আর একটি ঐতিহাসিক প্রেম চুরি হয়ে গেল !!!
০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আশির দশকের কথা।আফজাল হোসেন আর সূবর্ণা মুস্তাফা চুটিয়ে অভিনয় করে যাচ্ছেন। এই দুই জুটি সারা বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ফরীদি সবে অভিনয়টা শুরু করেছেন।ঢাকা থিয়েটারে তার তখনো যাতায়তটা শুরু হয়নি।নাসির উদ্দীন ইউসুফ এর অনুপেরনায় ফরীদি যোগ দেন ঢাকা থিয়েটারে।ততদিনে দীর্ঘ দিনের প্রেমের মানুষটাকে বিয়ে করে ফেলেন। টানা টানির সংসার।চাকরি করে সংসার চছিল না।একটা সময় টাকা আসতে থাকে। ক্রমশ জনিপ্রয় হয়ে উঠেন ফরীদা।আর ভালবাসার মানুষটা দুরে সরতে থাকে।অন্যদিকে দেশের পত্রপত্রিকাগুলোতে বেশ রসালোভাবে আফজাল সূর্বণার প্রেম কাহিনি ছাপা হতে থাকে।প্রেম চলে তাদের। ফরীদি সুর্বণার সঙ্গে অভিনয় শুরু করেন ।দুজনার মধ্যে ভাল দোস্তি হয়। একটা সময় প্রেম।তার পর ফরীদি তার পুরাতন সংসার ভেঙ্গে সুর্বনার সঙ্গে সংসার শুরু করেন। বেশ শুখে শান্তিতে কাটছিল তাদের জীবন। এ ঘটনা গুলো সবার জানা। গত বছর থেকে সুর্বণা আর ফরীদির সংসারে অশান্তি দেখা দেয়। কারন ফরীদি টের পেয়েছিলেন তার পোষা পাখি উড়াল দিতে যাচ্ছে। কোন পুরুষই এটা মেনে নিতে পারে না।ঘটনাটা ঘটে আফসানা মিমি এবং বদরুল আনাম সোদ এর নতুন ডেইলি সোপ ডলস হাউস এ শুটিং করতে গিয়ে।একই নাটকে ফরীদি এবং সুর্বণা অভিনয় করছিলেন। শুটিং স্পটে সৌদ আর সুর্বণার প্রেমটা গড়ে উঠে । বিষয়টা ভাল লাগছিল না ফরীদির। এ নিয়ে প্রতি রাতে তাদের মধ্যে জগড়া হত ।পরদিন দুজনই দেরি করে শুটিং এ যেতেন। তাদের জন্য বসে থাকতো পুরো শুটিং ইউনিট।একটা সময় সয্যের সীমা অতিক্রম করে বিষয়টা। দুজনে সিদ্ধান্ত নেন আলাদা হবার।গত তিন মাস আগে তারা আলাদা হয়ে যান।সূর্বণা বাসা নেন সৌদ এর বাসার কাছে উত্তরায়। ফরীদি শুটিং করতে গিয়ে সৌদ আর সুর্বণার কথা বার্তা চলন বলন ভাল লাগছিল না। কার বা । ভাল লাগে যাকে পাবার জন্য প্রথম প্রেমিকাকে ছেরে দিলো ঘর সংসার সব ।আর সে কি চোখের সামনে আর এক জনের সঙ্গে রঙ্গ করে হেটে যায়।বুকটা যেন ফেটে যায়। হায় হায় । রেগে মেগে ঘোষনা দিলেন তিন আর ডলস হাউস এ আভিনয় করবেন না। বিষয়টা সৌদ এর জন্য ভাল হল । সুর্বণা সৌদ দুজনই খুশি ।সস্তির নিশ্বাস ফেললেন দুজনে। যাক বুড়ো টা গেল বাচা গেল ।এবার চুটিয়ে প্রেম করা যাবে। তাই করে গেলেন তারা। উত্তরার রাস্তা ঘাটে বিভিন্ন জায়গায় দেখা মেলতো নতুন এ প্রেমিক জুটির।আফসানা মিমির কৃষনোচুড়ার তলে বসে তারা হাতে হাত রেখে হারিয়ে যান।আনন্দে দুলতে থাকেন। আর এভাবেই একটি ঐতিহাসিক প্রেম চুরি হয়ে যায় সবার অজান্তে। সূবর্ণা সৌদ এর প্রেমটা প্ত্রপত্রিকায় প্রখাশ হয় । কিন্তু তারা অস্বিকার করেন।একটা সময় আর পারছিলেন না। গত ৭ জুলাই বিয়ের লোক দেখানো আনুষ্ঠানিকতা সেরে ফেলেন। অতপর তারা সুখে শান্তিতে তারা বসবাস করতে লাগলেন। কিন্তু এ শান্তি বেশি দিন থাকবে কি? কারন সুবর্ণার অতিত রেকর্ড শান্তির না ।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে। খুলনা...
...বাকিটুকু পড়ুনআমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন