আমার প্রিয় পোস্ট

কে জানে কখন কেটেছে তোমার স্বপ্নমুগ্ধ রাত,আজকে কঠিন ঝড়ের বাতাসে দ্বারে করে কশাঘাত

দুই মহৎপ্রাণ, দুই পয়সার ঝুলন্ত লাশ এবং নতুন বছরের প্রত্যাশা

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

আজকে ভেবেছিলাম, পৃথিবীর অতি পুরোনো ও ঘুনে ধরা মানচিত্রটাকে ‘আধুনিকীকরণ’ ও ‘সন্ত্রাসমুক্ত’ করতে বিশ্বের এক নম্বর দানব পরাশক্তির পরিকল্পনা নিয়ে একটু লিখব। প্রাচ্যের কন্যার মৃত্যু (যার কারন কখনো জানা যাবেনা এবং প্রতি বছরই মৃত্যুবার্ষিকীতে ডায়ানা ও কেনেডির মত অসংখ্য কন্সপিরেসী থিওরীর জন্ম দিয়ে যাবে) ও আরো চমক আছে এমন ঘটনা ঘটার দ্রুত আশংকা, গ্লোবাল পলিটিক্সের চলমান ধারার সাথে বাংলাদেশের এখনকার অবস্থার সাযুজ্যতা এবং মুসলিম বিশ্বের বর্তমানে (আগে ছিল ইরাক) সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে জনগনের মুখোমুখি ফেলে ওই একই ফর্মুলা ‘অকার্যকর রাষ্ট্রের’ ধারনা কার্যকর করে তালেবান ও আল কায়েদার হাতে চলে যাওয়ার আশংকা সৃষ্টির মাধ্যমে পারমানবিক শক্তি কুক্ষিগত করা, উপমহাদেশের সুপার ডুপার পাওয়ারকে একচ্ছত্র অধিপতি বানিয়ে ভারসাম্যহীন অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বাসনা ও ‘অছিয়ত নামার’ গনতন্ত্র নিয়ে লিখব।
গতবছরে ‘মুখের ভিতর পা (Foot in Mouth)’ পুরস্কারপ্রাপ্ত পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর মানুষটির মধ্যপ্রাচ্যের ছেড়া ম্যাপের নিউ ভার্সন ও দক্ষিণ এশিয়ার ফাপা মানচিত্রটাকে ফুটো করার কোশেশ নিয়ে লিখব। অদ্ভূত ও মাথামোটা কথা বলার জন্য প্রতিবছর প্লেইন ইংলিশ ক্যাম্পেইন (Plain English Campaign) নামক একটি সংস্থা এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করে থাকে। আমেরিকার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামস্‌ফেল্ড পেয়েছিলেন ২০০৩ সালে। বর্তমানের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন অর্জন করেছিলেন ১৯৯৪ সালে। বুশের আজব কথাবার্তা নিয়ে উক্ত সংস্থাটির মুখপাত্র বেন বিয়ার (Ben Beer) বলেন, তারা নিশ্চিত ধরেই নিয়েছিলেন এই পুরস্কারটি গেল বছরে তিনিই পেতে যাচ্ছেন, কারন প্রতিটা দিনই উনি এসব ওজনহীন কথাবার্তা নিয়েই বাস করেন।‘ ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের অধিবেশনে খুব সাধারন কিছু ইংরেজী শব্দের উচচারন (যেমন, Nuclear) নিয়ে জটিলতা তাকে বেশ বেকায়দায় এবং বিশেষকরে আমেরিকানদের লজ্জায় ফেলে দেয়। ওই মাসের শুরুতে একদিনতো বলেই ফেলেছিলেন, ‘প্রয়াত নেলসন ম্যান্ডেলা’, অথচ তিনি কিনা এখনো জীবিত। ২০০৪ সালের অগাষ্টে একটি টেলিভাইজড মিটিংয়ে তার আলোচিত আরেকটি উক্তি হলো , Our enemies are innovative and resourceful- and so are we. They never stop thinking about new ways to harm our country and our people- and neither do we (আমাদের শত্রুরা নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনে সক্ষম ও উপকরন সমৃদ্ধ এবং আমরাও এমনই। তারা যেমন আমাদের দেশ ও জনগনকে ধ্বংস করার জন্য নতুন পন্থা উদ্ভাবন খোজা বন্ধ করেনা এবং আমরাও তা করিনা)। ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়ংকর অগ্নিতে ক্ষতিগ্রস্থদের দেখতে এসে এবছর তিনি বলেছিলেন, “All I can tell you is that when the governor calls, I answer his phone (আপনাদেরকে এই বলতে চাই যে, যখন গভর্নর ফোন করেন আমি তার উত্তর দেই)”। ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এমন অপ্রাসংগিক কথা বলার মানুষ দুনিয়াতে আর দুইটি পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে ঢের সন্দেহ!

কিন্তু ঘটনাবহুল গত বছরের দুইটি মানবিক ঘটনা আজকের আলোচনার প্রসংগ ঘুরিয়ে দিল।

সাত বছরের ছোট্ট পরীর মত ইরাকী মেয়ে যাহ্‌রার দৃষ্টি ফিরে পাবার কাহিনী

আমেরিকান আর্মি সার্জেন্ট জনি কেম্পেন (Johnny Kempen) ইরাকের কোন এক গ্রামে নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন।
প্রতিদিনের মত আজও শিশুরা দৌড়ে আসছিল ক্যান্ডি ও চকোলেট নেয়ার জন্য। আর সব শিশুর মত দৌড়ে না এসে দূর
থেকে দাঁড়িয়ে থেকে যাহ্‌রার চোখ পিট পিট করা, মহৎ হৃদয়ের এই সার্জন্টের নজর এড়ায়নি। ঘুমানো বাদে সারাক্ষনই
যাহ্‌রার মনে হত চোখের মধ্যে বালুর কণা নড়াচড়া করে। কি ভয়ংকর অবস্থা!

পরস্পরের ভিন ও শ্ত্রুদেশী এই সৈন্য এবং প্রায় অন্ধ এই শিশুটির মধ্যে দুর্বোধ্য ভাষার বাইরে মনোজগতে ভালবাসার একটি সেতু তৈরি হয়ে গেল। মেডিকেল ট্রান্সক্রিপশনিষ্ট মা ও লায়ন ক্লাবে জড়িত বোনের সাথে ইমেইল চালাচালি করলেন জনি। নিজের সদিচ্ছার কথা জানালেন। বললেন, To relieve that pain would be the icing on the cake (তার দূঃসহ সেই বেদনা দূর করাই হবে চূড়ান্ত কাজ)। সবাই এগিয়ে এল। যাহ্‌রা ও তার দাদীকে আমেরিকায় পাঠিয়ে চিকিৎসাসহ যাবতীয় দেনা বহন করল একটি সংস্থা। দুইবার বড় অপারেশন শেষে প্রায় ৬ মাস পর মেয়েটি ফিরে এল পূর্ণ উজ্জ্বল দুটি চোখ নিয়ে। বাড়িতে এসে এবার সে সবার সাথে দৌড়াচ্ছে। মাকে, বাবাকে জড়িয়ে ধরছে, ছোট ভাইটির সাথে সে খেলছে, টেডি বিয়ার নিয়ে ছোটাছুটি করছে, স্কুলে যাবে, আরো কত কথা। মা, বাবা, দাদী সবাই আনন্দে কাদছে। সে এক আনন্দঘন দৃশ্য!

রমিজ উদ্দিনের জীবন ফিরে পাবার কাহিনী

গত বুদ্ধিজীবি হত্যা দিবসে পুলিশের আইজি নুর মোহাম্মদের এক মহানুভবতারও খবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত সব দৈনিক ছাপে। সোনার হরিনের নাগাল পাওয়ার আশায় বিয়ানী বাজারের রমিজ উদ্দিনের নিশ্চিত মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফেরত আসার কাহিনী। পনেরো দিন মরু প্রান্তরে অর্ধাহারে, অনাহারে কাটানো, কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা হামলা এবং শেষে তার ভাষার ‘এই স্যার (আইজিপি) না থাকলে আমি মনে হয় জীবনে দেশে আসতাম পারতাম না। বউ পোলাপানের মুখও দেখতে পারতাম না। নির্যাতনের কারনে আমার হার্ট দুর্বল হয়ে গেছে।‘ জমিজমা বিষয় আসয় বিক্রয় করে প্রতারণার শিকার হয়ে আমাদের দেশের মানুষজনের বিদেশ বিভূইয়ে জংগলে পালিয়ে বেড়ানো, মরুভূমির মধ্যে মৃত্যু, অনাহারে জাহাজে চড়ে অজানার উদ্দেশ্যে নিরন্তর যাত্রা ইত্যাদি নতুন নয়। তবে রাষ্ট্রের উঁচু পর্যায়ের মানুষজনের দ্বারা এমন মহানুভবতার ঘটনার বহিঃপ্রকাশ সত্যি নতুন! সেজন্য সবাইকে ডেকে এনে বলতে হয়। ঘটা করে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলতে হলেও বলা উচিত, বেশী মানুষদেরকে জানানোও উচিত। কারন, এমন কিছু ভালো কাজ যদি উপরতলা থেকে করা হয় তবে এর প্রভাব অবশ্যই নিচের দিকে গড়ায়। এই যে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রহস্যজনকভাবে খোয়া যাওয়ায় সংগত কারনেই এর দায়ভার নিয়ে আমাদের এক উপদেষ্টা চলে গেলেন, ধরা ছোয়ার বাইরে থাকা একাদশমন্ডলীর ভেতর থেকে আরো চার নক্ষত্র খসে পড়ল, মানুষজন গতানুগতিকভাবে কিছুদিন পর ভুলে গেলেও এর প্রভাব নিহারিকাপুঞ্জের উপর কিন্তু অবশ্যই পড়বে।

দূর্নীতির প্রতীক সুরম্যপ্রাসাদ র‌্যাংগস ভবন রাজধানীর বুকে গড়ে উঠেছিল সর্বোচচ প্রযুক্তি ব্যবহার করে, আর তা ভাংতে গিয়ে আদিম প্রযুক্তি হাতুড়ি, শাবল ব্যবহার করে কতজন মানুষের জীবন যে চলে গেল তার দায় কি কারো উপরই পড়ে না? পদত্যাগ তো দূরের কথা, কেউ দেখতে যাওয়ার সময়ও পাননি! কোন রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় থাকলে যে কি হত, তা সহজেই অনুমেয়! বেচারাগুলো লোহাবিদ্ধ হয়ে মরেও শাস্তি থেকে রক্ষা পাননি। সপ্তাহের বেশী দিন ধরেও গন্ধ ছড়াতে হয়েছে, সে গন্ধে অনতিদূরেই বিজয় দিবসের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে আসা উদ্যম, কর্মচঞ্চল অফিসারদের না হলেও তাদের সহধর্মিনীদের নাকে হয়তো বারে বারে রুমাল দিতে হয়েছে। গাড়ীর জানালার গ্লাস বন্ধ করে উপদেষ্টাদের হয়তো কয়দিন কষ্টকরে যাতায়াত অথবা চৌকষ বাহিনীর বদৌলতে রাস্তা বদল করতেও হয়ে থাকতে পারে। ঝুলে থাকা পায়ের দিকে তাকিয়ে প্রিয়জনদের লাশ নিতে আসা অসহায় আলাউদ্দিনদের কান্না চট্টগ্রামে তো আর পৌছতে পারেনা! সেদিন সেখানে চলছিল নতুন অফিসারদের ব্যাজ প্রদান অনুষ্ঠান, প্রধান উপদেষ্টা অত্যন্ত ব্যস্ত দিন অতিবাহিত করছিলেন। বঙ্গভবন, গণভবন, সেনাভবন, নামকরা সব ইত্যাদি ভবনের সন্নিকটে মরেও নন-হালাল লাশদের থাকতে হয়েছে দিনের পর দিন। হারানো অমুল্য পুরাকীর্তি, বিষ্ণুমূর্তির মৃত নিঃশ্বাসে সারা দেশের বাতাস ভারী হয়ে যায়, সীমান্তে রেড এলার্ট জারি করা হয়, দুইদিন দু’জন করে গ্রেফতার করে করে রিমান্ডে নেয়া হয়, মানব দরদী (ব্যঙ্গ করে কেউ বলেন, শুধুই মূর্তি দরদী)-রা পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখেন, কিন্তু জীবন্ত মুল্যহীন লাশদের নিয়ে মানবতাবাদীদের মহানুভবতা বা কিঞ্চিত ভালবাসা উতরে উঠতে দেখলাম না। একটা অখ্যাত হিউম্যান রাইট্‌স অর্গানাইজেশন ছাড়া কেউই টু শব্দটি পর্যন্ত উচচারন করলেন না। যাহোক, এগুলো এখন পুরোন দিনের গল্প।

এই গল্প নিয়েই অবাধ্য একজন তরুন কার্টুনিষ্ট বিখ্যাত হওয়ার জন্য তুলি নিয়ে বসল। ১৯৪০ সালের মম্বন্তরের লাশ নিয়ে মানুষের সাথে কাক শকুনের কাড়াকাড়ির সেই দৃশ্যের বাস্তব সদৃশ ছবি একে জয়নুল আবেদীন শিল্পাচার্য ও বিখ্যাত হয়েছিলেন। সেও চাইলো এমন কিছু একটা করতে। উজীর, নাজীর ও সিপাহসালার নিয়ে রাজা বেড়াতে গেছেন রাজধানীর সবচেয়ে উঁচু প্রাসাদে। মজা করে সবাই এ তলা ও তলা ঘুরে ফিরে দেখছেন। মুহুর্তেই অঘটনটি ঘটে গেল। হঠাৎ পা ফসকে রাজা চৌদ্দ তলা থেকে পড়ে আটকে রইলেন ছয় তলায়, হতোদ্যম উজীর তাই দেখে কোন দিশা না পেয়ে লাফ দিলেন নীচে। আর নীচেই চলছিল আরেকটি দালান নির্মানের কাজ। বীমের ধারালো লোহাগুলো তাক করাই ছিলো। তিনিও আটকে গেলেন তাতে। অপর দুই বুদ্ধিমান সঙ্গী আর ভুল করলেন না। নীচে নেমে এলেন। তারপর কি করলেন? কিভাবে উপসংহার টানবে তা আর মেলাতে পারছে না ওই কার্টুনিষ্ট। জনগনকে সাথে নিয়ে ঝুলে থাকা অতি দামী লাশ দুটির দৃশ্য উপভোগ করলেন, নাকি ঝুকির মুখে কাউকে না ফেলে নগরের সব নির্মান শ্রমিক, ফায়ার সার্ভিস, ইঞ্জিনিয়ারদের ছুটি দিয়ে বললেন, এগুলো উদ্ধার করা আর সম্ভব নয়। পচতে দিন, কিছুদিন পর এমনিতেই সব ঠিক হয়ে যাবে, চলুন সবাই কুচকাওয়াজে যোগ দেই, নতুন অফিসারদের সার্টিফিকেট দেই- আর ভাবতে পারল না তরুন শিল্পীটি। বিখ্যাত হওয়ার শেষ আশাটুকু সে ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র মনযোগ দিল।

আসুন, আমরা এবার অল্প একটু মনযোগ দিই বিবেকের কাছে। বিবেকের নিকট দায়বদ্ধতা না থাকলেও দূর্নিতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়লেও পলিটিশিয়ানদের তো জনগনের নিকট বাধ্য হয়ে একসময় হিসাব দিতে হয়। একটা সময় পর পর তাদের নিকট কাচুমাচু হয়ে ফিরে যেতে হয়। কিন্তু জনগনের নিকট যাদের কোন দায়বদ্ধতাই নাই তারা কি করবেন? বিবেক ও মুল্যবোধ দ্বারাও কি তারা তাড়িত হবেন না? যাদের মহৎ প্রানের প্রচেষ্টায় যাহ্‌রা ও রমিজ উদ্দিনের জীবন নিশ্চিত ধ্বংসের কিনারা থেকে পরশ পাথরের ছোয়ায় বাচিয়ে রেখেছে, সেরকম হওয়া কি খুবই অসম্ভব? নতুন বছরে না হয় এমন অসম্ভব আশাটুকুই করি, এমন মহতপ্রাণ মানুষদের পদচারনা দেশময় ভরে যাক, সাথে সুস্থির গনতন্ত্র ফিরে আসুক বিবেক ও জনগনের কাছে দায়বদ্ধতা নিয়ে এবং ফিরে যাক সবাই স্ব স্ব কর্মস্থলে দানব অসুরের পরিবর্তে মুল্যবোধের প্রেরণায় উজ্জীবিত হয়ে।

* লেখাটি দৈনিক যায়যায়দিন ১১ই জানুয়ারী ছেপেছে।

 

 

  • ৩৮ টি মন্তব্য
  • ৪৫২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৭
comment by: বাতিঘর বলেছেন: মূল মন্তব্য একটু পরে করছি। প্রবালে একবার ঘুরে আসবেন কি?
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৩

লেখক বলেছেন: জ্বী, এসেছি।

২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২২
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: ভাল লাগিয়াছে। চালাইয়া যাউন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু, থ্যাংকু...

৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩০
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: পড়ে ভাল লাগল। যাহরার কাহিনী আনন্দিত করেছে।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:১৮
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: ভাল লেখা।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

৫. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:২৩
comment by: ছন্নছাড়া বলেছেন: খুব ভাল হয়েছে,+। তবে মুর্তি নিয়ে ব্যঙ্গ করার সাথে একমত হতে পারছি না। কারন, হারিয়ে যাওয়া মুর্তিগুলু এখন আর শুধুই মুর্তি নয়, এর সাথে জড়িত আমাদের সংস্কিৃতি, ইতিহাস এবং আবেগ। অন্যভাবেও উদাহরণ দেয়া যেত।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এভাবে মন্তব্য করার জন্য। আমি কোনমতেই কিন্তু ব্যঙ্গ করতে চাইনি। ওগুলোকে হারানো অমুল্যবান সম্পদ বলেই উল্লেখ করেছি এবং সেটি বিশ্বাসও করি। একটা জাতির প্রত্নতাত্তিক পূরাকীর্তি তার অতীত সম্মৃদ্ধতার ইতিহাসকেই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

মূলতঃ বলতে চেয়েছি গরীব মানুষের লাশ নিয়েও সরকার ও তথাকথিত মানবদরদীর অবহেলা!
হয়তো আরো দুএকটি বাক্য দিলে পরিস্কার হত। পরবর্তীতে লিখতে আপনার মতামত স্মরনে রাখব।

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪০
comment by: হাশেম পোদ্দার বলেছেন: খুবই ভালো লেখা+
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: ফারজানা১৬ বলেছেন: আপনার লেখা পড়া শেষ হওয়া মানেই মাথার ভিতর একগাদা চিন্তা ঢুকে যাওয়া!
চিন্তাশীল লেখার খরায় আপনার লেখা আমাদের চিন্তার খোরাক জোগায়। অনেক ধন্যবাদ।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? তাহলে তো ভীষন ভয়ের কথা!
একটু করেনই না হয়!

মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
comment by: যুিক্ত বলেছেন: অনেক সুন্দর পোস্ট । ++++
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১০
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনার কোন পোস্ট কখনই খারাপ হয় নি। এটিও চমৎকার। ধন্যবাদ। বিশেষত আমি যায় যায় দিন বেশী পড়ি না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাদের জন্যই মূলত লেখাগুলো ব্লগে পোষ্ট করি। একবার ভেবেছিলাম, দিব না। জানিয়েও ছিলাম কয়েকজনকে। কিন্তু তাঁরা একমত হননি আমার সাথে। বলছেন, অবশ্যই দিতে।

যাহোক, আপনি বরাবরই পড়েন এবং সুন্দর সুন্দর মন্তব্যও করেন।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনাদের প্রেরণাই আমাকে লিখতে উতসাহ দেয়।

১০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
comment by: নাবিক বলেছেন: আরো একটি চমৎকার লেখা উপহার দেয়ায় লেখককে ধন্যবাদ।

ছন্নছাড়াকে অনুরোধ করবো লেখাটা আবার পড়তে।

আমার মনে হয় লেখক মূর্তি নিয়ে ব্যঙ্গ করেননি।

মেসেজটা হলো, মূর্তি রক্ষায় ব্যর্থতার কারনে যে দেশে উপদেস্টাকে পদত্যাগ করতে হয়, র‌্যাব র‌্যাপিড এ্যাকশন চালিয়ে আস্তাকূঁড় থেকে তুলে আনে হারানো ভাংগা মূর্তি।

সে দেশেই বিপন্ন গরীব মানুষের লাশ দিনের দিনের পর চাপা পড়ে থাকে চুন-সুরকির তলে। উপদেস্টাও এর জন্য পদত্যাগ করেন না, র‌্যাবেরও পা নড়েনা। কূম্ভকর্ণেরও ঘুম ভাঙেনা।

কারণ এতো অমুল্য পুরাকীর্তি নয়।

এতো খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের জীবন। একদম আমার আপনার মতো সাধারন মানুষের জীবন।

মানুষের লাশ বলে কথা, পচুক না আরো কটা দিন।

লেখাটা কি আমাদের মাননীয়া উপদেষ্টারা একবার পড়বেন?

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: মেসেজটা ক্লিয়ের বোঝার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

১১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ভালো লেখা..

+
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ, বিবেক সত্যি।

১২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০৮
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: বিবেক জেগে উঠুক, মনুষত্ব্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠুক!
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: তাই হোক!

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
comment by: বজলু মহাজন বলেছেন: দারুণ ভালো +
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: তাই!
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৩
comment by: ছন্নছাড়া বলেছেন: লেখক এবং নাবিক কে অনেক ধন্যবাদ।
১৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:০৫
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: দারূন লিখা। আমাদের সমাজের ঘূণে ধরা দিকটা ভাল করে তুলে ধরেছেন। সাথে কিছু মহতী কাজও, যা সাধারণের ব্যতিক্রম।
ধন্যবাদ।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

১৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৩০
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: লেখকের পাশাপাশি নাবিককেও ধন্যবাদ।
১৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
comment by: কোলাহল বলেছেন: খানিকটা ব্যস্ত আছি তাই কয়েকদিন ব্লগে আসতে পারছি না। আপনার আজকের লেখাটা এক সময় পড়ে নেব। আপনার নতুন গ্রুপের আমন্ত্রন পেয়েছি। আমি একটা গ্রুপে আছি। এমতাবস্হায় আরেকটি গ্রুপে ঢোকা দরকার কিনা তাই ভাবছি।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪২

লেখক বলেছেন: গ্রুপের উদ্যোক্তার আহ্‌বানে আমিও সাড়া দিয়েছি। খুব মহত মনে হয়েছে। অন্য গ্রুপের সাথে মনে তো হয় না এটি কন্ট্রাডিক্ট করবে। চিন্তা করে দেখতে পারেন।

আপনার শুভ কামনা করি।

১৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:১০
comment by: ফারজানা১৬ বলেছেন: হায় হায়, আপনি ব্লগে লেখা না দেয়ার চিন্তা করেছিলেন?
এটাতো খুব খারাপ চিন্তা!
এধরনের চিন্তা আর করবেন না, প্লীজ।
ব্লগে আপনার পাঠকদেরকে বঞ্চিত করার কোনো অধিকার নেই আপনার।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৫

লেখক বলেছেন: তাই নাকি! ঠিক আছে এমন অনধিকার চর্চা আর করবো না!!!
হা হা হা..........

১৯. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২০
comment by: একেমন দেখা বলেছেন: খুব ভাল লিখা। বুঝতেই পারিনী যে অনেক বড় একটা লিখা পড়ার......
চমৎকার। সময় সুজোগ পেলে আপনি আরো লিখবেন এমন প্রত্যাশায়............। আহা এমন চিন্তার মানুষও আজকাল ক্রমশ নিম্নগামী............. আর কাজের ক্ষেত্রে'ত অনেক দুরে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,।
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ভাষা নেই প্রসংশা করার শাহিন ভাই!
অসাধারণ আরেকটি লিখা!


+
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? কি যে বলেন!
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!!

 



 


শখের বশে লিখি মাঝে মাঝে। সৌখিন লেখক বলতে পারেন। পেশা সম্পুর্ণ ভিন্ন। ব্লগে সবার লেখা নীরবে উপভোগ করার চেষ্টা করি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৭০০৭