কবিদের নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে বাদানুবাদ থাকতে পারে
মাছরাঙার মতো হতে পারে কেউ-বা কামরাঙার মতো ভেষজ
আমার জল তোমার নির্জলে মিশতে গিয়ে অন্যথায় আর কী
সে করতে পারত যদি বলতে পারো তবে এই আসমান এই
বিধিনক্ষত্রের রূপালি শালিকের মুখে কোনো খড়কুটো রইবে না (?)
তুমি আকন্দ ঝুলনে শমরেখায় পাপী'র কোলে সুরা ঢালতে পারো
আমি এই জাহ্নব সন্ধ্যায় কান্তার মুখের দিকে তাকায়ে ভাবি কে
বেশি সুন্দর তুমি না তোমার চোখ? কোন্ ধারদেনা রোদ শুকায়ে
উঠানের কোটরে মাটির কবরে অন্ধকার নীলিমার ভেতরে বনের
ধারে বেতের বুননে মুড়িমুড়কির দানার মতো? তখন চড়াই হতে
সাধ জাগে সুনয়না সঙ্গদাত্রী অধুনা নীতি নাই লেশ নাই রেশ নাই
এইসবে কয় ভালোবাসা আমাকে মদিরা দিয়ে মাতাল করে মাতৃমতী
সন্ধ্যা তার বুকের সীমানায় বালুচরে কালবোশেখির মতো দমকা বাতাস
সেই ঝড়ে অশ্বত্থ শিউড়ে উঠছে বাদাম আর আখরোট সব পড়ে আছে
ছিমছাম জানবে না কোনোদিন কেউ মৃত্যু অভেদ কারে কয়?
কারে বলে সমুখের সখা বিরহী পাথার অথবা আখের ক্ষেতে জলপাই?
তোমাদের মুখ চিনে চিনে আমাদের সান্ধ্য সুবাস আমাদের বাতাবি শরীর
আঘ্রাণ তার বিলিয়ে দিয়েছে মাতাল হরিণির কাছে সেই সুধা সেই জবা
সেই মাঠ বিহঙ্গ উড়াল তাদের রক্তের কাছে প্রশ্রয় পেয়েছো তুমি
তাই ক্ষমো হে সর্বাঙ্গিনী কারণ আমার নায়ে এখনো কালো যমুনার জল
আছড়ে পড়ে এবং আমি নিষ্ফল চেহারায় বৃষ্টির চোখে বিদ্ধ হতে হতে বলি
ডেসডিমোনা! আমাকে তুমি উপহার দিয়েছো বেদনার রক্তাভ ডালিম।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



