প্রেমলীলা..........প্রথম পর্বঃ
বাংলায় একটা প্রবচন আছে, 'কানা কে কানা বলিও না খোঁড়াকে খোঁড়া বলিও না "। এই প্রবচনটি যে অত্যন্ত মূল্যবান তাতে সন্দেহ নেই এবং এটা মেনে চল্লে অনকে বিব্রতকর এবং অসুবিধাজনক পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
দূঃখরে বিষয় এই প্রবচনের ব্যাপকতর প্রয়োগটি ইংল্যান্ডের জনকৈ পুলিশ অফিসারের জানা ছিল না ।ফলে সম্পতি ঐ পুলিশ অফিসারের যথেষ্ট বেগ পেতে হয় ।
জনকৈ বিধবা দাবি করেন যে ওই পুলিশ অফিসারটি আদালতের কাছে পেশকৃত কাগজপত্রে তাকে কুৎসিত রুপে বর্ণনা করেছেন । পঞ্চাশ বৎসর বয়স্কা বিধবা কেটি পটস্ বলেন যে একটি সুপার মার্কেটে চুরি এবং শান্তি ভঙ্গ করার অভিযোগে তাকে থানায় নয়োর পর জনকৈ পুলিশ অফিসার চার্য শিটে তার চেহারার বিবরণ দেয়ার সময় লেখেন যে তিনি কুশ্রী। ম্যাঞ্চেষ্টার নিবাসী মিসেস কেটি পটস্ ওই পুলিশ অফিসারের নাম প্রকাশেরও দাবী জানান। তার উকিল মিঃ জেরার্ড লুইস বলেন যে চার্য শিটে মিসেস পটসরে পেশা যে কলামে সেখানে লেখা হয় 'কুশ্রী" সন্তান সংখ্যা লেখা হয় দশ , স্বামীর তথ্যে লেখা হয় গত বছর মারা গেছেন ।
পটস বলেন যে চার্যশিট পড়ে আমাকে নর্দমার পানির মত মনে হয়েছে । এটা অত্যান্ত অপমানজনক এবং নিস্ঠুরও বটে। আমাকে নিচু ও হেয় করা হয়েছে। ঐ পুলিশ অফিসারটি চার্যশিটটি আমার হাতে দিয়ে জানতে চান 'আমি পড়তে পারি কী না" অবশ্যই আমি পড়তে পারি কিন্তু সেটা তাকে বলার কোন রুচি ছিলনা আমার।
মিসেস পটস এর এই হৃদয় বিদারক অভিযোগ সম্পর্কে থানার জনকৈ মুখপাত্র আশ্বাস দেন যে এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে। এবং ঐ অফিসারটি তদন্তে প্রমাণিত হলে হয়তো ইংরেজীতে নতুন প্রবচন জন্ম হবে ঃ কুশ্রীকে কুশ্রী বলিও না।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


