প্রেসিডেন্ট এরশাদ সাহেব উক্ত পত্রিকার এই অংশের আপত্তি করেন। তার চিন্তা ছিল, তার মা এই খবর দেখলে মনে কষ্ট পাবেন। আর বিভিন্ন লোক এটা নিয়ে মজা করার সুযোগ পাবে। তাই তিনি নির্দেশ দিলেন পত্রিকাটি বন্দ করতে হবে। সমস্যা হলো, সহজভাবে আইনতঃ পত্রিকাটি বাজেয়াপ্ত করা যায় না। বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাজেয়াপ্ত করলেও জনপনের মধ্যে কৌতুহল বেড়ে যায়। তখন প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত দিলেন পুরো ১৫ হাজার কপিই কিনে ফেলতে হবে। তখন দেখা গেল ৫ হাজার কপি ১৫টি জেলায় পাঠানো হয়েছে। এ সকল জেলাগুলোর প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হলো, পত্রিকাটির বিক্রি বন্দ্ধ রাখতে। এদিকে প্রেসিডেন্ট ভবনে পািরবারিক অশান্তি শুরু হয়ে গেছে। সন্ধায় জানা গেল ২০ কপি প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়ে গেছে এবং সেগুলো উদ্ধার করা যাবে না। তাহলে দেড় লাক্ষ টাকা খরচ করে অবশিষ্ট পত্রিকা কিনে কি লাভ হলো?
নিরুপায় হয়ে সবাই তখন প্রেসিডেন্টকে বোঝালেন যে, ছোট পত্রিকার এই গুরত্বহীন খবর কেউ হয়ত পরবে না। আর একে বাজেয়াপ্ত করলে খবরটি আরো গুরত্ব পেয়ে যাবে। এরশাদও তাই মেনে নিলেন।
এই খবরটা আবার জানা যায় দৈনিক ইনকিলাব(১৯.০১.০৫) পত্রিকা থেকে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



