আমার প্রিয় পোস্ট

আমি তোমাকেই বলে দেব, কি যে একা দীর্ঘ রাত আমি হেটে গেছি বিরান পথে! আমি তোমাকেই বলে দেব, সেই ভুলে ভরা গল্প; কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়!

চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহ্য - ১ (ফটোব্লগ)

১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:২২

শেয়ারঃ
0 8 0

এই পোস্টটা আরো আগে দেয়া উচিত ছিল, ব্যাস্ততার কারনে দিতে দেরি হয়ে গেল, তবু গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি চাঁপাই-এর আম এখনো শেষ হয়নি। বর্ষ শেষ হয়ে গেলেও চাঁপাই-এ আম শেষ হয় না। এক ধরনের আম আছে বিশাল সাইজ নাম আশ্বিনা, এই আম পাকে আশ্বিন মাসে। সুতরাং বুঘতেই পারছেন খুব একটা দেরি হয় নি।

আম, কাঁসা, পিতল, চমচম, নকশী কাঁথা ও রেশম এবং আলকাপ ও গম্ভিরা গানের জন্য বিখ্যাত হচ্ছে চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা। এর নামকরন সমন্ধ্যে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে পূর্বে এই অঞ্চল মুর্শিদাবাদের নবাবদের বিহার ভূমি ছিল। যতদুর যানা যায় নবাব আলীবর্দী খাঁর আমলে (১৭৪০-১৭৫৬) এই এলাকার নাম হয় নবাবগঞ্জ। কিন্তু চাঁপাই নামকরনের জন্য বেশ কটি মতবাদ প্রচলিত আছে
. নবাবগঞ্জের প্রথম ডাকঘরটি ছিল চাঁপাই গ্রামে অবস্থিত ছিল বলে চাঁপাই নবাবগঞ্জ বলে এ জেলা পরিিচতি লাভ করে।
. নবাবদের আমলে চম্পাবতী নাবে এক বাঈজী ছিল, যে ছিল নবাবদের প্রিয় পাত্র। তাঁর নৃত্যের খ্যাতি আশেপাশের অঞ্চলে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। জনস্রুতি আছে তাঁর নামানুশারে চম্পাবাই থেকে চাঁপাই হয়ে গেছে।
. রাজা লক্ষীন্দরের বাসভূমি ছিল নবাবগঞ্জ, এবং তাঁর রাজধানি ছিণ চম্পক, এখান থেকেও চাঁপাই আসতে পারে বলে ধারনা করা হয়। তবে এ সম্পর্কে কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে অনেক প্রাচীন স্থাপত্য। এই পোস্ট শুধু আমের দেশ চাঁপাই ঘুরে দেখার আমন্ত্রনের জন্যই দিচ্ছি না। ফটো ব্লগের সাথে জুড়ে দিচ্ছি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ও ইতিহাস।

ছোট সোনা মসজিদ
জেলার পশ্চিম সীমান্তে শিবগঞ্জ, কানসাট (বিদ্যৎ বিদ্রহের জন্য পরিচিতি লাভ করেছে) এলাকায় অবস্থিত চারকোনা গম্ভূজ বিশিষ্ট্য ছোট সোনা মসজিদ। এর মোট গম্বুজ স্যংখ্যা ১৪ টি তার মাঝে ১২ টি গোলাকৃতি। মসজিদের অভ্যান্তরিন আয়তন ৭১’৯” দৈর্ঘ্য এবং ৪০’৬” প্রস্থ; তিনটি সারিতে বিভক্ত। বেনারস থেকে আগত শিল্পীদের দ্বারা কারুকার্য সম্পাদিত হয়েছিল।
ছোট সোনা মসজিদ

মসজিদের মূল দরজা

মসজিদ প্রাঙ্গনে বীরশেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ও মেজর নাজমুল হক এর কবর

মসজিদের সামনে প্রাচীন করবস্থান

মসজিদ নির্মানকারির মাজার

মসজিদের পাশে অবস্থিত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর স্বরনে নির্মিত সৃতি স্তম্ভ

পরের পর্ব আগামি কাল > > >

 

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩৪
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন:
ভালো হয়েছে, আমি ছিলাম নবাবগঞ্জে সাড়ে ৫ বছর। শৈশবের অনেকখানি কেটেছে সেখানে, যদিও লোকাল নই। জায়গাগুলো দেখেছি এক বা একাধিক বার।


তাই লেখককে অভিনন্দন।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

২. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩৮
রনি রাজশাহী বলেছেন: ++++++++++++++++
আমার বাসা নাচোলে।
আপনার বাসা কি চাঁপাইতে?

@আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন ,
ভাইয়া, চাঁপাইয়ের কোথায় ছিলেন?
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, শান্তির মোড়। আপনার নাম বোধহয় রনি পারভেজ না, আপনি কি নিউ ডিগ্রীর রুশো কে চেনেন? (আপনার একব্যাচ জুনিয়ার, সম্ভবত) আমি ওর ব্যাচের। যদিও নিউ ডিগ্রী নয়, হরিমোহন এর ছাত্র ছিলাম। :)

৩. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪৩
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন: @রনি রাজশাহী, প্রোপারে ছিলাম। পুরনো বাস ষ্ট্যান্ডের পাশের এলাকাটায়, সি এন বি অফিসের পাশে।

@রনি রাজশাহী, আই ইউ টির না? কোন ব্যাচ ভাই!?
৫. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৪৬
শিউলীমালা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। বাপ দাদার জন্মভূমির সঙ্গে পরিচয় করে দেয়ার জন্য। কখনো যাওয়া হয়নি।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: কোন একদিন আসবেন নিঃশ্চয়। হাজার হোক বাপ দাদার জন্মভূমি। তখন যায়গাগুলো ঘুরে আসবেন অনেক সুন্দর।

৬. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:১৬
রনি রাজশাহী বলেছেন: চাঁপাইয়ে।
আমি ০৭ ভাইয়া।
৭. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:১৮
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন: @রনি রাজশাহী
ব্যাটা ২২৭(সাউথ) এ আইসা দেখা কর!
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ৯:১১
নাসিম রুশো বলেছেন: খুবই খুবই ভালো লাগল। ইন্টারনেট এ চাঁপাই নবাবগঞ্জ সম্পরকে কিছু দেখতে পেলে খুব ভাল লাগে। দন্যবাদ আপনাকে।
১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮

লেখক বলেছেন: আমার ও ভাল লাগে। নাসিম রুশো কি হরিমোহন ০৬ ব্যাচ?

১৯ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাইয়া।

১১. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:০০
গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম বলেছেন: চাপাই থেকে আম কিনে আনতে চাই, নিজে খাবার জন্য।

কোন জায়গায় আমের বাজার বসে, এবং কোন জাতের আম ভালো যদি একটু বলতেন উপকার হতো।
আর ঢাকা থেকে যাবার বাস কোথা থেকে ছাড়ে, কোথায় গিয়ে নামব থাকব? আম আনার ব্যবস্থা কি? বাসে কি পরিমান আনতে দিবে?
বিস্তারিত জানতে চাই।
১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: ঢাকার কলেজ গেট ও শ্যামলিতে অনেকগুলো বাস কাউন্টার আছে। আপনি সেখান থেকে মর্ডান, হাসিফ কিংবা শ্যামলী পরিবহনে চাঁপাই আসতে পারেন। ভাড়া সম্ভবত তিন'শ টাকা। বাস ছাড়ে টেকনিক্যাল থেকে।

আম আপনি ঝুড়িতে নিতে পারেন। বিভিন্ন সাইজের বাঁশের ওয়ানটাইম ঝুড়ি কিনতে পাওয়া যায়। এগুলোতে ২০-৪০ কেজি আম ধরে। আম কিনার পর কুরিয়ার করতে পারেন আর নিজে চাঁপাই গেলে বাসে আম নিয়ে আসা যায়, এর জন্য বাসে টিকিটির সাথে আমের জন্য আলাদা বুকিং করতে হয়। প্রতি ১০ কেজিতে কত বুকিং রেট আমার সঠিক জানা নেই।

এখন বেশ কিছু ভাল আমের সিজন চলে গেল। তবু চাঁপাই গেলে আপনার আমের অভাব হবে না। দেখে শুনে আম কিনতে পারবেন। কানসাট কে আমের হাট বলে, ওখানে সবচেয়ে বড় আমের বাজার বসে যা চাঁপাই মূল শহর থেকে ৩০ কিলো ভেতরে এবং সোনা মসজিদের পথে। কানসাট থেকে প্রায় ৯ কিলো ভিতরে সোনা মসজিদ।

কানসাট যাবার জন্য সি.এন.জি এর মত দেখতে তিন চাকার মিশুক বা লোকাল বাস ব্যাবহার করা যায়। থাকার জন্য শান্তির মোড়ে হোটেল আল নাহিদ ভাল হবে। ওটা শান্তির মোড়ে অবস্থিত।

ভাল থাকবেন আর আম কেনার জন্য হলেও চাঁপাই আসবেন অবস্যই।

১২. ১৯ শে জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৪
জুয়েল ফুজি বলেছেন:

গুরু তুমি মহান, তোমারে করি প্রনাম , ভাই আপনি নবাবগঞ্জে -র কোট বাগান থেকে আম কিনতে পারবেন । আপনি ঢাকা-র বিজয় নগর এর হানিফ থেকে অথবা গাবতলী থেকে উঠতে পারবেন । চাপাই এ নেমে হোটেল নাহার (শান্তির মোড়) উঠতে পারেন, হোটেল নাহার থেকে রিক্সা যোগে কোট বাগান যেতে পারবেন।েইচ্ছে করলে সদর ঘাট থেকে ো নিতে পারেন।আপনি যদি কানসাটে গিয়ে আম কিনতে চান তবে নাহার হোটেলোর সামনে থেকে কানসাটের বাস ছাড়ে।
১৯ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: যাক আমার জবাবটা সংক্ষেপে আপনি অনেক আগেই দিয়ে দিছেলেন বলে ধন্যবাদ।

১৩. ২০ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৪৮
নামহীনা বলেছেন: একটা সংশোধন/যোগ করতে চাই, মসজিদের সামনে ২টা করব রয়েছে, একটা ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর আরেকটা মেজর নাজমুল হক এর।
২০ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, আমারও মনে ছিল কিন্তু নামটা মনে আসছিল না; শুধু মনে হচ্ছিল কোন এক মেজরের কবর আছে, যিনিও বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে মারা গেয়েছিলেন। আর একারনেই নামটা যোগ করা হয় নি।

১৪. ২৬ শে জুন, ২০১০ রাত ১০:৪৩
আজম বলেছেন: হুম...চাঁপাইয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।ঐ দিকে রাজশাহী,দিনাজপুর আর বগুড়া তে যাওয়া হয়েছিল...
২৭ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: চাঁপাই-এ আমের সময় পর্যটক খুব বেশি আসে, তবুও যখন ইচ্ছে আসতে পারেন। পারলে আমাকে নক করে আসবেন, ঐ সময় যদি আমি চাঁপাই-এ থাকি তবেতো বেশ জমবে। :)

১৫. ১২ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৪
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: খুব ভাল লাগলো ।নামকরনের ইতিহাস জেনে।
১২ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১৬. ১২ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০
রনি রাজশাহী বলেছেন: হ্যা ঠিক ধরেছেন। :)

রুশোকে চিনি। সে তো এই পোস্টে কমেন্টও করেছে :)
১২ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: তা হলে আমি আপনার জুনিয়ার, রুশোর ক্লাস মেট ছিলাম; হরিমোহন স্কুলে :)

১৭. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৪৫
মোের্শদ বলেছেন: বাহ জটিল জিনিস অনেক দিন থেকে খুজচিলাম ইতিহাস চাঁপাই এর পেয়ে গেলাম ধন্য বাদ । আমি মহাডাঙ্গার ছেলে ..................।।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, আমার বাড়ি শান্তিরমোড়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৮৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারন ভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখি। মাঝে মাঝে আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করি, আমি ঘরকুনো। আর তাই হয়ত রাস্তায়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ