হাচিনা বুবু ঠিকই জানে তাকে একমাত্র কট্টর আ-ম্লীগ বাদে কেউই এখন ভালো দ্যাখছে না।
১ লিটার সয়াবিন ত্যাল কিনবেন ? মাত্র ১৩৫ টাকা।
আবুল / মাল / ষাহাড়া / ফারুক এদেরতো ১৩৫০০০ টাকা লিটার হলেও সমস্যা নেই।
কিন্তু এসব কিছু বলতে গেলেই পুলিশ বাহিনীর অত্যাচারে বিএনপি নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের জীবন প্রায় শ্যাষ।
এরই সূত্র ধরে, রাজধানীতে বিএনপির গণমিছিল কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে।
বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কাছে নাইটিঙ্গেল মোড়ে নেতাকর্মীরার মিছিল বের করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে এবং লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এরপর ২০-২৫ জন নেতাকর্মী বিএনপি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে মিছিল শুরুর চেষ্টা করলেও পুলিশের বাধার মুখে আবার ফিরে যায় তারা।
জলকামান ও সাঁজায়া গাড়ি নিয়ে এই অভিযানে অংশ নেয় পুলিশ।
গুপ্তহত্যা বন্ধের দাবি এবং বিরোধী দলের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধার প্রতিবাদে গত সোমবার রাজধানীতে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেয় বিএনপি। বুধবার বেলা আড়াইটায় দলের কার্যালয়ের সামনে থেকে গণমিছিল শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই বিএনপি কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখে পুলিশ। সেখানে বসানো হয় তিন স্তরের পুলিশ বেষ্টনী।
দুপরে বিএনপি কার্যালয়ের কাছাকাছি জলকামানের দুটি গাড়ি, প্রিজন ভ্যান ও রায়ট কার অবস্থান নেয়। রাস্তার ওপারে র্যাবের চারটি গাড়ি লাইন ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়।
পুলিশ দুপুরের দিকে নয়া পল্টন থেকে ৭/৮ জন বিএনপি কর্মীকে আটক করে বলেও অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা।
বিকেলে পুলিশের ঘেরাওয়ের মধ্যেই দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে দলের কার্যালয়ে নিজের কক্ষে বৈঠকে বসেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা এই বৈঠকে অংশ নেন।
পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডিবি) মেহেদী হাসান বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, “কোনো সহিংসতা বা নৈরাজ্য করতে দেওয়া হবে না। জনগণের জানমাল ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মাননীয়া হাচিনা বুবু.................
শুধু কট্টর আ-ম্লীগ বাদে আমাদের পিডাইয়া মাইরা ফালান তো।
যেমন ফেলেছিলেন পল্টন ময়দানে লগি-বৈঠা দিয়া.........................
হাজী সেলিমের........তান্ডব...............

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



