদ প্রবচন সমূহ সংকলন (একটা প্রবাদ কইয়া যান)
যেমন "চোরের সাক্ষী গাইদ কাটা" এটা খাস বাংলা প্রবাদ তবে চোরে চোরে মাসতুত ভাই এটা একটা ইংরেজী প্রবাদের বঙ্গানুবাদ মনেহয়।

তো ব্লগার রা আমি স্টার্ট করছি আপনারা আশা করি কন্টিনিউ করবেন:

১) চোরের সাক্ষী গাইদ কাটা
২)ঐ দিন আর নাইরে নাতু, খাবলা খাবলা পায়রার ছাতু
৩)সেই তো মল খসালি তবে কেন লোক হাসালি
৪)কইলাম কথা সবার মধ্যে; যার কথা তার গায়ে যায় বিন্দে
৫)যার বিয়া তার খবর নাই পারা পড়শির ঘুম নাই
৬)কী জামানা আইলো রে নানী; বাঘের খাচায় ছাগল ঢুইকা করে কত মস্তানি
৭)শিয়ালের কাছে মুরগী বর্গা
৮)অতি বড় সুন্দরি না পায় বর
অতি বড় ঘরণী না পায় ঘর
৯)আপনি খেতে ভাত পায় না শংকরারে ডাক
১০)ভাত পায় না চা খায়

১১) আপ ভালা তো জগৎ ভালা।

১২) সব রসুনের একই কোয়া।

১৩) নিজে বাচলে বাপের নাম।

১৪) নাতিখাতি বেলা গেলু শুতি পারলামনা।

১৫) নংটার নাই বাটপাড়ের ভয়।

১৬) যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা।

১৭) ঘোমটার তলে খেমটা নাচ।

১৮) যারে নিন্দে, তারে পিন্দে।

১৯) আপনে বাঁচলে বাপের নাম

২০) সকল কিচু মানি, তাও ভাই তালগছডি হামারই (বিচার মানি তালগাছ আমার)
২১)সুনার আংটি আবার ব্যাকা-সুজা
২২) স্বর্ণকারের খুটখাট কামারের এক ঘা!

২৩)কামারের দুহানে কুরান শরীফ পরুমনি?
২৪)হাতী কাদায় পড়লে চামচিকায়ও লাথি মারে
২৫)হোদল বনে শিয়াল রাজা
২৬) তোর গোয়ালে মোর বিয়াইছে গাই সেই সুত্রে তালতো ভাই
২৭)ঠাকুর ঘরে কে রে ? আমি কলা খাই না
২৮)নোন ছাড়া ঘি মাটি
২৯)কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে টাঁশ টাঁশ
৩০)হাতি ঘোড়া গেল তল মশ বলে কত জল
৩১)লাখ টাকা লাখ টাকা তিন কুড়ি তিন টাকা
৩২) কই হইল আগরতলা
আর, কই চৌকিরতলা

২৪)যেই না মাইয়ার চেয়ারা
নাম রাইখছে ফেয়ারা জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
২৫) নদীর পানি ঘোলা ভালো; জাতের মেয়ে কালো ভালো
২৬)আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি
২৭)কিয়ের মইধ্যে কী পান্তাভাতে ঘি
২৮)বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিঁচি ।
২৯)মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি
৩০)ভাত দেয়ার ভাতার নাই ; কিলানোর গোসাই
৩১)হাতে দৈ মুখে দৈ
তবু কয় কৈ দৈ?
৩২)আকামের মাঝু
কদু কুটনের যম। (মানে কী??)
৩৩)নুন খাই যার গুন গাই তার
৩৪)কাছা দেয়ার কাপড় নাই মাথার ওপর ঘোমটা চাই
৩৫)গরীবের বৌ হগ্গলের ভাবি

৩৬)১৮+
রাজায় কইছে ুদি'র ভাই
আনন্দের আর সীমা নাই।
(১৮+
রাজায় কইছে শালার ভাই
আনন্দের আর সীমা নাই।
)
৩৭)বিলাইর মুতে আছার খাওয়া (পচা শামুকে পা কাটা)
৩৮)শাক দিয়া মাছ ঢাকা
৩৯)আপনের চেয়ে পর ভালো; পরের চেয়ে জঙ্গল ভালো
৪০)ধোঁয়া আর প্রেম চেপে রাখা যায় না
৪১)প্রেমের মরা জলে ডুবে না
৪২) এমনেই নাচুনে বুড়ি তার ওপর ঢোলের বাড়ি

চেষ্টা চরিত্র করলে মনে হয় আরো কিছু লিখতে পারবো তবে আমি সব লিখলে আপনারা কী লিখবেন; আর আপনারা কিছু না লিখলে পোস্ট হিট হবে কেমনে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29026619 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29026619 2009-10-16 04:01:38
অব্লগার ব্লগিয় পরিচিত জনেরা.............
আমি যাদের ব্লগীয় ফুপ্পী:
প্রথমেই বলতে হয় রাজকন্যার কথা, সেই বোধয় প্রথম অব্লগার যার সাথে ব্লগীয় পরিচয় হয়, রাজকন্যা হচ্ছে ব্লগার অমি পিয়াল এর মেয়ে, যার সাথে পরিচয় "রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত-http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28795051"-- পোস্টের মাধ্যমে

এর পর বলতে হয় আদিত্য সোনামনির কথা <img src=" style="border:0;" />, সে মাসাল্লাহ বাপেরমতই প্রেমিক পুরুষ হবে আশা করা যায়, Click This Link

আমাদের গ্যাদা, নুশেরাপুর মেয়ে, সে আবার আপুকে নানীও বানায় দিসে ৩ নাতির <img src=" style="border:0;" /> Click This Link

এক উদাসীন মেয়ে জাফনা (Click This Link) আমাদের শ্রাবনসন্ধ্যার মেয়ে <img src=" style="border:0;" />, কেন যেন মনে হয় এই মেয়েটা বড় হয়ে শামুক টাইপ হবে, হোক শামুক টাইপ হওয়া এই জীবনে খুব দরকারী।

প্রিয়ন্তী, ব্লগার শওকত হোসেন মাসুম এর মেয়ে, এর সম্বন্ধে অবশ্য বেশি কিছু জানি না তবে এ মনেহয় তারাতারি বড় হয়ে যেতে চায় <img src=" style="border:0;" /> Click This Link

আইমান এবং মনামী মেহবুবার বইপাগল মেয়ে এবং চিন্তাবিদ ছেলে Click This Link

রোবোট নানার দুই মেয়ে যারা গায় "সপেনা যাতনা, বিদস গুনিনা .. তুমিনা, আমিনা..।"
এবং "তিনকা তিনকা লিশাদা.। " -- এই দুটো কোন গান বলতে পারেন কী ব্লগার রা <img src=" style="border:0;" />

আমি যাদের ব্লগীয় ভাবী/ননদ
এই ক্যাটাগরি তে প্রথমেই বলতে হয় গ্যাদার বাপের কথা, বেচারা মনে হয় সবচেয়ে দুর্ভাগা ব্লগীয় অব্লগার, না ব্লগায়াও ব্লগিও পচানি খাইতেসে প্রায়সই

এরপর আছে শওকত হোসেন মাসুম্বাইএর সাথে যার একই দিনে বিয়ে হইছিলো সেই মাসুমভাবী, ভাবীরে বলতে চাই আপনার ড্রাইভার বড়ই বেয়ারা উহাকে শাসন করেন এবং বেতন কর্তন করেন, প্রওজনে ওভার টাইম ও করাইতে পারেন।

লীনা দিলরুবার বিলকিসের বাপের কথা মনে হইলে চোক্ষে মোটামুটি প্রায়ই পানি চলে আসে আমার বিলকিসের বাপ যদি আমারে এমনে হারাইতো..........(দীর্ঘশ্বাসের ইমোর অভাব প্রকট ভাবে বোধ করতাসি)

প্রতু ভাবী, আমি ঠিক কোথাও প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ভাইরে তারে নিয়ে লিখতে দেখিনাই কিন্তু তার বিয়ের আগে তার পাত্রী দেখা নিয়া ব্লগে যে শোরগোল পরেছিলো তাতে প্রতু ভাই বিয়ে করার অনেক আগে থেকেই প্রতু ভাবী আমার ব্লগীয় আপন জন।


মারিয়া হ্যা অনার্য তাপসের মারিয়ার কথাই বলছি, খুব জানতে ইচ্ছে হয় মারিয়া আর অনার্যর খবর, কোন অগ্রগতি কি হোলো ..........

অনিক, ব্লগার প্রজ্ঞা তাসনুভা রুবাইত এর সেই অনিক, তার ভালোবাসার মানুষ, অনিকের কথা লিখায় যাকে শুনতে হয়েছিল ব্লগার প্রজ্ঞা তাসনুভা রুবাইয়াৎ কী অনিক নামে কারো আক্রমনের স্বীকার <img src=" style="border:0;" />

কি-খি-গি, আমাদের ক-খ-গ এর বেটার হাফ, ওপরওয়ালা ওনাকে ক-খ-গ কে সৈহ্য করার তৌফিক দান করুক।

অন্যন্য:
এবার যাদের কথা লিখছি তারা ঠিক রক্ত মাংসের মানুষ নয় তাই তাদের ব্লগার বা অব্লগার কোন কিছুই হয়ে ওঠার অবকাশ নেই তবুও ব্লগে না এলে তাদের সাথে পরিচয় তো হতো না তাই তাদের কথাও লিখি

মনামি , মনজুরুল হকের কবিতা কন্যা, আমার প্রায়সই মনামির সাথে একবার দেখা করার সাধ যাগে, মনামির মাঝে আমি আমার আরেক প্রিয় চরিত্র গৃহদাহ এর অচলার ছায়াও দেখি।
"মনামি ভালো আছ

তুমি কী ভালো নেই মনামি

"

রুপকথা, সাঁঝবাতির রুপকথার রুপকথা সিরিজ টা খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম আরো তার চেয়ে অধির ভাবে সিরিজটার জন্য অপেক্ষা করতাম কিন্তু শয়তান সাঁঝু সিরিজটা কন্টিনিউ করলো না, সাঁঝুর অর্ধেক মানবী আর অর্ধেক কল্পনার রুপকথার সাথেও মাঝে মাঝেই দেখা করতে মন চায়।

বালিকা <img src=" style="border:0;" />, ঠিক ধরেছেন রাশু ভাইর বালিকা, সারা জীবন বিভিন্ন মন্তব্যে তার নামই শুধু শুনে গেলাম, ছ্যাকা রাশু এখন পর্যন্ত প্রেমিক রাশু হতে পারলো না আর তার বালিকার কথাও বিস্তারিত জানতে পারলাম না।

বুড়ি-- হাল্ক/আখনাসুল এর বুড়ি ও রাঈ কিশোরির বুড়িকেও জানতে মন চায়

------------------ এসব ছাড়াও আরেকটা দৃশ্য মাঝে মাঝে ই কল্পনা করি তমিম ইরফানের মা হাতে বেলন নিয়া তার পেছনে দৌড়াইতেছে----------]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29025493 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29025493 2009-10-14 06:17:12
আমার প্রেমিক্রা (একটাই পর্ব <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />) আমি তখন বেশ ছোট, ঠিক ঠাক মতন কিছু মনে নাই। আম্রা তাদের বাসায় ভারা থাকতাম। ধরি তার নাম ছিল রূপক - রূপক ও তখন আন্ডা বাচ্চা ছিলো। আম্রা বড় হবার আগেই আমার বাবার চাকুরীজনিত কারনে সেই এলাকা ত্যাগ করলাম। ঐ সময়কার আরো অনেক বন্ধুর মতন রূপকের কথাও আমার স্মৃতি মুছে ফেলতে পারতো, ইনফ্যাক্ট নাম ছাড়া আর কিছু মনেও নাই, নামটাও মনে আছে কারন তারসাথে তোলা আমার ছবিগুলা আমাদের বাসার অ্যালবামে আছে।

পাক্নার আমার প্রেমিকারা সিরিজ পড়ে আমার কেবলি রূপকের কথা মনে পরে। মনে হয় এইচ এস সি শেষে যখন কোচিং করতাম অথবা বিভিন্ন জায়গায় ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে বেরাচ্ছিলাম অথবা অন্য যেকোন সময় আমার রূপকের সাথে দেখা হইতে পারতো..........................কথায় কথায় আমরা জানতে পারতাম তুমিই রূপক আমিই কঁাকন, আমরা আমাদের কারো জন্মদিনে কোন গান গাই নাই কিন্তু ওপেন্টি বায়োস্কোপ অথবা ফুলটোক্কা নিঃশ্চই খেলসি সেগুলা আমার মনে না থাকলেও রূপকের মনে থাকতে পারতো, আর দুজনের কারোই মনে না থাকলেও সমস্যা নাই আম্রা বইসা বইসা স্মৃতি বানাইতে পারতাম ......................... আরো অনেক কিছুই হইতে পারতো .................................
কিন্তু হায় কিছুই হইলো না এই জীবনে ইনফ্যাক্ট রূপক নামে আর কোন ছেলের সাথে দেখাই হইলো না ; নামটা তো খুব একটা আনকমন ছিলো না তবুও দেখা হইলো না..............

জীবনে অনেক কিছুই হইতে পারতো যা হয়নাই কিন্তু পাক্নার সিরিজ পড়ার পরথিকা রূপকের সাথে আরেকবার দেখা না হওয়ার দুঃখটাই প্রকট হইয়া উঠতেসে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29022811 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29022811 2009-10-09 04:58:55
এই বেলা মাইনাচ দিয়া যান (ব্লক করে দিলে আর সুযোগ পাবেন না) " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29021742 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29021742 2009-10-07 05:55:06 ফাউল পোস্ট (ফাউল মেঘুরে আবার এগেইন পুণরায় স্বাগতম) যেহেতু আমার হাতে রিমোট ছিলো সেহেতু যথেষ্ট পরিমান টাইনা টুইনা যেটুকু দেখলাম তাতে মনে হইলো এইটা ইংলিশ ছবি "সি ইজ দ্যা ম্যান " এর দূরবর্তী ছায়া অবলম্বনে বানানো হইছে এবং এতে যথেষ্ট পরিমান ইমোশন, রোমান্স, গান ....... হিন্দি সিনেমায় যা যা থাকে আর কী সব ই যোগ করা হইছে সাথে আবার একচিমটি নারী অধিকার ও যুক্ত করা হইছে যেটা আমার সবচেয়ে বেশি অসৈহ্য লাগসে।

শী ইজ দ্যা ম্যান সিনেমাটা ভালো লাগসিলো কিন্তু এই সিনেমাটা ভালো লাগে নাই তার দুইটা মানে হইতে পারে এক দিল বোলে হাড়িপ্পার মেকিং ভালো হয় নাই আর দুই তখন বয়স কম আছিলো যা দেখতাম তাই ভালো লাগতো, শেষের টা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল কারন আমার রাব নে বানাদে জোড়ি ও ভালো লাগে নাই অবশ্য "লাভ আজকাল" ভালো লাগছিলো এইটা একটু আশার ব্যাপার।

এই সিনেমায় একটা থুক্কু দুইটা ক্রীকেট ম্যাচ আছে শেষের ক্রীকেট ম্যাচ টা অত্যন্ত বিরক্তির উৎপাদন করসে, এত গাজাখুড়ি না করে আরো একটু নরমাল ম্যাচ দেখালে মনে হয় ভালো লাগতো। অবশ্য এখানেও একটা কথা আছে লগন দেইখা মুগ্ধ হইছিলাম, লগনের ক্রীকেট ম্যাচ ও মনে হয় যথেষ্ট গাজাখুড়ি ছিলো অনেকদিন আগে দেখসি তো মনে নাই। তয় লম্বু শাহীদ কাপুর আর বাট্টু রাণীরে ক্রীজে দেইখা একটু স্মৃতিকাতর হইছিলাম শচীন-সৌরভের ইয়াদ আসতেছিলো <img src=" style="border:0;" />

এই সিনেমায় রাণীরে সুন্দর লাগসে, এমনিতেই তারে আমি ভালো পাই এতদিন পর সিনেমা করলো, রানীরে তার চরিত্রে মানায়াও গেসে তারপরো তার অভিনয় আমার ভালো লাগেনাই এই সিনেমায়, শাহীদ কাপুরের মায়ের ভুমিকায় যে অভিনয় করসে(কোন পুরোনো নায়িকা হতে পারে চিনতে পারিনাই) সে খুবি বাজে অভিনয় করসে। শাহীদ কাপুরের অভিনয় খুব ভালো লাগসে তবে এখানেও দুইটা কথা আছে সে আসলেই ভালো অভিনয় করসে অথবা অপজিট জেন্ডারের প্রতি দুর্বলতার কারনে তার অভিনয় ভালো লাগসে।

সর্বোপরি আমার নিজস্ব মতামত হইলো সিনেমার মেকিং টা খুবি খারাপ হইছে, মেকিং টা ভালো হইলে এই টা একটা উপভোগ্য হিন্দি সিনেমা হইতে পারতো, মুভিমেকারদের মনে রাখা উচিৎ লোকজন এখন আর হাই ড্রামা পছন্দ করে না।

যাই হোক এত ধানাই পানাই করে যেটা বলতে চাই যারা সিনেমা দেখবেন তারা নিজ দায়িত্বে দেখবেন যারা দেখবেন না তারাও নিজ দায়িত্বে দেখবেন আমার রুচির ওপর ভরসা করবেন না <img src=" style="border:0;" />
আর নতুন কোন হিন্দি সিনেমা দেখে ভালো লাগলে আমারে একটু জানায়েন অনেকদিন উপভোগ্য হিন্দি সিনেমা দেখিনা।
আর ঈদে কে কি নাটক দেখলেন একটু জানান, ফাউল-হাসির নাটক দেখতে চাই, কালকে বাঙালী দোকানে যাব নাটকের সিডি কিনতে কোন নাটক আনব জানাইয়া দুই জাহানের অশেষ নেকি হাসিল করেন।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29019050 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29019050 2009-10-02 06:32:47
সামুব্লগ তারকাদের একটুকরো ঈদরঙ্গ
নুশেরার বাসা:
নুশেরা: গ্যাদার বাপ আজকে থিকা তুমি বসার ঘরের সোফায় ঘুমাবা, তোমার নাসিকা গর্জনে আমার নিদ্রাভঙ্গ হয়, সারাদিন ব্লগায়া রাতেও তোমার জ্বালায় ঘুমাইতে পারি না, এই মাত্র তোমার নাকডাকার শব্দে আমার ঘুম ভাইঙ্গা গেল
গ্যাদার বাপ: আমি তো অনেক আগেই উঠে গেসি ঘুম থেকে , ঈদের জামাতে যাব গোসল করলাম <img src=" style="border:0;" />
নুশেরা: কিন্তু আমি শিওর আমার ঘুম নাক ডাকার শব্দেই ভাঙছে
গ্যাদার বাপ<img src=" style="border:0;" />মিন মনি করে) মনে হয় নিজের নাক ডাকার শব্দেই ঘুম ভাঙছে
নুশেরা: <img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

সামহয়ারের মোরে নির্ঝর আর আশরাফ:
নির্ঝর নৈঃশব্দ: আশরাফ ঈদের চাঁদটা খেতে পারছি না
আশরাফ:কি বলছো নির্ঝর ঈদের চাঁদ কেন খাবে
নির্ঝর: সুকান্ত তো বলেছে পূর্নিমা চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি, সে তো অনেক খেয়েছি, আমিও একটা কালজয়ী কবিতা লিখতে চাই কিন্তু ঈদের চাঁদের সাথে কোন খাবারের মিল খুজে পাচ্ছি না....

দেশীপোলা:
দেশী পোলার বাড়ির সামনে গিয়ে দেখি দেশী বলছে
দেশী পোলা: বার, বার , বার, বার.........
আমি: দেশী আপনি বার বার করছেন কেন?
দেশীপোলা: বার বার বার বার
আমি: ঘটনা কি?
বৃত্তবন্দী: ঈদ মোবারক দেশিপোলা
দেশীপোলা: ১৩ , ১৩, ১৩ ,৩
(উনি আসলে কয়জন নাস্তিক ওনাকে ঈদ মোবারক বলে গুনছিলেন)

নাফিস ইফতেক্ষার:
আমি: নাফিস এবারের ঈদ টা আপনি কিভাবে কাটালেন?
নাফিস: আগামী ঈদে কি করবো সেই চিন্তা করে <img src=" style="border:0;" />, জানেন তো আগামী ঈদে আমি আর জীবিত থাকবো না, আগামী ঈদে আমাকে আর চিন্তা ভাবনা করে পোস্টের বিষয় খুঁজে বের করতে হবে না, মাসুম্ভাইয়ের মত আমিও শহীদ জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে পোস্ট দিতে পারবো।

নাঈম:
নাঈম: হ্যালো সুইটি ডার্লিং ঈদ মোবারক
হ্যালো পরান পাখি বাবলী আমার কথাটা শোন আমি সুইটি নামে কাউরে চিনি না , মডেল সুইটিরেও আমি চিনি না, আমি তো তোমারেই সুইটি ডার্লিং বলসি আদর করে , হ্যালো হ্যালো....
নাঈম: কেমনে এত বড় ভুল করলাম, কেমনে বাবলীরে ফোন্দিয়া সুইটি কইলাম<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

চানমেয়া;
চানমেয়া তার টেবিলে দুটা ল্যাপটপ খুলে বসে আছে, একটায় আমার ব্লগ আরেকটায় সামু ব্লগ, ঈদমোবারক জানানো নিয়ে আমারব্লগে আইজুদ্দিন আর খারেজি যে কাইজাকাইজি করতেসে সেটার লেটেস্ট আপডেট সামুব্লগে দেয়াই তার ঈদটাস্ক।

আউলা+চানাচুর:
চানাচুর: আউলা তুমি আমাকে ঈদির ভাগ কম দিলা কেন
আউল: যা ভাগ , তুই ছোট তাই কম দিসি আমার মত বড় হ তখন বেশি দিব
চানাচুর: এইটা ঠিক না, দুর্নীতি যে পারিবারিক জীবনেও প্রবেশ করেছে এটা নিয়ে আমি সামু ব্লগে পোস্ট দিব , সবার কাছে ফাঁস করে দিব তোমার টাকা মেরে খাওয়ার কাহিনী। আমি শাকিব খানের কাছে চিঠি লিখবো যে তুমি কত বড় অসৎ, তুমি...
আউলা: চানাচুরের হাত থেকে বাকি টাকাটাও কেড়ে নিয়ে, যা ভাগ
চানাচুর: কাঁদতে কাঁদতে প্রস্থান

আমরা এখন আহমেদ মোস্তফা কামালের বাসার সামনে লুল্কাক্কুর একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য আমরা দেখতে পাচ্ছি লুল্কাক্কু ফটোশপে কিসব কারিগরি করছে, হ্যালো লুল্কাক্কু ঈদ মোবারক আপনি কি করছেন?
লুল্কাক্কু:এইতো ফটোশপে ফটো এডিটিং করছি, সিভিতে দেব, নুশেরানানী আমার কাছে সিভি চেয়েছেতো <img src=" style="border:0;" /> (লাজুক হাসি)
কঁাকন: <img src=" style="border:0;" /> নুশেরানানী?
লুল্কাক্কু: না মানে মাসুম আঙ্কেলের কাছে আমার সিভি চাইবার পর থেকে আমি ওনাকে নানী ডাকি <img src=" style="border:0;" />
কঁাকন: ও আচ্ছা, তা আর কি করছেন এই ঈদে
লুল্কাক্কু: ফেসবুক খুলে বসে আচি যদি এপু কোন দাওয়াত নিয়ে আসে <img src=" style="border:0;" /> এখনো কেউ দাওয়াত দিল না .....

~~স্বপ্নজয়~~:
পাক্না: হ্যালো ইলোরা, কেমন আছ, ঈদ মোবারক, আমি? আমার আর ঈদ; তোমার সাথে কাটানো ছোটবেলার সেই ঈদটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুখের ঈদ, এখন তুমিও নাই ঈদের আনন্দও নাই..

দেখা যাচ্ছে পাক্না আবার মোবাইল টিপছে
পাক্না: হ্যালো হুমায়রা, হুমু, কেমন আছ, ঈদ মোবারক, আমি? আমার আর ঈদ; তোমার সাথে কাটানো ছোটবেলার সেই ঈদটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুখে ঈদ, এখন তুমিও নাই ঈদের আনন্দও নাই..

দেখা যাচ্ছে পাক্না আবার মোবাইল টিপছে
পাক্না: হ্যালো লোপা, কেমন আছ, ঈদ মোবারক, আমি? আমার আর ঈদ; তোমার সাথে কাটানো ছোটবেলার সেই ঈদটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুখে ঈদ, এখন তুমিও নাই ঈদের আনন্দও নাই..

দেখা যাচ্ছে পাক্না আবার মোবাইল টিপছে
পাক্না: হ্যালো কাঁকন, কেমন আছ, ঈদ মোবারক, আমি? আমার আর ঈদ; তোমার সাথে কাটানো ছোটবেলার সেই ঈদটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে সুখে ঈদ, এখন তুমিও নাই ঈদের আনন্দও নাই.....


পাক্না: হ্যালো চম্পা...........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

রোবটের বাসা:
অনন্ত দিগন্ত: নানা একমাত্র তুমিই সামুব্লগ থিকা আমাকে দাওয়াত দিলা আর কারো বাসায় তো গেলেও তারায় দেয় <img src=" style="border:0;" />,
নানা: আসো অন্তু একটু সেমাই নাও
অনন্ত: নানা নানী কই
নানা: আর বইলো না , ঈদের দিন ও শান্তি নাই আমি ঈদ স্পেশাল কাচামরিচের সেমাই রান্না করসি দেখে সে গুঁড়াগুড়ি নিয়া বাসা ছেড়ে চলে গেসে সাত দিন পরে আসবে আমি ঈদ উপলক্ষে যা রান্না করসি সব ফালায় না দিলে আসবে না নাও অনন্ট সুরু করো কাঁচামরিচের সেমাইর পরে আছে মাটন চকলেট উইঠ ভিনেগার সস, বাটারমিল্ক ম্যাগি নুডিলস, &..
অনন্ত: জানালয় কে
নানা: আরে কঁাকনা না,জানালয় কেন ভেতরে আসো একটু ঈদের সেমাই খেয়ে যাও অনন্তর সাথে..

কঁাকনা & অনন্ত এক দৌড়ে পৌছে গেছে মমমম১২ এর বাসায়
মমমম১২: আরে অন্তু আর কঁাকন আস
অনন্ত: কি করলে আপুনি এই ঈদে
মমমম: এইতো রান্না করতে করতেই দিনটা শেষ হয়ে গেল, আসো পঠেইঠো রেজালা দিয়ে পঠেইঠো পোলাও খাও সাথে পঠেইঠো স্যালাড আর পঠেইঠো চপ ও আছে, নারে ভাই কোক নাই পঠেইঠো জুস আছে, পঠেইঠো পায়েস তো নিলাই না......

ডিয়ার ভিউয়ার্স এত আলু খেয়ে আমার ঘুম আসছে আর ক্যামেরা নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে পারবো না শুধু যাবার আগে ফাহমিদুল হকের বাসাটা হয়ে যাব

ফাহমিদুল হক: আওয়াজ দো হামকো ..... হাম খো গায়ি, কাভি নিন্দ সে জাগি .........কাভি খো গায়ি.......
কঁাকন: ভাইয়া আপনি হিন্দি গান কেন গাচ্ছেন?
ফাহমিদুল হক: নতুন শতাব্দীর বাংলা সিনেমার হালচাল নিয়ে গবেষনা শেষ আব ম্যা নয়া জামানা কি হিন্দি ফিল্ম কা হালচাল লেকর সোচরাহি হু,
তুমি কি জানো গবেষনা হিন্ডি কী?
কঁাকন: না <img src=" style="border:0;" />
মনজুরুল হক: ফাহমিদ ভাই আপ খো গায়া এবং সো গায়া হবে আপনার সাথে গায়ি যায় না
ফাহমিদুল হক: মুঝসে পাঙ্গা মৎ ল। ম্যানে ইয়ে ফিল্ম গিয়ারা বার দেখা উস গানেমে খো গায়ি & সো গায়ি ই ক্যাহেতি হ্যা <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29014978 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29014978 2009-09-24 05:14:12
ঈদ স্পেসাল এসো রান্না শিখি (কঁাকনা নয় পাক্নার উপস্থাপনায় এবং রোবোট নানার রান্নায়) " style="border:0;" />
আপনাদের সবাইকে ঈদ স্পেশাল এসো রান্না শিখি অনুষ্ঠানে ওয়েলখাম করছি আমি সুশীল পাক্নাজয়। আমাদের সাথে আজকে উপস্থিত আছে বিশিষ্ট গ্রামার বিশারদ বয়সের ভারে ন্যুজ ব্লগীয় নানা রোবোট। আমাকে অবশ্য হোস্টিং করতে বলার সময় জানানো হয়েছিলো আজ রান্না করবেন নুশেরা/<img src=" style="border:0;" />

রোবট: পাক্না আমাকেও জানানো হয়েছিলো উপস্থাপনা করবে নুশেরা/<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

পাক্না: এনিওয়ে নানা প্লীজ পাক্না বলে কল করবেন না আফটার অল ইট'স এ ব্লগ প্রোগ্রাম। তো নানা আজ আপনি কী রাঁধবেন আমাদের জন্য

রোবট : আজ আমি রাঁধবো ওর স্যালাইন আর ঝাল মাংসের মিষ্টি পিঠা

পাক্না: অন অফ মাই উড বি মাদার ইন লো ই মিন আমার কোন এক প্রেমিকাদের মা এটা আমাকে বানিয়ে খাইয়েছিলো..........

রোবোট: তোমার প্রেমিকাদের শাশুরিময় প্যাচাল শেষ হলে আম্রা রান্না শুরু করি

পাক্না: অফকোর্স, উই আড় হিয়ার ফর কুকিং নট ফর টকিং, আগে কোনটা রাঁধবেন

রোবট: আগে ওর স্যালাইন রাঁধি

পাক্না: এখন আপনাডের ওর স্যালাইন কুক করে দেখাবেন রোবট নানা
ওরস্যালাইন রাঁধতে আপনাদের লাগবে চুলা আর কী লাগবে নানা?

রোবট: আসুন দর্শক আমরায় পর্দায় দেখি ওর স্যালাইন এর উপকরন ও পরিমান, এটা সাবধানে টুকে রাখবেন ওরস্যালাইন বানানোর জন্য পরিমান টা খুবি গুরুত্বপূর্ন

পাক্না: ইয়েস ইটস ভেরি ইমপর্ট্যান্ট

ওরস্যালাইন বানাতে প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১) বিশুদ্ধ পানি (১/২ লিটার)
২)পিপরা মুক্ত গুড় (এক মুঠো)
৩)আয়োডিন যুক্ত লবন (এক চিমটি)
৪)একটি বড় পাত্র (এতটা বড় ১/২ লিটারের বেশি পানি এটে যাবে এবং পাত্রটি অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে)
৫)হাতা/চামচ (এটিও বিশুদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে)

প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে পাত্রে ১।২ লিটার পানি দেবেন তারপার এরমধ্যে একে একে একমুঠো গুড়, একচিমটি লবণ দিয়ে ভালো করে ঘুটা দেন

পাক্না: নানা আমি কি ঘুটে দেব
রোবোট: দাও
পাক্না: দেখুন ভিউয়ার্স কিভাবে ঘুটতে হয়, এভাবে ভালো করে ঘুটে নেবেন হয়ে গেলো ওরস্যালাইন আর আমরা নিচ্ছি ব্রেক

===========================================







===========================================

পাক্না: ভিউয়ার্স উই আড় ব্যাক ফর চিলি মিটের সুইট কেকের জন্য

রোবট: দর্শক প্রথমে একটি ননস্টিকি প্যানে পরিমান মতন তৈল দেবেন এরপর তেল গরম হলে ঘরে যা যা আছে পাঁচফোরন, জিড়া, কালো জিড়া, মিঠা জিড়া, ধনে,মেথি, তেজপাতা, শুকনো মরিচ,ভেজা মরিচ, এলাচ লবঙ্গ, দারুচিনি, গোল মরিচ, লম্বা মরিচ, পেয়াজ-রসুন-আদা সব দেবেন এবার এর মধ্যে পরিমান মতন মুরগির মাংসের কিমা দিয়ে ঘুটতে থাকুন

পাক্না: গ্র্যান্ডফা আম্রা কী বে লিফ দিতে পারি? কোরিয়েন্ডা?

রোবোট:<img src=" style="border:0;" />

পাক্না: বে লিফ & কোরিয়েন্ডা দেয়া ঠিক হবে না

রোবোট:ঘুটতে ঘুটতে কিমার পানি বের হয়ে গেলে এতে লবন, হলুদের গুড়া, মরিচের গুরা, সুইত প্যাপরোকা, নাটমেগ গুড়া, ধনে গুড়া এবং ঘরে যত গউরা মসলা আছে দিয়ে ঢেকে কম আঁছে বসিয়ে সামহয়ারইন ব্লগ খুলে পড়তে বসে যান। ব্লগ পড়িতে পড়িতে যখন আর পড়ার কিছু খুঁজিয়া পাবেন না তখন রান্নাঘড়ে গিয়ে ঢাকনা তুলুন হয়ে যাবে ঝাল মাংসের মিষ্টি মিঠার জন্য প্রয়োজনীয় মিষ্টি পুর


পাক্না: নাউ হট টু ডু গ্র্যান্ডফা?

রোবোট: এখন দোকান থেকে কিনে আনা পাফেস্ট্রি চার ভাগ করে কাটুন প্রত্যেক ভাগে পরিমানমতন কিমা ঢুকিয়ে ভাজ করুন এটা দেখতে ত্রিভুজাকৃতির হবে এই ত্রিভুজাকৃতির পাফেস্ট্রি ডুবো তেলে ভিজে উঠিয়ে ঠান্ডা করে আগে থেকে তৈরীকৃত চিনির সিরায় ডুবিয়ে রাখুন ১ ঘন্টা হয়ে গেলো ঝাল মাংসের মিষ্টি পিঠা।

পাক্না:ওয়াও ইটস ওয়ান্ডার ফুল, আমি কি টেস্ট করবো ...
রোবোট:অবশ্যই
পাক্না: কাটা চামচে কেটে ছোট্ট এক টুকরো পিঠা মুখে দেবে ...<img src=(" style="border:0;" />
অসাধারন হয়েছে নানা, কেমন একটা টক মিষ্টি থুক্কু মিষ্টি এবং ঝালের অসাধারন কম্বিনেশন।
রোবোট: আরেক টুকরো নাও
পাক্না : আপনি নিন নানা
রোবট:হাত দিয়েই খাবে, বিরাট এক টুকরো এককামড়ে মুখে দিয়ে ফেলবে<img src=" style="border:0;" />
পাক্না: আপনার অনুভুতি কী নানা..
রোবোট: ইটস গ্রেট, পাক্না একটু আগে ওরস্যালাইন বানালে যে সেটা আনো ওটাও টেস্ট করি....।


পাক্না: ডিয়ার ভিউয়ার্স আমাদের যাবার সময় চলে এসেছে যেহেতু আমরা টিপস দেবার জন্য বিশেষ অতিথি যোগার করতে পারিনি তাই আমিই টিপস দিচ্ছি: ২ নম্বর রেসিপি ট্রাই করার আগে ১নম্ব রেসিপি অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমান ওরস্যালাইন রান্না করে সংরক্ষন করে নেবেন আর রান্না কেমন হোলো তাতো আমি খেয়ে দেখেছি তাই ওটা না জানালেও চলবে তবে আমার উপস্থাপনা কেমন হলো জানাতে ভুলবেন না... আর ঈদ উপলক্ষে আমাদের গান গেয়ে শোনাবে রোবোট নানা, নানার গান শুনতে শুনতে আমরা বিদায় নেব তার আগে আমি সুশীল প্রেমিক জয় আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি


রোবোট: ঝাল লেগেছে আমার ঝাল লেগেছে
ঝালে মরে যাই আমি ঝালে মরে যাই
......................<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29010157 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29010157 2009-09-14 05:26:54
গোলাপী এখন ব্লগে " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />:-*




সাময়িক পোস্ট


<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />:-* ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29009211 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29009211 2009-09-12 17:20:55
ব্লগারদের সরাসরি অংশ গ্রহনে ঈদ স্পেশাল ব্লগালাপ (আজকের অতিথি নুশেরাপু)<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />)
আপনারা তারসাথে সরাসরি কথা বলতে ফোন করুন ০১৭১৭৪২০৪২০ অথবা ০১৯১২৪২০৪২০, অথবা ০১৮১২৪২০৪২০ অথবা০১৫৫২ ৪২০৪২০ নাম্বারে


কঁাকন:তো আপু আমাদের অনুষ্ঠানে এসে আপনার অনুভুতি কি?
নুশেরা: আসলে আমার অনুষ্ঠা টনুষ্ঠানে আসতে তেমন ভালো লাগে না নেহাত তোমার অনুরোধ ফেলতে পারি না তাই আসা আর টক শো তে এসে কথা বলাও কষ্ট আমি কথা নয় কাজে বিশ্বাসী....

ক্রীং ক্রীং.....
কঁাকন:হ্যা..
নুশেরা:হ্যালো দর্শক আমি নুশেরা বলছি আপনি কে বলছেন কোথা থেকে বলছেন <img src=" style="border:0;" />
কঁাকন: <img src=" style="border:0;" />

দর্শক:আপু আমি পাক্না স্বপ্নজয় ব্লগ থেকে, আপু আপনি কেমন আছেন?
নুশেরা: পাক্না তুমি তোমার টিভির ভলিউম কমিয়ে দাও তো, এখনো লাইভ অনুষ্ঠানে ফোন করা শিখলে না।
পাক্না: জী আপু
নুশেরা:আর এসন কি সুরু করসো আজকে এই মেয়ে কালকে সেই মেয়ে আজবাদে কাল ছেলের বিয়ে দিবা আদিত্য বড় হয়ে বাপের ব্লগ পড়লে কি শিখবে ........
পাক্না:জ্বী আপু , রাখি আজকে ভালো থাকবেন

নুশেরা: হ্যা কঁাকন বল কি বলছিলে
কঁাকন: জ্বী আপু বলছিলাম যে এত সুন্দর পোস্ট আপনি কিভাবে লিখেন, আপনার অনুপ্রেরনা......
নুশেরা:আমি সব সময় নিজের জন্য লিখি ; আমি নিজেই নিজের অনুপ্রেরনা, আমি কখনোই হিটের কথা মাথায় রেখে লিখি না , আর তোমরা আজকাল পোলাপান দুইদিনেই হিট হতে চাও, এসবের জন্য সাধনা লাগে আর কঁাকন তোমার পোস্টে বানান এত ভুল হয় কেন?

ক্রিং ক্রিং
নুশেরা:হ্যালো দর্শক আমি নুশেরা বলছি আপনি কথা বলুন আর টিভির ভলিউম টা কমিয়ে দেবেন প্লীজ..
দর্শক:হ্যালো নুশেরা, আমি মাহবুব আলম লীংকন
নুশেরা:স্লামালেকুম লিংকন ভাই, কেমন আছেন?ভাবি কেমন আছে, ভাতিজা-ভাতিজিরা কেমন আছে? খালাম্মা-খালু ভালো আছে তো? ভাবির বাবার বাড়ির সবাই ভালো?
লীংকন:এই তো আছে সবাই, আপনার কি খবর..
নুশেরা: আমার কথা কী বলবো,ও সুখবর শুনেছেন তো আমি এখন তিন নাতির নানী, আর ওনার কথা কি বলবো সারাদিন কম্পিউটারের সামনে মতলব(ম্যাটল্যাব) নিয়ে পরে থাকে, আর নিজাম ডাকাতের কথা বলাই বাহুল্য উহ...
লীংকন: ওকে নুশেরা আপনি ভালো থাকবেন

ক্রীং ক্রিং
কঁাকন:হ্যালো
দর্শক:চাকরীটায় আমি টিকে গেছি বেলা শুনছো, এখন আর কেউ আটকাতে পারবেনা, সম্বন্ধ টা এইবার তুমি ভেস্তে দিতে পারো মাকে বলে দাও বিয়ে তুমি করছো না
কঁাকন: <img src=" style="border:0;" />
নুশেরা:<img src=" style="border:0;" />
কঁাকন: আপনি কে বলছেন কোথাথেকে বলছেন
দর্শক: আমি ফারহান দাউদ বলছি, চাঙ্খারপুল পাব্লিক বুথ থেকে
দিন না ডেকে বেলা কে একটি বার, জরুরী খুব জরুরী দরকার, এই পাব্লিক টেলিফোনে মিটার যাচ্ছে বেড়ে ...
নুশেরা: হ্যালো ফারহান
ফারহান: নু নু নুশেরাপু, সরি নুশেরাপু আম্মাকে বইলেন না, আপু বুয়েটের কাউকেও বইলেন না পোলাপাইন পচাইতে পচাইতে মেরে ফেলবে
নুশেরা: এইটা লাইভ অনুষ্ঠান সবাই শুনতেসে

কঁাকন : সুধি ব্লগারবৃন্দ এখন আমরা নিচ্ছি ছোট্ট একটা ব্রেক, সাথে থাকুন
===========================================
ঈদ আনন্দের প্রতিটি মুহূর্ত থাকুন কঁাকন ব্লগে এবং উপভোগ করুন
এসো রান্না শিখির ঈদস্পেশাল পর্ব রোবটের রান্নাঘর থেকে
এছাড়াও আসছে আপনাদের নিয়ে আপনাদের জন্য আপনাদের অনুষ্ঠান বিভিন্ন ব্লগারের নিজস্ব স্টাইলে ঈদ শুভেচ্ছা

<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />:-*:-*<img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />






===========================================
কঁাকন: ব্রেকের পরে ফিরে আসছি আমাদের অনুষ্ঠানে আপনাদের সরাসরী অংশগ্রহনে তারকাব্লগন অনুষ্ঠান দৈনিক ব্লগালাপের ঈদ স্পেশাল পর্বে আজ আপনাদের সাথে উপস্থিত আছেন আপনাদের সবার প্রিয় তারকা ব্লগার নুশেরা
আপনারা তারসাথে সরাসরি কথা বলতে ফোন করুন ০১৭১৭৪২০৪২০ অথবা ০১৯১২৪২০৪২০, অথবা ০১৮১২৪২০৪২০ অথবা০১৫৫২ ৪২০৪২০ নাম্বারে

ক্রীং ক্রীং
নুশেরা:হ্যালো আমি নুশেরা বলছি
দর্শক: হ্যালো নশু আমি রোবট, তোমার সাম্প্রতিক কাজ "ইফতারির দাওয়াত (নিয়মিত ব্লগারদের পক্ষ থেকে বিশেষ একজনকে )" দেখে আমি মুগ্ধ
নুশেরা: ওটার কথা আর কী বলবো ঐ পোস্ট টি লিখবো ঠিক করার পর রীতিমত এক্সাইটেড বোধ করছিলাম। নতুন কিছু করার একটা ইচ্ছে ছিল , বুঝতে পারছিলাম এবার সেরকম কিছুই হতে যাচ্ছে" ।
ওটা লিখার সময় আমার ১১১ ডিগ্রি জ্বর ছিলো,থার্মোমিটারে জ্বরমেপে দেখি টেম্পারেচার বারে না এদিকে আমার জ্বরে গা পুরে যাচ্ছে তখন বুঝলাম থার্মোমিটারে তো আর১১০ ডিগ্রির বেশি মাপা যায় না তাই আমার জ্বর ছিলো ১১১ ডিগ্রী, এই জ্বর নিয়েও আপনাদের দোয়ার কারনেই পোস্ট টা সম্পুর্ন করতে পেরেছি।
রোবট: এত খাবার দাবার কোথা থেকে এনেছিলে ? বনফুল নাকি ফখরুদ্দীন?
নুশেরা: কি বলেন রোবট ভাই, সব আমি নিজে রান্না করেছি ।পেয়াজু ভাজার সময় তো গরম তেল ছিটকে এপ্রন নষ্ট হয়ে গেছে, ভাগ্যিস চিটির কথামত এপ্রন পরে নিয়েছিলাম না হলে শাড়িটাই নষ্ট হয়ে যেত <img src=" style="border:0;" />
রোবট: ঠিক আছে নুশেরা ভালো থাকো, আর কঁাকনা এই অনুষ্ঠানের এডিটিং (বানান)ঠিকমতন কইরো

কঁাকন:নুশেরাপু আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে যে..
ক্রীং ক্রীং
নুশেরা:হ্যালো দর্শক আমি নুশেরা বলছি
দর্শক:হ্যালো আমি শওকত হোসেন মাসুম, এত মানুষ থাকতে আপনি কামাল ভাইকে কেন দাওয়াত দিলেন
নুশেরা: এটা আসলে বেশ ক্রুশিয়াল সিলেকশন ছিলো, আমি যখন পোস্ট টির কথা প্রথম ভাবি তখনি বুঝতে পারি এত ইফতার কামাল ভাই ছাড়া আর কারো পক্ষে খাওয়া সম্ভব না, আর তাছাড়া আমার রান্না খেলে এক সপ্তাহ আর অন্যকারো রান্না মুখে রোচে না তাই দাওয়াত দিলেও কেউ আসতে চায় না কিন্তু কামালভাই ওরফে লুল্কাক্কু কে এপু ঠিকই নিয়ে আসতে পারবে তাই ওনাকেই দাওয়াত দিলাম <img src=" style="border:0;" />

কঁাকন:লুল্কাক্কু কে ধরে আনার জন্য এপু কে ধন্যবাদ।

ক্রীং ক্রীং:হ্যালো স্লামালেকুম নুশেরা বলছি
দর্শক:হ্যালো আপু আমি কাভু গোল্লায় আটকানো ব্লগ থেকে বলছি, আপু আপনার পোস্ট লিখার সময় নাকি বিভিন্ন মজার মজার ঘটনা ঘটেছে আমাদের সাথে একটু শেয়ার করবেন
নুশেরা: সবচেয়ে মজার ছিলো শরবত এর ব্যাপার টা আমি সম্পূর্ন স্ব উদ্ভাবিত প্যাটেন্ট করা রেসিপিতে লবণ আর কাচামরিচ দিয়ে শরবত বানিয়েছি কামাল ভাই খেয়ে বললেন নুশেরা মনেহয় ভুল করে চিনির বদলে লবণ দিয়েছ কিন্তু যখন আমি আমার উদ্ভাবনের কথা বললাম তখন কামাল ভাই বলেছেন যে এমন শরবত উনি জীবনেই খাননি আচ্ছা বল শরবত কেউ কোনদিন খায় ওটা তো পান করে।
কাভূ:লুল্কাকু তাহলে অতিথী হিসেবে ভালোই
নুশেরা: অবশ্যই , উনি সারা পোস্ট মাতিয়ে রেখেছেন মন্তব্য করে।উনি তো আতিথেয়তা রক্ষার জন্য সেদিন বাসায়ই যান নি, রাতে সাতচল্লিশ প্যাকেট রোবট স্পেশাল ওরস্যালাইন ও খেয়েছেন।

কঁাকন:প্রিয় ব্লগার রা আমাদের যাবার সময় হয়ে
ক্রীং ক্রীং: হ্যালো স্লামালেকুম আমি নুশেরা বলছি আপনি কথা বলুন
দর্শক: আমি ফাহমিদুল হক বলছি, বলাকা সিনেমা হল থেকে
নুশেরা: কেমন আছে ফাহমিদ ভাই, ভাবি,ভাতজা.......
ফাহ্মিদুল হক: এই তো সিনেমা দেখতে দেখতে চোখ, রুচি সব ই নষ্ট হয়ে যাইতেসে, রোজাও মাকরু হয়ে যাইতেসে, তা ঈদ উপলক্ষে আপনার কাছ থেকে এবার ব্লগ কি পেতে যাচ্ছে
নুশেরা: আমি আসলে ফাহমিদ ভাই বিশেষ বিশেষ দিবস উপলক্ষে কাজ করায় বিশ্বাসী না, যখন মন চাবে বুঝবো যে ভালো কিছু করতে পারবো তখন করি। গত ঈদে একদমি অপরিক্লপিত ভাবে কঁাকন প্রডাকশনের অনুষ্ঠান টা পরিচালনা করতে হয়েছিলো নরকের পাপীর সাথে এবারও তেমন কোন পরিক্লপনা নেই দেখি কী হয়।
ফাহমিদুল হক: একটা ঈদ স্পেশাল ছায়াছন্দ আপনার কাছে আশা করছি। ভালো থাকবেন।
নুশেরা: আপনিও ভালো থাকবেন।

কঁাকন:
ডিয়ার ভিউয়ার্স আমাদের সময় শেষ, আমাদের খুবি ভালো লাগলো নুশেরাপুর সাথে অন্তরঙ্গ কিছু সময় কাটিয়ে ; আম্রা আপুর অনেক অজানা কথা জানলাম, ধন্যবাদ আপু আপনাকে আমাদের অনুষ্ঠানে আসার জন্য , আর আশা করি সামনের কোন পর্বে আর আপনার সাথে কথা হবে না, দেখা হবে না <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
যেতে যেতে নুশেরাপু আমাদের দর্শকের উদ্দেশে কিছু বলবেন তার আগে আমি কঁাকন আপনাদের কাছ থে বিদায় নিচ্ছি,
ইদের আনন্দে আমাদের সাথেই থাকুন এসো রান্না শিখির ঈদ স্পেশাল পর্ব রোবটের রান্না ঘর দেখতে এবং আপনাদের জন্য আপনাদের নিয়ে আপনাদের অনুষ্ঠান বিভিন্ন ব্লগারের নিজস্ব স্টাইলের ঈদ শুভেচ্ছা দেখতে, ততক্ষন পর্যন্ত বিদায়,


নুশেরা: উপদেশ দেয়া আমি পছন্দ করি না তবু কঁাকনকে একটা উপদেশ না দিলেই নয় উপস্থাপনা করার সময় তুমি বড় বেশি কথা বল, সবাই অতিথীর সাথে কথা বলার জন্য ফোন করে তোমার এত কথা বলার কী দরকার, আশ্চর্য্য।


কৃতজ্ঞতা স্বীকার: মেহরাব শাহরিয়ার
কি করে বাংলাদেশে নির্মিত হল সহস্রাধিক বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞাপন ::: নোবেল , বিজরী ,শাহরুকীদের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার
Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29008467 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29008467 2009-09-11 07:01:36
"বাঙালী আন্দোলন করে, সাধারণত: ব্যর্থ হয়। কখনো কখনো সফল হয়; সফল হওয়ার পর বাঙালীর মনে থাকেনা কেন তারা আন্দোলন করেছিলো"...
এই বছরের ফেব্রুয়ারীর শেষ দিকে জনৈক ব্লগার হাসিব কে ব্যান করা হয়েছিলো। তখন এই বাঁধ ভাঙার আওয়াজের বাঙালী ব্লগাররা হাসিব কে আনব্যান করার দাবীতে একটা আন্দোলন করেছিলো। এর নিদর্শন স্বরূপ আনব্যান হাসিব লিখা প্রোফাইলের প্রহসন এখনো চোখে পরে।
আনব্যান হাসিব -- একটি অসফল আন্দোলন।

তবে এই হাসিবকে আনব্যান করার আন্দোলনের সময় আরেকটি ইস্যু সামনে চলে আসে। হাসিব কে যাদের ভালো লাগতো বা লাগতো না, হাসিবের আনব্যান চাইতো বা চাইতো না বা নিতান্তই নিরপেক্ষ ব্লগাররাও এই আন্দোলনে জড়িয়ে গিয়েছিলেন। সবার দাবি ছিলো কোন ব্লগার কে ব্যান করলেও তার ব্লগ বাতিল করা যাবে না, তার পোস্টগুলো ব্লগে থাকতে হবে। অসংখ্য পোস্ট এ বিষয়ে বিভিন্ন ব্লগার রা দিয়েছিলেন সেই সময়।
আহমাদ মোস্তফা কামাল এর নিচের পোস্ট টা পড়লে ব্লগারদের দাবীটা কিছিলো বুঝতে পারবেন:
আরেকটি অ-নিরাপদ পোস্ট!
Click This Link
মূল বক্তব্য (ব্লগ বাতিলের এই কালো নিয়মটিকে আমি তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করছি এবং নিয়মটি রদ করার জন্য কতৃপক্ষের কাছে দাবি করছি।
)
এছাড়া বিভিন্ন স্যাটায়র লিখা হয়েছে যেমন:
খেজুর কাঁটা:
মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট]
Click This Link

এ দুটো ছাড়াও আরো অসংখ্য পোস্ট সে সময় এসেছে এই দাবীতে।
ব্লগার দের আন্দোলনের কারনে নোটিশবোর্ড এই ব্যাপারটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে এবং নীতিমালায় একটি পরিবর্তন আনে।

নোটিশ বোর্ডর পোস্ট:
স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্লগের পোস্টসমূহ প্রদর্শন প্রসঙ্গে
Click This Link
(আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এখন পর্যন্ত স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া সমস্ত নিকের পোস্টগুলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরিয়ে দেবার যাতে তাদের লেখাগুলি অন্তত হারিয়ে না যায়। এবং এখন থেকে একাউন্ট স্থগিত করলেও তাঁর পোস্টসমূহ ব্লগ পাতায় প্রদর্শিত হবে। তবে সেই পোস্টসমূহে ব্যবহারকারীর কোন মন্তব্যের জবাব দেয়ার সুযোগ না থাকায় তাঁর পোস্টগুলোতে নতুন কোন মন্তব্য করার সুবিধা বন্ধ থাকবে।)

ব্লগ বাতিল করা যাবে না -- একটি সফল আন্দোলন, এই সফলতার সুত্র ধরে হাসিব,বাবুয়া এবং প্রলয় এদের ব্লগ ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে কিন্তু মৈথুনানন্দ, পিংকি, টোনা এবং আরো অসংখ্য ব্লগার এবং অতি সম্প্রতি ব্যান হওয়া অপবাকে এদের ব্লগগুলো ঠিকই বাতিল করে দেয়া হচ্ছে। আমি ব্যান হওয়া ব্লগারদের নির্দোষ পোস্টগুলো ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানাচ্ছি।

মাননীয় নোটিশবোর্ড,
কোন এক বিচিত্র কারনে আমার এই বিষয়ে লিখা আগের দুটো পোস্টের একটি প্রথমপাতা থেকে আরেকটি ব্লগ থেকেই মুছেদিয়েছেন, আশাকরি এটাও মুছে দেবেন,তা দিন কোন সমস্যা নেই তবে আপনারা কেন আবারো ব্লগবাতিল শুরু করেছেন, আপনারা যে ব্লগারদের ব্লগ ফিরিয়ে দিচ্ছেন না সেটা কী টেকনিক্যাল সমস্যা নাকি আপনারা নীতিমালা পুনরায় পরিবর্তন করে পূর্বাবস্থায় ফিরে গেছেন, আপনাদের অবস্থা জানিয়ে একটা পোস্টদিলে আমরা ব্যাপারটা বুঝতে পারতাম।

সুপ্রীয় ব্লগবাসী,
কে কতটা খারাপ ছিলো, কাকে ব্যান করা অত্যন্ত ন্যায়সঙ্গত হয়েছে সেটা নিয়ে আলোচনা করার জন্য এই পোস্ট দেইনাই, সকল ব্যানকে সাধুবাদ জানিয়েই ব্যান হওয়া ব্লগারদের পোস্টগুলো ফেরত চাচ্ছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29007846 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29007846 2009-09-10 04:35:31
তোমাকে খুজেছি জীবন দেখেছি গভীরে নিজের ও অন্যের
সুখ আর দুঃখে জয় – পরাজয়ে
হিসেব মেলেনি
খুজেছি কেবলি মানে অর্থহীন অনর্থে
শব্দার্থের বোঝা বারিয়েছি কৃষ্ণচূড়ার পালকে

ভালোবাসা ও ঘৃনায় তোমাকে খুঁজেছি
কদমের ফুল খুলে খুলে দেখেছি
কী গোপন লুকিয়েছে গভীরে
তোমার জন্য জীবন খুজেছি ঈশ্বর
ধ্রুবর মত হয়েছি ব্যাকুল তার তরে

মেপেছি তোমার দৈর্ঘ্য প্রথম কান্নায়
আর খুজেছি তোমার বয়স কোষের কার্বনে
আজ আধেক জীবন পেরিয়ে বুঝেছি জীবন
তুমি কেবলি মায়া, শুধুই ভ্রম
তুমি আছ কেবল শৈশবের বেগুনী প্রজাপতি
আর কৈশরের রঙীন ঘুড়িতে
তারুণ্যের উচ্ছল প্রেম আর যৌবনের হিসেবি বেহিসেবে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29007316 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29007316 2009-09-09 10:06:27
মেঘ মেদুর বরষায়..... কেমন আছ? তোমার ওখানে কী বৃষ্টি হচ্ছে; বৃষ্টি দেখলে কী তোমার মনে পরে আমার কথা অথবা অন্য কোন সময়.......
আমার প্রায়ই মনে পরে তোমায়, তুমি বারে বারে ফিরে আসো আমার জীবনে টুকরো টুকরো হয়ে, পুরো তোমাকে পেলাম না বলেই হয়তো প্রকৃতি টুকরো টুকরো তোমাকে মাঝে মাঝে ফিরিয়ে দেয়।
হয়তো কারো হাসি কিংবা কারো কান্না কিংবা চাহনী কিছু না কিছু তোমার সাথে মিলেই যায়। কাল রাতে তোমায় স্বপ্নে দেখলাম চিত্রা, সেই বাকা হাসি, হৃদয় চেরা দৃষ্টি, কপালে এসে পরা কিছু এলো মেলো চুল..... ঠিক তেমনি। তুমি কী তেমনি আছ চিত্রা; এতদিন পরো? তোমার চুলে কি সাদার ছোঁয়া লাগেনি, কলপ দাও কী? এখনোকী কিশোরীদের মতন রিনরিনে হাসো নাকি হাসিতেও এসেছে বয়সের ছোঁয়া? বৃষ্টে এলে কি এখনো হুড ফেলে দাও রিক্সার, নাকি ঠান্ডায় কাবু? এখানকার বৃষ্টি বড় বিচ্ছিরি চিত্রা, স্যাতস্যাতে বৃষ্টি মাঝে মাঝে ভাবি তুমি এলে এ বৃষ্টিতে কিভাবে ভিজতে? চিত্রা শাড়ি পরা শোখেছো নাকি এখনো বালিকাদের মতন এরওর কাছে দৌড়াদৌড়ি করো শাড়ি নিয়ে?
চিত্রা ব্রেক-আপ ছবিটা দেখেছো? বিয়ে হলে আমরাও এভাবে ঝগড়া করতে পারতাম, তুমিও কী বিয়ে হলে আমায় ছেড়ে যেতে পারতে? তুমি কী ঝগড়া করতে পারো চিত্রা, আমাদের কখনো ঝগড়া হয়নি, খনসুটিও না, যখন চলেগেলে সব বাঁধন ছিড়ে খুব শান্তভাবেই চলেগেলে, তোমার শেষ চিঠিটা আমি যতবার পড়েছি গ্রীনেজে ওঠার জন্য যথেষ্ট.

চিত্রা মাঝে মাঝে ভাবি এই ভালো হয়েছে, আজো তুমি আমার কাছে আসো কামিনী ফুলের সুবাস নিয়ে গড়পরতা সংসারী হলে তুমি আসতে চাল-ডালের হিসাব আর পেয়াজ বা মাছের আঁশটে গন্ধ নিয়ে, িন্তু এ শুধুই সান্ত্বনা চিত্রা তেলমাংসের গন্ধ সহই তোমাকে নিয়ে জীবনটা আরো পরিপূর্ণ হতে পারতো। তোমার চলে যাওয়াটায় নিজেকে মহান ভাবার কিছু সুযোগ ছিলো, আমি তোমাকে যেতে দিয়েছিলাম, হিন্দি সিনেমার সাইড নায়কের মতই মহান হয়েছিলাম কিন্তু আজ বুকে চেপে বসে অক্ষমতার ভার আমিই তোমাকে ধরে রাখতে পারিনি..........।

আমাদের একসাথে বোনা স্বপ্নগুলো তুমি এভাবে ভুলে গেলে চিত্রা...।
জানো চিত্রা সেবার চলে আসার পর প্রথম প্রথম তোমায় চিঠি লিখতাম যেন সব ঠিক আছে, আমি তোমায় বিয়ে করে রেখে এসেছি কিছু দিন পর তুমি চলে আসবে, কাল্পনিক সম্পর্কের বাস্তব চিঠি, সে সময় হাবিজাবি কিছু জিনিষ কিনে ঘর ও সাজিয়েছিলাম, মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় চিঠিগুলো তোমাকে পাঠাতে।
বড় কষ্ট হয় চিত্রা, এতটা কষ্ট কি আমার প্রাপ্য ছিলো....।
...............
শুভ



আরো কিছু চিত্রা কাহিনী:
কাল চিত্রার গায়ে হলুদ
Click This Link
মহান, হে আমার:
Click This Link
পৌনুপুনিক দ্বৈততায় রিক্ত হৃদয়:
Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29006596 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29006596 2009-09-08 06:18:35
ব্লগায়তে ব্লগাইতে অভ্যাস খ্রাপ হয়ে গেসে ব্লগাইতে ব্লগাইতে অভ্যেস খারাপ হয়েগেসে।
কিছু একটা পড়লেই তার লেখকরে দুটা কথা বলতে মনে চায় আর কী !
তার ধারাবাহিকতায় এই লিখা <img src=" style="border:0;" />

জাফর ইকবাল এর ইরাকাস পড়লাম, ইরাকাস এর ভুমিকা পড়ে গ্রীক ইরাকাসের কাহিনী পড়তে ইচ্ছে করতেসে, ব্লগে কেউ কী লিখবে ?

অনেক দিন পড়ে একটা সায়েন্সফিকশন অনেক ভালো লাগলো। আন্তমহাকাশীয় যুদ্ধ, কৃত্রিমবুদ্ধিমত্তা ইত্যাদির পড়ে পড়ে কিছুটা ক্লান্তই হয়ে পড়েছিলাম। বইটা খুব ভালো লেগেছে, তবে শেষটা শুরুর মতন হয়নি, মনে হয়েছে বেশ তারাহুরো করেই লিখাটা শেষ করেছেন। আর একটা কথা হোলো কোন মেয়ের জরায়ুই বোধয় এরকম শংকর ভ্রুন ধারন করার জন্য প্রস্তুত না, কৃত্রিম গর্ভাশয় দেখালে ভালো হোতো।

আরেকটা বই পড়লাম মেয়েটির নাম নারিনা <img src=" style="border:0;" />, সেনাবাহিনীকে সূক্ষ বাশ দেয়ার চেষ্টা করেছেন কিন্তু কথা হোলো যাদের বাশ দিলেন তারা এই লিখা পড়বে না আর যদিও পড়ে এত সূক্ষ বাশ বোঝার মতন সূক্ষ মষ্তিস্ক বোধয় নাই।
যাই হোক এই বই যে আমার খুব ভালো লাগসে তা না, তবে এই বইয়ের একটা ব্যাপার আমার খুব মন ছুয়েগেসে সেটা হোলো মামার গল্প বলার ব্যাপার টা, আমি ছোটবেলায় আমার বড় মামার কাছে গল্প শুনতাম, আমার বড় মামা অবশ্য গল্প বানাতো না , সে ঘুরে ফিরে একটা গল্পই বলতো এক অলস ছেলের গল্প, যে পিঠা গাছে বসে পিঠা খায়.....। মনে নাই পুরোটা। বানায় বানায় গল্প বলতো মামনি, কত গল্প যে বলতো এখন আর মনে নাই , তবে একটা গল্প একটু একটু মনে আসে আমাদের সব ভাই বোনেরই খুব প্রিয় ছিল গল্পটা এরকম যে বাংলাদেশের এক ব্যাং এর সখ হইছে আমেরিকা যাবে, সে অনেকদিন পাসপোর্ট - ভিসার জন্য ঘোরাঘুরি করলো কিন্তু ব্যাঙরে কেউ ভিসা দেয় না তখন ব্যাঙ ঠিক করলো যেসব ব্যাঙ রপ্তানী করা হয় সে ঐসব ব্যাঙের ঝাকায় লুকায় থাকবে (ব্যাঙ আদৌ রপ্তানী করা হয় কি না, আর হইলেও ঝাকায় কইরা করে কিনা সেই প্রশ্ন আমার মাথায় আসে নাই), ঝাকায় করে ব্যাঙ আমেরিকা গেলো কিন্তু আমেরিকায় গিয়া ঠান্ডায় সর্দি লেগে গেলো সেই ব্যাঙ গেলো ডাক্তারের কাছে, মহিলা ব্যাঙ ডাক্তার সে তো ব্যাঙরে দেইখা অবাক হয়ে বললো ও মা তুমি ন্যাংটা কেন ? (আমেরিকার ব্যাঙরা নাকি জামা-কাপড় পরে <img src=" style="border:0;" />......, আর মনে নাই, তবে এই গল্পের সবচেয়ে আকর্ষনীয় অংশ ছিলো একটা পর্যায়ে বাংলা সিনেমার মতন ঐ ব্যাঙ ডাক্তার একটা গান গায়--"ও ব্যাঙ তোমার স্বর্দি হলে নাক মোছ কোন রুমালে, কে দেয় তোমায় বিছান পেতে সন্ধে বেলা ঘুমালে" এই গানটা মামনি গেয়ে শোনাইত।
ব্যাঙ নিয়ে আরেকটা গল্প বলতো সেটা হোলো কোন এক স্কুল/কলেজে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে প্র্যাকটিক্যাল করার জন্য এক ছেলে গ্রাম থেকে ব্যাঙ নিয়ে আসছে, কিন্তু ব্যাঙ পলাইছে পলাইলে কী হবে সে তো শহরে আর ব্যাঙ খুঁজে পায় না এদিকে রাস্তাও চিনে না তার এডভ্যান্চার নিয়ে একটা গল্প সেটাও মনে নাই। ঐদিন মামনিরে ফোনে জিজ্ঞেস করলাম সেও নাকি ভুলে গেসে। আফসোস <img src=" style="border:0;" />

আরেকটা বই পড়লাম হুমায়ুন আহমেদের মিসির আলী আপনি কোথায়
বই এর নাম করন স্বার্থক। মিসির আলীর সেই তীক্ষ্ণতা খুজে পেলাম না, এই রকম গাজাখুরি গল্প মিসির আলীর নামে না চালালেও চলতো। মিসির আলীর আরো কিছু অমিমাংসিত রহস্য আছে যেমন নিষাদ সেই বইটা কিন্তু আমার খারাপ লাগেনাই, আবার পড়লাম বইটা আবারো ভালোই লাগলো মানে আমার বয়স টা ফ্যাক্টর না বরং হুমায়ুন আহমেদ ই বুড়া হয়ে গেসে, বা তার এত সময় নাই চিন্তা করার সো সে মিসির আলী লিখা ছেড়ে দিলেই পারে, মিসির আলীরে পচাইয়া কী লাভ।

হুমায়ূনের আরেকটা বই পড়লাম বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল। আমার ভালো লাগে নাই কিন্তু আমার ফার্স্ট ইয়ারে পড়া কাজিনের খুব ভালো লাগসে, একসময় আমিও হু আ এর সব বই মুগ্ধ হয়ে পড়তাম, এখন অনেক বই ই বিরক্তিকর লাগে সেটা যেমন সত্য এক সময় মুগ্ধ হতাম সেটাও সত্য। হুমায়ূন আহমেদ আপনি বাদল দিনের দ্বিতীয় কদম ফুল টাইপ বই লিখুন, হিমুকে নিয়েও লিখুন, কিন্তু আপনার জগৎ বোধয় ছোট হয়েগেছে, নুহাশ পল্লী আর সেখানে আপনাকে ঘিরে রাখা মানুষদের নিয়েই বোধয় আপনার জগৎ কিন্তু মিসির আলী লিখতে হলে বোধয় জগতের পরিধী বাড়ানো দরকার, তাই মিসির আলীকে পচানো বন্ধ করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29004509 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29004509 2009-09-04 11:10:32
স্মৃতি তুমি বেদনা -- পর্ব হায় ক্রিকেট
১) বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ের এক ম্যাচে শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ ৯৫ করছিলো, তার পরের ম্যাচেই অপি ১০০ করছিলো। কিন্তু বিদ্যূৎ এর ৯৫ আমার কাছে বাংলাদেশের যে কোন ব্যাটসম্যানের সেরা ইনিংস। ৪৫ এর পর থেকে প্রতিটা বলে টান টান উত্তেজনা, ৫০ কী হবে , ৫০ হোলো কিন্তু বিদ্যুৎএর ভাব দেখে মনে হচ্ছিলো ৫০ করা ডাল-ভাত। ৫০-৯৫ তারপর আউট কিন্তু যতক্ষন বিদ্যূৎ খেলছিলো .............

২)শচীন আমার অলটাইম ফেভারিট, সেযা করে আমার তাই ভালো লাগে, ডাক মারলে মনে হয় কত সুন্দর ডাক মারসে; ক্যাচ মিসকরলে মনে হয় ক্যাচমিস করার মধ্যেও আর্ট আসে। তবে ৯৭-৯৮ এ সারজাায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩৪ (ঠিক মনে নাই কমবেশি হতে পারে) করছিলো সেই ইনিংসটা আমার দেখা শচীনের সেরা ইনিংস।

৩) চার - ছয় মারতে হলে একটু জোরের সাথেই মারতে হয়, শুধু মার্কওয়াহর ব্যাটি বোধয় বলের কানে কানে ভালোবেসে সীমানা ছাড়তে বলতো আর বল সীমানা পেরিয়ে চলে যেত।

৪)৯৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে রানাতুঙ্গা আর ডি-সিলভার সেই কুল চেজিং, আহ্

৫)ইনডেপেনডেন্স কাপে ঢাকায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সৌরভের চেজিং ও কুল ছিলো

৬)রাহুল দ্রাবিড় রে ছোটবেলা থেকেই ভালো লাগে <img src=" style="border:0;" />, প্রথম দিকে
কোন একম্যাচে সে ২৭ বলে ৩ করছিলো(টেস্ট না ওয়ানডে) , তারপর তারে জাতীয়দল থেকে বাদ দিছিলো শুধু ওয়ানডে না টেসট থেকেও বাদ দিসিলো, ২৭ বলে ৩ করে টেস্টব্যাটিংএর যোগ্যতা প্রমানের পরও দ্রাবিড়রে বাদ দেয়ায় আমি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের গুষ্টি উদ্ধার করছিলাম,কী সুন্দর রিয়াজের মতন চেহারার নায়কটারে বাদদিসে <img src=" style="border:0;" /> ত

৭)ইনজামামের সেই শরীর নিয়া দৌড়াদৌড়ি ব্যাপক বিনোদিত হইতাম পরে বিনোদিত হইতে হইতেই ইনজির ফ্যান হয়ে গেসিলাম।

৮)ভেট্টরী যখন চশমা পরে বোলিং করে আমি চশমাছাড়াই মুগ্ধ হয়ে দেখি

৯)পাকিস্থান দলকে কোন সময়ি পছন্দ না কিন্তু ওয়াসিম আকরামের বোলিং সবসময়ি উপভোগ্য স্বীকার করতেই হবে, শুধু বোলিং না সাক্ষাৎকার, এপিয়ারেন্স সবি।

১০)ভারত-অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ম্যাচে ২০০৪-২০০৫ এ মনে হয়, খেলা অস্ট্রেলিয়ায় হইছিলো, শেনওয়ার্নের যে বলে সৌরভ আউট হইছিলো সেই বল পা দিয়ে ঠেকায় দিলে মনে হয়না সৌরভ রে এলবিডব্লিউ আউট দিত।

১১)ল্যান্সক্লজনারের কথা আর কী লিখবো, পুরাই ট্র্যাজিক হিরো।

১২) জন্টি রোডস: বোলিং না জানা অল রাউন্ডার <img src=" style="border:0;" />

জয়সুরিয়া, রিকার্ডো পাওয়েল, লারা, ক্রনিয়ে,স্টিভ ওয়াহ, ফ্লেমিং, সাঙ্গাকারা এবং আরো অনেকের খেলা দেখেই মুগ্ধ হইছি এখন সব ইনিংস মনে পরতেসে না, সব নাম ও না। আপনারা মনে করায় দিয়েন।

বিশ্বকাপের বাংলাদেশ - পাকিস্তান ম্যাচ, আইসিসির ম্যাচ এগুলোর আবেদন ই অন্যরকম, লিখে বোঝাতে পারবোনা কিন্তু জানি সবাই বুঝে যাবে সবারিতো একি অবস্থা।

কোন এক সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে পানি টেনে জুলিয়েট/জুলিয়েন নামে এক প্লেয়ার হৃদয়ে জায়গা করে নিছিলো বাট জালিম অজিক্রিকেট বোর্ড তারে দলে স্থান দেয় নাই।

ওয়ানডে ক্রিকেট কিভাবে টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্জ্য নষ্ট করসে, আভিজাত্যে ওডি টেস্টের ধারে কাছেও যেতে পারে না ব্লা ব্লা অনেক শুনসি কিন্তু আমার ক্রিকেট খেলা দেখার শুরুই ওডি দিয়ে তাই ওডি তার পুরো সৌন্দর্য্য, পরিপুর্ণ রূপ নিয়েই আমার কাছে প্রতিয়মান।

তারপর আসলো ২০-২০, আমার তো এখন বৃদ্ধগো মতন মনে হয় ওডির মজা ২০-২০ তে নাই খেলা শুরুর আগেই শেষ হয়ে যায় , কিন্তু পোলাপাইন তো ঠিকি ২০-২০ তে জমে যায়।

আমার ছোট ভাইদের লিগগুলো কিন্তু আগে থেকেই ২০ ওভারের ছিলো, কলেজের আন্তঃবিভাগীয় টুর্নামেন্ট এর ম্যাচ ও ২০ ওভারে হইতো ২০-২০ নাজিল হওয়ার অনেক আগের থেকে।
পারার পোলাপান নিয়মিত যেটা খেলে সেটা হোলো সিক্স ও সিক্স, প্রতিদলে ৬ জন প্লেয়ারথাকে আর সব দল ৬ ওভার করে বোলিং করে <img src=" style="border:0;" /> আশা করি ২০-২০ র পর এই সিক্স ও সিক্স ও আন্তর্জাতিক মর্জাদা পাবে<img src=" style="border:0;" />

প্রথমে ছিলো ৫ দিন ব্যাপী টেস্ট ম্যাচ, এর পর ৫০ ওভারে পডিআই, এর পর ২০-২০, এর পর আসবে সিক্স ও সিক্স, তারপর দুইদলের ক্যাপ্টেন মাঠে নেমে টস করে বিজয়ী নির্ধারন করবে আর তারপর টাইম মেশিন আবিষ্কার হবে টাইম মেশিনে করে খেলার ফলাফল ভবিষ্যৎ থেকে দেখে এসে ফলাফল ঘোষনা করে দেয়া হবে।

হ্যাপ্পী ব্লগিং]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29002767 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29002767 2009-09-01 06:15:26
ধর্মের রাজনীতি আর রাজনীতির ধর্ম (উৎসর্গ ইয়া খারেজি)
ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি, রাজনীতিকে ধর্মমুক্ত রাখা, রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারর এসব বিষয় নিয়ে অনেক আলোচনা হয় শুধু আমাদের দেশে না এটা মনে হয় বিশ্বরাজনীতিতেও সমান গুরুত্বূপূর্ণ। নাস্তিকরা তো বটেই আস্তিক বা আমার মতন সেমি আস্তিকরাও ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে কখনো কখনো নিশ্চয়ই ভাবে। কিন্তু ধর্মের উৎপত্তিটাই কী রাজনৈতিক নয়। শুরুথেকেই কী ধর্ম রাজনীতির সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে ওঠেনি। আমার ইতিহাস জ্ঞান সামান্য তবুও প্রাচীন ফারাওদের আমলে পুরোহিতদের সীমাহীন ক্ষমতার কথাতো আমরা সবাই জানি, সাম্রাজ্য রক্ষা করতে, প্রজাদের দমাতেই কি পৌরহিত তন্ত্রের ক্ষমতায়ন করেনি রাজতন্ত্র.............

রামায়ণ অথবা মহাভারতের ইতিহাস (রাম বা কৃষ্ণ আসলেই ছিলো কিনা সে বিতর্কে না গিয়ে) রাজনৈতিক ইতিহাস বলা যায় না। ধর্মযুদ্ধের মাধ্যমে রামের লংকা বিজয় বা পান্ডবদের সম্রাজ্য পুনরুদ্ধারতো রাজনিতীই। কে জানে সেই যুগে জন্মালে অবতার বুশ বা নবী লাদেন ধর্মযুদ্ধ করে হয়তো কিছু একটা করে ফেলতো এই যুগে জন্মাইয়া কিন্ঞ্চিৎ বেকায়দায় কেউ দেখতে পারেনা <img src=" style="border:0;" />। এছাড়া ছোটবেলায় ধর্ম বইয়ে বিভিন্ন রাজর্ষীর কথা পড়েছি।

অপবাকের একটা লিখা আছে বিশ্বের ধর্মীয় সংঘাত & ইব্রাহিমের উত্তরাধিকারের লড়াই নিয়ে সেটা পড়লে ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিরসাথে রাজনীতির একটা যোগসূত্র বের করা যায় আর সেটা ভুল ধরে নিলেও আমার স্বল্প জ্ঞানে মুহম্মদ (স: ) ইসলামের বিস্তৃতির জন্য সম্রাজ্য বিস্তার করেছেন, পুরাতন ধর্মকে অস্বীকার করে নতুন ধর্মের প্রবর্তন করেছেন এবং তার ক্ষমতায়নের জন্য এটা হয়তো জরুরী ছিলো।

বৌদ্ধ ধর্ম বা গৌতম বুদ্ধ সম্পর্কে আমি খুব কম জানি তবুও যেটুকু জানি তাতে বৌদ্ধ ধর্ম কে আমার ঠিক ধর্ম মনে হয়নি এটা বরং একটা দর্শন, গৌতমের দৃষ্টিতে জীবন বা পৃথিবী কেমন হওয়া উচিৎ .........
সম্ভবত আমাদের উপমহাদেশের লোকজন ধর্মছাড়া দর্শন নিতে প্রস্তুত ছিলো না বা এখনো প্রস্তুত না তাই গৌতমের পুজোহয়, সক্রেটিস এইখানে জন্মালে হয়তো কে জানে অবতার হয়ে যেত অথবা আরবে জন্মালে নবী গ্রীসে জন্মিয়ে নশ্বর মানুষ হিসেবে মরে গেলো।

গ্যালিলীওর শাস্তিটা যত না ধর্মরক্ষা তারচেয়েও বেশি রাজনৈতিক বা ক্ষমতা নিরাপদ রাখার জন্য ছিলো বলেই আমার ধারণা।

আমার এই পোস্টে কাউকে আঘাত করার কোন উদ্দেশ্য নাই তবে ধর্ম নিয়ে কিছু লিখলে কোন না কোন ভাবে কারো না কারো ধর্মানুভূতিতে আঘাত লেগেই যায়। এই বিষয়ে একটা গল্পবলে লিখা শেষ করি :
একবার কথাবার্তা ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় মাটির গণেশ দুধ খাওয়া শুরু করলো এই দুধ খাওয়ায় আমার দিদা(নানী) এর ভক্তি আরো শতগুণ বেড়ে গেল আর আমার হইলো মেজাজ খারাপ মানে ধর্ম অনুভুতিতে আঘাত লাগলো কারন কোন এক টাউট আমার ধর্মনিয়া ব্যাবসা করতেসে <img src=" style="border:0;" />

হ্যাপ্পি ব্লগিং
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29000830 http://www.somewhereinblog.net/blog/sbopno/29000830 2009-08-28 07:25:32