আমার প্রিয় পোস্ট

কে জানে কখন কেটেছে তোমার স্বপ্নমুগ্ধ রাত,আজকে কঠিন ঝড়ের বাতাসে দ্বারে করে কশাঘাত

পহেলা এপ্রিল বা এপ্রিল ফুলের ইতিবৃত্ত

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪১

শেয়ারঃ
0 0 0

অনেক আগে থেকেই পহেলা এপ্রিল বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে উদযাপিত হত। তবে কিভাবে যে এপ্রিল ফুলের সূচনা হয় তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বিস্তর মতভেদ রয়েছে। প্রাচীনকালে জনপ্রিয় উৎসবসমূহ পালিত হত বসন্তকালীন বিষুব সময়ে (vernal equinox), অর্থাৎ যে সময়ে দিনরাত মোটামুটি সমান থাকে। সময়টি হল ২১শে মার্চ থেকে ২৩শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ঋতু পরিবর্তনের প্রান্তিক সময় ২৫ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল (অর্থাৎ শীতের শেষে বা বসন্তের শুরুতে) পুরাতন জুলিয়ীও (Julian) ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গোটা ইউরোপে সপ্তাহব্যাপী উৎসব উদ্দীপনা চলত। এর বাইরে মধ্যযুগে মার্চের ২৫ তারিখে মহাসমারোহে নবান্ন উৎসব পালিত হত সারা ইউরোপ জুড়েও। রোমানদের মত হিন্দুরাও নতুন বছরের শুরু এপ্রিলের ১ অথবা এর আশেপাশে একদিন পঞ্জিকানুযায়ী পালন করত। আঠার শতকে এপ্রিল ফুল বর্তমান অবয়ব ধারন করার আগ পর্যন্ত গ্রেট বৃটেনে সাধারন মানুষদের ঐতিহ্যবাহী মেলা বসত প্রতি বছরের পহেলা এপ্রিলে । স্কটল্যান্ডে এই দিনটিকে বলা হত ‘কোকিল শিকারের দিন (hunting the gowk or cuckoo)’। এপ্রিল ফুল নতুন রুপে জন্মলাভের পর এর নামকরন করা হয় এপ্রিল-কোকিল (April-gowks)। পূরা কাহিনীর সাথে এই দিনের যোগসূত্র স্থাপন করতে গিয়ে ১৪০০ খ্রীষ্টাব্দের চোসার (Chaucer)-এর The Nun’s Priest’s Tale গল্পের দুই বোকার ৩২ দিনের কাহিনী (Thirty days and two) চলে আসে। আর ৩২ দিনের শুরুটি হল মার্চের ১ তারিখ, অর্থাৎ শেষদিনটি কিনা ১ এপ্রিল।

ইউরোপে সম্ভবত এপ্রিল ফুলের বিস্তৃতি ঘটে প্রথমে ফ্রেঞ্চ জাতির মধ্যে। ফ্রেঞ্চরা ১৫০৮ সাল এবং ডাচরা ১৫৩৯ সাল থেকে এপ্রিল মাসের প্রথম দিনকে কৌতুকের দিন বা বছরের সবচেয়ে হালকা দিন হিসেবে পালন করা শুরু করে। ফ্রান্সই হলো প্রথম দেশ যেদেশে সরকারীভাবে নবম চার্লস (Charles IX) ১৫৬৪ সালে এক ফরমানের মাধ্যমে ১ জানুয়ারীকে নববর্ষ হিসেবে ঘোষনা করেছিলেন । অর্থাৎ তিনি এটি করেন ১৫৮২ সালে ইতালীয়ান পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরী (Pope Gregory XII) প্রবর্তিত গ্রেগরীয়ান ক্যালেন্ডার (যেটিকে আমরা বর্তমানে ভুল করে ইংলিশ ক্যালেন্ডার বলি) হিসেবে প্রচলন হওয়ারও আগে। এরই সাথে ১ এপ্রিলে বন্ধু-বান্ধবদের উপহার দেয়া নেয়ার প্রথাটি বদল হয়ে চলে যায় ১ জানুয়ারী বা নিউ ইয়ার উদযাপনের প্রাক্কালে। কারন তখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে জুলিয়ীও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নিউ ইয়ার পালিত হত ১ এপ্রিলে। অনেকেই এই পরিবর্তনকে মেনে নিতে না পেরে এদিনই অর্থাৎ ১ এপ্রিলেই তাদের পুরোনো প্রথাসমূহ চালিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু বিপরীত ১ জানুয়ারীর পক্ষের লোকজন এদেরকে ফাকি দিতে ১ এপ্রিলে ভূয়া উপহার পাঠানোর কালচারটি চালু করে দেয়।

ফ্রান্সে কাউকে বোকা বানালে বলা হত এপ্রিল মাছ (April fish), ফ্রেঞ্চ ভাষায় poisson d’avril । এরকম অদ্ভূত নামকরনের ব্যাখায় বলা হয়, রাশিচক্র অনুযায়ী স্বর্গের কাল্পিক রেখা অতিক্রম করাকালে এপ্রিলে সূর্যকে মাছের মত দেখায়। এইদিনে তারা ছুটি কাটাত এবং মরা মাছ এনে তাদের বন্ধুদের পেছনে সেটে দিয়ে মজা করত। এখন মরা মাছের বদলে ছোটরা আসল মাছের স্টিকি কাগজ বন্ধুদের শার্টের পেছনে গেথে দেয়। ক্যান্ডি শপ ও বেকারীগুলোও মাছ আকৃতির মিষ্টি পরিবেশন করে এইদিন স্মরন করে।

ডাচদের পহেলা এপ্রিল পালন করার আরো কিছু কারন আছে। স্পেনের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ (King Philip II) ১৫৭২ সালে নেদারল্যান্ড শাসন করতেন। যারা তার শাসন অমান্য করেছিল তারা নিজেদেরকে গুইযেন (ডাচে Geuzen ও ফ্রেঞ্চে gueux বলা হয়, যার অর্থ ভিখারী) বলে পরিচয় দিত । ১৫৭২ সালের এপ্রিলের ১ তারিখে গুইযেন বা বিদ্রোহীরা উপকূলীয় ছোট শহর ডেন ব্রিয়েল (Den Briel) করায়ত্ব করে ফেলে। তাদের এই সফলতায় বিদ্রোহের দাবানল দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। শেষমেষ স্প্যানিশ সেনাপ্রধান বা দ্যা ডিউক অব অ্যালবা (the Duke of Alba) প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হন। ‘ব্রিয়েল’ হল ডাচ শব্দ, যার অর্থ কাঁচ। ১৯৭২ সালের ১ এপ্রিল স্মরনে ডাচরা বিদ্রুপ করে স্প্যানিশদের ‘অ্যালবা কাঁচ হারিয়েছে (Alba lost glasses)’ বলে পূরোনো স্মৃতি রোমন্থন করে থাকে। উল্লেখ্য, অ্যালবা হল স্পেনের শহরের নাম যেখানে দ্যা ডিউক অব অ্যালবার সদর দপ্তর ছিল।

এপ্রিল ফুলের আরেকটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের প্রফেসর জোসেফ বসকিন (Joseph Boskin)। তিনি বলেছেন এই প্রথাটির শুরু হয় রোমান সম্রাট কনস্ট্যান্টাইনের (২৮৮-৩৩৭ খ্রীঃ) শাসনামলে। হাসি-ঠাট্টা নিয়ে মেতে থাকে এমন একদল বোকা গোপাল ভাঁড়েরা সম্রাটকে কৌতুক করে বলে, তারা রাজার চেয়ে ভালভাবে দেশ চালাতে পারবে। রাজা মহোদয় বেশ পুলকিত হলেন। রাজা গোপাল ভাড়দের সর্দার কুগেল (Kugel)কে একদিনের জন্য বাদশাহ বানিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দিলেন। আর কুগেল সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যময় আইন জারি করে দিল, প্রতিবছরের এইদিনে সবাই মিলে তামাশা করবে। প্রফেসর বসকিন আরো বলেন, প্রাচীন ওই সময়ের মারাত্মক দিনগুলোতে রাজাদের দরবারে কিন্তু বোকারুপীরাই ছিল প্রকৃত জ্ঞানী। তারা মজা বা হাসি-ঠাট্টার মাধ্যমে অনেক কাজ কৌশলে হাসিল করে নিত বা জ্ঞানের কথা রসালোভাবে চারদিকে ছড়িয়ে দিত।

১৯৮৩ সালে বার্তা সংস্থা এপি পরিবেশিত বসকিনের এই ব্যাখ্যাটি অনেক কাগজে নিবন্ধাকারে প্রকাশিত হয়। বসকিন মূলত. আগের সব ব্যাখ্যাকে উড়িয়ে দিয়েছেন। আর্টিকেলটি ছাপানোর আগে এপি দুই সপ্তাহ ধরে ভেবেছে তারা নিজেরাই এপ্রিল ফুল বোকামীর শিকার হচ্ছে না তো!

পাশ্চাত্যের বিভিন্ন সংস্কৃতিতে কাউকে বিভিন্নভাবে বোকা বানানোর প্রথা চালু রয়েছে। রোমানদের হিলারিয়া (Hilaria) উৎসব এর মধ্যে অন্যতম। তারা মার্চের ২৫ তারিখে আট্টিসের (Attis) পূনরুত্থান নিয়ে এইদিনে হালকামি করত, ইহুদীরা করত পুরিম (Purim) উপলক্ষ্যে। হিন্দুরাও হোলি (Holi) উৎসব এইদিনের আশেপাশে করে থাকে। ইসলামে মিথ্যা কথা বলে ঠকানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। যেমন, নবী (সঃ)বলেছেন, "যারা ধোঁকাবাজি করে তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।" তবে ইসলামে সত্য কথা বলেও হাস্যরস করা বা বিভিন্ন রকমের জ্ঞানোদ্দীপক কৌতুকের প্রচলন রয়েছে। মুহম্মদ (সাঃ) এবং তার সংগীসহ ইসলামী ব্যক্তিত্বের অনেকের জীবনীতেই প্রচুর রসালো গল্পের উদাহরন ইতিহাসে পাওয়া যায়।

অন্যান্য দিবসের মত এই দিবসটিরও উৎপত্তি প্রাশ্চাত্যে শুরু হলেও এর বিস্তৃতি এখন দেশে দেশে। শুধুমাত্র বাংলাদেশে (বৃহৎ অর্থে, উপমহাদেশে) কিছু মুসলমানদের মধ্যে এপ্রিল ফুলের ব্যাখ্যায় নতুন মাত্রা লাভ করেছে। তা হলো, গ্রানাডার বেদনাদায়ক ঘটনার সংযোজন। সুদীর্ঘ আটশো বছরের ইসলামের গৌরবময় শাসন শেষে স্পেন মুসলমানদের হাতছাড়া হয় ১৪৯২ সালে। বলা হয়, পরাজিত হাজার হাজার মুসলমান নারী, পুরুষ, শিশুদেরকে মসজিদের মধ্যে কৌশলে ঢুকিয়ে রাজা ফার্দিনান্দ ও পর্তুগীজ রানী ইসাবেলার নির্দেশে পুড়িয়ে মেরে জঘন্যতম এই কান্ডটি করা হয় ইতিহাসের এই দিনে।

ইতিহাসবিদরাই ভাল বলতে পারবেন কোনটি সঠিক। গ্রানাডার সর্বশেষ মূরিশ কিং (Moorsih king) হলেন নাসরিদ বংশীয় আবু আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ (Abu Abdullah Muhammad XII), যাকে স্প্যানিশরা ‘বোয়াবদিল’ নাম দিয়েছে। বিলাস-ব্যসনে মত্ত ও উচ্ছন্নে যাওয়া আবু আব্দুল্লাহ হলেন গ্রানাডার তাইফার সুলতান আবুল হাসানের ছেলে। ছেলের ষড়যন্ত্র ও কুচক্রের কারনেই অনেকটা সিরাজুদ্দৌলার মতই বাবা আবুল হাসান পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। মীরজাফরের মত আবু আব্দুল্লাহকে বানানো হয় নামকাওয়াস্তে সুলতান। এই পুতুল সুলতানের কাছেও ১৪৮৯ সালে ফার্দিনান্দ ও ইসাবেলার নিকট থেকে চুড়ান্তরুপে নিঃশর্ত ভাবে আত্মসমর্পনের নির্দেশনা আসে এবং স্মরন করিয়ে দেয়া হয় অস্বীকারের ভয়াবহ পরিনতির কথাও। বিভিন্ন এনসাইক্লোপেডিয়া অনুযায়ী আবু আব্দুল্লাহ উপায়ান্তর না দেখে গ্রানাডা সম্পূর্নভানে হস্তান্তর করতে বাধ্য হন ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারীতে, ১লা এপ্রিলে নয়। একটি উদাহরন পাওয়া যেতে পারে এম বি সিঞ্জ (M B Synge) তার দ্যা বাল্ডউইন্স প্রজেক্ট (The Baldwin’s Project) প্রকাশিত ‘সাহসী মানুষদের সাহসী কান্ড (Brave Men and Brave Deeds)’নামক আর্টিকেলে। তিনি লিখেছেন, "December had nearly passed away. The famine became extreme, and Boabdil determined to surrender the city on the second of January (ডিসেম্বর শেষ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। দূর্ভিক্ষ চরম আকার ধারন করেছে। আর বোয়াব্দিল গ্রানাডা আত্মসমর্পনের সিদ্ধান্ত নিলেন ২ জানুয়ারী)"। স্পেন থেকে মুসলমানদেরকে ১৪৯২ সালেই বের করে দেয়া হয়নি। আমীর আবূ-আব্দুল্লাহ্‌র সাথে ইসাবেলা আর ফার্দিনান্দের যে চুক্তি হয়েছিল তাতে গ্রানাডার মুসলমানদের পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে (১৫০৮ সালে) ইনকুইজিশন চালু করা হলে মুসলমানদের হয় ক্যাথলিক নয়তো স্পেন ছাড়ার পছন্দ দেয়া হয়েছিল। যারা স্পেন ছাড়েনি তারা ক্যাথলিক ছদ্মবেশে মুসলিমই থেকে যান। খৃষ্টানরাও জানত তারা মুসলমান। আর এদেরকেই তারা মরিস্কো উপাধি দেয়। মরিস্কোদের পুরোপুরি স্পেন থেকে বহিষ্কার করা হয় ১৬০৯ থকে ১৬১৪ সালের মধ্যে। এটাও করা হয়েছিল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা হারানো মরিস্কোদের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য বিদ্রোহ করার পর। সে সময়ে এপ্রিল ফুলের ঘটানার মত কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা ইঊরোপীয় ঐতিহাসিকরা তা উল্লেখ করেননি।

আত্মসমর্পন ঘটনার তিনমাস পরে স্পেনের বিপর্দস্ত মুসলমানদেরকে মসজিদের মধ্যে ঢুকিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, নাকি ইতিহাসের অলীক মারপ্যাচে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকেই এপ্রিল ফুলের বোকা বানানো হয়েছে তা নির্নয়ের দায়িত্ব ইতিহাসবেত্তাদের নিকটই ছেড়ে দিলাম।

(ঈষৎ সংযোজিত, এপ্রিল৯, ২০০৮)

 

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪৩
শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: দেরী করে ফেলেছি। তবুও দিলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আরো জানার জন্য মূলত।
২. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ভালো লাগল। আমরা বাংলাদেশে এপ্রিল ফুলকে আমাদের ধর্মের সাথে গেঁথে নিয়েছি। কিন্তু ইতিহাস তা বলে কিনা তা নিশ্চিত নয়।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: সেটাই তো কথা!

৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ। আসলেই দেরি করে ফেলেছেন।

জানাটা আপডেটেড হলো।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: প্রথমে ভাবিনি এনিয়ে লিখব। কিন্তু পরে কারো লেখা দেখে কৌতুহল আটকিয়ে রাখতে পারলাম না।

৪. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার এই লেখা পড়ে আমার মনে হচ্ছে কি জানেন, এখন থেকে কোন বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে কিছু লিখবও না কমেন্টও করব না......

এই দিন নিয়ে এতদিন ভিন্ন রকমই জানতাম, আপনি না লিখে অন্য কেউ লিখলে তো তর্ক শুরু করে দিতাম....... জানি না এরকম আরও কত তর্ক করেছি।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: আমিও তো করেছি আগে। এই লেখার আগে অনেক ভেবেছি, খোজ করেছি। অনেককেই ইমেইল করেছি। আসল ব্যাপারটা কি? কিছুই পাইনি। স্ট্রং এভিডেন্স তেমন কিছু মেলেনি। ব্লগে দিলাম কেউ যদি রেফারেন্স সহ জানায় ভেবে। দেখি কারো কাছে আছে কিনা।

৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০৪
সবুজমিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ.......ভাল লাগল...




০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:২৭
নেমেসিস বলেছেন: তথাকথিত গ্রানাডার ঘটনাতে তাহলে সংশয় আছে আপনার ? কদিন আগে এক ব্লগারের এ সংক্রান্ত পোস্টটে মতভিন্না প্রকাশ করায় উক্ত ব্লগার দেখলাম আমার কমেন্টটি মুছে আমাকেই ব্লক করে ফেলল । হাহাহা । বাঙালী " চিল এ কান নিসে " এটাইপ গল্পে যে কতটা আপ্লুত হতে জানে তা এই এপ্রিল সংক্রান্ত গুজবটিই প্রমান করে ।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৭. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০২
মাইনুল বলেছেন: এপ্রিল ফুল জিনিসটা বর্জন করা উচিত। এটা শিশুদের ধোকাবাজী শিখায়। শিশুদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় যে ধোকাবাজী কোন অন্যায় নয়। তাই এটা অবশ্য বর্জনীয়।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:০৫

লেখক বলেছেন: কালচারটির মধ্যে মিথ্যা কথা বলে মজা করার প্রবনতা ঢুকে গেছে। সেটাই মূল সমস্যা।

৮. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:২৩
দৃষ্টির ছায়া বলেছেন: ইতিহাস জানা এবং গ্রহণযোগ্যতা দু'টি ভিন্ন দিক। কোন ব্যাপারে ইতিহাসের সঠিক দিকটার প্রচারই কাম্য, বিকৃতি বা কৌশলী প্রচারণার ফলাফল কখনোই শুভ হবার নয়।

অন্যদিকে ব্যাপারটা গ্রহণযোগ্য কি না এবং গ্রহণে বা বর্জনে কি সুফল ও কুফল নিহিত; সে দিক বিবেচনা করাও গুরুত্ববহ।

অনেক ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:০৬

লেখক বলেছেন: সুন্দর কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৯. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:১২
আবাবিল বলেছেন: ভাবনার কথা! প্রকৃত তথ্য জানা খুবই জরুরী।
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: একমত।

১০. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৫০
বিবেক সত্যি বলেছেন: ধন্যবাদ, তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ....
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।

১১. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩৭
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
নিজেকে কেমন বোকা বোকা মনে হচ্ছে। :(
এত ব্যাপকভাবে প্রচলিত ঘটনা জাস্ট বোকা বানানোর জন্যে?! তাও একটা জাতির সেন্টীমেন্টকে ব্যবহার করে। এটা যদি সত্যি ফান হয় তাহলে দুঃখজনক। কারন এ ধরনের ঘটনা একই সাথে মুসলিম জাতির সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলা করা এবং সেই সাথে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের উপর অপবাদ। ……… এক জন আরেকজনকে বোকা বানায়ে কী যে মজা পায় আল্লাহ মা’লুম! :(
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: আমার মাথায় এখনও আসছে না, কিভাবে ঢুকল।

১২. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: শোকেসে রাখলাম। মনে হচ্ছে সবার বিষয়টা জানা উচিত।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস, ফারজানা।

১৩. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০
কোলাহল বলেছেন: অন্যকিছু ভাবতে বাধ্য করলেন। প্রকৃত তথ্যটা জানা আসলেই জরুরী।
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫০

লেখক বলেছেন: কোলাহল কি খুব ব্যস্ত? দেখি না যে!

১৪. ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৪
আসম বলেছেন: ইকরুর পোস্টে মন্তব্য করতে যেয়ে দেখলাম, আপনি আগেই দিয়েছেন। ধন্যবাদ, কোন কিছু পরিবেশনের আগে সঠিক তথ্য আগাম জানা খুবই জরুরী। একটি লিংক দিলাম সবার জন্য,

http://www.themodernreligion.com/index2.html
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য। লিঙ্কটা দেখলাম।

১৬. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: বিশাল পোস্ট। আপাতত প্রিয় পোস্টে রাখলাম। সময় করে পরে পড়বো।।।
১৮. ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০
মাহমুদ ফয়সাল বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম...
শোকেসে রেখে দিলাম। এখন কিছু বলতে পারছিনা। বুক ভারী হয়ে গেছে...

তবে বোকা বানানো কখনই পজিটিভ কোন আচরণ নয়। আমি এটাকে সম্পূর্ণ ঘৃণা করি।

আর গ্রানাডার কাহিনী জানার পর খারাপ লাগছে বেশি। মানুষগুলোর অসহায়ত্বকে স্মরণ করছি... শুধুমাত্র মুসলমান বলতেই এতটা কষ্ট যাদের করতে হয়েছিলো!!

১৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৩৯
বাংলাকে ভালবাসি বলেছেন: ভালোর সাথে কিছু দুঃখ মেশানো পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।

হায়রে এতগুলো মুসলিমের কষ্টের কথা শুনেও মনে দুঃখ আসেনা, কি যে আমার হয়েছে।

আসলে ঈমানের minus level চলতেছে মনে হয় দেখি রোজা আসলে কিছু বাড়ে কিনা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
শখের বশে লিখি মাঝে মাঝে। সৌখিন লেখক বলতে পারেন। পেশা সম্পুর্ণ ভিন্ন। ব্লগে সবার লেখা নীরবে উপভোগ করার চেষ্টা করি।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ