প্রায় চার ঘন্টা নৌকা চালিয়ে পানির জন্য আসা, আবার চার ঘন্টা চালিয়ে ফেরৎ যাওয়া, সেটাও আবার জোয়ার ভাটার উপর নির্ভরশীল !!!!
এভাবেই খাওয়ার জন্য মিঠা পানি সংগ্রহে ছুটে যায় সুন্দরবনের গহীনে বসবাসরত পরিবারগুলো। সে পানি মিঠা এটা সত্য, তবে তা যে মোটেও বিশুদ্ধ নয় সে নিয়ে অত ভাবার অবকাশ বা সুযোগ কোনটাই আসলে তাদের নেই । সে চিন্তাটাও আসলে বিলাসিতার নামান্তর হবে।
পরিবার গুলো নৌকা নিয়ে একেবার প্রায়ই সপ্তাহ খানেকের জন্য পানি সংগ্রহ করে নিয়ে যায় । সরকার বন বিভাগের বিভিন্ন রেন্জে মিঠা পানি ধরে রাখার জন্য কিছু পুকুর খনন করে দিয়েছে, সেখান থেকেই চলে সবার এই পানি সংগ্রহ, বন্য প্রানীরাও নির্ভরশীল ঐ পুকুর গুলোর উপর।
এক সঙ্গী জানতে চাইছিল, আচ্ছা আপনারা কি পানি ফুটান ?? থামিয়ে দিয়েছিলাম এই বলে এত কস্ট করে জোগাড় করা পানি বাষ্পাকারে উড়িয়ে দেয়ার মত বিলাসিতা ওদের চিন্তায়ও আসার কথা না ।
সামনে আসছে বিশ্ব জলবায়ু দিবস, বায়োডাইভার্সিটি ডে আর কত কি ??? এদের এই কস্ট আসলে কোথাও পৌঁছায় কিনা জানিনা !!!!
পানি ব্যবহারে আমাদের এখনই সচেতন হওয়া জরুরী , না হয় একদিন আমাদেরকেও ............
**** উপরের ১ম ছবিটা আমার খুবই পছন্দের তোলা একটা ছবি, সাবলীল একটা ছবি। কিন্তু পুরো গল্পটা যখন শুনলাম, তখন অনুভূতিটুকু বিষাদেই ছেয়ে গিয়েছিল । কত সুখেই না আছি আমরা !!!! ******

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


