somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এলোডী, তোরে খুব মিস কর্তেছি তুই আমারে কি **** পেয়েছিস ? তুই কেলাসে না আইসা টো টো করে বেড়াবি আর আমরা বসে বসে কেলাস করবো ? কাইল কেলাসে না আইলে তোরে চড় মাইরা দন্ত-পাটি ফেলে দিবো " ।

আমি হা করে রইলাম । মনে মনে কইলাম : " আরে বাপস ! আমি যা পারি তাই করবো , তোগো কি ? পারলে তোরাই কেলাস মিস দে , আমারে জ্বালাস ক্যান ? কিন্তু ম্যাসেজের রিপ্লাই দিলাম : " মাফ চাই , কাল যথাসময়ে ক্লাসে আসবো " । এই মাইয়ারে উল্টা-পাল্টা কিছু কওয়োন যাইবো না ।

গত ২ বছর আমি কম্পিউটারের কেলাসে কিছুই করি নাই । কিছু করি নাই মানে কেলাসের কাজ কিছুই করি নাই । যেমন :
হোম ওয়ার্ক জমা দেই নাই <img src=" style="border:0;" />
কেলাস টেস্ট দেই নাই <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
মেমোরি কার্ডে কোনো কাজ ই নাই , পুরা ফাকা । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

কিন্তু কম্পিউটার সাবজেক্টে আমার গড় নাম্বার হইলো গিয়া ১৬/২০ । <img src=)" style="border:0;" /> <img src=)" style="border:0;" />
তাইলে ক্যামনে কি ?
মাস গেলে যখন মেমোরি কার্ড দেখার অভিযান চলে তখন আমার মেমোরি কার্ডে সব কাজ করা থাকে । <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
সবসময় আমার নামে হোম ওয়ার্ক প্রিন্ট আউট করা থাকে । <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
কেলাস টেস্ট না দিয়াও কেলাস টেস্টের পেপার পাওয়া যায় স্যারের কাছে । <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=)" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

এলোডী সব কিছু কইরা দেয় । আহ ! কি শান্তি আকাশে বাতাসে ! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

এখন প্রশ্ন থাইকা যায় তাইলে আমি কেলাসে কি করতাম ? আমি করতাম চ্যাটিং , ব্লগিং আর ফেইস বুকিং । <img src=" style="border:0;" />

বুধবারের দিন আবারো ম্যাসেজ : তোরে চোখে চোখে রাখতাছি , কেলাসে আস । আজ সাড়ে ৭ টায় কেলাস ।
আমি ঘুমঘরে <img src=" style="border:0;" /> ঝিম ধরা কন্ঠে বলি : আর কবে জ্বালানো বন্ধ করবা রে ডার্লিং ? <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

সৃষ্টিকর্তা আমার এই ফাইজলামি কথা ভয়ঙ্কর সিরিয়াসলি নিয়াছেন । আর কম্পিউটার কেলাসে আমার কাজ কেও কইরা দেয় না । <img src=" style="border:0;" /> এলোডী এখন অন্য কলেজে চইলা গ্যাছে । হ্যারে খুব মিস কর্তাছি । <img src=" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> /<img src=" style="border:0;" />

---
ছবি : এলোডী ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28870478 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28870478 2008-11-18 00:15:17
- ধুম্রজাল - পেচিয়ে বের হয়ে আসা ছেড়া যায়গাতে
সুপার গ্লু' দিয়ে বন্দী করে রাখা নিওরোনের ককড়াঘাতে ফসল
জ্ঞাণীর জ্ঞাণীত্ত্বে জ্ঞানভরা মনে জ্ঞান দান ছাড়া অন্য কিছু নহে
বিকৃত রূচীর মগজের ফলে রিফ্রেশ দেওয়ার
কোণঠাসা নীলচে হার্ডডিস্ক

অতীতকে বানানো সোনা রঙের ঘুড়ির উড়ে চলা বগি
নিবর্ণ বর্ণের কৃত্রিম রূপালী চাঁদের শহর থেকে
মাটির পৃথিবীকে দেখা
দীঘির পাড়ে প্রেমালয়ে বসবাস
ব্যাকইয়ার্ডের মায়া কান্নার মোহো ভাঙা হৃদয়

সিগারেটের ধুম্রজাল হওয়া মিশ্রত ধোঁয়া
সাথে লালচে পানির তিক্ততা
ঘুম লাগা দেহে স্বপ্নে মন বিভোর
আত্মচিৎকার আর সাহসের প্রতিফলন ।


০২ রা জুলাই, ২০০৭
---[ কবি সাহিত্যিকদের আখড়া থেকে অসাহিত্য থেকে সাহিত্যে রূপ দানক শাওন ]---

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28857052 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28857052 2008-10-19 22:50:15
আজ মুনিয়া'র জন্মদিন এবার চিনেছেন ?

আমি ব্লগার মুনিয়া'র কথা বলছি । আরেকটু বুঝিয়ে বলি : আমি গুডগার্ল মুনিয়া'র কথা বলছি ।
আজ ৩০শে আশ্বিন ১৪১৫ । মুনিয়া বেগমের জন্মদিন/রাত ।

ওনার সাথে পরিচয়টা আসলে ব্লগে । ব্লগের রেশ ধরে বাস্তবে । কিউট সুইট মুনিয়া বেগম দেখতে একেবারে মুনিয়া'র মত । বেশি কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না ।

একবার কি হলো শোনেন, সেজাপু নাকি স্বপ্ন দেখলো বড়াপু এক্সিডেন্ট করেছে । একি স্বপ্ন দেখলো বড় ভাইয়া । স্বপ্নটা হলো : এক্সিডেন্ট করে রক্তাত্ত অবস্থায় মা'র কোলে বড়াপু । স্বপ্নটা বাস্তবে দাড়ালো এরকম : বড়াপু'র যায়গায় মেজাপু মানে মুনিয়া বেগম এক্সিডেন্ট করে মা'র কোলে রক্তাত্ত অবস্থায় বাসায় ফিরলো <img src=" style="border:0;" />


ওনার সাথে যখন দেখা হলো কেনো জানি আমার শারা শরীর ঘেমে গেছিলো । সৃষ্টকর্তাই জানেন কেনো <img src=" style="border:0;" />
প্রথমে আমাকে বলতো আপনি ( আহ কি যে শান্তির দূনিয়া ! ) তারপর নামলো তুমি ( ছেলের অধ:পতন শুরু হতে লাগলো ! ) তারপর চন্দ্রিমায় যখন দেখা হলো তখন ডাকলো তুই ( যাচ্চলে ! )

তবে একটা জিনিস খেয়াল করলাম চন্দ্রিমাতে ছিলাম কিছুক্ষণ , এর মধ্যে আমাকে ভালই আপন করে নিয়েছে । যেমন : চল ওদিকে ঘুরি বা না ওখানে যাবি না , আদেশের সুরে কথা বলতেছে । মানুষকে আপন করে নেওয়ার জটিল একটা মেয়ে ।

যাহোক , তবে তুই ডাকটাই সবথেকে সুইট । ভালো লাগে । ওনাকে মেজাপু ডাকতেও ভালো লাগে ।

মুনিয়া'পু এখন বেশি লিখতে ভালো লাগেনা । <img src=" style="border:0;" /> মাফ করে দিয়েন । ভালোভাবে পোস্ট দিতে পারলাম না । :'(

যাহোক আমার পক্ষ থেকে শুভ জন্মদিন । শুভ হোক আপনার প্রতিটা ক্ষণ , প্রতিটা মুহুর্ত । জীবনটা হয়ে উঠুক আনন্দময় । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28854801 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28854801 2008-10-15 01:46:49
আমরা কোন সংস্কৃতির দিকে এগোচ্ছি ? নিরিবিলি আড্ডার জন্যই সিহাবের কথামত একদিন সবাই মিলে গেলাম খুলনার কাটাবনে । তিন নদীর মিলন স্থান এটি । খালিশপুর পার হয়ে নদীর ওপারেই কাটাবন ।

নৌকা করে যখন কাটাবন নামক স্থানে পা দিলাম তখন আমাদের সবার চোখ চড়াক । আমার শরীর কাটা দিয়ে উঠলো । যে দৃশ্য দেখলাম সেটি ফ্রান্সে অহরহ চোখে পড়ে কিন্তু বাংলাদেশের খুলনার মত যায়গায় দৃশ্যটি বড়ই দৃষ্টিকটু ।
পাশে ছিলো নিম গাছ । সিহাব বললো দাঁড়া নিমের ডাল ভাঙি ৪ টা । ঐ দুটোকে আজ নিমডলা দেওয়া হবে । লিংকন বললো : ডলা দিতে গেলেও তো ওদের ওখানে যাওয়া লাগবে । যেভাবে বসে আছে তুই লজ্জায় যাবি কি করে ? শেষ পর্যন্ত নিমডলা পদ্ধতি বাদ দেওয়া হলো ।
জোহা বললো : শাওন তোর ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোল তো । শালা পত্রিকায় পাঠাতে হবে । আমি ছবি তুললাম ।

আমরা সবাই বসে থাকলাম । আমাদের আড্ডার চিন্তা মাথা থেকে তখন উধাও । কথা বললাম রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলা কয়েকজন পথচারীর সাথে । তাঁদের কথা হলো : একবার কাটাবনের স্থানীয় জনতা সবাই মিলে এই সব নোংরা দৃশ্যের প্রতিবাদ করেছিলো থানায় গিয়ে । পরে থানা থেকে এসব স্থানীয় জনতাদের ধরে নিয়ে গিয়ে উলটা কেইস লিখে দিয়েছিলো । শুনলাম আরো তথ্য : এখান যারা অশ্লীল কাজ করতে আসে তারা টাকা দিয়ে খালিশপুর থানাকে কিনে নিয়েছে ।

আমরা অনেক কষ্টে একজন হুজুর টাইপের মানুষ জোগাড় করলাম । ওনাকে ধরে ঐখানে পাঠিয়ে দিলাম । বললাম ওখানে যেয়ে আপনি বললাম : এখুনি আপনারা এখান থেকে উঠে যাবেন । না হলে কিছু মানুষ আপনাদের অসুবিধা করবে বলছে ।

হুজুরটি ফিরে আসল । আমরা দূর থেকে খেয়াল করলাম তাদের কোনো খেয়াল ই নেই সেদিকে । তার উপর হুজুরটি যখন ওখানে গেলো তখন তারা যেভাবে বসে ছিলো ঠিক সেভাবেই বসে থাকল ।

আমি ঠিক করলাম ওদের চেহারাটা দেখতেই হবে । কারণ খুলনার মত যায়গায় খোলাখুলি এসব শুরু হয়েছে আর কারা করছে তাদের মুখটা দেখার ভালই সখ জাগল । আমরা বসে থাকলাম । দুপুর ১ টার দিকে ওরা উঠে নদীর নৌকা ঘাটে গেলো । আমরাও গেলাম । দেখলাম মেয়েটার পরনে খালিশপুর গার্লস স্কুলের ইউনিফর্ম , ছেলের পরনে সাধারণ জামা-কাপড় ।

ঘটনা দুই
ঢাকায় এসে পৌছালাম । গাবতলি থেকে হলুদ ট্যাক্সি ক্যাব নিয়ে রওনা দিলাম খিলক্ষেতে লেক সিটিতে । ক্যাবের সামনে আমি পেছনে বাবা মা । লাল বাতি জ্লায় হঠাৎ ব্রেক মারল ড্রাইভার । আমি নি:শ্বাস ফেলে বাম পাশে তাকালাম । হঠাৎ চোখ গেলো পাশের সি এন জি তে । সি এন জির ভেতরে যে দৃশ্য দেখলাম আমার বুক কেঁপে উঠলো । আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম । মাথায় শুধু একটা কথা মনে আসলো : পাশ্চাত্য সংস্কৃতি এখন বাংলাদেশে !!!



আমি বুঝলাম না । আমাদের দেশ কোনদিকে এগোচ্ছে । কোন সংস্কৃতিকে দিকে ধাবিত হচ্ছি আমরা ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28852285 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28852285 2008-10-08 12:58:34
শুভ হোক তোমার ল্যাংটা দিবস গানটি ওঁর অনেক পছন্দ । তাই স্বপ্নময়, লেখাটি পড়ার সময় গানটি শুনতে শুনতে পড়বা

দেশ থেকে ওঁ বই পাঠিয়েছে । গিফট । ৫০টা থেকে দুটো পেলাম মাত্র । বোঝো ঠেলা ! পরে অবশ্য আমি একটা সুযোগ দিয়েছি । বলেছি ব্যাডমিন্টন খেলতে হবে । আমি জিতলে বই দিতে হবে , আর হারলে না দিলেও চলবে । চ্যালেঞ্জ ঠিক ই গ্রহন করেছে । ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে পর পর ২টা ঝাক্কা খাবে বড় ভাইয়া । ১, ব্যাডমিন্টনেও হারবে ২, বইগুলাও দিতে হবে ।

কিন্তু আজ এমন একটা দিন উচিৎ ছিলো আমার-ই কিছু দেওয়া ভাইয়া'কে । আজ নাকি ওর ল্যাংটা দিবস ! আমি অবাক হয়ে যাই , আরো এক বসন্ত শেষ ! জাচ্চলে !

পরিচয়'টা খুব শুভ না ভাইয়ার সাথে । প্রথম দিকে দেখে মনে হতো আজাইরা পোলা , ওয়ালী ভাই যত বোঝায় আরে ওর লেখা গুলো ভালোভাবে পড় তাহলে বুঝবা । কার কথা কে শোনা । লেখাই পড়তে চাইতাম না । মনে হতো ব্লগের সেরা ফাজিলগুলোর একটা । মেজাজ যায় আরো চড়া হয়ে যখন জাতীয় সংগীত পরিবর্তন চায় ! তারপর জনাব জাকিরুল হক তালুকদার'কে নিয়ে হাসাহাসি করত । আরে বাপস , বুঝলাম ফ্লাড করে তাই বলে খোঁচাতে ভালো লাগে ? তারপর , শুনলাম ভোদকা খাইছে ! শুনে বুঝেই নিলাম পুরা আউলা পাবলিক !

এসব দেখার পর কেও পড়তে যায় নাকি তার ব্লগ ?! পুরা আজাইরা !!

কেনো জানি মনে চাইলো , পড়লাম । আমাকে প্রসংসা করছে দেখলাম । কিন্তু প্রসংসার কি হলো ঠিক বুঝলাম না । তখন কত বয়স ? উমম ১৬ । ঐ বয়সে ঐ রকম লোকের গভীরে প্রবেশ করবোই বা কি করে ?

কথা বাড়াচ্ছি । যা বলার সেটা আগে বলে নেই । জানি তোমার মনে থাকবে । তবুও মনে করিয়ে দেই ----
১/ একজনকে পায়ে ধরে সালাম করতে হবে। এই দিনে পায়ে ধরা সালাম করা তোমার রুটিনের একটি ।

২/ দাদার কবরে তিনটি ছোট্ট ফুল উপহার দিতে হবে। বেলি ফুল। তোমার গাছের। এই ফুল দাদা এবং তোমার দুজনেরই প্রিয় ফুল।

৩/ আবিদকে ধরে একটা চুমু দিও । ---[ শাওনের পক্ষ থেকে একটা ]---

৪ / শ্রাবণীকে বকাবকি । ওহ বিধাতা ! এই কাজটা আজ মোটেও করবা না ইয়াসীন ভাই । আজকের দিনটা অনতত মাফ দাও মেয়েটাকে ।

আরো কি বলব বলে ঠিক করে রেখেছিলাম । মাফ চাই । পরের ল্যাংটা দিবসে বলবোনে । আমার পরীক্ষা চলতেছে । উঠলাম পিসি থেকে ।
এবার আমার কিছু কথা বলি ---

১/খুব সুন্দর একটি দিন কাটাও । আনন্দময় একটি দিন । মুহুর্তগুলো খুব গভীর থেকে অনুভব করো ।
২/ জানি খালাকে ফোন করবা । অনতত ফোন করে আমার সালামটা পৌছে দিও ।
৩/ মন খারাপ করে নাকি ? হাহাহা ; হিমুদের মন খারাপের বালাই নেই । খিক খিকজ ।

---[ শুভ জন্মদিন স্বপ্নময়ী মধ্যরাতের রাখাল ; শুভ হোক তোমার প্রতিটা দিন ; প্রতিটা ক্ষণ ]--- ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28805631 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28805631 2008-06-03 00:04:15
ছায়াকন্যা
আমি পাগলপ্রায় হয়ে উঠি । মনে হতে থাকে ---
When you love someone - youll do anything
Youll do all the crazy things that you cant explain . . .

আমি ওকে ডাকি , "ছায়াকন্যা , ছায়াকন্যা "
ও উত্তর দেয় না । আমি হাত বাড়াই, " ছায়াকন্যা , তোমার হাতে হাত রাখি ? "
চারদিক অবাক জোৎনা . . . আবছা অন্ধকার থেকে কে যেন বলে ওঠে , " লক্ষী সোনা , চাঁদের কণা, হাতটা তোমায় ধরতে মানা " ।

ছায়াকন্যা , তুমি কি জানো তুমি আমার ড্রীম গার্ল ?
ও মাথা নাড়ায় । আমি বলতে থাকি , " কাভি তো মিলেগি . . . কাহি তো মিলেগি . . . আজ নেহি তো কাল , ড্রীম গার্ল . . .

আমি উচ্চ স্বরে বলে উঠি : " ছায়াকন্যা তুমি কি জানো তোমাকে কতটা ভালোবাসি ? . . . কতটা অনুভব করি ? . . . কতটা মিস করি ? . . . কতটা কল্পনা করি ? . . . কতটা চিন্তা করি ? . . . কতটুকু ভাবি ? . . . কতটা স্বপ্ন দেখি ? . . . ছোট ছোট স্বপ্ন গুলো জমিয়ে জমিয়ে সেগুলোকে বড় করি . . .

ও হঠাৎ কথা বলে ওঠে : " ওখানেই তো ভয় , যদি স্বপ্ন গুলো ভেঙে যায় ? "
আমি হাহা করে হেসে উঠি । ছায়াকন্যা অবাক হয় । আমি বলি : " স্বপ্ন গুলো ভেঙে গেলেই তো বাঁচি , তাহলে সেগুলো বাস্তব হবে . . .
ও হেসে ওঠে এবার । ঝংকার হাসি . . . প্রান খোলা হাসি . . . হাসির প্রতিটা ধ্বনি এসে বুকের খুব গভীরে বাঁধে ।
আমি ওকে ডাকি , ছায়াকন্যা , তোমার হাসিটা খুব সুন্দর . . .
ও আবার মিষ্টি করে হেসে বলে , " তাই নাকি ? "

আমার আবার ওকে বলি , " ছায়াকন্যা , ছায়াকন্যা , তুমি কবে আসবে আমার কাছে ?
ও খানিকটা রাগ করে . . . কথা বলেনা . . . চুপ করে থাকে . . . আমি বলি : " কি হলো ছায়াকন্যা ? আসবে না ?
ও এবার ঝটপট বলে ওঠে : " কবে আসবো , কবে আসবো বার বার জিজ্ঞাসা না করে নিয়ে গেলেই তো পারো । "

আমি বেশ অবাক হই . . . আমি ওকে বলে উঠি , " তুমি রাগ করো না ছায়াকন্যা , আমি আসছি , এখুনি আসছি . . . " ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28800413 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28800413 2008-05-20 13:30:55
শুভ জন্মদিন পথিক!!!!!!!
হ্যা, আজ পথিক ভাইয়ের জন্মদিন । একেবারে সোনার ছেলে পাথিক ভাই । না , মিথ্যা বলছিনা । শাওন মিথ্যা বলেনা ।

গিফট দিবোনা পথিক ভাই , আমি গিফট দেই এত দূর থেকে আর আপনি জন্মদিনের কেক টাও খাওয়াবেন না । গিফট দিয়ে মরি । (শাওন কিপটা)



তবে ছোট্ট উইশ রইলো আমার আর ব্লগের পক্ষ থেকে ।

সামনের দিন গুলো হয়ে উঠুক আপনার জীবনের সবথেকে অনন্দমুখোর দিন গুলোর কয়েকটা দিন । ভালোভাবে থাকেন । আর আরো ভালো লেখা আমাদেরকে উপ হার দেন । উপ হার দেন প্ থিবীকে ।

শুভ জন্মদিন পথিক ভাই । শুভ শুভ জন্মদিন ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28798454 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28798454 2008-05-16 00:13:35
C-R-U-S-H
--- যদি কোন বালিকা কোনো বালকের প্রেমে পড়ার আগে রস + আলাপ = রসালপ করিয়া থাকে তাহাকে Crush বলে ।

Crush তিন প্রকার । যথা :
১ / প্রাথমিক পর্যায়ের Crush
২/ মাধ্যমিক পর্যায়ের Crush
৩/ উচ্চ-মাধ্যমিক পর্যায়ের Crush

উধাহরণ : একদা পাড়ার জরিনা লাল্টু নামক বালকের উপর Crush হইয়াছিলো ।

এ পর্যন্ত লিখে ভাবলাম , আমি বিরাট ব্রিলিয়ান্ট পোলা । এক্কেরে ২০ এ ২০ পাবো ।

----------------------------------------------------------------------------------


গতকাল রাইতে Crush নিয়ে গবেষণা করলাম । এ টি দেবের অবিধান খুঁজে পেলাম :
Crush [ ক্রাশ ] v. t. i. ভাঙিয়া ফেলা ; break নিংড়ানো ; squeeze. পেষণা করা ; beat down. দমন করা ; put down. ভিড় ঠেলিয়া বা কষ্টসৃষ্টে পথ করিয়ে লওয়া ; squeeze one's way (into) :---n. প্রবল চাপ ; violent pressure. ঘন ভিড় ; dense crowd.


এতদিন জানতাম প্লেন ক্রাশ হয় । জানতাম এ Crush হয় , সে Crush হয় । বর্তমান যুগ এমন পর্যায়ে এসে গিয়েছে যে কোনো ব্যক্তির মস্তিষ্ক আজকাল আরেকজনের উপর Crush হয় । উহু না , এটা প্রেম না । এটা প্রেমের আগের পিরিয়ড । নাম : Crush ।

প্রাথমিক পর্যায়ের Crush : এটা হলো কাওকে ভালো লাগা । রাস্তায় চলতি পথে কোনো মেয়ে হাজার টা ছেলের মুখ দেখে ভালো লাগতেই পারে বা কোনো ছেলে হাজারটা মেয়ের মুখ দেখে ভালো লাগতেই পারে । আর এই ভালো লাগাকে বলে প্রাথমিক পর্যায়ের Crush ।

মাধ্যমিক পর্যায়ের Crush : একি পাড়া বা শহরের কোনো ছেলেকে একটা মেয়ের ভালো লাগতেই পারে । কারণ , কলেজে আশা যাওয়ার পথে দু তিন বার করে তাকে দেখে । দেখার পর একদিন সেই ছেলের সাথে মেয়েটি কথা বললো । হাই , হেলো , কেমন আছেন ? বা ভালো আছি এমন কথা হয় । অথবা , আপনার মোবাইল নাম্বারটা কি যেনো ? বা আপনার মেইল আই ডি টা দেওয়া যাবে ? এরকম কথা হলে সেটাকে বলে মাধ্যমিক পর্যায়ের Crush ।

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের Crush : রেস্টুরেন্টে বসে রোমান্টিক মুডে মেয়েটি বললো : এই জানো , আমার কি পছন্দ ? আমার পছন্দ হলো ঐ যে দু জন দু দিকে বসে একটা নুডুলস খেতে খেতে আসে । তারপর . . .
আর এটা হলো উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের Crush ।

----------------------------------------------------------------------------------


Crush নিয়ে আর বকবক করতে ভালো লাগছে না । এই লেখার জন্য কারো মাইন্ডে টাচ করলে লেখক দায়ী নয় । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28797652 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28797652 2008-05-13 21:23:12
প্যারিসের পথে পথে : একটু নিরিবিলির খোঁজে

ভার্সাইয়ের সামনে থেকে এই দৃশ্য দেখা যায়

প্যারিসের বাইরে খোলামেলা আকাশে , বিশুদ্ধ বাতাসে , সবুজের মেলাতে আর সামনের নিস্তব্ধ পানিতে কেউই নিজেকে সংবরণ করতে পারেনা । আরাফাত ভাইও পারলো না । উনি বলেছিলো : ইশ শাওন , আমি পাগল হয়ে যাবো তো !
এর আগে আমি এখানে এসেছি মাইনাস -৫° ঠান্ডাতে । চারদিক বরফে সাদা । উপর থেকে বরফ পড়তেছিলো । চারদিক সাদা । পানি গুলা বরফ হয়ে গিয়েছিলো ।
এসেছি ৩০° গরমে । চারদিন হিমেল বাতাস । আকাশে সূর্যের কড়া তেজ ।
এসেছি রাতের জোৎনাভরা আলোতে । উপরে খোলা আকাশ । এক কোণে চাঁদ উকি দেয় । গাছের ডালপালার ভেতর থেকে তাকালে কেও আর শান্ত থাকতে পারবে না ।
এবার আসলাম ঝিরি ঝিরি বৃষ্টিতে । আসলাম আর ই আর সি ধরে । আর ই আর সি আবার বাংলাদেশের গরুর গাড়ির ন্যয় দ্রুত চলে । অনেক গতি ! দুতলায় উঠে চলে আসলাম ৩০ মিনিটের মধ্যে । আসার সময় ট্রেনের মধ্যে ফটো সেশনের কাজ সারলাম !
যখন বিশাল খোলা ময়দানে এনে ছেড়ে দিলাম তখনও মনে হয় আরাফাত ভাই কিছু বুঝে ওঠেনি ভেতরের দিকটায় কি আছে । আরাফাত ভাই মেইন গেটে দাড়িয়ে কিছু ফটো তুললো ঝপাঝপ । এবার আস্তে আস্তে ভেতরে আসলাম । আরাফাত ভাই তখুনি বলে উঠলো : শাওন আমি তো পাগল হয়ে যাব । তুমি এখানে একদম শেষে আনলে কেনো ?
আমি হাসতে থাকি ।


ভার্সাইয়ের এক পাশের চিত্র


এলোমেলো ঘরতে লাগলাম । তখন বর্ষায় ঝাপটায় একটা অনয়রকম অনুভূতি । আমাকে আরাফাত ভাই বলে উঠলো : কি ভাবো শাওন ? অন্যমনষ্ক মনে হচ্ছে ? আমি হেসে বলো : না তো কিছু না ।
আসলে ঈশিকে সেসময় খুবই মিস করছি । তখনই একটা জেদ চেপে বসলো ঈশি প্যারিসে আসলে আগে এখানে নিয়ে আসবো ওকে ।

এর মধ্যে আরাফাত ভাই আমাকে ফাটাফাটি একটা প্রস্তাব দিয়ে বসল । আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম । নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না । নিশ্বাস তখন বন্দ ছিলো ! পরে আরাফাত ভাই নিজেই বললো : দেশে গেলে সব ঠিক করে দিবো । <img src=" style="border:0;" /> আমি শুনে নাচতে থাকি ।
বেশ খানিক্ষণ এলোমেলো ঘোরাঘুরি করার পর চলে আসার সময় হলো । তখন বিকেল । আর বৃষ্টি পড়েই যাচ্ছে ।

ওখান থেকে সোজা আসলাম নটর ড্যাম গীর্যাতে । প্যারিসের অন্যতম প্রধান গীর্যা । সামনে থেকে অনেক উচু । ওখানে কিছুক্ষণ থাকলাম । এবার বিদায় নেওয়ার পালা ।


নটর ড্যাম গীর্যা

মেট্রো হুশে ছেড়ে দিয়ে বিদায় দিয়ে চলে আসলাম । আরাফাত ভাই বুকের কাছে টেনে নিলেন । বললো : ঋণ করে রাখলে শাওন । আমি হুশ করে একটা শব্দ করলাম ! ফিরে উলটো দিক তাকালাম । উনি হাত নেড়ে বিদায় জানালেন ।
বিদায় আরাফাত ভাই , আবার দেখা হবে অন্য কোথাও অন্য কোনো খানে ।

---[ লেখাটা ঈশির জন্য । ওকে একদিন সময় করে বৃষ্টদিনে এখানে আনবো ]---]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28794859 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28794859 2008-05-06 16:36:52
প্যারিসের পথে পথে : পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আগুনের দিন শেষ হবে একদিন
ঝরণার সাথে গান হবে একদিন
এ পৃথিবী ছেড়ে চলো যাই
স্বপনের সিঁড়ি বেয়ে সীমাহীন

গান শুনে হুড়মুড় করে লাফিয়ে উঠলো । আমি বলি কাহিনী কি ? উনি বললেন , এই গান তুমি পেলে কই শাওন ? এটা তো আমার প্রিয় একটা গান ।

আমরা যখন বের হলাম তখন বাজে ১১টা কয়েক মিনিট । তখন আমরা বের হয়েছি মিউজিয়াম লুভর'এর উদ্দেশ্যে । মেট্রো তখন হু হু করে ছুটে চললো ।

লুভরের সামনের গেটে এসে আরাফাত ভাই বললো : এই তাহলে লুভর মিউজিয়াম যেখানে মোনালিসার ছবি আছে ! আমি হাসি , বলি ছবিটি দেখার পর সেরকম কিছু মনেই হবেনা আরাফাত ভাই ।
মিউজিয়ামের ভেতরের দিকটায় ঢুকলে দেখা যাবে ৩টি কাচের পিরামিড । সবথেকে বড় পিরামিডের মধ্য দিয়ে ঢুকতে হয় সেন্টারে । নিচে নামলাম তখন দেখা যায় ৪দিক ৪ রকম গ্যালারি । আমরা আগাতে থাকলাম মোনালিসার ছবি দেখে ।



যাহোক , পরে আমি মোনালিসার ঘর যেদিকে সেদিকে এগোতে থাকি ।

ঘরের মধ্যে আনলাম আরাফাত ভাইকে । ছোট্ট একটি ঘরে শত শত মানুষ । আর সোজাভাবে তাকালে দেখা যায় বুলেট প্রুফ কাচ দিয়ে ঘেরা ছোট্ট একটি ছবি । মোনালিসার ছবি । ছবি দেখে আরাফাত ভাই হতাশ গলায় বললো : এই জিনিস দেখার লাইগা তুমি ১৮€ খরচ করে আমাকে এখানে আনলে শাওন ?
আমি হাসতে হাসতে বলি , আমি তো আগেই বলেছিলাম ।


এই সেই মোনালিসার আসল ছবি

ফটাফট কয়েকটা ছবি তুলে বের হয়ে আসলাম । বেশিক্ষণ আর থাকা যাবেনা । ক্ষুদায় পেট চু চু করছে তখন । আর সময় ও বেশি নেই । খাওয়ার পর উদ্দেশ্য আইফেল টাওয়ার ।

ওখান থেকে বের হয়ে ম্যাকডোতে ঢুকলাম । ঢোকার নামমাত্র ইচ্ছা আমার ছিলোনা । আরাফাত ভাইয়ের জন্য ঢুকলাম । দুপুরের খাবার টা ধীরে ধীরে শেষ করলাম । খাবারের মধ্যে গল্প করতে থাকলাম দেশ আর রাজনৈতিক আলাপ নিয়ে । হাহা , নিজেকে অনেক বড় মনে হতে থাকে ।

ম্যাকডো থেকে বের হয়ে আর ই আর সি ধরে রওয়না দিলাম টাওয়ার আইফেলের উদ্দেশ্যে । নামলাম ঠিক পাশে । উঠেই টাওয়ারের মাথা দেখা যায় । বাজে তখন বিকাল সাড়ে ৬টা । আমি সেটা দেখেই আরাফাত ভাইয়ের কাছ থেকে বিদায় নিলাম । আকাশে তখন কালো ঘন মেঘ ।


সেন নদীর অপর পাশ থেকে আইফেল টাওয়ার


---[মোনালিসার ছবিটা সহ এই পোস্টটি মাহবুবা আখতারের জন্য । মোনালিসার প্রতি ওর টান দেখে বিশেষ করে ওর জন্য ছবিটি তোলা]---]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28793533 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28793533 2008-05-02 16:49:17
প্যারিসের পথে পথে : ধন্যবাদ জানা পু

গ্যালিনি থেকে ওনাকে রিসিভ করে মেট্রোতে উঠে আমার মনে হলো আমার পেট ছিড়ে পড়ছে । আরাফাত ভাইয়েরও ক্ষুদা লাগছে । তৎক্ষণাত সিদ্ধান্ত নিলাম আগে মেট্রো থেকে বের হয়ে খেয়ে নিই । ঢুকলাম কে এফ সি'তে । মেন্যু : বক্স মাষ্টার ।

এবারই প্রথম মুখ খুললেন তিনি ।
আরাফাত ভাই : যে শাওনে'কে ব্লগে লিখতে দেখেছি সেই শাওন আমার সামনে ?! চিন্তা করতেই কেমন লাগে ! ব্লগ কতটা কাছে এনে দিয়েছে আমাদের ।
আমি হাসি ।
আরাফাত ভাই : এবার বলো ব্লগের কার কার সাথে দেখা হয়েছে তোমার ?
আমি : বলি , সুইডেন থেকে একজন ব্লগার আর আপনি ।
আরাফাত ভাই : হাসিন , জানা, আরিল্ড এদের সাথে দেখা হয়নি ?
আমি : দেশ থেকে আসার পরই তো ব্লগে দেখলাম । দেশে গেলে হয়ত দেখা হতে পারে ।
আরাফাত ভাই : আমার সাথে জানা'র কথা হয়েছে বুঝলে । জানা'র স্বপ্ন ছিলো এই ব্লগ ।
আমি : জানা আপুকে তাহলে সামনে পেলে একটা বিশাল ধন্যবাদ দিতে হবে । এই ব্লগের কারণে কতকিছুই না হলো ।

এভাবেই কথা হতে হতে কখন যে খাওয়া শেষ হয়ে গেলো বোঝাই গেলোনা ।

রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে আরাফাত ভাইকে বললাম : ২টা কাজ করা যেতে পারে এখন । এক, আপনি যদি অনেক টায়ার্ড থাকেন তাহলে বাসায় যেয়ে রেস্ট নেওয়া আর ২য়টি হলো : টায়ার্ড না থাকলে এখুনি ঘুরে ঘুরে দেখা যেতে পারে প্যারিস । তখন আমাদের মাথার উপর ছিলো সুন্দর একটা সূর্য । গরম ছিলো ২০° ।

উনি ঘুরবেন বলেই সিদ্ধান্ত নিলেন । সুতরাং মেট্রোতে উঠে এবার রওনা দিলকাম অ্যানভার্সে । অ্যানভার্সে গিয়ে দেখি শত শত মানুষ সবুজ ঘাসের উপর শুয়ে পড়েছে গরমে । আমরা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে লাগলাম । একদম উপরে উঠে দেখি বেশ কয়েকজন বাঙালী । হঠাৎ দেখে চিন্তে পারি ওদের । এ তো পুরা পাগল ! কাজ সারছে । আরাফাত ভাই দেখে বললেন চলো শাওন পরিচিত হওয়া যাক । আমি আগে থেকে সাবধান করে দিলাম ওনাকে , আরাফাত ভাই , পুরা আউলা পাবলিক কিন্তু , দেখেবন , সাবধান । আরাফাত ভাই আমাকে অবাক করে দিয়ে বলে : আমি ঝাউলা পাবলিক । চলো দেখা যাক কি হয় ।

- সালাম ভাইজান , ভালো আছেন ?
আরাফাত ভাই : জ্বি ভালো , আপনারা ?
- আল্লাহর ইচ্ছা । ভাইজান কি করেন ?
আরাফাত ভাই : কাজ, ওকাজ দুটোই করি । দিনে কাজ , রাতে অকাজ ।

আমি অন্যদিকে ফিরে হাসি লুকানোর ব্যর্থ চেষ্টা করি । আকাশে ফাঁকা , নীলাকাশে উরোধূড়ো মেঘ । আকাশের দিকে কিছুক্ষণ তাকানো যেতে পারে । হাহ হা ( নকল হাসি । এটা হলো আরাফাত ভাইয়ের হাসি , শুনলে বিচিত্র লাগে )


ওয়ালী ভাইয়ের ফোন , শাওন কোথায় তোমরা ? আমি বললাম, সাক্রে করের মাথায় । বললো আমি আসতেছি ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে ।

সাক্রে কর থেকে নিচে নামতে শুরু করলাম একটু একটু করে । আরাফাত ভাইকে বললাম চলেন লিফট দিয়ে নামি । উনি বললেন : নাহ , এভাবে নামতেই মজা লাগছে .

পরে নিচে নেমে ওয়ালী ভাইয়ের সাথে দেখা । আরাফাত ভাইকে ওয়ালী ভাইয়ের কাছে হাস্তান্তর করেআমি রওনা দিলাম বাসার দিকে । মাথার উপরের আকাশ টা তখনও রৌদ্রজ্জ্বল । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28792563 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28792563 2008-04-29 17:01:20
একজন তসলীমা নাসরিনের অপরাধ তাই কৌশিকের মত অন্য কোনো ধর্মের মানুষকে খুঁচিয়ে দেখতে ইচ্ছা করেনা তার ধর্মের বিশ্বাস মলমুত্রের ন্যয় নরম কিনা ! )আর এই ধর্ম যেমন আমাকে শিখিয়েছে অন্য ধর্মকে সম্মান করতে তেমনি শিখিয়েছে অন্য মানুষকেও সম্মান করতে ।

ধর্ম সম্পর্কে তসলীমা নাসরিনের মন্তব্য : ধর্মের দালান-কোঠা যদি মানুষে মানুষে ভালোবাসা নষ্ট করে তবে এই পৃথিবী থেকে ধ্বংস হয়ে যাক মন্দির, মসজিদ, প্যাগোডা আর গীর্জার সকল অস্তিত্ব । ইট সুড়কিরে চেয়ে মানুষ বড়, ইট সুড়কির চেয়ে ভালোবাসা বড় । (নির্বাচিত কলাম:৯৫)
~~~~ আমি জানিনা অন্য ধর্ম বিশ্বাসীরা এই উক্তি শুনে কি বলবে কিন্তু আমি বলব, একজন উন্মাদের মুখ থেকেই এটা বের হতে পারে । তসলিমা, একটি বার চোখ খুলে দেখেছেন যখন কক্সবাজার , চট্টগ্রামে দশ নাম্বার বিপদ সংকেত দেওয়া হয় তখন সেই মন্দির মসজিদ আর প্যাগোডাতে চলে প্রার্থনা । প্রার্থনা চলে কোনো মানুষের যেন বিপদে না পড়ে সেজন্য ।

ধর্ম সম্পর্কে তসলীমা নাসরিনের মন্তব্য : ওরা জেরুজালেম, হেরা পর্বতে বসে ধর্ম রচনা করেছে । এই ধর্মকে ওরা পবিত্র ঘোষণা করেছে । এই পবিত্রতার দোহায় দিয়ে তোমাকে ( নারীকে ) পায়ের নিচে স্থান দিচ্ছে , আবৃত করছে , অনাবৃত করছে । ওরা তো মানুষ নয় , ওরা পুরুষ ।
~~~~ হায়রে ! তুমি মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়ে নাম ধারণ করলে মুসলিম নাম । কিন্তু একটিবার কোরান পড়ে দেখার সময় তোমার হলো না । পড়ে দেখলে বুঝতে, মানুষ পারে মানব ধর্ম রচনা করতে , পারেনা ইসলাম ধর্ম রচনা করতে ।
কোরানটা তুলে পড়নি বলে জানলেও না একজন মায়ের ( একজন নারীর ) পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত । সেটা হোক ছেলে , হোক মেয়ে ।

------- ------- ------- ------- -------

মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (নারী) : নারী ধর্ষণ করতে শিখুক, ব্যভিচার করতে অভ্যস্ত হোক । নারী খাদকের ভূমিকায় না এলে তার খাদ্য নামের কলংক ঘুচবে না । এখন ভালো কথার যুগ নয়, নীতি বাক্যের সময় নয় । কাঁটা দিয়েই আজকাল কাঁটা তুলতে হয় । (নির্বাচিত কলাম : ১০৭)
~~~~ আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরিন । উমম নাহ , তসলীমার এই মন্তব্যটি নারীদের উপর ছেড়ে দিলাম । একটুখানি মন দিয়ে চিন্তা করে উত্তরটা জানিয়ে দিয়ে গেলে কৃতজ্ঞ থাকব ।

মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (নারী) : পুরুষকে খুশী করা ছাড়া সাধারণত নারীর অন্য কোনো কাজ নেই ।
~~~~ আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরিন । উমম নাহ , তসলীমার এই মন্তব্যটি নারীদের উপর ছেড়ে দিলাম । একটুখানি মন দিয়ে চিন্তা করে উত্তরটা জানিয়ে দিয়ে গেলে কৃতজ্ঞ থাকব ।

মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (পুরুষ) : নারীকে নারী অংগের বাইরে কেও কল্পনা করার অভ্যাস কারো গড়ে ওঠেনি । এই অংগকে পুরুষেরা বরাবরই খাদ্য হিসাবে গ্রহন করেছে । ( নির্বাচিত কলাম:১০৬)
~~~~ আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরিন এবং তসলীমা নাসরিনের বক্তব্যের সাথে একমত হওয়া পুরুষ মানুষ । আমি নারীকে মনে করি মা , নারীকে মনে করি বোন , নারীকে মনে করি খালা , নারীকে মনে করি নিজের সুন্দর স্ত্রী । আর শ্রেষ্ঠ সম্মানগুলো তাদেরই করি ।


মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (পুরুষ) : স্ত্রৈণ শব্দটির অর্থ স্ত্রীর অতিশয় বাধ্য । অর্থাৎ যে ছেলে তার স্ত্রীর অতিশয় বাধ্য তাকে স্ত্রৈণ বলা হয় । কিন্তু যে ছেলে স্ত্রৈণ তাকে কেউ ভালো চোখে দেখে না । বরং তার দিকে তাকিয়ে আড়চোখে তাকিয়ে উপহাসের হাসি হাসে । (নির্বাচিত কলাম : ৫১-৫২)
~~~~ আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরীন । আমি আমার স্ত্রীর অতিশয় বাধ্য , তাই বলে শুনতে হয়নি কোনো কটুকথা , পরতে হয়নি কোনো উপহাসে । বরং দেখে এসেছি যারা তাদের স্ত্রীকে জ্বালিয়ে মারে তাদের উপর সমাজের শাস্তি ।

মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (পুরুষ) : যে তুমি মুখ থুবড়ে পড়ে আছো নারী, তোমার সারা শরীরে পুরুষের কামড় । তোমাকে শুকতে একটি কুকুরও বেদনায় নীল হবে সেই তোমাকেই যদি কেও পুনরায় কামড়ায় সে কোনো শূকর নয় সে কোনো কাল কেউটে নয় সে পুরুষ ।
~~~~ হায়রে তসলিমা ! ভুলে গেলে তোমার জন্মদাতা পিতাও একজন পুরুষ ? আর কিছু মানুষের জন্য সম্পূর্ণ পুরুষ জাতীকে তুলনা করলে শূকরের চেয়ে নিকৃষ্ঠ ? করুণা তোমার জন্য ।


মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (পুরুষ) : ওরা মৃত্যুর আরেক নাম , ওরা পরুষ । তোমার দিকে ধেয়ে আসা পুরুষেরা মূলত আসে অবাধ কাম ও অনিয়ন্ত্রিত ক্রোধের কারণে , কতৃত্ব বোধের ক্রোধ ।
~~~~ আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরিন । আমি নারীর ( আমার মা )'র দিকে যাই একটু স্নেহ পাওয়ার জন্য , একটু মমতা পাওয়ার জন্য ।


মানুষ সম্পর্কে তসলিমার মন্তব্য (পুরুষ) : ওরা তোমার বিকেলের চায়ে বিষ মিশিয়ে দেবে ওরা দল বেধে তোমাকে ধর্ষণ করতে আসবে , ওরা মানুষ নয় ওরা পুরুষ ।
~~~~ আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরিন । আমরা বিকেলের চা একসাথে খাই মা , বোন আর স্ত্রীর সাথে ।

আমি দুঃখিত তসলীমা নাসরিন , খুব দেখার ইচ্ছা হলে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ির শাস্তি , দেখার ইচ্ছা ছিলো পুরুষ-নারীকে নিয়ে কটূ কথা বলার শাস্তি । ইচ্ছাটাকে এখনো দমন করিনি । চেয়ে আছি ।
আর এই ব্লগের যারা দোষ দেখতে চেয়েছিলেন তাদের জন্য উপরের পয়েন্ট গুলা দিলাম । অবশ্য যারা তসলিমার মত মানব ধর্মে নিয়ে আছেন তারা ধর্ম সম্পর্কে কটূ কথা বললেও তাদের লাগবে না । তবে একটিবার চিন্তা করে দেখুন তো আশেপাসের পুরুষ আর নারীদেরকে নিয়ে করা মন্তব্যগুলো কতটা বিবেক সম্পন্ন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28790880 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28790880 2008-04-24 20:01:03
একজন তসলীমা নাসরিন
কথাটি নাসরিনীয় ভাষায় ঘুরিয়ে বললে এভাবে বলা যেতে পারে : " যে দেশের সংস্কৃতি এত বদ্ধ, খোলামেলা নয়, সে দেশ আমার নয় " তা নহলে , যে দেশের মানুষ ৯টি মাস সংগ্রাম করতে জানে, যে দেশে জন্ম নেয় নজরুল, জীবনানন্দ, মুজিব, জিয়া । সে দেশের এত গুনি মানুষ থাকতেও একজন গোলাম আযমের জন্য বাংলাদেশ তার 'না' হয়ে যাবে ?


হঠাৎ-ই শুনলাম তসলীমা আর বাংলাদেশের নাগরীক নয়। খবরটা শুনে আমার মধ্যে একটি মিশ্র অনুভূতির সৃষ্টি হয় । প্রথমে মনে হলো, কাজটি যথাযথ হয়েছে আর এর জন্য সরকারকে হাজার কোটি ধন্যবাদ ।
পরের মুহুর্ত্বে একটু ভেবে বের করি : কাজটা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি । প্রধাণত ও প্রথমত কারণটি হলো : তসলিমা এখন আমেরিকা আর ইউরোপে এসে বানানো উদ্ভট কথা শুরু করলেই পাশ্চাত্যের যে কোনো দেশ তখন একে লুফে নিতে চাইবে । আর তখন এই মহিলাকে দিয়েই বিচার করবে সমগ্র দেশ'টাকে ।


সুতারং আমার মনে হয় তার নাগরিকতা শুধু শুধুই বাতিল করেছে সরকার । তার যদি কোনো দোষ থাকে ( অবশ্যই দোষ আছে ) সেজন্য দেশে এনে তাকে বিচার করাই হতো ভালো কাজ । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28790784 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28790784 2008-04-24 14:24:54
বেগম রোকেয়া : একজন মহিয়াসী নারীর কথা
তার সংক্ষিপ্ত জীবনী :
বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহন করেন রংপুর জেলায় ১৮৮০ সালে । ৭জনের পরিবারে বাবা জহীরুদ্দিন ও মা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী বাদেও ছিলো ২ বোন আর ৩ ভাই সহ রোকেয়া । তখনকার সমাজ ব্যবস্থা অনুযায়ী বেগম রোকেয়ার ঘরের বাইরে পাঠানো হয়নি শিক্ষার জন্য । ঘরে বসেই আরবী আর ঊর্দু শেখানো হচ্ছিলো । অবশ্য তার বড় ভাই ইব্রাহীমের সাহায্যে তিনি ঘরে বসে বাংলা এবং ইংরেজীও শিখতে লাগলেন ।

হঠাৎ ১৬ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়ে যায় ভাগলপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সাথে । বলতে গেলে বলতে হয় স্বামীর সংসারে আশার পর থেকেই শিক্ষার আলো পেতে থাকেন । তার স্বামী তাকে ইংরেজীতে চিঠি লিখতে শেখানো আরম্ভ করেন । মূলত এই সময়েই তিনি বিভিন্ন প্রবন্ধ লেখা শুরু করেন । তারপর সেই প্রবন্ধ বিভিন্ন সাময়ীকে প্রকাশ পাওয়াতে তিনি আরো উৎসাহী হয়ে ওঠেন । পড়া শুরু করলেন বড় বড় সাহিত্যিক'দের লেখা ।

হঠাৎ-ই জীবনের বিপর্যয় নামল তাঁর । তাঁর স্বামী সাখাওয়াত হোসেন ১৯১০ সালের তেশরা মে মারা গেলেন । কিছুদিন মনমরা হয়ে থাকলেও আবার শুরু করেন তার স্বপ্ন । তাঁর স্বামী বেঁচে থাকাকালীন সময়ে তিনি এবং তার স্বামী মিলে একটা স্কুল খুলবেন বলে টাকা জমাতে থাকেন । এবং সেই টাকা দিয়েই খোলেন ভাগলপুরে একটি বালিকা বিদ্যালয় । তখন তাদের জমানো টাকার হার ছিলো ১০ হাজার টাকা ।

কিছুদিন পরে তিনি কলকাতায় চলে আসেন । এবং সেখানে ওলিউল্লাহ লেনে ১৯১১ সালের ১৬ মার্চ মাত্র ৮জন ছাত্রীকে নিয়ে খোলেন সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল । মেয়েদের ইংরেজী শিক্ষার দিকে এগিয়ে নিতে চালুন করেন ইংরেজী বিষয় । এই স্কুল তার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য সাহায্য করেন তখনকার দ্য মুসলমান পত্রকার সম্পাদক জনাব মুজিবুর রহমান , বেগম রোকেয়ার খালাতো ভাই এ কে গজনবী , মাওলানা আকরাম খাঁ । পরে এই স্কুলটির যায়গা পরিবর্তন করে নিয়ে যাওয়া হয় ৮৬ লোয়ার সাইলার রোডে ।

বেগম রোকেয়া মারা যান ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর । তারপর থেকে ৯ ডিসেম্বর পাল করা হয় বেগম রোকেয়া দিবস । তিনি মারা যান ৯ ডিসেম্বরের সকালে ফজরে ওযূ করার সময় । কলকাতা থেকে একটু দূরে সোদপুরে আবদুর রহমান খাঁ'র বাগান বাড়িতে তাকে সমাহিত করা হয় ।

এবার আসি কিছু বুদ্ধিজীবি আর উচ্ছৃংখল মহিলাদের কথায় । সেদিন একজনের কাছ থেকে শুনলাম বেগম রোকেয়া ছিলেন ইসলাম বিদ্বেসী । তারপর থেকেই মূলত এই লেখার দিকে ঝোঁক গেলো আমার । যারা এই ধারনার মধ্যে বসবাস করে তাদের জন্য :
বেগম রোকেয়া কখনো ইসলামকে অপমান করেন নি । ইসলাম সম্পর্কে তার বিশ্বাস ছিলো অগাধ । তাঁর একটা বই পদ্মরাগের ৪৫৪ পাতায় উল্লেখ করেছিলেন " তামাম জাহান যদি একদিকে , কি করিতে পারে আল্লাহ যদি থাকে । "

বেগম রোকেয়া একদিন বলেছিলেন : আমরা তোমারই উপসনা করি , তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি এই বচনটি আমি জীবনের পরতে পরতে সত্য বলিয়ে উপলব্ধি করিলাম ।
অন্য একদিন বলেন : আমাদের দেশে শিক্ষার জন্য আরবী বর্ণমালা , অত:পর কোরান শরীফ পড়ানো শেখানো হয় । কিন্তু শব্দটির অর্থ বুঝিয়ে পড়ানো হয়না ।

কিছু ধর্মান্ধ্য আর কাটখোট্টা ধরণের মানুষের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন যে : ইসলাম সবসময় নারীর প্রতি অনুগ্রহ । আর সেজন্যই তাঁকে বোধ হয় শুনতে হলো বেগম রোকেয়া ইসলামের একজন কঠোর সমালোচক । সবসময় নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন সেজন্যই মনে হয় আজ শুনতে হলো পুরুষ বিদ্বেষী । কিন্তু তাই বলে বেগম রোকেয়া কখনো মহিলাদের খোলামেলা চলা পছন্দ করেননি । তিনি বলেন : রেলওয়ে প্লাটফর্মে দাড়িয়ে কোনো মহিলা ইচ্ছা করবেন না যে তার দিকে দর্শকরা অকৃষ্ট হোন । সেজন্য ভ্রমন কালে জনসাধারণের দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঘোমটা বা বোরকার দরকার হয় ।
সব থেকে যুগপোযগী কথা বলেন সেটি হলো : শরীয়ত আমাদের পর্দায় থাকতে বলে কিন্তু বন্দিনী থাকতে বলেনা ।

বেগম রোকেয়া যে কথা বলেন তা হলো : ইসলামই নারীকে মুক্তি দিয়েছে । সত্য শিক্ষার অভাবে নারী স্বাধীনতার বিধান চাপা পড়েছিলো । ইসলাম দর্শন দারাই আবার এটিকে সচল করতে হবে । আর সেজন্যই আমাদের ইসলাম ও নারী শিক্ষা বিষয়ে গবেষণা করতে হবে । আর এটা করেই কুসংস্কার আর গোরামী দূর করতে হবে ।
মূলত , বেগম রোকেয়ার সংগ্রাম ছিলো ভ্রান্ত ধরণা আর মতবাদের বিপক্ষে ।


বি.দ্র. : হঠাৎ ই শুনলাম, বেগম রোকেয়াকে নিয়ে এক বুদ্ধিজীবির বানী : বেগম রোকেয়া ইসলাম বিদ্বেষী ছিলো । মূলত তখন থেকেই বেগম রোকেয়াকে নিয়ে কিছু লেখার চিন্তা মাথায় ঢোকে । সেজন্যই লেখাটা লিখলাম । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28788340 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28788340 2008-04-16 13:36:31
ভিজিট মেডিকাল
চিন্তা করলাম বাসায় যেয়ে লাভ নেই কারণ বাসার চাবি আমার কাছে নেই , বাসায় গেলে দরজার সামনে বসে থাকাতে হবে । সবথেকে ভালো হয় যদি সোজা প্যারিসে চলে যাই । যেয়ে কিছুক্ষন শরীফ চাচার কাছ থেকে রাজনৈতিক আড্ডা দেই । সেদিন কেয়া খালা বললো , তার আট বছরের মেজ ছেলে নাকি বুদ্ধিজীবি হয়েছে । আমি হাসতে হাসতে বলি , ওকে বুদ্ধিজীবি বানালো কে ? খালা বলে সে নাকি দাবা খেলা শিখেছে নতুন । সেজন্য সে নিজেই নাকি নিজেকে এই উপাধী দিয়েছে । ঐটাকেও দেখে আসা যেতে পারে এক ফাঁকে ।

আমি ১৩ নাম্বার মেট্রো ধরে রওনা দিলাম মোঁরুজ্শে । মেডিকেল টেস্ট করাতে হবে , প্রথমটা মিস করেছিলাম বলে দেরি হচ্ছে । দুপুরে খাওয়াও দরকার । পেটের মধ্যে চুঁ চুঁ করতেছে । আগে একদিন এই হাসপাতালে এসেছি বলে চিনতে অসুবিধা হলোনা । হাসপাতাল যত উন্নতমানেরই হোক না কেনো ভেতরে ঢুকলেই যে উটকো গন্ধ সেটা আমার নাকে লাগবেই । আর সেই গন্ধে জ্ঞান হারাতে হয় আমার ।

আগে একদিন ঢুকছিলাম লাভলু চাচার চোখের অপারেশন দেখতে । যাবো না , যাবো না বলে গেলাম । বলতে গেলে বলতে হয় জোর করেই বাসা থেকে পাঠালো আমাকে । সেটা ছিলো প্যারিসের নামকরা হাসপিটাল : হসপিটাল দিওঁ । আর ঢোকা মাত্রই অজ্ঞান !

তবে এই হাসপাতালে কোনো গন্ধ নেই । ঢোকা মাত্রই একটা মিষ্টি গন্ধ নাকে আসে । বাম পাসের টবে একটা ফুলগাছ , সম্ভবত ওখানথেকেই গন্ধটা আসতেছে । আজকাল ফুলগাছও চেনা মুষ্কিল , গাছটা কৃত্তিমও হতে পারে , আর গন্ধটাও অন্য কোনো গন্ধ ।

আমার সোজা ঢুকেই বললাম : ম্যাডাম বুজ্শু , একটু খেয়াল করেন । আমি প্রথম রন্দেভুঁতে আসতে পারিনি কারণ আমি অসুস্থ ছিলাম । সারাদিন বাসায় শুয়ে ছিলাম । আমার মনে হচ্ছে আমার ক্যান্সার হয়েছে । বিশ্বাস না হলে আরজেন্ট টেস্ট করিয়ে দেখেন ।
মহিলা আড়চোখে আমার দিকে তাকায় । কথা গুলো বলার সাহস দেখে আমিও অবাক । আমার যেমন নিজেরও হজম করতে দেরি হয়েছে তেমনি ওনারও হচ্ছে । কথাগুলো বলতে হতোনা । বললাম এদের নড়চড় দেখে । ২ মাস হতে গেলো এখনো লেটার পাইনি মেডিকেল টেস্টের । আরজেন্ট বললে এখুনি টেস্ট করিয়ে আমাকে ক্ষ্যান্ত দিবে । মেডিকেল টেস্ট না হলে দেশেও যাওয়া হবেনা । বড়ই কঠিন একটা কথা এটা ।

মহিলা আবারো আমাকে নিরাশ করলো । সেই ঘুরে ফিরে একি কথা : ওয়েট প্লিজ , ওয়েট ।

কানতে ইচ্ছা হলো ,অনেকদিন কাঁদিনা প্রাণ খুলে । আমি পকেট থেকে এম পি থ্রি বের করে তাওসিফের বৃষ্টি পড়ে যায় গান বাজিয়ে পথে নামলাম । আকাশটা মেঘলা ছিলো । সেও কেঁদে দিলো ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28786831 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28786831 2008-04-11 15:50:44
একটি জন্মদিন, একটি শ্রেষ্ঠ উপহার মোরা লালটু পাট্টা মাল মাল কা
জি মোরা লালটু পাট্টা মাল মাল কা হো জি, হো জি
ইধার উধার নেহেরায়ে
মোরা লালটু পাট্টা মাল মাল কা
লালটু পাট্টা মাল মাল কা . . .

ভোর সাড়ে ৫টায় যখন এমন গান কানে বাজতেছে তখন আমি হু হু করে দৌড়াচ্ছি দিনের প্রথম ট্রেনটা ধরার জন্য । মোরা লালটু পাত্তা মাল মাল
যাক বাবা ট্রেনটা কয়েক সেকেন্ডের জন্য হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিলো এখুনি । হাপাতে হাপাতে ভেতরের দিকের এক সিটে যেয়ে বসলাম । বেশ লম্বা বগি, কিন্তু কোনো মানুষ নেই । উইকেন্ডের প্রথম দিনের প্রথম ট্রেনে মানুষ না থাকাটাই স্বাভাবিক ।

নেক্সট মিউজিক ৩ ২ ১
ইধার উধার নেহেরায়ে
মোরা লালটু পাট্টা মাল মাল কা
লালটু পাট্টা মাল মাল কা . . .


হাতে ঘড়ি নেই বলে মুঠোফোনের সাহায্য নিতে হয়েছে । কাজ শুরুর এখনো বেশ ২৫ মিনিট বাকি । ফাঁকে দেশে ফোন দেওয়া যেতে পারে । ফোন দিয়ে শুনলাম বাসায় ছোট চাচি আর পিচ্চি এসেছে ।
মুঠোফোনের কথা বলতে যেয়ে একটা কথা না বলে থাকতে পারতেছিনা । ঈশিকে কোটিবার বলার পর তার মোবাইল নেওয়ার সময় হয়েছে । নেওয়ার পরই ম্যাসেজ দেওয়া শুরু করছে । ওকে বললাম ম্যাসেজ দেওয়ার দরকার নেই যদি কখনো মিস করো তাহলে মিস কল দিও তাতেই হবে । পরমুহুর্তে ওপার থেকে বলে উঠলো : শাওন প্রতি সেকেন্ডে মিস কল দেওয়ার কোনো পদ্ধতি তোমার জানা আছে ? মোরা লালটু পাট্টা মাল মাল

পকেটে হাত দিলাম । ইউরো লাতিনা কার্ড বের হতেই কোড টিপলাম । পকেটে শুধু একটাই কার্ড আর কিছু নেই । টাকা পয়সা কিছু নাই । আজ ২৯ তারিখ এখনো ২দিন চলতে হবে টাকা ছাড়া চলতে হবে সেটই মনে করতেই মাথা ঘুরায় । পরের মুহুরর্তে হেসে উঠি , ওহ টাকা তো এমনিও থাকার কথা না ।
২৯ তারিখ ?! আমি চমকে উঠি আজ নাকি ২৯ তারিখ ! তাও আবার মার্চ মাসের । এজন্যই তো বলি ছোট চাচী আজ আমাদের এখানে কেন । আজ তো ওনার জন্মদিন ! ওহহো, মানুষ হলিনা শাওন । শাওন কাচুমুচু করে ছোট চাচীকে ফোনটা দিতে বলে , শুভ জন্মদিন ছোট চাচি ।

শাওন চমকে ওঠে এটা বলার সময় । কিছুদিন আগেও একটা ফালতু ইমোশন নিয়ে ছিলো সে। অনেক কষ্ট করে এক আন্টির কাছ থেকে উত্তরাধিকার, কালবেলা আর কালপুরুষ জোগাড় করলাম । অনেকদিন আগে কে যেন বলেছিলো : শাওন কালপুরুষ, কালবেলা আর উত্তরাধিকার বইটা জোগাড় করে পড়বে । সেটা যোগাড় করলাম পড়তে শুরু করলাম । এমন সময় ইমোশন আঘাত হানে । শাওনের মন শাওনকে বলতে থাকে ২৯ তারিখে যেন বইটা শেষ হয় এমনভাবে পড় শাওন । সেভাবেই আগাচ্ছিলাম । হঠাৎ মাথা ঝিম ঝিম করে । সব শালা চুলোর ছাই ! ২৯ তারিখে না শেষ করলে যেন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে !? তাই তার আগেই কালপুরুষ শেষ করলাম ।
তবে হ্যা, আমার মত ছেলেমেয়েরা যারা হুমায়ুন খেতে খেতে পঁচে গলে বাসী গেছে তাদের কাছে এই সমরেশ পড়লে অন্য এক জগৎ বের হবে এটা নিরদিদ্ধায় বলা যায় ।

গতকাল ভালই ধরা খেয়েছি একজনের কাছে । ইয়াহু চ্যাটে অভ্যাস নেই বলে জানিও না কোনখানে কি অপশন । যে ধরা খাওয়াইলোরে বাবা , চিরকাল মনে থাকবে । এ বছরের প্রথম জন্মদিন পেয়ে ভালই লাগল ।


--- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- --- ---


এতটুকু লেখার পর মনে হলো সকাল থেকেই সব এলোমেলো হয়ে গেল । আজকে আকাশে ছিলোনা বৃষ্টির ছিটেফোটা , ছিলো মেঘের ঘনঘাটা , ছিলো নতুন একটা সূর্য ওঠার দূর্দান্ত প্রস্তুতি । কিন্তু হঠাৎ প্রকৃতি মাতাল হয়ে উঠলো । নেশা জুড়িয়ে গেলো তার প্রতিটি বিন্দুতে । যা আশা করেছিলাম তা হলোনা ।
বাবা-মা'র কাছে খারাপ হয়ে থাকলাম এখনো । একটুও বুঝতে পারলনা আমাকে । একটুখানি বোঝার চেষ্টাও করলোনা ।

তারপরও সারাটা দিন আমি খুশিতে কাটালাম । অনেক চেষ্টা করে গোমড়া মুখটাকে হাসিমুখ করে রাখছিলাম ।

আমি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহারটা পেয়ে গিয়েছি ।
---- শাওন গতবছর ধরে তোমাকে একটা কথা বলব বলব করছি কিন্তু বলা হয়ে ওঠেনা ।
- কি ?
---- চিন্তা করে দেখবা , যেটা বলব সেটা মোটেও সুখের হবেনা ।
-তারপরও আমি শুনতে চাই ।
---- শিওর ?
-হু শিওর ।
---- কথাটা শোনার পর হা হুতাশ করোনা , আগে থেকে চিন্তা করে দেখো ।
- বললাম তো । বলো , আমি শুনতে চাই ।
---- আমি এখন . . .
-তুমি এখন ?
---- যদি না বলি ?
-উফফ , বলো ।
---- আমি এখন নামাজ পড়ি ।

আমি কল্পনা করিনি এতটা এত তাড়াতাড়ি হবে । আজ মনে হয় আমার চেয়ে সুখী আর কেও না এই ধরণীতে । আমি সুখী, সুখী এবং অনেক সুখী । এটাই ছিলো আমার জীবনের সবথেকে বড় পাওয়া ।

আর লিখতে ইচ্ছা করতেছে না । অনেকদিন লিখিও না । শাওন ভালো আছে , ভালো থাকবে । বাহ! কি সুন্দর কথা ! হাহাহা । হু আসলেই ছায়াকন্যার শেষ ছায়ায় চিরকাল বেঁচে থাকবে শাওন । চুলোর ছাই থাকবে ! শালা গ্যারগ্যান্ডিবোস ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28783644 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28783644 2008-03-29 23:52:14
চাইনা সাম্প্রদায়ীক দেশ, চাই যুদ্ধ অপরাধী বিহীন দেশ এক
মুহাম্মদ জাফর ইকবালের অপ্রকাশিত একটা লেখা পড়ছিলাম । তিনি ঘটনাটি এভাবে প্রকাশ করেছেন যে, তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁরা অবস্থান নেয় গ্রামের এক ক্বারীসাহেবের বাসায় । কিছুদিন পর গুঞ্জন শোনা যায় গ্রামে মিলিটারী এসে পড়েছে । হঠাৎ-ই অনেক বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিল পাকিস্তানি মিলিটাররা । মানুষজন নৃসংস ভাবে হত্যা করে ধরে নিয়ে গেল অনেক যুবক-যুবতীদের । তারা চলে যাওয়ার পর এক সকালে জাফর ইকবালের মা দেখল এক হিন্দু পরিবার ক্ষুদার্থ অবস্থায় কাতরাচ্ছে । তিনি তখনই ঘর থেকে কিছু খাবার এনে তাদেরকে খেতে দিলেন সেটা দেখে ক্বারীসাহেব বলল : " হিন্দুদের সাহায্য করতে নেই, সাহায্য করতে হয় মুসলমানদের । তাহলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায় । "

এটা এখান থেকে ৩৭ বছর আগের ঘটনা । ৩৭ বছর আগের ঘটনা হলেও বর্তমানেও অনেক অঞ্চলে এখনো এসব কুসংস্কার চালু আছে । গ্রামের কিছু দাড়িওয়ালা আর খাটখোট্টা ধর্মান্ধ্য হুজুর এ ধরনের কুসংস্কার এখনো টেনে নিয়ে বেড়াচ্ছে নিজেদের সুবিধার জন্য । শুধু গ্রাম্যঞ্চালে না, দেশের বড় বড় গুরুত্মপূর্ণ পদেও এখনো কিছু মানুষ এমন হীনমানসীকতার পরিচয় দিয়েই চলছে । শুধু নামের জন্য যোগ্য প্রার্থীকে দূরে ঠেলে দিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে পরের জনকে । একটা দেশের উন্নয়ের ক্ষেত্রে এটি যেমন সুবিধাজনক নয় তেমনি কিছু ধর্মান্ধ্য ব্যক্তিদের জন্য ইসলাম নামক ধর্মও ছোট হয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন , পরিচয় পাচ্ছে সাম্প্রদায়ীক ধর্ম হিসাবে ।



দুই
বর্তমান সরকার সম্প্রতি বি.সি.এস'এর ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা কিভাবে বাতিল করা যায় সেদিকে হাত দিয়েছে । ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে যুক্তিগত একটি কাজ এবং এজন্য সরকার অবশ্যই অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য । অবশ্য গুটিকতক গোষ্ঠী সহ কিছু দলও ইতিমধ্যে মিছিল-মিটিং ও করে ফেলছে । আমার ধারণা তারা এটার বিরোধীতা করছেন মূলত দু'টি কারণে ।
এক, তাদের ধারণা এই কোটায় হাত দেওয়া মানে মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় করা ।
দুই , স্বাধীনতাবিরোধী অন্দোলন এগিয়ে নেওয়া ।
তাদের স্লোগান , তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান । একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে কিভাবে তারা বিবেক দিয়ে বিচার করে যে , আমার থেকেও একজন মেধাবী অথবা যোগ্য প্রার্থী বাদ পড়ে যাচ্ছে শুধু আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে । আর এটা নিয়ে দেশের কিছু জনগন মাতামাতিও করছে ! আমাদের বিবেক কবে ফিরে পাব আমরা ?


তিন
বর্তমান সরকারের বি.সি.এস'এর কোটা বাতিলের দিকটা আমি সাপোর্ট করি শতভাগ । কিন্তু যদি এই সরকার এই কাজটা করে ফেলতে পারে তাহলে কেন স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার করতে পারবে না ? বলা হয়ে থাকে স্বাধীনতাপক্ষের দল আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলো , তারাও গেলো । সৈরাচরক দল এলো সেও গেল । শেষে আসল যুদ্ধ বিরোধীদল তারাও একি খেলা দেখালো । এক ধরনের পলিটিক্যাল গেইম চলতেই আছে । এই গেইমটাকে গরম করার জন্য ডাক পড়ে হরতালের । হরতালে প্রাণ হারালো দিন আনা দিন খাওয়া রিকশা চালকের । তার ভুল ছিলো সে হরতালের দিনও রিকশা নিয়ে বের হওয়া । আর এর জন্য তার প্রাণ কেড়ে নিল কিছু জানোয়রের দল রিকশাসহ তার শরীরে আগুন দিয়ে । প্রাণ দিলো মুজাহিদ , মেরে ফেলা হলো সাপের মত লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে । ইট , পাথর ব্যবহার করলো বর্ষার মত । সাধারণ জনগনের আশা এবং স্বপ্ন মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক নেতারা নিজের থলে ভারি করল কিন্তু জনগনের আশা মেটানোর কোনো লক্ষ্যই তাদের ছিলোনা । প্রতিবার সরকার বদলায় আবারো আমরা স্বপ্ন দেখি নতুন কিছু পাবার ।
স্বাধীনতার কিছু পরেই , ৯০ এর দশকে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বের মাধ্যমে এবং এখন তৃতীয় বারের মত যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার কাজের জন্য নৈতিক জনমত করা হলো ।

সরকারের কাছে শুধু এতটুকুই অনুরোধ থাকবে যে , এই রকম চক্ষুলজ্জাহীন সরকার আগে ৩৭ বছর ধরে দেখে আসছি । ভরসা পাইনি সেইসব সরকারের যারা যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করবে বলেও করেনি । এ প্রজন্মের সন্তানেরা শুধু যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার টুকুই দেখতে চায় । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28778970 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28778970 2008-03-14 01:52:34
রেসিপি : খাসীর মাংসের হালিম

চলুন তাহলে শুরু করা যাক ।


প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদী :

গম ১ কাপ , খাসীর মাংস ১ কেজি , টকদই আধা কাপ , আদা বাটা আধা চা চামচ , পেঁয়াজ বাটা আধা কাপ , রসুন বাটা ২ চা চামচ , এলাচ ৪ টি , মুগ ডাল ৭৫ গ্রাম , মসুরের ডাল ৭৫ গ্রাম , মাষকলাই ৫০ গ্রাম , মটর ৫০ গ্রাম , ছোলা ৫০ গ্রাম , খেসারী ৫০ গ্রাম , ঘি ৩ চা চামচ ।


এখন তাহলে শুরু করা যাক রান্না :

প্রথমে আপনাকে ১ কেজি খাসীর মাংশের সাথে দই , আদা রসুন , পেঁয়াজ বাটা মিশিয়ে কোরমা মত করে করতে হবে । মাংশটা এমন ভাবে সিদ্ধ করতে হবে যেন হাড় থেকে খুলে আসবে এমনকি আশও খুলে আসবে ।

এর মধ্যে আপনাকে ১কাপ গমকে এমনভাবে বাটতে হবে যেন একদম পিশে যায় ।

সব ডাল একসাথে মিশিয়ে লবণ দিয়ে ডুবো পানিতে সিদ্ধ করতে হবে । ডালটা এমন ভাবে সিদ্ধ করতে হবে যেন সেটা মিশে যায় ।

তারপর গম ভালোভাবে সিদ্ধ করে ডালের সাথে মিশিয়ে লবণ দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে ।

ডাল ও গমের সাথে মাংশ কমজ্বালে চুলোয় রেখে মাঝে মাঝে নাড়াচড়া করতে হবে ।

এখন আপনাকে ঘি গরম করতে হবে । পেঁয়াজের বেরেস্তা মোটা গুড়ো করতে হবে । বড় একটি বাটিতে হালিম ঢেলে উপরে কিছু ঘি ছড়িয়ে দিতে হবে । টার উপরে গুড়া মসলা ছিটিয়ে দিতে হবে । মসলাম উপর আবার ঘি আর টার উপর আদা পেয়াজ ছিটিয়ে শেষবরারে মত ঘি দিতে হবে ।


হয়ে গেলো সুস্বাদু খাসীর মাংশের হালিম । তো আর কি ?
Bon Appétit !


---তেলাপোকার এই লেখাটার সাথে মেশাতে চাইলাম--- ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28774119 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28774119 2008-02-26 01:08:33
. . . অতপর ছায়াকন্যার সাথে প্রথম ভালোবাসা বাবা-মাকে ভালোবাসব তার জন্য একটা তারিখ ঠিক করে ? আমার সবটুকু ভালোবাসা তাদের জন্য প্রতিটা ক্ষণ, প্রতিটা মুহুর্তে । আমার এতটুকু শক্তি থাকলে দেশে ছুটে যেতাম । আমাকে ঋণ করে রাখছে যে দেশ তাকে একটু কিছু দিতাম । বন্ধুগুলো ; তোদের অনেক ভালোবাসি রে ।

ছবি : ঈশি
ফটোগ্রাফার : ডট ডট ডট , ছবিটা তুলে দেওয়ার জন্য তোমাকে একটা টি কিউ এম




------- ------- ------


আমি সারা কলেজ ঘুরে একটা বেনসন সিগারেট পেলাম না । সবাই অবাক হয়ে আমার দিকে আঁড় চোখে তাকাচ্ছে । আমি ঠোটে বাঁকা করে একটা হাসি দেই । একটা সিগারেটের জন্য ৫ ইউরো ৫০ সেন্টস খরচ করে এক প্যাকেট সিগারেট কিনতে মায়া লাগছে । সামী বললো 'কাজটা কি মালবোরো দিয়ে চালিয়ে নিলে হয়না ? হলে নে এইটা' বলেই সে একটা সিগারেট বাড়িয়ে দিল । আমি হয়না বলেই উঠে চলে আসলাম ।

আমি এখন দাঁড়িয়ে আছি প্লাস দ্য ফসেঁর কোণার ফুলের দোকানটায় । একটা রক্তলাল গোলাপ কিনব । কিন্তু হাতের সিগারেট না শেষ হওয়ায় দোকানের ভিতর ঢুকতে পারছিনা । সিগারেট থেকে ধোঁয়া উড়ছে, আমি নাকের কাছে এনে গন্ধটা শুকলাম । খুব বাজে একটা জিনিস সিগারেটের গন্ধ শোকা কিন্তু এই কাজটিই আমি হাসিমুখে বার বার করছি ।
সিগারেট শেষ হলে হাতে হাত ঘসে মুখের গরম ভাব দিলাম । যেমন ঠান্ডা তেমন বর্ষা । ঠিক ৭ বছর আগে এই দিনে আমার জীবনের প্রথম গোলাপ কিনে মোস্তফা স্যারকে দিয়ে আমি আর বিশ্বজিত বলেছিলাম : স্যার উই লাভ ইউ । যায়গাটা ছিলো মংলা সমুদ্র বন্দরে ।

ঈশি প্রথমে আমার একটা ফোল্ডারের প্রেমে পড়ে । তাই ছোট একটা থ্যাংক্স দেই । তারপর ছোট ছোট ম্যাসেজ , চ্যাট তারপর প্রেম । ওকে বললাম :
- আই লাভ ইউ ঈশি
--- . . . ( নিঃশব্দ )
- কথা বলো
--- কি বলব ?
- আমার কথার উত্তর দাও
--- তুমি তো কোনো প্রশ্ন করোনি
- ঈশি, আমি তোমাকে ভালোবাসি
--- এই গানটা শোনো

। শুনে বলো উত্তর পেয়েছো ?
- থ্যাংক্স ঈশি ।

আমার হাতে একটা লাল গোলাপ । গোলাপের উপর বর্ষার ফোটা আর রাস্তার দু'ধারের হলুদ টিউব লাইটের আলো পড়ে সৌন্দর্য বেড়েছে । সন্ধ্যা ৬টা । তখন আমি খুবই ক্লান্ত । ঈশির আসার কথা ৭টায় । আমি বাস স্টপের পাশে দাড়িয়ে রয়েছি । বর্ষায় ভিজে একাকার । আমার সারা শরীর ভিজে জুবুথুবু অবস্থা । চশমায় বর্ষার ফোটা পড়ে ঝাপসা দেখায় । আমার জামা কাপড় থেকে সিগারেটের গন্ধ বের হচ্ছে ।

সন্ধ্যা ৭টা বাজতে আরো কিছু বাকি । আমি দাড়িয়ে আছি মেরির রেস্টুরেন্টের ব্যালকনিতে । হলুদ আলো ছায়ার খেলা । ঈশির সাথে যেদিন প্রথম ফোনে কথা হয় সেদিনের কথা মনে পড়ে হাসি আসে । প্রায় ৭-৮ মিনিট চুপ করে ছিলো । আমি যখন বললাম ওকে আমি রেখে দিচ্ছি না কথা বললে . . .

বসন্তের শুভেচ্ছা . . .

আমি ঘুরে দাড়ালাম । ঈশি সামনে দাড়িয়ে । ঐ পাসটা থেকে আলো এসে আমার মুখের উপর পড়েছে । ঈশির দিকটা অন্ধকার । এখনো ওর নির্মল মুখটা দেখিনি । আমি কাছে যেয়ে দাঁড়ালাম । হাতটা বাড়িয়ে দিলাম । আমার ডান হাতের মুঠোবন্দি ওর বাঁ হাত । আমরা ঐ পিচঢালা পথ দিয়ে হেঁটে চললাম ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28770210 http://www.somewhereinblog.net/blog/shaon/28770210 2008-02-14 00:17:14
আজ বৃষ্টিদিন
-আছো ? কোথায় তুমি ? কথা বলো না কেনো ?
---হু , এইতো তোমার পাসে ।
-আমার পাসে কি করো ?
---বসে আছি ।
-বলোতো আমি আজ কি পরেছি ?

উমম . . . প্রকৃতি মাঝে মাঝে পরিবর্তন পছন্দ করে । কিন্তু এখন করলো না । আমি বললাম সাদা জামার সাথে লাল ওড়না, কারণ ওকে এইভাবেই দেখেছি । তাই ঐ জিনিসটাই মাথায় ঢুকে আছে । ঈশি আজ পরে আছে নীল জামার সাথে সাদা রঙের ওড়না । হাতে চুড়ি , হাত নাড়ানোর সময় রিনিঝিনি শব্দ । কপালে গোলাকার টিপ । চুলে ফুল । সেই ফুল থেকে বের হচ্ছে মাতাল হওয়া খুশবু ।

---ঈশি, তুমি কি চুলে রং করো নাকি ?
-কিছুদিন আগে করেছিলাম
--- আমার দুই পাশে বেনী করা চুল খুব ভালো লাগে ।
-তাই নাকি ? আমি দু পাশে বেনী করতে করতে একেবারে এখ ঘেয়েমী হয়ে গেছি । দেশে থাকতে ক্লাসে যাওয়ার সময় সবসময় দুপাসে বেনী করে যেতাম ।
--- তাই নাকি ? আমার ভালো লাগে ।


মেয়েটার মন আজ অনেক ভালো । ঈশির মত একটা মেয়ের সাথে আমার পরিচয় হবে আমি ভাবিনি কখনো । সৃষ্টিকর্তার কাছে বলতাম, আমার পরিস্থিতিতে কেও যেন না পড়ে । আমিই শেষ । কি আশ্চর্য ! ঈশি আর আমার পরিস্থিতি একদম এক । বিন্দু মাত্র এদিক-সেদিক না । আমার এতদিন ধরে জমানো কষ্টের এক বালি পরিমান যদি কেও বুঝতে পারে তাহলে সে হলো ঈশি । কারণ ঈশিরও একি কষ্ট । কথাটা ঠিক এ রকম : বিকেল , 'আমি যা চাই তাই ই পাই , যখন যেটা চাচ্ছি সেটাই পাচ্ছি কোনো কিছুর ই অভাব নেই , তবুও . . . ' হু তবুও বুকের গহীনে যে ব্যাথা সেটা অন্য কেও বুঝবেনা কারণ অন্য কেও এ পরিস্থিতির মধ্যে পড়েনি ।


- এই আছো ?
---হু
- আমি মাথায় বেনী করে আসলাম
--- তাই নাকি ?
-হু

আমার যেন কি হলো । মনটা কেমন স্যাঁতস্যাঁতে । ওকে ডাকলাম
---ঈশি
- বলো বিকেল , কিছু বলবে ? তোমার কি মন খারাপ ? সত্য করে বলোতো
--- আরে না , মজা করছি
- মিথ্যা কথা বলা শিখেছো কার কাছ থেকে ? আমি তো তোমাকে মিথ্যা বলিনা ।
--- ঈশি , বাইরে বর্ষা , আজ সারাদিন বর্ষা হবে
- যাও ভিজো । বর্ষা তোমাকে ভালোবেসে জ্বর দিয়ে দিবে ।

আমি বুঝতে পারছি সে ফুসতেছে । ওর মন আ