বুয়া আসে নাই, অথচ আপনি বড় শখ করে ইলিশ কিনে আনলেন.......না , মন খারাপ করার কিছু নাই। নেমে পড়ুন নিজের হাতের রান্না খাবার জন্য। ইলিশ রান্না খুবই সোজা। বিশ্বাস না হলে ট্রাই করে দেখুন.......
উপকরনঃ ইলিশ মাছঃ ৮/১০ টুকরো (অবশ্যই বাজার থেকে কাটিয়ে আনবেন, ব্যাচেলর পোলাপান আঁশ ছড়িয়ে কাটতে পারবে বলে মনে হয়না, আমরা তিন জন থাকি তাই তিন টুকরা )
পেঁয়াজকুচিঃ এক কাপ (পারফেক্ট হতে হবে অমন কথা নাই, পেঁয়াজ হলেই হল )
হলুদ গুড়াঃ ১ চা-চামচ (রাঁধুনি
মরিচ গুড়াঃ ১/২ চা-চামচ
জিরা গুড়াঃ ১ চা-চামচ
আস্ত রসুনের কোয়াঃ ৮/১০টা (চামড়া ছাড়ানো একটু ঝামেলা
লবনঃ স্বাদমত
সর্ষের তেলঃ ২ টেবিল চামচ (সয়াবিন ভরসা আমার
পানিঃ পরিমান মত
আমি অবশ্য আলুও দিয়েছিলাম (২ টা)। আলু ছাড়া আমার চলেইনা
প্রনালীঃ চুলায় হাড়ি/ কড়াই বসিয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ ভাজুন, লালচে হওয়ার আগে রসুন দিন। আর একটু ভেজে আলু আর পানি দিয়ে সব মসলা ও লবন দিয়ে ভালো করে কষান। আপনার মনের মত কষানো হলে আস্তে করে মাছ গুলো সাজিয়ে দিন। এখন এমন আন্দাজে গরম পানি দিন যাতে নামানোর পরে ঝোলটা মাখামাখা হয়। ঢেকে দিয়ে ৫/৬ মিনিট সেদ্ধ করুন। নামানোর আগে ইচ্ছে হলে ৪/৫টা কাঁচামরিচ অল্প চিরে তরকারিতে দিয়ে নামিয়ে ঢেকে রাখুন (যদি বাজার থেকে এনে থাকেন আর কি )।
খাওয়া শেষে কড়াই ধোঁয়া যাবেনা, বুয়া দুদিন পরে এসে চিল্লাতে চিল্লাতে পরিষ্কার করবে- আর এটা না হলে ব্যাচেলর জীবনের স্বার্থকতা কোথায়
পুরো রেসিপিটাই সুরঞ্জনা আপুর (Click This Link) দেয়া ।
আমার মোটেই এত কস্ট করার কথা ছিলনা !!! রেজোওয়ানা আপু (http://www.somewhereinblog.net/blog/s_rezowana) ইলিশ রান্না করবে ভেবে আমি বড় আশাই ছিলাম। কি আর করা কপালে না থাকলে
শেষমেষ কি আর করা , ইলিশ না খাওয়া পর্যন্ত ঠিকমত ঘুমাতে পারছিলাম না

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



