যাব যাব করতে করতেই দেখি পৌনে ছয়টা। পাথুরে আর রাকিবরে ফোন দিলাম । দুই জনই ব্যস্ত। যাব কি যাব না করতে করতেই অন্ধ দাঁড়কাক ফোন দিল। কথা বলতে বলতে দুজনই হাঁ / না চিপায় পরে গেলাম। আকাশটাও একটু আঁধার হয়ে ছিল। পরে ও বলল আমি আসতেছি সিএনজি নিয়া তুমি রাস্তায় দাঁড়াও। রাস্তায় দাঁড়ায় ওরে ফোন দিলাম। ফোনে শুনতেছি বেচারা সিএনজি ওয়ালার হাতে পায়ে ধরতেছে। কারো দয়া হইতেছেনা। অবশেষে ............
ছবির হাঁটে পৌছে এদিক ওদিক তাকায়- চেনা কাউরেত দেখতেছিনা। এদিক ওদিক ঘুরে রোহানরে ফোন দিয়া দেখলাম যারা হালকা অবাক নয়নে আমাদের দিকে তাকাইয়া ছিল তারাই ব্লগার ।
পরিচিত হলাম রোহানের সাথে। দেখা পেলাম শান্তির দেবদূতের (যার লেখা পরলেই বিয়া করার সাধ যাগে
খুজে পেলাম আগে পরিচিত হওয়া চাচা মিঞা কে, রামুদাকে। ভাবনার অবকাশ পাবার আগেই পরিচিত হলাম ব্লগার ভেবে ভেবে বলির সাথে।
সাইকেল ওয়ালার দেখা পাইলাম। পাইলাম দূর্ভাষীরে। একটু পরেই হাজির হলেন কাল পুরুষ দা। দাদা জমিয়ে আড্ডা শুরু করলেন ভেবে ভেবে বলির সাথে
এর মধ্যে বিশাল ইফতারির সমাহার নিয়ে হাজির হলেন শামীম ভাই আর মাতব্বর। মাতব্বর পূর্ব জন্মে নিশ্চিত এই মাতব্বরি পেশাতেই ছিলেন
সব ম্যানেজ করার দায়িত্ব নিজ কাধেই তুলে নিয়েছেন।
শুরু হল আয়োজন। এমন সময় আযান হয়ে গেল। শামীম ভাই সবার হাতে জুস প্যাক তুলে দিচ্ছেন। তবে তার ব্যাপক আগ্রহ দেখলাম সবাইরে কলা খাওয়ানোর ব্যাপারে। ক্ষনেক্ষনে সবার হাতে কলা তুলে দিচ্ছেন।
ইফতারী শেষে শুরু হল আরেক দফা আড্ডা, ছবির হাটের পিছনে চা এর টং এ। টপিকস এর কোন লাগাম নেই। একবার এক খান থেকে শুরু হয় আড্ডা । সাথে চলছে অন্ধকারের মাঝেই ছবি তোলা। কাক ভুষুন্ডি আর রোহান শার্টার ক্লিক করেই চলেছে। এর মাঝে এক জনের পকেট থেকে কলা বের হয়ে এল। তদন্ত কমিটি আর শেষ পর্যণ্ত কাজে নামলনা- কি করে শামীম ভাইর কলা অন্যের পকেটে পাওয়া গেল
মুহিব আর মেজবাহ ভাই ঈদ পরবর্তী ট্যুর নিয়ে ছোটখাট আলোচনা করে ফেললেন।
আড্ডা চলছে- কেউ কেউ হালকা ব্যবসায়িক/ অফিসিয়াল কথাবার্তাও দেখলাম সেরে ফেলছে। কাজের প্রয়োজনে এক দুজন করে বিদায় ও নিচ্ছেন। দেবদূতের ব্লগে অনুপস্হিতির কারন বের হল ভাবীর সাথে শালীকেও টাইম দেবার কারনে ওনি ব্লগে টাইম দিতে পারছেননা
সময় বয়ে চলে- আমাদের ও যেতে হবে গন্তব্যে, নিজ ডেরাই। যাত্রা পথের সঙ্গী খুজতে ব্যস্ত হয়ে প্যল সবাই ।
কাক ভুষুন্ডি , ভেবে ভেবে বলি আরও একজন এক পথের পথিক। রোহান পরে গেল একা। রামুদা, দেবদূত আর একজন ধরল উত্তরার পথ। আমি শামীম ভাই আর স্পর্শহীন কিছুদিন এক পথে।
রামুদারা হঠাৎ একটা সিএনজি পাইয়া আমাদের কথা ভুলে চলে গেলেন। অনেকক্ষন দাড়িয়ে থেকে শেষে আমাদের কপালে জুটল মিশুক, তাও কপাল ভাল।
কতজনের সাথে কথা হইল, দেখা হইল -ঘরে ফিরে দেখি সব মনে আছে শুধু সবার নাম গুলি ভুলে গেছি।
শামীম ভাইর পোষ্ট:
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

