সাত সকালে কক্সবাজার সৈকতে হাঁটতে গিয়ে অন্যরকম এক দৃশ্যই চোখে পড়ল। ইংলিশ মুভীতে দেখা চেনা সে দৃশ্য, কিছু তরুন হাতে সার্ফিং বোট নিয়ে ছুটে চলেছে ঢেউ বরাবর। সফল সার্ফিং এর হার হয়ত হাতে গোনা তবুও তাদের চেস্টার কোন কমতি নেই । ভালই লাগল আমাদের সমুদ্রের কালচারে নতুন একটা সংযোজন দেখে।
ফিটনেস তাদের হলিউডী মুভীর নায়কদের মত না হলেও চেস্টায় তারা অবিচল, পাড়তেই হবে।
এদের মাঝে সবাইকে ছাপিয়ে যে ব্যাপারটি দৃস্টিসীমায় ধরা দেবে তা হল উচ্ছল এই সব তরুনের পাশাপাশি সমান উৎসাহ আর দীপ্ত সাহস নিয়ে এগিয়ে চলেছে এক কিশোরী, কিছুটা বিস্ময় ছুয়ে যাবার কথা থাকলেও তেমনটি হলনা, আগেই পত্রিকায় তার কথা জানতে পারায়।
নাসিমা-সাগর কূলের এক তন্বী কিশোরী, তার দ্বিগুন উচ্চতার একটি সার্ফিং বোট নিয়ে এগিয়ে চলেছে। চোখে মুখে সাগর বুকে দাপিয়ে হেঁটে বেড়ানোর স্বপ্ন। চেস্টায় ক্লান্তি নেই।
বিদেশী জনৈক ভদ্র লোকের দিয়ে দেয়া এক সার্ফিং বোট নিয়ে কক্সবাজারে যাত্রা শুরু প্রথম বাংলাদেশী সার্ফিং ক্লাব এর। জাফর নামের তরুনের হাতে প্রতিস্ঠিত এই সার্ফিং ক্লাব , যার উৎসাহ দেখে বিদেশী ভদ্রলোক দিয়ে গিয়েছিলেন সার্ফিং বোটটি। জাফর নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে উৎসাহ দিয়ে শিখিয়ে চলেছে সবাইকে, নিজে হাওয়াইতে একটি এ্যামেচার প্রতিযোগীতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ও করেছে। বিদেশীদের বদান্যতায় আজ অনেকগুলো বোট আছে তাদের।সদস্যও কম নেই ।
এগিয়ে চলুক তারা, একদিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে সৈকতে হাঁটতে গিয়ে চোখে পড়বে একগাদা বাংলাদেশী তরুন তরুনী উম্মাতাল সাগর বুকে দীপ্ত মনোবলে হেঁটে চলেছে- সেই দিনের প্রত্যাশায় তাদের সাফল্য কামনা করছি......।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


