সত্য আড়াল করতে ধর্ষক, গালিবাজ তথা আওমি টেকনিক এবং আমাদের করনীয়
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:৫৮
আপনি যদি কখনও আওমি লিগের (মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজী) বর্তমান রাজনীতি, অতীত কর্মকান্ড বা আওমি নেতৃত্বে থাকা দূর্নীতিবাজ/সন্ত্রাসী/ধর্ষক এবং ভারতীয় দালাল সম্পর্কে কোন সত্য প্রকাশ করেন তাহলে আপনি যে যে ভাবে আক্রান্ত হবেন - সেগুলো ক্ষেত্রবিশেষ এড়িয়ে যাওয়া কঠিন এবং তার জবাব দিলে কি হবে - সেই বিষয়ে একটা মোটামুটি ধারনা পাবেন নীচের বর্ণনা থেকে। এই টেকনিগুলো কিভাবে ট্যাকেল করবেন - সেই দিকেও কিছুটা আলোকপাতের চেষ্টা করবো।
মনে করুন আপনি আওমি এক নেতার সরকারে থাকার সুবাদে এবং মুক্তিযুদ্ধের নাম নিয়ে লুটপাটের বিবরন দিয়ে একটা লেখা পোস্ট করলেন। অথবা উচ্চপদে আসীন কোন ব্যাংক কর্তার দূর্নীতি এবং রাষ্ট্রদ্রোহী ভুমিকা নিয়ে একটা পোস্ট দিলেন। সেই পোস্টে আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা সরাসরি বিষয়ে কথা না বলে মূল বক্তব্যকে আড়াল করার জন্যে যে যে টেকনিক ব্যবহার করতে পারে তা আমার আভিজ্ঞতার আলোকে এক এক করে বর্ননা করা হলো।
টেকনিক ১:
আপনাকে জামাত শিবিরের সমর্থক হিসাবে প্রমান করার চেষ্টা করা হবে। জামাত আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা মূল বক্তব্য যাহাই হোক না কেন, এমন একটা কমেন্ট করবে যাতে ইসলাম বা জামায়াত জড়িত থাকে। আপনি যদি জামাতের সমর্থক হন -তাহলে সেই ফাঁদে পা দেবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থেকে যায়। শুরু করলেন ডিফেন্ড করা এবং যদি আক্রমন করেন তাহলে সেটা চলে যাবে বিএনপির বিরুদ্ধে - সুতরাং কমেন্টকারী আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা তখন দুরে দাড়িয়ে হাসবে -কারন লেখার মুল বক্তব্য আড়াল করে এখন রাজনৈতিক বিতর্ক প্রাধান্য পেয়েছে - যাতে আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা দুধ-ভাত হিসাবে নিজেকে ফুলে মতো পবিত্র হিসাবে সরিয়ে নেবে।
প্রতিকার: পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবং কমেন্টকারীকে স্মরন করিয়ে দিন পোস্টের মুল বক্তব্যটা আসলে কি ছিল।
টেকনিক ২:
বহুল ব্যবহূত এই টেকনিকটা চালু হয় মুলত ৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে। কোন কারনে রাজনৈতিক মতভেদ হলেই আপনাকে পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস হিসাবে লেবেল করা হবে। বিশেষ করে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় চালিকা শক্তি হিসেবে প্রমান করানোর জন্য এই অভিযোগটি বহুল ব্যবহূত হয়। দেখা গেল যাকে পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস বলা হয়েছে - সে জীবনে কোনদিন পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস পক্ষে একটা শব্দও উচ্চারন করেনি - বরঞ্চ তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে নিন্দা করেছে এবং বাংলাদেশ পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে অমিমাংসিত বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার। আপনি যদি সেনসেটিভ হন - তাহলে এই ট্রাপে পড়ে যেতে পারেন। তাহলে আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীর মুখোশ উন্মোচনের মুল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাবেন এবং তাদের উদ্দেশ্য স্বার্থক হবে।
প্রতিকার: পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবং কমেন্টকারীকে স্মরন করিয়ে দিন পোস্টের মুল বক্তব্যটা আসলে কি ছিল।
টেকনিক ৩:
এটা ভয়াবহ টেকনিক। আপনি একটা পোস্ট দিয়ে হয়তো রোজা শেষ করে তারাবী পড়ে এসে রিল্যাক্স মুডে কম্পিউটার খুলে সামহোয়ারে গিয়ে দেখলেন একজন আপনার পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় একটা পোস্ট দিয়ে তাতে আকডুম-বাকডুম বলে উপসংহারে আপনাকে “মুক্তিযুদ্ধ বিপক্ষ” হিসাবে চিহ্নিত করেছে। এটা হজম করা সত্যই কঠিন। একজন মানুষ নিজেকে মুসলমান দাবী করে কিভাবে অন্য একজন সম্পর্ক না জেনেই তাকে মুক্তিযুদ্ধ বিদ্বেষী হিসাবে ঘোষনা দেয়! এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানো কঠিন। এটা হলো মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা আড়াল করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের একটা টিপিক্যাল টেকনিক। শেখ মুজিবুর রহমান করেছে, শেখ হাসিনা করেছে, ভারতের হিন্দু উগ্রবাদী সরকার করছে, বাংলাদেশের আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা করছে। একদল ধর্ষকের কুটকৌশল হলো মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে নিজেদের কৃতকর্মকে আড়ালে পাঠানো।
প্রতিকার: পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবং মনে রাখবেন আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজীরা কোন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নয় নয় কোন বাংলাদেশের আম জনতার সংগঠন। এটা একটা ভারতের দালালদের সংগঠন। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে যখন ওরা কোন মতামত দেয় সেটা অবশ্যই তাদের দাদাদের মতাদর্শকে অনুসরন করেই দেয়। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধ বা ৭১ এর পটভূমি বিষয়ক ওদের বক্তব্যকে তেমন গুরুত্ব না দেওয়াই বাঞ্ছনীয়।
টেকনিক ৪:
এটা নরমাল টেকনিক। আপনি দেখবেন আপনার পোস্টের মন্তব্যর জায়গায় নতুন এবং অপরিচিত নিকে গালাগালি করা হয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে গালাগালিগুলো চরম অপমানজনক। আবার কিছু কিছু নিক আছে যারা ভদ্র ভাষায় (যেমন ছাগল অন্ধ, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, কুপমন্ডুক, ধর্মান্ধ, রাজাকারের বাচ্চা, প্রতিক্রিয়াশীল, গালিবাজ ইত্যাদি ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে আপনাকে গালাগালি করবে।
প্রতিকার: সেখানেও মাথা ঠান্ডা রেখে গালিবাজদের চিহ্নিত করুন এবং গালি মুছে নিকগুলো ব্লক করে দিন।
মুল বিষয় হলো - ৭১ এর আবরনের বোরখা পড়ে ধর্ষক/ দূর্নীতিবাজ/ সন্ত্রাসীদের রক্ষার চেষ্ঠাকে ব্যর্থ করার একটাই পথ - তা হলো সত্য এবং সঠিক ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌছে দেওয়া এবং সবাইকে সেই ইতিহাস ভুলে যাওয়ার থেকে নিবৃত্ত করা।
একদিন বাংলাদেশের সবাই এই মুখোশধারী মুক্তিযুদ্ধের ব্যাবসায়ীদের আসল চেহারা চিনতে পারবে। মানুষ জানবে - এরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে জীবনপাত করার কথা বললেও নিজেদের ছেলে মেয়েদেরকে সর্ম্পক করায় সেই সকল আপরাধে অপরাধীদের সাথে। জোট বাধে তাদের সাথে। ছেলে মেয়েদের পাঠায় সৌদী আরব, পাকিস্তান এবং ইরান এবং তুরস্কে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহনের জন্যে - যাতে ধর্মভীড়ু মানুষের উপর খবরদারী করতে পারে। মানুষ জানবে - মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি লেবাসধারী এই সকল ধর্ষকেরা দৃশ্যত কোন বৈধ আয়ের সংস্থান না থাকা স্বত্তেও বিলাস বহুল জীবনযাপন করে - এরা মুক্তিযুদ্ধের নামে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশীদের কাছ থেকে অর্থ এনে নিজেদের জীবন যাপনে জৌলুশ বাড়ায়। এরা সরকারী ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের ভোগের জন্যে গাড়ী-বাড়ীর মালিক হয়। এরা ক্ষমতার জন্যে পারে না এমন কোন কাজ নেই - নীতি আদর্শের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ১৮০ ডিগ্রী ঘুরেও এরা ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়।
একটা সুন্দর এবং আধুনিক বাংলাদেশ তৈরী লক্ষ্যে আমাদের দৃঢ়তার সাথে সকল মুখোশধারী আওমি তথা মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজী আর তাদের সমর্থকদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
চরম পোস্ট হইছে
আমরা ব্লগারগো এইটাই বলতে চাই সবসময় যে দ্যাখেন শালার কারা কি করতে চায়, তাদের মুখোশ আমরা খুলতে চাই। ধন্যবাদ উন্মোচনকারী পোস্টের জন্য। আরো ধন্যবাদ শহীদ জননীর ছবি ব্যবহারের জন্য। আজীবন তোমাদের তাড়িয়ে বেড়াবে এই লজ্জা
জেনারেল বলেছেন:
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ছবি নিয়ে আওয়ামীলীগের সাথে পেঁচিয়ে এই নোংরা কাজ কারা করতে পারে তা সবাই জানে।
"ছাগল অন্ধ, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, কুপমন্ডুক, ধর্মান্ধ, রাজাকারের বাচ্চা, প্রতিক্রিয়াশীল "এসব মন্তব্য পেয়েছেন।
"এরা মুক্তিযুদ্ধের নামে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশীদের কাছ থেকে অর্থ এনে নিজেদের জীবন যাপনে জৌলুশ বাড়ায়। "
কোন তথ্য প্রমাণ আছে?
শুধু শুধু বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ১ দেয়া গেল।
ডক্টর মানসিক বলেছেন:
জাহানারা ইমাম কি আওয়ামী লীগের কেউ। আর জামাতের এতো রাগ কেন জাহানারা ইমামের ওপরে
তীরন্দাজ বলেছেন:
এক্সিমো ইয়াহিয়া খানের ছবি দিয়েছিলেন। আপনি তার পাশাপাশি "শহীদ জননীর" ছবি দিয়ে আপনার কুরুচি আর দেশদ্রোহীতার পরিচয় দিলেন।
ধিক্কার! ধিক্কার!
মাবরুকা তোয়াহা বলেছেন:
লিখাটার subject matter এর প্রতি কোনো আগ্রহ না থাকলেও দ্রুত scan করলাম শহীদ জননীর সাথে শিরোনাম এর সর্ম্পক কি তা বোঝার জন্য। কোন সর্ম্পকই তো নেই ... ... এই ফাইজলামীটা কি হিট কাউন্টার বাড়ানোর জন্য করেছেন ? blog life এ প্রথম কাউকে ১ দিচ্ছি কারণ এর চাইতে কম দেয়া যায় না ...
রাশেদ বলেছেন:
আগের পোস্টটা কি সরাইয়া দেয়া হইছে নাকি?হায়রে! জাহানারা ইমাম, আপনাকে কবে এরা একটু শ্রদ্ধা করতে শিখবে?
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
তিন কোটি শিবির মারতে তিন দিন লাগবে......জাহানারা ইমাম।
ডক্টর মানসিক বলেছেন:
শাহরিয়ারের কি কোন কারনে জাহানারা ইমামের ওপরে রাগ আচে
কালা জাহাঙ্গীর বলেছেন:
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন :২০০৭-১০-০৬ ০১:০১:৫৩
তিন কোটি শিবির মারতে তিন দিন লাগবে......জাহানারা ইমাম
......হেতে দেখি আমার থিকাও বড়ো
কথা টা সত্যি না হইলে তোমার খবর আছে বুড়া
বীর বলেছেন:
আওয়ামী লীগে মানুষের সংখ্যা কম !বেশীর ভাগই গৃহ পালিত আবাল।
এদের থেকে নিজে কে ৩০০ হাত দূরে রাখবেন।
মনে রাখবেন আবাল দিয়া হাসিনার জমি চাষ ছাড়া আর কিছুই হয় না। ৫
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
৩ কোটি শিবির নিয়া জামাত ৩ থিকা ১৮র চারপাশে ঘূরাঘুরি করে ক্যান @বুড়া শাহরিয়ার।
চন্দ্রপ্রভা বলেছেন:
বাংলা আমার, বাংলা তোমার না। পাক আমার নিক নাও। তোমাকে ধরে রাম চটকানা মারা উচিত।
নি বলেছেন:
পোস্টের মুল বক্তব্যে স্থির থাকুন এবংপোস্টকারীকে স্মরন করিয়ে দিন পোস্টের মুল বক্তব্যটা আসলে কি ছিল। পোস্টের সাথে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ছবি দেয়ার মাজেজা জানতে চাই।
নি বলেছেন:
এই ! ছবি ডিলেট কর।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
জেনারেল বলেছেন :২০০৭-১০-০৬ ০১:০৬:৫১
শাহরিয়ার,
তোমার সেই আগের ফটুকটা দাও না ভাই?
পাশের বাড়ীর বাচ্চা............
আপনার প্রব্লেম টা কি?
রৌদ্র বলেছেন:
আবাল
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
@ চন্দ্রপ্রভাআপনাকে ৫।
এদেশে দুরনিতিতে ১ নাম্বার হবে না তো কোন দেশ হবে। জারা নিজের জন্ম নিয়ে সন্দিহান।
@ (মুক্তিযুদ্ধের ভেকধারী পক্ষের বাঈজী) জাহানারা ইমামের ছবি দিয়ে এই মন্তব্যের মানে কি?
পাকি/ রাজাকার/ আলবদর/ আলসামস যে তুই তা তোর আইডি দেখলেই বোঝা যায়। এতো তাড়াতাড়ি ৭১ ভুলে যেতে চাস কেন? যাতে পাপ ভুলে ভালভাবে রাজনীতি করা যায় তাই না?
হায় আমার হতভাগ্য জননী
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আপনের কথা সাথে একমত না। আমি এখানে আইসা আওয়ামী লীগের ক্যাডার আর তাদের শাসনামলে প্রথম দিকে একটা চুটকি মূলক পোস্ট মারছিলাম, মাগার কেউ আমারে রাজাকার কয় নাই। আমি তো মাঝে মধ্যেই কই খালেদার আমলে তো ভাত মুখে দিবার পারি না দামের কারনে, হাসিনার আমলে তো রাস্তায় জামা কাপড় নিয়া বাইর হইলে আন্ডি ছাড়া আর কিছু নিয়া আমি বাসায় আইতে পারি না। আপনের বক্তব্য যুগান্ত কারী হইলেও, আপনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামরে পেচাইলেন কেন? উনি কারো বাশ দেননাই? উনি উনার ছেলের বিচার চাইছেন! আর যখন তিনি মারা গেছেন তখন আওয়ামী লীগের হাচিনাও চিন্তা করেনাই যে সে ক্ষমতায় আইসা মিগ কেনোনের টাকা মারবো।আমি শুধু এই কারনে এরকম একটা সুন্দর পোস্টকে ১ দাগাইলাম, এর তীব্র প্রতিবাদ জানাইলাম। জানেন তো এক বালতী দুধে একটু চনা পড়লে ঐটা নষ্ট হয়ে যায়!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি চাইছিলাম না যে স্পোর্টস বুঝে না তার এইখানে খেলতে না, কিন্তু জাহানারা ইমামরে নিয়া যেই আকামটা করলেন আমার মনে হয় নিজের পোস্টে হিট আর কমেন্ট বাড়ানের স্বার্থেই এইটা করছেন বইলা মনে হয়!
যাহা হউক , এই ছবি এইখানে না দিলেই বা কি হইত? কি লাভ গায়ে জ্বালা ধরাইয়া.............।
বাংলা আমার বলেছেন:
ছবি মাজেজা:রাষ্ট্রদ্রোহী জাহানারা ইমাম (তবে তিনি একজন শহীদের মাতা এব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই) আওমি লিগের সাথে সমঝোতা করে তিনি কবি সামসুর রহমানকে ঘ'দানী থেকে কিক আউট করেন পরবর্তীতে টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে শেখ হাসিনার সাথে মনমালিন্যে জড়িয়ে পড়েন এই পয়েন্টে তিনি অবশ্য আওমি নন। কিন্তু তাতে করেতো তার অওমি বিশ্বাসে বিলুপ্তি আসেনি। বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার ঝান্ডা আওমির হাতে সে হিসেবে উনি আওমি। চুনোপটি যে সকল ধর্মনিরপেক্ষ দল আছে তাদের জোট আওমির সাথে। তাই এটা দিবালকের মতোই সত্য যে জাহানারা ইমাম একজন স্বঘোষিত, প্রমানিত এবং প্রতিক্রিয়াশীল আওমি।
অমি রহমান পিয়াল টেকনিক নম্বর ২ ব্যবহার করছেন। পোষ্টের উপর কথা বলুন।
নাজিম উদ্দিন: আপনি গালি দিয়ে টেকনিক নম্বর ৪ ইস্তেমাল করছেন। আর বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছিনা আপনি নিজ উদ্দ্যেগে খোগ করুন।
তিরন্দাজ মন্তবে পোষ্টের বিরোধিতা করেছেন তার মানে ধর্ষকদের, দূর্নীতিবাজ এবং সন্ত্রাসীদের বাচানোর জন্য চেষ্টা করছেন। সমাজ এবং পরিস্তিতি উত্তপ্ত করে রাখার জন্য এমন লোকরা খুবই ডেঞ্জারাস। এরা এসব কাজে ফাইন্যান্স করে থাকে।
ডাক্টর মানসিক টেকনিক ২ অবলম্বন করছেন।
তিরন্দাজ, রাষ্ট্রদ্রোহী কোন ব্যাক্তির ছবি প্রকাশ করা আদৌ দেশদ্রোহী কাজ নয়।
মাবরুকা তোয়াহা, মোটেই হিট কাউন্টার বাড়ানোর জন্য নয়। সমাজ সংস্কার মূলক পোষ্ট এটি। পোষ্টের মূল বক্তব্যে ফিরে আসুন। বলুন আমি ভুল বলেছি নাকি সত্য বলেছি?
কালা জাহাঙ্গীর, জেনারেল, রাশেদ, পোষ্টের উপর মন্তব্য করুন। আপনাদের মন্থব্যে রাজনৈতিক বিরোধ প্রাধান্য পাচ্ছে।
চন্দ্র প্রভা চড় মেরে সত্য দমণ করা যাবেনা। ৭১ পাক হানাদার বাহিনী আপনার মতোই এমন উদ্ধত আচড়ন করেছিলো কিন্তু ৯ মাসে বাঙলার সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দামাল যুবক, বৃদ্ধরা তাদের হঠকারিতা রুখে দিয়েছে।
এখন গল্প লিখি পোষ্টের উপর মন্তব্য করুন। রাজনৈতিক বিবৃতি নয়। বলুন পোষ্টে যা লিখেছি তার গুনাগুন বলুন।
পোষ্টের বক্তব্যকে সমর্থণ এবং পোষ্টটিকে সুন্দর বলার কারর জন্য উদাসী স্বপ্নকে ধন্যবাদ কিন্তু আপনার রাজনৈতিক বক্তব্যের জন্য আপনাকে সন্দেহ করে লাভ নেই। সময়ই বলে দিবে আপনি কোন গোয়ালের গরু।
রাশেদ বলেছেন:
শুয়োরের বাচ্চা হাসান তারিক।
লাল দরজা বলেছেন:
সালাম ব্রাদার, বাংলা/৭১ আর জাহনারা বুড়ি'র আড়ালে ভালই এক বিঘত দেখাইলেন, কিন্তুক ধরা খাইলেন যে এটাও ত দেখলেন। দুই নম্বরি কইরা খামোখা নিজের ঈমানের উপর নিজেই পেচ্ছাপ করলেন। আল্লাহ্ সকলের হেদায়েত করলেও আপনেগ হেদায়েত আর করতে পারলনা। দোয়া করি জাহানা ইমামের ভূত অপনেগ রোজ হাসর পর্য্যন্ত তারা করুক। আল্লাহ আল্লাহ ।
নীল জোছোনা বলেছেন:
৩৩
আমাডের এক স্যারও বলতেন জাহান্নামের ঈমাম। পরে আমার বাবা উনাকে বাদ করে দেন। একজন সন্মানি মহিলা কে এভাবে কুনো কথা বলা ঠিক না।কিনতু পোসটের কিছু কিছু বিসয়ে একমত তাই ৩
৩
৩
নরাধম বলেছেন:
১ দিলাম।কে বলে ঘাদানিক ব্যর্থ হয়েছিল? এই "পাকিস্তান আমার"-এর পুস্ট দেখলেই বুঝা যাই যে জাহানারা ইমাম এখনও রাজাকারদের ঘুমের মধ্যে তাড়া করে।
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন:
১। চমতকার পোষ্ট। পুরোপুরি সহমত। ++++++২। জাহানারা ঈমাম'র ছবির সাথে লেখার সম্পর্ক বুঝতে হলে মেজর (অব
৩। অন্তরের অন্ত:স্তল থেকে জাহানারা ঈমামকে ধিক্কার ও ঘৃণা জানাই।
৪। জামায়াত যুদ্ধাপরাধী নয় বরং ২৫শে মার্চ রাত্রে এদেশের লাখো লাখো মানুষের সাথে প্রতারণার জন্য শেখ মুজিব বাংলাদেশের ১ম যুদ্ধাপরাধী হতে পারে।
৫। যুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগ নীরব ভূমিকা এবং ভারতে অবস্থান করে যে কী সব মহত কাজ কর্ম করেছে তার বর্ণনা জানতে জহির রায়হান'র বই পড়তে হবে। আর সেজন্যই তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ফাসিয়েঁ দেওয়া হয়।
৬। যুদ্ধকালীন সময়টা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এর সঠিক ইতিহাস জানতে প্রত্যেক ব্যক্তিরই উচিত "অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা" বইটি পড়া। তখন নিজেরাই গালি দিবেন আওয়ামী ভন্ডদের দেখলে।
৭। তর্কের প্রয়োজনে তর্ক নয়, যদি কেউ তথ্য, প্রমাণ দিয়ে বুঝাতে পারেন অবশ্যই সত্যকে মেনে নিব।
৮। যে কোন অন্যায়, অপরাধের আমরা বিচার চাই।
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন:
comment by: বাংলা আমার বলেছেন: ছবি মাজেজা:রাষ্ট্রদ্রোহী জাহানারা ইমাম (তবে তিনি একজন শহীদের মাতা এব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই) আওমি লিগের সাথে সমঝোতা করে তিনি কবি সামসুর রহমানকে ঘ'দানী থেকে কিক আউট করেন পরবর্তীতে টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে শেখ হাসিনার সাথে মনমালিন্যে জড়িয়ে পড়েন এই পয়েন্টে তিনি অবশ্য আওমি নন। কিন্তু তাতে করেতো তার অওমি বিশ্বাসে বিলুপ্তি আসেনি। বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতার ঝান্ডা আওমির হাতে সে হিসেবে উনি আওমি। চুনোপটি যে সকল ধর্মনিরপেক্ষ দল আছে তাদের জোট আওমির সাথে। তাই এটা দিবালকের মতোই সত্য যে জাহানারা ইমাম একজন স্বঘোষিত, প্রমানিত এবং প্রতিক্রিয়াশীল আওমি।
অমি রহমান পিয়াল টেকনিক নম্বর ২ ব্যবহার করছেন। পোষ্টের উপর কথা বলুন।
নাজিম উদ্দিন: আপনি গালি দিয়ে টেকনিক নম্বর ৪ ইস্তেমাল করছেন। আর বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছিনা আপনি নিজ উদ্দ্যেগে খোগ করুন।
তিরন্দাজ মন্তবে পোষ্টের বিরোধিতা করেছেন তার মানে ধর্ষকদের, দূর্নীতিবাজ এবং সন্ত্রাসীদের বাচানোর জন্য চেষ্টা করছেন। সমাজ এবং পরিস্তিতি উত্তপ্ত করে রাখার জন্য এমন লোকরা খুবই ডেঞ্জারাস। এরা এসব কাজে ফাইন্যান্স করে থাকে।
ডাক্টর মানসিক টেকনিক ২ অবলম্বন করছেন।
তিরন্দাজ, রাষ্ট্রদ্রোহী কোন ব্যাক্তির ছবি প্রকাশ করা আদৌ দেশদ্রোহী কাজ নয়।
মাবরুকা তোয়াহা, মোটেই হিট কাউন্টার বাড়ানোর জন্য নয়। সমাজ সংস্কার মূলক পোষ্ট এটি। পোষ্টের মূল বক্তব্যে ফিরে আসুন। বলুন আমি ভুল বলেছি নাকি সত্য বলেছি?
কালা জাহাঙ্গীর, জেনারেল, রাশেদ, পোষ্টের উপর মন্তব্য করুন। আপনাদের মন্থব্যে রাজনৈতিক বিরোধ প্রাধান্য পাচ্ছে।
চন্দ্র প্রভা চড় মেরে সত্য দমণ করা যাবেনা। ৭১ পাক হানাদার বাহিনী আপনার মতোই এমন উদ্ধত আচড়ন করেছিলো কিন্তু ৯ মাসে বাঙলার সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দামাল যুবক, বৃদ্ধরা তাদের হঠকারিতা রুখে দিয়েছে।
এখন গল্প লিখি পোষ্টের উপর মন্তব্য করুন। রাজনৈতিক বিবৃতি নয়। বলুন পোষ্টে যা লিখেছি তার গুনাগুন বলুন।
পোষ্টের বক্তব্যকে সমর্থণ এবং পোষ্টটিকে সুন্দর বলার কারর জন্য উদাসী স্বপ্নকে ধন্যবাদ কিন্তু আপনার রাজনৈতিক বক্তব্যের জন্য আপনাকে সন্দেহ করে লাভ নেই। সময়ই বলে দিবে আপনি কোন গোয়ালের গরু।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















মাগার পোস্টের সাথে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ছবি দেয়ার মাজেজাটা জানতে চাই ।জানাইয়া বাধিত করবেন আশাকরি।