সৌদি আরবে ফতোয়া, নারী পুরুষ এক সাথে কাজ করা বৈধ করতে হলে নারী পুরুষ সহকর্মীকে বুকের দুধ খাওয়াবেন
২৪ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩৪
ফেসবুক ও বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, সৌদি আরবে একজন প্রভাবশালী ইমাম ফতোয়া জারি করেছেন যে, নারী পুরুষ একসাথে সহকর্মী হিসেবে কাজ করতে হলে, নারীকে তার পুরুষ সহকর্মীকে বুকের দুধ পান করিয়ে দুধ মা হতে হবে! এবং সেটা বৈধ হবে।
"সৌদি মেয়েদের অনাত্মীয় পুরুষদের বুকের দুধ খেতে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফতোয়া দিয়েছেন সৌদি রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক শেখ আল ওবেইকান । টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, যে মেয়েরা নিয়মিত অনাত্মীয় পুরুষের সংস্পর্শে আসেন তাদের উচিৎ ওইসব পুরুষদের তাদের বুকের দুধ খেতে দেওয়া।"
সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
গাড়ীর ড্রাইভারকে বুকের দুধ খাইয়ে তার "দুধ মা" বনে গেলে তখন তার সাথে একা একা গাড়ীতে ভ্রমন করা যাবে। কারণ সৌদি আরবে দুধ মাতাকে রক্তের সম্পর্কীয় আত্মীয়ের পর্যায়ে গণ্য করা হয়।
শিশুকে দুধ দিয়ে দুধ মা হওয়া বিশ্বের অনেক দেশে প্রচলিত আছে। তাই বলে পুর্ণ বয়স্ক পুরুষ সহকর্মীকে দুধ খাওয়ানো!!! এইসব চিন্তা এমাত্র সৌদিদের মাথায় আসাই সম্ভব!!! অবশ্য স্তনে মুখ লাগিয়ে দুধ খেতে হবে একথা সৌদি ইমাম বলেননি। বলেছেন আর এক মিসরীয় ইমাম। কিন্তু দুগ্ধ দানকারী পশুর মত নারীকে দোহন করে তার দুধ খেতে হবে এ কোন সভ্য মানসিকতা?
ইসলামে ২.৫ (আড়াই) বছরের উপরের কোন মানুষের মাতৃদুগ্ধ পান করা সম্পূর্ণরূপে হারাম। তা সে সরাসরি হোক আর দোহন করে পাত্রে মুখ দিয়ে হোক।
মিসরের একজন তো সরাসরি খেতে বলেছেন। ফেসবুকে কাজী মামুনের একটি কমেন্ট থেকে জানলাম--"Kazi Mamun: In May 2007 Dr. Izzat Atiyya, lecturer at Cairo's Al-Azhar University, issued a fatwa that suggested that male and female colleagues could use breastfeeding to get around a religious ban on being alone together. The fatwa said that if a woman fed a male colleague "directly from her breast" at least five times they would establish a family bond and thus be allowed to be alone together at work. "Breast feeding an adult puts an end to the problem of the private meeting, and does not ban marriage," he ruled. "A woman at work can take off the veil or reveal her hair in front of someone whom she breastfed."
এ প্রসঙ্গে কাজী মামুন ফেস বুকে লিখেছেন, "বাংলাদেশের অজপাড়া গাঁর একজন কাটমোল্লার ধর্মচিন্তা আর মিসরের আল আজহার ইউনি কিংবা মদীনা ইউনি থেকে বেরিয়ে আসা ইসলামিক স্কলারের ধর্মচিন্তা কি এক?" আমি বলবো এক, কারণ দুজনেই ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে আছেন। একজন বাংলায় হিল্লা বিয়ের প্রচলন করেন আরেকজন পুরুষ সহকর্মীকে নারী সহকর্মীর বুকের দুধ পানের ফতোয়া দেন। দুটোই বিকৃত যৌনতারই প্রতিফলক।"
আগে তো হেরেম দাসী বান্দী নিয়ে ওরা ভালই ছিল। এখন সুন্ন্দরী মহিলারা ধীরে ধীরে বিভিন্ন পেশায় যোগ দিচ্ছে। আসছে বিদেশী/প্রবাসী আকর্ষণীয় সব নারী কর্মীরা। এখন পাপিষ্ঠরা তাদের সাথে ফষ্টি-নষ্টি করার উপায় বের করার চেষ্টা করছে। মনের মত ও ইফেক্টিভ হলে শরিয়া আইনে পাশও হয়ে যাবে।
সৌদি রাজতন্ত্র হচ্ছে জন্ম থেকেই অবৈধ কাজ আর লাম্পট্যে ভরা। ওদের ভিতরের খবর আমরা খুব কম জানি। ওদের দ্বারা অনেক কিছু সম্ভব। (সৌদি রাজতন্ত্রের ইতিহাস খুব বেশী দিনের পুরাতন নয়। আগে এদের কোন অস্তিত্ব ছিল না। মহানবী (সঃ) এর বংশধর ছিল হাশেমীয় শাসক/রাজারা। তাদের রাজ্যের মধ্যে বর্তমান জর্ডান, ফিলিস্তিন, সৌদি আরব, প্রভৃতি দেশ ছিল। সৌদিরা মূলতঃ বেদুঈন। বৃটিশরা হাশেমীয়দেরকে দুর্বল করার জন্য সাহায্য সহায়তা দিয়ে এই বেদুঈন সর্দারকে দিয়ে হাশেমীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘটিয়ে "সৌদি আরব" প্রতিষ্ঠা করে। এই ভাবেই সৌদি আরব এবং সৌদি রাজতন্ত্রের জন্ম। যে কৃতজ্ঞতার কারণে, সৌদি রাজারা ১৯৪৯ সালে ফিলিস্তিন যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সাহায্য না করে বৃটিশ আনুগত্য নিয়ে দুরে বসে তামাশা দেখেছিল।)
ওদের বর্তমান আইনে কোন পুরুষ অনাত্মীয় কোন নারী বা মেয়েকে একা পেলেই নির্ঘাত ধর্ষণ করবে। কারণ, ওদের আইনে ধর্ষণকারীর কোন বিচার হবে না। বরং ঐ নারী বা মেয়ে পুরুষ আত্মীয়কে সাথে না নিয়ে একা কেন বাইরে গিয়েছে তার বিচার হবে। ঐ নারীকে দোররা মারা হবে, কিংবা মাটিতে অর্ধেক পুতে পাথর মারা হবে। (এ বিষয়ে ২০০৮-০৯ সালের সেই বিখ্যাত মামলাটির কথা স্মরণ করুন, যেখানে একজন নারীকে থানার পুলিশ একা পেয়ে ধর্ষণ করেছিল। কিন্তু সেই মামলায় ধর্ষিত নারীকে শাস্তি দিয়েছিল সৌদি আদালত এবং ধর্ষিতা নারীর পক্ষে উকিল ছিলেন যে মহিলা তার ওকালতি লাইসেন্স বাতিল করা হয়ছিল। পরে বিশ্ব ব্যাপী প্রতিবাদের ঝড়ের মুখে সৌদি রাজা নিজেই শাস্তি মওকুফ করে দিয়েছিলেন। ধর্ষিতা মেয়েটির নাম কখনও প্রকাশ করা হয়নি সামাজিক কারণে। এই রকম ঘটনার উদাহরণ অনেক আছে)।
ওরা কেমন তা জানতে হলে সরকারী ভাবে বাংলাদেশ থেকে সৌদিতে গৃহকর্মী হিসেবে কয়েক শত নারী ভিডিপি সদস্যকে পাঠানোর পর প্রথম তিন মাসের মধ্যে যে ৩৬ জন ফিরে এসেছিল তাদের মর্মান্তিক কাহিনী ভরা জবানবন্দী শুনুন!
শুধু ইসলামী রাষ্ট্র বা সংবিধানে বিসমিল্লাহ লাগালে হয় না। আমাদের ঢাকা শহরে প্রতি রাতে হোটেলে হোটেলে এবং নানান জায়গায় হাজার হাজার নারী (এমন কী ছোট্ট ছোট্ট কন্যা শিশু) দেহ দান করছে। তারা তো দান করছে, কিন্ত গ্রহণ করছে কারা? তারা নামাজ পড়ে কোন মসজিদে? ঈদের জামাত করে কোথায়? ধিক এইসব লম্পটদেরকে!!!
সৌদি আরবে ৭০ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধাকে দোররা মারা এবং জেল দেয়া হয়েছে কারণ তিনি নিকট সম্পর্ক নয় এমন দুজন পুরুষকে রূটি খাইয়েছেন! লিংকটি দেখুনঃ
Click This Link
এই যাদের আইন তারা সাবালক হবার পরও সহকর্মী নারী এবং পরনারীর দুধ খাবার ধান্দা বের করবে না!!!!!
(বিভিন্ন কমেন্টের কারণে আট দফা সম্পাদিত ও সংযোজিত)।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাম্প্রতিক বিশ্ব ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজিয়েল বলেছেন:
আরবদের জন্য ঘৃনা আরো তীব্র হলো। কিন্তু খবরের সোর্স কি একটু জানাবেন?
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
লেখক বলেছেন: ২৪ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
লেখক বলেছেন: সৌদি আরবে ৭০ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধাকে দোররা মারা এবং জেল দেয়া হয়েছে কারণ তিনি নিকট সম্পর্ক নয় এমন দুজন পুরুষকে রূটি খাইয়েছেন! লিংকটি দেখুনঃ
Click This Link
সৈয়দ মোজাদ্দাদ আল হাসানাত বলেছেন:
এই পোস্ট তো আগেও এসেছে
লেখক বলেছেন: সৌদি আরবে ৭০ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধাকে দোররা মারা এবং জেল দেয়া হয়েছে কারণ তিনি নিকট সম্পর্ক নয় এমন দুজন পুরুষকে রূটি খাইয়েছেন! লিংকটি দেখুনঃ
Click This Link
লেবফিউম বলেছেন:
যে নিউজ টা এখানে আলোচ্য, সে ফতোয়া টা আমারও ভালো লাগে নাই ।কিন্তু, নিউজ এর পাশাপাশি আজে বাজে কথা বলার জন্নে মাইনাস দিয়েছি ।
এটা আমার নিজের মতামত,জামাতী বইলা গালী দিবিন না ।
যে কথা গুলোর সাথে একমত নাঃ
১। সৌদি রাজতন্ত্র হচ্ছে জন্ম থেকেই অবৈধ কাজ আর লাম্পট্যে ভরা।
২। ওদের বর্তমান আইনে কোন পুরুষ অনাত্মীয় কোন নারী বা মেয়েকে একা পেলেই নির্ঘাত ধর্ষণ করবে। কারণ, ওদের আইনে ধর্ষণকারীর কোন বিচার হবে না। বরং ঐ নারী বা মেয়ে পুরুষ আত্মীয়কে সাথে না নিয়ে একা বাইরে গিয়েছে কেন তার বিচার হবে।
৩। ৭০ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধাকে দোররা মারা এবং জেল দেয়া হয়েছে কারণ তিনি নিকট সম্পর্ক নয় এমন দুজন পুরুষকে রূটি খাইয়েছেন!
৪। এই যাদের আইন তারা সাবালক হবার পরও সহকর্মী নারী এবং পরনারীর দুধ খাবার ধান্দা বের করবে না!!!!!!
এখন শুধু ১টা প্রশ্নের উত্তর দেনঃ আপনি কি সৌদির নাগরিক ?
যদি হন, তাহলে রেফারেন্স দিয়ে লিখেন । সৌদির কোন পত্রিকার । কারণ, ওরাই পুরা খবর টা লিখবে ।
আর যদি না হন, তাহলে আপনার এরকম আক্রমনাত্বক ভাবে লেখার কারণ কি মুসলদের আঘাত করা? আপনি অবশ্যই জানেন, সৌদি মুসল্মান্দের তীরথ ভূমি ।
আমি লজ্জিত,আপনার নাম টা মুসলমানদের নাম এর সাথে মিলে যায় ।
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওদের বর্তমান আইনে কোন পুরুষ অনাত্মীয় কোন নারী বা মেয়েকে একা পেলেই নির্ঘাত ধর্ষণ করবে। কারণ, ওদের আইনে ধর্ষণকারীর কোন বিচার হবে না। বরং ঐ নারী বা মেয়ে পুরুষ আত্মীয়কে সাথে না নিয়ে একা কেন বাইরে গিয়েছে তার বিচার হবে। ঐ নারীকে দোররা মারা হবে, কিংবা মাটিতে অর্ধেক পুতে পাথর মারা হবে।
এ বিষয়ে ২০০৮-০৯ সালের সেই বিখ্যাত মামলাটির কথা স্মরণ করুন, যেখানে একজন নারীকে থানার পুলিশ একা পেয়ে ধর্ষণ করেছিল। কিন্তু সেই মামলায় ধর্ষিত নারীকে শাস্তি দিয়েছিল সৌদি আদালত এবং ধর্ষিতা নারীর পক্ষে উকিল ছিলেন যে মহিলা তার ওকালতি লাইসেন্স বাতিল করা হয়ছিল। পরে বিশ্ব ব্যাপী প্রতিবাদের ঝড়ের মুখে সৌদি রাজা নিজেই শাস্তি মওকুফ করে দিয়েছিলেন। ধর্ষিতা মেয়েটির নাম কখনও প্রকাশ করা হয়নি সামাজিক কারণে। এই রকম ঘটনার উদাহরণ অনেক আছে।
সৌদি রাজতন্ত্রের ইতিহাস খবি বেশী দিনের পুরাতন নয়। আগে এদের কোন অস্তিত্ব ছিল না। মহানবী (সঃ) এর বংশধর ছিল হাশেমীয় শাসক/রাজারা। তাদের রাজ্যের মধ্যে বর্তমান জর্ডান, ফিলিস্তিন, সৌদি আরব, প্রভৃতি দেশ ছিল। সৌদিরা মূলতঃ বেদুঈন। বৃটিশরা হাশেমীয়দেরকে দুর্বল করার জন্য সাহায্য সহায়তা দিয়ে এই বেদুঈন সর্দারকে দিয়ে হাশেমীয়দের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘটিয়ে "সৌদি আরব" প্রতিষ্ঠা করে। এই ভাবেই সৌদি আরব এবং সৌদি রাজতন্ত্রের জন্ম। যে কৃতজ্ঞতার কারণে, সৌদি রাজারা ১৯৪৯ সালে ফিলিস্তিন যুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের সাহাজ্য না করে বৃটিশ আনুগত্য নিয়ে দুরে বসে তামাশা দেখেছিল।
সহজ পৃথিবী বলেছেন:
আ জ ব দুনিয়া
কথা সত্য বলেছেন:
আমার তো মনে হয় ওদের থেকে আমরা অনেক খাটি মুসলমান, ওরা তো সেক্স ছাড়া আর কিছু বোঝে না..
মোনতাসির মামুন বলেছেন:
আন্কেল সোর্স দিলে ভালো হয়। যদিও মানবাধিকার কর্মীরা অধিকাংশ ভন্ড হয়। আর নিজের দেশের তথাকিথত প্রগতিশীলতা আপনাকে পরিবারর থেকে বিচ্যুত করছে, সমাজ থেকে বিচ্যুত করছে, অ্যাডেকশন বাড়াচ্ছে..........একটা আঙ্গুল অন্যের দিকে তোলার আগে বোঝা উচিত আপনার দিকে আপনার অন্তত চারটা আঙ্গুল রয়েছে।
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
কলম.বিডি বলেছেন:
আপনার বক্তব্বের ঊতস তা জানাবেন কি????
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি ফতোয়ার অন্য মিনিং করেছেন।
ফতোয়াটার মিনিং এই রকম হইতে পারে "কোন নারী পরপুরুষের সাথে তখনই কাজ করতে পারবে যদি সেই পরপুরুষ তার দুধ সন্তান হয়"
তার অর্থ এই না যে কোন নারীর, পরপূরুষের সাথে কাজ করার জন্য সেই পরপূরুষকে নিজের দুধ খাওয়াতে হবে।
ইহা সম্পূর্ন আমার নিজের ধারনা আর আমি ধর্ম বিষয়ে প্রায় মূর্খ এক জন মানুষ।
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ফতোয়া আর ফতোয়াবাজীর ব্যবধান সম্পর্কে আমার কিঞ্চিত ধারণা আছে।
আজাদ আল্-আমীন বলেছেন:
দুধ মা হতে হলে দুই বছর বয়স পর্যন্ত দুধ পান করলে তবেই হবে। এটা ইসলামের বিধান। দুই বছর বেশী বয়সে দুধ পান করানোর নিয়ম ইসলামে নেই। খবরটি সুত্র দেওয়া থাকলে ভালো হতো।
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
মগা নাকি বলেছেন:
Bullshit সোর্স দেন আপনি মনে করেছেন বিতর্কিত পোস্ট একটা দিলাম আর নায়ক বালফালাস হয়ে গেলেন
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
লেখক বলেছেন: ঠকই বেলেছন। কমেন্ট একটা দিলেন আর ...............ঐ সব হয়ে গেলেন!! সাবাস!!
ধ্রুবমেঘ বলেছেন:
কোন কিছু লিখলে অথেন্টিক সোর্স সহ লিখুন। নতুবা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে। মাইনাস রেটিং দিলাম।
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
লেখক বলেছেন: লিংক এবং সোর্স না পেলে তো কেউ আর বানিয়ে বানিয়ে মনগড়া কাহিনী লেখে না!!!!
প্রথম সোর্স- ফেসবুক ও বিভিন্ন ব্লগে প্রকাশিত সংবাদ।
দ্বিতীয় সোর্স- সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
তৃতীয়ত: এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অক্টোপাশ বলেছেন:
আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি ফতোয়ার অন্য মিনিং করেছেন।ফতোয়াটার মিনিং এই রকম হইতে পারে "কোন নারী পরপুরুষের সাথে তখনই কাজ করতে পারবে যদি সেই পরপুরুষ তার দুধ সন্তান হয়"
তার অর্থ এই না যে কোন নারীর, পরপূরুষের সাথে কাজ করার জন্য সেই পরপূরুষকে নিজের দুধ খাওয়াতে হবে।
যোগীর সাথে একমত।
ইসমাইল চৌধুরী বলেছেন:
মোনতাসির মামুন বলেছেন: আন্কেল সোর্স দিলে ভালো হয়।
যদিও মানবাধিকার কর্মীরা অধিকাংশ ভন্ড হয়। ...আর নিজের দেশের তথাকিথত প্রগতিশীলতা আপনাকে পরিবারর থেকে বিচ্যুত করছে, .. সমাজ থেকে বিচ্যুত করছে, অ্যাডেকশন বাড়াচ্ছে..........
একটা আঙ্গুল অন্যের দিকে তোলার আগে বোঝা উচিত আপনার দিকে আপনার অন্তত চারটা আঙ্গুল রয়েছে।
সত্যি বলতে কি আঙ্কেল কে আমার তথাকথিত মানবাধিকার কর্মী= ভন্ড বলেই মনে হচ্ছে... কারণ সৌদি আরবের শেখদের সম্পর্কে খুব কাছ থেকে জানার অল্প-সল্প সুযোগ আমার হয়েছে... কিন্তু সত্যি বলতে কি ভন্ড মানবাধিকার কর্মীদের বক্তব্যের সাথে মেলানো যায়নি...
আমার কেনো যেনো মনে হয় বাংলাদেশী প্রথম আলো যেমন ট্রান্সকম গ্রুপের স্বার্থে আমেরিকার এজেন্ট হিসাবে কাজ করে... তেমনি এইসব ভন্ড মানবাধিকার কর্মীরা দেখবেন কোন একটা বিশেষ স্বার্থে কাজ করার চেষ্টা করছে...
নিজেদের জাহির করার জন্য নিজেদের বিশেষায়িত করার চেষ্টা করছেন
লেখক বলেছেন: সূত্র: http://taiyabs.com/2010/06/28382
পোষ্ট করেছেন: Taiyab A. K. Sheikh
(এই সব খবর সৌদি পত্রিকাসহ লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকাতেও এসেছে। সৌদি আরবে বসবাসরত আমার পরিচিত জনরাও সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।)
লেখক বলেছেন: আপনি সৌদি আরবের শেখদের কাছের মানুষ, ওদের সহযোগিও হতে পারেন জেনে ভাল লাগলো। যাহোক নীচের লিংকগুলো দেখুন।
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
Click This Link
অরো লিংক লাগবে??
এ বিষয়ে ২০০৮-০৯ সালের সেই বিখ্যাত মামলাটির কথা স্মরণ করুন, যেখানে একজন নারীকে থানার পুলিশ একা পেয়ে ধর্ষণ করেছিল। কিন্তু সেই মামলায় ধর্ষিত নারীকে শাস্তি দিয়েছিল সৌদি আদালত এবং ধর্ষিতা নারীর পক্ষে উকিল ছিলেন যে মহিলা তার ওকালতি লাইসেন্স বাতিল করা হয়ছিল। পরে বিশ্ব ব্যাপী প্রতিবাদের ঝড়ের মুখে সৌদি রাজা নিজেই শাস্তি মওকুফ করে দিয়েছিলেন। ধর্ষিতা মেয়েটির নাম কখনও প্রকাশ করা হয়নি সামাজিক কারণে। এই রকম ঘটনার উদাহরণ অনেক আছে।
সিকদার বলেছেন:
আপনি বিষয়টা হয়ত পুরোপুরি না জেনে এবং পশ্চিমা মিডিয়ার কথা শুনে বল্গের ঝারিটা ঝেরে দিলেন।আপনার অন্য কোন ব্যাপারে বলব না।মসজিদের ঈমামের ব্যাপারে বলব।উনি যা বলেছেন তা প্রেখ্খাপট অনুযায়ি বলেছেন।কেননা সৌদিআরবে বর্তমানে নারীদের একাকি চলাফেরা ও কাজ করানোর জন্য পশ্চিমা চামচাদের দ্বারা খুব চেষ্টা করা হছ্ছে।কারন সৌদি মেয়েদের যদি এভাবে বের করা যায় তাহলে ইসলামের সূতিকাগার সৌদিআরবের উপমা দিয়ে সারা বিশ্বের ইসলামর পর্দা প্রথাকে ধংস করা সহজ হবে।উল্লেখ্য ইসলাম ধর্মে মেয়েদের নির্দিষ্ট দুরত্বের বাইরে যাওয়া হারাম।
লেখক বলেছেন: লিংকটি দেখুন। আরবী ভাষা যদি বোঝেন তবে পড়ুন। তারপর মন্তব্য করলে আরো সঠিক বাস্তবসম্মত মন্তব্য করতে পারবেন। এটা সৌদি আরবের পত্রিকা।
Click This Link
লেখক বলেছেন: ঢাকায় বাস করলে ঢাকা বেশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হবে এমন কোন কথা নেই। যাহোক নীচের লিংকটি দেখুন:
Click This Link
লেবফিউম বলেছেন:
সৌদি মেয়েদের অনাত্মীয় পুরুষদের বুকের দুধ খেতে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফতোয়া দিয়েছেন সৌদি রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক শেখ আল ওবেইকান । টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, যে মেয়েরা নিয়মিত অনাত্মীয় পুরুষের সংস্পর্শে আসেন তাদের উচিৎ ওইসব পুরুষদের তাদের বুকের দুধ খেতে দেওয়া। এতে এই পুরুষদের সঙ্গে তাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি হবে। তিনি অবশ্য বলেছেন, পুরষরা ওই দুধ পান করবেন ঠিকই, তবে সরাসরি মেয়েদের স্তন থেকে নয়।এই লিখাটা লেখেন নাই কেন ? ছাগলামি করেন নাকি
আর সোরস আমি দিতাছি,
Click This Link
Click This Link
এমিন অনেক সোরস পাওয়া যাবে, আমি চাইছি সউদির কোন পত্রিকার সোরস । কারন, সবাই আপ্নের মত ছাগল টাইপের মানুষ । আধা কথা বইলা মজা লয় । বোল্ড করা লাইনটার কথা বলতাছি ।
শয়তান বলেছেন:
++
আকাশের তারাগুলি বলেছেন:
অবিবাহিত মেয়েরা কেমন করে খাওয়াবে?
পোষ্টদাতার উদ্দেশ্য মহত না। ছৌদিদের যৌনতার কথা জানেনা এমন বেকুব কম আছে। দুধ খায় না এমন পাবলিক দেখান দিকি?! কেউ চুরি করে খায়, কেউ আইন করে খায়। ছৌদিরা আইন করে খাচ্ছে তাতের আপনার খেপার কারণ কি? মুসলিমরা দুধ খেতে পারবে না, কিন্তু হিন্দু/খ্রিষ্টান/বৌদ্ধরা খাবে এটা কেমন আইন বাতলালেন?
সব শালা ধর্মান্ধ।
ধর্মের টুপি পরানো তাদের লাগবোই। আপনি মনে হয় ফেরেস্তা মানুষ। কিন্তু ফাক পাইলে ঠিকই কারো উপর উঠে যাবেন। বাঙালীর ইতিহাস খুজে দেখেন।
, এমুক ধর্ম বালা, তমুক ধর্ম খারাপ এ ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে পোষ্ট দিছেন বলে আপনারে মাইনাস।
জাহিদুল ইসলাম ২৭ বলেছেন:
মন গড়া কথা লিখেন কেন?এসব উদ্ভট কথা কই পেলেন------------"ওদের বর্তমান আইনে কোন পুরুষ অনাত্মীয় কোন নারী বা মেয়েকে একা পেলেই নির্ঘাত ধর্ষণ করবে। কারণ, ওদের আইনে ধর্ষণকারীর কোন বিচার হবে না।"
ভাবসাধক বলেছেন:
যোগী বলেছেন: এ কুন দুনিয়ায় পইলাম আল্লাহআমার কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি ফতোয়ার অন্য মিনিং করেছেন।
ফতোয়াটার মিনিং এই রকম হইতে পারে "কোন নারী পরপুরুষের সাথে তখনই কাজ করতে পারবে যদি সেই পরপুরুষ তার দুধ সন্তান হয়"
তার অর্থ এই না যে কোন নারীর, পরপূরুষের সাথে কাজ করার জন্য সেই পরপূরুষকে নিজের দুধ খাওয়াতে হবে।
ইহা সম্পূর্ন আমার নিজের ধারনা আর আমি ধর্ম বিষয়ে প্রায় মূর্খ এক জন মানুষ।
সোহান বাশার বলেছেন:
সৌদি আরবে ফতোয়া, নারী পুরুষ এক সাথে কাজ করা বৈধ করতে হলে নারী পুরুষ সহকর্মীকে বুকের দুধ খাওয়াবেন সম্পুর্ন মিথ্যা।
কিরে ভাই এখানে থাইকা ও আমি এখনো শুনি নাই এ কথা। আপনারা কোথা থাইকা পান আজগোবী কথা।
লেখক বলেছেন: ঢাকায় বাস করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হবে এমন কোন কথা নেই। সৌদি আরবে আছেন বলে আপনিও সব জানবেন এমনটাও নয়। যাহোক নীচের লিংকটি দেখুন
Click This Link
কিন্তু দুগ্ধ দানকারী পশুর মত নারীকে দোহন করে তার দুধ খেতে হবে এটাই বা ইমাম সাহেবের কোন সভ্য মানসিকতা?
সৌদি আরবে ফতোয়া, নারী পুরুষ এক সাথে কাজ করা বৈধ করতে হলে নারী পুরুষ সহকর্মীকে বুকের দুধ খাওয়াবেন সম্পুর্ন মিথ্যা।
কিরে ভাই এখানে থাইকা ও আমি এখনো শুনি নাই এ কথা। আপনারা কোথা থাইকা পান আজগোবী কথা।
বুজেন তাইলে এইটা হলো স্বপ্নে পাওয়া ফতোয়া
লেখক বলেছেন: ঢাকায় বাস করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনিও সব জানবেন এমনটাও নয়। যাহোক নীচের লিংকটি দেখুন:
Click This Link
লেখক বলেছেন: কেন? পোষ্টটির জন্য কাপড় সরে গিয়ে লজ্জা বেরিয়ে গিয়েছে নাকি?
ষাটোর্ধ্ব যুবক বলেছেন:
চাচার বুড়ো বয়সে ভীমরতি ধরেছে।
লেখক বলেছেন: পরনারীর দুধ খাইতে চাইল সৌদি মোল্লা, আর ভীমরতিতে ধরলো চাচাকে? বাহ, বেশ!!!!
উপল_বাংলা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: মূর্খরা এই ভাবে অসৎ মোল্লাদের অন্ধ সমর্থক হয়।
সৈয়দ মো: তাহমী বলেছেন:
এইটা মনগড়া তথ্য.......................আর লিন্ক যেটা দিসেন..ঐটা ইচ্ছামত বানানো যায়.............!
স্বপ্নকথক বলেছেন:
"অনাত্মীয় পুরুষদের সঙ্গে এক ঘরে অবস্থানের পাপ (khulwa) দূর করতে কোনও মেয়েদের উচিত হবে সেই পুরুষদেরকে বুকের দুধ পান করানো, যাতে তারা পুত্রবৎ বনে যায়", এমন একটি ফতোয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আরবীয় নারীরা তাদের বহু পুরনো দাবি - গাড়ি চালানোর অধিকার - আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। দাবি পূরণ না হলে নারীরা ফতোয়া অনুসরণ করে তাদের ড্রাইভারদেরকে বুকের দুধ পান করিয়ে সন্তান বানিয়ে ফেলবে। সংবাদ দিয়েছেগালফ নিউজ। ঈশ্বর সর্বব্যাপী – তিনি বরাহেও আছেন, বিষ্ঠাতেও আছেন
সোমবার, ২১ জুন, ২০১০
মাতৃদুগ্ধ ও সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অধিকার
"অনাত্মীয় পুরুষদের সঙ্গে এক ঘরে অবস্থানের পাপ (khulwa) দূর করতে কোনও মেয়েদের উচিত হবে সেই পুরুষদেরকে বুকের দুধ পান করানো, যাতে তারা পুত্রবৎ বনে যায়", এমন একটি ফতোয়াকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আরবীয় নারীরা তাদের বহু পুরনো দাবি - গাড়ি চালানোর অধিকার - আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। দাবি পূরণ না হলে নারীরা ফতোয়া অনুসরণ করে তাদের ড্রাইভারদেরকে বুকের দুধ পান করিয়ে সন্তান বানিয়ে ফেলবে। সংবাদ দিয়েছে গলফ নিউজ।
এবার সেই ফতোয়া ও তার উৎপত্তি বিষয়ে কিছু কথা।
সম্প্রতি সৌদি রাজকীয় আদালতের উপদেষ্টা এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শদাতা এই ফতোয়া ঘোষণা করার পর তা ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলেও ২০০৮ সালেও একবার এই প্রসঙ্গ উঠেছিল। পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদিস বিভাগের প্রধান Dr. Izzat Attya (ইজ্জত!) একই জাতীয় একটি ফতোয়া জারি করে বলেন, কর্মজীবী মহিলারা তাদের সহকর্মীদেরকে বুকের দুধ পান করালে তাদের সঙ্গে এক ঘরে অবস্থান করাটা আইনসম্মত হবে।
অনেক ইসলামভক্ত লোক এই ফতোয়াকে কিছু অবুঝ মুসলিমের মস্তিষ্কপ্রসূত বলে উড়িয়ে দিতে চান। তাঁদের ধারণা ভুল। কারণ একটি হাদিস আছে:
Book 008, Number 3428 (সূত্র :এক, দুই )
Zainab daughter of Abu Salama reported: I heard Umm Salama, the wife of Allah's Apostle (may peace be upon himy, saying to 'A'isha: By Allah, I do not like to be seen by a young boy who has passed the period of fosterage, whereupon she ('A'isha) said: Why is it so? Sahla daughter of Suhail came to Allah's Messenger (may peace be upon him) and said: Allah's Messenger, I swear by Allah that I see in the face of Abu Hudhaifa (the signs of disgust) on account of entering of Salim (in the house), whereupon Allah's Messenger (may peace be upon him) said: Suckle him. She (Sahla bint Suhail) said: He has a heard. But he (again) said: Suckle him, and it would remove what is there (expression of disgust) on the face of Abu Hudhaifa. She said: (I did that) and, by Allah, I did not see (any sign of disgust) on the face of Abu Hadhaifa.
অনুবাদ:
জয়নাব বিন্ত আবু সালামা হতে বর্ণিতঃ আমি রাসুলুলাহর (দঃ) স্ত্রী উম্ সালামাকে আয়েশার কাছে বলতে শুনেছিঃ আলাহর কসম, আমি এমন তরুণ পুরুষের সামনে যেতে চাই না যে ফষ্টারেজ পিরিয়ড পার করেছে (বুকের দুধ খাওয়ার মেয়াদ পার করেছে)। তখন আয়েশা বললেনঃ 'কেন? সাহলা বিন্ত সুহাইল রাসুলুলাহর (দঃ) কাছে এসে বলেছিল- ইয়া রাসুলুলাহ। আলাহর কসম, সেলিম (আমাদের ঘরে) ঢুকে বিধায় আবু হুযাইফার মুখে আমি চরম বিরক্তি দেখেছি। প্রতিউত্তরে আলাহর রাসুল (দঃ) বললেন- তাকে তোমার বুকের দুধ খাওয়াও। সে বলল- তার মুখে যে দাড়ি। কিন্তু তিনি (আবারও) বললেন- তাকে বুকের দুধ খাওয়াও, তা'হলেই আবু হুযাইফার মুখে যা আছে দুর হয়ে যাবে (অর্থাৎ বিরক্তি চলে যাবে)। (পরবর্তীতে) সে (সাহলা) বলেছিল- (আমি সেরুপ করেছিলাম) এবং আলাহর কসম করে বলছি, এর পরে আর আমি আবু হুযাইফার মুখে (বিরক্তির) চিহ্ন দেখতে পাইনি।
হুবহু একই ঘটনা নিয়ে আরও দু'টি হাদিস- সুনান আবু দাউদঃ ভলিউম-2, হাদিস নং-2056, পৃ- 549 এবং মুয়াত্তাঃ সেকশন-30, হাদিস নং-12, পৃ-245-246।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
আর যারা না জেনে গালাগাল করছেন, তাদের বলি- লেখক কে আমি খুব কাছ থেকে চিনি, তিনি জীবনে কোনদিন মন গড়া কোন কথা বলেছেন বলে বিশ্বাস আমি কেন, তাঁর চরম শত্রুও করে না।আপনারা জেনে কথা বলুন। আমি আরো তথ্য এবং প্রমাণ নিয়ে আস্তেছি।
স্বপ্নকথক বলেছেন:
আরও একটি সূত্র- Saudi Clerics Advocate Adult Breast-Feeding সৌদি মেয়েদের অনাত্মীয় পুরুষদের বুকের দুধ খেতে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফতোয়া দিয়েছেন সৌদি রয়্যাল কোর্টের উপদেষ্টা এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক শেখ আল ওবেইকান ।
টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, যে মেয়েরা নিয়মিত অনাত্মীয় পুরুষের সংস্পর্শে আসেন তাদের উচিৎ ওইসব পুরুষদের তাদের বুকের দুধ খেতে দেওয়া। এতে এই পুরুষদের সঙ্গে তাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি হবে। তিনি অবশ্য বলেছেন, পুরষরা ওই দুধ পান করবেন ঠিকই, তবে সরাসরি মেয়েদের স্তন থেকে নয়।
আল ওবেইকান বলেছেন, সংস্পর্শে আসা মেয়েটির দুধ পান করার মাধ্যমে তারা পরষ্পর আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হলে অনাত্মীয় নারী-পুরুষের মেলামেশায় ইসলামের যে কঠোর বিধি নিষেধ রয়েছে তা লংঘনের দায় থেকে তারা মুক্ত হবেন।
সৌদি রাজকীয় আদালতের উপদেষ্টার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির এই ধরনের ফতোয় জারির পর বিষয়টি নিয়ে খোদ সৌদি আরবেই তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবের প্রধান প্রধান মিডিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের মিডিয়াগুলোর শীর্ষ শিরোনাম হিসেবে এই বিষয়টিই প্রাধান্য পাচ্ছে।
ইসলামের ওয়াহাবি মতাদর্শে বিশ্বাসী সৌদি আইনে অনাত্মীয় নারী-পুরুষের মেলামেশা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রাচীনপন্থীদের সঙ্গে আধুনিক ও প্রগতিশীল চিন্তাভাবনার নাগরিকদের এক ধরনের চাপা দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে বলে মিডিয়ার খবরে প্রকাশ পেয়েছে। এই ফতোয়াকেও ওই দ্বন্দ্বের প্রকাশ বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন।
রাজকীয় আদালতের উপদেষ্ট কেন মেয়েদের বুকের দুধ খেতে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফতোয়া জারি করেন তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা কেউ দেন নি। তবে এ নিয়ে বিতর্কে সৌদি মিডয়াগুলোতে যে বিষয়গুলো স্থান পাচ্ছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে, বুকের দুধপানকারীর সঙ্গে কোনো নারীর যৌন সম্পর্ক ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনাত্মীয় সকল পুরুষদের বুকের দুধ খাইয়ে দিলে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যৌন সম্পর্ক থেকে নারী পুরুষ উভয়েই বিরত থাকবে- এমনভাবনা থেকেই এই ফতোয়ার উদ্ভব হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। শেখ আল ওবেইকানও তাঁর ফতোয়ায় বলেছেন, পুরুষদের বুকের দুধ খেতে দিলে তাদের সঙ্গে মাতৃত্বের সম্পর্ক তৈরি হবে।
সূত্র: নতুনদেশ ডটকম
এই নিয়ে এছলামী চিন্তাবিদগন দুই ধরনের মতামত দিয়েছেন। কেউ বলছেন দুধ সরাসরি পান করতে হবে, কেউ বলছেন গ্লাসে করে খেলেও হবে। এখানে দয়াল নবীর হাদিসটা গুরুত্বপুর্ণ, যেখানে এক ব্যাক্তির চেহারায় প্রথমে বিরক্তি থাকে, দুধ খাওয়ার পরে সেখানে বিরক্তি কেটে যায়। মাথায় বুদ্ধি থাকলেই বোঝা যায় সেখানে সরাসরি দুধ খাওয়া হয়েছিল নাকি গ্লাসে ঢেলে।
অিনেকত বলেছেন:
আপনি + সৌদি আরব -
বুকের দুধ কি স্তুন চুষে খাবে নাকি কোনো পাত্রে মুখ ডুবিয়ে খাবে?
পুরষরা ওই দুধ পান করবেন ঠিকই, তবে সরাসরি মেয়েদের স্তন থেকে নয়। এই কথাটা লেখক কেন বাদ দিয়েছেন?
লেখক প্রথম কয়েক প্যারা টুকে দিলেও শেষ প্যারা টুকেনি। এতে তার অসততা প্রমাণ করে।
লেখক কয়েক ধাপে তার পোষ্ট এডিট করেছে। বাংলাদেশের পতিতাদের পর্যন্ত সে কোট করেছে। এটা তার চামড়া বাচানোর জন্য জানপ্রাণ চেষ্টার প্রচেষ্টা।
দেশের খোজ নাই কোন ছৌদি আরবের ফতুয়া নিয়ে তাফালিং। জুটে যায় কিছু চামুচ বাহিনীও। আজব দেশে থাকি।
লেখক বলেছেন: কারো লেখা থেকে কোট করা মানে পুরো লেখা ছাপানো নয়।
সৌদি আরবে ৭০ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধাকে দোররা মারা এবং জেল দেয়া হয়েছে কারণ তিনি নিকট সম্পর্ক নয় এমন দুজন পুরুষকে রূটি খাইয়েছেন! লিংকটি দেখুনঃ
Click This Link
এখানে কোন অসততা নাই। বাংলাদেশী পতিতাদের কথা প্রথম থেকেই ছিল। পরে যোগ করার অভিযোগ সঠিক নয়।
রুদ্রমরু বলেছেন:
হায় রে, কেমনে কি
ঊষালগ্ন হুতাশন বলেছেন:
এচলাম রকস \m/.
ধর্ম নিয়ে আমার কোনো কালেই কোনো আকর্ষন নাই, তেমন অন্ধ আক্রোশও নাই।
তোমরা নামাজ পড়িও না, নাপাক অবস্থায়।
কেউ যদি প্রথম লাইন কোট করে যুদ্ধ শুরু করে দেয় তখন সেকাজকে আপনার বিবেক কি হিসাবে দেখে?
সুদিনের বার্তা বলেছেন:
অনেকেই খালি সৌদি লিঙ্ক লিঙ্ক করে চিল্লাচ্ছেন। এই রইলো সৌদি লিঙ্ক। কিন্তু আরবী না পড়তে পারলে আমাকে দোষ দিবেন না। গুগল ট্রান্সলেট/বিং ট্রান্সলেট দিয়ে অনুবাদ করে পড়ে নিতে পারেন। সৌদিরা কত বড় খবিশের জাত একটু ভালো করেই দেখুন। Click This Linkএই সৌদি রিপোর্টের উওর বেজ করে নিউজ করে aolnews
Click This Link
সোমহেপি বলেছেন:
আমার মনে হয় আপনি বুঝাতে চেয়েছেন যে,দুগ্ধ দানকারী পশুর মত নারীকে দোহন করে তার দুধ খেতে হবে এটাই বা ইমাম সাহেবের কোন সভ্য মানসিকতা? সহমত
আমাদের দেশেও দেখি ধর্ষিতা মেয়েদেরকে ধর্ষিত হয়েছে কিনা তা যাচাই করতে ২য়বার ধর্ষন করা হয়
বর্বরতার অবসান চাই
স্বপ্নকথক বলেছেন:
তেলাপুকা ছাগু, আমার লিংকগুলার জবাব দে। লেখকের পিচনে লাগছছ কেন, আমার লগে আয়, দেহি কত পারোস!
ক্ষ বলেছেন:
সৌদি দুদু খাইতে মনচায় . আচ্ছা আমার একটা বুদ্ধি আইছে .....সমস্ত মেয়েদের থেইকা একটু একটু দুদু নিয়া তা গুড়া দুদু বানাইয়া বাজার জাত করলেই তো হয়!আরেকটা প্রশ্ন
ইসলামে ২.৫ (আড়াই) বছরের উপরের কোন মানুষের মাতৃদুগ্ধ পান করা সম্পূর্ণরূপে হারাম
আমার জানা মতে অনেক মানুষ তিন চার বছর পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ পান করে . এটা সাধারণত হয় দুদ চারটে না পড়ার বদ অভ্যাসের কারণে এবং মায়েরাও স্নেহ বশত দিয়ে থাকে...তাগো ব্যপারে ফতোয়া কি ?
লেখক বলেছেন: সৌদি আরব সে দেশে মার্কিন সৈন্য ঘাটি করতে দিয়েছে। সম্প্রতি তার আকাশ সীমা দিয়ে ইরানে বিমান হামলা চালানোর জন্য ইসরায়েলকে অনুমতি দিয়েছে। কে জানে আজকের নিও লিবারাল বাজার অর্থনীতির যুগে সৌদিরা কোন বহুজাতিক কোম্পানীর সাথে যোগসাজসে নারী দুগ্ধ বাজারজাতের পরিকল্পনা করছে কি না! হয়তো সে কারনেই সৌদি আরব ও মিসরের দুইজন জাদরেল মোল্লাকে দিয়ে ফতোয়া ঘোষণা করিয়েছে। কে জানে!!
েফসসৌদি আরবে একজন প্রভাবশালী ইমাম ফতোয়া জারি করেছেন
ফতোয়া জারি তো মুখে মুখে হয়নাই অবশ্যই লিখিত হইছে কি ধরনের বাক্য ব্যাবহার করা হইছে সেটা নির্ণয় করবে খবরের সত্যতা ।।
Click This Link
এছাড়া, এ ব্যাপারে বিস্তারিত বোঝার জন্য নিচের এ পোস্ট দেখতে পারেন,
http://www.peaceinislam.com/abdullahgali/6796/
সব জানা থাকা সত্বেও তারা শুরু করলেন এই পোষ্টটিকে ভূয়া, মনগড়া বলে। আস্ফালন করে নোংরা মন্তব্যও তারা করলেন। হিপোক্রাসীর একটি লিমিট থাকা উচিৎ।
তবে ভাব শিশ্যরা যাই লেখেন না কেন সেই সৌদি ইমাম শেখ আল ওবেইকান বা মিসরীয় হাদিসবেত্তা ইজ্জৎ আত্তিয়া কিন্তু তাদের ফতোয়া প্রসঙ্গে কোন প্রশ্নের জবাব বা ব্যাখ্যা দেন নি।
লিঙ্ক দিলাম আমি আর মেরিনার। মেরিনারের ব্যাপারটা না হয় উনি এসেই বলুক। আমার ব্যাপারে আপনার করা উক্ত মন্তব্য কি ঠিক আছে?
আর ডঃ ইজ্জতের ব্যাপারে এখানে দেখতে পারেন,
Click This Link
হেমায়াত উল্লাহ বলেছেন:
সৌদি আরবে ১ কোটিরও বেশী লোক খ্রীষ্টান সেটি কি কেউ জানেন??দুএকজন খারাব কাজ করতেই পারে। আর সৌদি বিরুধীরা পয়েন্ট হিসেবে নিয়ে স্বীয় স্বার্থ আদায় করে। পৃথিবীর সবাই যে একে বারে ফেরেস্তা সেটা বলা যাবেনা।
আমি কিন্তু আবার জামাত/শিবিরের কেউনা। কলেজের ছাত্র।
লেখক বলেছেন: সেই এক কোটির কেউ সৌদি নাগরিক নন। এদের মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রবাসী শ্রমিক, ব্যবসায়ী, দূতাবাস কর্মচারী, আমেরিকান ও বৃটিশ সৈন্য, (আমেরিকান পোষাকে ইসরায়েলী সৈন্য খৃষ্টর/ইহুদি সব), এই ধরণের সব লোক আছে।
সৌদি আরবে আমেরিকার সামরিক ঘাটি, ইরানে হামলার জন্য সৌদি বাদশাহ কর্তৃক ইসরায়েলকে তার আকাশ সীমা ব্যবহারের অনুমতি দান--- ইত্যাদি কারণে কোন সৌদি ভক্ত যদি জামাত/শিবির না হয়েও অতি উচ্চ গলায় কথা বলে, আর তাকে যদি কেউ ইসরায়েলী মোশাদের লোক বলে মনে করে তাহলে কি তাকে দোষ দেয়া যাবে?
আমরা বিশ্বাস করতে চাই যে, হেমায়েত উল্লাহ এবং তার মত যুবকেরা ঐ প্রকৃতির নন।
অলস ছেলে বলেছেন:
হহাহাহাহা। খুব ভালো লাগলো। সৌদিরা কুব খারাপ, খুব খারাপ, পবিত্র জাত বাংলাদেশ বুম মেরে দিক।যাইহোক, কয়দিন আগে আপনার হার্টের অপারেশন না কি হয়েছিলো। একটু সাবধানে থাকেন, এই বয়সে প্বার্শ চাপ হিতে ভচকানী হয়ে যেতে পারে।
~অন্ধ~ বলেছেন:
অলস ছেলে,যাইহোক, কয়দিন আগে আপনার হার্টের অপারেশন না কি হয়েছিলো। একটু সাবধানে থাকেন, এই বয়সে প্বার্শ চাপ হিতে ভচকানী হয়ে যেতে পারে। এই পার্শ্বচাপ কি দুধ খাওয়ার ইচ্ছা থেকে সৃষ্টি হওয়ার কথা বোঝালেন?
লেখক বলেছেন: গাজা আর ফিলিস্তিনের দুর্ভোগ এবং ইরাকের জনগনের দুঃখ কষ্টের দিকে তাকালে সৌদি আরবের দুস্কর্মের কথা বেশী করে মনে পড়ে। চাপ আর পাশ্বর্চাপ যাই হোক সেখান থেকে আসে।
অন্ধ বলে হয়তো অনেকের সেটা চোখে পড়ে না।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
@ অন্ধচাচা মিয়া বলগের হিট হিট খেলার রহস্য বুইঝা ফালাইসে!
পিছন থাইকা ঠেস দেওয়ার জন্য দুই একটা ব্যাটম্যান অলওয়েজ রেডি!
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
পোস্টার যে পুরাই আওয়ামীলীগ তা এই পোস্টে প্রমাণিত! এই সাইকোরা নিজেদের সমস্যাকে সব জায়গায় ছড়ানোর চেষ্টা করেন! মিডিয়ার বড় অংশের কাজ হইলো বিচিত্র ও সাইকোটাইপের খবর পরিবেশন করে ব্যবসার পাশাপাশি সাইকোলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট দেয়া! এসব ক্ষেত্রে সোর্সের গুরুত্ব তাদের বিবেচনায় না আসারই কথা! যেমন আমাদের দেশে গ্রামে-গঞ্জে কোন কাঠ মোল্লা বা মেম্বাররা কি বলল, আর সেটাকে ফতোয়া বলে মিডিয়া পরিবেশন করে! এখানে খবর পরিবেশন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ফতোয়াকে দোষারোপ করা, যেটা প্রকারন্তরে ইসলামকেই দোষারোপ করা বুঝায়! যেখানে পরিস্কার বিধান থাকা সত্ত্বেও কারো হীন স্বার্থে এরুপ অরুচিকর সংবাদ পরিবেশন করাটা সাইকো পাবলিকের পক্ষেই সম্ভব!
লেখক বলেছেন: পছন্দ হলে, মনে ধরলে ৭১ এর খুনী, ধর্ষকও "হুজুর", "আল্লামা" কত কী! আর মনে না ধরলে, মতে না পড়লে সব আওয়ামীলীগ। সুন্দর সহজ সরল তত্ব। যার যার কথা ভাল লাগে না, সব আওয়ামীলীগ। এই না হলে কথা....!!!!!
ফতোয়াবাজরা যখন ফতোয়াবাজী করে ধরা পড়ে তখন বলতে চায় যে তাদের নিন্দা কারীরা ফতোয়ার বিরুদ্ধে কথা বলছে, ফতোয়াকে খারাপ বলছে, ইত্যাদি। এটা তাদের বহু পুরাতন রোগ।
দেশের মানুষ এখন ফতোয়া আর ফতোয়াবাজীর পার্থক্য পরিস্কার ভাবেই বোঝে।
বল্টু মিয়া বলেছেন:
পইড়া এতো খারাপ লাগলো।এই কারনেই সারা বিশ্বে মুসলমানরা অনেক দুর্দশা শিকার।সব তো আল্লাহরই ইচ্ছা।তার গজব এই পুরতাছে সবাই।
অলস ছেলে বলেছেন:
অন্ধ: কি জবাব দিমু। ঘটনা প্যাচ খাইসে।
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন:
প্রথমেই বলতে হয় ইসলামের নামে আমাদের মুসলিম সমাজে অনেক বিভ্রান্তিকর- হাস্যকর ব্যাপার আছে যা মুলত কেবল ইলামের নামে প্রচার হয় অথচ এতে বৃহত্তর মুসলিম জাতির কোন ঐক্যমত তো নেই উপরন্তু এর বিরোধী সিদ্ধান্তে মুসলিম স্কলারদের এজমা রয়েছে । যেমন কিছুদিন আগে এই বয়ষ্কদের দুধপান করানোর মাসলার সাথে আরো একটি মাস্আলা দেখছিলাম একজন শিয়া আলেম বলছিলেন: কিভাবে ঘরের পরপুরুষ চাকর বাকরদের সাথে পর্দা রক্ষা করা যায় । তিনি বলছিলেন আপনার ঘরে যদি কোন মেয়ে থাকে তাকে একদিন বা কয়েকঘন্টার জন্য সেই চাকরের সাথে বিয়েদিন তাহলেই সে আপনার কাছে মাহরাম হয়ে গেল এবং তারসাথে পর্দার প্রশ্নটি বাকী থাকলো না। !!! আবার কেউ হয়তো সুন্নীদের কথিত এই ফতোয়া, যেখানে দুই বছরের বেশী বয়স্ক অথবা সোজা কথায় একজন পূর্ন বয়ষ্ক লোকের ব্যাপারটি আসবে সে যদি কোন মহিলার দুধ পান করে তবে তার সাথে বৈবাহিক তাহরীমের হুকুম বা পর্দা না করার ব্যাপারটি আসবে কিনা।এগুলো মুলত কিছু মোনাফিক, মুসতাশরিকদের গবেষণা থেকে ইসলামকে ক্রিটিসাইজ করার ব্যর্থ চেষ্টা, যারা ষ্পষ্ট হুকুমগুলোর ধারে কাছে না গিয়ে সন্দেহ ও সংশয়পূর্ন কিছু ঘটনা নিয়ে আলোচনা করে এবং এ নিয়ে বলে বেড়ায়। আমরা সকলেই অবগত ইসলাম প্রথমযূগে তার পরিপূর্ণ হুকুম সমেত উপস্থাপিত হয় নি, বেসিক কিছু আমরা সবাই জানি যে একসময় সাহাবগন শরাব খেয়েও নামাজে আসতেন, তখন শরাব হারাম হয়নি, মানুষের দীর্ঘদিনের অভ্যাস থেকে আচমকাই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাই প্রয়োজনের খাতিরে সাময়িক কিছূ হরাম বিষয়কে বৈধ করা হয়েছিল, যা পরবর্তিতে মানুষের জন্য স্থায়ীভাবে হারাম করে দেয়া হয়। যেখানে প্রথমে সরাসরি শরাবকে নিষেধ করা হয়নি বরং পর্যায়ক্রমে তা হয়েছিল । যেমন যুদ্ধ ক্ষেত্রে মুতার বিষয়টিও প্রাথমিক ভাবে অনুমোদন এমন আরো অনেক বিষয় যা পরবর্তিতে স্পষ্ট কোরানের আয়াত, অথবা হাদীস বা এজমায়ে সাহাবার মাধ্যমে নিষিদ্ধ হয়। এবং সেই প্রয়োজন দ্বিতীয়বার ফিরে আসার কোন সুযোগ নেই।
সরাসরি সহিহ হাদিস যদি কোরানের কোন আয়াতের স্পষ্ট হুকুম বিরোধী হয় , আর সেই আয়াত মানসুখ হবার স্পষ্ট দলীল না থাকে তবে সেই হাদিসের উপর আমল করা হয় না বরং আয়াতর উপর আমল করা হয়। এ ক্ষেত্রে সহিহ হাদিসটিকে কয়েকভাবে ব্যাখা করা হয় যেমন খাস লিল হুকুম, খাস লি নাফছ, খাস লিয যারফ্ ইত্যাদি । অর্থাত কোনটি ব্যক্তির জন্য নির্দিষ্ট যেমন রসূল স এর বহুবিবাহ, এক সাহাবীর কাফ্ফারার পয়শা তিনি নিজে খাওয়ার অনুমতি প্রভৃতি হল ব্যক্তির জন্য নিদৃষ্ট বা খাস লি নাফছ এর উদহারণ। মুতার ব্যাপার টি যুরুফ বা সময়ের জন্য, এবং এ জাতিয় আরো অনেক বিশেষ কাজ বিশেষ ব্যক্তি ও সময়ের জন্য নির্ধরিত হবার প্রমান পাওয়া যায়।
আমি প্রথমেই দুধ পান করানোর ব্যাপারে কোরানের একটি আয়াত পেশ করবো:
وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلاَدَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ “আর মাতৃজাত তাদের সন্তানদের পরিপূর্ণ দুই বছর দুধ পান করাবেন। ”
فعن ابن عباس قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم “ لا يحرم من الرضاع إلا ما كان في الحولين ” وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : ” لا يتم بعد حلم ولا رضاع بعد فصال ” وقال صلى الله عليه وسلم ” إنما الرضاعة من المجاعة ” ইবনে আব্বাস রযি আনহু থেকে বর্নিত রসূল স: বলছেন রেযাআহ এর মাধ্যমে যে হারাম হবার হুকুম তা কেবল শিশু দু্ইবছরের ভিতরের রেযাআহ বা দুধপান” “ফেসাল বা দুধ ছাড়ানোর পরে তা রেযাআহ বলে ধর্তব্য নয়” “যখন বাচ্চাদের দুধের চাহিদার (দুধ ছাড়া অন্য সাধারণ খাবাএর উপযোগীতা না থাকা ) সময় থাকে তাকেই রেযাআহা বলা হবে” সুতরাং হাদীসের হুকুম খুবই ষ্পষ্ট, দুই বছরের বেশী দুধ পান না করানোকেও গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে। এসব স্পষ্ট হুকুম বাদ দিয়ে কিছু সন্দেহমূল বর্ননা যা আমি একটু পরো আলোচনা করবো তার পিছে পড়া নিশ্চয় গোমরাহী ও নেফাকের পরিচয়, আর রাফেজী-খারেজী ও মুসতাশরিক ও নাস্তিকরা মুলত এগুলো আলোচনা কে ইসলাম হেয় করার জন্য, কোন গ্রহণযোগ্য ধর্মীয় স্কলার কখনোই এগুলোর আলোকে কদর্যপূর্ন ফতোয়া প্রদান করেন না।
এরপর আসুন দুধপান করানোকে এখানে আরবীতে رضاعة রাদাআহ যে শব্দে বর্ননা করা হয়েছে তার অর্থ ও তাহকীক করি।
আহলুল লুগাহ বা আরবী ভাষাবিদগন স্পষ্টই বলছেন রদাআহ হলো স্তন চুষে দুধ খাওয়ানো বা খাওয়া । রাদাআহ এর অর্থ আমাদের পরিষ্কার বুঝতে হবে : ” স্তন থেকে চুষে কাউকে দুধ খেতে দেয়া” নতুবা আমরা সবাই গবাদী পশুর দুধ পান করি, এবং গবাদী পশুর দুধ পান করার কারনে একজন মেয়ের সাথে একজন ছেলের তাহরীম বৈবাহিক সম্বন্ধ নিষিদ্ধ হয় না। দুধকে কোন পাত্রে নির্গমন করে তা পান করারোনে আরবীতে তাহলিব বলা হয়, ইরজা বা রেজায়া হ বলা হয় না ।
অনুরুপ কোন মহিলার দুধ নিষ্কাষন করে কোন প্রাপ্ত বয়ষ্ক পুরুষ ও মহিলাকে পান করানো হলে তাদের মধ্যে তাহরীম বৈবাহিক নিষদ্ধতা প্রয়োগ হবে না। এবার প্রাপ্ত বয়ষ্ক মাহরাম পুরুষকে দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারটিতো আরো পরিষ্কার হবার কথা। কারণ কোন প্রপ্ত বয়ষ্ক লোকের পক্ষে তার স্ত্রী ব্যতি অন্য কোন মাহরাম বা গায়রে মাহরাম মহিলার দুধ চোষা তো দুরের কথা দেখার প্রশ্নকে ও ইসলাম সম্মত ভাবার সুযোগ নেই। তারপরো ভেংঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন মনে করি। যেহেতু হযরত আয়েশা রযি আনহা এর ব্যাপারে কয়েকটি বর্ণনা এভাবেই পাওয়া যাচ্ছে: سنن أبي داود:
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ أَبَا حُذَيْفَةَ بْنَ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ بْنِ عَبْدِ شَمْسٍ كَانَ تَبَنَّى سَالِمًا وَأَنْكَحَهُ ابْنَةَ أَخِيهِ هِنْدَ بِنْتَ الْوَلِيدِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ رَبِيعَةَ وَهُوَ مَوْلًى لِامْرَأَةٍ مِنَ الْأَنْصَارِ كَمَا تَبَنَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَيْدًا وَكَانَ مَنْ تَبَنَّى رَجُلًا فِي الْجَاهِلِيَّةِ دَعَاهُ النَّاسُ إِلَيْهِ وَوُرِّثَ مِيرَاثَهُ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى فِي ذَلِكَ ( ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ ) إِلَى قَوْلِهِ ( فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ ) فَرُدُّوا إِلَى آبَائِهِمْ فَمَنْ لَمْ يُعْلَمْ لَهُ أَبٌ كَانَ مَوْلًى وَأَخًا فِي الدِّينِ فَجَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو الْقُرَشِيِّ ثُمَّ الْعَامِرِيِّ وَهِيَ امْرَأَةُ أَبِي حُذَيْفَةَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا كُنَّا نَرَى سَالِمًا وَلَدًا وَكَانَ يَأْوِي مَعِي وَمَعَ أَبِي حُذَيْفَةَ فِي بَيْتٍ وَاحِدٍ وَيَرَانِي فُضْلًا وَقَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِيهِمْ مَا قَدْ عَلِمْتَ فَكَيْفَ تَرَى فِيهِ فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَرْضِعِيهِ فَأَرْضَعَتْهُ خَمْسَ رَضَعَاتٍ فَكَانَ بِمَنْزِلَةِ وَلَدِهَا مِنَ الرَّضَاعَةِ فَبِذَلِكَ كَانَتْ عَائِشَةُ رَضِي اللَّهم عَنْهَا تَأْمُرُ بَنَاتِ أَخَوَاتِهَا وَبَنَاتِ إِخْوَتِهَا أَنْ يُرْضِعْنَ مَنْ أَحَبَّتْ عَائِشَةُ أَنْ يَرَاهَا وَيَدْخُلَ عَلَيْهَا وَإِنْ كَانَ كَبِيرًا خَمْسَ رَضَعَاتٍ ثُمَّ يَدْخُلُ عَلَيْهَا وَأَبَتْ أُمُّ سَلَمَةَ وَسَائِرُ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُدْخِلْنَ عَلَيْهِنَّ بِتِلْكَ الرَّضَاعَةِ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ حَتَّى يَرْضَعَ فِي الْمَهْدِ وَقُلْنَ لِعَائِشَةَ وَاللَّهِ مَا نَدْرِي لَعَلَّهَا كَانَتْ رُخْصَةً مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِسَالِمٍ دُونَ النَّاسِ.
উক্ত হাদীসে বলা হচ্ছে : ” হযরত আয়েশা ও হযরত উম্মে সালমা রযি: থেকে বর্নিত : আবু হুযায়ফা সালেমকে পালক ছেলে রেখেছিলেন, এবং তার ভাতিজি হিন্দ বিনতে ওয়ালিদের সাথে সালেমকে বিয়ে দিয়েছিলেন, আর (যে ওয়ালিদের কন্যার সাথে সালেমের বিয়ে হয় সেই ওয়লীদ ) এক আনসারী মহিলার মাওলা (দাসপ্রথার একটি হুকুম যা তখন প্রচলিত ছিল এ ব্যাপারে পরে বিস্তারিত বলা যাবে) ছিলেন। তাদর এই পোষ্য ব্যাপরটি ছিল রসূল স: এবং যায়েদের মত । আর তখনকার জাহেলী যূগে প্রথা এমন ছিল যে পোষ্য তার পালকের মীরাছ পেত , কিন্তু যখন আল্লাহ ( ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ ) إِلَى قَوْلِهِ ( فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ ) (তোমরা তাদেরকে তাদের পিতার পরিচয়ে ডাকবে) আয়াতের মাধ্যমে তা নিষিদ্ধ করে দিলেন তখন পোষ্যদেরকে তাদের আসল পিতার পরিচয়ে ডাকা হতো , আর যাদের পিতৃ পরিচয় পাওয়া যেত না তাদের মাওলা বলা হতো এবং দ্বীনের খাতিরে (সাধরণ মুসলিম ) ভাই বলা হত । অতপর সাহলা যিনি আবু হুযায়ফার স্ত্রী রসূল স: এর কাছ এসে বল্লেন: হে আল্লাহর রসূল আমরা তো সালেমকে নিজের ছেলের মতো জানতাম, এবং সে আমাদের কাছে আসা যাওয়া করতো, এখন আল্লাহ উক্ত হুকুম নাজিল করেছেন যা আপনি জানেন, এখন তাকে নিয়ে আমরা কি করবো? তখন রসূল স: বল্লেন: أَرْضِعِيهِ فَأَرْضَعَتْهُ خَمْسَ رَضَعَاتٍ فَكَانَ بِمَنْزِلَةِ وَلَدِهَا مِنَ الرَّضَاعَةِতুমি তাকে দুধ পান করাও, অতপর তিনি তাকে পাচবার দুধপান করালেন এবং তাদের মধ্যে মা ও ছেলের সম্পর্ক হলো দুধের দিক থেকে । ” আয়শা রযি: এই ঘটনার ভিত্তিতে তার ভাই ও বোনদের মেয়েদেরকে বলতেন তোমরা يُرْضِعْنَ مَنْ أَحَبَّتْ عَائِشَةُ أَنْ يَرَاهَا وَيَدْخُلَ عَلَيْهَا وَإِنْ كَانَ كَبِيرً তোমরা ছেলেদেরকে দুধ খাওয়াবে যদি তাদেরকে আমার কাছে পাঠাতে চাও যদিও তারা বড় হয়ে থাকে! আর উম্মে সালমা রযি সহ বাকি সকল উম্মাহাতুল মুমিনিন এ বিষয়টি মানতেন না, এবং উক্ত রেযাআর মাধ্যমে যারা মাহরাম হয়েছিল তাদেরকে নিজেদের কাছে আসতে দিতেন না। তারা কেবল কোলের বাচ্চার ব্যাপারেই অনুমতি দিতেন এবং হযরত আয়েশা রযি এর ব্যাপরে বলতেন وَاللَّهِ مَا نَدْرِي لَعَلَّهَا كَانَتْ رُخْصَةً مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِسَالِمٍ دُونَ النَّاسِ আল্লাহর কসম এটা রসূল সল্লাল্লাহু আল্ইহে ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে দেয়া হযরত আয়শার জন্য ব্যক্তিগত সুযোগ, যা কেবলি তার জন্য খাস অন্য করাও জন্য নয়। ” আবুদউদ ১৭৬৪নং হাদীস।
সুতরাং বিষয়টি এই বর্ননায় অত্যন্ত পরিষ্কার যে ইসলামে বিশেষ ব্যক্তির জন্য অতিবিশেষ কেবলি তাদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনের খাতিরে কিছু রুখসত বা সুযোগ দেয়া হয়েছে, যার আলোকে সেই হুকুম অন্য করারো জন্য সাব্যস্ত করার সুযোগ নেই।
সূত্র :
১। আহলুল হাদীস.কম ইমাম শাফেয়ী ও ইবন বায ও ওসায়মীন এর ফতোয়া
২। স্যন্ডরোজ ফোরাম/ বয়ষ্কদের দুধপান নিয়ে হাদীসের সংকলণ।
নিশম বলেছেন:
বেদুইন ভাই - ধন্যবাদ স্পষ্ট ব্যাখার জন্য !৬৯ নং কমেন্টের বিপরীতে কাউকে অবস্থান নিতে দেখলাম না এখন ??? সবার কি দুধ খাওয়া শেষ ?
সৌদিদের কুরুচিকর যৌনতা বিষয়ে আমার দ্বিমত নাই। সৌদিদের আসলে কোন সম্প্রদায়ের মধ্যেই ফেলা যায় না। মুসলিমদের ধারকবাহক বলে তারা ফালাফালি করে অথচ বাত্তির নিচে অন্ধকার। ওরাই পৃথিবীর সবচেয়ে বর্বর জাতির মধ্যে অন্যতম এক জাতি।
@ লেখক,
আপনার অভিযোগের কোনো নির্দিষ্ট আকার নাই। অভিযোগটা কার বিরুদ্ধে- সৌদিদের নাকি ইসলামের বিরুদ্ধে? সৌদিদের বিরুদ্ধে হলে বলা যায় আপনি এমন আরো অনেক ভিনধর্মী দেশ আছে তাদের নিয়েও লিখবেন
। আমাদের পাশের দেশ নিয়েও লিখতে পারেন। ফাকিস্তান, ইন্ডিয়াতো বেশিদূর না। @ স্বপ্নকথক,
আমি আশ্চর্য হই, তুমি সামলাও কিভাবে? তোমার পায়ুপথে আমি কবে বাশ ঢুকাইলাম?
হাসান মোহাম্মাদ বলেছেন:
এই সব কুকুরগুলো সৌদী রাজ পরিবারে বসার পর থেকেই তাদের অপকর্ম শুরু করে দিয়েছে। নবীর দেশকে করেছে নোংরা। সুধু নবীর দেশ না হলে হয় তো আল্লাহ অনেক আগেই এদেরতে ধ্বংশ করে দিতেন।
মানুষ বলেছেন:
আরবদের যেইটুকু ঘিলু আছে সেইটাও লিঙ্গের মাথায়।
হাসান মোহাম্মাদ বলেছেন:
ধৃর্ধর্ষ বেদুইন আপনি আপনার দুর্বল হাদীসটি সরিয়ে নিন। এই হাদীসটি আমার মনে হচ্ছে মিধ্যা। ইসলামের নামে এই ধরনের হাদীস প্রচার করবেন না।
জাহিদ মাসুদ বলেছেন:
News এর link গুলা এখানে দেখেন.BBC:Fatwa of 2007 at Egypt: Breastfeeding fatwa causes stir
Click This Link
NYTimes: Saudi clerics issue fatwa okaying adult breast-feeding as way of circumventing Islamic law
Click This Link
Wikipedia Article: Al-Azhar fatwa controversy
http://en.wikipedia.org/wiki/Rada_(fiqh)#Al-Azhar_fatwa_controversy
জাহিদ মাসুদ বলেছেন:
Sorry, একটু mistake হয়েছে; ওটা NYTimes হবে না; NY Daily News হবে।
মোঃ আরিফ রায়হান মাহি বলেছেন:
সৌদিতে এখন ওহাবী ফতোয়া চলে, আর ওহাবীরা হল ইসলামের জন্য চরম শত্রু।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















কত অজানা রে