somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ইউরোপে ২৮ দিন >> জার্মানীতে ২য় থেকে ৫ম দিন সূচনা........আগের পর্ব: জার্মানীতে প্রথম দিনের শেষ পর্ব
***
প্রথম দিনের কথা লিখতেই একটা পোস্ট হয়ে গেল, তবুও বাকি আছে অনেক কিছু। এগিয়ে যাই সামনের দিনগুলোতে।

দ্বিতীয় দিনেও আমি পথ হারিয়ে ফেললাম বাসা থেকে অফিস আসার সময়। অনেক কষ্টে খুঁজে খুঁজে ৩৫ মিনিট পরে আসতে পারলাম যেখানে রাস্তা চিনে যাওয়ার পরে আমার টাইম লাগতো ৮ মিনিট মাত্র।

অফিসে এসে আমার অফিসিয়াল চ্যাটিং সফটওয়ারে লগইন করা মাত্রই বন্ধু ও সিনিয়র ভাইরা নক করা শুরু করলো কেমন আছি তার খোঁজখবর নিতে, জার্নি কেমন হলো ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের সাথে কথা বললাম, কলেজের ফ্রেন্ডদের মেইল দিলাম, অফিসের পাশের ছবি তুললাম আবার, মাঝে কিছুটা সময় রোদ পোহালাম। সেদিন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রী এর মত ছিল তবে বাতাসের ঝাপটা কম থাকায় ভালোই লাগছিলো আবহাওয়াটা। জার্মানীতে টেমপারেচার ফ্যাক্টর হয়না ঠান্ডা নাকি গরম আবহাওয়া সেটা নির্নয়ে, মূল ফ্যাক্টর হলো "উইন্ড স্পিড"। স্পিড যত বেশী ঠান্ডা অত বেশী।

বাংলাদেশে আমার অফিসে রাস্তা দর্শন মানেই হলো সোনারগাঁ হোটেলের সামনের সিগন্যালের জ্যাম এবং অগুণিত টয়োটা। এখানে ব্যাপারটা উল্টা, জানালার পাশের রাস্তায় হঠাৎ হঠাৎ এক/দুইটা গাড়ি দেখা যাচ্ছে। আর পুরো জার্মানীতে ২টা মাত্র টয়োটা দেখেছি পুরো সময় জুড়ে, বুঝুন অবস্থা। সব গাড়িই হয় ভক্সওয়াগন/অডি/বিএমডাব্লিউ/মার্সিডিজ (এগুলো সবগুলোই জার্মান ব্রান্ড)। এখানে রাস্তায় মানুষজনও বেশ কম। এখানে বাড়িগুলো টালি করা এবং সবগুলো বাড়িই প্রায় সমান উচ্চতার। আমি যেখানে ছিলাম সেই জায়গাটা ২য় বিশ্বযুদ্ধ সারভাইভ করা জায়গাগুলোর একটা তাই এখানকার বাড়িগুলোও ১৮শ এর ইউরোপীয় ধাঁচের। সবমিলিয়ে চমৎকার একটা প্লেস পেয়েছিলাম অফিসে।

আমার ধারণা ছিল ফ্রি-সেক্সের ইউরোপে থাকাটা একটু কষ্টের হবে তবে আমার ভুল ভেঙ্গে গেল খুব তাড়াতাড়ি। ইউরোপে না এসেই যারা নিছক মুভি-সিনেমা দেখে ইউরোপ নিয়ে বলেন তাদের কথা ভুল। এখানে আমি ২৮ দিন ছিলাম, ওপেন সেক্স কোথাও দেখিনি। লিপ-কিস এখানে মনে হয়েছে খুব কমন একটা ব্যাপার, কে কি করলো না করলো সেটা দেখার কারো সময় নাই এবং আমার মাঝেও এটাই কাজ করতো। পুরো সময় আমি শুধু একটা কাপলকে কিস করতে দেখেছিলাম, আর কখনোই কিছু নোটিশ করিনি। সহজভাবে বলতে গেলে কে কি করে সেটা দেখার কারো টাইম নাই। এদের নাইট ক্লাব আছে তাই নিজের পকেটের টাকা উড়াতে কারো ভালো লাগলে সেটার ব্যবস্থাও আছে, ব্যক্তিস্বাধীনতাই মুখ্য।

ঠান্ডার প্রকোপ তখনো ভালোই তাই ছেলে-মেয়ে-শিশু সবারই কমন ড্রেস: জ্যাকেট-জিন্স-জুতা। সত্যি কথা হলো ইউরোপিয়ান মেয়েদের ড্রেসআপ নিয়ে ছেলেদের মাঝে আনলিমিটেড ফ্যান্টাসী কাজ করে তবে আপনি যখন ওখানে থাকবেন তখন বাসের সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা সামনের মেয়েটার মতই লাগবে সবাইকে: শুধুই একটি মেয়ে, নাথিং এলস। আমি সবসময়ই বিশ্বাস করতাম আমি একটা মেয়েকে একটা সাধারণ মানুষ হিসেবেই দেখতে পছন্দ করি এবং ইউরোপে এই বিশ্বাসটা আরো পাকাপোক্ত হয়েছে।

এবার লাঞ্চ প্রসংগ। আমরা ২য় দিন ইয়ারিভকে বললাম ওরা যেখানে খায় ওখানেই যাবো। ইয়ারিভ এবং বরিস একসাথে বললো: "ম্যাকডোনাল্ডস"। আমরাও খুশী এটাতে প্রথম খেতে যাচ্ছি চিন্তা করে। তখন বিশেষ অফার চলছিলো তাই আমরা বিগম্যাক অর্ডার দিয়ে আরো একটা ম্যাক বার্গার ফ্রি পেলাম। সাথে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই (বড়টাই নিয়েছিলাম ৩টা আলাদা সাইজের প্যাকেটের মাঝে) এবং কোক। এই পর্যন্ত যারা পড়লেন এবং ম্যাকডোনাল্ডসে খাওয়ার সুযোগ পাননি এখনো তাদের বলবো: বিরাট মিস <img src=" style="border:0;" /> জীবনে একবার হলেও খেয়ে দেখবেন। এদের ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ওয়ার্ল্ড বেস্ট, কোন সন্দেহ নাই। যাই হোক, যা যা খেলাম তার একটা ছবি নিচে:



এতকিছু খাওয়ার পরেও বিল ছিলো ৪.৫ ইউরো মাত্র। অবাক হয়েই যখন আগের দিনের বিলের সাথে মিলালাম তখন জানলাম ম্যাকের মত সস্তায় এবং এত ভালো কোয়ালিটি'র আর কোথাও কিছু নেই। পুরো ইউরোপ জুড়েই এই কথাটা সত্যি। ম্যাকডোনাল্ডসে বা বার্গার কিংয়ে বা যেকোন ফাস্ট ফুডের দোকানে ভিড় লেগেই থাকে তবে কোথাও কোন নোংরা নেই কারণ খাওয়ার পরে সবাই নিজের জায়গাটা ক্লিন করে এরপরেই উঠে। দুপুরে আখেরী খানা দেয়ার পরে কিভাবে জেগে থাকবো সেটা চিন্তা করলাম তবে দেখলাম ঘুম আসলো না (বাংলাদেশের অপজিট ইফেক্ট)। বিকালে আমাদের বসের কাছে ট্রেনিং শুরু হলো এবং এভাবেই চললো শুক্রবার পর্যন্ত।

সন্ধ্যায় আমি প্রতিদিন বাসায় যাওয়ার সময় হারিয়ে যেতাম এবং আসার সময়েও। মজাই লাগতো ব্যাপারটা কারণ এলাকাটা ঘুরে দেখা হতো এই সুযোগে। আমার বাসার ডান পাশে একটা তিউনিসিয়ান লোকের দোকান ছিলো, ওখানে সিম কার্ড কিনেছিলাম (নাম্বারটা বাংলাদেশের মতই: ০১৭.....)। এমনি কথা প্রসংগে ওনাকে বললাম আমি বাংলাদেশী, উনি চেনেন কিনা আমার দেশ? হাসিমুখেই বললেন, উনি বাংলাদেশ চেনেন কারণ এজতেমা'র সময় এসেছেন <img src=" style="border:0;" /> বাংলাদেশের মানুষকে উনার খুব ভাল মনে হয়েছে তাই যেই আতিথেয়তা উনি আমার দেশে পেয়েছেন সেটার জন্যে আমাকে প্রথম দিনেই চকলেটমুখ করালেন।

আমার বাসার অপর দিকে লক্ষ্য করলাম একটা বার আছে, প্রতি সন্ধ্যায় ওখানে ৩জন লোক একই চেয়ারে একই ভাবে বসে বিয়ার খেতে থাকে, সেটা যখনই হোক না কেন....আমার বাসার সামনে খেয়াল করলাম একটা স্কুলও আছে যদিও বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার সাথে পুরাই বিপরীত ওটা। কখনোই কোন ভিড় দেখিনি ওখানে কারণ সব বাচ্চাকেই স্কুল বাসে আসতে হয়, যেতেও হয় ওটাতেই। বাচ্চাগুলিও ভীষণ নিয়মপরায়ণ তাই বাচ্চাদের গাড়িতেও শুধু ড্রাইভার ছাড়া বয়স্ক আর কাউকে দেখিনি।

ডার্ক নাইটে জোকারের ব্যবহার করা বাসটার মতই, তাইনা?

***
৫ম দিন পর্যন্ত এখানেই শেষ। এ কয়দিনের পর্যবেক্ষন সব লেখা হলো না বা লিখলাম না কারণ ২য় সপ্তাহটা মোটামুটি ঘটনাবিহীন ছিল তাই সেই সপ্তাহের জন্যে রেখে দিলাম।

আগামী পর্বে: বন এবং কোলন ভ্রমণ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29532250 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29532250 2012-01-30 21:49:45
ইউরোপে ২৮ দিন >> জার্মানীতে প্রথম দিনের শেষ পর্ব <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> সূচনা........আগের পর্ব: জার্মানীতে প্রথম দিন
*********************
অফিস যাত্রা:
কতক্ষন ঘুমিয়েছিলাম আল্লাহই জানে। একসময় ঘুম থেকে যখন উঠলাম কিন্তু তখন বাইরে তাকিয়ে দেখি পুরাই রাত এবং ঘড়িতে বাজে দুপুর ১.৩০, জার্মানীর হিসাবে এটা ৮টা ৩০ হবে। আমি ইচ্ছা করেই আমার ঘড়ির টাইম কোথাও চেঞ্জ করিনি যাতে যেখানেই যাই বাংলাদেশের টাইম থাকে এবং টাইম নিয়ে গড়বড় না হয়। জার্মানীতে সকাল কখন হবে সেটা তো আর আমি জানি না, তাই ঘুটঘুটে অন্ধকার দেখেও মনে হল এটাই বোধহয় সকাল।

আমাদের অফিস ৯টা থেকে সুতরাং উঠলাম, মুখ-হাত ধুয়ে বের হলাম অফিসে যাওয়ার জন্যে। এই মুহুর্তটা খুব বেশী করে আমার সারাজীবন মনে থাকবে সারাজীবন, কারণ এই অন্ধকারে হাতে শুধু গুগল ম্যাপস এর একটা প্রিন্ট-আউট, বাংলাদেশের বাইরে প্রথম সকাল, যেই দেশে আছি সেখানকার ভাষার "ভ"-টাও জানি না। সুতরাং সফলভাবে অফিসে যেতে যেতে পারাটা বিশাল একটা ক্রেডিট হবে।

পথ শুরু হল, একসময় মনে হল জার্মান কারো সাথে টাইমটা ক্রস চেক করা উচিত। রাস্তায় একটা মেয়েকে ক'টা বাজে জিজ্ঞেস করলাম, সে একটু বিরক্তি সহকারেই কব্জি দেখিয়ে বললো "নাই-ও"। আল্লাহই জানে এরমানে কি কিন্তু ইংরেজী আর জার্মান ভাষা হিসেবে যেহেতু ভাই-ভাই (জার্মান ভাষার সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী হল ইংরেজী, আমাদের যেমন আসামি ভাষা) তাই পরে বুঝেছিলাম এটার মানে হলো "No"। আগের দিন আসার সময়কার রাস্তায় একটা টানেল ছিল, ওটার কথা মাথায় ছিল, একসময় ওটাতে পৌছে গেলাম। এরপরে বামে যেতে হবে, গেলামও সেই মত কিন্তু দেখি পথ শেষ। আবার ফেরত এসে পরের গলিতে গেলাম, ওটাও ডেড-এন্ড। ৩ নাম্বারটায় যেয়ে পেয়ে গেলাম অফিস। কিন্তু......কেউ নাই কেন? দাঁড়ায় আছি, আছি এবং একসময় দেখি একজন কুকুর নিয়ে জগিং করতে করতে যাচ্ছে। তাকে ডাক দিয়ে ঘড়িতে কয়টা বাজে ইঙ্গিতে জানতে চাইলাম এবং তার উত্তর শুনে পুরোপুরি হ্যাং হয়ে গেলাম। তখন বাজে ভোর ৬টা, আমার মোবাইল দুবাইতে অন করেছিলাম তখন ওখানে আপডেটেড হয়ে গিয়েছিল কিন্তু জার্মানীতে হয়নি তাই টাইম পুরাই ভুল দেখাচ্ছিল।
অসহায়ের মত ৩ ঘন্টা না দাঁড়িয়ে থেকে ভাবলাম বাসায় যাই। আমি পথঘাট কিছুই চিনি না, ছিনতাই হলে সবশেষ...তবুও ভাবলাম যাই, শুরুটাই এমন গন্ডগোল খেয়ে শুরু হল, সামনে যা হবার হবে......

দুপুর বেলা:
আমার ফ্ল্যাটটা যেখানে ছিল সেই রাস্তাটার নাম "লা'ফেনবার্গস্ট্রাসে"। এই নাম খুঁজে খুঁজে আমি আবার কেমনে জানি ঠিকমত বাসায় পৌছে গেলাম। বাসার চাবিটা একটু বিদঘুটে টাইপের ছিল তাই তালা খুলতে টাইম লাগলো ৫ মিনিট, এরপরে ঘুম এবং আবার ৮:৩০ এ উঠে অফিসে আসলাম। এবার রাস্তায় অনেক মানুষ তাই ম্যাপস দেখিয়ে সহজেই আসতে পেরেছিলাম। অফিসে সকালে সবার সাথে পরিচয় হয়েছিল আগের দিনেই, এদিন এসে পিসি ঠিকঠাক করলাম। ওদের চার্জার-ল্যান পোর্ট সব একসাথেই, ওটা বাংলাদেশে সাধারনত ব্যবহার করা হয়না। এরপরে বাসায় কথা বললাম, জানালাম ঠিক আছি। ক্যামেরা বের করলাম ছবি তোলার জন্যে। আমার ডেস্কের পাশেই জানালা আর রাস্তা তাই সকাল বেলার মিঠে রোদ দারুন লাগছিলো। বাইরে তাপমাত্রা তখন ৪/৫ ডিগ্রী। এভাবেই একসময় দুপুর ১২টার দিকে রেনে (আমাদের বস) এসে কথা বললো কেমন চলছে এবং অফিসের আরেকজন "ইয়ারিভ"-কে বললো আমাদের লাঞ্চের জন্যে নিয়ে যেতে। দুপুর ১২টা বাজলেও তখন বাংলাদেশের টাইম অনুসারে বিকাল ৫টা তাই ভাবলাম যাওয়া যায় লাঞ্চে। ইয়ারিভের সাথে বরিসও আমাদের সঙ্গী হলো কারণ এরা দুইজনই বাইরে লাঞ্চ করে এবং বাকিরা অফিসে লাঞ্চ নিয়ে আসে।

লাঞ্চ:
আমরা যখন বললাম রাইস জাতীয় কিছু খেলে ভালো হয় তখন তারা আমাদের সেইরকম একটা রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলো। রাইস এবং ম্যাশ-পটেটো খেলাম যদিও ভাতের স্বাদ মিটলো না। ঠিক ২৫দিন পরে আমরা ভাত খেয়েছিলাম দেশ ছাড়ার পর থেকে। খেয়েটেয়ে বিল আসলো ৭ ইউরো, অনুভূতি হলো ৭০০টাকার লাঞ্চ করলাম। অবশ্য এইরকম অনুভূতি খুব তাড়াতাড়িই নাই হয়ে গিয়েছিলো যখন মার্কেট গুলোতে ঘুরেছিলাম। আপনি যখন বাইরে যাবেন তখন আপনিও সেভাবেই নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন। ৭ ইউরো আসলে অনেক, পরে জেনেছিলাম ওইদিন আমাদের জন্যেই আসলে জার্মান কলিগরা ইচ্ছা করেই আমাদের ওখানে নিয়ে গিয়েছিল যদিও রেস্টুরেন্টটা ভালো পশ টাইপের, সাধারনত ওরা ম্যাকডোনাল্ডস এ খায় কারণ ম্যাকের চেয়ে সস্তা এবং ভালো আর কিছুই নাই। না না, ডোনার কাবাব আছে যেটা ৪ ইউরোতে পাওয়া যায় এবং ২ বেলা খাওয়া সম্ভব। আমরা লাঞ্চে অর্ধেক খেতাম, বাকিটা এনে ফ্রিজে রাখতাম এবং রাতে খেতাম। ওখানে ডিনার টাইম সন্ধ্যা ৭টা, সাড়ে ৭টা। প্রথমে বিশ্বাস হয়নি কিন্তু দেখলাম আসলেই তাই কারণ ওইসময়ই ক্ষিদা লাগে এবং খাওয়ার পরে ১২ ঘন্টার মত (রাত ৮~সকাল ৮টা) ঘুমাতে কোন সমস্যা হয়না।

লাঞ্চের পরে ওদের সাথেই মার্কেটে ঘুরলাম কারণ অফিসের নিচের তলায় মার্কেট। জার্মানীতে কোন জায়গাতেই আমি গেটকিপার দেখিনি, সব অটো। দারুন জিনিস এটা, কারণ অটোমেটিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কেউ সামনে আসলে দরজা অটো খুলে যাবে এটা ইমপ্লিমেন্ট করে ওরা গেটকিপার হিসেবে যে কাজ করতো তাকে অন্য কোন প্রডাক্টিভ কাজে লাগাতে পারছে। শুধু গেট ওপেন করা নয়, সবজায়গাতেই এই প্রাকটিস দেখেছি। মার্কেটে ঘোরা পর্ব আরেকদিন লিখা যাবে, আমি টার্গেট নিয়েছিলাম প্রথম সপ্তাহ একবারে লিখবো কিন্তু এখন মনে হচ্ছে প্রথম দিনটাই একটা পোস্ট হিসেবে দিতে হবে।

শেষ:
বিকেলে অফিসে কাজ করলাম কিছু। সন্ধ্যায় বের হয়ে বাসায় আসলাম এবং এসে ভাবলাম ডায়েরীতে অনুভূতিগুলো লিখে রাখি। সেইমত লিখেও রাখলাম। এরপরে টিভি অন করলাম এবং ইংরেজী একটা চ্যানেল পাওয়া গেল, ভালোই মজা লাগলো ওটায় কারণ প্লেইন ইংলিশ বোঝার ক্ষমতা কাজে লাগছিলো....ঘুমায় গেলাম একসময় এবং রাত ৩টার দিকে আবার ঘুম ভেঙ্গে গেলো, কি মুসিবত। টিভি অন করলাম কি হয় দেখি এবং মজা পেলাম অ্যাডাল্ট চ্যানেল দেখে......যতদিন আমি জার্মানীতে ছিলাম প্রতিদিন রাতেই ঘুম ভেঙ্গে যেত এবং এই চ্যানেলটা দেখে বুঝতাম কয়টা বাজে কারণ এটা রাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্তই ওপেন থাকতো।

আজ এ পর্যন্তই। কিছু ছবি দিয়ে শেষ করি প্রথম দিনের ঘটনা:

বাসার সামনে:


অফিস ডেস্কের ভিউ:


বাসার কাছের পার্ক (দুপুরে যেমন লাগে):


সেন্ট্রাল স্টেশন:
[img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/seoul_1326869695_3-Fullscreen_capture_1182012_125329_PM.jpg

****
পরের পর্ব: জার্মানীতে ২য় থেকে ৫ম দিন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29524388 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29524388 2012-01-18 13:04:16
প্রতিবাদ চালিয়ে যাও বুয়েটিয়ানরা; সাথে আছি সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন ঈশানের ছবিটা দেখলাম, সারা রাত প্রো-ভিসির অফিসের সামনে বসে থাকা স্টুডেন্টগুলো ছবিগুলো দেখলাম, তার পরের ভেঙ্গেচুরে যাওয়া অনুভূতি প্রকাশ করার ক্ষমতা আমার নেই।

তোমাদের পাশে আমরা প্রাক্তনরা আছি, রাজনীতি ঘৃণা করা মানুষরা আছে।

আমি অনেকদিন আগে buetian.com ডোমেইনটা কিনে রেখেছিলাম আমাদের ভার্সিটির স্টুডেন্টদের জন্যে একটা সাইট হিসেবে তৈরী করবো জন্যে। কখনোই করা হয়নি কাজটা কিন্তু আজ করতেই হবে অন্যথায় আমি নিজেকে বুয়েটিয়ান বলে পরিচয় দেয়ার ক্ষমতা হারাবো।

আমি সাইটটি তৈরী করে শুরু করে দিয়েছি। আপনারা যারা এই ব্লগ পড়ছেন তাদের অনুরোধ করবো সাইটটার লিংক শেয়ার করবেন সবার কাছে। প্রতিবাদের প্রতিটি আপডেট শেয়ার করার চেষ্টা থাকবে ফেসবুক থেকে কপি করে।

ফেসবুকে এই পেজটিতে জয়েন করুন: বুয়েটের আঙিনায় সন্ত্রাসীদের ঠাঁই নাই

বুয়েটিয়ান সাইট লিংক: http://buetian.com/

শেয়ার লিংক: http://www.facebook.com/sharer/sharer.php?u=http://www.buetian.com]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29514133 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29514133 2012-01-01 14:30:23
সামহোয়ারইন ব্লগের নতুন আউটলুকটা দেখতে পারেন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> [সাথে একটা বাগ, ইনকমপ্লিট ফিচার]
■ সামহোয়ারইন ব্লগের ডিফল্ট সাইজ ১০২৪ পিক্সেল, বাম পাশে সরানো। ফলে যাদের স্ক্রীন সাইজ এর চেয়ে বড় (বিশেষ করে ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের) তারা সবসময় সাইটটিকে বামে পড়ে থাকতে দেখেন কিন্তু কমন ট্রেন্ড হলো সাইটটি মাঝে এসে থাকবে। নতুন ভার্সনে এটা করা হয়েছে।


■ সাইডবারের কালারগুলি এখন যেমন নীল তারথেকে আরো লাইট ব্লুতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উপরের ছবিটায় "নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন" বাটনের নীচের অংশের রংটা খেয়াল করুন।

■ বর্তমানে টপ মেনুবারে যা আছে সব গুলিকে আইকনে রূপান্তর করা হয়েছে টেক্সট এর বদলে। নিচের স্কীনশটটি দেখুন:


■ দিন অনুসারে ব্লগ দেখার ব্যবস্থা বা হোমপেজে যেই ক্যালেন্ডারটি আছে সেটা এখন সবসময় উপরে মেনুবারে দেখা যাবে:


■ পোস্ট খুঁজবেন নাকি ব্লগার খুঁজবেন সেটা আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে আইকন দিয়ে। উপরের ছবিগুলোতে সার্চবারের পাশের বাটন দুইটি পোস্ট নাকি ব্লগার সেটা সিলেক্ট করার কাজ করবে

■ হোমপেজের সকল পোস্ট, নির্বাচিত (যেটা আসলে সংকলিত) পোস্ট, নোটিশবোর্ড লিংক এগুলিও সবসময় ভিজিবল:


■ বিশাল একটা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন বাটন বিদ্যমান।

■ সবশেষে, কিছু বাগ আছে, যেমন ডাটাবেজ কুয়েরীটা সরাসরি পেজে দেখা যাচ্ছে:

শুধু এই বাগটার জন্যেই আমি মূলত নতুন ভার্সনটার লিংক শেয়ার করলাম না।

******************
এই ছিলো প্রথম দেখায় নোটিশ করা পয়েন্টগুলো। আমাকে সামহোয়ারইন ব্লগ অথরিটি এগুলো টেস্ট করার দায়িত্ব দেয়নি, আমি নিতান্তই এই ভার্সনটা দেখে ফেলেছি তাই আপনাদের সাথেও শেয়ার করলাম। আমি এই ভার্সনটা নিয়ে কমেন্টও করতে চাই, যদিও ভালো করেই জানি ব্লগ টিম আমার কথা শুনবে না। তাতে কি. . .

■ উপরে এখনকার মত টেক্সট লিংকগুলোই ভাল আছে, কেন এটাকে আইকন দিয়ে রিপ্লেস করা হল ঠিক ক্লিয়ার না। যদি আপনাদের সিদ্ধান্ত হয় যে, হোমপেজের সবকিছুই সব পেজে থাকবে তাহলে আপনারা যেটা করতে পারেন তা হল বর্তমানে মেনু বারের লিংকগুলোকে একদম পেজের উপরে নিয়ে যান। এর নিচে রিক্সার ব্যানার ইমেজটি দিন। তার নিচে সার্চ বারের মত জিনিসগুলো দিন যেগুলো হোমপেজ থেকে আনছেন। মনে রাখবেন, ইনফরমেশন অ্যাক্সেস লেভেল যত বাড়বে সেটা তত বাজে ডিজাইন। এই ব্লগের পোস্ট সংখ্যা এত বেশী যে গুগল সার্চ, ফেসবুক থেকেও অনেক ইউজার প্রথম বারের মত এই সাইটে আসেন এবং তাদের জন্য বর্তমান মেনুবারটি পারফেক্ট। অন্যদিকে সবপেজেই সার্চবার, দিন অনুসারে পোস্টের লিংক ঠিক কার দরকার মাথায় আসলো না (বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে অ্যানালাইসিস করেন যারা তারা বাদে)।

■ নতুন অ্যাকাউন্ট খুলুন বাটনটার কনট্রাস্ট কমিয়ে দিন, বিরক্তিকরভাবে চোখে লাগছে। নতুন একজনের জন্যে এটা ঠিক আছে কিন্তু রেগুলার ভিজিটরদের জন্যে এটা ভাল আইকন হয়নি। কনট্রাস্ট কমিয়ে দিলেই হবে।

■ এই ভার্সনটা আপনারা আলাদা সার্ভারে হোস্ট করছেন (সাইটের স্পিড দেখে তাই মনে হলো)। ফুল রিলিজ না হওয়া পর্যন্ত এনট্রি সীমিত করুন।

■ গ্রুপ ব্লগ অনেক আগেই ইন্তিকাল করেছে, এটাকে আর টেনে আনবেন না, বাদ দিন একে। বরং পোস্টে ক্যাটাগরী যোগ করার অপশন যোগ করুন। গ্রুপ ব্লগের টার্গেট কি একই ধরনের পোস্টগুলিকে এক জায়গায় রাখা, এইতো? এইজন্যে পুরো পৃথিবীর সবাই পোস্ট-ক্যাটাগরী ব্যবহার করে, আপনারাও তাই করুন। এখন যেমন অনুরোধ পেলে নতুন গ্রুপ খুলে দেন, তখন অনুরোধ পেলে নতুন ক্যাটাগরী ক্রিয়েট করবেন, সিম্পল এবং ইফেক্টিভ অ্যাক্সেস ডিজাইন।

■ নোটিশবোর্ডের লিংক সবপেজেই রাখার সিদ্ধান্তটা ঠিক হয়নি। নোটিশবোর্ড কেন দেখবো আমি? আমি ব্লগ পড়তে/লিখতে আসছি, সেটা করেই আমার কাজ শেষ। সাইটের নোটিশবোর্ডে কি লেখা আছে সেটা দেখার কোন কারণ নাই। আপনাদের টার্গেট যদি হয় ইমপরটেন্ট কোন ডিসিশন/নিউজ সব ব্যবহারকারীর কাছে পৌছে দেয়া তাহলে আপনাদের পোস্ট টিকার ব্যবহার করা উচিত, যখন দরকার তখন শো করবেন এবং সময়মত সরিয়ে নেবেন। এরফলে একজন ব্যবহারকারী/পাঠক ব্লগে আসলেই উপরে ব্যানারের নিচে ভেসে থাকবে, স্ক্রল করলে সেটাও নামতে থাকবে টাইপের জিনিস বলছি আসলে। আপনারা জানেন এটা করা মোটেই কঠিন কাজ না, এবং সেইসাথে এটা নোটিশবোর্ড লিংক রাখার ব্যাপারটাকেও সিম্পলিফাই করবে।

*************
এইতো, ভাল থাকবেন সবাই <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29512030 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29512030 2011-12-29 11:10:49
রজনীকান্ত সমগ্র: আরো কিছু ঘটনা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> রজনীকান্ত সমগ্র

রজনীকান্ত যা যা করতে পারে:

■ রজনীকান্ত ম্যাগনিফাইং গ্লাসে সূর্যের আলো দিয়ে পিঁপড়া'র গায়ে আগুন লাগাতে পারেন। সেটা রাতের বেলায়।
■ রজনীকান্ত এতই জোরে দৌড়াতে পারেন যে তিনি পুরো পৃথিবী চক্কর দিয়ে এসে নিজেই নিজের মাথায় পেছন থেকে ঘুষি মারতে পারেন।
■ একবার রজনীকান্ত একটা দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। রেস শেষে আইন্সটাইন কোনমতে হার্ট অ্যাটাক থামিয়েছিলেন কারণ লাইট থার্ড হয়েছিল সেই রেসে এবং রজনীকান্ত প্রথম। দ্বিতীয় হয়েছিল তার ছায়া।
■ একবার ডাইনোসররা রজনীকান্তের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে ফেরত দিতে অস্বীকার করেছিল। আফসোস, সেদিনের পরে থেকে আর কেউ কখনো ডাইনোসর দেখেনি।
■ রজনীকান্ত পিয়ানো দিয়ে ভায়োলিন বাজাতে পারেন।
■ টাটা ন্যানো মডেলের একটা গাড়িতে রজনীকান্ত এবং তার গার্লফ্রেন্ড সুখ সময় পার করছিলেন, হঠাৎ এক ফোঁটা বের হয়ে গাড়ির ইঞ্জিনে চলে যায় এবং এখন আমরা সেই গাড়িটিকে ফেরারী বলে জানি।
■ রজনীকান্ত ধাম করে শব্দ করে একটা রিভলভিং দরজা বন্ধ করতে পারেন।
■ একবার একটা ঘোড়া এর কাছে লাথি খেয়েছিল, আজকে সেই প্রাণীটির নাম জিরাফ।
■ শূন্য দিয়ে ভাগ করতে পারেন রজনীকান্ত।
■ যদি রজনীকান্ত তাকিয়ে থাকে তাহলে পানি তাড়াতাড়ি গরম হয়।
■ ডিম আগে না মুরগি আগে এই প্রশ্নের উত্তর জানেন রজনীকান্ত
■ রজনীকান্ত পেইনকিলার ওষুধকে পেইন দিতে পারেন।
■ কিছু জাদুকর পানির উপর হেঁটে দেখাতে পারেন। রজনীকান্ত মাটিতে সাঁতার কাটতে পারেন।
■ রজনীকান্ত মিসকল রিসিভ করতে পারেন।
■ সবশেষে, রজনীকান্ত তার গার্লফ্রেন্ডকে স্যরি বলাতে পারেন।

এবার আরো কিছু রজনীকান্ত ঘটনা:

■ একবার রজনীকান্তের গার্লফ্রেন্ড একটা গুন্ডা টিজ করেছিল। রজনীকান্ত সেটা শোনার পরে তার মোবাইল বের করলো এবং গুন্ডাটাকে একটা মিসকল দিল...আফসোস, গুন্ডা ভাইটার মোবাইল এত জোরে ভাইব্রেট করে উঠলো যে সে ওখানেই শেষ (বলেন ইন্নালিল্লাহ)

■ একটা বাচ্চাকে রজনীকান্ত একবার শিখিয়েছিল কিভাবে তালা ছাড়াই দরজা খুলতে হয়। বড় হবার পরে সেই বাচ্চাটাকে আমরা সবাই এখন চিনি: CID ইনস্পেক্টে "দায়া"।

■ এর সুপার পাওয়ার:


*****
ড্রাফট থেকে শেয়ার করা। মূল লেখাগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ইন্টারনেটে পাওয়া যাবে।

ভাল থাকবেন সবাই <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29501950 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29501950 2011-12-13 13:53:52
ইউরোপে ২৮ দিন >> জার্মানীতে প্রথম দিন সূচনা........আগের পর্ব: ঢাকা থেকে দুবাই

দুবাইতে আমার ৮ ঘন্টা ৮ মিনিটের ট্রানজিট শেষ হল একসময়। দুবাই এয়ারপোর্টের অভিজ্ঞতা নিয়ে ফেরার সময়কার অভিজ্ঞতার সাথে একপর্বে লিখবো। দুবাই থেকে ফ্রাংকফুর্ট যাত্রা ছিল ৮ ঘন্টার মত। এই সময়টাও কাটলো মুভি দেখে, ঘুমিয়ে এসব করেই। বাংলাদেশ থেকে দুবাই পর্যন্ত বেশিরভাগ যাত্রীই ছিলেন ইউরোপিয়ান তাই মনে হচ্ছিল অচেনা এক দেশে বাংলাভাষাবিহীন এক পরিবেশে কেমন যে যাবে দিনগুলো, বাংলাদেশে যা রূপকথা তাই কি ওখানে বাস্তব? এভাবেই একসময় ফ্লাইট ল্যান্ড করলো ফ্রাংকফুর্টে। তখন দুপুর ২টার মত। দুবাই এয়ারপোর্ট যেমন ভর্তি ছিল এমিরেটস এর বিমানে, ফ্রাংকফুর্ট তেমনি লুফথানসার বিমানে। বাংলাদেশ এয়ারপোর্ট ভর্তি ছিল বিদেশী বিমানে, আফসোস।


বাংলাদেশী কেউ বিদেশের কোন ইমিগ্রেশনে দাঁড়ালেই ভয়াবহ বিড়ম্বনার শিকার: এমনটাই আমি পড়েছি বেশিরভাগ জায়গায়। আমি ধরে নিয়েছিলাম আমারো এমনটাই হবে, তবে ভুল ছিল ধারণাটা। আমার সকল অরিজিনাল ডকুমেন্ট সাথেই রেখেছিলাম, ইমিগ্রেশনেও খুব অল্পই মানুষ দেখলাম তাই তেমন কোন সমস্যা ছাড়াই পার হয়ে গেলাম ইমিগ্রেশন। কেন-কোথায়-কতদিন এই প্রশ্নগুলোর বাইরে আমার আর কিছু জিজ্ঞেস করেনি। তবে এই ইমিগ্রেশনটার একটা প্রভাব আছে পুরো ইউরোপ ট্যুর জুড়েই। আমার সাথে আমার বন্ধু জামিল, দুইজনই ইউরোপে প্রথম, কেউই জার্মান ভাষা জানি না। সুতরাং ইংরেজী বলতে হবে এখন থেকে ফ্লুয়েন্টলি, কারণটা দরকারটা আমার। আমাকেই সঠিক শব্দ বের করে কমিউনিকেশন চালাতে হবে। খুব সহজে বলতে গেলে, আমরা সবাই ইংরেজী লিখতে পারবো কিন্তু বলতে গেলে আটকে যাবো কারণ হঠাৎ করেই একটা জরুরী শব্দ মাথায় আসবে না। ইমিগ্রেশনে দাঁড়িয়ে একটানা কথা বলে গেলাম কোন প্রকার আ-উ-আ অথবা না আটকেই। ইংরেজী বা যেকোন বিদেশী ভাষা শিখতে গেলে ভাষার ভয়টা ভেঙ্গে যাওয়া দরকার। আমি মনে করি ফ্রাংকফুর্ট এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশনেই এই ভয়টা কেটে গিয়েছিল। ইমিগ্রেশনের ছেলেটাকে ধন্যবাদ, তার সহযোগিতামূলক মনোভাবের জন্যে।

ইমিগ্রেশনের পরে ব্যাগেজ কালেকশন। জিয়া ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে মালামাল, ট্যাক্স এগুলি নিয়ে হয়রানী'র প্রচুর ঘটনা শুনেছি অথবা পড়েছি। ভাবছিলাম, ফ্রাংকফুর্টে কি হয়, ভয় লাগছিলো ভালোই। আমার ভয়কে মিথ্যা প্রমাণ করে আমার ব্যাগ আমি কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই কনভেয়র বেল্ট থেকে পেয়ে গেলাম, ইনফ্যাক্ট ওখানে কারোরই কোন ব্যাগ চেক হল না। খুব সম্ভবত কনভেয়র বেল্টে আসার আগেই চেক হয়ে আসে। বাংলাদেশ এয়ারপোর্টে লাগেজ ক্যারিয়ারগুলো ফ্রিতেই পাওয়া যায় তবে এখানে প্রতিটা ক্যারিয়ার ব্যবহার করতে .৩ ইউরো দিতে হবে। তবে আপনি যখন ক্যারিয়ারটা আবার ফেরত দিয়ে যাবেন তখন পুরোটাই আবার ফেরত পাবেন। পদ্ধতিটা বেশ ভালোই লাগলো, অবিন্যস্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বা এগুলো মেইনটেইন করার জন্যেও কোন লোক দরকার নেই। এভাবেই ফ্রাংকফুর্ট ইমিগ্রেশন শেষ হলো এবং এবার যেতে হবে আপাতত শেষ গন্তব্যে: বাডগোডেসবার্গ, বন।

ICE এর বুলেট ট্রেন
ফ্রাংকফুর্ট এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার আগে পর্যন্ত শুধু এয়ারপোর্ট দেখেছি (যা দুবাইয়ের মতোই), এয়ারপোর্ট থেকে বের হতেই ৩ ডিগ্রী তাপমাত্রার ভয়ংকর বাতাসের ঝাপটা লাগলো। এটাই ছিলো ইউরোপে অভ্যর্থনা (আর তো কেউ নেই যে গেটে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবে, রোমান্টিক মুভি হলে সম্ভাবনা ছিল)

তাড়াতাড়ি করে নিজের জ্যাকেটটা পড়লাম। শীতের সকালে লেপ গায়ে ঘুমাতে যেমন শান্তি লাগে তেমনি লাগলো সেই ঠান্ডায় জ্যাকেটটা পড়ে। সেখানে দাঁড়িয়ে বাইরে বিশাল বিশাল সব লরি ছুটে যেতে দেখলাম, বাংলাদেশের ট্রাক-লরি ওগুলোর তুলনায় শিশুই মনে হলো। ফ্রাংকফুর্ট এয়ারপোর্টেই ট্রেনস্টেশন আছে, ওখানে যেয়ে ট্রেন নিয়ে যেতে হবে। স্টেশন পর্যন্ত শাটল বাসের জন্যে অপেক্ষা করে আছি এবং একসময় শাটল বাস আসার পরে বাসটা দেখে মজা পেলাম কারণ ২টা বাস একসাথে একটা বাস আগে কখনো দেখিনি:


যাইহোক, শাটল বাসে দ্রুতই পৌছে গেলাম ট্রেনস্টেশনে। আমাদের গন্তব্য বাডগোডেসবার্গ, বন। তখন বাজে দুপুর ২:০০টার মত, কাউন্টারে ইংরেজী নাকি জার্মান বলে তা তো আর জানিনা। ইংরেজীতেই জিজ্ঞেস করলাম সবচেয়ে সস্তায় কিভাবে যাওয়া যাবে? মেয়েটা ওদের টাইমলাইন দেখে জানালো ৩ ঘন্টা এবং ২৬ ইউরো। অতক্ষন বন অফিসে কেউ থাকবে না, তাই দ্রুততম কোনটা হবে জানতে চাইলে ও বললো "ICE" ট্রেন যাবে একটু পরেই, ওটাতে ৬৫ মিনিটের মাঝেই পৌছে যাওয়া যাবে তবে টিকেটের দাম ডাবল (৫৮/৫৯ ইউরো)। দ্রুত যেতে হবেই সুতরাং সেইমত টিকেট কাটলাম ICE তে এবং টিকেট নিয়ে জানতে পারলাম আর ৪ মিনিটের মধ্যে ট্রেন আসবে। পুরা মাথায় হাত কারণ এত তাড়াতাড়ি কিভাবে ট্রেনে উঠবো যেখানে ট্রেন কোথায় থামবে সেটাই এখনো দেখিনি। দৌড়ানো শুরু করলাম লাগেজ নিয়ে, এবং ক্লিনার, পুলিশ এদের জিজ্ঞেস করে করে ঠিক ২ মিনিটের মাঝে পৌছে গেলাম।


শুরু হলো প্রথম বুলেট ট্রেন যাত্রা। ট্রেনে উঠেই হল অন্য অভিজ্ঞতা, এতক্ষন ছিলাম আকাশে (কান তালা লেগে যাচ্ছিল বারবার) আর এখন মাটির নিচে কারণ ICE ট্রেনটা বেশিরভাগ সময়ই মাটির নিচে দিয়ে যাচ্ছে। একবারে আকাশ থেকে একদম মাটির নিচে যেয়ে সারভাইভ করা কুংফু-পান্ডা মুভি'র পো'র পক্ষেই সম্ভব, আমার পক্ষে না। সুতরাং আর কিছুক্ষনের মাঝেই মনে হলো সারাজীবনের জন্যে মনেহয় কান নষ্ট হয়ে যাবে। যাইহোক, ICE ট্রেনের গতিময় জার্নি ভালোই লাগছিল। যেই পথ দিয়ে যাচ্ছিলাম তার বেশিরভাগই ল্যান্ডস্কেপ ক্যালেন্ডারে দেখা ঢেউ খেলানো মাঠের মত, দূরে ছোট ছোট কিছু শহর। ঠিক ৬৫ মিনিট পরেই যাত্রা শেষ হলো একসময় বিকাল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে এবং স্টেশন থেকে বের হয়ে ট্যাক্সির সন্ধানে গেলাম। টিপিক্যাল জার্মানীর একটা ছবি এখন না দিলেই নয়। জার্মানী বলুন আর ইউরোপ বলুন সবজায়গাই এরকম:


অফিস হয়ে বাসায়:
ট্যাক্সি পাওয়া গেলো, তবে সে মনে হলো ইংরেজী অত ভালো বুঝে না তাই তাকে আমাদের অফিসের অ্যাড্রেসটা দেখালাম এবং রাজী হলো সে যেতে। যাত্রাপথটা মনে হচ্ছিলো বর্ন-আইডেন্টিটি সিনেমার মত, রাস্তার বাঁকে বাঁকে কোনদিকে কোন শহর সেটার নীল/সবুজ সাইনবোর্ড।

গাড়ি চালক রাস্তা দেখছিলো জিপিএস ডিভাইসে, সুতরাং পথ ভুল হবার সম্ভাবনা নেই এবং একসময় পৌছে গেলাম আমাদের অফিসে...অফিস কলিগ এবং সেটার পরিবেশ একবারে লিখবো। আমাদের বস রেনে আমাদের দেখেই বুঝতে পারলো আমরা ভালোই ক্লান্ত তাই তাড়াতাড়ি করে ট্যাক্সি ডেকে আমাদের আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দিলো (আমরা ২জন ২ বাসায় ছিলাম কারণ ওরা আমাদের সেভাবেই অ্যালোকেট করেছিলো)। একটা বাসা অফিসের কাছে, আরেকটা বন সেন্ট্রাল সিটিতে। যাইহোক, রেনে টস করে দেখলো কে কোনটায় যাবে এবং আমারটা হলো অফিসের কাছেই। সেইমত ট্যাক্সিতে উঠলাম এবং রওনা দিলাম, আমাকে নামিয়ে দিয়ে ট্যাক্সিটা বন সিটিতে যাবে।

পৌছাতে সময় লাগলো ৫মিনিট মাত্র, ঝামেলা লাগলো বাড়ির তালা খুলতে যেয়ে। কোনভাবেই কাজ হয়না দেখি, তখন ট্যাক্সি ড্রাইভারটাই হেল্প করলো। "আমাদের দেশে/ইন্ডিয়া রিজিওনে তালা খুলতে হয় ক্লকওয়াইজ, আর ওদের ওখানে অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ" এটা সে হাসিমুখেই খোঁচা মেরে জানালো। খোঁচাটা খারাপ লাগলো না কারণ জার্মানদের যেমন রোবোটিক-যান্ত্রিক শুনে এসেছি আশা করি সেটা ভুল, অন্তঃতপক্ষে এতক্ষন পরিচিত হওয়া জার্মানদের দেখে সেটা ভুলই মনে হচ্ছে।

বাসায় ঢুকে কোনমতে জ্যাকেট, স্যুয়েটার খুলেই বিছানায় শুয়ে দিলাম ঘুম। বাকি যা আছে সবকিছু আরো ৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে পারে, দুনিয়া তেমন একটা পাল্টে যাবে না।

আগামী পর্বে: প্রথম দিনের শেষ পর্ব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29497511 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29497511 2011-12-06 14:21:59
ইউরোপে ২৮ দিন >> ঢাকা থেকে দুবাই আগের পর্ব: [link|http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29476298|সূচনা.।

ক্ষমাপ্রার্থনা: নিয়মিত লেখার কথা বলে নভেম্বরের শুরু থেকে বিরতি মার্জনীয় নয়। কিন্তু ঈদের ছুটি পেয়েছিলাম ১৬ দিন, তাই পুরোপুরি পিসি থেকে এতদিন দূরে ছিলাম। এখন থেকে আবার নিয়মিত হওয়ার আশা রাখি (যেহেতু সামনে আর কোন ছুটি নাই)।
*************

যাওয়ার কেনাকাটা:
আমার ট্রলি ব্যাগগুলি ছিলনা, তাই প্রথমেই দৌড় দিলাম ওটা কিনতে। রাশেদের রেফারেন্সে খুব ভাল একটা ব্যাগ পেলাম ২৮" এর। হলে এসে ওটা খুলে দেখি যতটা বড় ভেবেছিলাম ওটা তারও ডাবল। কিই আর করা, বাকি জীবনে কাজে দিবে টাইপের সান্ত্বনা দিয়ে লিস্ট করতে বসলাম কি কি লাগবে তার উপর। সারাজীবন স্যুয়েটার পড়ে অভ্যাস, পাতলা জ্যাকেটটায় কাজ হবে না সেটা নিশ্চিত। সুতরাং আরো একটা জ্যাকেট কিনতে হবে। সেইমত বঙ্গবাজারে গেলাম একদিন, আল্লাহ'র রহমতে ওইদিন তাপমাত্রা প্রায় ২৪/২৫ ডিগ্রী ফলে প্রচন্ড গরম, একটা দোকানে দরদাম শুরু করলাম কালো একটা জ্যাকেটের। দাম চাইলো ১৭০০ টাকা, উদাসভাবে এই গরমে এত টাকা দিব টাইপের ভাব ধরে হাঁটা দিলাম ৭০০টাকা দাম বলে। ৫ম পা ফেলার পরেই দোকানদার ডাক দিল ১৪০০ বলে, কাজ হয়নি অবশ্য কারণ ৭০০তেই দিয়েছিল শেষে। এরপরে ওর কাছেই হাতমোজা কিনলাম এবং মনে হল ওকে আমি তাহলে রেডী জার্মানী যেতে কারণ নিজের ব্যবহার্য জিনিস গুলোই নিয়ে যাব জন্যে নতুন করে আর কিছুই কেনা উচিত বলে মাথায় আসছিলো না। ও হ্যা, একটা গলায় ঝুলায় রাখা যায় এমন একটা হ্যান্ডব্যাগ দরকার ছিল পাসপোর্ট রাখার জন্যে, রাসেল ভাইয়ের কল্যানে ওটাও পেয়ে গেলাম।

এরমাঝেই কনভোকেশন হয়ে গেলো ৩ তারিখ, আমার বন্ধুর বিয়ে মিস করলাম ৫তারিখে কারণ এরমাঝে প্রচন্ড দৌড়াদৌড়ী (মন্ত্রী আবুলে'র দৌড় ফেল) গেল ইউরো ম্যানেজ করতে। আর আমি মোটামুটি জিনিস-টিনিস গুছায় খালাতো বোনের বাসায় যখন গেলাম (আব্বা-আম্মা তখন ওখানে) তখনই বুঝলাম ছেলেদের প্রিপারেশন আর মেয়েদের প্রিপারেশন কাকে বলে। অলমোস্ট ১৫টার মত জিনিস আমি নেইনি এটা আম্মা এবং আমার বোন মিলে দেখায় দিল এবং নিজেরাই ম্যানেজ করে দিল। ইউরোপে ওষুধের ব্যাপক দাম তাই বাংলাদেশ থেকেই ওষুধ নেয়া, প্রেসক্রিপশন লিখে দেয়া এগুলোও তারাই করে দিল।

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন:
অবশেষে ৬ই ফেব্রুয়ারী শুরু হল যাত্রা। আমার ফ্লাইটের টাইম রাত ৯টায় এমিরেটস এ। আমি আর জামিল ঠিক করেছিলাম যে আমরা আসার সময় সুইজারল্যান্ডে যাব এবং আসবো জুরিখ থেকে। সেইমত আমাদের টিকেট কাটা ছিল: ঢাকা-দুবাই-ফ্রাংকফুর্ট, জুরিখ-দুবাই-ঢাকা। যেহেতু রাত ৯টায় ফ্লাইট তাই সন্ধ্যা ৬টার সময় চলে আসলাম এয়ারপোর্টে। আসার পথে টিকেটে অনেকক্ষন খুঁজেও সিট নাম্বার পেলাম না, চিন্তায় পড়ে গেলাম (আমার জানা ছিল না প্লেনে সিট নাম্বার চেক-ইন করার পরে দেয়া হয় বেশিরভাগ সময়ই, বাসের মত না)। যাইহোক, একসময় এমিরেটস এয়ারলাইন্স এর চেক-ইন শুরু হলো, লাইনে দাঁড়িয়ে লাগেজ জমা দিলাম এবং কাউন্টারের মেয়েটাকে টিকেটটা দিলাম। এরপরে তাকে এটাও বললাম আমরা ২জন যাব সুতরাং সেইমত পাশাপাশি সিট পাওয়া যাবে কি? (আন্দাজে ঢিল ছোড়া আরকি)। সেই মেয়েটা যখন দেখলো আমাদের কানেক্টিং ফ্লাইট তখন সে ইকোনমি ক্লাসের দ্বিতীয় সারিতেই ২টা ফ্লাইটেরই সিট কনফার্ম করে দিল। এরপরে ৭টার দিকে ইমিগ্রেশন পার হতে লাইনে দাঁড়ালাম এবং বিপত্তিতে পড়লাম।

ইমিগ্রেশন অফিসার প্রথমে জিজ্ঞেস করলো কোথায় যাব, কেন যাব এইসব, ডকুমেন্ট দেখতে চাইলো। আমি সবই বললাম এবং ডকুমেন্টগুলো দেখালাম কিন্তু ঝামেলা বেঁধে গেল ভিসা'র ডেট এর জন্যে। আমার শেনজেন ভিসা ৭ই ফেব্রুয়ারী থেকে, আর আমি ইমিগ্রেশনে দাঁড়ানো ৬তারিখ সন্ধ্যায় সুতরাং সে ৬ তারিখে ৭ তারিখের ক্লিয়ারেন্স দিতে পারছে না। আমি হতভম্ব হয়ে বললাম কিন্তু আমার তো ফ্রাংকফুর্ট পৌছাতে পৌছাতে জার্মানীতেও ৭তারিখ হয়ে যাবে কারণ দুবাই পৌছাব দুবাই লোকাল টাইম রাত ১১টায় আর এরপরে ৮ঘন্টা ৮ মিনিট ট্রানজিট সুতরাং কোনভাবেই আমি ৭ এর আগে জার্মানী যাচ্ছি না। ইমিগ্রেশন অফিসারটা ভালো ছিল, খানিকক্ষন চিন্তা করে বললো ঠিক আছে আমি সিল মেরে দিচ্ছি আপনি সামলে নিয়েন সামনে। আলহামদুলিল্লাহ বলে পার হয়ে আসলাম এবং রাত ৯টার দিকে প্লেনে উঠলাম।


দুবাইয়ের পথে:
প্লেনে উঠার সময় আমি আমার মোটা জ্যাকেটটা হাতেই রেখেছিলাম কারণ ওটা বালিশ হিসেবে দুবাই ট্রানজিট সময়টাতে ঘুমানোর জন্যে ভালো কাজে আসবে বলে মনে হয়েছে (যেই গাবলুশ সাইজ) আর জার্মানীতে তো ব্যাপক ঠান্ডা থাকা উচিত।
এই জ্যাকেটটা প্লেনে উঠার পরে আমার সিটের উপরের কাভার্ডে রাখতে যেয়ে দেখি ওটা অলরেডী ফিল আপ হয়ে গিয়েছে আমার ব্যাগ দিয়েই। কি করা যায় ভাবতেই একজন বলে, "Sir, I can place it there if you want". আমি তাকায় থেকে খানিকটা হতভম্ব টাইপের হয়ে গেলাম। সামনাসামনি দেখে একজনকে এত সুন্দর মনে হতে পারে সেটা আমার বহুদূরের কল্পনাতেও কোনদিন ছিল না। যাইহোক, ভ্যাবাচাকাভাব কাটায় উঠেই আবার হতভম্ব টাইপের হয়ে গেলাম কারণ মেয়েটা খুব বেশী সুন্দর। চিন্তা করে দেখলাম সে বিজনেস ক্লাসের অংশটার কাভার্ডে আমার জ্যাকেটটা রাখতে চাইছে, সুতরাং না বলার কোন কারণ নাই যেহেতু আমার সিট থেকে কাছেই থাকছে ওটা। নাম দেখে বোঝার উপায় ছিল না মেয়েটা কোন দেশের (এমিরেটস প্রায় সব রিজিওনেরই এয়ারহোস্টেস থাকে প্রতি ফ্লাইটে, আমার তেমনটাই মনে হয়েছে), তবে নিঃসন্দেহে এই এয়ারহোস্টেসটি আমার পুরো সময়টায় দেখা সবচেয়ে সুন্দর এয়ারহোস্টেস।

প্লেনে টাইম লাগলো ৪ ঘন্টার মত দুবাই যেতে, সহযাত্রীরা দেখলাম বাংলাদেশীরাই কম বরং অন্যদেশের মানুষ বেশী। ৪ঘন্টার প্রায় পুরোটাই কাটলো সিনেমা দেখে। এমিরেটস এর সিনেমা কালেকশন খারাপ লাগেনি। অবশেষে দুবাই টাইম রাত ১০:৩০ এর দিকে যেয়ে পৌছালাম দুবাইতে। দুবাইতে নিয়ম হল ৮ ঘন্টার বেশী ট্রানজিট হলে আপনি অন অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন তবে এর কম হলে পাবেন না। আমাদের যেহেতু ৮ ঘন্টা ৮ মিনিটের মত ট্রানজিট ছিল তাই আমরা চাইলে ট্রানজিট পেতাম কিন্তু অত রাতে বের হওয়ার সাহস হল না। তারচেয়ে মনে হল এখানেই ঘুরে দেখি: দুবাই এয়ারপোর্ট, কানেক্টিং দ্য ওয়ার্ল্ড।

&&

*******
আগামী পর্বে: জার্মানীতে প্রথম দিন

--ছবিগুলো আমার তোলা নয় কারণ আমার ক্যামেরা লাগেজে ছিল তাই এয়ারপোর্টের অংশগুলোতে কোন ছবি তোলা হয়নি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29488286 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29488286 2011-11-22 16:48:28
ইউরোপে ২৮ দিন >> প্রথম পর্ব: সূচনা রূপকথা'র দেশ, ফুটবল প্রেমিকদের রাজ্য, বইতে পড়া বিশ্বসভ্যতার কেন্দ্র..........কিছুদিন আগে (০৭-ফেব্রুয়ারী-২০১১) ইউরোপে গিয়েছিলাম অফিস থেকে ট্রেনিংয়ে পাঠিয়েছিল জন্যে। ইউরোপ বলছি যদিও কিন্তু আমার গন্তব্য ছিল বাডগোডেসবার্গ, বন, জার্মানী; এরপর ওখানে ঘুরেছি আরো ৪টা দেশ/শহর: ব্রাসেলস- আমস্টারডাম- প্যারিস- বাসেল (সুইজারল্যান্ড)- লজান/মন্ট্রিউ (সুইজারল্যান্ড)- জুরিখ (সুইজারল্যান্ড)
আমার নিজের ব্লগে লিখে রাখছিলাম স্মৃতিগুলো, তবে সামহোয়ারইনব্লগেও শেয়ার করা যেতে পারে বলে মনে হওয়াতে এখানেও লিখছিল। অনেকেই ব্লগে জিজ্ঞেস করেন ব্লগে রেগুলার হওয়া যায় কিনা, চেষ্টা থাকবে এখন থেকে নিজের ব্লগ+এই ব্লগ ২জায়গাতেই রেগুলার হওয়ার <img src=" style="border:0;" />

***
শুরুর কথা:
আমার টিমলিড তখন আবীর ভাই, হঠাৎ করেই একদিন আবীর ভাইয়া ডেকে বললেন: "আমাদের টিম ( PADDS) থেকে আমাকে আর জামিলকে জার্মানীতে যেতে হবে PADDS এর ট্রেনিং নিয়ে আসার জন্যে"। তখন ডিসেম্বর, পসিবল ডেট বলা হল ফেব্রুয়ারী এর শুরুতেই...আবীর ভাই জানালেন, জার্মানী ভিসার জন্য অ্যাপ্লাই করা মোটামুটি সহজ এবং লজিক্যাল কারণ ওরা ওদের ওয়েবসাইটে ভালমতোই যা যা লাগবে উল্লেখ করে রেখেছে। ইনভাইটেশন কার্ড নিয়ে ওদের ওখানে একদিন যেতে হবে, কার্ড দেখে ওরা ৭দিন পরে ইন্টারভিউ এর ডেট দিবে, এর ৭দিন পরে ভিসা দিবে: এই হল নিয়ম।

আমি দেশের বাইরে কখনো যাইনি, ইনফ্যাক্ট দেশেও ঘুরেছি বলতে: রংপুর, খাগড়াছড়ি, দিনাজপুর, জাফলং, সেন্টমার্টিন, নীলগীরি, বান্দরবান। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, যেই ৩ বার আমি কক্সবাজার গিয়েছি কোনবারই আমার সাগরে নামার সময়/কপাল হয়নি......তাই হঠাৎ করেই একবারে ইউরোপে যাওয়ার অনুভূতিটা কেমন ভোঁতা তখন। যদিও অফিসের কাজে যাবো আমি কিন্তু জার্মানীতে আমাদের যেই বস'রা আছেন (রেনে, উলরিখ, ইয়ান) সবাই চরম বস এবং অনেক অনেক ভালোমানুষ তাই অফিসিয়াল কাজ নিয়ে কোন ভীতি কাজ করছিলো না। আমার মাথায় তখন যেটা কাজ করছে তা হল: আর কখনো ইউরোপে যাওয়া নাও হতে পারে, সুতরাং সর্বোচ্চ পরিমাণ ঘুরতে হবে। নেটে চললো জার্মানীর আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা, তথ্য যা পাওয়া গেল তা ভালোই: তখন জার্মানীতে প্রবল ঠান্ডা মাত্র শেষ হয়েছে। রংপুরে বড় হওয়াতে শীতকাল আমার বরাবরই প্রিয় তাই খুশীই হলাম ঠান্ডার দেশে যাচ্ছি জন্যে, তুষারপাত দেখার ছোট্টবেলার ইচ্ছা সত্যি হওয়ার অনেক কাছে...

ইউরোরেল, ট্রিপঅ্যাডভাইজার এসব ওয়েবসাইট ঘুরে ঘুরে প্ল্যান করা শুরু করলাম কোথায় কোথায় যাওয়া যায়, খরচ কেমন হবে এইসব, দেশে কি কি কিনবো, নিশ্চয়ই বঙ্গবাজার ভরসা কেনাকাটার জন্য সুতরাং ওটাতে যেতে হবে। আমার সাথে যাচ্ছে জামিল, ওর প্ল্যান শুনলাম ও কোথায় কোথায় যাওয়ার প্ল্যান করছে। আমার মাথায় তখন টপ প্রায়োরিটি "মিলাউ ভায়াডাক্ট " (পৃথিবীর সবচেয়ে উচুঁ ব্রীজ, এর নিচে দিয়ে মেঘ উড়ে বেড়ানোর ছবি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকে এর মেকিং দেখে আমার আজন্ম সাধ তখন এটায় ঘুরে আসা একবার হলেও). . .আমার এটা একটা বিচিত্র স্বভাব: অনেকগুলো অপশন থেকে আমার সিঙ্গেল কিছু সিলেক্ট করতে কেন জানি কখনোই দেরী/সমস্যা হয়না। আমার পছন্দ ভাল হয়না বেশীরভাগ সময়ই কিন্তু তাই বলে খারাপও লাগে তেমনটা না।

একই সাথে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ক্যাসলগুলি দেখতে চাই যেগুলির সবকয়টাই ইউরোপে। সেইসাথে ইউরোপে যাচ্ছি, চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচ না দেখলে কিভাবে হয়। ইউরোপের বেশীরভাগ দেশেই এক ভিসা: "শেনজেন", কিন্তু ওটায় ইংল্যান্ড যাওয়া সম্ভব না তাই ইচ্ছা থাকলেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলা দেখা হবে না <img src=" style="border:0;" /> খুব সংক্ষেপে বলতে গেলে কি করা যেতে পারে সেটারই এত অপশন আপাতত ভাবলাম ক্ষান্ত দেই। "গাছে কাঁঠাল-গোঁফে তেল" অবস্থা করে লাভ নাই.....

তখন জানুয়ারীর ১৬তারিখ, কালকে ইন্টারভিউ ডেট নিতে যেতে হবে। সামনে ফেব্রুয়ারীর ৩ তারিখ বুয়েটে সমাবর্তন, মনে-প্রাণে চাইছিলাম কোনভাবেই যেন এটা মিস না হয় কারণ ইউরোপ কোথাও হেঁটে চলে যাচ্ছে না কিন্তু আমার বন্ধুদের প্রায় সবাই আলাদা হয়ে যাবে, ওদের সাথে হয়তোবা এটাই শেষ আনন্দের অনুষ্ঠান। তাই নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম: "কাল দেখা যাবে কি হয়"...


আগামী পর্বে: "ভিসা ইন্টারভিউ এবং ঢাকা থেকে দুবাই"
আমার ইনভাইটেশন কার্ড এসেছিলো জানুয়ারীর ১৩/১৪ তারিখের দিকে, সেইমত ১৭ তারিখ গেলাম জার্মান এম্ব্যাসীতে, ওরা বললো ২৪/২৫ যেকোন একদিন ডেট পাওয়া যাবে। "শুভস্য শীঘ্রম" মন্ত্র অনুসারে ২৪জানুয়ারীটাই সিলেক্ট করলাম। অফিস থেকে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট সব রেডী করে দিলেও আমার দিক থেকে যেই জিনিসটা লাগবে সেটা হল "ছবি"। এটা পেইন একটা জিনিস আমার ছবি তোলা নাই, যা আছে তা রংপুরে, সুতরাং দৌড়াতে হল ছবি কালেক্ট করতে।

*******
বিস্তারিতভাবেই প্রতিটি ক্ষণ ধরে ধরে লেখার ইচ্ছা আছে পুরোটার, কেউ আগ্রহী হলে পড়বেন এই আমন্ত্রণ থাকলো <img src=" style="border:0;" />

ভাল থাকবেন। শুভকামনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29476298 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29476298 2011-11-01 14:53:17
গুগলের সার্চ রেজাল্ট চুরি করতে যেয়ে ধরা পড়লো মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন বিং <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" /> গুগলের চোর ধরার ফাঁদে এবার ধরা পড়েছে মাইক্রোসফট.....<img src=" style="border:0;" /> :`> :``>> আপনারা গুগল ব্লগ ফলো করলে নিশ্চয়ই জানেন তারা প্রতি সপ্তাহে "this week in search" শিরোনামে তাদের সার্চ ইঞ্জিনের ইমপ্রুভমেন্টগুলি শেয়ার করে থাকে। তাদের সার্চের একটা উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হল তারা আপনার সার্চ করা শব্দটার যদি বানান ভুল থাকে তাহলে সেই বানানটা ঠিক করে ঠিক বানানটার সার্চ রেজাল্ট শো করে।

চুরির ঘটনাটা তারা বানান ঠিক করার স্ট্রাটেজির আন্ডারেই তারা প্রথম নোটিস করে ২০১০ এর সামারে (খুব কম সার্চ করা হয় এমন একটি ওয়ার্ড "torsorophy" এর রেজাল্ট থেকে)। <img src=" style="border:0;" />
"torsorophy" শব্দটা ভুল, এর সঠিক বানানটা হল "tarsorrhaphy", এর ব্যবহার ক্ষেত্র হল "rare surgical procedure on eyelids"। তাই "torsorophy" লিখে সার্চ করলে গুগল এর সঠিক শব্দটার বিপরীতে যেই সার্চ রেজাল্ট হয় সেটা রিটার্ন করে, ভুল বানানটার সার্চ রেজাল্ট না। এখন যেকোন সার্চ ইঞ্জিন এই অ্যাপ্রোচটা গ্রহণ করতে পারে কিন্তু সমস্যা এখানে না।

সমস্যাটা হয়ে যায় বিং এবং গুগল একই রেজাল্ট রিটার্ন করে কিন্তু বিং যে বানান ঠিক করা অবস্থার রেজাল্ট রিটার্ন করে সেটা ইনফর্ম করে না। তাহলে কিভাবে তারা এই অ্যাপ্রোচ (ভুল শব্দের সার্চ রেজাল্ট বানান ঠিক করে এরপরে দেখাও) ফলো করলো এটা নিয়ে সন্দেহে পড়ে যায় গুগল। সবঅপশন অ্যানালাইসিস করে তারা এই সিদ্ধান্তে আসে যে মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৮ এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ডাটা নিয়ে সেই ডাটাকে গুগলে সার্চ করে যেই রেজাল্ট আসে সেটাকে বসিয়ে দিচ্ছে...............অসামান্য সহজ একটি চুরি.....

যেভাবে ধরা পড়লো:
গুগল কিছু ফেক কি-ওয়ার্ড ঠিক করে প্রথমে। এই ওয়ার্ডগুলি বিং সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে দেখা হয়, গুগলে সার্চ করে দেখা হয় এবং উভয় সার্চ ইঞ্জিনেই সার্চ রেজাল্ট আসে শূন্য (অর্থাৎ কোন রেজাল্ট নাই)। এবার গুগল যেটা করে ম্যানুয়ালি ওই ওয়ার্ডগুলি'র রেজাল্টে পুরাই আগরতলা-চকি'র তলা টাইপের রেজাল্ট যোগ করে দেয়<img src=" style="border:0;" /> এবার গুগল এবং বিংয়ে সার্চ করা হয় শব্দটা এবং বিংয়ে রেজাল্টটা পাওয়া যায় না কিন্তু গুগলে পাওয়া যায় (যেহেতু ম্যানুয়ালি এডিট করা) এবং................কিছুদিন পরে বিং মাম্মা গুগলের রেজাল্টটা চুরি করে তাদের সাইটে বসিয়ে দেয় ফলে গুগল ও বিং উভয় সাইটেই একই রেজাল্ট আসে <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

নিচে কিছু প্রমাণ দেখেন:

"delhipublicschool40 chdjob" শব্দের বিপরীতে গুগলের সার্চ রেজাল্ট:

এর বিপরীতে বিং এর রেজাল্ট:


"juegosdeben1ogrande" শব্দের বিপরীতে গুগলের সার্চ রেজাল্ট:

এর বিপরীতে বিং এর রেজাল্ট:



-কিছু বেতনভুক্ত মাইক্রোসফট চোর (মতান্তরে এমপ্লয়ী) এটাকে চুরি বলতে রাজী না /<img src=" style="border:0;" /> ওদের প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে যে ওরা কোন সিস্টেম বের করেছে যেটার কারণ গুগলের চোর ধরার ফাঁদে ইনসার্ট করা রেজাল্টটা বিং এর রেজাল্টেও আসে.......চোরদের নিয়ে একটা প্রশ্ন মনে পড়ে গেল: তুমি ওর কপি করছো? না স্যার, তাইলে ও যেই ভুলটা করেছে তুমিও ঐ ভুলটা করেছো কেন

******************
গুগলের অরিজিনাল ব্লগ পোস্টের লিংক: http://googleblog.blogspot.com/2011/02/microsofts-bing-uses-google-search.html ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29319791 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29319791 2011-02-03 21:37:19
নতুন বাগ সামহোয়ারইনে, তবে এবার চরম মজা পাইলাম <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" />

এটা দেখা যাচ্ছে ২০ জানুয়ারী বলা হয়েছে এখন থেকে আর কোন প্লাস/মাইনাস রেটিং করা হবে না। সুতরাং সকল পোস্টেই প্লাস=০ এবং মাইনাস=০ দেখানো উচিত ২০ জানুয়ারী এই ফ্যাসিলিটি তুলে নেয়ার পর থেকে আসা সকল পোস্টেই।

এবার মেহরীন সাদিয়া সুমি'র পোস্টে নজর দেন। উনি লিখেছেন: "আমি ব্লগ লেখা মানেই শত শত মাইনাস এর ছড়াছড়ি। ভাল কিছু লিখি কিনবা কপি পেষ্ট, মাইনাস দিতে কেউ এতটুকু কার্পন্য করে না। এইজন্য সামু মামাকে ধন্যবাদ জানাই কারন আমাদের মত অসহায় ব্লগাররা অন্তত এমন আকস্নাৎ আক্রমনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।"।

কিন্তু আল্লাহর কি কুদরত <img src=" style="border:0;" /> , নিচের স্ক্রিনশটটা দেখেন:

উনার প্রফাইলেও দেখতে পারেন:
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mehrin420

উনাকে কেউ একজন মাইনাস দিয়েছে এই পোস্টে (যদিও সামহোয়ারের সিস্টেম অনুসারে রেটিং করার সুবিধা বন্ধ হয়েছে)। নিশ্চিতভাবে সামহোয়ারের এটা একটা বাগ, তবে...............চরম মজা পাইলাম, হা হা হা...... <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29312718 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29312718 2011-01-23 12:21:40
ন্যাশনাল জিওগ্রাফি'র ফটো কনটেস্টে পৃথিবীতে প্রথম হল চট্টগ্রাম ডকইয়ার্ডের ছবি <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_71.gif" width="23" height="22" alt="!:#P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
ফটো কনটেস্টটি আয়োজন করা হয়েছিল সারা পৃথিবীর সব ফটোগ্রাফারের সেরা ফটোটি নির্বাচন করার জন্যে। অসংখ্য মানুষ তাদের ছবি পাঠিয়েছেন (বেশিরভাগ ছবিই নিঃশ্বাস আটকে আসার মত, এত্ত সুন্দর)........peoples-nature-places ক্যাটাগরীতে হওয়া এই প্রতিযোগিতার নির্বাচিত ছবিগুলি আপনারা দেখতে পারেন এই লিংকে: nationalgeographic.com/photo-contest/2010/entries/gallery

নির্বাচিত ছবিটি তুলেছেন Jana Asenbrennerova এবং বিচারকরা এই ছবির পারস্পেকটিভটা সবচেয়ে বেশী পছন্দ করেছেন। একটা ছবি হওয়া উচিত একটা বইয়ের পাতার মত, যেটাকে ইচ্ছামত পড়া যাবে এবং কনটেক্সট চিন্তা করা যাবে (অ্যাবস্ট্রাকট ছবি'র কথা বাদ, ন্যাচারাল ফটো'র কথা বলছি).... সেই হিসেবে এই ছবিটি আসলেই অসাধারাণ..... ছবিটি সম্পর্কে ফটোগ্রাফার এবং বিচারকদের মন্তব্য:

Jana Asenbrennerova (photographer): Despite its unsafe work practices and pollution, the city is "one of the biggest industry and job opportunities for many Bangladeshis,"

Joel Sartore (judge): "It's basically an industrial landscape photo, but done in an interesting way, with humans for scale, that we couldn't stop looking at it," said , a freelance photographer.

Stephen Alvarez (judge): "I've seen a lot of shipbreaking photos, but never seen this one before, You know at once where you are and what is going on."

Judge Sadie Quarrier (judge): "how the photographer decided to shoot this quite tight so we only see portions of the ship. This allows the eye to wander around and inspect all of the various pipes, parts, and people."

ছবিটা এখানে না দেই, ন্যাশনাল জিওগ্রাফির সাইটেই দেখুন: http://ngm.nationalgeographic.com/ngm/photo-contest/

অরিজিনাল লিংক: http://nationalgeographic.com/photo-contest/2010/places-winners/

ফটোগ্রাফারকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29294587 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29294587 2010-12-23 09:44:03
স্টিফেন হকিং এর ভুল ধরলেন বাংলার হয়রান ভাঈ: খুব গর্ব বোধ হচ্ছে, বাংলার ছাগলরাও পারে <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> [সাময়িক] সাবজেক্ট দেখে....... নিচের স্ক্রিনশটটা দেখেন:



ওই ***** হয়রান এর ব্লগে যাইনা কোনদিন তাই কি হচ্ছে সেই ব্লগে আইডিয়া নাই। হকিংসের খাইয়া দাইয়া কাম নাই ইসলামের নামে বিভ্রান্তি ছড়াবে........আমি তবে এটা মোটামুটি শিওর কিছু গর্দভ আস্তিক ওখানে যেয়ে স্টিফেন হকিংসের বিষোদগার করে তার কল্লা নামানোর দাবী করেছেন এবং হয়রান হুজুরকে প্লাসিত করেছেন।

--> যারা এই টাইপের গর্দভের স্টান্টবাজী বুঝেন না তাদের জন্যে বলি, আপনারা যদি এই গাধার একটা কথাও ঠিক ভাবেন তাহলে জিজ্ঞেস করুন এটা কোন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, কিংবা কোন জার্নালে প্রকাশ করার জন্যে জমা দেয়া হয়েছে কিংবা তাও যদি না হয় তাহলে এটা কি কোন পাবলিকেশনের জন্যে প্রস্তুত করা হচ্ছে ?
উত্তর আসবে: "না"........

--> কথা হল, জার্নালে প্রকাশিত না হলে কি কোন কথা মিথ্যা হয়ে যায় ? ঊত্তর: "না"

--> তাহলে জার্নালের গুরুত্ব কোথায় ?
ঊত্তর: জার্নালে দেয়া মানে একই সাবজেক্টের লোকদের সামনে সেটা উপস্থাপন করে সবাইকে যুক্তিতর্কে আহ্বান করে কোন দাবী প্রতিষ্ঠা করা...... একই সাবজেক্ট বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবজেক্ট বলছি না, বলছি একই জিনিস নিয়ে কাজ করা (এখানে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমপরটেন্ট না)....... জার্নালে দিলে বুঝা যায় কোন কিছুর দাবী করা হচ্ছে শক্তপোক্ত লজিকে কোন ভুজুং ছাড়াই.... অন্য সাবজেক্টের কাউকে ভুজুং দেয়া যত সহজ, নিজ সাবজেক্টের কাউকে ভুজুং দেয়া অতটাই কঠিন......

যেমন ধরুন, যিনি ওয়েবসাইট বানানো নিয়ে কিছু জানেন না তার "নেট লাইন নাই" অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে যদি বলা হয়: নিচের ছবিটা দেখুন-

আপনার সাইট তো ঠিকই রান করছে সুতরাং কেন বলছেন নেট লাইন নাই ?সেও মেনে নিবে ব্যাপারটা কারণ দেখাই যাচ্ছে লোডিং হচ্ছে.......... কিন্তু ভুজুংটা এখানে যে: ওটা একটা পিকচার, পিসি আসলেই কাজ করছে কি করছে না, নেট লাইন আছে কি নাই সেইসব জিনিসের কোন ইনডিকেটর না......

*****************************

হয়রান ভাইয়ের ভুজুং সফল হোক......... গর্দভ আস্তিক যারা ভাবছেন হয়রান কোন ভুজুং ছাড়া এসব লিখেছেন তারা যাইয়া ওরে প্লাস মেরে আসেন......... আমি একজন আস্তিক এবং হয়রানের এসব স্টান্টবাজী পাবলিকেশন/জার্নালে না আসা পর্যন্ত বিশ্বাস করব না /<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29260381 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29260381 2010-10-24 11:22:09
কি কি যোগ/বিয়োগ হল সামহোয়ারইন ব্লগের নতুন আপডেটে ???
ভালোই হয়েছে, এখন শেয়ারিংটা অনেক অর্গানাইজড হবে.... এখন নিচের আপডেটগুলি প্রয়োজন:

১) ওয়েবপেজটাকে সেন্টার-অ্যালাইন করা যাতে ল্যাপটপের স্ক্রিনের মত চ্যাপ্টা অথবা বেশী রেজুলিউশনের পিসিগুলিতে পেজটা মাঝে আসে, সাইডে দেখতে বিরক্ত লাগে /<img src=" style="border:0;" />

২) কমেন্টের রিপ্লাই দেয়ার সময় ডিফল্ট টেক্সটএরিয়াটা চলে আসে, বোল্ড/ইটালিক করা ঝামেলা..... তাই কমেন্টের রিপ্লাইয়ের সময়ও যদি একদম নিচের বোল্ড/ইটালিক/ইমোটিকনের ওটা চলে আসে ভাল হয়

৩) কমেন্টে ছবি যোগ করার অ্যাডঅনটা বানিয়ে রেখেছে আমড়া কাঠের ঢেকি, ওটাও যোগ করে দেয়া উচিত

আপাতত এগুলোই....... আপডেটটা ভাল লেগেছে, ডেভেলপারদের ধন্যবাদ...... টুইট করা এখন সহজ হবে অনেক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29254721 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29254721 2010-10-14 11:41:09
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক.com এর হোমপেজে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা
প্রতিদিন একবার করে হলেও http://www.natgeo.com এ যাওয়া হয় কারণ ওদের photo-of-the-day -তে অসম্ভব কিছু ছবি দেখতে আমার খুব ভাল লাগে......... আর বোনাস হিসেবে থাকে ফিচার্ড টপিক গুলো...... আজকে যদি আপনারা ওদের হোমপেজে যান তাহলে দেখবেন ফিচার্ড টপিকের ৩ নাম্বারটা হল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঢাকা ভার্সিটির স্টুডেন্টদের ট্রেনিং নেয়ার সময়......

ছবিটা:


link: all-roads-talukder-firing-squad

আরো একটা ছবি রয়েছে যেখানে মেয়েদের দেখা যাচ্ছে মার্চপাস্ট করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা...... ২টা ছবি একই সময়ের....

ছবিটা:


link: all-roads-talukder-women


সাদাকালো হলেও অসম্ভব সুন্দর ছবিগুলো........ ছবি যে কথা বলে তার সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ এই ছবিটা...... আজ আমরা স্বাধীন তা সম্ভব হয়েছে এমন কিছু নিঃস্বার্থ মানুষের জন্যে..... কথার তুবড়ি ফোটানো নয়, জীবন দিয়ে যারা নিজেদের দেশকে গড়তে চেয়েছেন.....

শ্রদ্ধা জানাই এই মুক্তিযোদ্ধাদের......... তাদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধা জানানোর ভাষা আমার জানা নাই।

ফেসবুকে আমার একটা ফ্রেন্ড কমেন্ট করলো "এরাও স্টুডেন্ট ছিল, আমরাও স্টুডেন্ট কিন্তু দেশের প্রতি ফিলিংসে কত পার্থক্য"
..... দুঃখজনক হলেও কথাটা ৯৯.৯৯% ঠিক, অথচ হওয়া উচিত ছিলো উল্টাটা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29248199 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29248199 2010-10-01 21:51:22
রজনীকান্ত সমগ্র <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
রজনীকান্তের নাম বোধহয় অনেকেই শুনেছেন। যারা এই চিজকে চেনেন তারা তো জানেনই, যারা জানেন না তাদের জন্যে বলি: রজনীকান্ত হল কিংবদন্তী সাউথ ইন্ডিয়ান ফিল্ম অভিনেতা....... এর সিনেমায় এমন সব ঘটনা ঘটে যা আইজ্যাক আজিমভের মত খ্যাতনামা সায়েন্স ফিকশন রাইটারের মাথাতেও আসবে কিনা সন্দেহ, রজনীকান্তের সিনেমার ঘটনাবলীর পাশে আজিমভ "খ্যাত"নামা নন, বরং "ক্ষ্যাত"নামা হয়ে যাবেন..... আসুন এক এক করে রজনীকান্ত কি করে সেগুলো জানা যাক:



■ পেঁয়াজ কাঁটতে যেয়ে চোখে পানি এসেছে ??? রজনীকান্ত সেই পেঁয়াজকে কাঁদাতে পারেন
■ রজনীকান্ত কম্পিউটারের রিসাইকেল বিন ডিলিট করতে পারেন
■ টেলিফোনের তার গলায় পেঁচিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা দেখেছেন তো ??? রজনীকান্ত কর্ডলেস টেলিফোন দিয়েই এই কাজ করতে পারেন
■ রজনীকান্ত যেকোন মাছকে পানিতে চুবাতে পারেন
■ রজনীকান্ত কোন রুমে প্রবেশ করলে রুমের সব লাইট জ্বলে ওঠে..... এটাকে অটোমেটিক ব্যাপার ভাববেন না, ব্যাপার হল অন্ধকার রজনীকান্ত এর ভয়ে পালিয়ে যায়
■ একবার একটি গোখরা সাপ রজনীকান এর পায়ে কামড় দিয়েছিলো.... ৫ দিন অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করার পরে সেই গোখরাটা মারা যায়
■ গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে কিছু নেই..... রজনীকান্ত এর ঠান্ডা লাগছিলো তাই সে সূর্যটাকে গরম করে নিয়েছে
■ প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনে একজন নারী রয়েছেন..... সকল মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর পেছনে রয়েছেন: রজনীকান্ত
■ The square root of Rajanikanth is pain. Do not try to square Rajanikanth, the result is death.
■ পাই( ) এর শেষ ডিজিটটি হল রজনীকান্ত কারণ সবকিছুর শেষ হল রজনীকান্ত
■ রজনীকান্তের ক্যালেন্ডারে ৩১শে মার্চের পরের তারিখ ২রা এপ্রিল। কারণ: কেউ রজনীকান্তকে বোকা বানাতে পারবে না
■ রজনীকান্ত একটি পাখি দিয়ে ২টি পাথরকে হত্যা করতে পারেন
■ রজনীকান্ত ১-২-৩-.....-অসীম পর্যন্ত গুণে দেখিয়েছেন: তাও একবার নয়, ২বার
■ রজনীকান্ত কোন আয়নার সামনে দাঁড়ালে আয়না ভেঙ্গে যায়, কারণ কোন কিছুরই ক্ষমতা নাই রজনীকান্ত ও রজনীকান্তের সামনে দাঁড়ায়
■ নিউটনের ৩য় সূত্র মিথ্যা.... কারণ সবকিছুরই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকার কথা বলা হলেও রজনীকান্তের ঘুষির বিপরীতে কিছু নেই
■ Rajnikant is responsible for China's over-population. He was shooting in Beijing and all women within 1,000 miles became pregnant instantly
■ রজনীকান্ত পুশ-আপ দেয়ার সময় উপরে-নিচে উঠেন না, বরং পৃথিবী নিজে কিছুটা উপর-নিচ হয়ে তাকে পুশ-আপ করায়

এবার আরো কিছু রজনীকান্ত ঘটনা:

■ সামনে ভিলেন ২জন, রজনীকান্তের হাতে পিস্তল এবং সেখানে গুলি মাত্র ১টা...... এখন কি হবে ???
- সে পকেট থেকে একটা ব্লেড বের করলো, ছুড়ে মারলো ভিলেনদের দিকে... এরপর গুলি করলো সেই বুলেট বরাবর.... গুলিটা সেট ব্লেডে লেগে ২ভাগ হয়ে ২ভিলেনকে গুলিবিদ্ধ করলো..... ঢিচ্চাও ( পড়েন: সুবহানআল্লাহ)

■ রজনীকান্তকে ভিলেন ধাওয়া করছে, রজনীকান্তের কাছে কোন গুলি নেই..... এখন কি হবে ???
- রজনীকান্ত ওয়েট করলো ভিলেনটার গুলি করার জন্যে, ভিলেন গুলি করলো। রজনীকান্ত তার পিস্তল বের করলো, বুলেট কেস ওপেন করলো এবং ভিলেনের ছোড়া গুলিটা নিজের বুলেট কেসে লোড করে নিলো...... এরপরেই ঢিচ্চাও করে গুলি করে মারলো সেই ভিলেনকেই ( ওয়াহ, হোয়াট এ শট)

■ রজনীকান্ত দেয়ালের এপাশে দাঁড়িয়ে আছে এবং ভিলেন দেয়ালের অপর পাঁশ দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। দেয়ালটা এতই বড় যে রজনীকান্ত পার হচ্ছে না। কি হবে এখন ???
- রজনীকান্ত পকেট থেকে ২টা পিস্তল বের করলো, একটা আকাশে উপরে ছুড়ে মারলো এবং আরেকটা পিস্তল দিয়ে সেই পিস্তলের ট্রিগারে গুলি করলো। এরফলে আকাশে ছুড়ে মারা পিস্তলটার গুলি ভিলেনকে যেয়ে লাগলো..... (পড়েন: ইন্নালিল্লাহ)

■ রজনীকান্ত বাইকে করে যাচ্ছে, হঠাৎ তার পিছনে এক ভিলেন উঠে বসে পড়লো। কি হবে এখন ???
- রজনীকান্ত পকেট থেকে পিস্তল বার করলো এবং সামনে গুলি করলো (!!!)..... এরপর বাইকটা চরম স্পিডে চালিয়ে গুলিটার সামনে চলে গেলো এবং বাইক উল্টো ঘুরিয়ে নিলো (মানে এখন রজনীকান্ত সবার সামনে, তার পিছনে ভিলেন, তার পিছনে গুলিটা)...... এরপর সে বাইকটাকে গুলি বরাবর অ্যালাইন করলো এবং গুলিটা এসে ভিলেনকে লাগলো ( পড়েন: আলহামদুলিল্লাহ)

************************************

আজ এ পর্যন্তই....... পরে আবার হয়তো এই বান্দার আরো কিছু ঘটনা লিখা হবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29222334 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29222334 2010-08-14 13:15:27
বুয়েট ছাড়া রুয়েট-কুয়েট-চুয়েটে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: আমার মতামত
একসাথে পরীক্ষা হলে কার লাভ ?? উত্তর: পরীক্ষার্থীর....... কারণ নিজের অভিজ্ঞতা না থাকলেও কিছুদিন আগে কাজিন-টাকে দেখলাম পুরো বাংলাদেশ প্রায় ঘুরে বেড়াতে হল পরীক্ষা দেয়ার জন্যে। ঘুরতে সমস্যা নাই কিন্তু পরীক্ষার টাইমে ঘুরাঘুরি করতেই যদি টাইম যায় সেটা গ্রহণযোগ্য না।
একসাথে পরীক্ষা নেয়ার উদাহরণ কোথা থেকে আসলো ?? উত্তর: মেডিকেল অ্যাডমিশন টেস্ট.........
এর সমস্যা ?? উত্তর: দুর্নীতি-প্রশ্ন ফাঁস-ভার্সিটিতে সিট ফাঁকা থাকা মাইগ্রেশন সিস্টেমের অভাবে ইত্যাদি ইত্যাদি....

**************

এই প্রসেসে আমি (এবং বুয়েটের আরো অনেকে) সমর্থন করি না কারণ আমরা আমাদের অ্যাডমিশন টেস্ট নিয়ে গর্ব করি, সামগ্রিকভাবে পরীক্ষা হলে কোশ্চেন ডিস্ট্রিবিউটর কে হবেন ??? যেই দেশে বিসিএস এর প্রশ্ন আউট হয় সেখানে এটার হবে না এর কোন গ্যারান্টি নাই।

স্টুডেন্ট কোয়ালিটি নিয়ে অনেকে বললেন দেখলাম। আমি মনে করিনা বুয়েটে পড়েছি জন্যে আমি শ্রেষ্ঠ আবার "অমুক" ভার্সিটিতে পড়িনি জন্যে আমার জীবনটাই বৃথা। "বৃক্ষ তোমার নাম কি ? ফলে পরিচয়"........ সুতরাং বুয়েটিয়ান হন, আর যাই হন আপনি পরিচিত হবেন আপনার নিজের পটেনশিয়ালিটিতে। "আমি বাংলাদেশের নাগরিক": এটাই শেষ ও মূল কথা। দেশ থেকে কি নিলাম- দেশকে কি দিলাম সেটা দিয়ে কারো বিচার হবে, অহংকার করলেও এটার বেসিসে করতে হবে।

একসাথে পরীক্ষা হলে আমি প্রথম যেই কারণে বিরোধীতা করব তা হল ট্রাডিশন ব্রেক চাইনা আমি। এই একসাথে পরীক্ষাটা কি স্যাট টাইপের কিছু ??? অবশ্যই না।

দ্বিতীয় কারণ হল কোশ্চেন সেটিং। আমরা বুয়েটিয়ানরা আমাদের অ্যাডমিশন টেস্টের স্বচ্ছতা নিয়ে গর্ব করি সুতরাং আজকে অন্য ভার্সিটির কারো একজন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে এটা মেনে নিতে পারছি না। তিনি প্রশ্ন কঠিন/সহজ এর কোনটা করবেন তা জানিনা কিন্তু সেটা বুয়েটে এতকাল হয়ে আসা কোশ্চেন স্ট্যান্ডার্ডকে ফলো করবে কিনা সেটা একটা প্রশ্ন।

এছাড়া বুয়েটে প্রশ্ন ছাপা হয় সম্ভবত পরীক্ষার আগের রাতে যাতে কোন ফাঁস টাইপের কিছু না হয়: এটা কিভাবে গুচ্ছ পরীক্ষায় সাপোর্ট করা হবে ???

তৃতীয় কারণ হল, দূরত্ব। ঢাকা দেশের মাঝামাঝি হওয়াতে সবার জন্যে ঢাকা আসা সহজ কিন্তু পুরো দেশ ঘোরা কঠিন (রাজশাহী-চট্টগ্রাম-খুলনা হলে বাকি থাকলো খালি সিলেট এলাকা)।

চতুর্থ, দেশে তো আরো অনেক ভার্সিটি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায়, ওরা কেন বাদ যাবে ??? হয় সবাই আসবে গুচ্ছ পরীক্ষায় নয়তো বুয়েট যাবে না: আমি এটাই বলব। নয় সবাই- নয়তো কেউ না।

পঞ্চম, এমআইটি-স্ট্যানফোর্ড এই ভার্সিটিগুলি'র অ্যাডমিশন রিকোয়ারমেন্ট দেখবেন অনেক হাই। কেন ??? কারণ: তারা সেরাদের নিতে চায়। আমাদের বুয়েটও যদি এমনটা চায় তাহলে কারো তো প্রশ্ন তোলার কারণ দেখি না। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে করা rank অনুসারে বুয়েট ১ম নাকি লাস্ট সেটা ফ্যাক্টর না, একটা স্বায়ত্বশাসিত ভার্সিটি যেমন ইচ্ছা তেমন স্টুডেন্ট ভর্তি করতে চাইতেই পারে এবং এ ব্যাপারে কারো কথা বলা উচিত কি ???

ষষ্ঠত ও শেষ, আরো যে কারণে সাপোর্ট করবো না তা হল কোটা সিস্টেম। একসাথে পরীক্ষা হলে অ্যাডমিশন সিস্টেমটা ভার্সিটি থেকে সরকারের কাছে চলে যাবে এবং এর ফলশ্রুতিতে আসবে কোটা সিস্টেম (ভোট টানার সিস্টেম)। মেডিকেলে জেলা কোটা বলে একটা ব্যাপার আছে, এর কারণে অনেক ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট বাদ হয়ে যায়। আমি চাই দেশের সেরা স্টুডেন্টরা বুয়েটে আসুক, এতে আদিবাসী কোটা ব্যতীত আর কোন কোটা প্রথা দেখতে চাইনা আমি......


***********

রুয়েট-কুয়েট-চুয়েট একমত হয়েছে তাদের অ্যাডমিশন রিকোয়ারমেন্ট সমান, তারা একমত হয়েছে অ্যাডমিশন টেস্ট তদারকি নিয়ে তারা সন্তুষ্ট এবং তাদের সিদ্ধান্তে ৩টাতেই পরীক্ষা দিতে চাওয়াদের সুবিধা হয়েছে সুতরাং ওদের একসাথে গুচ্ছ পরীক্ষা নেয়াকে আমি অবশ্যই সাপোর্ট করি।

************

সুতরাং বুয়েটেও গুচ্ছ পরীক্ষা নেয়ার কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এর বদলে যদি স্যাট টাইপের কিছু করা যায় তাহলে ভাল। নয়তো নিয়ম করা হোক, ইন্টারের ম্যাথ-ফিজিক্স-কেমিস্ট্রি এর নাম্বার প্রকাশ করা হবে এবং ভর্তি হবে এর ভিত্তিতে: তাহলে অনেক ভাল হবে কারণ তখন আর কোচিং সেন্টারও লাগবে না এবং সবাইকেই আলাদা করা যাবে মেধা অনুসারে ( মানে ৮০ আর ১০০ একই গ্রেড আবার ৮০-৭৯ আলাদা এই সমস্যাগুলি দূর হবে)


***************

সবশেষে বলব, আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে গুচ্ছ পরীক্ষা হলে ভাল তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এটা অ্যাপ্লিকেবল না। যেটা করা যেতে পারে সেটা হল পুরো দেশের সব সায়েন্স স্টুডেন্টকে একটা কমন পরীক্ষা দেয়ানো যেতে পারে এবং সব ভার্সিটি (পাবলিক-প্রাইভেট সব) সেই স্কোরের উপর বেজ করে স্টুডেন্ট নিবে। এই পরীক্ষা হবে জেলা সদরগুলিতে এবং ভীষণ সিকিউরডভাবে হবে ( দরকার হলে ৩মাস ধরে হবে)।

আমি একজন বুয়েটিয়ান জন্যে অবশ্যই আমি কুয়েটিয়ান-রুয়েটিয়ান-চুয়েটিয়ানদের সম্পর্কে ডিটেইলস জানিনা, যা জানি তা বন্ধুদের দ্বারা। এই ৩টি ভার্সিটি যেহেতু একসাথে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নিতে রাজী হয়েছে তাই এগুলিতে পরীক্ষার্থীদের এগুলিতে পরীক্ষা দেয়ার টোটাল কষ্ট চিন্তা করে আমি এদের একসাথে পরীক্ষা নেয়া সাপোর্ট করলেও বুয়েটে সাপোর্ট করতে রাজী না।

**************

ডিসক্লেইমার: বুয়েট নিয়ে লিখা দেখলে অনেকেই ভাবেন ভাব মারা লিখা /<img src=" style="border:0;" /> আমি এখানে যা লিখেছি সেটা আমার "নিজস্ব" ইনস্টিটিউশন এর উপর লিখা। এতে ভাবের দেখা খুঁজে পেলে সেটা আপনার দুর্বল মনের পরিচায়ক হবে এবং সেক্ষেত্রে পোস্টে "বুয়েট" কথাটা এডিট করে "অগা-মগা-য়েট" পড়বেন এবং বিশ্লেষণ করবেন আবার পোস্টটা: এই অনুরোধ থাকলো।

ভাল থাকবেন সবাই...........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29205887 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29205887 2010-07-23 18:16:56
ওয়েব হোস্টিং কিনার জন্যে দারুন একটি সাইট বিডি হোস্টিং ডট কম ( http://www.bd-hosting.com/) । ওদের ফিচারগুলি ভালোই। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বাংলাদেশীরা ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা দিয়েই হোস্টিং নিতে পারবেন <img src=" style="border:0;" /> অথবা ঢাকায় থাকলে সরাসরি আমাকে টাকা দিয়ে যেতে পারবেন। বিভিন্ন রকম প্যাকেজ আছে ওদের। নিচে সংক্ষেপে দিচ্ছি:

শেয়ারড হোস্টিং:-

প্যাকেজ ১: সাইট হোস্ট লিমিট: ১টি, সাবডোমেইন: আনলিমিটেড, মাই-এসকিউএল ডাটাবেজ: ১০টি, সাইটের ডিস্কস্পেস ৫০০ মেগা, ৫ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ, মাসে ১ ডলার বা ৭০ টাকা এবং এক বছরের জন্য নিলে ৮০০টাকা বা ১২ ডলার

প্যাকেজ ২: সাইট হোস্ট লিমিট: ১টি, সাবডোমেইন: আনলিমিটেড, মাই-এসকিউএল ডাটাবেজ: ১০টি, সাইটের ডিস্কস্পেস ৫ গিগা, ৬ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ, মাসে ২ ডলার বা ১৪০ টাকা এবং এক বছরের জন্য নিলে ১৬০০টাকা বা ২৪ ডলার

প্যাকেজ ৩: সাইট হোস্ট লিমিট+সাবডোমেইন+মাই-এসকিউএল ডাটাবেজ+সাইটের ডিস্কস্পেস +ব্যান্ডউইথ: unmetered, মাসে 5 ডলার বা 350 টাকা <img src=" style="border:0;" /> এবং এক বছরের জন্য নিলে ১৭৫০টাকা বা ২৫ ডলার

আরো অনেক প্যাকেজ আছে ওদের। আপনারা যারা আগ্রহী তারা ওদের সাইটে যেয়ে একটু দেখুন: www.BD-HOSTING.com ...... যেকোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে বা ওদের জিজ্ঞেস করতে পারেন। আশা করি হোস্টিং প্যাকেজ নিতে আগ্রহীদের জন্য এটা সবচেয়ে কম দামে সবচেয়ে ভাল প্যাকেজ হবে <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29200148 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29200148 2010-07-15 12:01:45
রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম রিলেটেড আরো কিছু পরিকল্পনা
কিবোর্ডের কাজটা খুব সহজ, আবার খুব কঠিন। সহজ এই সেন্সে যে, অলরেডি অনেকগুলি কিবোর্ড আছেই সুতরাং ওদের মত একটা বানালেই হয়। কিবোর্ডের ইনপুট নিতে হবে, সেটা কোন অক্ষর চেক করে সেইমত প্রোগ্রামকে নোটিফাই করলেই হবে……

কঠিন পার্টটা হল, এই জিনিসটাকে পারফেক্ট করা+বিজ্ঞানসম্মত করা+মানুষের কাছে সহজে পৌছাতে পারে এমন করে তৈরী করা….. আমি শুরু করেছি কিবোর্ড দিয়ে তবে আমার ইচ্ছা একটা কমপ্লিট প্যাকেজ তৈরী করে এরপরেই থামবো। কমপ্লিট প্যাকেজ মানে:

১) খুব সহজ/ সেরা কোন একটা কিবোর্ড লেআউট
২) ভয়েস টু টেক্সট ফ্যাসিলিটি
৩) টেক্সট টু ভয়েস ফ্যাসিলিটি
৪) বানান পরীক্ষক
৫) বাংলা ডিকশনারী
৬) ছাপার অক্ষর / হাতের লিখা সনাক্তকারী এরমাঝে

আলাদা আলাদা করে বেশ কয়েকটি’র কাজ হয়েছে, এরমাঝে ওপেন সোর্স জিনিসগুলিকে আমি এক প্ল্যাটফর্মে, একটা সফটওয়ারে নিয়ে আসতে চাই…… আমার লক্ষ্য এটাই…

টপিকে ফেরত আসি, আপাতত যেই কাজগুলি করেছি কিবোর্ড নিয়ে:

১) ডাটা জেনারেশন ফেজ শুরু হয়েছে, আপাতত চেষ্টা করছি অঙ্কুর.org এর ফাইলটাকে একটা ফরম্যাটে নিয়ে যেতে (একটু ধাক্কা খেতে পারেন কারণ পোর্টেবল ফাইল ফরম্যাট মানে তো পিডিএফ, আমি তাহলে কি করতে চাইছি ?? উত্তর: তেমন কিছু না, এটাকে এক্স-এম-এল এ ট্রান্সফার করে দিব যাতে পিসি-মোবাইল-ওয়েব/ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন-স্মার্টফোন সবাই একইভাবে অ্যাক্সেস করতে পারে….doc ফাইল ডাটাবেজে নেয়ার কোড রেডি করে রেখেছি, আরো কিছু ফরম্যাট নিয়ে কাজ করতে হবে (যেমন: এক্সেল, এইচটিএমএল)। কাজগুলি সহজ বলে ফেলে রাখলে হবে না,করতে হবে….

২) কিবোর্ড নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে, সেগুলির সামারি করে এবং বেটার একটা অ্যাপ্রোচ প্রপোজ করার চেষ্টা করছি, এই মাসের মাঝেই ফাইনাল বুঝা যাবে এই অ্যানালাইসিস নিয়ে কতদূর যাওয়া যাবে…. এখন আটকে আছি ant colony optimization প্রবলেম এর ভ্যারিয়েন্স নিয়ে

৩) কিবোর্ডের সফটওয়ার তৈরীর জন্যে কোড দেখছি বেশ কিছু তবে রান করা হয়নি তেমন একটা। মনির ভাইয়ের কোডটা রান করতে পারলাম না, কোন একটা সমস্যা হয়েছে যেটা ধরতে পারছি না….

৪) আমি একা এতগুলি সফটওয়ারের কাজ করতে পারবো না……. অফিসের ফাঁকে এত সময় আমি কখনোই পাব না + আমার সববিষয়ে জ্ঞানার্জন করাও সম্ভব না…… একটা সফটওয়ার বানাতে কি পরিমাণ ধৈর্য্য লাগে সেটা যারা কোড লিখে কোন সফটওয়ার বানিয়েছে তারাই শুধু জানে……. আমি তাই প্ল্যান করছি আমেরিকা-ইউরোপের মত ফান্ডিং করে কোন স্টুডেন্ট প্রজেক্ট হিসেবে কাজটাকে এগিয়ে নিব……. মানে আমরা একটা ফান্ড গঠন করলাম এবং সেই ফান্ডের টাকাটা কোন ভার্সিটির কোন একটা টিচারকে দিলাম…. তিনি সেই টাকার ৩০% রাখবেন ও তার স্টুডেন্টদের ক্লাস প্রজেক্ট হিসেবে সেই কাজটা দিয়ে কাজটা করিয়ে নিবেন এবং সবশেষে বাকি ৭০% টাকা স্টুডেন্টরা পাবে ( আমার ধারণা ভুল না হলে নর্থ আমেরিকান ভার্সিটিগুলিতে স্কলারশীপের ধারণা এটাই, তাইনা ??)

৫) ভাষা নিয়ে এ ধরনের কাজকে শুধু ওপেন সোর্স রাখলেই হবে না, পাশাপাশি ক্লোজড সোর্সও রাখতে হবে এটা আমি জানতাম না….. আজকে জানলাম….. সেইমত একটা লাইসেন্স ডকুমেন্ট লিখতে হবে….
এর কারণ হল ওপেন সোর্সের জিনিস কোডে আপনি যদি পরিবর্তন করে তাহলে আপনি অবশ্যই সেই পরিবর্তিত জিনিসটি ওপেন রাখতে বাধ্য…. এখন যদি এমন হয় যে, সেই পরিবর্তিত অংশটি ওপেন রাখলে আপনার সিকিউরিটি বা এজাতীয় খুব বড় কোন সমস্যা সেক্ষেত্রে আপনি কি ওপেন সোর্স জিনিস নিবেন ?? অবশ্যই না…. একারণে এসব ঘটনা ট্যাকল দিতে ক্লোজড সোর্সও থাকবে ওপেন সোর্সও থাকবে…..

তবে ওপেন+ক্লোজড যেটাই হোক না কেন সারাজীবন সবকিছুই ফ্রি থাকবে এবং যেকারো সেটাতে এক্সেস থাকবে…….. ভাষা নিয়ে কোন ব্যবসা চলবে না….

**********

এইতো আজ এ পর্যন্তই….. পোস্টে মাথা ধরায় দিয়ে থাকলে দুঃখিত …… ভাল থাকবেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29174492 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29174492 2010-06-10 22:58:53
চমৎকার সামহোয়ারইন ব্লগ: নিমতলী ট্রাজেডীকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানোর জন্যে








এগুলি সবগুলি বিভিন্ন বাংলা ব্লগের হোমপেজের হেডার অংশ থেকে নেয়া ছবি...... প্রথম আলো ব্লগে কোন হেডার ইমেজ থাকে না কিন্তু তাদের সঞ্চালক নির্বাচিত লেখাটি হল:
আজ শোক দিবস, চলুন হতভাগাদের বিদেহী আত্মার মাগেফরাত কামনা করি

*********

শিরোনামে একটা ছবি অথবা সঞ্চালক নির্বাচিত পোস্ট কোন ব্লগকে প্রতিনিধিত্ব করে বলেই মনে করি..... ধন্যবাদ ঐ ব্লগগুলিকে দেশের মানুষের অনুভূতির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করায়..... ক্যাডেটকলেজ ব্লগের হেডারে ফেসবুক ব্যান নিয়ে ছবি দেখা যাচ্ছে এখনো, হয়তোবা সামনে ওরাও পাল্টে ফেলবে ইমেজটা.......

কিন্তু সামহোয়ার কর্তৃপক্ষ কিছুই করবে বলে মনে হচ্ছে না কারণ তারা আপাতত বিশ্বকাপের উপযোগী হেডার ইমেজ কালেকশনে ব্যস্ত আছেন, ধন্যবাদ আপনাদের ........ "সব ঘটনাকে( সেটা যত বড়ই হোক) পাত্তা দিতে হবে এমন কোন কথা নাই...... ১৮ কোটি মানুষের দেশে ১১৮ জন মারা গেলে কিই বা আসে যায়" : যদি মনে করেন তাহলে আপনাদের অবস্থানকে সমর্থন জানাতে পারলাম না ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29170537 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29170537 2010-06-05 09:50:20
রোকেয়া বাংলা কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রামে: শুরু কিবোর্ডে - শেষ কিভাবে ??? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_18.gif" width="23" height="22" alt=":|" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> রোকেয়া বাংলা কিবোর্ড লেআউট নিয়ে কাজ করছি। এর শুরুটা করেছিলাম ফোনেটিক কিবোর্ডের ভুলগুলি ঠিকঠাক করার টার্গেট নিয়ে, এরপরে ঠিক করি এটাকেই একটা চমৎকার ফিক্সড লেআউট এবং ফোনেটিক লেআউট ভিত্তিক কিবোর্ড বানিয়ে ফেলবো যাতে নভিস/অপেশাদার/পেশাদার সবাই সমানতালে একই কিবোর্ড ব্যবহার করতে পারেন। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

এই কাজ করতে যেয়ে আমি বারবার বলেছি এটাতে সেরা কোন একটি লেআউট থাকবে যেটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সেই লেআউটকে অ্যাডপ্ট করবে। সেই উদ্দেশ্যে গবেষণাও করছি বর্তমানে। তবে একটু সমস্যা হয়ে গেছে <img src=" style="border:0;" /> কারণ সেরা কিছু বের করতে যেয়ে মনে হচ্ছে এটাই প্রমাণ করবো যে "একটা ভাষার সকল রচনাকে প্রকাশ করার জন্যে সেরা কিবোর্ড বলে কিছু নাই তবে নির্দিষ্ট কিছু রচনাকে প্রকাশ করার মত কিবোর্ড রয়েছে"।

যাই হোক, আপাতত তাই সিদ্ধান্ত: "রোকেয়া কিবোর্ড লেআউটে" ফোনেটিক স্টাইলেই ফিক্সড লেআউটকে সাপোর্ট দেয়া হবে পাকাপাকিভাবে।

কিবোর্ড অ্যানালাইসিসের জন্যে ডাটা কালেকশন চলছে, যতগুলি ডাটা কালেক্ট করতে পারবো তার সবগুলি ওপেন সোর্স করে দিব যাতে ডিকশনারী/ওসিআর/ভয়েস রিকগনিশন/সার্চ ইঞ্জিন/যেকোন ভাষা সংক্রান্ত কাজে ডাটা'র প্রয়োজন হলে যে কেউ সেই ডাটা নিয়ে কাজ করতে পারেন কোন ঝামেলা ছাড়াই।

এই জায়গায় এসে একটা প্রশ্ন আসে: কিবোর্ড নিয়ে আরো অনেকে কাজ করছেন সুতরাং কেন আমি তাদের সাথেই কাজ করছি না ?

উত্তর: আমার টার্গেট হল বাংলা ওপেন সোর্স সফটওয়ার গুলিকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা। যেমন: ব্রাক ভার্সিটির ল্যাংগুয়েজ ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে বাংলা টেক্সট টু ভয়েস সফটওয়ার কথা তৈরী হয়ে ‍আছে। আমি রোকেয়া কিবোর্ডের যেই সফটওয়ারটি তৈরী করছি সেটাতে এটাকেও যোগ করবো। এরপরে থাকবে বাংলা স্পেল চেকার......... সেটা টিরিবুজের "ভানান ঝাচোক" টাইপের কোন বাজে জিনিস হবে না। এটা নিয়ে অলরেডী অনেক গবেষণা হয়েছে, সেই গবেষণাগুলি থেকে একটা বেছে নিয়ে কোড করে তৈরী করে ফেলবো। পুরো সময়টাতে একটা ডিকশনারী তো তৈরী হবেই এইকাজগুলি করতে যেয়ে। এবং ভবিষ্যতে থাকবে "বাংলা-ইংরেজী অনুবাদক"

সুতরাং বুঝতেই পারছেন আমার প্ল্যানটা কি। আমার প্ল্যান একটু দীর্ঘমেয়াদী হলেও অনেকটা এরকম: "বাংলা ভাষাকে কম্পিউটারে ইনপুট দিতে একজন মানুষ যত কিছু করেন/ভাবেন/বলেন তার সবগুলিকে হ্যান্ডেল করা ও ইমপ্লিমেন্ট করা সফটওয়ার সিস্টেমকে এক সফটওয়ারে নিয়ে আসা"। আর এই পুরো কাজটাই হবে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিক মিলিয়ে এবং ফ্রি। আমি নিজে কিছু করবো এবং বাকিদের কাজগুলিকে সেটার সাথে ইনট্রিগেট করে আরো ভাল করার চেষ্টা করবো।

এরফলে একজায়গায় সবগুলি সফটকে এক করতে পারবো আমরা। সবগুলোই ওপেন সোর্স জিনিস হবে যেহেতু সুতরাং এতে কোন সমস্যাও থাকবে না এবং ভাষা হবে স্বাধীন সকল বর্ণ ব্যবসায়ীর হাত থেকে।
আজ এ পর্যন্তই, ভাল থাকবেন.............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29169612 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29169612 2010-06-03 23:33:09
Mr.Arild (এবং/অথবা) সামহোয়ারইন ব্লগ টিমের মিথ্যাচার নাকি আমার ??? আপনার উপর নজর রাখা হচ্ছে উপর্যুপরি নিয়ম ভঙ্গ করায় আপনার উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে আপনার লেখা সরাসরি প্রথম পাতায় প্রকাশ হবে না। আপনার লেখা কেবল মাত্র আপনার নিজস্ব পাতায় প্রকাশিত হবে। তবে মডারেটর উপস্থিত থাকলে তার বিবেচনা সাপেক্ষে আপনার লেখা প্রথম পাতায় প্রকাশ করা হতে পারে। দয়া করে ব্লগ সাইটের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলুন।


যাই হোক, কারণটা বলার জন্যে আমার এই পোস্ট লিখা..... আমি গত বছর জুন/জুলাই মাসে একটা ব্লগ লিখেছিলাম সামহোয়ারইনের একটা বাগ নিয়ে..... অনেকেই কমেন্ট করেছিলেন সেই পোস্টে.... বাগটা কিরকম ছিল বলি, আপনারা যারা গ্রুপ অ্যাডমিন আছেন তারা যদি কন্ট্রোল প্যানেলে যেয়ে নতুন সদস্যকে আমন্ত্রণ জানানোর জায়গায় কোন সদস্যের আইডি লিখে দিতেন তাহলে পেন্ডিং আমন্ত্রণের জায়গায় তার মেইল অ্যাড্রেস শো করতো......... এটা বাগ কেন ?? কারণ: আমি চাইলেই আপনার মেইল আইডি জেনে নিতে পারছি আপনাকে না জিজ্ঞেস করে এবং এই সুযোগটা সামহোয়ারইন সাইট করে দিচ্ছিল ওদের অজান্তেই

আমি বাগটা ধরতে পারি গত বছর মে মাসে, ব্লগ টিমকেও জানাই....... তারা আমাকে মেইল দিয়ে জানান তারা এটা ঠিক করবেন, এরপুর জুন মাসেও যখন তারা এটা ঠিক করেন নাই তখন আমি ব্লগে এটা নিয়ে লিখি......... ব্লগে কিন্তু আমি ডিটেইলস লিখিনাই কারণ একজন কম্পু সাইন্সের স্টুডেন্ট হিসেবে এটা অবশ্যই আন-এথিক্যাল হত, বরং যাদের বললে কাজ হত (ব্লগ ডেভেলপমেন্ট টিম) তাদেরকেই মেইল করে বলেছিলাম ব্যাপারটা.......পুরো ঘটনা ১ বছর আগে এই সময়ে

**************

আমি সেই ব্লগ লিখার পরে মি.আরিল্ড নিজে আমাকে ধন্যবাদ জানান বাগটা নিয়ে বিস্তারিত না লিখার জন্যে এবং তারা সেটা ঠিক করেন.......

************

গত ২দিন মেইল দেখিনাই........ আজকে মেইল চেক করে দেখি লিখা: "যেকোন ধরণের কল্পিত বা মিথ্যা পোস্ট বিশৃঙ্খলা তৈরীর উদ্দেশ্যে খবরের আকারে প্রকাশ করা হলে ।" এবং ব্লগে দেখি আমি ওয়াচে.........

মি.আরিল্ড আমাকে জবাব দিতে হবে কেন আমাকে এই কথা বলা হল ??? কি কল্পিত কিংবা মিথ্যা পোস্ট ছিল সেটা ??? আপনি নিজে ব্লগ টিমের পক্ষ থেকে দোষ স্বীকার করে এখন সেটা নিয়ে কেন এই কথা বললেন ???
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29159860 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29159860 2010-05-21 21:57:34
অ্যাপল বস স্টিভ জবস অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ নিয়ে প্রকৃতপক্ষে যা বলতে চেয়েছেন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
ফ্ল্যাশ সাপোর্ট থাকলে ডেভেলপাররা সব অপারেটিং সিস্টেমের জন্যে একই অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করতে পারতেন, ব্যবহারকারীরাও উপকৃত হতেন। সব অপারেটিং সিস্টেমের জন্যে করলে অ্যাপলের সমস্যাটা কি ??? সমস্যাটা হল, বেশিরভাগ মানুষ কোন একটা বিশেষ ও.এস. ব্যবহারের জন্যে সেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেন না, করেন সেই ও.এস. এ চলে এমন কোন অ্যাপ্লিকেশনের জন্যে। ফলে অন্য ও.এস. এও সেই অ্যাপ্লিকেশন চললে তিনি সুইচ করতে তেমন একটা চিন্তা করবেন না।
ব্লগ থেকেই উদাহরণ দেই একটা: অনেকেই অভ্রের লিনাক্স সংস্করণ না থাকায় উইন্ডোজ ব্যবহার করেছেন অনেকদিন, তাইনা /??? লিনাক্স সংস্করণ পেয়েই উবুন্টুতে সুইচ করলেন। এখানেও ব্যাপারটা তেমন।

যাই হোক, স্টিভ জবসের কথার ব্যাকগ্রাউন্ড/প্ল্যানটা দেখা যাক নিচের সাইটের লিখার বঙ্গানুবাদে:

স্টিভ জবস: আমাদের সাথে অ্যাডোবি'র ক্রিয়েটরদের দেখা হয়েছিল proverbial garage এ। আমরাই ওদের প্রথম বড় কাস্টোমার। আমরাই ওদের ফার্মে ইনভেস্ট করেছি এবং বহু বছর ওদের ২০% মালিক ছিলাম আমরা।
প্রকৃত সত্য: এই অ্যাপল **** তো উঠছেই অ্যাডোবি'র সাপোর্ট নিয়া। খালি গ্রাফিক্স উপযোগী হার্ডওয়ার বানিয়ে তো আর হয়না, ফটোশপ/ইলাস্ট্রেটর/এরকম টাইপের সফটগুলি যার জন্যে ম্যাক জনপ্রিয় হয়েছে সেটার কথা ভুলে গেলে চলবে না।

স্টিভ জবস: অ্যাপল একসময় খাদে পড়ে গিয়েছিল, অ্যাডোবি ঠিকই নিজের অ্যাক্রোব্যাট প্রডাক্ট নিয়ে এগিয়ে চলেছে।
প্রকৃত সত্য: Back in the mid-90s, when it was looking like Apple was totally fucked, Adobe stopped fellating us and instead started developing stuff for Windows. That pissed me off, and I’m never going to let it go.

স্টিভ জবস: অ্যাডোবি বলেছে আমরা আমাদের অ্যাপ স্টোরকে বাঁচাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি তবে এটা সঠিক নয়। এটা প্রকৃতপক্ষে টেকনোলজী ইস্যু
প্রকৃত সত্য: the-real-reason-steve-jobs-wants-to-kill-adobe

স্টিভ জবস: অ্যাডোবি বলেছে আমরা ক্লোজড সিস্টেম, ফ্ল্যাশ ওপেন। কিন্তু উল্টোটা সত্য। অ্যাডোবি'র সবগুলি প্রডাক্ট প্রোপাইটরী যা টাকা দিয়ে কিনতে হয়, ওগুলি মোটেও ওপেন/ফ্রি না।
প্রকৃত সত্য: I’m Steve fucking Jobs; If I say Apple believes in open systems, people will repeat it — "even if I then go on to criticize Adobe for doing exactly what we do."

স্টিভ জবস: আমাদের আইপ্যাড, আইফোন এগুলি ফ্রি না, এগুলি টাকা দিয়ে কিনতে হয়। তবে আমরা বিশ্বাস করি, ওয়েব জগতে সব ফ্রি হওয়া উচিত।
প্রকৃত সত্য: /<img src=" style="border:0;" /> /<img src=" style="border:0;" /> নিজেদের ও.এস. টাকা দিয়ে কিনতে বাধ্য করে এখন বাকিদের কাছে আশা করছে তারা সব ফ্রি দিবে.....(মামা বাড়ীর আবদার)

স্টিভ জবস: অ্যাপল ওপেন সোর্স জিনিস নিয়ে সবসময়ই এগিয়ে এসেছে। অ্যাপলের "ওয়েবকিট" রেন্ডারিং ইঞ্জিন দিয়ে গুগল ক্রোম তৈরী হয়েছে।এছাড়া অ্যান্ড্রয়েড, পাম, নোকিয়া সবাই এটা ব্যবহার করছে।
প্রকৃত সত্য: বিজনেস কাকে বলে অ্যাপল সেটা জানে। যখন ওরা দেখেছে এটাকে ওপেন সোর্স করে দিলেও ক্ষতি নাই তখন করেছে। এভাবে নিজেদের পজিটিভ ভ্যালু তৈরী করে নিজেরা আইফোন/আইপ্যাডে ওয়েবকিটের ব্রাউজারগুলিতে ওয়েবকিটের সাপোর্ট ঠিকমত দেয়নি কারণ এরফলে ওরা ওদের গ্রাহকদের একটা মিথের মধ্যে রাখতে পারবে: অ্যাপলের নিজস্ব ব্রাউজারই সেরা (অন্যদেরটা ইচ্ছা করে চলতে দেয়না সেটা বলবে না, অ্যাপলের গ্রাহকরাও ওদের কথা চোখ-নাক-মুখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে)

স্টিভ জবস: ওয়েবে ৭৫% ভিডিও ফ্ল্যাশ ভিডিও যা আইফোন/আইপ্যাডে দেখা যায়না, কিন্তু এগুলি ফ্ল্যাশের চেয়েও ভাল ফরম্যাট H.264 এ দেখা যায়......H.264 আইফোনে সাপোর্ট করে।
প্রকৃত সত্য: ভিডিও ছাড়াও আরো অনেক অনেক কন্টেন্ট ফ্ল্যাশ দিয়ে তৈরী, ওগুলি দেখানোর ক্ষমতা নাই H.264 এর.....

স্টিভ জবস: ফ্ল্যাশ গেমসগুলি আইফোন/আইপ্যাডে চলেনা এটা সত্যি কিন্তু আমাদের অ্যাপ স্টোরে ৫০,০০০ গেমস আছে যার অনেকগুলিই ফ্রি।
প্রকৃত সত্য: আমাদের অ্যাপ স্টোরে আমরা ডেভেলপারদের ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রণ করি, আমরা যা চাইব তাই বানাতে বাধ্য এই ডেভেলপারগুলি........
আর আমাদের কথা না শুনলেও সমস্যা নাই, পুলিশ দিয়া তোমাকে রেইড করাবো এবং সাইজ করে দিব

**************

সোর্স: টুইটার থেকে পাওয়া লিংক.........আমার টুইটার প্রোফাইলে(http://twitter.com/godhulii ) আছে লিংকটা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29145948 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29145948 2010-05-01 03:02:13
বাংলা কম্পিউটিং নিয়ে কিছু ভুল ধারণা
সচলায়তনে শহীদ ভাইয়ার সাক্ষাৎকারের পোস্টে একটা লিংকে দেখলাম জব্বার কাগু'র সাক্ষাৎকার। ওখানে একটা লাইন পড়েই মূলত ব্যাপারটা মাথায় আসলো। ওখানে লিখা: "বর্তমানে কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশ বিজয় দিয়েই কাজ করছেন। বিজয়ের এই ব্যাপক ব্যবহার শুরু হলেও বাংলায় বানান শুদ্ধকরণ, অভিধান ব্যবহার সহ আরো অনেক সুবিধা নেই। এগুলির উন্নয়নে মূল ভূমিকা পালন করতে হবে সরকারকে কারণ এর জন্য পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে উদ্ভাবকরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন"

উপরের কথাগুলি না জেনেই অনেকেই বিশ্বাস করেন, সামারাইজ করে পয়েন্টগুলি হল:
(১) কম্পু ব্যবহারকারীর ৯৯ শতাংশ বিজয় ব্যবহার করে
(২) বাংলায় অভিধান নেই
(৩) বানান শুদ্ধকরণ করার উপায় নেই
(৪) সরকার এগিয়ে না আসলে হবেও না এসব কারণ দিনের শেষে অর্থই সব

আমি এখন এগুলি নিয়েই কিছু বলতে চাই কারণ এই মিথ্যাচারগুলি আমাদের ভবিষ্যত ডেভেলপমেন্টের জন্য ভুল মেসেজ দিচ্ছে, এর সংশোধনী প্রয়োজন.......

সাম্প্রতিক সময়ে অভ্রের একটা বিরাট ইউজার বেজ দেখেছি আমরা, বিভিন্ন ব্লগে সেই ব্লগের কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও সমর্থন জানানো হয়েছে অভ্রকে। এতে মনে হতে পারে অভ্রের বেজ বিশাল কিন্তু একটা ব্যাপার ভুলে গেলে চলবে না বিজয় ব্যবহার করেন যারা তারা মূলত এর উপরেই জীবিকা নির্বাহ করেন, মানে অফিস টাইপিস্ট বা এরকম পেশার মানুষজন। এরকম মানুষ দিয়েই টোটাল ৯৯% হয়ে যায় এটা ভ্রান্ত ধারণা তবে ৬০% হয় বলেই মনে করি। ব্লগাররা সংখ্যায় অতটা বেশী না যতটা অফিস ক্লার্ক রয়েছেন বাংলাদেশে। অর্থাৎ উপরের প্রথম পয়েন্টটা ভুল।

বাংলায় অভিধান নেই কথাটা পুরোপুরি ভুল নয়। তবে কাজ চালানোর জন্যেhttp://www.bengalinux.org/english-to-bengali-dictionary/ সাইটে গেলে একটা পাওয়া যায়। আশা করি সচলায়তনের উদ্যোগে নেয়া ডিকশনারীটা তাড়াতাড়ি আলোর মুখ দেখবে।

সবশেষে থাকে (৩) ও (৪) নাম্বার পয়েন্ট। এগুলিকে ডেভেলপ করার জন্যে সময় প্রয়োজন মাত্র ২ মাস (বড়সড় সফটওয়ার তৈরীর পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই এমন স্টুডেন্টদের জন্যে)। কি করতে হবে ?? খুব সহজ, প্রথমেই বের করতে হবে কিভাবে একটা ডিকশনারী হাতে থাকলে ভুল বানানগুলি সনাক্ত করা যায়। যেমন: কেউ যদি লিখে "ভূল" কিন্তু ডিকশনারীতে আমরা পাই ভুল তাহলে এটা সহজে সনাক্ত করা সম্ভব যদি আমাদের জানা থাকে ‍ু এবং ‍ূ অদল-বদল হয়ে ভুল বানানের জন্ম হয়।

তাহলে আবার নতুন সমস্যা: এরকম কি কি ক্ষেত্রে অদল-বদল হতে পারে সেটা জানার জন্যেও তো গবেষণা প্রয়োজন, কে করবে সেটা ???
উত্তর: কারোরই দরকার নাই কারণ অ্যাডাপ্টিভ প্রসেসে প্রোগ্রাম নিজেই জেনে নিতে পারে কার কার মাঝে অদল-বদল হলে ভুল হতে পারে। যেমন: মনে করুন প্রোগ্রামটা জানে না ঊ-কার ও উ-কার মূলত অদল-বদল হয় তাই ও যখন দেখবে "ভূল" বানানটা ও সাজেস্ট করবে সবগুলি স্বরবর্ণ মিলিয়ে যা দিয়ে ভ্যালিড কোন শব্দ হয় কারণ ঊ-কার একটি স্বরবর্ণ তাই রিপ্লেসমেন্টটাও কোন একটা স্বরবর্ণ দিয়েই আসবে। ফলে সকল স্বরবর্ণ দিয়ে ট্রাই করে ভ্যালিড শব্দ খুঁজে এনে ও সাজেস্ট করবে: "ভাল, ভুল, ভোল"। এখন আপনি সিলেক্ট করলেন "ভুল"। ও এটা রেকর্ড করে রাখবে এবং ভবিষ্যতে ঊ-কারের জন্যে কোন ভুল পেলে সেই জায়গায় উ-কার বসিয়ে দেখবে সঠিক কোন শব্দ হয় নাকি, হলে সেটা দিয়ে রিপ্লেস করবে। এভাবে ও নিজেই নিজেকে আপডেট করবে।
তাহলে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন, তাইনা ??? কোন সমস্যা নাই। IEEE-EXPLORE বা গুগল-স্কলারে এমন প্রচুর গবেষণা'র খোঁজ পাওয়া যাবে। চাকা নতুন করে আবিস্কারের প্রয়োজন নেই, এখন প্রয়োজন চাকা দিয়ে গাড়ি তৈরীর। অর্থাৎ পেপারগুলির অ্যালগরিদমটিকে সফটওয়ারে ট্রান্সফর্ম করলেই হবে। সুতরাং (৩) নাম্বার পয়েন্টটা ভুল এবং বানান সংশোধন সফটওয়ার তৈরী তেমন কোন কঠিন কাজ না এখন। আজকে না হলেও আশা করি ২০১১ এরমাঝেই দাঁড়িয়ে যাবে এটা।

সবশেষ পয়েন্ট হল, সরকার টাকা দিবে কি দিবে না তারউপর। আমি বলব, সরকারকে একটা টাকাও দেয়া উচিত না। আমেরিকান গর্ভমেন্টের অবদান কত ওদের ভাষার স্পেল চেকার তৈরীতে ??
সরকারের কাছে শুধু নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চাই আমরা যাতে পিসি-গুলিতে কাজ করা যায়। বাকি ডেভেলপমেন্ট কাজগুলি স্টুডেন্টদের দিয়েই সম্ভব। স্টুডেন্ট আলাদা করে বলছি কারণ চাকুরীজীবি একজনের পক্ষে হয়তোবা সময় বের করা অত সহজ না সদিচ্ছা থাকার পরেও কিন্তু একজন স্টুডেন্টের পক্ষে অনেক সহজ (টার্ম ফাইনালের পরের গ্যাপ যেমন একটা উদারহরণ)। প্রয়োজন উদ্বুদ্ধ করা শুধু। অথবা কেউ যদি বানিয়ে ফেলে তাহলে সেটাকে উৎসাহ দেয়া, সেটাকে টেস্ট করা। সুতরাং সরকারের টাকা'র জন্যে বসে থাকতে হবে এটা পুরো ভুল কথা যেটি ৪ নাম্বার পয়েন্টে বলা হয়েছে।

কথাগুলি অনেকটা বিক্ষিপ্তভাবেই বলা.........আসলে উন্মুক্ত বাংলা কম্পিউটিং নিয়ে সবার যেই আবেগের উচ্ছ্বাস দেখছি আমি চাই সেটা সর্বোচ্চ পরিমাণে কাজে লাগুক। কিন্তু একই সাথে যেন কোন ভুল তথ্য পৌছে না যায় তাই এসব পয়েন্ট লিখা।

সবাইকে ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29143631 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29143631 2010-04-27 22:46:20
অভ্র বিজয় লেআউট ব্যবহার করেছে এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে একটি পোস্ট
আমি টেকি/নন-টেকি সবাইকে বিষয়টি সম্পর্কে জানানোর জন্যে এটি নিয়ে লিখছি। প্রথমে লিখেছি সচলায়তনে কারণ অভ্রের মেহেদী ভাইয়া ওখানকার একজন লেখক+পাঠক। আপনারাও পড়তে পারেন লিখাটা:
অভ্রকে পাইরেটেড বলার কারণ বিশ্লেষণ ও একটি দাবী

এখন এখানে আমি ওখানকারই আমার করা একটা কমেন্ট ব্যাখ্যা করব। মোস্তফা জব্বার প্রশ্ন তুলেছেন “যেহেতু অভ্রতে বিজয় লেআউট ইনক্লুড করা হয়েছে” সুতরাং এটি কপিরাইট অ্যাক্ট ভেঙ্গেছে।

তাহলে আমাদের প্রশ্ন হল:
■ কিবোর্ড লেআউট পেটেন্ট করা যেতে পারে ????
■ কতগুলি পেটেন্ট হতে পারে ??
■ কিসের বেসিসে পেটেন্ট হতে পারে ???
■ ব্যাকগ্রাউন্ড সাপোর্ট কতটুকুন প্রয়োজন একটি পেটেন্ট পেতে গেলে ??
■ এখন পর্যন্ত কতগুলি পেটেন্ট করা হয়েছে ???

উত্তরগুলি হল:
■ হ্যা, করা যেতে পারে
■ যতগুলি কম্বিনেশন সম্ভব প্রতিটার পেটেন্ট সম্ভব যদি না সেই লেআউটটি পাবলিক ডোমেইনের জিনিস হয়ে থাকে। পাবলিক ডোমেইন অর্থ যেটি এত বেশী বহুল প্রচলিত যে সরকার কর্তৃক সেটিকে সবার জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে, কেউই সেটার মালিক নয়। উদাহরণ: ইংরেজী কিবোর্ডের লেআউট (QWERTY লেআউট যাকে বলে)
■ পেটেন্টের কোন বেসিস নাই, যেইভাবে খুশী করা যেতে পারে যদি পেটেন্ট অথরিটিকে “সন্তুষ্ট” করা যেতে পারে
■ ব্যাকগ্রাউন্ড সাপোর্টে ম্যাথমেটিক্যালি ও স্ট্যাটিসটিক্যালি প্রুফ দেখালে ভাল তবে সেটি ম্যান্ডেটরী নয়
■ অনেক। এবং চলছেই।

তাহলে কি অভ্রতে ব্যবহৃত ইউনিজয় লেআউটটি কি বিজয় লেআউটের পেটেন্ট ভেঙ্গেছে ?? দেখা যাক:

ইউনিজয় ও বিজয়ে সাদৃশ্য থাকলেও এখানে অন্ততঃপক্ষে একটি কি পজিশনে ভ্যারিয়েশন রয়েছে। ফলে এরা সম্পূর্ণ আলাদা কিবোর্ড।
সহজ করে বলি, ১২১ এবং ১O১ কি একি লাগছে আপনার কাছে ??? সংখ্যা দু’টি অলমোস্ট একই যদি আমরা শুণ্যটাকে বাদ দেই। কিন্তু আপনারাই বলুন, এই দুটি সংখ্যা কি এক ??? লেআউটও সংখ্যার মতই একটা ব্যাপার তাই একটা জিনিস আলাদা তো পুরাই আলাদা।
বিজয়ের পেটেন্ট শুধুমাত্র একটি ফিক্সড লেআউটের জন্যে।এবং পেটেন্টটি আলাদা আলাদা করে অক্ষরের অবস্থান সম্পর্কে বলবে না। সম্মিলিতভাবে কি সেটাই হল ফ্যাক্টর এখানে।
আমি ওদের পেটেন্টের ডিটেইলস না দেখে আর কিছু বলতে পারবো না তবে এটুকুন বলতে পারি ওখানে g বাটনে হসন্ত ছাড়া আর কোন লেআউটে ব্যবহৃত হতে পারবে না এই ব্যাপারটি নেই। যদি থাকে তাহলে ওই পেটেন্টকে ইনভ্যালিড ধরতে হবে কারণ ম্যাথমেটিক্যাল ও স্ট্যাটিসটিক্যালি প্রুভড যে বাংলায় যুক্তাক্ষরের সংখ্যা যেহেতু খুব বেশী এবং যুক্তাক্ষর টাইপ করতে হয় হসন্ত চেপে (অভ্র ব্যবহারকারীরা এটা টের পান না কারণ অভ্র ব্যাকগ্রাউন্ডে এটা করে দেয়, ফোনেটিক অথবা রোকেয়া ইউজাররা এটা টের জানেন) সুতরাং হসন্তকে f এর জায়গায় দেয়াই সবচেয়ে যুক্তিসংগত যাতে টাইপিং স্পিড+কি স্ট্রোক উভয়ই কম লাগে।

ফলে আমরা দেখতে পারছি অভ্র ইউনিজয় নামের নতুন একটি লেআউট ওদের সফটওয়ারে ব্যবহার করেছে, মোটেও বিজয় লেআউট ব্যবহার করেনি।
এছাড়া কোন বর্ণে কি হবে এটার কোন পেটেন্ট হতে পারেনা সুতরাং জব্বার কাগু’র কোন দাবীই টিকে না।

জব্বার কাগু’র মিথ্যাচার বন্ধ হোক, ****-টা নির্বাচন কমিশনকে নিজের সফট বেঁচতে পারেনাই দেখে পাগল হয়ে গেছে। জুতাপেটা করা দরকার ওটাকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29138084 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29138084 2010-04-19 22:24:47
রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট প্রোগ্রাম: আপডেট
আগের সংস্করণে "হসন্ত" ছিল f এর জায়গায়, "ড়" ছিল q এর জায়গায়, "ফ" ছিল ক্যাপিটাল-এফ এর জায়গায়। এই সাইটের পাশাপাশি সচলায়তনেও সেটা নিয়ে লিখেছিলাম এবং খুব চমৎকার আলোচনা হয়েছে সেখানে। সামহোয়ারইনের ফিডব্যাক, মেইল ফিডব্যাক এবং ওখানকার আলোচনা মিলিয়ে যা মনে হল তা হল: হসন্ত-কে f এর জায়গায় না রেখে যদি অন্য কোন জায়গায় রেখে f দিয়ে "ফ" লিখার, "ড়" কে r দিয়ে লিখার সুযোগ রাখা হয় তাহলে গ্রহণযোগ্যতা আরো বেশী পাবে।

যেহেতু q তেমন একটা ব্যবহৃত হয়না এবং সেটাকে একবারেই টাইপ করা যায় (মানে শিফট কি চেপে ধরে টাইপ করতে হবে না) তাই হসন্তকে q-এর জায়গায় নিয়ে গিয়েছি। একইসাথে "ড়"-কে র-এর সাথে মিল রেখে R( ক্যাপিটাল-আর) পজিশনে নিয়ে গিয়েছি। আরেকটি ছোট পরিবর্তন হয়েছে, "থ" এখন ক্যাপিটাল-এফ অথবা T এর পরে h চেপে উভয়ভাবেই টাইপ করা যাবে। (ক্যাপিটাল-এফ রাখা হয়েছে ফিক্সড লেআউট সাপোর্টের জন্যে ও "T এর পরে h" সাপোর্ট রাখা হয়েছে ফোনেটিক সাপোর্টের জন্যে)
এরফলে এখন সামহোয়ারইনের ফোনেটিক ব্যবহারকারীরা "ঙ,ঞ,ং,ঁ,ঃ,ৎ" এই ৬টি অক্ষর মনে রাখলেই রোকেয়া কিবোর্ডটি ব্যবহার করতে পারবেন পুরোপুরি

এছাড়া আরো একটি নতুন জিনিস যোগ করা হয়েছে তা হল: ল্যাংগুয়েজ সুইচিং। অর্থাৎ যেকোন সময় আপনারা ctrl+m (কন্ট্রোল কি+ এম) চেপে বাংলা থেকে ইংরেজী অথবা ইংরেজী থেকে বাংলায় সুইচ করতে পারবেন। আলাদা করে অন্য জায়গায় যেয়ে টাইপ করে, কপি-পেস্ট করার কোন দরকার নেই।

লেআউটের ব্যাপারে আলাদা করে একটু বলি, ফিক্সড লেআউট সাপোর্ট এটাতে ৯৭%। পুরো ১০০% রাখা সম্ভব হয়নি h চেপে অক্ষর পরিবর্তনের সুবিধা রাখার জন্যে। তাই "ঠ" এবং "ঢ" টাইপ করতে হবে t, d এর পরে h চেপে। এই ২টি বাদ দিলে নির্দিষ্ট প্রিন্সিপল অনুসারে বাকি সবগুলি সিম্বলের(সর্বমোট ৬২টি) জন্যে আলাদা আলাদা পজিশন রয়েছে এই ফিক্সড লেআউট কিবোর্ডে। এখনো যারা দেখেননি তাদের বলব, আপনারা চাইলে টেস্ট করে দেখতে পারেন:
প্রজেক্ট হোমপেজ: http://code.google.com/p/bangla-keyboard-layout/
অনলাইনেই ডেমো টেস্ট করার লিংক: http://phonetic.sourceforge.net/

সামনে প্ল্যান আছে এটার ডেস্কটপ ভার্সন তৈরী করা যাতে এটি সর্বত্রই ব্যবহার করা যায়। আশা করি, এমাসেই কাজ শুরু করা হবে। তবে প্রথম কাজ হবে সবগুলি কিবোর্ডের অ্যানালাইসিস করা কারণ রোকেয়া লেআউট প্রোগ্রামে আমরা কাজ করছি একটি ব্যবহারবান্ধব ও সায়েন্টিফিক এবং ওপেন সোর্স লেআউট বের করে সেটাকে ইমপ্লিমেন্ট করার জন্যে।
অ্যানালাইসিস করে যেই রেজাল্ট আসবে লেআউট হিসেবে তাকেই বেছে নেয়া হবে, মানে যদি আমরা দেখতে পাই অভ্র স্টাইলে k এরপরে t লিখে ক্ত হয়ে যায় এমন ফর্মেশনের সংখ্যাই বেশী আমাদের ভাষায় তাহলে এটি অভ্রের মত করেই তৈরী করা হবে। আমরা কাউকেই বলব না, আপনি এটা শিখুন কারণ এটি সেরা কিনা সে ব্যাপারে আমাদের কাছে প্রমাণ নেই। সেরাটা বের করতে হবে সিমুলেশন করে এবং আশা করি সেটাই দেখতে পারবেন এই লেআউটে ও সেটা টাইপ করার সফটওয়ারে <img src=" style="border:0;" />

আপাতত, লেআউটটি হাসিন ভাইয়ার ডেভেলপ করা ফোনেটিক লেআউটটার মত করে রাখা হল কারণ এই বর্তমান ফোনেটিক লেআউটটিতে অনেক বাগ/ভুল রয়েছে, সেগুলি অন্তঃতপক্ষে এড়ানো সম্ভব হবে রোকেয়া কিবোর্ড ব্যবহারে।

ভাল থাকবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29134361 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29134361 2010-04-13 22:59:54
বাংলা ভাষার বর্ণের সংখ্যাগত অ্যানালাইসিস: সূচনা ও কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
বাংলা ভাষার ডাটা কালেকশন ও অ্যানালাইজ করেছিলাম একবার তবে সেটাকে ইমপ্রুভ করে আবার করছি। এখন ওটার সাথে আরো কি কিছু যোগ করা উচিত নাকি সেটা জানানোর অনুরোধ থাকলো সবার কাছে।

এখানে আমরা যা যা ক্যালকুলেট করবো তার সবকয়টাই আমাদের পরবর্তী অ্যানালাইসিসে কাজে লাগবে। যেকোন ডাটা সেট অ্যানালাইজ করতে আপাতত এই বিষয়গুলি ঠিক করেছি:

১) কোন বর্ণ কতবার আসলো
২) স্বরবর্ণগুলি এককভাবে কতবার আসলো
৩) ব্যঞ্জনবর্ণগুলি এককভাবে কতবার এসেছে
৪) ব্যঞ্জনবর্ণগুলি সংযুক্তভাবে কতবার এসেছে
৫) যুক্তবর্ণগুলির মাঝে সংযুক্ত হওয়ার বেলায় কোন অক্ষরের পরে বেশী ব্যঞ্জনবর্ণ সংযুক্ত হয়েছে
৬) স্বরবর্ণগুলির কার-রূপটা একক ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে কয়বার,২টি ব্যঞ্জনবর্ণের যুক্তবর্ণের সাথে কয়বার আসছে, ৩টি ব্যঞ্জনবর্ণের যুক্তবর্ণের সাথে কয়বার আসছে
৭) য-ফলার সংখ্যা কতটি (এটা প্রয়োজন হবে কারণ ইউনিকোডে য-ফলাকে স্বীকৃতি দিয়ে একটা কোড দেয়া হয়েছে এর জন্যে সুতরাং আমরা য-ফলা হসন্ত চেপে য দিয়ে টাইপ করবো নাকি সরাসরি টাইপ করবো সেটার সিদ্ধান্ত নিতে এর ফ্রিকোয়েন্সী লাগবে)
৮) স্বরবর্ণের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত না হয়ে এককভাবে যুক্ত হওয়ার ঘটনা

এভাবে পাওয়া ডাটা থেকে আরো কিছু ডাটা আমরা পাবো যা আলাদা করে বের করার প্রয়োজন নেই:

#১) একটি বাক্যে যুক্তবর্ণের সর্বমোট সংখ্যা কত % ?? (এটা কাজে লাগবে অভ্র নাকি রোকেয়া স্টাইল কোনটা প্রাধান্য পাবে এটা ঠিক করতে, যদি যুক্ত বর্ণ বেশি হয় তাহলে মনে হয় অভ্র যাতে কি প্রেস কম করতে হয় নয়তো রোকেয়া -ব্যাপারটা এমন আরকি)
#২) স্বরবর্ণের আলাদা আলাদা রূপের কোনটার হার কত % ??? ( এটা কাজে লাগবে প্রভাতের ি ও ই এর জন্যে আলাদা কি রাখার স্টাইলের বিপরীতে রোকেয়া বা বিজয়ের h বা g চেপে সুইচিং স্টাইলের তুলনা করতে)

একটি ব্যবহারিক উদাহরণ (কপিপেস্ট উদাহরণ দিচ্ছি):

ধরুন, আমাদের যে বাক্য ইনপুট দেয়া হল তা হল:
এটা ক্যাডেট কলেজ ব্লগ। সদস্যদের ৯৯.৯৯% অবশ্যই ক্যাডেট

এখন এই বাক্যের অক্ষরগুলিকে বিভিন্নভাবে দেখলে আমরা যা যা গুণতে পারি তা হল:
১) মোট বর্ণ: ৪৫টি ( হসন্ত সহ)
-এটা=৩, ক্যাডেট=৭, কলেজ=৪, ব্লগ=৪, সদস্যদের=৮, ৯৯.৯৯%=৬, অবশ্যই=৬, ক্যাডেট=৭
২) স্বরবর্ণ গুলি একক রূপে এসেছে: ২ বার
- এটা তে “এ”, অবশ্যই তে “ই”
৩) একক ব্যঞ্জনবর্ণ: ১৫টি
টা, ডে, ট, ক, লে, জ, গ, স, দ, দে, র, ব, শ্য, ডে, ট
৪) সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ: ৪টি
ক্যা, ব্ল, শ্য, ক্যা
৫) যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণগুলির সংযুক্তি তালিকার ক্রম:
য- ৩ বার (ক এর পরে য-ফলাতে, শ এর পরে য-ফলাতে), ল- ১ বার( ব এর পরে ল দিয়ে ব্লগ বানানে)
৬) স্বরবর্ণের কার রূপে সংযুক্ত হওয়ার ক্রম:
আ-কার= ১, এ-কার= ২
৭) য-ফলা ৩টি
৮) স্বরবর্ণের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত না হয়ে এককভাবে যুক্ত হওয়ার ঘটনা: ১টি
( অবশ্যই বানানে ই-কার হয়নি শ্য এর সাথে)

*********

এইতো মূল কনসেপ্ট এটাই...... এখন উদ্দেশ্য ডাটা সংগ্রহ করে স্ট্যাটিসটিক্যালি অ্যানালাইজ করা ও সেটার জন্যে প্রোগ্রামিং কোড লিখা....... আমার ইচ্ছা আছে সামহোয়ারইন ব্লগ, আমার ব্লগ, সচলায়তন, প্রথম আলো ব্লগ, টেকটিউনস, ক্যাডেট কলেজ ব্লগ ব্লগগুলি থেকে কমপক্ষে ৫ লক্ষ বাক্য সংগ্রহ করে তা অ্যানালাইজ করে সেটা নিয়ে কোন একটা পেপার দাঁড় করানোর চেষ্টা করা, বাংলা বর্ণের গঠন নিয়ে একটি পেপার লিখেছিলাম যেটি একটি কনফারেন্সে এক্সেপ্টেড হয়েছে তাই উৎসাহ এখন আরো ডাবল হয়ে গিয়েছে <img src=" style="border:0;" />

ভাল থাকবেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29127978 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29127978 2010-04-02 22:08:07
আছেন নাকি কোন "সিউল, দক্ষিন কোরিয়াতে কাজ করা ফকিন্নির পুত???"
তখন দেখলাম একটা কগচডড নামের একটা **** ব্লগার লিখেছে কোন ব্লগার কোন দলের সাপোর্টার সেটা নিয়ে, ফালতু জেনারালাইজেশন দিয়ে ভর্তি সেই লিখার কথা আলাদা করে বলার কিছু নাই৷ আমি ওই ব্লগারের আগের পোস্টগুলি দেখলাম৷ ম্যাক্সিমাম হয় শেয়ার বাজার নয়তো আওয়ামী লীগের বিপক্ষে লিখা৷ আর প্রোফাইলে লিখা সে নাকি কম্পু সাইন্সে পাশ করা৷

তাই জিজ্ঞেস করলাম কেন সে কম্পু লাইন চেঞ্জ করে শেয়ার লাইনে গেল ( একজনের ৫০% ব্লগ একটা নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীতে হল কিই আর ভাবা যাবে ????)৷ একই সাথে এটাও বললাম জামাত ও শিবিরকে লাত্থি মারলে সে আওয়ামী লীগ হয়ে যায় এই গায়েবী থিওরী এটা কি তার আবিস্কার নাকি৷

উত্তরটা আসলো এরকম: " সারা দিন জামাতের নামে বিষেদ গার করবেন । মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় সর্বদা জাগ্রত হওয়ার আহবান জানাবেন। সরকারের সব কাজে সাফাই গাইবেন আর বলবেন আমি আওয়ামিলীগ করি না।"
- আমি সরকারের সব কাজে তালি দেই ??? /<img src=" style="border:0;" /> নিজেই জানতাম না, যাইহোক এটা গায়ে লাগে নাই আমার৷

উনার পরের কথা: "আপনার নাম সিউল রায়হান কেন? আপনি কি কোরিয়ার সিউলে থাকেন? বাংলাদেশের অনেক ফকিন্নির পোলা সিউলে কামলা খাটে। আপনি কি তাদের গোত্র ভুক্ত নাকি।"
- কিই আর বলব...... দেশের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে যেই প্রবাসীদের উপরে, অর্থনীতি বাদ দেই- যিনি নিজের দেশের খেটে খাওয়া শ্রেণীর মানুষকে ফকিন্নির পুত বলে গালাগালি করেন তার মত বেজন্মার সাথে কোন কথাই চলে না৷ ( ওটার পোস্টের লিংক: http://www.somewhereinblog.net/blog/winner/29125958 )

আমার রিপোর্ট করা উচিত এই কমেন্টের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন রিপোর্ট করবো না কারণ মডারেশন টিমের উপর আমার কোন আস্থা নাই৷ পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্বল ও একচোখা মডারেশন টিমকে কিছু বলে লাভ নাই।

যাই হোক, পোস্টের টাইটেলে ফেরত আসি৷ আছেন নাকি কোন "ফকিন্নির পোলা" ??? থাকলে আসেন তো ভাই, হাত মিলাই]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29126318 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29126318 2010-03-30 22:34:40
আজ বোধহয় ব্লক খাওয়ার পালা, এতদিনেও হল না শিক্ষা
১) রিসাত এর ব্লগ :
এর কাজ হল আজাইরা ইংরেজী পোস্ট লিখা৷ মেজাজ খারাপ হয়ে গেসে, একের পরে এক পোস্ট যাতে কোনই ভ্যারিয়েশন নাই৷ আল্লাহই জানে কোন দেশের প্রতি অনুরক্ত ওটা৷ বাংলা একটা ব্লগে ইংরেজী লিখার কি হল বুঝলাম না৷ মাইনাস দিলাম ওটাকে আর বললো আমাকে ব্লক করে দিবে এরপর ওটার ব্লগে গেলে৷ ব্লগে গেসি তো গেসি সবগুলি পোস্টে মাইনাস দিয়ে আসছি৷ কর এবার ব্লক

২) আমি বিপ্লবী এর ব্লগ :
এইটা শিওর একটা সারমেয়৷ এটার আগেকার পোস্টগুলি দেখে তাই মনে হল৷ সে পোস্ট দিয়েছে "নারী পুরুষ সমানাধিকার কথাটি ভুল, হবে নাকি প্রয়োজনীয় অধিকার" শিরোনামে৷ যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কোন নারী নবী নাই কেন ??? নারীদের কি সবচেয়ে মর্যাদা পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নাই ??"
কুকুরটা অ্যান্সার তো দিলই না উল্টা ব্লক করে দিল /<img src=" style="border:0;" /> দে ব্লক, দূরে যেয়ে মর

*********

এই ব্লগ প্রথম পাতায় শেয়ার করিনি তাই কেউ হয়তোবা পড়বে না, না পড়লেও ক্ষতি নাই৷ অন্যদের সাথে আমি এই ব্যাপারটাতে আলোচনা আর কিই করবো তাই শুধু নিজের ব্লগেই নিজের অনুভূতি লিখে রাখলাম৷ শিরোনামটা "এখন বোধহয় ফুল কুড়ানোর বাকি" গানের স্টাইলে লিখা, রেডিওতে গানটা হচ্ছে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29125761 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29125761 2010-03-29 23:31:07
ইংরেজী রিডিং ক্ষমতা বাড়ানোর জন্যে যেভাবে চেষ্টা করা যেতে পারে " style="border:0;" /> ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি করা নিয়ে অনেক ডিটেইলসে অনেক অনেক টেকনিক এসেছে তাসনুভা খানের ইংরেজীতে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কি করব পোস্টে। এই পোস্ট ওটারই ধারাবাহিক পোস্ট।

ইংরেজী রিডিং ক্ষমতা বাড়াতে আমাদের শব্দের ব্রিজ তৈরী করার স্টাইল ফলো করতে হবে৷ মানে ইংরেজী ভাষার শব্দগুলিকে একটা ব্রিজের মাঝে ফেলে আমাদের সেই ব্রিজটাকে ফলো করতে হবে। ইংরেজী ভাষায় বাক্যগুলির প্রাণ হল "ভার্ব" বা ক্রিয়াপদ৷ এটা যদি উত্তর-দক্ষিণ নির্ণায়ক কম্পাসের মত হয় তাহলে সাবজেক্ট বা "ক্রিয়াপদটি যার উপর প্রযোজ্য" সে হল উত্তরদিক৷ সবশেষে প্রিপোজিশন বা "অব্যয়"গুলি হল সেদিকে যাওয়ার রাস্তা৷

তাহলে পুরো প্রসেসটা দাঁড়ালো: প্রথমে ক্রিয়াপদটি বাক্যের ভাব তুলে ধরবে - এরপর কোন একটি সাবজেক্ট বুঝাবে ক্রিয়াপদটি কোন প্রেক্ষিতে আসছে এবং সবশেষে এই বাক্যটির অর্থটি এক বা একাধিক প্রিপোজিশন বা কনজাংশন দিয়ে অন্য কোন অর্থের সাথে যুক্ত হবে

কথা না বাড়িয়ে উদাহরণ দিয়েই বলি৷ নিচের লাইনটি দেখুন:
Omitting the definite article “the” with “public good” avoids the dubious assumption that there is ever a single, knowable public good, and in any case people rarely if ever agree on what that might be; rather, this definition merely says that the benefactor intends a “public” rather than an exclusively “private” good or benefit. The inclusion of “quality of life” ensures the strong humanistic emphasis of the Promethean archetype. ( ধাক্কা খেলে খেতে পারেন, উইকি থেকে নেয়া একটি লাইন ফিলানথ্রোপি বিষয়ে, আশা করি এবিষয়ে কারো পূর্বধারণা নাই সুতরাং টেস্টটা একটা অজানা প্যারাগ্রাফ টেস্ট হিসেবে কাজ করবে )

শুরু করি আমরা: পরিচিত শব্দই সব তাই পড়ে যেতে থাকি dubious পর্যন্ত৷ এর মানে জানিনা সুতরাং ব্রেক৷ আমরা এর আগে একটা ভার্ব পেলাম: Omitting ৷ এটা আছে প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস ফর্মে অর্থাৎ কিছু একটা করছি এমন কোন একটা ব্যাপার এবং যেহেতু এর মানে বাদ দেয়া সুতরাং কিছু একটা বাদ দিয়ে কাজ করছি এমন একটা মিনিং সামনে আসতে যাচ্ছে৷ এরপরের ভার্ব Avoid ৷ অর্থাৎ avoid এর মানে থেকে মোটামুটি স্পষ্ট কিছু একটা এড়ানোর কথা আসবে৷ আপাতত আর কোন ভার্ব নাই, লাইনও শেষ হয়নি (কোন ফুলস্টপ পাইনি এখনো আমরা) তাই আমরা আরো কিছুদূর পড়ি৷

সেমিকোলন পেলাম একটা৷ এ পর্যন্ত আসতে আমরা ভার্ব পেলাম: is, agree, might............... এরমাঝে iS কোন কাজের না কারণ ওটা কোন সাবজেক্টে সাপোর্ট দিতে আসে, এর মত সরাসরি কোন অর্থ দিতে পারে না৷ এর সামনের সাবজেক্ট হল There......... অর্থাৎ এখানে কিছু একটার অস্তিত্ব আছে বলা হচ্ছে৷ ( He থাকলে বুঝতাম কোন ব্যক্তি মানে কিছু একটা বলা হবে)৷ Agree মানে একমত হওয়া৷ সবশেষে আছে might ( may-might-might) যা কোন সম্ভাবনা বুঝাতে আসে৷

এবার এক করুন জানা ভার্বগুলি: (Omit) বাদ দেয়া, (Avoid) এড়ানো, (There is) কোন একটা কিছুর অস্তিত্ব, (Agree) একমত হওয়া, (might) সম্ভাবনা৷ এক করে কি পাচ্ছেন কিছু ?? নিশ্চয়ই ভাবছেন এতগুলি মনে রাখবেন কিভাবে ?? উত্তর: এবার সাবজেক্টগুলিকে ফলো করা শুরু করুন৷

Omitting the definite article নিশ্চিতভাবে কোন আর্টিকেলকে বলছে, avoid বলছে dubious assumption(ধারণা) কে বাদ দিচ্ছে, ever a single, knowable public good, and in any case people বলছে (people)মানুষজনকে ( সিঙ্গেল, নো-য়েবল, পাবলিক, গুড সবগুলি বিশেষণ সুতরাং এগুলি বাক্যকে অর্থবহ করতে এসেছে, বাক্যকে লিড করতে নয়৷ বিশেষ্যগুলি বাক্যকে লিড করবে), agree on what that বলছে কোন একটা কিছুকে এবং শেষে এটারই সম্ভাবনাকে বলছে৷

সবশেষে প্রিপোজিশন বা কনজাংশন: এখানে আছে that যা avoid এর পরে এসেছে, সুতরাং এটা নিশ্চিতভাবে that-এর আগে যা আছে তাকেই টেনে নিয়ে যাবে৷ এর আগের ভার্বসহ সাবজেক্টটা আছে , সুতরাং এরপরে যা আসবে তা এটারই এক্সটেনশন হবে৷

তাহলে মিনিংটা কি দাঁড়ালো ?? এরকম মনে হয়: নির্দিষ্ট কোন একটি আর্টিকেলের একটি কথাকে বাদ দেয়াতে সেটা কোন একটা অ্যাজাম্পশনকে এড়িয়ে গেল৷

অর্থাৎ ওভারঅল দাঁড়ালো এই: আমরা ভার্বগুলিকে সনাক্ত করলাম, সেটার সাথে কোন বিশেষ্য ব্যবহৃত হল সেটাকে চিহ্নিত করলাম এবং সবশেষে এই ক্রিয়াপদ-বিশেষ্য কম্বিনেশন কোন প্রিপোজিশন বা কনজাংশন দিয়ে যুক্ত নাকি তা বের করে সবগুলি মিনিংকে এক করলাম

**********

অনেক প্যাঁচালো হয়ে গেল মনে হচ্ছে৷ আসলে এটা তেমন কঠিন কিছু না। আপনার প্রিয় মানুষের মুখ দেখে এক মুহুর্তেই আপনি অনেক কিছু বলতে পারবেন কিন্তু সেটাকে কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করতে বললে দেখবেন সেটা অনেক লম্বা একটা ব্যাখ্যা হয়ে গিয়েছে৷ আমি এখানে কিভাবে ইনটেনশন ডেভেলপ করবেন তা বললাম৷ চেষ্টা করে দেখুন একবার৷ সামান্যতম কাজ হলেও বলবেন, আমি সামনে আরো সহজ করে এবং আরো গভীরভাবে লিখার চেষ্টা করবো৷

পুরোটা পড়ে এ পর্যন্ত আসার কষ্ট যারা করলেন সবাইকে ধন্যবাদ৷ ভাল থাকবেন <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29124558 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29124558 2010-03-27 23:03:49
গুগল সার্চে দেখছি রাষ্ট্রপতি'র ওয়েবসাইটে ভাইরাস অ্যালার্ট......সাবধান সবাই <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

আপনারা গুগলে যান, bangladesh president লিখে সার্চ করুন অথবা http://www.google.com/search?q=bangladesh+president লিংকে ক্লিক করুন..... ৩ নাম্বার লিংকটা হল http://www.bangabhaban.gov.bd..... এর নিচে দেখুন লিখা আছে: "This site may harm your computer." (নিচের ছবি দ্রষ্টব্য)



ভাইরাস অ্যালার্টের কারণে যাওয়ার সাহস করলাম না, তবে .gov.bd ডোমেইন যেহেতু সাধারন মানুষ/হোস্টিং কোম্পানীগুলি চাইলেও পাবে না তাই এই সাইটটিকে অথেনটিক একটি সরকারী সাইট বলেই মনে করি..... ফেক ডোমেইনের না

হায়রে বাংলাদেশ, একদিকে সরকারী সাইটগুলি হ্যাকড আর এদিকে রাষ্ট্রপতির সাইটে ভাইরাস...... এসব সাইট মেইনটেনেন্সে কারা থাকে আল্লাহই জানে...... <img src=" style="border:0;" /> একটা সাইট হ্যাক হওয়া মানেই খুব বড় কিছু হয়ে যাওয়া নয় (ইয়াহু কিংবা গুগলের মত সাইটগুলি বাদে) কিন্তু হ্যাকড হয়ে পড়ে থাকা অবশ্যই খুব খুব খারাপ.....গুগলের সার্চ ফিল্টারে দেখছি এটা তারা ১১ই মার্চ ইনডেক্স করেছে অর্থাৎ কমপক্ষে ১০দিন হয়ে গিয়েছে(বেশীপক্ষে কত তা আল্লাহ জানে খালি :-* )......

সাইটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদেরও তেমন একটা দোষ নাই, স্বল্প নলেজ+অভিজ্ঞতা'র একজন কিইবা আর করবেন /<img src=" style="border:0;" /> /<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29121004 http://www.somewhereinblog.net/blog/seoul/29121004 2010-03-21 21:47:40