আর সাথে এক মুখ হাসি। সকাল থেকে তামিম (আবার বড় বোনের ছেলে ৯ বছর) বেলুন ফোলানো শুরু করেছে। এক প্যাকেট বেলুন ও একাই ফুলিয়ে ঘর ভরে দিয়েছিল। আর শাফিনেরও বেলুন দিয়ে খেলা শুরু হয়েছে সকাল থেকে। আর রাত থেকে শুরু হয়েছে গিফট পাওয়া। শাফিন বুঝলো, হ্যাপি বার্থডে মানে নতুন নতুন মজার মজার ঘটনা ঘটা। ওর জন্মের পর এই প্রথম শাড়ি পরলাম। সন্ধ্যায় ওকে শাড়ি পরে দেখানো মাত্র চিৎকার করে হেসে বলল, আটি বাটটে! কেক কাটার সময়, মোমবাতি ফু দেয়ার সময়, খেলার সময়, রাতে পোলাও খাওয়ার সময়, গিফট খোলার সময় বার বার মনে করিয়ে দিল এসবই হলো আটি বাটটে (হ্যাপি বার্থডে) আর চোখ খুশিতে ঝলমল করে ওঠে। আমার সব পরিশ্রম ১০০% সার্থক।
ওর অনুস্ঠানে সবাই কম বেশি কাজ করেছে:
১ তামিম বেলুন ফুলিয়েছে, পিয়াজ রসুন ছিলে দিয়েছে, কম্পিউটার টেবিল থেকে মনিটর সরিয়েছে আবার ঠিক মতোন সেট করে দিয়েছে।
২ বড় আপা (তামিমের মা) কেক বানিয়ে দিয়েছে।
৩ আম্মা (শাফিনের নানু) পুডিং বানিয়েছেন।
৪ শেখা (আমার ছোট বোন) শষা কেটে দিয়েছেন।
৫ বড় বিলাই (আমার সেজ বোন) পেস্তা, বাদাম কেটে দিয়েছে, পায়েস বানিয়েছে। এখানে শাফিনও সাহায্য করেছে।
৬ আর আমি ঘর গোছান, দুরকমের পোলাও সব্জি পোলাও, শাহী নজর পোলাও, খাসি টমেটো কারি, আলু মাংসের কালিয়া, সালাদ লেবু রেডি করা, শাফিনকে রেডি করা, সবাইকে খাওয়ানো, গোছগাছ করা এসব করেছি।
খাবার শাফিন খুবই পছন্দ করেছে। আর সবাইও।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



