মবিন সাহেব জীবনে কখনো আন্ডারওয়ার পরেননি। এই অবস্থায় তিনি অফিসে যান। তার পুরুষাঙ্গের নড়চড়া বুঝা যায় যা দেখে তার অফিস কলিগরা বিব্রত বোধ করেন, তাই এক দিন সবাই মিলে ম্যনেজারের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেন। এদের কথা শুনে ম্যানেজার তাকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে আন্ডারওয়ার পড়ে অফিসে আসতে বললেন।মবিন সাহেব জীবনে কখন আন্ডারওয়ার কেনেন নি তার পরও বাজারে গিয়ে সবচেয়ে দামি আন্ডারওয়ার কিনলেন এবং পরের দিন শুধু আন্ডারওয়ার পরে অফিসে গেলেন।
অবস্থা যা হবার তাই হলো ,পুরো অফিসের সবাই লজ্জায় পরে গেল।ম্যানেজার আবার মবিন সাহেবকে তার রুমে ডেকে পাঠালেন এবং শুধু আন্ডারওয়ার পড়ে আসার কারণ জানতে চাইলেনমবিন সাহেবের সোজা উত্তর আপনি আন্ডারওয়ার পড়ে আসতে বলেছেন তাই পড়ে এসেছি।ম্যানেজার বুঝিয়ে বললেন তিনি যেন সাথে প্যন্ট পড়ে আসেন।
মবিন সাহেব চিন্তা করলেন এত দামি আন্ডারওয়ার প্যান্টের নিচে পড়লে কেউ দেখবে না তাই তিনি প্যন্টের উপরে পড়ে আসলেন আবার সেই একই অবস্থা যথারিতি তার ডাক পরলো ম্যানেজারের রুমে ,ম্যানেজার তাকে বললেন তিনি যেন প্যান্টের নিচে আন্ডরওয়ার পরে আসেন।
মবিন সাহেব তাই করলেন কিন্ত চিন্তা করলেন এত দামি জিনিস কেউ দেখবেনা তা হতে পারেনা তাই তিনি তার প্যন্টের জিপারটা খোলা রাখলেন এবং অফিসে গিয়ে তিনি এমন ভাবে বসতেন যেন সবাই তার আন্ডারওয়ার দেখতে পারে।প্রতি দিন তিনি এভাবেই অফিসে আসতে থাকেন কিন্তু একদিন তিনি আন্ডার ওয়ার পড়তে ভুলে যান।প্রতিদিন তিনি যেভাবে জিপার খুলে বসেন সেদিন সেভাবেই বসেছিলেন। অফিসের সবাই তার জিপার খোলা আন্ডারওয়ার দেখতে অভ্যস্ত হয়ে উঠলেও সেদিন আন্ডারওয়ার বিহীন অবস্থায় দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল। তিনি যে সেদিন আন্ডারওয়ার পরে আসেননি তা তার মনে নেই সবাইকে তাকিয়ে থাকতে দেখে তিনি বললেন ,দেখুন দেখুন বাসায় এমন আরও কয়েকটা আছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

