somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্যরিষ্টার রফিক মুক্তি যুদ্ধ করেননি আমরা করেছি

১২ ই অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীতে যে গোটা কয় জাতি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে আমরা তার অন্যতম। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের সবচে' গৌরবময় ঘটনা।
মুক্তিযুদ্ধ আমার কাছে দারুন আবেগের একটি সন্চয়। সম্ভবত জোটের যুদ্ধ অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টায় অত্যন্ত গৌরবময় এই ঘটনাটিকে পাক-ভারত যুদ্ধ হিসাবে অভিহিত করে গত মাসের ২২ তারিখ ব্যরিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া একটি গর্হিত অপরাধ করেছেন। অসংখ্য বীরের আখ্যানের বদলে আমকে লিখতে হচ্ছে নিয়াজী, যৌথ বাহিনী আর রেইস কোর্সের কথা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন যৌথ বাহিনীর কাছে আত্ম সমর্পণ করছে রফিক মিয়া তখন বিলাতে ব্যরিষ্টারি পড়ে জাতে উঠছেন। মুক্তিযুদ্ধ তাঁকে স্পর্শ করেনি । করলে ,তিনি অন্য অনেকের মত দেশে ফিরে আসতেন অথবা বিদেশের মাটিতে বসেই মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে ভূমিকা রাখতেন যেমন গণ স্বাস্থের জাফরুল্লাহ চৌধুরি, ডঃ ইউনুস , আবুসাঈদ চৌধুররিরা করেছিলেন।

২২ তারিখে রফিক যা বললেন কিছুদিন আগে আর একজন ব্যরিষ্টার সেই একই কথা বলেছিলেন। দেলোয়ার হোসেইন সাঈদীর আইনজীবি সেই ব্যারিষ্টারের বক্তব্যে আমি বিষ্মিত হইনি।সাঈদীর মত ঘৃণ্য অপরাধীর রক্ষকের কাছে অন্য কিছু আশা করাও ঠিক নয়। সাঈদীরা একাত্তরের নয় মাস জনতার সাথে যে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে ব্যারিষ্টার ফখরুলের বক্তৃতা তার চেয়ে আলাদা হবে এটা আশা করা যায়না। তবে ব্যারিষ্টার রফিকের মুখে জামাতি বুলি আমাকে প্রথমে হতবাক করেছে। সেই বিহ্বলতা ক্রমে হতাশা এবং শেষ পর্যন্ত ক্রোধে পরিণত হয়েছে। এধরনের কুলাঙ্গার যে দলে থাকে আর যাই হোক সে দল গণমুখী হতে পারেনা। ব্যরিষ্টার রফিকের এই বক্তব্যে তাঁর দলের কতটুকু সায় আছে জানি না। এই বক্তব্যের সাথে একাত্তরের পাকিস্তানি জেনারেলদের মানসিকতার মিল প্রায় শতভাগ।

২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চ লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে পাশবিকতার শুরু করে ১৬ডিসেম্বর তার সমাপ্তি ঘটে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর অপারেশন লাইটেনিং ক্যাম্পেইনের মধ্য দিয়ে। পাকিস্তানি বাহীনির অতর্কিত আক্রমনের প্রায় সাথে সাথে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই বাঙালি তার জবাব দিতে শুরু করে। ৭ই মার্চের ভাষণ সেখানে যতটা না প্রেরণা হিসাবে কাজ করে, বাঙালির আত্মরক্ষার মরীয়া চেষ্টা তারচে' বড় অনুঘটক হিসাবে প্রতিভাত হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় সেই লগ্নেই।পাকস্তানি বাহিনী নিজেদের আত্মশ্লাঘার কারণে তাকে যুদ্ধ হিসাবে স্বীকৃতি দিতে যত গড়িমসিই করুক এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় সেই মুক্তি বাহিনীর কাছেই তাকে নতজানু হতে হয়। এপ্রিলের শেষ ভাগ থেকে পরবর্তী প্রায় আড়াই মাস পূর্ণ শক্তির পাকিস্তানি বাহিনীর সমন্বিত অভিযানের কারণে মুক্তি বাহিনী তেমন কোন সাফল্য না পেলেও হতদ্যম না হয়ে প্রশিক্ষণ এবং অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের কে সু সংগঠিত করে তোলে। জূলাই মাসে কোলকাতায় সেক্টর কমান্ডারদের সম্মেলনের পর যুদ্ধের গতিবেগ বৃদ্ধিপায়। এ মাসেই মুক্তিযুদ্ধের প্রথম নিয়মিত ব্রিগেড জেড ফোর্স গঠিত হয়। সেপ্টেম্বরে কে ফোর্স এবং অক্টোবরে এস ফোর্স গঠনের পর মুক্তি যুদ্ধ আর শুধু মাত্র চোরা গুপ্তা গেরিলা অপারেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইতি মধ্যে নৌ ও বিমান বাহিনী গঠিত হওয়ায় মার্চের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ যুদ্ধ রূপ নিয়েছে প্রথাগত যুদ্ধে।দেশের ভিতরে মুক্তিযোদ্ধাদের দুঃসাহসকি তৎপরতার মুখে পাকস্তানি বাহিনীর অবস্থা যখন ক্রমশঃ খারাপের দিকে যাচ্ছে তখন পাকিস্তানি বাহিনীর থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ভারতকে যুদ্ধের ময়দানে টেনে আনার মাধ্যমে বাঙালির মুক্তি যুদ্ধকে স্তিমিত করে দেবার চেষ্টা করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতের সরাসরি যুদ্ধে অংশ গ্রহনকে পাকিস্তান নিজেদের অভ্যান্তরীন বিষয়ে ভারতরে অযাচিত হস্তক্ষেপ হিসেবে চাউর করে জাতি সংঘের মধ্যস্ততা এবং আমেরিকার মোড়লীতে স্থিতাবস্থায় ফিরে যাওয়া। ভারতীয় সেনা বাহিনী তখন পর্যন্ত পাকিস্তানের সাথে সরাসরি যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত ছিলনা। এদিকে প্রধান মন্ত্রী তাজ উদ্দিন, তার সমমনা নেতৃবৃন্দ এবং সমগ্র মুক্তি বাহিনী লড়াইএর মাধ্যমে পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিজয় অর্জনের পক্ষপাতি থাকলেও এক শ্রেণীর নেতা দীর্ঘ দিন ব্যাপি মুক্তি যুদ্ধের বদলে ভারতীয় বাহিনীকে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ত করার জন্যে তাজউদ্দিনের উপর চাপ অব্যাহত রাখে।

সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে পাকস্তানি সেনাবাহিনীর মনোবলে চিড় ধর। তারা বুঝে যায় হতদ্যম সেনাবাহিনী আর স্বল্প প্রশিক্ষিত ইপিসিএএফ( ইষ্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সেস; রাজাকার, আলবদর ইত্যাদি) দিয়ে মুক্তি বাহিনীকে পর্যুদস্ত করা সম্ভব নয়। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষায় তারা যে ফোর্ট্রেস ডিফেন্স বা দূর্গ প্রতিরক্ষা ( সীমান্তে অপেক্ষাকৃত হালকা প্রতিরক্ষা অবস্থান নিযে দেশের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা, মূল উদ্দেশ্য ঢাকার পতন রোধ করা।) পরিকলাপনা করেছিল মুক্তি বাহিনীর ক্রমাগত আক্রমনের কারনে তা আর তেমন কার্য করী নয়। এই অবস্থায় একমাত্র বিকল্প ছিল ভারতকে যুদ্ধের ময়দানে টেনে এনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দারস্থ হওয়া।

অন্যদিকে মুক্তি বাহিনী তখন উদ্দীপ্ত। অক্টোবর পর্যন্ত তারা বিলোনিয়া, কামালপুর, আখাউড়া,ধালাই,মুকুন্দপুর সহ বিভিন্ন যুদ্ধে পাকিস্তানিদের পদানত করেছে। এসব যুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনী সীমান্তের ওপার থেকে সহযোগিতাও করেছে। তবে এর ফলে মাঝে মধ্যে বোঝা পড়া সহ সমন্বযের অভাব প্রকট হযে উঠেছে। এই সমন্বয়হীনতা দূর করার লক্ষে অক্টোবরের শুরু থেকেই ভারত বাংরাদেশ যৌথ বাহিনী গড়ে তোলা আবশ্যক হযে পড়ে।শুধু যুদ্ধের ময়দানেই নয় কূটনৈতিক ভাবেও বাংরাদেশ সফল হয়ে উঠতে শুরু কর। নিরাপত্তা পরিষদেও আলোচিত হয় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।

২১-২২ নভেম্বর বয়রা চৌগাছা যুদ্ধের মাধ্যমে মুক্তিবাহিনীর চুড়ান্ত অভিযান শুরু হয়।২৩ নভেম্বর এক বেতার ভাষণে তাজউদ্দিন বলেন "আমাদের মুক্তি বাহিনী এখন যে কোন ধরনের লড়াইএর জন্য প্রস্তুত। ইয়াহিয়া খানও ভারত আক্রমনের হুমকি দেন। এর ঠিক ১০ দিন পর পশ্চিম ফ্রন্টে ভারতের উপর বোমা বর্ষণ করে পাকিস্তান ভারতকে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। পূর্ব ফ্রন্টে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে চুড়ান্ত ভাবে পরাজিত করার লক্ষে সূচিত হয় ভারত - বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর লাইটনিঙ ক্যাম্পেইন। এই যুদ্ধের মূল লক্ষ দ্রুততম সময়ে ঢাকা পৌছানো এবং ঢাকা দূর্গের পতন ঘটানো। ১৬ ডিসেম্বর এসফোর্সের ২য় ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট যৌথবাহিনীর শরিক হিসাবে ঢাকায় প্রবেশ করে। একই সাথে ঢাকায় পৌছে যায় কাদেরিয়া বাহিনী। মুক্তি বাহিনীর প্রধান ওসমানী মুক্তি যোদ্ধাদের মনোবল বাড়ানোর জন্যে ১১ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন সেক্টর পরিদর্শণ শুরু করেন। ১৬ ডিসেম্বর তাঁকে বহনকারী হেলিকপ্টার টি সিলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে ভূপতিত হয়। জেনারেল ওসমানী কোন মতে রক্ষা পেলেও পাকিস্তানিদের আত্ম সমর্পনের অনুষ্ঠানে তার পক্ষে উপস্থিত থাকা সম্ভব হয়নি।তবে ওসমানী না থাকলেও তার ডেপুটি গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খোন্দকার ঠিকই উপস্থিত ছিলেন। তার উপস্থিতির ছবি খুব দুর্লভ নয়। ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই পাওয়া যায়।

এই ঘটনাটি ৭১ পরবর্তী প্রজন্মের নাও জানা থাকতে পারে তবে রফিক মিয়ার মত শিক্ষিত ব্যরিষ্টার এটা জানেন না মানতে কষ্ট হয়। ২২ তারিখে রফিক যখন ৭১ মুক্তি যুদ্ধ হয়নি বলে দাবি করেছিল তখন ৭১ এর পাকিস্তানি জেনারেলদের কথা মনে হযেছে। তারা শত চেষ্টা করেও যে যুদ্ধ কে পাক- ভারত যুদ্ধ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি রফিকরা আজ অবলীলায় তাকে পাক ভারত যুদ্ধ বলে চিন্হিত করছে। তার কারন এই নয়
যে তিনি জানেন না আত্ম সমর্পনের দলিলের প্রথম অনু্চ্ছেদেই লেখা আছে বাংলাদেশ -ভারত যৌথ বাহীনীর কাছে পাকিস্তান সেনা বাহিনী আত্ম সমর্পণ করে। এই মিথ্যাচারের কারনে ব্যারিষ্টার রফিক ধিকৃত হযেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে বিপর্যস্ত জোটের বড় শরিক বিএনপির কাছথেকেও বলার মত সমর্থন না পেয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তার কথা শুনে পরানো একটি প্রবাদের কথা মনে পড়েছে। চোরের এক কান কাটলে চুল দিয়ে ঢেকে রাখে আর যার দু'কানই কাটা সে হাটে মাঝরাস্তা দিয়ে। সম্ভবত এ কারনেই রফিক মিয়া এখনও নির্লজ্বের মত মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন।







৭টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×