এক অদ্ভুত ছদ্ম সংযুক্তিতে ফাল দিয়া উঠতাসে এখানকার নেট,টিভি,পত্রিকা বিধৌত মানস চরিত। বিপরীত কথা কইলেই হয় তুমি পিছানো কিংবা দূরবর্তী। সবই আধুনিক ডিসকোর্সর ফসল। মনিকা ক্লিনটনের শিশ্ন চাটলে এখানকার যৌন চর্চায় তা চর্চিত হয়ে যায় এক পলকেই। বাসে বাসায় নিজেদের চুরুটের দূর্ভাগ্য নিয়া কষ্ট পাওয়া। অথবা হিলারীর স্ট্রাগল্ড জীবন, ওবামার বেষ্ট সেলার যখন প্লাস্টিক মোড়ক নীলক্ষেত থেকে এক একটা করে শেল্ফে ঢুকে যাচ্ছে তখন মহা উদ্যম এবং শান্তি আমরা সচেতন এবং জ্ঞাত তাই আম্রিকার কাছাকাছি আছি। পশ্চিম থেকে শেখনোর আছে অনেক কিছুই কোন দ্বিমত নাই। তবে সবচেয়ে বড়টা সম্ভবত তাদের রাজনীতি।
গায়ের বর্ণের রং তৃতীয়দের জন্য কোন বিশেষ 'মানবিক' ফল আনবেনা বলছিলাম অনেক আগের পোষ্টে। তবুও আমরা ফালাফালি করি। অনেকটা সেরকম যখন ক্লাসের ভালো শিক্ষার্থী তার বাজে নোটটা ব্যাকবেঞ্চারদের সাথে শেয়ার করে তখন ওকে মহৎ মনে করার একটা হীণমণ্য লোভ কাজ করে উচ্চাভীলাসী অনেকের মধ্যে। কিন্তু ব্যাকবেঞ্চাররা আর ভালো ফল করে না। টিফিন থেকে পিকনিকের সিদ্ধান্ত সব এইসব এলিটের হাতে। এমনকি খারাপ ছাত্রের ভর্তির গল্পটাও।
১/১১ এর পর আবার একটা আবাল নির্বাচনের প্রস্তুতি, জামাত এইবার সবচেয়ে বেশি দামে নিজেরে বিক্রী করব। আবার একটা ইনুস নোবেল পাইব। সিদ্ধান্ত দিব ভালো ছাত্রের দল। ১/১১ তে যেমন দিছিল, এইবারো দিব। না দেয়ার কোন চান্সই নাই। কিন্তু তারপরো আমাদের আশা মিটবো না, বর্ণ যাই হোক আম্রিকার ভিসার জন্য লাইনে দাড়ামু। আর ডিভি ভিসা নিয়া যাওয়া আমার খালাতো ভাই অর্থনৈতিক মন্দায় চাকরী হারাইবো। কিন্তু তারপরও আমরা আমাদের কালো নিতম্ব পাতিয়া দিব। আম্রিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ফেরেশতা হইলেও, তার শিশ্নের রং কালো হইলেও এই তৃতীয়রাই....মারা খাইয়া যাইবো। আম্রিকারে সবচেয়ে ভালোভাবে পাঠ কর কোন সমস্যা নাই। এইটা দরকার। ক্যামনে লাভে বেচন যায় কেনন যায় ঠিক কর। কিন্তু শিশ্নের রং নিয়া এই আবাল উচ্ছাস আমার কাছে সেই পুরাতন....মারা খাইয়া, না ভুলিতে পারা সেই সুখ সুখ অসুখই মনে হয়। যারে সারে না কিন্তু বাড়ে প্রতিদিন। এবং তারপরও আবারো আমরা বলিব ধন্যবাদ ভালৈ দিয়া গেলেন, আবার আসবেন কিন্তু মানকি মুন হয়ে নয়ত ওবামার বেশে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



