somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... নির্বাচন প্রসঙ্গে একটা দু:স্বপ্ন দেখলাম, ফ্লাইং সসার, এলিয়েন নেমে এল। আর এল সাদা লাদী
তাদের কষ্ট দেখে আমার দয়া হল। আমি তাদের কে প্রথমালোর. সামইনের. গুগলের লিংক দিয়ে চোখ রাখতে বললাম। ভাবলাম লিংক নিয়ে খুশি মনে চলে যাবে আর ফিরবে না। কিন্তু না!!! কয়েকদিন পর তারা আবার ফিরে এল, এবং বলল স্পেসিমিনের সাথে তাদের আলাপ হয়েছে, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে। নির্বাচনের তিনকোণা মার্কাও তাদের জন্য ঠিক করেছে স্পেসিমিন। নিজেদের জগতে কাঁঠাল পাতা শেষ হয়ে যাবার কারণে, এ অঞ্চলের কাঁঠাল পাতা হাতিয়ে নেবার জন্য তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। স্থানীয় ছাগ প্রতিপালন কেন্দ্রের দোসরদের সাথে তাদের আঁতাতও করেছে গোপনে গোপনে। তবে এবার আর গোপন আঁতাত নয় এইবার সরাসরি রাষ্ট্রদখল।

মণ মণ লাদির বিনিময়ে তারা তাদের নির্বাচনে দাঁড়াতে সহায়তা করবে। এই লাদি গায়ে মাখলে বলে অর্শ গেজ খোঁসা পাচড়া সব ঠিক হয়ে যায়। যৌন সক্ষমতা ফিরে আসে, বক্ষ উন্নত হয়, পশ্চাৎ দেশ সুডৌল হয়, চুলের রং ঠিক হয়, কানে শোনা যায়.....আরো কত কি!!! তারা আমাকে লাদির প্রলোভন দেখালো।
আমি ধন্দে পড়ে গেলাম। তারা আমাকে কাঁঠাল পাতা সংগ্রহাক হবার প্রস্তাব দিল। আমি স্পষ্ট না করলাম।

রাগে গজ গজ করতে করতে তারা স্পেশ শিপের দিকে এগিয়ে চলল আর বলল একবার নির্বাচনে জিতি তারপর দেখি তুমি ক্যামনে না কর। তুমরার সবাইকে লাদি দিয়ে স্নান করিয়ে কিছুদিন যৌবন উপভোগ করতে দিয়ে তারপর তোমাদের মগজগুলো খাব। কাঁঠাল পাতার সাথে মগজ কিন্তু দারুন ব্লেন্ড। আমি শিউরে উঠলাম।

তিনকোণা স্পেস শিপ উড়ে যেতেই দেখলাম যে পাশের ছাদে জ্বলজ্বল করে কি যেন জ্বলছে। একটু খেয়াল করতেই লক্ষ্য করলাম, এলিয়েন নাতী ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আর আলো ছড়াচ্ছে।

সকালে উঠে দেখি পাশের বাসার বুড়ো তার ফুলের গাছের পানি দিতে গিয়ে সাদা সাদা কি যেন স্পর্শ করে উঠল আর সাথে সাথেই এক দৌড়ে নীচে নেমে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ করে দিল। তারপর সারাদিন আর সেই বাসার জানালা খুলল না। সন্ধ্যায় আড্ডা মেরে বাসায় ফিরতে ফিরতে দেখি পাশের বাসা সুন্দর করে সাজানো আর ভেতর থেকে উৎসবের শব্দ আসছে। খবর নিয়ে জানলাম, সকালের সেই বন্ধা বুড়ো অবশেষে বাবা হতে চলেছেন।বন্ধা দম্পতি নাকি শেষ বয়সে এক জাদুকরী রসের দৌলতে আবার যৌবন প্রাপ্ত হতে চলেছেন। এবং তারা সবাইকে নতুন সন্তানের আগমন বিষয়ে সবাইকে অবগত করেছেন। এই আচমকা আনন্দ সংবাদে অনেককেই কিছুটা কনফিউজড দেখলাম। তবে এদের মধ্যে অনেকেই জড়ো হয়েছেন একচিমটি হলেও সেই জাদুকরী রস সংগ্রহের জন্য।

প্রচন্ড ঘাম দিয়ে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল, যাক একক্ষণ তাহলে দু:স্বপ্ন দেখছিলাম। রিলাক্স হবার জন্য আমি টিভি খুললাম।
টেলিভিশন খুলে আমি দেখতে পেলাম কোন চ্যানেলে কোন খবর নাই সবখানেই বারবার একটা এ্যাড দেখাচ্ছে। টেলি ব্র্যান্ড শো তাদের সব প্রোডাক্ট বাদ দিয়ে এই এ্যাডটাই দেখাচ্ছে। সবগুলো এ্যাড এক আশ্চর্য্য বস্তু নিয়ে; যা গায়ে মাখলে বলে সব রোগ দূর হয়ে যায়, যৌবন ফিরে আসে। টিভি বন্ধ করে আমি ভয়ে ভয়ে খাবার টেবিলে গিয়ে বসলাম, নিশ্চয়ই আমি ভুল দেখছি, নিশ্চয়ই এটাও একটা স্বপ্ন। এমন সময় দরজা খুলে বাসার কাজের মেয়েটা ঢুকল। বাজারের ব্যাগ নামিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ভাইজান একটা সুন্দর সুনু কিরিম পাইছি আসেন আপনারে লাগায়া দেই....দ্যাখবেন খালি সুখ আর সুখ। আমি ভীষণ চমকে উঠলাম নয় বছরের শিশুটা কিভাবে এমন রাতারাতি বদলে গেল????]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28871566 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28871566 2008-11-20 09:42:55
বলেনতো এই ফলের নাম কি?? (এইটা একটা জৈব উত্তেজনামূলক পুষ্ট, লুকজন দেখি ফলফ্রুটে ব্লগ ভাসায়, আমি এর মধ্যেই একটু রগর... এই ফলটির নাম মাকাল

ছবির রেফারেন্স, আমার এক ছোট ভাই বান্দরবান থেকে ঘুরে এলেন। তার হাতেই তোলা।একটি সৌন্দয্যমূলক মাকাল ফল এর লিংক দিছিলাম কিন্তু কাজ করে না। তাই সরায়া নিলাম। থুক্কু পচ্চা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28871431 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28871431 2008-11-19 23:35:54
নগরের ভেতর শেকড় শহর (উৎসর্গ: ইমন জুবায়ের) আমাদের প্রতিদিনকার সোমরসে
অথচ তুমি বলবে বিস্তৃত আলোর মত
ছড়িয়ে যাচ্ছে মানবতা
আর কবিতার দূর্দান্ত চিত্রকল্প
সিনেমেটিক শটের পর শট
খাট! খাট!
প্রায়শই ঈশ্বর ছাপিয়ে
মানবীয় দুরুহতা যত
মানবীয় বীররস
হাত বাড়ানো পথ

এদিকে বন্ধ্যা নগরে সবুজ ফলাতে ছুটে আসছে
শেকড়েরা সব
বৃক্ষগুলোকে উপড়ে ফেলে
আরেকটি নতুন শেকড় শহর
আলোকজ্জ্বল নগরেরই ভেতরে
কি দারুন!
নাগরিক নৈশভোজ
পা.....ন তৃপ্ত ভোগজাত ঢেকুর
দামী পাড়ার দামী সুগন্ধি দামী বুদবুদ

আর প্রতিটি এ্যামনেশিয়া আক্রান্ত সকাল
জানান দিচ্ছে
বেঁচে আছ তুমি
তোমার ভুলে যাওয়া অতীত
দাঁতের ফাঁক থেকে উঠে আসছে ব্রাশের সাথে সাথে
আর ক্ষয়ে দিচ্ছে ব্রিসল
ব্র্যান্ডেড নন-ব্র্যান্ডেড
দাঁত কিংবা ব্রাশের হাতল

আকাশের উঠানে সূর্যোদয়, চড়ুইয়ের টাটকা রক্ত যেন
ছটফটে আর ভয়ংকর লাল
কার্নিশ গলে ছলকে উঠছে! ছলকে উঠছে!
তোমার প্রাত:কালীন আয়নার ভেতর
আর তোমাকে সগর্বে জানান দিচ্ছে
এই যে তাকানো;
এই যে তাকিয়ে তাকিয়ে ভুলে যাওয়া
এই যে আয়নায় ভেতর শেকড়ের উচ্ছাস
আসলে ইতিহাসের মতন
এক নৃসংশ রাজপথ
এখানেও টিকে থাকতে হয়
এখানের স্মৃতি তালিকায় নাম ওঠাতে
করতে হয় সমুদ্র মন্থন

ইমন আপনার সৃষ্টিশীল ব্লগিং অব্যহত থাকুক। আশা করি ইমেজ সংকটের সহজ রাস্তায় হাঁটা দেননি। তবুও নিরুতসাহিত হতে পারেন ভেবে পূর্বের পোষ্ট ড্রাফ্ট করে দিলাম। পরিণত যোগাযোগের রাস্তাও সম্ভবত শুরু হল । আপনার গতিশীল এবং সৃষ্টিশীল পোষ্টের অপেক্ষায় আছি। ভালো থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28871231 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28871231 2008-11-19 16:44:07
স্বপ্নের সাঁতারুরা কি এভাবেই চলে যাবেন স্বপ্নের ঐ পারে ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা খুলে দেখি প্রথম পাতায় জ্বলজ্বল করছে জেএমবি আর বোমা তৈরীর সরঞ্জাম আর ঠিক তার পাশেই জোটের খাদকেরা। ঠিক ২য় পাতায় হলুদ ফুলে সাইফুর নিজামী মুজাহিদী। অরুণ নন্দী চলে গেছেন খেলার পাতায়, এর পর শেষ পাতায় কোণায়.......আমাদের স্বপ্নের সাঁতারু আর স্বপ্নের মতই।

আমাদের রাষ্ট্রে আসলে বোমা বিস্ফোরণই হওয়া উচিৎ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28870100 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28870100 2008-11-17 09:36:51
ইদানীং আলো ছায়ার ঘেরাটোপে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28868572 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28868572 2008-11-13 13:44:23
দপ্তরের পাশে একঝাঁক জোনাকী পোকা (এটা কবিতা না, স্রেফ একটা দাপ্তরিক লেখা, দাপ্তরিক ব্লগারদের বিনোদনের জন্য) হেঁটে চলেছি একা
অফিসগুলোর পাশ দিয়ে
এসব দূরের কিছু নয়, আমার নিত্যদিনের পাড়া পড়শী
যেখানটাতে থাকি, যেখানটাতে বসি, যেখানটাতে খাই
সবই অফিসের বারান্দা, অফিসের দেয়াল
বড়জোর অফিসের নোংরা ঐ পাশ
সেটাও দাপ্তরিক

দালান দিয়েই চিনতে হয় এগুলোকে
অন্তত; গোছানো পরিশীলিত কামরাগুলোর সাপেক্ষে
আসলে কামরা উত্তীর্ণ
ভেতরের কামরাগুলোয় নিরন্তর হাঁটাহাঁটি
দিন দুপুর রাত্র
দাপ্তরিক পায়চারী মাত্র
বস্তির এজমালী রান্নাঘর থেকে সস্তা পতিতার দরদাম
যতবারের ওঠবস, যতবারের রান্না
ততবারের হিসাব-নিকাশ
নিরন্তর লজিস্টিকস

লেজারের পাতা উল্টে লিখিত হওয়া জীবন
এ বছরে বিদেশের বালি ঘষটে ঘষটে আমি সাগরে সঙ্গম করব,
ঐ মাসে তুমি মিডিয়া চটকে চটকে একটু খ্যাতিমান হবে
সেই বর্ষায় আমিতুমিআমরা সবাই একটু নেচারের কাছাকাছি যাব
আর জীবনকে লিখব একদলা সবুজ বিন্যাসে
দপ্তরেও ন্যাচারাল কিছু দরকার

এবং আমিতুমিআমরা প্রতিদিন ন্যাচার থেকে সর্দি নিয়ে ফিরব
আসলে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ভুল করে না খাবার উৎকন্ঠায়
চমকে উঠব, শিউরে উঠব
লিঙ্গীয় বিভেদহীন, একাকার আতংকে
অবশেষে আকাঙ্খিত সমতা
আর ছুটে যাব বিশেষজ্ঞের কাছে
যারাও বসে আছেন কোন না কোন দপ্তরে
আমাদের দাপ্তরিক শরীরগুলোকে আবার মেপে মেপে
দপ্তর উপযোগী করবার অপেক্ষায়



সিঁড়ি বেয়ে উঠতে উঠতে
আর লিফট বেয়ে নামতে নামতে
আমরা জন্ম দেব দাপ্তরিক শিশু
সরকারী আর বেসরকারী অফিস কামরায়
ওরা মাখামাখি করবে দাপ্তরিক ধূলো
অথবা পেছনে পড়ে যাবে অপ্রয়োজনীয় ফাইল হিসেবে
আমরা ওদের তুলে ধরব বারবার সই হবার অপেক্ষায়
বড়বাবুর বড় বড় কামরায়
দাপ্তরিক অভিভবকত্বের দাপ্তরিক আকাঙ্খায়

শহরের ঝাঁঝালো ঝিমুনি দুপুরগুলোতে
একঝাঁক জোনাকী পোকা নিয়ে
হেঁটে চলেছি একা,
এই তপ্ত ঘরহীন রোদে ওরা মারা পরবে নিশ্চিত
চারপাশে নোংরা সুন্দর দপ্তরের সাঁরি
অথচ কোন দপ্তরেই জোনাকী পোকাদের সৎকারের ব্যবস্থা নেই
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28868142 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28868142 2008-11-12 15:07:34
"আপা, বেগম, দাড়ি" নিয়া ব্যাঙ্গাত্মক/বিরোধী ব্লগ সমাজ, কিন্তু কেউ রাজনীতির কথা কননা
যাই হোক যেটা মনে হইতাছে তা হইল ব্লগীয় পোষ্টে প্রতিরোধ/ব্যাঙ্গ প্রায়শই এমন একটা জায়গায় পৌছায় তাতে কোন রাজনৈতিক প্রতিরোধের জায়গা প্রায়শই ঢিলা হয়ে যায় বা আলাপটাই তৈরী হয় না। এই সংক্রমণ বেরাজনৈতিকীকরণের সেই পুঁজিবাদী প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ব্লগ যার প্রযুক্তি, মতাদর্শ ও পদ্ধতিগত উৎপাদন। যেমন বাংলাদেশের প্রেক্ষীতে খুব জরুরী ও সহজ প্রশ্ন হইল সিভিলকর্পোরেটসামরিকজামাত যেভাবে "রাজনীতি" খারাপ বইলা রাজনীতিরেই উঠাইয়া দিতে তৎপর, সেটার কাউন্টারর রাজনীতি কি হইব?। বেরাজনৈতিকীকরণের এই প্রস্তাবনা ভয়ংকর রাজনীতির অংশ। ব্লগেও দেখি এই জিনিসেরই পুন:পুন: উৎপাদন রাজনীতি জিনিসটাই খারাপ বা এর ওর রাজনীতি খারাপ এই কথা কইয়া লোকে খালাশ। এই খালাশ করার অভ্যাস তৈরী করাই আসলে এই ছদ্ম মুক্ত বার্তালাপের মুখ্য উদ্দেশ্য। কথা কইতে দেয়ার নামে বেরজানৈতিকীকরণ কইরা তুলন। এবং এমন একটি বৃহৎ গ্রাহক গোষ্ঠী তৈরী করা যারা আসলে নতুন কোন রাজনীতির কথা বলবেনা। বা রাজনীতির কথাই বলবেনা।

নতুন মাধ্যম হিসেবে ব্লগের ক্রম শক্তিশালী হয়ে ওঠা ভেতরে ভেতরে দুইটা ভয়ংকর বার্তা দেয়।
১. রাজনীতির চেতনাহীন মানে শক্তিহীন আবাল গ্রাহক গোষ্ঠী।
২. বেরাজনৈতিক চিন্তা/কর্ম/চর্চা পরিসর।

এই বিষয়টা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে যে, জনমানুষ/ব্লগাররা কি এই বেরাজনৈতীকীকরণের প্রোডাক্ট/গ্রাহক হবে নাকি নিজ রাজনৈতিক পরিসর নিয়ে কাজ করবে, তৈরীর চেষ্টা করবে।

ব্লগ যেমন বেরাজনৈতিকীকরণের ভালো অস্ত্র হতে পারে তেমনি এটা কাউন্টার হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে। সিদ্ধান্ত ও পদ্ধতি ঠিক করার এটাই সময় যে সামগ্রিক বেরাজনৈতীকিকরণকে কিভাবে ঠেকাতে হবে কিভাবে নতুন রাজনীতি তৈরী করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28866518 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28866518 2008-11-09 00:03:38
আসুন আমরা আরেকজন মাকে প্রয়োজনীয় রক্ত দিয়ে বাঁচিয়ে তুলি। এ-(এ নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন)
আসুন আমরা আরেকজন মাকে প্রয়োজনীয় রক্ত দিয়ে বাঁচিয়ে তুলি।
যোগাযোগ করুন: রিমি: ০১৭১৪০৩৬০৭৩
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28866289 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28866289 2008-11-08 13:01:53
ছাগল আবুলকে ত্রিভুজ মার্কায় ভোট দিন (হা হা হা ব্রিলিয়ান্ট) কেউ এই এ্যডটার একটা লিংক বা ভিডিও আপলোড করেন প্লিজ। হা হা হা হা হা হা।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28866216 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28866216 2008-11-08 09:02:42 প্রথম আলো ব্লগ, দেশীয় বারাক ওবামার মত মনে হইতাছে, পুরান ফানুসে নতুন তেল (প্রথালোতে প্রথম পোষ্ট, অনেক কোতাকুতির পর দেখলাম...
এদিকে ওবামা জিতসে, তাই খুশীতে বাঙলাদেশ। তার গায়ের বর্ণের রং তৃতীয়দের জন্য কোন বিশেষ 'মানবিক' ফল আনবেনা বলছিলাম । তবুও আমরা ফালাফালি করি। অনেকটা সেরকম যখন ক্লাসের ভালো শিক্ষার্থী তার বাজে নোটটা ব্যাকবেঞ্চারদের সাথে শেয়ার করে তখন ওকে মহৎ মনে করার একটা হীণমণ্য লোভ কাজ করে উচ্চাভীলাসী অনেকের মধ্যে। কিন্তু ব্যাকবেঞ্চাররা আর ভালো ফল করে না। টিফিন থেকে পিকনিকের সিদ্ধান্ত সব এইসব এলিটের হাতে। এমনকি খারাপ ছাত্রের ভর্তির গল্পটাও। প্রথালো ব্লগও একই ঘঠনা ঘটাইবে। অন্য ব্লগের নিক চুরি অন্য ব্লগের শত্রুতা মিত্রতা শক্তিমত্তা মতবাদ মতাদর্শ এই পাটাতনে অনূদিত হতে থাকবে।

প্রথম আলো আইছে তাই বন্ধুসভামূলক ইতি উতি ঢাকঢোলও খারাপ না। মনে রাখা দরকার যে কোন বিতর্কই বানিজ্যর জন্য ফলদায়ক। আর এই ফল প্রথম আলো ব্লগ ভালোই উপভোগ করবে সামনে। আবার একই ভাবে কেন্দ্রীয় ক্ষমতা কাঠামো যেটা ব্লগীয় নীতিমালার নির্ধারক সেটাও তার স্বার্থ রক্ষা করে যাবে। এইটা এক প্রতিভাবান বানিজ্য আপনি ভালো খারাপ যাই কন, কইলেই আপনারে দিয়া তার কিছু না কিছু হইব। ভালো, আর যা কিছু ভালো তার সাথেই তো প্রথম আলো। আসলে যা কিছু বলো তা ই প্রথম আলো।


১/১১ এর পর আবার একটা নির্বোধ নির্বাচনের প্রস্তুতি, জামাত এইবার সবচেয়ে বেশি দামে নিজেরে বিক্রী করব। আবার একটা ইনুস নোবেল পাইব। সিদ্ধান্ত দিব ভালো ছাত্রের দল। ১/১১ তে যেমন দিছিল, এইবারো দিব। প্রথালো দাঁড়াইবো সেও সিদ্ধান্ত দেবার যায়গায় যাইতে চাইব। না চাওয়ার কোন চান্সই নাই। কিন্তু তারপরো আমাদের আশা মিটবো না, বর্ণ যাই হোক আম্রিকার ভিসার জন্য লাইনে দাড়ামু আবার প্রথালোতে রেজিষ্ট্রেশন করুম। আমাদের সবার মধ্যে এক একটা ওবামা তৈরী হওয়ার স্বপ্ন থাকবো। নতুন ওবামা আইবো নতুন ব্লগো আইবো। আমরাও পাল্টায়া যাবো কিন্তু কিছু জিনিস বদলাবে না, তারা বলতে দিলেই কেবল আমরা বলতে পারব, তারা যা দেখতে পছন্দ করে তা দেখাইলেই কেবল আমরা নিরাপদ মানুষ কিংবা ব্লগার হয়ে উঠব।

বি:দ্র: আগের পোষ্টের কিছু কাটছাট করা হইছে কেবল। এর বেশি দরকার নাই বইলাই এই কাটছাট। এইটা ছিল প্রথমালোতে প্রথম পোষ্ট কিন্তু সেইটারে সেখানে খু্ইজা পাইতাসিনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28865457 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28865457 2008-11-06 12:38:42
হেজেমনিক পরিসরে আমাদের ফালাফালি গায়ের বর্ণের রং তৃতীয়দের জন্য কোন বিশেষ 'মানবিক' ফল আনবেনা বলছিলাম অনেক আগের পোষ্টে। তবুও আমরা ফালাফালি করি। অনেকটা সেরকম যখন ক্লাসের ভালো শিক্ষার্থী তার বাজে নোটটা ব্যাকবেঞ্চারদের সাথে শেয়ার করে তখন ওকে মহৎ মনে করার একটা হীণমণ্য লোভ কাজ করে উচ্চাভীলাসী অনেকের মধ্যে। কিন্তু ব্যাকবেঞ্চাররা আর ভালো ফল করে না। টিফিন থেকে পিকনিকের সিদ্ধান্ত সব এইসব এলিটের হাতে। এমনকি খারাপ ছাত্রের ভর্তির গল্পটাও।
১/১১ এর পর আবার একটা আবাল নির্বাচনের প্রস্তুতি, জামাত এইবার সবচেয়ে বেশি দামে নিজেরে বিক্রী করব। আবার একটা ইনুস নোবেল পাইব। সিদ্ধান্ত দিব ভালো ছাত্রের দল। ১/১১ তে যেমন দিছিল, এইবারো দিব। না দেয়ার কোন চান্সই নাই। কিন্তু তারপরো আমাদের আশা মিটবো না, বর্ণ যাই হোক আম্রিকার ভিসার জন্য লাইনে দাড়ামু। আর ডিভি ভিসা নিয়া যাওয়া আমার খালাতো ভাই অর্থনৈতিক মন্দায় চাকরী হারাইবো। কিন্তু তারপরও আমরা আমাদের কালো নিতম্ব পাতিয়া দিব। আম্রিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ফেরেশতা হইলেও, তার শিশ্নের রং কালো হইলেও এই তৃতীয়রাই....মারা খাইয়া যাইবো। আম্রিকারে সবচেয়ে ভালোভাবে পাঠ কর কোন সমস্যা নাই। এইটা দরকার। ক্যামনে লাভে বেচন যায় কেনন যায় ঠিক কর। কিন্তু শিশ্নের রং নিয়া এই আবাল উচ্ছাস আমার কাছে সেই পুরাতন....মারা খাইয়া, না ভুলিতে পারা সেই সুখ সুখ অসুখই মনে হয়। যারে সারে না কিন্তু বাড়ে প্রতিদিন। এবং তারপরও আবারো আমরা বলিব ধন্যবাদ ভালৈ দিয়া গেলেন, আবার আসবেন কিন্তু মানকি মুন হয়ে নয়ত ওবামার বেশে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28864932 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28864932 2008-11-05 11:46:22
জনৈক ময়ুরাক্ষীর অ-মুখোমুখি তিনি আমাকে খুলতে বলেছিলেন
একে একে
আমার পোশাক, আমার অভিমান
মানিব্যাগে সযত্নে লুকিয়ে রাখা একগুচ্ছো চুল
যা কেউ দিয়েছিল,
অগোছাল ভালোবেসে
আমার স্মৃতি
আমার কাম

এরপর তিনি আমাকে দেখতে বলেছিলেন
আমার চোখের নীচের বয়সী কুঞ্চন
আমার ঘোলাটে উপলব্ধি
একটা দুটো শুভ্র উঁকি দেয়া গোঁফ
আর খরখরে হয়ে যাওয়া গাল
হাত বুলিয়ে, স্পর্শ করে করে
তারই জলজ আয়নায়

এরপর তিনি আমাকে দেখতে চেয়েছিলেন
আমি যতটুকু বুঝি
হয়ত মায়ের মতন, বোনের মতন, রূপবতী নারীর মতন
ভাঁজখোলা শরীরের মতন
ভীষণ অস্পর্শিক দূরত্বে

আমি ফিরে তাকাতে চেয়েছিলাম
বারবার
অথচ তিনি আমাকে ঘুরিয়ে দিচ্ছিলেন চারদিকে
অস্থির এক চক্রাকর মন্থন
যেন এক ঘূর্ণায়মান মাছ
খাবি খাওয়া
এ মুখ, সে মুখ, ঐ মুখ
তবে কখনোই একমুখ নয়
কখনোই তার মুখ নয়

এরপর তিনি নিশ্চুপ ছিলেন
দীর্ঘক্ষণ!!
অবশেষে, মনে হল যেন সিদ্ধান্ত দিলেন
উষ্ণ, স্থির এবং স্বরের ওঠানামাহীন
ঢেউয়ের ওঠানামাহীন
আমি ভাবলাম,
তিনি এমন কিছু বলবেন যা হবে
মায়ের মতন, বোনের মতন, রূপবতী নারীর মতন
ভাঁজখোলা শরীরের মতন
তিনি বললেন,
তুমি আমার ছেলের মতন, ভাইয়ের মতন, পুরুষের মতন
কিন্তু তোমাতে আমার কোন আগ্রহ নেই
যদি তুমি আগ্রহী হও
তাহলে আবার প্রথম থেকে শুরু করি
আমার সময় অনন্ত.....
আমার জল অনি:শেষ....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28864444 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28864444 2008-11-04 11:46:00
জেল হত্যা দিবসে, এই বিষয়ক একটা পোষ্টও কি স্টিকি করার মত নাই?
সত্যিই মর্মান্তিক এই চর্চা। এই সুপরিকল্পিত নৃশংস হত্যার ইতিহাস এবং পরবর্তী ধারাক্রমকে বোঝা খুব জরুরী। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28864099 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28864099 2008-11-03 17:32:58
বিছানার ঐ পাশে সুর্যোদয় (হে হে কাহানী মে নায়া টুইস্ট, উৎসর্গ: আগের কবিতা ভালো লাগে নাই যাদের) তুমি
যখন শরীরে লেপ্টে থাকা
ভেজা,
প্রাচীন উপলব্ধি রাশি
বিকিনির সহজ গিঁট হিসেবে
খুলতে খুলতে এসে দাঁড়ালে
আমার
সমুখে
তখন,
ঘরে ফেরা গাঙচিল
শেষবারের চক্করে আটকে গেল
ঠিক আমাদের মাথার ওপর
আর ঘুরতেই থাকলো
আর ঘুরতেই থাকলো

দালানে ঝোলানো সিলিং ফ্যানটা
এই শীতে তেমন কাজে আসবে না
যদি তুমি বিকিনির গিঁটগুলো এভাবে
অবলীলায়
খুলতে না থাকো।

এই শীতও
তেমন কাজে আসবে না
যদি তোমার বিকিনি বিন্যাসে
দেখা না দেয় নতুন রং
নতুন কারুকাজ

মাথার উপরে
চক্রাকারে ঘুরান দেয় গাঙচিল
আর বিষ্ময়ে দেখে
আমাদের ভেতরে চক্রাকারে জেগে উঠছে
নতুন অনুভূতি রাশি
টাটকা সবুজ
এই শীতে
বারবার এমনি যদি ঘটে
বিছানার ঐ পাশে
আমি আশা রাখি;
আর কখনো
সূর্যাস্ত হবে না

বি:দ্র: একটু কবিতা ফ্লাডিং হয়ে গেল। কিন্তু গত কবিতার সাথে একটা মজার খেলার কন্টিনিউয়েশনের জন্য দরকার ছিল। তাই দিলাম। ছবিটা দুপুরে আমার এন ৭০ এর ক্যামেরা ফোনে তোলা। সবাইকে ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28862069 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28862069 2008-10-30 15:54:45
দেখো, এবারের শীতে আমাদের মুখগুলো ঠিক যাবে পুড়ে আছড়ে পড়ে জানালার ওপাশে
উপকূলের গন্ধ মেশানো সোঁদা মাটির আঁচড়ের দাগ
সিদঁকাটে এলুমিনিয়ামের ফোঁকরে
হঠাৎ! হঠাৎ! চমকে দিয়ে
যখন তুমি শীতল প’ড়ে রও
উষ্ণ কক্ষের হিমতম হৃদয়ে
আর তোমার অনুভূতিজাত কোষে দেখা দেয়
বিমর্ষ ঘামের সূক্ষ বলিরেখা
যেন মরে যাওয়া নদীর বুকে শেষ কাঁকড়ার হেঁটে যাওয়া পথ
একদা স্রোতের স্মৃতিচিহ্ন শুধু

প্রেয়সী, তুমি কষ্ট পেওনা
নাগরিক আর পল্লীর গোপন গাঁথাগুলো সব
ডুব দেয়া শাপলার মত
মুখ তুলবে একেএকে
এবারের শিউলিতে জড়িয়ে যাবে তোমার পা
এলোমেলো ঘাসে পথ চলতে চলতে
নেচে উঠবে রঙীন শিশির
তোমার ভেতরে
এরপর, বৃষ্টি হবে,
কুয়াশা ঢাকা ব্যস্ততম মহাসড়কেও
তুমি দেখো, ঠিক বৃষ্টি হবে
এবারের শীতে
তোমার অভ্যন্তরে দেখা দেবে ষড়ঋতুর বান
তুমি আবার হেসে উঠবে
তুমি আবার খলখল করে গাইবে
তুমি দেখো, এবারে শীতে আমাদের মুখগুলো ঠিক যাবে পুড়ে
আমি তোমার জন্য নিয়ে আসছি একমুঠো উষ্ণ আগুন
আমাদের স্বপ্নগুলোর স্মৃতি খুঁড়ে খুঁড়ে
তুমি দেখো, এবারে শীতে আমাদের মুখগুলো ঠিক যাবে পুড়ে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28861927 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28861927 2008-10-30 09:29:43
জনৈক ধনুষ্টংকার শয়নের দিকে তাকিয়ে তবুও আমি দেখছি তোমার বিচিত্র শয়ন
ছোঁকছোঁক কুকুরের মত লা...লালা ঝরা চোখে
দৃষ্টির কোণে পুরুষালী অভিমানী ঘোঁৎ ঘোঁৎ

এ, নির্জলা লালাই।
আঠালো...
চুইয়ে চুইয়ে পড়া...
অশোভন, আদিম।
হাস্যকর অহমিকা মাখানো

তোমার ধনুষ্টংকার শরীরের অভ্যন্তরে আমার .ে..ঢ....া....ক.....া হবে না কখনো
দেখা হবে না এর গলি ঘুপচি....
ঐ যে বাঁকাচোরা কাঠামো
তার কিউবিক বিন্যাস আমি এখনো বুঝে উঠিনি
টান!টান! ধনুকের ছিলা!!!
পা থেকে মাথা পর্যন্ত স্পর্শ করার যোগ ব্যায়াম
কোন ধ্রুপদ কারিগরের কাজ বলে বুঝি
যখন তুমি শায়িত বা স্বপ্নরত
সেটার ভাষাও খুব, দুরুহু
আমার অগম্য


আমি, তোমার ধনুষ্টংকার শরীরের দিকে তাকিয়েই আছি
লালা ঝরা অশোভন স্বপ্নরত
কিংবা জাগ্রত....
অথবা চির নিদ্রিত....
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28860469 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28860469 2008-10-27 12:36:58
অন্ধকার এখন উপহারের মত লাগে জীবনকে যেমন উপহাস
রট আয়রণের খুঁটিগুলো নড়বড়ে হলে
বেরিয়ে আসে আগুয়ান তিরিশের দীর্ঘশ্বাস]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28858729 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28858729 2008-10-23 19:28:36
ক্যাম্পাসে আবারো সানি নামক শুকরটা, ধ্বিক প্রশাসন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলে পড়ে।এই ঘটনায় অনেকেই আহত হয়েছে। ঘটনা সহজ তথাকথিত মেইস্ট্রিম রাজনীতি কোন না কোনভাবে প্রশাসনের দালাল এইখানে সবাই এক। প্রশাসন এখন সানিকে বাঁচাতে আর ঘটনাকে ভিন্নভাবে ম্যানিপুলেট করতে তৎপর। তারা নিপীড়ণ বিরোধী২২ জন শিক্ষার্থীর বিরদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যগ নিয়েছে। তারা নিশ্চিত জানতো যে সানি ক্যম্পাসে এলে এই ঘটনা ঘটতে পারে, তারা এই ঘটনাটা ঘটতে দেয়ার ক্ষেত্র প্রস্তৃত করেছে। এখন সেটা থেকে নিপীড়ক শক্তির শক্তিমত্তা প্রদর্শণ এবং বিরোধী শক্তিকে নির্মূল করবার পুরান রাজনীতিটা করবে। ধ্বিক এই সমাজ, ধ্বিক এই প্রশাসন.....ধ্বিক এই নিপীড়ক প্রতিপালনের ভাগার।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28857932 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28857932 2008-10-21 23:46:41 মূর্তি রাজনীতি নিয়া ফরহাদ মাজহারের বক্তব্য জানতে ইচ্ছা হয় আমি তারে যতদূর বুঝতে পারি বা পারিনা তাতে আমার জানতে ইচ্ছা হয় তিনি এইবার কি বলবেন? একদিকে তিনি বাঙালী আত্মপরিচয়ের শেকড় অনুসন্ধান করে লালন হয়ে চলেন আবার তিনি মুসলমানীত্বের আত্মপরিচয় নিয়া সভাসেমিনারে কথা কন। ফাইন কোনটা নিয়াই জাজমেন্ট নাই। কিন্তু যেইটা বুঝিনা তিনি এই দুইয়ের ব্লেন্ড দিয়া ধর্ম আশ্রয়কারী মৌলবাদী জামাত রাজনীতিরে কিভাবে দেখেন? নাকি তিনি বলতে চান যেহেতু মৌলবাদ সাপেক্ষিক একটা বিষয় তাই বঙ্গ রাষ্ট্রে জামাতী রাজনীতির সহযোগী জঙ্গীবাদ আসলে একটা আত্মপরিচয়গত প্রতিরোধ মাত্র আর কিছু না। মূর্তি প্রসঙ্গ কেবল ধর্মানুভূতি।

এই জিনিস ব্লগেও দেখলম। মূর্তি প্রসঙ্গ প্রথম থেকেই খুবই রাজনৈতিক। এইটারে জামাত রাজনীতি বিচ্ছিন্ন করে দেখার স্বেচ্ছা/অনিচ্ছাকৃত ভুল যে করবেন তিনি জামাত রাজনীতিরেই পোক্ত করবেন বলে মনে করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28855594 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28855594 2008-10-16 17:32:19
ডানামেলো বুড়ো (রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা) ঐ আকাশটার দিকে তাকিয়ে
যতদূর.... যতদূর পারো
ডানামেলো
বুড়ো।
তোমার বয়স্ক পেশীতে টান দিচ্ছে বার্ধক্যের হাড়
খটখট শব্দে নড়বড় করছে শুকনো অস্থিমজ্জা
ঐ দেখ!
চক্রাকারে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিবাত
তোমাকে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে
উঠিয়ে নেবার জন্য
ক্লেদক্লান্ত জলজ পৃথিবী থেকে

বুক টান টান কর
চিতানো ঘুড়ির মত কর অঙ্গ সংস্থান
মেরুদন্ডে ঝাঁকি দিয়ে
কর উলম্বিক উড়ান
বাতাসের সাথে, সাঁই সাঁই...

এই জারজ মাটিতে তোমাকে বেঁধে রাখবার কেউ নেই
এই শবগ্রস্ত সময়ে তোমাকে কবর দেবার কেউ নেই

তুমি আকাশে উড়াল দাও বুড়ো
ঘিনঘিনে যৌবনের ভাগার থেকে
তুমি আকাশে উত্থান কর...
চেয়ে দেখ,
তোমাকে উঠিয়ে নিতে
ধেয়ে আসছে একবিংশের ঘূর্ণিবাত....

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28855384 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28855384 2008-10-16 10:27:20
বারাক ওবামাও আমার কাছে ঝানতে চায়!!!! Barack Obama wants to know if you agree with this:

"US Election08: Do you agree with Obama's Economic stimulus policy?"

Agree / Disagree

Join the conversation on Minekey.

* * * * *

Winner of today's Minekey Contest: Harshal Charhate. Enter now to win an iPod.
ওবামা ঝা ঝানতে চায়

আমার হাসি পায় এই প্রহসন দেখে। আম্রিকার অর্থনীতি এখন টালমাটাল অর্থাৎ প্রথম ধাপেই বিভিন্ন কাজ থেকে বাদ পড়বে অভিবাসীত জনগণ কিংবা তাদের অবস্থা আরো দূর্বল হবে অথবা অসহনীয়ই হবে। অর্থাৎ সেই দলে বাঙলাদেশের প্রবাসী মানুষজনের উপস্থিতি নেহায়ত কম হবে না বলে অনুমান করি। অন্যদিকে আম্রিকার নাক গলানো আর যুদ্ধবাজ নীতি সহজেই বন্ধ হবার নয়। বিশ্বায়নের ঠুনকো খোলশে আর অর্থনীতির বৈষম্যে কিংবা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবে যেসব রাষ্ট্র আমার দেশ সে সবের প্রথম সাঁরিতেই থাকবে। ফলে এফবির এই সমান সমান বিশ্বায়ন এবং ঘুম ভাঙ্গা সকালে ওবামার জানিতে চাওয়া আবালত্ব দেইখা বিবমিষা জাগে। এই ভার্চুয়াল সম বিশ্বায়ন বা সাম্রাজ্যবাদীতার খেতা পুড়ি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28852954 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28852954 2008-10-10 09:37:00
একজন সম্ভাব্য সাদা কলার পেশাজীবির মুহূর্তিক সাইবার/বাস্তব নাটিকা অথবা অস্পষ্ট এ্যক্টিভিজমের লাউয়ের তরকারী (উৎসর্গ: ফাহমিদুল হক, মানস চৌধুরী ও হাসিব)। নাটকের ভূমিকা:
আমি চাকুরী খুঁজছি, চাকুরী শিকারের লেবাছে। আমি এই খোঁজে অসন্মানিত বোধ করি না, (করলে চলে না)। সাদা কলার পেশাজীবিদের দলে ঢুকবার জন্য ছোট বেলা থেকেই লড়াইরত, আমি না চাইলেও ব্যবস্থপনা এভাবেই গঠিত, এভাবেই ঠেলে দেয়া। প্রথম শ্রেণীগুলোর জোর আর আগের মত নেই (আসলে প্রায় সব কালেই এটা মীথ ছিল বলে মনে হয়)। ব্লগের সাইবার এ্যাকটিভিজমে লুকাই।

চাকুরী সন্ধান আর নেটওয়ার্কিং এর জন্য সাইবার স্পেসের ব্যবহার করছি। যৎকিঞ্চিত মধ্যবিত্তীয় সাহিত্য চর্চা আর না বলা কথা আর একটু নেটওয়ার্কিং আর একটু নিজ নিজ ভাবা আর একটু শক্তিশালী শক্তিশালী হয়ে ওঠা। আর একটু নতুন মাধ্যমে জায়গা তৈরী আর একটু জায়গা তৈরী নিয়ে দলবাজী মারামারি। আর একটু বহি:প্রকাশ আর অনেকটুকু লুকিয়ে রাখা, আর একটু মধ্যবিত্ত মান ইজ্জত, আর একটু মধ্যবিত্তের বাড়তি আয়, নেটওয়ার্কিং, সাহিত্য প্রতিভা প্রকাশ, বিজ্ঞাপন, রাজনৈতিক মতাদর্শের তর্কাতর্কির পরিসর। আর একটু আড্ডা আর একটু নাস্তিক আস্তিক আর একটু জীবন বাঁচানো আর একটু প্রাপ্তি আর একটু শ্বাশত (ব্লগীয় সমাবেশে এখন পর্যন্ত সত্যিকার অর্জন বলে মানি, প্রাপ্তি এবং ব্লগীয় সমাবেশে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পরাজয় শ্বাশত, কার্যকর চেতনানাশক হিসেবে কাজ করেছে। তবে উদ্যমী মানুষের শ্বাশত বিষয়ক অক্লান্ত শ্রমকে বিনম্র শ্রদ্ধা)। এই তো।

সাইবার স্পেসে ইয়াহুতে কথা হচ্ছে চাকুরী বিষয়ে এক বন্ধুর সাথে।
চরিত্র ১: আমি।
চরিত্র ২: অন্বেষা।



প্রথম দৃশ্য
আমি: কি খবর?
অন্বেষা হ্যাজ সাইন্ড ব্যাক ইন।
অন্বেষা: ভালো।
আমি: আচ্ছা।
আমি: কই থাকো?
আমি: নেট এ পাই না।
অন্বেষা: তোমার.... কি?
আমি: আমার কি?
আমি: তোমার পুরো নাম আর ডেজিগনেশন দাও তো সিভিতে দেব।
অন্বেষা: আরে বইলো না।
অন্বেষা: বাড়ীতে গেস্ট।
আমি: মানে যদি তোমার আপত্তি না থাকে।
অন্বেষা: ......পুরো নাম।
অন্বেষা:........পদবী।
অন্বেষা:........ অফিস।
আমি: অফিসের ঠিকানা কি লাগবে?
অন্বেষা: ইমেইল দাও।
অন্বেষা: কোন সমস্যা নাই।(সিভির রেফারার হিসেবে)।
আমি: ডিটেইল অফিস ঠিকানা লাগে তো।
অন্বেষা: নাহ।
অন্বেষা: কি জন্য?
অন্বেষা: সিভি পাঠাবা আমাকে?
আমি: আমি জানিনা।
আমি: পাঠাবো নাকি?
আমি: সিভি?
অন্বেষা: কি করবা তবে?
অন্বেষা: আমার রেফারেন্স?
আমি: একটা জায়গা থেকে সুযোগ এসেছে সেখানে পাঠাবো। (এটাও আরেক আত্মীয় রেফার করেছে)।
অন্বেষা: ওকে।
অন্বেষা: লেখ।
আমি: ভাবলাম তোমার রেফারেন্স দেই। (একটু বিনয় আর বন্ধুত্বমূলক অধিকার বোধের চতুর সংমিশ্রণে)।
আমি: দাঁড়াও তোমাকেও একটা পাঠাই।
অন্বেষা: অফিসের বিস্তারিত ঠিকানা।
...........................................
.........................................
অন্বেষা: সরি, পোষ্ট কোড ভুল হয়েছে।
আমি: আচ্ছা ব্যাপারস না।
আমি: থ্যাংকস।
আমি: আর তুমি বলে নিজেই আমাকে চাকুরী দাও। আমার সেই চাকুরীর কি হল?
অন্বেষা: তাই?
আমি: কি তাই?
অন্বেষা: ব্যপার না।

দ্বিতীয় দৃশ্য:

আমি: এখন বল আমাকে কী চাকুরী দিবা?
অন্বেষা: হ্যা দিব।
অন্বেষা: আমার বডি গার্ড এর।
অন্বেষা: চলবে?
আমি: বেতন কত দিবা?
আমি: নাকি দিবা না?
অন্বেষা: পেটে ভাতে, লগে ম্যাডামের সঙ্গ।
আমি: বাহ! অনেক ভাল।
আমি: বেশ এপ্যিলিং।
আমি: আমার কপাল ফিরে যাবে।
অন্বেষা: তাই! না?
আমি: আবার জিগ্গেস।
আমি: একজন ইন্টেলেকচুয়াল কবি ভৃত্য থুক্কু বডি গার্ড।
অন্বেষা: হা হা হা হা।
আমি: হা হা হা।
আমি: তোমার জন্য সিভি পাঠালাম।
আমি: দারোয়ান পদের জন্য।
অন্বেষা: ওকে।
অন্বেষা: গুড, হয়ে যাবে।


তৃতীয় দৃশ্য:

যে ফাইলটি আপনি পাঠাতে চাইছেন তা যাচ্ছে না। সম্ভবত অন্য কোন প্রোগ্রাম সেটা ব্যবহার করছে।
আপনি একটি ফাইল অন্বেষাকে পাঠিয়েছেন।
সিভি আমার.ডক।
আমি: ম্যাডাম কি পাইছেন?
অন্বেষা: জ্বী।
অন্বেষা: পড়িনি।
অন্বেষা: কাল পড়ব।
অন্বেষা: কাজ করতেসি।
আমি: নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই।
আমি: না পড়লেও হবে......শুধু চাকুরীটা দিয়েন।
আমি: হা হা হা হা আপনার একান্ত বাধ্যগত।
অন্বেষা: আপনার সাহস কত।
অন্বেষা: মালিকের সাথে কিভাবে কথা বলে জানেন না?
আমি: জ্বী ম্যাডাম সরি।
আমি: মালিকের কাছে মেরুদন্ড থাকতে হয় না।
অন্বেষা: জ্বী।
অন্বেষা: বুঝো তো।
আমি: ম্যাডাম আপনিও তো কারো চাকর আপনারো কি মেরুদন্ড নাই?
আমি: আপনি কি এজন্য সবসময় কষ্টে থাকেন, রেগে থাকেন?
আমি: ম্যাডাম আমি কি বেশি প্রশ্ন করছি?
অন্বেষা: জ্বী না।
অন্বেষা: ঠিক করেছেন।
আমি: আমি যদি আপনাকে না বুঝি তাহলে আমি কিভাবে আপনার বডিগার্ড হব?
অন্বেষা: ঠিক।
আমি: ম্যাডাম আমি কি পরীক্ষায় পাশ করেছি?
অন্বেষা: জ্বী।
আমি: ম্যাডাম আমার চাকুরীটা কি হবে?
অন্বেষা: করেছেন।
অন্বেষা: তবে চুপ থাকবেন।
অন্বেষা: যখন বডি, গার্ড করবেন।
আমি: জ্বী ম্যাডাম এই নি:শব্দের মানে আমি বুঝি।
অন্বেষা: কি?
আমি: আমার কখন চুপ থাকা উচিৎ।
আমি: আর কখন বলা উচিৎ।
আমি: ম্যাডাম আমি কি আপনার স্নেহ পাব?
আমি: যদি আমি চুপ থাকি?
অন্বেষা: জ্বী।
অন্বেষা: নিশ্চয়ই।
আমি: ম্যাডাম আমি কি আপনার স্পর্শ পাব, যদি আমি আপনার মত চলি?
অন্বেষা: কত বড় স্পর্ধা।!
আমি: জ্বী ম্যাডাম।
আমি: আপনি কি এরকম স্পর্ধার পুরুষকে পছন্দ করেন না?
অন্বেষা: করি।
অন্বেষা: তবে আপনি না করলে খুশী হব।
আমি: আপনি কি একরকম স্পর্ধার পুরুষকে সারা জীবন ধরে খোঁজেন নি?
অন্বেষা: (মাইর)
আমি: (আহা নাটক তো মাত্র জমাইসি)
আমি: (তুমি চরিত্রে থাকো)
অন্বেষা: ওকে
আমি: যা বলছিলাম ম্যাডাম, এই পুরুষ কি আপনাকে উত্তেজিত করে?
আমি: আপনি আমাকে অনেকখানি প্রশ্রয় দিয়েছেন ম্যাডাম আর একটু কি দেবেন?
অন্বেষা: জ্বী না।
অন্বেষা: বদমায়েশ।
আমি: আমি অনেকদিন মানুষ হই না। আমাকে ভৃত্য করবার আগে আমাকে এটুকু সুযোগ কি দেবেন?
অন্বেষা: চুপ।
আমি: ম্যাডাম আমাকে একবার, এই শেষবারের মত মানুষ হবার সুযোগটা দিন।
আমি: আমি অনুনয় করছি।
অন্বেষা: জ্বী না।
আমি: কেন ম্যাডাম কেন?
আমি: একজন পাহারাদারের জন্য এটা কি অন্যায়?
অন্বেষা: পাহারাদার না।
অন্বেষা: যে কারোর জন্য অন্যায়।
আমি : কেন ম্যাডাম কেন? আমি তুচ্ছ মানুষ।
অন্বেষা: আপনি পুরুষ মানুষ।
অন্বেষা: পুরো পুরুষ।
আমি: আমাকে ভুল বুঝবেন না।
অন্বেষা: জ্বী।
আমি: ভৃত্যরা কি মানুষ হয় ম্যাডাম?
অন্বেষা: ভৃত্য ম্যাডামকে ভয় পাও।
আমি: ম্যাডাম আমি ভয়ে ভেঙ্গে পড়ছি তা কি আপনি দেখতে পাচ্ছেন না?
আমি: আমি আমার ভয় আড়াল করছি না কিন্তু আপনি আমার ভয়ে শংকিত হচ্ছেন কেন?
আমি: আপনি কি আমার মতই ভীত?
আমি: প্লিজ আমার প্রশ্নের উত্তর দিন.......
আমি: দয়া করে আমার প্রশ্নের উত্তর দিন........

ইয়াহু মেসেজ: সরি যে ব্যক্তির সাথে আপনি কথা বলছিলেন তিনি সাইন আউট করেছেন।

এটা গল্প নয় আমার এই মুহূর্তের বাস্তবতা। ফলে বাস্তবতা যে নিজেও গল্পীয় তা বোধহয় বলা যেতে পারে। ফলে এটা লিখে আমার যে প্রকাশ তা কি ব্লগীয় এ্যাক্টিভিজম? নাকি মধ্যবিত্তের খামতি প্রকাশ মাত্র? এ্যক্টিভিজম কি রকম, কি প্রকারে, কিভাবে সংঘটিত ও সংগঠিত হতে পারে?

সাদা কলার পেশাজীবি
ফাহমিদুলক হকের পোষ্ট ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28851713 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28851713 2008-10-07 01:09:39
হ্যালভেশিয়ার মুত্র বানিজ্য ও ঈদের ছবিতে ব্লগের বয়ান ছবি: ২. সামহয়ার ইন ব্লগ স্বয়ং, পেছনে...বুইজ্জা লন।

ছবি: ৩. ব্লগে নতুন পীরের/টপিকের আবির্ভাব আর সেটারে নিয়াই জনগণের মাতামাতি।
ছবি: ৪. খরাকালীন সময়ে পাঠক/দর্শকের হাহাকার, তবুও পসরা প্রস্তুত।

ছবি: ৫. এডমিন যখন নিদ্রালুপ্ত থাকেন। একই কথা অনেকের জন্যই, পাঠক যেমন নিদ্রালুপ্ত থাকেন।
ছবি: ৬. ভীষণ চাপের সময় এডমিন ও আবাল তর্ককারীরা যখন স্বপ্ন দেখেন সবকিছু যদি পানির মত সহজ হয়ে যেত, একই রকম বোতলজাত। খুললেই বিশুদ্ধ পানি অন্য কিছুর ভয় নাই।
ছবি: ৭. মোল্লাগোষ্ঠীর খোঁড়া যুক্তিতে হাত দিলেই যেই চোখ কুচকানী গল্প। কিছুদূর যাবার পরই আমি খেলুম না।
ছবি: ৮. ব্লগের ক্যাচালে পাগল হইয়া যাওয়া নবিস, বিশ টাকার নোট নিয়া চিন্তা করতাছে কি করতে বন্ধুর পরামর্শে ব্লগর করতে সাইবার ক্যাফেতে বইছিলাম। আবার যামু।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28851117 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28851117 2008-10-05 11:19:30
কৌশিক, রাসেল দুইজনাই আমারে ব্যান করছ ক্যান? http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28850683 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28850683 2008-10-03 20:49:00 "জামাতে যাইতাম না",
কালকে সকালে উইঠা অনেক ভালো মানুষ জামাতে যাইবো, কোলাকুলি করব। তাগো দেইখা আমার ভালোও লাগবো। কিন্তু আমার জামাত শুনলেই ঘিন্না লাগে, আমি জামাতে যাইতাম নারে ভাই.......।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28850296 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28850296 2008-10-02 04:30:16
ঈদকে একটি ইভেন্ট হিসেবে পাঠ করা, মাধ্যম ফটোগ্রাফি, আমার কিছু প্রস্তাবনা যে কোন উৎসবে আমাদের নিমজ্জনও এমন যে এই বিষয়ক আমাদের ছবি তোলাও খুবই রিপিটেটিভ এবং বিদ্যমান রেটোরিকের পুন:উৎপাদনকারী। তবে সেই গল্পে আজকে না যাই। আমার প্রস্তাবনা হইল এই ঈদে ব্লগাররা তাদের ছবি তোলার যে কোন প্রকারের যন্ত্র ব্যবহার করিয়া এমন সব ছবি তুলতে চাইবেন কিনা যা সাধারণত আমরা তুলি না বা দেখি না। উৎসবে মেতে উঠতে আমি নিজেও খুবই পছন্দ করি, আবার একই সাথে চোখ খোলা না রাখালেও আমার অস্বস্তি বোধ হয়। আনন্দকে তীক্ষ্ণ করে তুলবার জন্য এই ঈদেই পরিলকল্পনা মাফিক, একটু প্রস্তুতি নিয়ে আমরা এমন ধরণের ছবি তুলবার চেষ্টা করি যা অন্য কথা বলে বা বলতে চায়। আমি মনে করি একটু সতর্ক হলে ব্লগের অনেকেই এটা করতে সক্ষম। এরপর এইসব ছবি নিয়ে একটা ব্লগীয় প্রদর্শনীও করে ফেলি। দেখা যাক দর্শক এবং দর্শকত্ব নিয়ে আমাদের ভাবনা পরিসর কেমন? আগ্রহীরা ছবি তুলুন এবং নিজের বাছাই করা সর্বোচ্চ ৫টি ছবি নিয়ে ক্যাপশন লিখে পোষ্ট দিন। ছবি এবং ছবির কথা, বিতর্ক ইত্যাদি নিয়ে একটা ই-বুকও তৈরী করা যেতে পারে।

আমি আমার দুর্বল এন৭০ নিয়ে আনন্দ/কাজ শুরু করলাম। সবাইকে ঈদের আনন্দে মাথা খাটাবার অগ্রীম শুভেচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28850242 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28850242 2008-10-02 00:46:32
মোবারকরে নিয়া একটু খিয়াল কইরা!!!!
কিন্তু টাসকী খাইলাম এক পোংটা নারী বন্ধুরে ফোন কইরা। তারে শুভেচ্ছা জানাইতেই কইল, 'তোমার সমস্যা কি, এত ঈদ মোবারক করতাছো ক্যান?' আমি কইলাম ইচ্ছা হইছে। সে কয় ঈদরে নিয়া শুভেচ্ছা দাও ভাল কথা কিন্তু মোবারকের কথা বলবানা। আমি বললাম কেন? সে একটু চুপ মাইরা উত্তর দিল, তাতে মোবারকের প্রতি তোমার পিরিত বেশি বুঝা যায়। আশা করি তুমি এর মধ্যে সেক্স চেইঞ্জ কইরা, গে হইয়া যাও নাই। বইলাই সে গা জ্বালানীর মত একচোট হাইসা নেয়। এখন থেইকা নাম ধইরা ঈদের শুভেচ্ছা দিবা, যেমন তোমারে দিলাম ঈদ শরৎ অথবা শুভ ঈদ শরৎ। আমি কইলাম মোবারকের অর্থও কিন্তু শুভেচ্ছা। এজন্যই ঈদ মোবারক। সে বলল এইটা আমি জানি কিন্তু এই অর্থ এখন কয়জন জানে? তুমি আরেকবার বললেই আমি কিন্তু তোমারে গে মনে করতে শুরু করব। আমি বললাম তাইলে তুমি আমারে ঈদ মোবারক বললে আমি বুঝব মোবারকের লগে তুমি ডেট করতাছো। অথবা তুমি আর তোমার বান্ধবীরা যখন পরস্পরকে ঈদ মোবারক বলবা তার মানে হইব তোমরা হেটারো হইলেও একই লোকের সাথে ডেট করতাছো। সে কইল, এতকিছু বুঝি না তুমি আমারে নাম ধইরা ঈদের শুভেচ্ছা দিবা। আমি বললাম ঠিক আছে। তাইলে তুমিও তোমার বন্ধু বান্ধবীরে এই পদ্ধতিতে শুভেচ্ছা জানাইবা নিশ্চয়ই। সে বলে হ্যা। আমি বললাম তাইলে তুমি যখন তোমার বান্ধবীরে মোবারক বাদ দিয়া নাম ধইরা ঈদের শুভেচ্ছা জানাইবা তখন আমি কি ভাবব তুমি লেসবিয়ান? সে আর কিছু কয় না। আমিও হাসতে হাসতে ফোন রাখি।

মানুষ যেখানে থাকবো সেখানে রাজনীতি থাকবো, আবার মানুষ যেখানে থাকবো সেখানে ঐক্যের গল্পটাও রাখন যায় কিন্তু; নাইলে উৎসবও হয় না বাইচা থাকনও হয় না। আপনারাও মোবারক নিয়া একটু খিয়াল কইরা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28849709 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28849709 2008-09-30 14:18:14
রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশির ঈদ- গানটার ডাউনলোড লিংক দেন http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28849403 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28849403 2008-09-29 19:31:52 আসল ঈদের মজা ঢাকাতে!! http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28849065 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28849065 2008-09-28 23:00:30 আমি বোধহয় খুব আদিম কোন কিছুর জন্যই মারা যাব (সুমন রহমানের সাথে জুবায়ের এর মৃত্যু, শোক ও পরিবেশন বিষয়ক যোগাযোগ... আমি সম্ভবত আদিম কোন কিছুর জন্য মারা যাব
যেমন নি:শ্বাস, যেমন অভিমান
যেহেতু কোন ঐশ্বরিক প্রকল্পের বাসিন্দা আমি নই
এবং বেঁচে থাকা ভিন্ন অন্য লোভ আমাকে সেভাবে তাড়ণা করেনা
সেহেতু আমি সম্ভবত একটুকরো খাবার
একটা ছোট বুলেট
এসবের কারণেই মারা যাব

তবে আমি পরিষ্কার করতে পারি না
আমার মৃত্যু চরিত
আমি সম্পন্ন করতে পারি না এর শেষ খন্ডাংশ
বিদ্যমান অক্ষরগুলো যখন আমাকে লেখতে থাকে
তখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আমার হয়ে ওঠে না
সম্ভবত এই ভয়টুকুর জন্যই মারা যাব

তবে আমি বুঝতে পারি
মৃত্যুকে ঘিরে আমার এই শংকাচরিত
সংক্রামিত করবে অনেককেই
ফলে আর সবার মতই আমার মৃত্যু হবে গুচ্ছো
সম্পূর্ণ একলা হয়ে কেউ মরতে পারে না কখনোই
সম্পূর্ণ গুচ্ছো হয়ে কেউ বাঁচতে পারে না যেমন

তুমি তোমরা আমার মতই ভিন্ন
এবং আমার মতই গুচ্ছো
তাই মীথ-বিহীন যেকোন মৃত্যুতে আমি স্বস্তি পাব
তাই ঈশ্বরহীন যে কোন মৃত্যুতে আমি সুখ পাব

তবে ঈশ্বরসমেত মৃতদের জন্য আমার সবসময়ের সমবেদনা থাকবে
আমি হয়ত তাদের ভাতৃ-গোষ্ঠীর কান্না দেখে ঈর্ষান্বিতও হব
গোপন কল্পনায় আমি আশা করবো এই ধরণেরই কোন উদযাপণ
তবে আমি বোধহয় খুব আদিম কোন কিছুর জন্য মারা যাব
এই যেমন মানুষ হওয়ার কারণেই
তবে আমি বোধহয় খুব আদিম কোন কিছুর জন্যই বেঁচে থাকব
এই যেমন মানুষ হওয়ার কারণেই
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28848498 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/28848498 2008-09-27 12:38:37