আমার প্রিয় পোস্ট
- ভূমিকম্প--সুনামী--বাংলাদেশ--সম্ভাব্য পরিণতি! - সায়েম মুন
- পরিমলের বিচার হবে না, কারন... - ইংলা
- ১৮টা ১৮+ কৌতুক.................পুরান হইতে পারে


- রকিং মিঠু
- তেল গ্যাস ইজারা দিলে কেন আমার পেটের ভাত হজম হয় না !!! - আসিফ মুভি পাগলা
- বাংলায় ইসলামিক কিছু সাইট - সােজদ মাহমুদ
- ভানু বন্দোপাধ্যায়---কখনো শুনে দেখেছেন কি? - ফেলুডার চারমিনার
- মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড দরকার?অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি! অনলাইনে কাজ করে মাত্র ৫মিনিটে আপনার মোবাইলে পেতে পারেন সর্বনিম্ন ৫০টাকা!!!(সত্যি না মিথ্যা একবার যাচাই করুন) - রান০০৭
- মজার কিছু মাউস ডিজাইন দেখুন - বাদশা নামদার
- বিশ্বের সবচেয়ে এমাজিং কিছু দালান - বাদশা নামদার
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- মধ্যরাতে কিঞ্ছিত মজা করুন
(একটা হি হি টেকি পুষ্ট) - অনির্বাণ রায়।
- ছবি এডিট করা এত সহজ! এখন থেকে এক তুড়িতেই নিজের ছবি প্রফেশনালদের মতো এডিট করুন!!

- হাসান জোবায়ের
- ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক) - জোবাইর
- পছন্দের ক্যামেরা নির্বাচন - নক্ষত্রের কান্না
- ভয়েস রেকর্ডার - ইলিয়াছ মাহমুদ দিপু
- এই মেয়ে-ই এখন আমাগো পরধান মনত্রী

- ফাহিম আহমদ
- ডাউনলোড করুন চমৎকার কিছু GAME - রাজু আহম্মেদ
- ছাত্রলীগের নিয়মিত অকামের কিছু সুস্পষ্ট দলীল (পোষ্ট-৬) - হাবিবকুল
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- মওলানা ভাসানীর বিবৃতিতে মুজিব শাসনের সমালোচনা - সুধাসদন
- নানক ও হাসিনার পদত্যাগ করা উচিত - মতামত নিউজ
- সময় থাকলে দেখেন - আন্ধার রাত
একটা পুরোনো সংবাদ
১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
১৯৮৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী "নিপুন" নামক একটি সাপ্তাহিক "মায়ের চোখে রওশন এরশাদ" নামক একটি প্রবন্দ্ধ ছাপায়। সেখানে রওশন এরশাদ এর মা বলেন, রওশন এরশাদ খুব ভাল ছাত্রী ছিলেন। গাইবান্দ্ধা কলেজে ইন্টারমিডিয়েট পড়ার সময় লেফটেনেন্ট এরশাদ তার ছবি দেখে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ১৯৫৫ সালের সেই সময় এরশাদের পিতা মেয়েপক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করে। মেয়ে পক্ষ পরে টাকা দেয়নি। এ খবর এতটুকুই।
প্রেসিডেন্ট এরশাদ সাহেব উক্ত পত্রিকার এই অংশের আপত্তি করেন। তার চিন্তা ছিল, তার মা এই খবর দেখলে মনে কষ্ট পাবেন। আর বিভিন্ন লোক এটা নিয়ে মজা করার সুযোগ পাবে। তাই তিনি নির্দেশ দিলেন পত্রিকাটি বন্দ করতে হবে। সমস্যা হলো, সহজভাবে আইনতঃ পত্রিকাটি বাজেয়াপ্ত করা যায় না। বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাজেয়াপ্ত করলেও জনপনের মধ্যে কৌতুহল বেড়ে যায়। তখন প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত দিলেন পুরো ১৫ হাজার কপিই কিনে ফেলতে হবে। তখন দেখা গেল ৫ হাজার কপি ১৫টি জেলায় পাঠানো হয়েছে। এ সকল জেলাগুলোর প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হলো, পত্রিকাটির বিক্রি বন্দ্ধ রাখতে। এদিকে প্রেসিডেন্ট ভবনে পািরবারিক অশান্তি শুরু হয়ে গেছে। সন্ধায় জানা গেল ২০ কপি প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো হয়ে গেছে এবং সেগুলো উদ্ধার করা যাবে না। তাহলে দেড় লাক্ষ টাকা খরচ করে অবশিষ্ট পত্রিকা কিনে কি লাভ হলো?
নিরুপায় হয়ে সবাই তখন প্রেসিডেন্টকে বোঝালেন যে, ছোট পত্রিকার এই গুরত্বহীন খবর কেউ হয়ত পরবে না। আর একে বাজেয়াপ্ত করলে খবরটি আরো গুরত্ব পেয়ে যাবে। এরশাদও তাই মেনে নিলেন।
এই খবরটা আবার জানা যায় দৈনিক ইনকিলাব(১৯.০১.০৫) পত্রিকা থেকে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
ঘটানটি জেনে মজা পাইলাম +
আতিক ১৭ বলেছেন:
ভাল খুব ভাল।
আতিক ১৭ বলেছেন:
ভাল খুব ভাল।
@ক্যামেরাম্যান
কি যে কন না ভাই!!! লাগলে দেশের সব বাচ্চা কিন্না হালাইবো... তয় খালি হাসিনা-খালেদার বাচ্চাগুলা কিনতে পারবো না...
@লেকক
আচ্ছা, বেদিশা আপায় এরশাদ ভাইরে কত কৌতুক... থুক্কু যৌতুক দিছে, এইটা কি জাননের কোন ব্যবস্থা আছে... বেদিশা ভাবী, ২০০০-এ একটা ধারাবাহিক লেখতেআছিলো... ঐখানের কোন মজার তথ্য জানলে share কইরেন...
কেএসআমীন বলেছেন:
আচ্ছা...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















