তারপর শত শত বছর এই শহরটি লুকিয়ে ছিল জঙ্গলের মাঝেই, তখনো কারও চোখেই পড়েনি সেটি। সবশেষে ১৯১১ সালে হিরাম বিংহ্যাম এর চেষ্টায় খুঁজে পাওয়া যায় মাচু পিচুর ধ্বংসাবশেষ। মাচু পিচুর এই বসতিতে শুধুমাত্র ২০০টি বাসভবন ছিল এবং সেখানে প্রায় ১০০০ এর মতো মানুষ বসবাস করতো। ধারণা করা হয়, মাচু পিচুতে আবাদযোগ্য অনেক জমি থাকায় ইন্কারা এখানে বসতি স্থাপন করেছিল। কিছু প্রতœতত্ত্ববিদগণের মতে, এখানে ইনকা জনবসতি গড়ে উঠেছিল শুধুমাত্র কোকো চাষের জন্য। কিন্তু মাচু পিচুর রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে বেড়িয়ে এসেছে একটু ভিন্ন তথ্য, আর সেটি হলো- বিশেষ করে ধর্ম সংক্রান্ত উৎসবাদি এবং অন্যান্য উৎসব পালন করার জন্য নির্মিত হয়েছিল এই শহর। এই শহরে রয়েছে অনেক ধর্মীয় উপাসনালয়, যেগুলো অতি শতর্কতার সাথে নির্মাণ করা হয়েছিল। যার মধ্যে একটি হলো- সূর্যদেবের মন্দির।
যা খুব নিখুঁত পাথরের কারুকাজ দ্বারা নির্মিত একটি অর্ধবৃত্তাকার মিনার। যা মানমন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের সময় কাছের ঝর্ণাতে গোসলের কাজটি সাড়া হতো। কন্ডোরের মন্দিরে ইনকার চিত্রকররা পাথরে একটি বিশালাকৃতির শকুনের ছবি খোদাই করে, যার কারণ আজও অজানা।
*ভাই জায়গাটা কিনছি...........
প্লট বিক্রয় করুম কিনবেননি ?????????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

