আমার প্রিয় পোস্ট

পুরান চাল ভাতে বাড়ে, পুরান ব্লগার ভাতে মরে

অলৌকিক ইস্টিমারটা আর ফিরে এলোনা বন্দরে (শ্রদ্ধা হুমায়ুন আজাদ)

১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

শেয়ারঃ
0 0 0



আগস্ট বাঙালীর শোকের মাস। যেদিন বিমান বন্দরে দাঁড়িয়ে হুমায়ুন আজাদের লাশের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, সেদিন ভ্যাপসা গরম আর টিপটিপ বৃষ্টি। খ্যাতিমানের লাশের প্রহরায় রাষ্ট্রযন্ত্রের সেকি উদ্বেগ। হয়ত এই লাশটুকু কোন বিদ্রোহ ঘটিয়ে দেবে, এই লাশটুকুই রাষ্ট্রযন্ত্রের সমস্ত কলকব্জাকে নড়বড়ে করে দেবে।

জীবদ্দশায় আমি আর কখনোই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলকে এভাবে গর্জে উঠতে দেখিনি। শুধু শুনেছি পূরাণের ঢংএ এই জাতি, এই বিনয়ী বন্ধু সুলভ জাতি বাহান্নতে, একাত্তুরে গর্জে উঠেছিল। বাঘের মত। হুমায়ুন আজাদের ক্ষতবিক্ষত অস্তিত্বের খবরে যেমনটা গর্জে উঠেছিল বাঙলাদেশ। আমার বিশ বছরের তখন শুরু কেবল। এই গর্জে ওঠা বাঙলাদেশকে দেখে আমি আশাবাদী হয়েছিলাম। যতবার আগস্ট মাস আসে ততবার আমি আশাহীন হতে থাকি।

অলৌকিক ইস্টিমারে করে হুমায়ুন আজাদ সেই যে গেলেন, আমি তার ফেলে যাওয়া পথের আলোটুকু দেখি।


এভাবে আনন্দোচ্ছল শিক্ষকতায় তাকে আর দেখবো না।



দেখবো না সকলের সাথে এক কাতারে দাঁড়াতে



শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে



হুমায়ুন আজাদের হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে অনশনরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী



সেই বিভৎস রক্তাক্ত পোষ্টার



আমাদের রক্তের ভেতরে ঢুকে যাওয়া পাপ



আমাদের একসাথে আড্ডা দেয়া হবে না কখনোই



ছবি তুলতে গেলে সদা প্রস্তুত থাকার মানুষটি আর নেই, নেই বাঙলার হাসিটিও

আর কত হুমায়ুন আজাদের বলি চাও বাঙলাদেশ। আমি পূরাণ চাই না প্রিয় দেশ আমার, তোমার নিষ্প্রভ কোষে কি স্ফুলিঙ্গ জ্বলবে না?



 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
ময়ুখ বলেছেন: 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি তাই প্রমান করেছেন।

২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমার বিষণ শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন তিনি, তাহার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ।
৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
জড়তা বলেছেন: ময়ুখ বলেছেন: 'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি তাই প্রমান করেছেন।

৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যেতে দেয়া যাবে না .... সম্ভবত মৃত্যু দিয়ে এই বার্তাই তিনি দিতে চেয়েছিলেন...
৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৪
বিলাশ বিডি বলেছেন: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যেতে দেয়া যাবে না .... সম্ভবত মৃত্যু দিয়ে এই বার্তাই তিনি দিতে চেয়েছিলেন...
৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
রী্য বলেছেন: বিষণ শ্রদ্ধাভাজন আমার। আমি ঘৃনা করি সেই কাপুরুষের দলকে যারা লেখার যুক্তিতে না পেরে তাকে হত্যার জন্য পরিকল্পনা করে। হায়! আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র... ধিক শত ধিক (যন্ত্র)! পরিচালোকদের
৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন: শরৎদা, অসাধারণ পোস্ট। চোখে পানি চলে এলো ছবিগুলো দেখতে দেখতে। স্যারের প্রয়ান আমাদরে অপূর্ণ ক্ষতি করে গেল।

তুমি ভালো আছো? +
১২. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২০
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:

আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
আমার খাদ্যে ছিল অন্যদের আঙুলের দাগ,
আমার পানীয়তে ছিল অন্যদের জীবাণু,
আমার বিশ্বাসে ছিল অন্যদের ব্যাপক দূষণ।
আমি জন্মেছিলাম আমি বেড়ে উঠেছিলাম
আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
আমি দাঁড়াতে শিখেছিলাম অন্যদের মতো,
আমি হাঁটতে শিখেছিলাম অন্যদের মতো,
আমি পোশাক পরতে শিখেছিলাম অন্যদের মতো ক'রে,
আমি চুল আঁচড়াতে শিখেছিলাম অন্যদের মতো ক'রে,
আমি কথা বলতে শিখেছিলাম অন্যদের মতো।
তারা আমাকে তাদের মতো করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিলো,
তারা আমাকে তাদের মতো করে হাঁটার আদেশ দিয়েছিলো,
তারা আমাকে তাদের মতো করে পোশাক পরার নির্দেশ দিয়েছিলো,
তারা আমাকে বাধ্য করেছিলো তাদের মতো করে চুল আঁচড়াতে,
তারা আমার মুখে গুজে দিয়েছিলো তাদের দূষিত কথামালা।
তারা আমাকে বাধ্য করেছিল তাদের মতো করে বাঁচতে।
আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
আমি আমার নিজস্ব ভঙ্গিতে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম,
আমি পোশাক পরতে চেয়েছিলাম একান্ত আপন রীতিতে,
আমি চুল আঁচড়াতে চেয়েছিলাম নিজের রীতিতে,
আমি উচ্চারন করতে চেয়েছিলাম আন্তর মৌলিক মাতৃভাষা।
আমি নিতে চেয়েছিলাম নিজের নিশ্বাস।
আমি আহার করতে চেয়েছিলাম আমার একান্ত মৌলিক খাদ্য,
আমি পান করতে চেয়েছিলাম আমার মৌলিক পানীয়।
আমি ভুল সময়ে জন্মেছিলাম। আমার সময় তখনো আসে নি।
আমি ভুল বৃক্ষে ফুটেছিলাম। আমার বৃক্ষ তখনো অঙ্কুরিত হয় নি।
আমি ভুল নদীতে স্রোত হয়ে বয়েছিলাম। আমার মেঘ তখনো আকাশে জমে নি।
আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
আমি গান গাইতে চেয়েছিলাম আপন সুরে,
ওরা আমার কন্ঠে পুরে দিতে চেয়েছিলো ওদের শ্যাওলা-পড়া সুর।
আমি আমার মতো স্বপ্ন দেখতে চেয়েছিলাম,
ওরা আমাকে বাধ্য করেছিলো ওদের মতো ময়লা-ধরা স্বপ্ন দেখতে।
আমি আমার মতো দাঁড়াতে চেয়েছিলাম,
ওরা আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলো ওদের মতো মাথা নিচু করে দাঁড়াতে।
আমি আমার মতো কথা বলতে চেয়েছিলাম,
ওরা আমার মুখে ঢুকিয়ে দিতে চেয়েছিলো ওদের শব্দ ও বাক্যের আবর্জনা।
আমি খুব ভেতরে ঢুকতে চেয়েছিলাম,
ওরা আমাকে ওদের মতো করেই দাঁড়িয়ে থাকতে বলেছিলো বাইরে।
ওরা মুখে এক টুকরো বাসি মাংস পাওয়াকে বলতো সাফল্য,
ওরা নতজানু হওয়াকে ভাবত গৌরব,
ওরা পিঠের কুঁজকে মনে করতো পদক,
ওরা গলার শেকলকে মনে করতো অমূল্য অলংকার।
আমি মাংসের টুকরা থেকে দূরে ছিলাম। এটা ওদের সহ্য হয় নি।
আমি নতজানু হওয়ার বদলে নিগ্রহকে বরণ করেছিলাম। এটা ওদের সহ্য হয় নি।
আমি পিঠ কুঁজের বদলে বুকে ছুরিকাকে সাদর করেছিলাম। এটা ওদের সহ্য হয় নি।
আমি গলার বদলে হাতেপায়ে শেকল পড়েছিলাম। এটা ওদের সহ্য হয় নি।
আমি অন্যদের সময়ে বেঁচে ছিলাম। আমার সময় তখনো আসেনি।
ওদের পুকুরে প্রথাগত মাছের কোনো অভাব ছিলো না,
ওদের জমিতে অভাব ছিলো না প্রথাগত শস্য ও শব্জির,
ওদের উদ্যানে ছিলো প্রথাগত পুষ্পের উল্লাস।
আমি ওদের সময়ে আমার মতো দিঘি খুঁড়েছিলাম ব'লে
আমার দিঘিতে পানি ওঠে নি।
আমি ওদের সময়ে আমার মতো চাষ করেছিলাম ব'লে
আমার জমিতে শস্য জন্মে নি।
আমি ওদের সময়ে আমার মতো বাগান করতে চেয়েছিলাম ব'লে
আমার ভবিষ্যতের বাগানে একটিও ফুল ফোটে নি।
তখনো আমার দিঘির জন্য পানি উৎসারণের সময় আসে নি।
তখনো আমার জমির জন্য নতুন ফসলের সময় আসে নি।
তখনো আমার বাগানের জন্যে অভিনব ফুলের মরশুম আসে নি।
আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
আমার সবকিছু পর্যবসিত হয়েছে ভবিষ্যতের মতো ব্যর্থতায়,
ওরা ভ'রে উঠেছে বর্তমানের মতো সাফল্যে।
ওরা যে-ফুল তুলতে চেয়েছে, তা তুলে এনেছে নখ দিয়ে ছিঁড়েফেড়ে।
আমি শুধু স্বপ্নে দেখেছি আশ্চর্য ফুল।
ওরা যে-তরুণীকে জরিয়ে ধরতে চেয়েছে তাকে ধরেছে দস্যুর মতো।
আমার তরুণীকে আমি জরিয়ে ধরেছি শুধু স্বপ্নে।
ওরা যে-নারীকে কামনা করেছে, তাকে ওরা বধ করেছে বাহুতে চেপে।
আমার নারীকে আমি পেয়েছি শুধু স্বপ্নে।
চুম্বনে ওরা ব্যবহার করেছে নেকড়ের মতো দাঁত।
আমি শুধু স্বপ্নে বাড়িয়েছি ওষ্ঠ।
আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।
আমার চোখ যা দেখতে চেয়েছিলো, তা দেখতে পায় নি।
তখনো আমার সময় আসে নি।
আমার পা যে-পথে চলতে চেয়েছিলো, সে পথে চলতে পারে নি।
তখনো আমার সময় আসে নি।
আমার হৃদয় যা নিবেদন করতে চেয়েছিলো, তা নিবেদন করতে পারে নি।
তখনো আমার সময় আসে নি।
আমার কর্ণকুহর যে-সুর শুনতে চেয়েছিলো, তা শুনতে পায় নি।
তখনো আমার সময় আসে নি।
আমার ত্বক যার ছোঁয়া পেতে চেয়েছিলো, তার ছোঁয়া পায় নি।
তখনো আমার সময় আসে নি।
আমি যে পৃথিবীকে চেয়েছিলাম, তাকে আমি পাই নি।
তখনো আমার সময় আসে নি। তখনো আমার সময় আসে নি।
আমি বেঁচে ছিলাম
অন্যদের সময়ে।

(আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়েঃ হুমায়ূন আজাদ)
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: যে সময়টাতে তিনি হয়ত বাঁচতে চাইতেন..সেটির দিকেই আমাদের যেতে হবে।

১৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
লড়াকু বলেছেন: অকপটে সত্য বলার এমন সাহস আর কারো মাঝে দেখি না... তাঁর প্রতি রইলো শ্রদ্ধাঞ্জলি।
১৪. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
অপরিচিত_আবির বলেছেন: আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে ....

হুমায়ুন আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা।
১৫. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
কৌটিল্য বলেছেন: তাঁর রচনাসমূহ পাঠ-পুনর্পাঠের মধ্য দিয়েই তাঁকে প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব ; প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দিতে হবে তাঁর আদর্শ ও বিশ্বাস, অর্থাৎ তাঁর রচনাকে....

তাঁর বিশ্বাসের আলোয় আলোকিত করতে হবে আমাদের উত্তরসূরীদেরকে।
(আমেন)।

গভীর শ্রদ্ধা জানাই তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে ...
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: আগেই দেখা হয়েছে তবুও লিংকের জন্য ধন্যবাদ। হাসান শরিফের কাছে কৃতজ্ঞতা...যে তিনি আজাদ স্যারকে আক্রান্ত হবার পর সাহায্য করেছিলেন।

১৭. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
রোহান বলেছেন: নতুন করে কিছুই বলার নাই.... ঘাতকদের জন্য ঘৃণা... দেশের দখল নিয়ে নেওয়া নষ্টদের প্রতি ঘৃণা :(
১৮. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: সম্ভবত আজ থেকে আরো পঞ্চাশ বা একশ' বছর পরে তাঁকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হবে। আমাদের জাতিগত বৈশিষ্ট্য উজ্জ্বল করে আমরা তাঁকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়েছি।

তাঁর জন্য হৃদয় থেকেই শ্রদ্ধা!
১৯. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এইসব মানুষের বাংলাদেশে পয়দা লওন ভুল হইছে। হয়তো চোখে আঙ্গুল দিয়া দেখাই দিছেন অনেক কিছু, কিন্তু দেখি অনেক বাঙ্গালী শুধু হের কিছু না পইড়াই সমানে গালাগালী।

এইডা এমন একখান দেশ যে নিজের মতের লগে না মিললে দেশ থিকা ফুটাও নাইলে দুনিয়া থিকা!

এই লোকটার জন্য মনে হয় আমরা যোগ্য আছিলাম না!

হুদাই একটা মেধা নস্ট হইছে!

গুরুর জন্য আর কিছু বলনের নাই, তয় একখান কনফেস করি, আমি নিজেও হের লেখা পড়ি নাই!
১২ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়া শুরু করেন মিয়া।

২০. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
বিদিশা বলেছেন: হুমায়ুন আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা।
২১. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: মূল্যায়ন এই দেশকে তো করতেই হবে। যত দ্রুত করবে তত মঙ্গল।
২৩. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: হুমায়ুন আজাদের প্রতি শ্রদ্ধা ..........
২৪. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
স্বপ্ন-বয়ান বলেছেন: কিছুতেই শোধ হবে না তাঁর ঋণ। বাঙালিকে অনেক দিয়েছেন তিনি।
১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: আসলেই।

১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: নি:সন্দেহে....

২৬. ০১ লা মে, ২০১০ সকাল ১০:৩৩
মুজিব রহমান বলেছেন: কোন নদীর পাড়ের ছবি? কোথায় ওনি গিয়েছিলেন? ওনার কাছের যে কেউই সুন্দরমনের মানুষ। স্যার আপানাকে পছন্দ করতো, বুঝতে পারছি।
০২ রা মে, ২০১০ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: এটা গাজীপুরের ভেতরের একটা নদী। এখন নাম মনে করতে পারছি না। সেদিন আমরা সারাদিন এই অঞ্চল ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছিলাম।

আমি তাঁর স্নেহ আর ভালোবাসা পেয়েছিলাম।

২৭. ০২ রা মে, ২০১০ সকাল ১০:০৯
টিপু বলেছেন: অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বাংলা গদ্যের। তিনি বেঁচে থাকলে বাংলা গদ্য অনেক সমৃদ্ধ হত।
২৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৫
অনিকেত কবি বলেছেন: আর পঞ্চাশ বছর পর আমাকেও ওরা দেবতা বানাবে; আর আমার বিরুদ্ধে কোনো নতুন প্রতিভা কথা বললে ওরা তাকে ফাঁসিতে ঝুলোবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৩৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তুমি তোমার ইমেজ মতই
প্রোফাইল বানাও
কি ব্লগে
কি জীবনে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ