আমার প্রিয় পোস্ট

পুরান চাল ভাতে বাড়ে, পুরান ব্লগার ভাতে মরে

একটি সংযমমূলক ব্লোজবের ইতিকথা (রমাযানুল বি-মোবারক)

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

শেয়ারঃ
0 0 0

রোজা আসিলে সংযম বাড়ে এই বয়ান লইয়া যারা পাভলভের কুত্তাতাত্ত্বিক সুখ পায় তাদের জন্য ধর্মীয় লেহন নানা প্রকার বন্দোবস্ত করিয়া রাখিয়াছে। শতহোক এত পুরান প্রতিষ্ঠান নিজের দেখভালের রাস্তা ভালোমত করিবেক এটাই প্রত্যাশিত। পাভলভ বলিয়াছিলেন খাবার দেও আর ঘন্টা বাজাও, একসময় শুধু ঘন্টা বাজাও তাতেই কুকুরের লালা ঝড়িবে। লালা এখনো পড়ে তবে বৈধতা পায় নানাবিধ রাজনৈতিক সুত্রে। যেমন এই সময়ে আমরা প্রকাশ্যে ধূম্রপান দেখিনা অতএব ইহা জনস্বাস্থ্যকর এবং তাই ইহা আধুনিক আবার তাই ইহা ধর্মের বৈজ্ঞানিক আশ্রয়। আবার যেমন নামাজের ব্যায়াম উপযোগীতা, য়োগা প্রতিষ্ঠানগুলার ভাত মারতে নামছে। অন্যদিকে অনুভূতিমূলক থকথকে গুয়ের মত একগুচ্ছো পরহেজগারী বয়ান যখন শব্দ ক্লিশে তৈরী করে তখনো সেটা বৈধ কেননা ইহা ঐশ্বরিক। মানুষের মত ঐশ্বরিক স্বয়ং ঈশ্বর ধারণার অতিক্রমী কেননা ইহা লইয়া ফাল দেওনের আকামটা মানুষই করে। তারে করতে হয় ধর্মানুভূতির উপকথাটারে বহাল রাখনের লাইগা। কেননা এই উপকথা ছাড়া সে নিজেরে লোকেট করতে হোঁচট খায়। নিজেরে চিহ্নিত করণের, সূত্র খোঁজনের বাতিক নিয়া প্রায় সব মতবাদ নিরন্তর কুস্তিরত। এই কুস্তির যে ঘাম সেটা আবার যার যার জিহাদী যোশে অমৃত হইয়া যায়।

আমি তো দেখি নগরে খালি সময়টা শিফট হয়, ইফতার পার্টিগুলা শরীর শিকার, নেটওয়ার্ক শিকারের নতুন ধান্দার জায়গা হয়। আরো ছোট্ট পরিসরে না হয় তথাকথিত পারিবারিক, সামাজিক উদযাপণ; আসলে প্রথা উদযাপণ। এত সংযমের কালে আবালেরা নেট এ ঢুকে ক্যান? ঢোকে এইটারে সংযম সঙ্গমে ফাটায়া ফেইলা নব নব ক্ষেত্র বিস্তৃতির রাজনীতি করণের লাইগা। একজন দুজন বা অনেকজন ধর্মানুভূতিগ্রস্ত মানুষ অনুভূতি অক্ষুন্ন রাখনের দায় নিয়া মৃদু আওয়াজ তুইলাও মিয়াইয়া যায়। এই মিয়ানি আরো বড় সংযম অস্তিত্বর কাব্য। যদিও পুরাতন ঢাল অথবা তরবারী ধর্মানুভূতি। আমি তো এই পুরা প্রকল্পে কোন ঈশ্বর দেখি না, দেখি এই ধারণার মানবীয় বিশ্বাস আর রাজনীতিমূলক পাভলভ তত্ত্ব। ছোঁক ছোঁক বুদ্ধিবাদী সন্ধানীরা এগুলারে নিয়া খেলা খেলে নতুন নামে পীর হয় আর মুরিদ বানায়। এগুলাও তো মানবীয়। ঠিক এই সময়ই মরমীবাদীরা ফাল দিয়া টক্কা দিয়া উঠে......নিজেগো গল্প নিয়া জায়গা বানাইতে চায়। জায়গা বানাইতে চায় সবাই, কম জায়গায় ঠেলাঠেলি কইরা। এই জন্যই পুঁজিবাদ এক কল্পিত অসীম জায়গার কথা কয়, কয় যে ঠেলাঠেলীর দরকার নাই নিজেরে বাঁচাও তাইলেই দেখবা জায়গা আছে; আর বুদ্ধিমানরা চাঁদে মঙ্গল গ্রহে জমি কিনতে থাকে। আরো বুদ্ধিমানেরা পুরা জায়গা জমিনরেই ভার্চুয়াল বানায়া দেয়। এইবার সার্ভারে সার্ভারে জায়গা বানাও। আবালেরা এইখানে তালাশ করে আর ফাল দেয়।

যদিও ঠিকই মঙ্গা এলাকায় দুই টাকার মুড়িতে ইফতারি হয়, ধানের খুদ দিয়া সেহেরী। এই ঈশ্বররে জামাত ভালো বুজে তারা টেকা দেয়া, তারা ভাত দেওনের স্বপ্ন দেয়। এনজিওরাও বুজে। তারা খাদ্যানুভূতির ঈশ্বরকে পুঁজাবাদী ঈশ্বরের কাছে বিক্রি করে। এই ঈশ্বর নাখোশ হইলে কোন অনুভূতি আর টিকতে পারবো না এইটাও তারা বোঝে। হাসিনাখালেদাতারেকবামইনুফখরু সবাই বোঝে। চকের ইফারতী বিক্রেতাও বোঝে, ভোরের সেহেরীর পান্তা খাওয়া রিকশাচালকও বোঝে, সেহেরী পর্যন্ত দম ফেলতে না পারা ২০ থেকে ২০ হাজারী পতিতাও বোঝে।

সংযম বাড়েনা কোথাও, কেউ শিফট করে কেউ শিফট না কইরা সুবিধা নেয়। জগতের সকল গল্পে তাই কষ্ট করলে পাওনের একটা চ্যাপ্টার থাকেই। এইটা না থাকলে কোন অনুভূতি জাগে না। ধর্ম স্বর্গ দেয়, বিজ্ঞান বিকাশ দেয়, মার্কসবাদ সমাজতন্ত্র দেয়, ব্লগ বাক দেয়। খিক খিক খিক।
তবুও অনুভূতিবাদীগো হাউস কমেনা। তারা একের পর এক গল্প বানায়া নিজেগো বুঝায় অন্যগো টানে। যদি দলে কম লোক পায় তাইলে একটা প্রাথমিক আবেগের গল্প কয়। যেমুন মা বাবার প্রেম। ভাইবোনের দরদ। বউ জামাইয়ের সুখ শান্তি। সন্তানের টান। প্রেমিক প্রেমিকা মহব্ত। সমকামীগো ঐক্য। হিজড়াগো দলীয় পিরিত কি না। কিন্তু প্রিয় রুপকথাটা বাস্তবে একই থাকে না, বাপে কচি মাইয়া পাইয়া মায়রে তালাক দেয়, মায়ে বোঝা মনে কইরা সন্তানরে পানিতে ফেলে, ভাইয়ে বোনেরে বিক্রী করে, জামাইয়ে বউয়ের গলা কাটে, সমকামী এইডস রোগী কইয়া নিজের সঙ্গীরে ধরাইয়া দেয়, হিজড়া সর্দার দলের নতুনগো কুত্তার মত খাটায়।

আবার ধর্মানুভূতি ফিরিয়া আসে, স্বপ্ন দেখায় আর কয় আদর্শ জীবন ব্যবস্থা কায়েম হয় নাই। আবার বিজ্ঞানবাদী ঝাপ দেয় আর কয় পূর্ণ বিকাশ হয় নাই। আবার আধুনিক ঝাপ দেয়, উত্তরাধুনিক ঝাপ দেয়, রাষ্ট্র ফাল দেয়, বাম ডান ফাল দেয়, পুঁজি আকড়াইয়া ধরে, রাজনীতি দাবড়াইয়া ধরে। কিন্তু কোথাও ঈশ্বর থাকে না, ঈশ্বর ধারণা অসংযমী লালায় আছাড় খায় আর আঠা তৈরী করে। তারেক কিছুতেই রোজা ভাঙ্গেনা, আর নছিমনের যোণী কখনোই খালি থাকেনা। সন্তান কিংবা শিশ্ন সর্বদা যাওয়া আসা করে। এই বিশ্বের কোন অনভূতিগামী চুতিয়া কখনো সংযম করে না, আরো বেশি ভোগের জন্য শুধু সংযমের গল্প বানায়। যখন আর সরাসরি পারে না তখন ওরালে যায়, যখন ওরালেও পারে না তখন ভার্চুয়ালে যায়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বি মোবারক ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: লেখা বিষয়বস্তু ভালো হয়েছে ...
কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন আছে ...
কঠিন, অপ্রচলিত শব্দ ব্যবহার করে কঠিন করে লেখাটা কি একটা ষ্টাইল নাকি...?
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: না স্টাইল না....এমন লিখলে মনের কথা কওনের একটা স্বতস্ফূর্ততা থাকে,,,তবে একমাত্র স্বতস্ফূর্ততা না।

৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ঐতিহাসিক পোস্ট +
৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
আন্দালীব বলেছেন: নজরে থাকলো। সময় নিয়া পড়বো....
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মাথার পঁচিশহাত উপর দিয়া গেলো ! :(
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনে গণনায় ভুল করছেন। আমরা গণনা নিয়া তর্ক করতে পারি কিংবা আপনি আবার কষ্ট কইরা পড়তে পারেন।

৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: স্বতস্ফূর্ত সরল কথন, কিন্তু কবে এইসব সহজ সত্য গুলা আমাদের মাথায় ঢুকবে?
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: ঢুকতে হইলে ভাতের গল্প পরিষ্কার জানা থাকতে হইব কেবল অনুভূতির না।

৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
দস্যু বনহুর বলেছেন: "... ভোগের জন্য শুধু সংযমের গল্প বানায়। যখন আর সরাসরি পারে না তখন ওরালে যায়, যখন ওরালেও পারে না তখন ভার্চুয়ালে যায়।"


বড়ই মজাক পাইলাম।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: খেক খেক

১০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
আমি ও আমরা বলেছেন: প্রীয় পোষ্ট। মন্তব্য ছোট হইবেক, কেননা মনের কথা সব বইলা ফেলছো মামু।

রাভা-- সংযম রাইখা কিন্তু!!!!!
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: একালে আর সংযম আমার হইবে নারে....স্বখৎনাকারীতে জগৎ ভরিয়া গেল।

১১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫
আমি ও আমরা বলেছেন: তয়ত মামু আমার মতই ভোজদার। এখন যাই কাইল আমু।

রাভা।
১২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: কমেন্ট গুলো গেল কোথায়?????????????? মুছে দিলেই কি সমাধান হয়ে যায়?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ঐ গরু কিসের কমেন্ট খুঁজো? অন্য রাস্তা নেও।

১৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ভদ্র ভাষায় কথা বল। সাহস থাকলে জনগনের সামন গিয়ে বল। অনলাইনের আশ্রয় নিয়েছিস ক্যান?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: এই রাস্তাতেও হইবো না....টেম্পারমেন্টে হাইরা যাবা।

১৪. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ভালো লাগলো। সবাই এমনে বুঝলে তো কামই হইতো।
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: সবাই এমুন বুঝবো কি?

১৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮
মাহিরাহি বলেছেন: লেখায় সর্বত্র অসংযমের ছাপ
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: ভালৈ তো...সবার অসংযম এক লেখায় আইসা গেছে।

১৬. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৩
রুবেল শাহ বলেছেন: কঠিল................ শরৎ দা
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রুবেল।

১৭. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৯
ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন: ভাইছা বালা লেখছেন। প্রায় কাছা কাছি টাইপের ডাইলগ, আমিও একযুগ আগে সংসদের সামনে মারতাম। আহা কি দিন আছিলো? ফুরান দিনের কতা মনে করাই দেনের লাই ধইন্যা ফাতা।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: আফনারেও ধইন্যা ফাতা।

১৮. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩
ঘনাদা বলেছেন: কঠিন বলেছেন!
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
শিরোনামহীন বলেছেন: শেষের ২টা লাইন সবকিসু তুরায়ে ফুরায়ে উড়ায়ে দিলো!! :) প্লাস। ভালো লাগসে লেখাটা।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।

২০. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
আন্দালীব বলেছেন: বস, এইটা চমৎকার লেখা। সবাই তো দেখে, এমন প্রকাশ কয়জনের আছে..!

পড়তে সময় বেশী নিয়া ফেলছি, ক্ষমা করবেন।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আন্দালীব। কই আর বেশি সময় নিলেন ধুম কইরা পইড়া ফেললেন..আবারো ধন্যবাদ।

২১. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সংযোম করে পড়েনিলাম...
কষ্ট টা এখানে সংযোম...
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: হা হা হা ভাল বলছেন পথিক!!!

২২. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১
সার্কিট বলেছেন: জটিল লিখেছেন বস, অবশ্যই প্লাস +
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সার্কিট! আপনার নিকটা ইন্টারেস্টিং মুন্নাভাই এমবিবিএস প্রভাবিত নাকি?

২৩. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
না বলা কথা বলেছেন: কঠিন, অপ্রচলিত শব্দ ব্যবহার করে কঠিন করে লেখাটা কি একটা ষ্টাইল নাকি...?
এই রকম না লিখিলে মাইনষে বুঝবো কেনে পুলার মাথায় মগজ আছে।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: আহারে........মানুষের কত কষ্ট। জ্ঞানী লুক খুইজ্জা বেড়ায়। তার উপর মগজ।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: রাম গোপাল ভার্মার ফ্লপ সিনেমার কথা কইলা নাকি??

২৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৪
যীশূ বলেছেন: এতদিন পরে বুঝলা!

নাকি আগেই বুঝছো, বলতে দেরি করলা?
০৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২৩

লেখক বলেছেন: হা হা হা হা...নতুন সিনেমা লঞ্চের আগে এ টুকু না বোঝাই ব্যাবসায়কিভাবে রাভজনক।

২৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
মোতাব্বির কাগু বলেছেন: জটিল লিখেছেন বস, অবশ্যই প্লাস +
২৭. ১৭ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:২১
নাজিম উদদীন বলেছেন: নছিমনের যোণী কখনোই খালি থাকেনা। সন্তান কিংবা শিশ্ন সর্বদা যাওয়া আসা করে।

এই জিনিস মিস করলাম কেমনে?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬০৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তুমি তোমার ইমেজ মতই
প্রোফাইল বানাও
কি ব্লগে
কি জীবনে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ