রক্তচক্ষুর অন্তরালে উঁকি দিচ্ছে কর্ণিয়া
আক্ষরিক অর্থেই
রূপকের নির্ভার কোমল আশ্রয়টুকু
এবেলায় আর প্রয়োজন নেই
হাসপাতালের বেড নিঃশঙ্কে দ্বায়িত্ব তুলে নিয়েছে কাঁধে
দেহখানা এপাশ ওপাশ গড়ায়
হাতছানি দেয়, কাদের যেন ডাকে
রোমকূপগুলো চিৎকার করে
পরিত্রাণের
যন্ত্রণা অনেক হল
এবার মুক্তি চাই
অথচ শরীর অ-উদ্বীগ্ন
কেবল চক্র পূরণ করে চলেছে আত্মমগ্ন ছন্দে
কাঁপুনির পর ভরা নদীর সমস্ত জোয়ারের মত
উত্তাপ আসবে এরপর
বোধশক্তিহীন করে দেবার আগ পর্যন্ত
দেহের খোল নলচে পুড়িয়ে চলবে তার
উল্লাসনৃত্য
মহাতান্ত্রিক যেন এক, মেতে উঠেছে বলির উৎসবে
পাথুরে দেবীর পায়ে নৈবেদ্য দেবার উন্মাতাল উল্লাস
ছটফট ছটফট আর কাটাকাটা ছন্দ বিভোর
স্নায়ুতন্ত্র হতচ্ছাড়া ছুটোছুটি শেষে
সম্পূর্ণ ব্ল্যাক আউট
অথচ নেভেনা পুরোটুকু
কিসের যেন তালাশ
পুরোটা ইন্দ্রীয়সীমা জুড়ে
মধ্যরাত, ভোর, ভরদুপুর
সমস্তটা একাকার
সন্ধ্যা গলে যাচ্ছে বিকেলের ভেতর
আর স্যালাইনের শিরা বেয়ে
বাটারফ্লাই ইফেক্ট
আশ্চর্য্য প্রজাপতি
ডানা ঝাপটে রোম ঘষে ঘষে ক্লান্ত
ঠিক বসে থাকছে কানের লতির ওপর
ওখানে ফিসফিস হবার কথা ছিল
একটা শান্তস্বর খুব করে জড়িয়ে ধরে বলত
এইতো ঠিক হয়ে যাবে সব
আমার চক্র পিয়াসী কান উৎকীর্ণ থেকে থেকে
ঘুমিয়ে পড়েছে
একটা আধো তন্দ্রায়
শান্তস্বর উড়ে গেছে দূর পাখীর ডানায়
ফেরার কথা থাকলেও
শুভ্র চাদরে মিশে গেছে সব
দিনের শেষে বালিশের কাভারের মত
পাল্টে গেছে চেনা মুখগুলোর অভিব্যক্তি
গভীর মমতা আর ভালোবাসায়
এক অজানা মুখের প্রতিবীম্ব হয়ে আটকে থেকেছি কিছুদিন
আবার তৈরি হয়েছে নৈকট্য
জ্বলে যাওয়া মুখের ভেতর দিয়ে
নতুন মুখ, নতুন চোখ, নতুন কর্ণিয়া
ভাষান্তরিত হয়ে গেছি আমি
নতুন ভাষায় নতুন পদযাত্রা
এ যাত্রা বেঁচে গেলে শুরু হবে নতুন চক্র
চক্রে আর ভাষায় লিখিত হবে ভিন্ন ব্যাকারণ
আমার সিনোপসিসের ইচ্ছা নিরপেক্ষভাবে
অথবা পূর্ণচক্রের আঁজলা জল হাতে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

