somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... নিশাচর ঢাকা

















]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29537601 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29537601 2012-02-09 03:15:15
বয়স আমার মুখের রেখায় শেখায় আজব ত্রিকোণমিতি
সুমনের গানটা মনে পড়ে যায় শুধু।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29536570 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29536570 2012-02-07 14:04:31
একাকীত্ব,ভালোবাসা,জীবন
একাকীত্ব: ভীষণ একা, কাউকে প্রয়োজন, আমার ভালোবাসা দরকার।

ভালোবাসা: আহ! অবশেষে পেলাম ভালোবাসার দেখা, দুজনায় কত গান, কত খুশি, কত আনন্দ।

অসম্পূর্ণতা প্রাক:বিবাহ: তবুও কিসের যেন অভাব, আমাদের একসাথে থাকা দরকার এভাবে আর থাকা যায় না কিছুতেই।

দূরত্ব: মেনে নেয়া যায় না এই পরিস্থিতি। এই দূরত্ব, পেয়েও না পাওয়ার একাকীত্ব হত্যা করছে আমাদের।

বিবাহিত: যাক অবশেষে আমরা বিবাহিত। অবশেষে আমরা একত্র হয়েছি। কিন্তু বিয়েটা কি ঠিক হল? পেলাম কি উপযুক্ত মানুষ? হল কি বুলস আই?

বিয়ে পরবর্তী একাকীত্ব: তবুও কিসের একাকীত্ব যেন রয়ে যায়, সবটুকু ভাগাভাগী করে নেয়া যাচ্ছে না। বহন করছি নতুন একাকীত্ব, দুজনাই।

একাকীত্বের আর সময় নেই: সন্তান হয়েছে, পরিবার বেড়েছে, ভালোবাসা আছে একাকীত্ব নিয়ে চিন্তা করার সময় কোথায় আমাদের?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29535433 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29535433 2012-02-05 15:18:05
সমুদ্র ডাকে














শুভেচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29533898 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29533898 2012-02-02 15:07:52
সাম্প্রতিক মুখগুলো
উচ্ছাস

পালাবি কোথায়

টপ রংবাজ

যাত্রী

প্রাজ্ঞ আলো

রমনীয়

আনন্দ

দাম্পত্য]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29531996 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29531996 2012-01-30 14:09:05
আমারো হইয়াছিল উড়িবার সাধ

































ধন্যবাদ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29529126 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29529126 2012-01-25 18:05:34
পোখরা টু প‌্যারীস এ জার্নি বাই ফটোগ্রাফী
পোখরা ফেওয়া লেক

বিকেলের রশ্মি এসে পড়ত যদি মুখে

এই জলে যদি স্মান করা যেত আবার

আহ পর্বত, তুমি উজ্জ্বল

এমন মধুর মহূর্ত ফিরে আসবে তো?

আমি তো এক নি:সঙ্গ মাঝি

উমম!! ফ্যাশনেবল প্যারীস

আলোকজ্জ্বল প্যারীস

Sacré-Coeur এর একদম সামনে

পুরো প্যারীস শহর

এই সেই বিখ্যাত বালিস্ক Sacré-Coeur

সামনের মূর্তির মত মূকাভিনেতারা জীবন্ত হয়ে ওঠেন দর্শকদের চমকে দিয়ে

কত কালের যে স্বাক্ষী

এখানে একটু গড়িয়ে নিলে কি যে ভালো হত

দিগ্বিজয়ের মূর্তিও বটে

গান গেয়ে আয়ের চেষ্টা সবখানেই কিন্তু রয়েছে। কি যে সুরেলা ছিল সেই গান।

হয়ত সমস্ত শিল্পই হারিয়ে যায় সময়ের গহ্বরে।

শুভেচ্ছা সবাইকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29528399 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29528399 2012-01-24 15:00:19
জীবনের দিকে তাকিয়ে থাকার গল্প

কাছ থেকে আরো কাছে...চক্রে চক্রে বাঁধা


অথবা পিস্তলের ছয় রাউন্ড গুলির মত



অথবা শূণ্য থেকে এক ফালি বৃত্তের মত

ধন্যবাদ সবাইকে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29524494 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29524494 2012-01-18 16:29:56
ভালোবাসা কি? উত্তরটা সহজই
এই একটা খবরেই সব পরিষ্কার

বিস্তারিত ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29523713 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29523713 2012-01-17 08:55:40
মোনালিসার মুখোমুখি: অন্তর্গত লুভে

লুভে ঢোকার মুখে

এই দালান কাঠামোগুলো খুব অপরিচিত নয়

লুভ, আসছি আমি

প্রাক্তণ রাজপ্রাসাদ পরিবর্তন করে বানানো হয়েছে জাদুঘর

সে এক বিশাল চত্তর

বিখ্যাত গ্লাস পিরামিড

এর নিচ দিয়েই যেতে হয় জাদুঘরে

সামনেই ফোয়ারা

ভেতর থেকে দেখা পিরামিড

আহ! লুভ, বেশ অনেকটুকু পথ হাঁটতে হয়

পৌছে যাচ্ছি জগতের লুন্ঠনের ইতিহাস দেখতেও

রোমান ভাষ্কর্য

দেয়াল জুড়ে বিশ্ববিখ্যাত সব চিত্র

ছাদ জুড়েও

যদি বসে থাকতে পারতাম আরো কিছুক্ষণ

এই হলরুমে হেঁটে চলা

বিখ্যাত সব চিত্রকর্ম

পশ্চিমা ইতিহাসের শিল্প বয়ান

আরো গভীরে

চিনতে পারেন এই ছবিটাকে?

হেই নেপোলিয়ান

ঐ তেরি, ডাকাতি কৈরা ভালৈ বানাইছে

কাঠামো আর কাঠামো

প্রেমের ভাষ্কর্য

এটাও গ্রীক

চলো যাই মোনালিসা দেখি

কি দেখা যায়? কাকে দেখ?

লুভ এর সেলিব্রিটি

আমিও যাই কাছে

দেখি তোমাকে। সবার মতই আমারো মনে হল এত ছোট একটা চিত্রকর্ম আর এতই তার প্রভাব। মজা হল ঘরের যে কোন কোণা থেকেই দেখেন না কেন মনে হবে মোনাসিলা আপনার দিকে তাকিয়ে আছে।

এবার আসি তাহলে প্রিয়া

উড়ে যাওয়া পাখি হওয়াই আমার জীবন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29521068 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29521068 2012-01-12 14:00:19
লাইভ ব্লগিং: ওয়ার্কশপ ব্রডকাস্ট মিডিয়া ল এন্ড পলিসি: ২য় দিন
লাইভ প্রোগ্রামিং কতটা লাইভ?
ব্রডকাস্টার মালিকানা বানিজ্যিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তির আধিপত্যে বর্ধনশীল
মিডিয়া পলিসিতে আইনে নৈতিকতার মান বিষয়ক ঘটনাটি কেমন?
মালিকপক্ষের তরফ থেকে নিয়ন্ত্রণ থাকা না থাকা
মালিক পক্ষের পক্ষপাতিত্ব, কিভাবে তাহলে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং হবে?

জাতিগতভাবে এবার সরব হতে হবে
কেননা অসৎ লোকদের কারণে সমাজ নষ্ট হয় না, সমাজ নষ্ট হয় সৎ মানুষের চুপ থাকার কারণে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29519234 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29519234 2012-01-09 15:05:19
লাইভ ব্লগিং: ওয়ার্কশপ ব্রডকাস্ট মিডিয়া ল এন্ড পলিসি: প্রথম সেশন
আয়োজন করছেন বিনএনএনআরসি, ইন্টারনিউজ। অনুষ্ঠিত হচ্ছে, আইডিবি ভবন, আগারগাঁও,ঢাকা।

বিনএনএন আরসি এর এর চিফ এক্সিকিউটিভ বজলুর রহমান স্বাগত বক্তব্য শুরু করলেন।

উপস্থিত আছেন ইন্টারন্যাশনাল, কমার্শিয়াল, বাংলাদেশ বেতার, নিমকো, এবিসি, রেডিও টুডে, সময় টিভি, এবিসি রেডিও তেহরান কমিউনিটি রেডিওর, রিজিওনালা মাস্টার্স এর শিক্ষার্থীরা প্রতিনিধিরা।

বজলুর রহমান: পরিণত নীতিমালা নেই, এমনকি ওনলাইন নিউজ এজেন্সীর জন্যও নেই। ওনলাইন ব্রডকাস্টিং এর জন্যও কোন নীতিমালা নেই।
সম্প্রচার শিল্পের বিকাশের জন্য পরিণত নীতিমালা নেই।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29518483 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29518483 2012-01-08 11:43:35
জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস
পথের মাঝে স্কুলফেরা কিশোর

তিতাস নামক প্রাণবন্ত এক তরুণী নদীর কাছে যখন আমরা পৌছলাম তখন শুক্রবারের জুম্মার নামায শুরু হতে আর খুব বেশি সময় বাকী নেই। শীতকাল অনুযায়ী বেমানান খটখটে রোদ। ব্লগারদের জনা পাচেকের আরেকটি দল সুলতানপুর পার করছেন। এখানে চলে আসতে খুব বেশি দেরী হবে না। যে রাস্তা ধরে আমাদের গাড়ীটি এগিয়ে চলেছিল তাতে যুগ্ম ব্রীজ পার হলেই আখাউড়া পৌরসভা শুরু। স্থানীয়ভাবে এই ব্রীজকে কড্ডা ব্রীজ হিসেবেই ডাকা হয়।

আখাউড়া থেকে ব্রাম্ননবাড়ীয়ার পথ

খুব কাছেই দেখা গেল বিমান নামছে। প্রথমে বিস্মিত হলেও পরক্ষণেই বোঝা গেল বাংলাদেশ-ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি আমরা। সীমান্তের ওপাড়েই আগরতলা। বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি নাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, জাতীয় নেতা এইসব ঘটনার কথা মনের ভেতর উঁকি দিয়ে গেল। সাথের বন্ধুরা সীমান্ত দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠল, আর তখনি হঠাৎ করেই মনের ভেতর দাবানলের মত জ্বলে উঠল একটি ছবি। যে ছবিতে দেখা যায় কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলন্ত ফেলানির লাশ। বিএসএফ বহন করে নিয়ে যাচ্ছে সেই লাশ কোরবানীর পশুর মত।

কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছে ফেলানি

তিতাসের খুন হবার খবর আমরা পাই এই ব্লগেই, দিনমজুরের পোষ্টের সূত্রে।(খবরটি প্রথম জানিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন০৫ )। সেই খবর আমাদের কষ্ট দেয়, বিদ্রোহী করে। কিন্তু লাশের গল্প শোনা আর লাশ ছুঁয়ে আসা এক কথা নয়। তাই ব্লগাররা নিজেদের উদ্যোগে নিজেরাই আয়োজন করে রওনা দেন তিতাসের লাশ দেখার উদ্দেশ্যে। কৌশিক, সবাক, হাসান বিপুল, ইশতিয়াক করিম, তারেক আজিজ এই পাঁচের ব্লগারের দল পৌছান একসাথে। আমি ও আমার বন্ধুরা অলোক, রমিন, রেদোয়ান পৌছাই তাদের একটু আগে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৪ নামে একটা নিউজ এজেন্সীর কর্তাব্যক্তিরা আমাদের নানাভাবে সাহায্য করেন।

তিতাসের বুক চিড়ে ট্রানজিট

আমরা দেখি নদীর বুক চিড়ে রাস্তা বানানো হয়েছে। ট্রানজিটের রাস্তা। আমাদের নতজানুতার পথ। এই পথ দেখে আমাদের কষ্ট হয়, ঘৃণা হয়, অবিশ্বাস গাঢ় হয় সরকারের বিবেচনা বোধ আর সদিচ্ছার প্রতি। সন্দেহ দৃঢ় হয় সরকারের মেরুদন্ডহীনতা আর দুর্নীতিতে। ঠিক যেভাবে প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকের পায়ের উপর দিয়ে নির্মম চলে যায় যন্ত্রযান, যেভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয় তার পা শরীর থেকে, ঠিক সেভাবে তিতাসের দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে তার প্রবাহমানতাকে।


তবুও এই শীতকালেও বাঁচার আকুতিতে প্রাণোচ্ছল তিতাস

ছোটবেলায় পড়েছিলাম নদীমাতৃক দেশ এই বাংলাদেশ। সেটা কি এরপর পাঠ্যপুস্তকেই রয়ে যাবে? কি দেখবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম! বিশ্বের বৃহত্তম এই ব-দ্বীপে শিরা উপশিরার মত বয়ে চলে নদী-নালা-খাল। একটি নদীর উপর নির্ভর করে লাখলাখ মানুষ। বেঁচে থাকে চারপাশের প্রকৃতি-বাস্তুসংস্থান। ফলে একটি নদী কেবল বিশেষ একটি অঞ্চলের সম্পত্তি নয় সেটি সমগ্র দেশের, দেশের মানুষের সম্পদ। নদীর প্রবাহমানতায় একক এক্তিয়ার নেই কারোই। তাই যখন তখন যেখানে সেখানে বাঁধ দেয়া যায়না। উজান ভাটির মানুষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। এই সম্পদ কারো একার নয়, এই সম্পদ সমগ্র পৃথিবীর। সারা পৃথিবী ব্যাপী যখন পরিবেশ রক্ষা প্রধানতম বিষয় তখন ক্ষুদ্র স্বার্থপর স্বার্থে সেখানে বাধ সেধেছে নব্য বা পুরাতন শিল্পভিত্তিক রাষ্ট্র। ভারত তাদের অন্যতম।


নদী হত্যা হলে মাছের ব্রিডিং কোথায় হবে?

পরিবেশ বিনষ্টকারী “উন্নয়ন” যে কেবল নামেরই উন্নয়ন তার প্রমাণ হিসেবে এখনো কয়লার মত জ্বলজ্বল করছে লেসোথো, চিলি, উগান্ডা, পাপুয়া নিউগিনি আরো কতশত দেশ। ফলে তিতাসের বুকে রাস্তা বানানো সেই একই হত্যা-তালিকায় আর একটি নামমাত্র। আর এতে আক্রান্ত হবেন লাখো লাখো মানুষ।

স্থানীয় মানুষজনদের সাথে ইন্টারভিউ করে জানা গেল মাত্র ছ-মাস আগে এই রাস্তা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সাথে কোন ধরণের সংলাপ বা তাদের মতামতের অন্তর্ভূক্তির কোন সুযোগই ঘটেনি। আখাউড়ার ব্লগার আলী মাহমেদ শুভ জানালেন ট্রানজিট শুরু হবার সাথেই এলাকার জমির দাম বেড়ে গেছে বহুগুন। অনেকেই জমির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে আশাবাদী। কেননা তারা মনে করেন তাহলে স্থানীয় মানুষজনের অর্থনীতিতে এটা একটা “বুম” হিসেবে কাজ করবে। কিন্তু জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক লাভ হবে কাদের? ক্ষেতিজমির মূল মালিকদের নাকি মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের? নাকি স্থানীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক এলিটদের? এই ধানি জমি বিক্রী হবে কাদের কাছে? শিল্পপতি ইট ভাঁটার মালিকদের কাছে? তারা কি বানাবেন? কলকারখানা? কিসের বিনিময়ে? ধানের জমি, সেচের নদী, মাছের নদীর বিনিময়ে? তাহলে এই নদীর সাথে জড়িত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষজনের জীবনের কি হবে?

বর্ষায় ভ’রে ওঠে এই জমিগুলো। নদী হত্যা হলে চাষবাষের কি হবে?

এই কৃষকের কি হবে? কালো পিচে কি আর ফসল ফলানো যায়?

এই শ্রমিকের কি হবে? কিংবা জেলের? কিংবা ফসলের?

এই ধরণের প্রশ্নগুলো সাধারণত এড়িয়ে যেতে চান আমলা,মন্ত্রী,এমপিরা। এলাকার উন্নয়নের নামে তারা বিসর্জন দেন শতশত মানুষের ন্যুনতম বেঁচে থাকার অধিকার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়া যাবার পথে চোখে পড়ল সদ্য তৈরি হওয়া নতুন পথ। এতটাই আঁকাবাঁকা যে আমাদের গাড়ী চালিয়ে যেতে বেশ কষ্ট হল। যদি এমন বলা হয় “বন্ধু দেশের”???!!! এত বড় ভারী ভারী লরি নেবার জন্য তিতাসের বুক চিড়ে পথ বানানো হয়েছে কেননা বিকল্প ব্রীজের এমন ভার বহনের ক্ষমতা নেই। তাহলে আমি বলব আসলে সমগ্র বাংলাদেশেরই এই ভারতীয় ট্রানজিট বহনের ক্ষমতা নেই। কেননা পুরো রাস্তাকে যেভাবে পরিমার্জন করা হয়েছে টাকা খরচ করা হয়েছে, সেই ধৈর্য্য আর অর্থব্যায় ব্রীজের পুন:গঠনে দেয়া হল না কেন? কিসের এত তাড়া কিসের ভয়ে এত হুটোপুটি করে ট্রানজিট ট্রানজিট করে মাতম করতে হবে?


ট্রানজিটের ভারতীয় বন্ধুত্বের ভার বহনের ক্ষমতা কি আমাদের আছে?


কতদূরে উন্নয়ন?


মালামাল বহনের অন্য কোন রাস্তা ছিলনা? কেন ট্রানজিটের এত তাড়াহুড়ো?

এই হল দেশের উন্নয়নের অবস্থা
যাবার পথেই চোখে পড়েছিল, দিন মজুরের পোষ্টে যেই সংস্কারহীন অযত্নে লালিত ব্রীজের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেটারই রেলিং ভেঙ্গে উল্টে পড়ে থেতলে গেছে ট্রাক। ঠিক তেমনি হবে এই দেশের যদিনা নিজের ঘরের পথ ঘাট উন্নয়নে মনোনিবেশ না করা হয়। যদি নির্দ্বিধায় গলা টিপে মেরে ফেলি নিজের সম্পদকে। এতে অন্যরাষ্ট্র আর নিজের দেশের কতিপয় দালালের পকেট ভারী হওয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না।

আর এই তার ফলাফল
ধানি জমির অনি:শেষ বিলুপ্তি, একের পর এক নদীকে হত্যা করা, কৃষকের কাছ থেকে তার জীবন কেড়ে নেয়া এর সবই ফিরে আসছে বুমেরাং হিসেবে। জ্বালানী আর তেলের মূল্য যেমন অবিশ্বাস্য উর্দ্ধগতির তা পরাস্ত করছে মানুষের ন্যুনতম বেঁচে থাকার চেষ্টাকে। এদেশের ০.১% মানুষ নাহয় ৩০০০টাকা দিয়ে তেল আর ২০০০টাকার চাল খেতে কিনে খেতে পারে কিন্তু বাকীদের বেঁচে থাকাই যে এক যন্ত্রণা। সেই ০.১% মানুষ নাহয় উড়াল দিয়ে উড়ে যেতে পারে ইউরোপ আমেরিকা আর মরিশাসে। কিন্তু বাকী আমাদের থাকতে হবে এই দেশে। কেননা আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ দেখি এই দেশেই, এই রাষ্ট্রেই।

এই সাধারণ মানুষের হাতই টেনে তোলে রাস্ট্রকে বারবার আর রাস্ট্র তার গলাতেই শেকল পড়ায়

স্থানীয় অনেক মানুষজন চাষের জমি তো হারাচ্ছেনই। হারাচ্ছেন সেচের পানিও। আখাউড়া থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত বাঁধ আর কালভার্ট বানিয়ে কত বিস্তীর্ণ একটা অঞ্চলের মানুষজন আক্রান্ত হয়েছেন সে কথা কি ভেবে দেখেছেন আমাদের (অপ-)নীতি নির্ধারকরা?
সময় এসেছে পরিবর্তনের, শহুরে ব্লগিং করা মানুষজনেরও দু-বেলা ঠিকটাক ভাত আর স্বস্তির জীবনের জন্য রক্ষা করতে হবে নামতে হবে দেশের সম্পদকে। প্রতিরোধ করতে হবে সব অন্যায় সিদ্ধান্ত আর নতজানু নীতির।

ব্লগারদের সাথে আলাপে অনেকেই শংকা প্রকাশ করেছিলেন যে স্থানীয় রাজনীতি আর দারিদ্রের কারণে হয়ত অনেককেই সংগঠিত করা সম্ভব হবে না। হয়ত তাদের আশংকা অনেকটা সত্যও। কিন্তু এও সত্য এই মুহুর্তে প্রতিবাদ প্রতিরোধ ছাড়া আর কোন পথ নেই। ব্লগাররা কাজ করতে পারেন স্থানীয় অপনিয়ন লিডার হিসেবে। কেবল রাজধানী-কেন্দ্রীক আন্দোলনের বদলে আমরা এমনও দেখতে পারি যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া , আশুগঞ্জের ব্লগাররা প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনকে। অবহিত করেছেন স্থানীয় মানুষদের। সংগঠিত করেছেন। এটা আমাদের করতেই হবে, কেননা শেষমেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবার জায়গায় রয়েছি সেই ৯৯.৯%।

সেই কিশোর ছুঁইছুঁই মুখটার কথা ভুলতে পারিনা কিছুতেই। দু:স্বপ্ন দেখি “বন্ধু” দেশের ট্রানজিট লরিতে পিষ্ট হয়ে থেতলে গেছে তার সমস্ত দেহ। খুব কাছের তিতাসের মত সেও মুখ থুবড়ে পড়ে আছে আর নিচ্ছে রক্তাক্ত শেষ নি:শ্বাস। আর ধূসর হয়ে আসছে তার নদীতে সাঁতার, মাছ, ক্রিকেট...।


এই কিশোরটিকে বাঁচাতে হবে, নিহত হওয়া থেকে, বিষণ্ন হয়ে স্বপ্নহীন হওয়া থেকে। তিতাসকে বাঁচানো সম্ভব। বাঁচানো সম্ভব এই দেশটাকে। দূর কর, প্রতিরোধ কর ট্রানজিট আর টিপাইমুখের কালো ছায়া।

ট্রানজিটের মালামাল পরিবহণের নামে তিতাস নদী খুন হতে পারে না, আমরা তিতাস নদী বাঁচাবই

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বানানটি ভুল ছিল পুরো পোস্ট জুড়েই, ব্লগার নীল কষ্ট 'র যথার্থ পরামর্শ মতে সেটা ঠিক করে দেয়া হল। অনেক ধন্যবাদ তাকে।

তিতাস নিয়ে পডকাস্ট করেছেন কৌশিক, সবাক, তারেক আজিজ, হাসান বিপুল, ইশতিয়াক করিম। এখানে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ও আলাপ তৈরি করেছে ব্লগার আলী মাহমেদ শুভ। স্থানীয় মানুষজন প্রয়োজনীয় অংশগ্রহণ করেছেন। সেই পড কাস্টিং এর লিংক যুক্ত করা হল।










]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29513436 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29513436 2011-12-31 16:05:19
নতুন কুঁড়ি নস্টালজিয়া


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29512188 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29512188 2011-12-29 14:59:14
নদী ডাকছে! নদী ডাকছে! নি:সঙ্গ যাত্রী অথবা শুরুর অপেক্ষায়, তিতাস মুক্ত করি! তিতাস মুক্ত করি!

নদী ডাকছে নদী ডাকছে। তিতাসের মুক্তি চাই। নদীতে আবার ঢেউয়ের তালে নেচে উঠুক নৌকা। নদীর ডাকে সাড়া দেয়ার সময় এখনি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29510990 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29510990 2011-12-27 18:05:12
ভোরের সংগীত: ডোন্ট লাফ এ্যাট মি...চামড়ার নীচে আমরা সবাই সমান
I'm a little boy with glasses
The one they call the geek
A little girl who never smiles
'Cause I've got braces on my teeth
And I know how it feels
To cry myself to sleep

I'm that kid on every playground
Who's always chosen last
A single teenage mother
Tryin' to overcome my past
You don't have to be my friend
But is it too much to ask

Don't laugh at me
Don't call me names
Don't get your pleasure from my pain
In God's eyes we're all the same
Someday we'll all have perfect wings
Don't laugh at me

I'm the cripple on the corner
You've passed me on the street
And I wouldn't be out here beggin'
If I had enough to eat
And don't think I don't notice
That our eyes never meet

I lost my wife and little boy when
Someone cross that yellow line
The day we laid them in the ground
Is the day I lost my mind
And right now I'm down to holdin'
This little cardboard sign...so

Don't laugh at me
Don't call me names
Don't get your pleasure from my pain
In God's eyes we're all the same
Someday we'll all have perfect wings
Don't laugh at me

I'm fat, I'm thin, I'm short, I'm tall
I'm deaf, I'm blind, hey, aren't we all

Don't laugh at me
Don't call me names
Don't get your pleasure from my pain
In God's eyes we're all the same
Someday we'll all have perfect wings
Don't laugh at me
শুভ কামনা সবার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29510240 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29510240 2011-12-26 06:19:30
আমাদের বুয়ার কোরবানীর গরুর মাংস মেরে দিলেন শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মালকিন http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29509839 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29509839 2011-12-25 15:09:49 শীতার্ত অস্তিত্ব মানুষ মারা যাচ্ছে শীতে। আমাদের বাঁচাতে হবে তাদের।

আপনি কি জানতে চান কি হচ্ছে? প্রচন্ড শীতে মানুষ মারা যাচ্ছে। আমরা কি তাদের বাঁচাতে পারি না?

ছবি: আজ সকালে আরিচা বাজারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29509747 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29509747 2011-12-25 12:41:04
তারুন্যই পরিবর্তন ঘটাবে, শীতার্তদের পাশে আমার এলাকার তরুণেরা(সিটিজেন জার্নালিজম)
শনিবারের ছুটিতে বাসায় বসে কাজ করছি। এমনসময় শুনতে পেলাম মাইকে শীতার্তদের জন্য সাহায্যের আহ্বান। যেসব শীতের কাপড় এবার দেব বলে গুছিয়ে রেখেছিলাম সেগুলো নিয়ে নিচ চলে গেলাম। এলাকার তরুণেরা নিজেদের উদ্যোগে শুরু করেছেন শীতার্তদের সাহায্য করার মহতী কর্মকান্ড। আসুন তাদের কাছ থেকেই জানি কি তাদের ভাবনা এবং পরিকল্পনা।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29509238 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29509238 2011-12-24 16:46:37
৩য় বাংলা ব্লগ দিবসে ব্লগার যা বলেছেন এবং যা বলতে পারেন নাই তারা কি বলেছেন তা আপনারা জেনেছেন কৌশিকের পোস্টে

পুরো আয়োজনের আনুষ্ঠানিকতায় যে অংশটুকু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই অংশটুকু অবহেলিত হয়েছে। আর সেটা হল ব্লগারদের জোরালো অংশগ্রহণ; পুরো আলোচনায়, পুরো আড্ডায়। ব্লগারদের একটি সাধারণ অনুযোগ ছিল যে তারা “ব্লগ দিবসের সেই পুরোনো আমেজটা কোথাও মিস করেছেন”। ব্লগিং এর শক্তি হল এর যোগাযোগের পারস্পরিকতায়। পুরো আয়োজনে এই পারস্পরিকতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বেশ খানিকটা। যদিও ব্লগাররা নিজেদের মধ্যে আড্ডা আলোচনার ব্যবস্থা ঠিকই করে নিয়েছেন কিন্তু। এর জন্য কারো সাহায্যের প্রয়োজন হয়নি। সেমিনার কক্ষে স্থান সংকুলান না হওয়ায় তারা ভিতরের একটি কক্ষে চলে গেছেন কিংবা শীতের মধ্যে বাইরে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিয়েছেন।

এই প্রসঙ্গের অবতারণা করা জরুরী কেননা ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথষ্ক্রীয়াকে কোনভাবেই বদ্ধ রাখা সম্ভব নয়। মানে একটি রাষ্ট্র যদি এতটাই নিয়ন্ত্রণকামী না হয়ে ওঠে যাতে ইন্টারনেট সংযোগ, বিভিন্ন ওয়েব সাইট ইত্যাদি বন্ধ করতে উদ্যোগী হয়ে পড়ে। যদিও এমন ঘটনাও ঘটেছে। তবে ঘর থেকে ঘরে ছুটে বেরিয়ে প্রয়োজনে নতুন ঘর তৈরি করে নিজের জায়গা ঠিকই বের করে নিয়েছেন ব্লগাররা/ফোরামিকরা/সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহারকারীরা।

সামাজিক যোগাযোগে অংশগ্রহণকারীররাই মূল শক্তি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই কথা সর্বৈব সত্য। হয়ত বিশ্বের ক্ষেত্রেও। কেননা বাংলাদেশে ব্লগোস্ফিয়ারে কমিউনিটি ব্লগিং এর শক্তি অসামান্য। এটা আর অনুমান নয় প্রমাণিত সত্য। সামাজিক প্রতিবাদে আমাদের বিশেষ কোন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজন হয় নি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ওয়েবস্ফিয়ার থেকে জামায়েত মনষ্কতা প্রতিরোধ, প্রতিবেশী দেশের অন্যায় সীমান্তহত্যা, ইভ টিজিং প্রতিরোধ, শীতার্তদের সহায়তায়, সিডরে, বন্যায় কিংবা কারো প্রাণ বাঁচাতে ব্লগাররা নিজেরাই গড়ে নিয়েছেন নিজেদের ঘর। জোট বেঁধেছেন, কথা বলেছেন, রাজপথে হেঁটেছেন, গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর এজন্যই রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে মূলধারার মিডিয়া সবারই মনোযোগের জায়গা এখন ব্লগ।

পলিসি, আইসিটি, এক্সেস টু ইনফর্মেশন, গ্রাসরুট দৃষ্টিভঙ্গি এইসব নানানক্ষেত্রের পদস্থ মানুষজনকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পারস্পরিক সরাসরি যোগাযোগ সৃষ্টি ও বৃদ্ধির লক্ষে। ব্লগাররা এই বিষয়ক সিদ্ধান্ত ও মতামত প্রকাশের সমান অংশীদার। তাদের সাথে আলোচনা করেই ঠিক করতে হবে যে কোন ধরণের সামাজিক যোগাযোগ পদক্ষেপ, এ্যাক্ট, আইন কিংবা আইনের আদৌ প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা সেটাও। ব্লগারদের অংশগ্রহণকে নিশ্চিত করা এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করার পরই কোন ধরণের সিদ্ধান্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে খুব সতর্কতার সাথে মনে রাখা দরকার যে, সাইবার বিষয়ক অপরাধের নিয়ন্ত্রণের সৎ উদ্দেশ্য, অতি উৎসাহ ও অদূরদর্শীতায় আমাদের জন্য স্বেচ্ছামৃত্যু ডেকে আনবে কিনা; এই প্রশ্নটি।
যদি আমাদের সংবিধান ও নানা বিষয়ে সেন্সরশিপের অংশটুকু নিয়ে যদি একটু আলোকপাত করি তাহলে দেখতে পাই:
সংবিধান বলছে: Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence-
a. the right of every citizen of freedom of speech and expression; and
b. freedom of the press, are guaranteed.
তাহলে কে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করছে security of the State? এর মানে কি আমরা টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে কথা বলতে পারবো না?
friendly relations with foreign states: তাহলে কি আমরা ফেলানী হত্যা নিয়ে কথা বলবো না?
public order: তাহলে কি দিনমজুর ও আসিফের গ্রেফতার হওয়া বৈধ?

স্পষ্টতই বোঝা যায় এটি একটি দিক নির্দেশনা মাত্র এবং ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। এটার স্বচ্ছকরণ দরকার। যদিও এই ধোঁয়াশাচ্ছন্নতা ছড়িয়ে রয়েছে সবদিকেই। যেমন: সিনেমার ক্ষেত্রেই 16th November 1985, এ প্রকাশিত Censorship of Films in Bangladesh এর কয়েকটি পয়েন্ট তুলে ধরি, যা খুবই অপরিণত এবং ধোঁয়াশাচ্ছন্ন।
যা সেন্সরের আওতায় তার মধ্যে রয়েছে:
#Portrays sedition, anarchy or violence with political motive. কে কিভাবে এটা ঠিক করবেন? যখন যেই সরকার ক্ষমতায় তিনি?
#Ridicules or brings into contempt the Defense Forces, Police Force or any other Force responsible for maintenance of law and order in the country. Portrayal of any character falling in this category in a manner that might help to correct any corrupt element therein will be permissible.
তাহলে কি রূপগঞ্জে মিলিটারী জমি দখল নিয়ে চুপ থাকতে হবে? সেইক্ষেত্রে ব্লগারই তো সবচেয়ে ভালো কাজ করেছেন যদি ”that might help to correct any corrupt element therein will be permissible” এটা সরকারও মনে চলেন এবং যদি মিলিটারী এইক্ষেত্রে শুধরে যেয়ে থাকেন, তাহলেই।
নতুন ব্রডকাস্ট ল হিসেবে যেই প্রস্তাবনা সংসদে পাঠানো হয়েছিল এবং যা সৌভাগ্যক্রমে গৃহীত হয়নি তার নমুনা দেখি।
#Misleading information cannot be incorporated in any talk shows. কে ঠিক করে দেবেন কোনটা মিসলিডিং আর কোনটা নয়?
# No individual can be criticized in the programs. তাহলে ব্লগকে পর্ণের জায়গা বলা যাবে এবং যিনি বলেছেন তাকে কিছুই বলা যাবে না?
# No program can be broadcast against any friendly nation. বাহ!জাতীয় স্বার্থ কই গেল?
# Broadcasting 'kiss scene' shall be banned under the new law. হুমম!

দেখা যাচ্ছে যে আমাদের সেন্সরশিপ অংশটুকু বেশ নিয়ন্ত্রণকামী এবং পরিষ্কার নয়। এছাড়া এতে তথ্যের, মতামতের যাতায়তে নিয়ন্ত্রণ সৃষ্টি করার পদ্ধতি আছে অনেক। মালিকানা, ইন্টারনেট কানেকশন, সরাসরি রাজনৈতিক থ্রেট, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নামে হয়রানী আরো অনেক কিছুই। তবে রাষ্ট্রকে সবকিছুর নিয়ন্ত্রক ভাবাও ভুল। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে এ্যাক্ট, আইন, রেগুলেশন অনেকক্ষেত্রে গঠিত হয় চালিত হয় কর্পোরেটের স্বার্থে।ফলে সরকারেরও দ্বায়িত কেবল হিন্দী সিরিয়ালের বাজার তৈরী হতে দেবেন নাকি শিক্ষা-মূলক, উন্নয়ন-মূলক স্বচ্ছ বাক-স্বাধীনতাকে প্রমোট করবেন।
আমরা প্রায়শই যেই ভুলটুকু করি তা হল সেন্সরশীপ, তথ্য অধিকার, তথ্য প্রবাহ এবং এক্সেস ও বাকস্বাধীনতাকে আলাদা করে দেখি। যদও প্রতিটি যোগাযোগ মাধ্যমের অনন্যতা ও ধরণ বিবেচনা করেই সেটাকে বুঝতে হবে। একই সাথে সামষ্টিকভাবে উপলব্ধিও করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ বোঝা ও উপলব্ধির ক্ষেত্রে যথেস্ট সময় ও এর ব্যবহারকারী/বিশ্লেষকের/আয়োজকের সম্মিলন ঘটাতে হবে।

ব্লগাররা কি বলতে পারতেন?
তারা বলতে পারতেন, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়িত হয়েছে কিন্তু এটার মধ্যে অনেক ফাঁকও রয়ে গেছে। মানুষজন এই আইনের এবং সুযোগের যথার্থ ব্যবহার ঘটাতে পারছেনা। কিন্তু সম্মানিত পলিসি নির্মাতা আপনি কি জানেন ব্লগাররা যে এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি দক্ষ? তারা তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহারে পারদর্শী।
আমরা সবসময় সামষ্টিক ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা শুনি। কিন্তু আপনি কি জানেন ব্লগারদের উদ্যোগে এবং সহযোগীতায় নানান প্রচেস্টা সচল ও সফল হয়েছে?
আপনি কি অবগত আছেন যে প্রধান দৈনিকের চেয়ে অনেক দ্রুত এখানে খবর পৌছে যায়, ছড়িয়ে যায়?
এক জায়গায় মিলিত হওয়া এবং প্রতিবাদে অংশগ্রহণের জন্য একটি পোষ্টই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
আপনি কি জানেন যে সাইবার অপরাধকে কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়? ব্লগাররা কিভাবে করেন?
সাইবার অপরাধ দমনে গনজাগরণ সম্ভবত পলিসির চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এটা চর্চার বিষয়, চেতনার বিষয়। যেখানে সকল আইন, এ্যাক্ট, রেগুলেশন ফেসিলিটেটর এর ভূমিকা পালন করবে। ব্লগ সাইটগুলোর নিজস্ব রেগুলেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এমনকি তাদের সম্মিলিত প্রয়াসও। কিন্তু এটা যেন কোন না কোন চাপে সেস্ফসেন্সরশিপে না ধাবিত হয়। মনে রাখতে হবে যে কোন ধরণের সাইবার আইন যেন নিয়ন্ত্রণকামী স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ খুলে না দেয়।

স্ট্র্যাটেজিক প্রাইয়োরিটির অফ ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০১০ এর শুরুর প্যারাতেই আছে, “The government’s ‘Digital Bangladesh by 2021’ vision plans to mainstreams ICTs as a pro-poor tool to eradicate poverty, establish good governance, ensure social equity through quality education, healthcare and law enforcement for all, and prepare the country for climate change.”
আইসিটিকে ব্যবহার করে এইসব লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব কেবলমাত্র উভয়পক্ষের স্বতস্ফূর্ত মিথষ্ক্রীয়ার মাধ্যমেই। এক পাক্ষিক নয়। যদি law enforcement for all এর কথাই মনে রাখি তাহলে দেখবো এটা অপরাধ নিয়ন্ত্রনের বিষয়ই শুধু নয়, জনগণের নিরপত্তা ও অধিকার রক্ষার বিষয়ও।তাহলে তথ্য যখন অধিকার তখন এই বিষয়গুলো সর্ম্পকে তথ্য জানাতে সরকার বাধ্য নয় কেন? উদারহরণ দিচ্ছি রাইট টু ইনফর্মেশন ২০০৯ থেকে।
# any such information relating to any aspect of foreign policy that may affect the existing relationship with any foreign country or international organisation or any regional alliance or organization;
আবারো সেই পুরোনো কথা।
# any such information pertaining to a purchase process before it is complete or a decision has been taken about it; যদি অন্যায্য চুক্তি হয়? যদি আমরা দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের কথা মনে করি।
ফলে প্রতিটি ক্ষেত্রেই পারস্পরিক মিথষ্ক্রীয়ার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ব্লগ এটার পথনির্দেশক, অন্তত বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তো বটেই। ফলে একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্লগাররা। ব্লগ দিবসের আয়োজনের এই গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্নতাকে পুষিয়ে নেয়া যায় আরেকভাবে। আমি মনে করি খুব দ্রুত এমন আয়োজনের প্রচেষ্টা নেয়া উচিৎ যেখানে ব্লগাররা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে অংশগ্রহণ করবেন। আলোচনা হবে, তর্ক হবে, আড্ডা হবে গণজাগরন নিয়ে, অংশগ্রহণ আরো সামষ্টিক করা নিয়ে, সাইবার আইন নিয়ে, আইনের অপ্রয়োজনীয়তা বা প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।

তথ্যসুত্র:
Click This Link
http://www.bbc.co.uk/news/10192755
Click This Link
Click This Link
Click This Link
http://www.fcb-bd.org/
Click This Link
Click This Link

আরো দেখুন:

Click This Link
http://www.sachalayatan.com/himu/42501

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29508498 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29508498 2011-12-23 14:21:49
এ সময়ের ছবিগুলো
জীবনের অন্য রূপ: যখন স্বপ্নহীন, যখন সম্পর্কহীন, শীতল সবকিছু। আসুন ভেঙ্গে ফেলি এই কাঁচের দেয়াল।

জ্বালিয়ে দেই নতুন আলো, নতুন সম্ভাবনা

ফিরে আসুক রঙ, ছড়িয়ে পড়ুক

বুকেজুড়ে বসে থাকুক ছোট পাখীর দল

অন্ধকারে আলোর সারি

আমাদের স্বাধীনতার সাথে

প্রেমিকার চুড়িতে

নিজের আত্মপ্রতিকৃতিতে

অবিশ্বাস নয়, সন্দেহ নয়

একঝাঁক রঙিন স্বপ্ন


শুভেচ্ছা সবাইকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29506465 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29506465 2011-12-20 13:17:29
ব্লগারদের বিজয় র‌্যালী ২০১১
কথা ছিল দেখা হবে সাড়ে আটটায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল শুক্রবারের শীতের ঘুম ভেঙ্গে উপস্থিত হয়েছেন শিপু, ছোট মির্জা, জাহাজী পোলা আরো কয়েকজন। বিজয় দিবসে র‌্যালী করার অভিজ্ঞতা থেকে জানি আসতে আসতে সবারই একটু দেরী হয়ে যাবে। বাস্তবেও তাই হয়েছিল। কিন্তু এতে র‌্যালীর রং কমেনি এতটুকুও। ব্লগারদের সমাবেশ আস্তে আস্তে জমে উঠেছিল বেশ। যদিও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরো বেশি হবার প্রত্যাশাই ছিল সবার মনে।
তো চলুন দেখে নেয়া যাক, ব্লগারদের বিজয় র‌্যালী ছবিতে ছবিতে।



আমাদের স্বাধীনতার পতাকা সারা বছর জুড়েই দেখতে চাই, কেবল বিশেষ কিছু মাসে বা দিনে নয়।



সকালের ঘুম ভাঙ্গা মির্জা আর শিপু



নতুন ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে আছেন ব্লগার রা



মুক্ত ব্লগও এসেছিল তাদের নিজস্ব ব্যানার নিয়ে



জ্বলজ্বল করছে আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক



ব্লগার এ্যাডমিনদের জীবন সঙ্গীনি



প্রজন্ম ব্লগের রাজু, সস্ত্রীক



আসিফ মহিউদ্দীন



ব্লগার তানজিনা



ব্লগার আইরিনের মাথায় ব্যান্ড পরিয়ে দিচ্ছেন জানা



ব্যানার ফেস্টুন হাতে ব্লগারদের র‌্যালী শুরু



এগিয়ে চলেছে র‌্যালী শহীদ মিনারের দিকে



এগিয়ে চলেছে র‌্যালী শহীদ মিনারের দিকে



এগিয়ে চলেছে র‌্যালী শহীদ মিনারের দিকে



ভ্রাম্যমান ফটোগ্রাফারগণ



র‌্যালী শহীদ মিনারের পাদদেশে



শহীদ মিনার আমাদের সবকিছুরই প্রাণকেন্দ্র



বায়ে বাংলা নিউজ২৪ এর ব্যানার



যেমন রয়েছে মুক্ত ব্লগও



আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক



পাবলিক লাইব্রেরী চত্ত্বরে ব্লগারদের আড্ডা



শামীম পিঠা বিতরণে ব্যস্ত



রাজাকারমুক্ত দেশ চাই আমরা সবাই



চাই স্বাধীন মুক্ত ব্লগোস্ফিয়ার]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29504521 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29504521 2011-12-17 11:37:05
এমনকি পুরোনো ঈগলেরও জলের প্রয়োজন হয় ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29494737 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29494737 2011-12-02 09:56:42 অনেকদিন পর মন ভোলানো একটা গান শুনলাম ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29494139 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29494139 2011-12-01 13:16:20 আশুলিয়ার পথে নুয়ে পড়া বিকেল
শহর ঘুরে বাড়ী ফেরা পথ

সোজা পথ নয় তবে পথেরও অধিক

রক্তিম স্মৃতির মত

কোথাও যেন জ্বলতে থাকে ধ্বিকিধ্বিকি

ঠিক মুহূর্তে ফুঁসে ওঠে আর জবানবন্দী নেয়

শুরু করে জীবনের হিসেব, জীবনেরই ভেতরে

এই যেমন প্রেম, এই যেমন ঘর ঠিক তেমনি বাহির

ক্লান্ত সুর্য যেমন ডুবে যায় হাঁটুপানির খালে

সময় হলে, কোন এক অজানা ঋতুতে



ভেজা মাটিতে তখনো নুয়ে পড়া বিকেল

চা বিরতিতে বেনামী সুর্য সম্ভোগ

ঠিক রাস্তার মেরুরজ্জু ঘেঁষে

এক জোড়া মোটরবাইকের তিনজন আরোহী

অপরিচিত খুব; অথচ একই বিশ্রামে

জোড় বেজোড়ের হিসেবটা উঁকি দেয় শিরায় শিরায়



হয়ত সামনের ডিসেম্বরেই দেখা হবে প্রথম প্রমিকার সাথে

কোলে সন্তান আর মুখভর্তি কাঠামোর তৃপ্তি অতৃপ্তি সমেত

আধঘন্টা আগের চ্যাটবক্সে মুগ্ধ দৃষ্টির সরল কনফেশন চোখজুড়ে জ্বলে,

দূরে থাকা প্রেমিককে মিস করছে অনেক

এবং আমাকেও ভালোবেসেছিল খানিকটা

এরপর সামলে নিয়েছে কাঠামোর অবকাঠামোয়

চায়ের চুমুকে মুখোমুখি হই নিজের সাথে

তেতো জিহ্ববা যেমন জানান দেয় হেমন্তের জ্বরের পরে



ছুটেছি আমি অনেকটাই, বুনেবুনে জেনেছি ভালোবাসা কাকে বলে

জেনেছি আমি থেকে আমরা হবার মুহুর্ত কেমন হয়

কিভাবে ঝুলে থাকে একফোঁটা অশ্রু নিকষ কালো পাথরের উপর

আর শুনেছি প্রতীক্ষার প্রতিশব্দ আমাদের হৃদয়ে

চাদরের মত জড়িয়ে দিয়ে সরে এসেছি

দাঁড়িয়ে আছি সম্পূর্ণ ভাংচুর, জোড়া না লাগা কাঁচের ওপর

নগ্ন পা আর নগ্ন হৃদয়ে

মানুষের মুখে হাসি অক্ষুন্ন রাখার প্রচেষ্টায়



বেঁচে থেকেছি ভবিষ্যতে চুমক দিয়ে

কাঠামোর অনিশ্চয়তাকে রক্ত দিয়ে স্নান করিয়ে

আজ ক্লান্ত লাগে খুব

ডুবেডুবে গলে যাই অচেনা খালে

অদেখা যুদ্ধের লাশ হিসেবে



খেলাটা চীরকালই জীবনের সাথে আমার

ঠিক যেমন তোমার, তোমাদের

ঘুম পায় খুব, ডিঙ্গি নৌকায় ঘুমিয়ে যেতে চায় পাললিক দেহ

যেতে চাই ঐ মস্ত ঝর্ণার কাছে

এরপর জলবিন্দু হয়ে মিশে যেতে চাই

আশুলিয়ার পথে নুয়ে পড়া বিকেল যেমন ঘুমিয়ে পড়ে

জলের ভিতর আমিও ঘুমিয়ে যেতে চাই
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29491936 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29491936 2011-11-28 09:41:36
এবং জীবন (স্টিল লাইফ সিরিজ, ছবি ব্লগ: টিপুর জন্য)


কিছু বৃত্ত পূর্ণ কিছু অপূর্ণ, তবে গ্রহণ সর্বদাই বিদ্যমান।



এবং আমরা সর্বদাই অপ্রস্তুত মৃত্যুর জন্য।



জীবন সর্বদাই ৫০:৫০। আশাবাদা হল ছায়া। সিদ্ধান্তটা হল কোন ছায়াটুকু নেব।



সবকিছুই একাকার জড় আর জীব


ধন্যবাদ সবাইকে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29490760 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29490760 2011-11-26 10:00:45
১১-১১-১১ চাঁদ ভোর ৫: ২৫ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29481079 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29481079 2011-11-11 08:02:34 ভরা পূর্ণিমায়, ফাঁকা ছাদের মত নি:সঙ্গ পৃথিবীর আর কিছু হতে পারে না। (বাইরের চাঁদ, ঠিক এই মুহূর্তের ছবি তুলে মনে... ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29480468 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29480468 2011-11-10 01:33:43 একটা সম্পূর্ণ আকাশের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করছে, স্যাটেলাইট বিহীন ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29480050 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29480050 2011-11-09 07:40:23 আজকের ছবিগুলো

আলো আর অন্ধকারের মাঝখানের ঝলকানিটুকুই জীবন



থেমে থাকাও যাত্রার অংশ



ঈদ বিশ্রাম



ভূমির সমতলে: নিজের মুখোমুখি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29479794 http://www.somewhereinblog.net/blog/shanthroblog/29479794 2011-11-08 18:13:35