somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ভেজা মুহূর্ত একটু না হয় হাসি-ঠাট্টায় কাটুক :) ( ১৯+ ;) )

৩১ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমেই নিঃসঙ্গ পথিক এর দুঃখ দিয়ে শুরু করি ।
আমি... (আমি অর্থাৎ আমি না কিন্তু! সে নিঃসঙ্গ পথিক )
খুব অসহায়।
আগে ছিলাম না। হয়তো ছিলাম, কিন্তু এতটা নয়।
বেড়ে উঠছিলাম সম্পুর্ন নিজের মত করে। ছিলাম পুরো খ্যাত। ভয় পেতাম সবকিছুকে।
তবে আমার বুকে ছিল অনেক আশা।
হয়তো তোমাদের কাছে সেইগুলো অনেক ছোট, কিন্তু আমার কাছে ছিল অনেক বড়।
বাঁচতাম সে সবের জন্যেই। নিজের পথে হাঁটতাম একা একা।
না ছিলো কোনো গন্তব্য, না ছিলো কোনো উদ্দেশ্য।
অবশ্য যার স্বপ্ন আশার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই তার আবার কিসের উদ্দেশ্য থাকতে পারে?
বাঁচতাম না নিজের জন্যে, বাঁচতে হবে বলে বেঁচেছিলাম।

ছোট থেকেই অনেক অবহেলার মাঝে বড় হয়েছি। তখন বুঝতাম না অবহেলা পাবার কষ্ট। হয়তো ছোট ছিলাম বলে। ভাবতাম অবহেলা হবে কেনো সেইটা? কিন্তূ তখনো বুঝিনি আমি কল্পনার মাঝে ছিলাম।
যেই আমার প্রতি একটু ভালবাসা দেখাত আমি তার মাঝেই নতুন করে বেঁচে উঠবার স্বপ্ন দেখতাম, তাদের হাত ধরে পথ চলতে চাইতাম। আমি কখনো বুঝিনি যে আমি তাদের হাত ধরতে গিয়ে খড়কুটোও ধরতে পারিনি।
ধরবো কিভাবে? তারা যে কখনো আমার দিকে হাত বাড়িয়েই দেয়নি।

একা একা চিৎকার করে কাঁদতাম। কিন্তু আমার চোখের জল কেউ মুছে দিতে আসত না। নোনা জল আপন মনেই শুকিয়ে যেত।
কষ্ট পেতাম এই ভেবে যে, একটিবারের জন্যেও কেউ কি আমার পাশে দাঁড়াবে না? আমার হাত ধরে আমাকে পথ চলতে শেখাবে না?
জীবনকে ঠিক মত বুঝে উঠবার আগেই আমি হয়ে গেলাম একা, বড় নিঃসঙ্গ।

অনেক ছোট থাকতেই বাবা মা আমার হাত ছেড়ে দিয়েছিল।
আমাকে নিজের মত করে, স্বাধীন ভাবে বেড়ে উঠবার জন্যে, পৃথিবীকে বুঝতে শেখানর জন্যে।

আজ আমি অনেক বড়। অনেক প্রতিকূলতার মাঝে আমি নিজেকে আজ একটু একটু করে বুঝতে শিখেছি, পৃথিবীতে একা একা পথ চলতে শিখেছি।

আজ আমার হাত শূণ্য।
নেই কোনো পিছুটান, নেই কোনো মায়ার বাঁধন।
কোটি মানুষের ভীড়ের মাঝে একা একা আমার এই পথ চলা।
কোথা থেকে শুরু হয়েছিল তা আমার মনে নেই আর কোথায় শেষ হবে তাও জানি না।
শুধু জানি আমার চলতে হবে, অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।
নিঃসঙ্গতাই আমার একমাত্র সঙ্গী।

চলতে চলতে আমার পা আজ ক্ষত-বিক্ষত, তবু আর কষ্ট হয় না...
আমার চোখে আর জল নেই, কষ্টে আর বুক ফেটে যায় না...
কারো হাত ধরতে আর ইচ্ছা করে না...
কারো ভালবাসা পাবার আশা আর আমার মনে জাগে না...
আর কারো সঙ্গ পেতেও ইচ্ছা করে না...
কারো প্রতি আমার আর কোনো অভি্যোগ নেই, নেই কোনো অভিমান...

হয়তো আমার অনুভুতি গুলো ভোঁতা হয়ে গেছে, হয়তো চোখের জল শেষ হয়ে গেছে।

অসীম শুন্যতার মাঝে নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করে আজ থমকে দাঁড়িয়েছি আমি।
আমার সামনে ধুধু বালুচর......
মাথার উপর তপ্ত সুর্য......
তৃষ্ণায় আমার বুক ফেটে যাচ্ছে.........
পেছনে ফিরে যাবার কোনো পথ নেই......
সামনে এগিয়ে যাবারও কোনো উপায় নেই......
তবুও আমার এগিয়ে যেতে হবে, পাড়ি দিতে হবে এই অসীম পথ.........

বুকফাটা তৃষ্ণা নিয়ে অজানার পথে হেঁটে চলেছি.........
আমি নিঃসঙ্গ পথিক.......
---------------------------------------------------
-
-
-
-
-
-
-
একদা এক বিবাহিত রমনী হাটতে হাটতে ফাঁদে আটকানো এক ব্যাঙ কে দেখে উদ্ধার করল।ব্যাঙ খুশী হয়ে রমনীকে তিনটা ইচ্ছা প্রকাশ করতে বলল,যা সে পূরন করবে কিন্তু শর্ত হলো রমনীর পুরনকৃত ইচ্ছার চেয়ে ৫ গুন স্বামীকে প্রদান করবে।

রমনী খুশী হয়ে ১ম ইচ্ছা বলল," আমি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতে চাই"
ব্যাঙ," চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন সুন্দর হবে"
রমনী," সে আমার স্বামী,আমি তাকে সুন্দর দেখতে চাই"
ব্যাঙ রমনীর স্বামীর প্রতি প্রেম দেখে খুশী হয়ে ১ম ইচ্ছা পূরন করলো।

রমনী এবার তার ২য় ইচ্ছা বলল," আমি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা হতে চাই"
ব্যাঙ," চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন ধনী হবে"
রমনী," সে আমার স্বামী,তার সম্পদ আমার,আমার সম্পদ তার"
ব্যাঙ খুশী হয়ে ২য় ইচ্ছা পূরন করলো।

রমনী এবার ভেবে-চিন্তে তার ৩য় ইচ্ছা বলল," আমি চাই আমার মাঝারী ধরনের হার্ট এটাক হোক"
ব্যাঙ অবাক আর কষ্ট পেয়ে বলল," চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু মারা যাবে"
রমনী,"তা নিয়ে চিন্তা নাই, আরেকটা পাবো"
--------------------------------------------

এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। কিন্তু একমাত্র বাচ্চা কার কাছে থাকবে এটা নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হলো তার।বিচারক প্রথমে মহিলাকে বলল, " বাচ্চা আপনার কাছে রাখার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিন।"
স্ত্রী, "আমি ১০ মাস পেটে ধারণ করেছি এবং জন্ম দেবার সময় কষ্ট ভোগ করেছি, অতএব আমার সন্তান আমার প্রাপ্য"

বিচারক এবার স্বামীর কাছে শুনতে চাইলেন তার যুক্তি।
স্বামী,"হুজুর আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। একটি কয়েন, কফি মেশিনে ফেলার পরে কফি বের হয়ে য়াসলো,এই কফির মালিক কে আমি না কফি মেশিন?"
--------------------------------------------

মিনা বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
একটা ঘরে ঢুকে সে দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের পাশে এক পাগড়ি পরা যুবক দাঁড়িয়ে।
"স্বাগতম, আমার মালিক।" বললো যুবক। "আমি এই জাদুর চেরাগের জ্বিন। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই।"
মিনা এক নিঃশ্বাসে বললো, "কোটি কোটি টাকা, দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি।"
জ্বিন বললো, "জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক, আমি দীর্ঘদিন এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি ইচ্ছাপূরণের আগে আপনার সাথে কয়েকবার সোহাগ করতে চাই।"
মিনা সানন্দে রাজি হলো(হাজার হইলেও এত সম্পদের মালিক হবে)।
পরদিন ভোরে জ্বিন বললো, "আমার মালিক, আপনার বয়স কত?"
"সাতাশ।" জবাব দিলো মিনা।
জ্বীন,"এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন?"
---------------------------------------------


এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।

ফরাসী বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’

ইতালীয় বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক’বার আদরসোহাগ করেছো?

বাঙালি বললো, ‘একবার।’

ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, ‘তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?’

‘ওগো, থামো, আর না …।
---------------------------------------------


স্বামী-স্ত্রীর সংসারে স্ত্রীকে সর্বদা কুটবুদ্ধি দেয় স্ত্রীর মা।তাই স্বামী বেচারা শাশুড়িকে পছন্দ করে না। সুযোগ পেলে প্রতিশোধ নেয়ার বাসনা রয়ে গেছে তার।

যা হোক একটা দুর্ঘটনায় ভয়ানকভাবে স্ত্রী পুড়ে গেছে খুব বিভৎসজনক ভাবে। ডাক্তার স্বামীকে জানালেন, কসমেটিক সার্জারি করতে হবে। অন্য কোথাও থেকে চামড়া এনে মুখে বসাতে হবে। মহিলার নিজের শরীরের চামড়া এ অবস্থায় সরানো সম্ভব নয়, সমস্যা হতে পারে।
স্বামী তখন তার নিজের শরীর থেকে চামড়া নেয়ার প্রস্তাব দিলেন, ডাক্তারও রাজি হলেন। সফল অপারেশনের মাধ্যমে স্বামীর পাছা থেকে চামড়া তুলে স্ত্রীর মুখে বসানো হলো। স্বামী ডাক্তারকে অনুরোধ জানালেন ব্যাপারটা গোপন রাখার জন্যে।
অপারেশন শেষে দেখা গেলো, স্ত্রীকে আরো সুন্দরী দেখাচ্ছে। আত্মীয়স্বজন তো তাকে দেখে অবাক, চমৎকার অপারেশনের জন্যে ডাক্তারকে প্রচুর ধন্যবাদ জানিয়ে বাড়ি ফিরে এলেন সে দম্পতি।
কিছুদিন পর অন্তরংগ সময়ে স্ত্রী ধন্যবাদ জানালেন স্বামীকে। স্ত্রী গদগদ হয়ে বললেন "তুমি আমার জন্যে যা করলে, তা আমি জীবনে ভুলতে পারবো না গো, এর প্রতিদান আমি দিতে পারবো না"
স্বামী স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বললেন, "ব্যাপার না লক্ষীটি। তোমাকে প্রতিদান দিতে হবে না। যতবার তোমার মা এসে তোমার গালে চুমো খায়, আমার প্রতিদান পাওয়া হয়ে যায়।"
----------------------------------------------


নির্জন পার্ক। ভীরু প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে এক বেঞ্চে বসে আছে। এমন সময় চারদিক ভালো করে দেখে নিয়ে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে আমতা-আমতা করে বলল, ইয়ে মানে .... এই অন্ধকারে যদি আমি তোমার হাতটা ধরে একটা চুমু খাই ... তুমি কি রাগ করবে?
না, তোমাকে ছিঁচকে চোর বলব।
কেন?
কারণ, তুমি হলে গিয়ে সেই চোর যে পুরো একটা গাড়ি চুরি করার সুযোগ পেয়েও শুধু টায়ার চুরি করতে চায়।


-----------------------------------------------


একজন জেনারেল, একজন কর্নেল আর একজন মেজরের মধ্যে তর্ক চলছে-
জেনারেল: সেক্সের ষাট ভাগ পরিশ্রম আর চল্লিশ ভাগ আনন্দ।
কর্নেল: সেক্সের পঁচাত্তর ভাগ পরিশ্রম আর পঁচিশ ভাগ আনন্দ।
মেজর: সেক্সের নব্বই ভাগ পরিশ্রম আর দশ ভাগ আনন্দ।
এ সময় এক জোয়ান এল তাদের কাছে কোন কাজে। তখন জেনারেল প্রস্তাব করলেন, ঠিক আছে ঐ জোয়ানের কাছে জানা যাক সে কি বলে, অন্যরা রাজী হল। তখন সেই জোয়ানের কাছে জানতে চাওয়া হল সে কী ভাবছে এ ব্যাপারে।
জোয়ান:সেক্সের পুরোটাই আনন্দ, কোন পরিশ্রম নেই।
তিনজন একসঙ্গে বলে উঠল, কি করে তুমি এ সিদ্ধান্তে এলে? তখন জোয়ান বলল, স্যার কাজটা পরিশ্রমের হলে তো আমাকেই করতে দিতেন, আপনারা করতেন না।


-------------------------------------------------


সাতাশি বছরের এক বৃদ্ধ বিয়ে করলেন এক তরুণীকে। বৃদ্ধ বউকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন। পরামর্শ চাইলেন কীভাবে তাদের সন্তান হবে।
তখন ডাক্তার তাকে একটি গল্প শোনালেন- এক শিকারী একদিন বনে গেলেন বাঘ শিকার করতে। বাঘও চলে এল একটা। তিনি বন্দুক তুলে নিলেন গুলি করতে, কিন্তু খেয়াল করলেন যে বন্দুকের বদলে তিনি ভূল করে ছাতা নিয়ে এসছেন। কী আর করা, বাধ্য হয়ে ছাতা দিয়েই গুলি করলেন। বাঘও মরল।
কিন্তু এটা অসম্ভব! ছাতা দিয়ে কি গুলি করা যায় নাকি? নিশ্চয়ই অন্য কেউ পাশ থেকে গুলি করেছে।
আপনি ঠিকই ধরেছেন।


-------------------------------------------------
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
১০টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×