শত শত মুভির মধ্যে ভাল লাগা মুভি খুজে বের করা কঠিন।
জজ ম্যাজিস্ট্রেটদের ট্রেনিংয়ের তৃতীয় সপ্তাহ চলছে। আগামী সপ্তাহেই শেষ হচ্ছে একমাস ব্যাপি প্রশিক্ষণ। ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে সুভিনিয়র টাইপের একটা কিছু বের করার সিদ্ধান্ত নিলাম সবাই। সেখানে প্রিয় মুভির নাম জানানোর একটা অপশন আছে।
শত শত পছন্দের মুভির মধ্যে কোন গুলোর নাম বলব তা নিয়ে কিঞ্চিত বিচলিত বোধ করছিলাম। কিন্তু তিনটা মুভিকে সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য মনে হচ্ছিল।
প্রথমটি উইলিয়াম ওয়াইলারের রোমান হলিডে। গ্রেগরি পেক ও অড্রে হেপবার্নের অসাধারণ অভিনয়। পুরো ছবিটা দেখে বোঝাই যায় নাই এটা ছিল অড্রে হেপবার্নের প্রথম ছবি। আমেরিকান সাংবাদিক জো বাইডেনের (গ্রেগরি পেক) সাথে রানী অ্যানের (অড্রে হেপবার্ন) অনবদ্য প্রেম। পরিণতিতে বিচ্ছেদ। কমেডি রোমান্স ধাচের দীর্ঘ পুরানো সাদা কালো এই ছবিটি এখও সজীব, প্রানবন্ত, উপভোগ্য।
দ্বিতীয়টি রবার্তো বেনিনির লাইভ ইজ বিউটিফুল। আহ! বারে বারে চোখে পানি এসে যায়। একজন মানুষের জীবন সংগ্রাম। দুঃখ, দৈন্য, কষ্ট, যাতনার মধ্যেও ভাল থাকার ও প্রিয় মানুষকে ভাল রাখার নিরন্তন চেষ্টা। হেসে হেসে ও হাসিয়ে হাসিয়ে দুঃখকে জয়। অসাধারণ।
তৃতীয়টি ব্রাড পিটের ট্রয়। গ্রীসের স্পার্টা ও তুরস্কের ট্রয় নগরীর মধ্যে চলা দশ বছরের যুদ্ধ। ক্ষয়, ধ্বংস, হত্যা, হত এসব পাশবিক বিষয়ের শৈল্পিক উপস্থাপনা। গ্রীক বীর একিলিসের চরিত্রে ব্রাটপিটের পৌরষদীপ্ত শরীরী সৌকর্যের প্রদর্শনী। অসাধারণ। নান্দনিক।
শুধু উপরের তিনটিই কেন। মনে পড়ল রাসেল ক্রো'র এ বিউটিফুল মাইন্ড, গ্লাডিয়েটর।
মেরেলিন মনরোর নায়াগ্রা কথা মনে পড়লে শিহরন বোধ করি এখনও।
মার্লোন ব্রান্ডোর গড ফাদার, সোফিয়া লরেনের সান ফ্লাওয়ার ক'টার কথা বলব। আমীর খানের লগন ও তারে জামিন পার ইদানিং সময়ের ভাললাগা ছবি।
আমরা কবে যে এই মানের ছবি তৈরি করতে পারব!
আপনারা কি কষ্ট করে আপনাদের ভাললাগা মুভিগুলো শেয়ার করবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

